একতার কণ্ঠঃ সরকারের পদত্যাগ, সংসদ বাতিল, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন সহ ১০ দফা এবং গ্যাস-বিদ্যুৎ-জ্বালানি-নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য কমানোর দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি।
শনিবার(১১ মার্চ ) সকালে দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে শহরের বেপারীপাড়া শান্তিকুঞ্জ মোড় এলাকায় এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়।
টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, শহর বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান আলীম, জেলা যুবদলের আহবায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি একেএম মনিরুল হক মনির, জেলা তাঁতীদলের সভাপতি শাহ আলম, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী নিলুফার ইয়াসমিন খান, জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক দুর্জয় হোড় শুভ।
মানববন্ধনে বিএনপি সহ দলের অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আহমেদ আযম খান বলেন, দুর্নীতি রাহুগ্রাস করে ফেলেছে তার প্রতিবাদে এই সরকারের পতনের দাবিতে আমরা দীর্ঘদিন যাবত আন্দোলন সংগ্রামে মাঠে আছি। আমাদের আন্দোলন সংগ্রাম জনগনের মুক্তির জন্য, জনগনের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্যে, আমাদের সংগ্রাম জনগনের জন্যে।
আজকে চাল, ডাল, তেলসহ সকল নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধিতে জনগণ হতাশ হয়ে পরেছে। মানুষ ভোট দিতে চায়, নির্বাচন আসে নির্বাচন যায় মানুষ ভোট দিতে পারে না।
তিনি আরো বলেন,আমারা ২০১৪ তে দেখেছি নির্বাচন ছাড়া এ সরকার ক্ষমতায় এসেছে। আবার ২০১৮তে দেখেছি দিনের ভোট আগের রাতে লুট করে নিয়ে গেছে। আবার নতুন করে সরকার ষড়যন্ত্র করছে ২০২৩ এর শেষের দিকে অথবা ২০২৪ এর প্রথম দিকে যে নির্বাচন হবে কিভাবে সেই ভোটকে লুট করে জনগনের অধিকার বঞ্চিত করা যায়। সেই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে সরকার।
একতার কণ্ঠঃ এসো হে নবীন, এগিয়ে চল অবিরাম, অন্তহীন ভোরের সুর্যের প্রথম আলো, স্বপ্নডানা মেলে জয়ের অগ্নি হৃদয়ে ঢালো এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের সদর উপজেলার বানিজ্যিক এলাকা করটিয়া এইচ এম স্কুল অ্যান্ড কলেজে নবীন বরণের মাধ্যমে কলেজে ভর্তি হওয়া নতুন ছাত্র-ছাত্রীদের বরণ করে নেয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১১ মার্চ) দুপুরে স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে নতুন ছাত্র-ছাত্রীদের নানা ধরনের আনুষ্ঠানিকতায় বরণ করা হয়।
প্রতিষ্ঠানটির গভর্নিং বডির সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন তালুকদারের সভাপতিত্বে স্বাগতিক বক্তব্য রাখেন, কলেজের অধ্যক্ষ মো. আবুল কালাম আজাদ।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাংসদ ছানোয়ার হোসেন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার, করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম আনছারী প্রমুখ।
অনুষ্ঠান টি সঞ্চালনা করেন, কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. শহিদুল ইসলাম ও প্রভাষক মো. সোলায়মান দেওয়ান।
এসময় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক মণ্ডলী, ছাত্র-ছাত্রী ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক বিমল চন্দ্র সুত্র ধর সহ অনেক শিল্পী গান পরিবেশন করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাস্তায় নেমে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন।
শনিবার (১১ মার্চ) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনের কাগমারী-চারাবাড়ী সড়ক ৩ ঘন্টা অবরোধ করে এই কর্মসূচি পালন করেন তারা।
কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা- কাগমারী মোড় ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান ফটকে পুলিশ বক্স স্থাপন, গতিরোধক ও জেব্রা ক্রসিং ব্যবস্থা, প্রধান ফটক থেকে দ্বিতীয় গেটে পর্যন্ত ফুটপাত স্থাপন ও বিশ্ববিদ্যালয় দিঘী সংলগ্ন দোকান অপসারণ এবং বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ইমনকে ধাক্কা দেওয়া সিএনজি অটোরিকশা চালকের বিচারসহ ৫ দফা দাবি জানান তারা।
এই কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. ফরহাদ হোসেন সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন।
তিনি বলেন, ‘আমি তোমাদের দাবির সঙ্গে একমত। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব। এছাড়া সিএনজি চালকসহ দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনার জন্য আইনের আশ্রয় নেব।
কর্মসূচিতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান মো. মুছা মিয়া, ছাত্রলীগ নেতা মানিক শীল ও হুমায়ূন কবির।
প্রসঙ্গত, গত বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেটের কাছে গণিত বিভাগের প্রথম বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী মো. ইমন সিএনজি অটোরিকশার চাপায় আহত হন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে ইমনের মাথায় রক্তক্ষরণের অপারেশন করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) আদিবাসী ছাত্র সংগঠনের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
শুক্রবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যায়নরত আদিবাসী শিক্ষার্থীদের আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রুবাইয়াৎ ফেরদৌস, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. খাইরুল ইসলাম ও ময়মনসিংহের কারিতাসে আঞ্চলিক পরিচালক অপূর্ব ম্রং।
স্বাগতিক বক্তা হিসেবে আদিবাসী ছাত্র সংগঠন সাবেক সাধারণ সম্পাদক বকুল চন্দ্র বর্মণ ও সঞ্চালক হিসেবে ছিলেন আনসেং দালবত ও স্নেহা স্নাল।
প্রোগ্রাম চেয়ারম্যান হিসেবে ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয় আদিবাসী ছাত্র সংগঠনের সভাপতি ডেভিড নোয়েল বক্তব্য রাখেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, আমাদের বাংলা ভাষার পাশাপাশি নিজেদের মাতৃভাষাতেও কথা বলতে হবে। যদি পারি তবে ইংরেজি ভাষাতেও কথা বলতে হবে। বর্তমানে আমাদের আদিবাসী শিক্ষার্থীদের অনেক সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। সেগুলো গ্রহণ করতে হবে এবং সকলের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব গড়ে তুলতে হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক আনন্দ-উৎসবের মধ্য দিয়ে তৃতীয় সমাবর্তন সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার (৫ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত সমাবর্তনে দেড় হাজারের বেশি শিক্ষক-শিক্ষার্থী অংশ নেন।
সমাবর্তনে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মনোনীত কৃষিমন্ত্রী ডক্টর মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি সভাপতিত্ব করেন। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে মূল্যবান বক্তব্য উপস্থাপন করেন, সেণ্টার ফর দ্যা রিহ্যাবিলিটেশন অব দ্যা প্যারালাইজডের (সিআরপি) প্রতিষ্ঠাতা ও কো-অর্ডিনেটর ভ্যালেরি অ্যান টেইলর। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর মো. ফরহাদ হোসেন। পদক প্রদান নীতিমালায় পরিবর্তন করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একটি অংশ এবারের সমাবর্তন বয়কট করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, তৃতীয় সমাবর্তনে এবার এক হাজার ৭২৮ জন নিবন্ধন করেছেন। রোববার সকাল থেকেই তারা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উপস্থিত হতে শুরু করেন। অনেকে স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে আসেন। তারা সমাবর্তনস্থলে ছবি তুলে, আড্ডা দিয়ে মূল অনুষ্ঠান শুরুর আগ পর্যন্ত নানা খুনসুটিতে সময় কাটান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী আমিনুর রহমান তার মা-বাবাকে সঙ্গে নিয়ে সমাবর্তনে আসেন। তিনি জানান, কৃষক মা-বাবা অনেক কষ্ট করে তাকে লেখাপড়া শিখিয়েছেন। তাই এই দিনে মা-বাবাকে সঙ্গে নিয়ে এসেছেন।
শিক্ষার্থীরা জানায়, আগের দুটি সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ অনুযায়ী তিনটি শ্রেণিতে স্নাতক, স্নাতকোত্তর উভয় পর্যায়ে চ্যান্সেলর, ভাইস-চ্যান্সেলর ও ডিনস পদক দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এবারের সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ওই নীতিমালায় কিছু পরিবর্তন এনেছে।
পরিবর্তিত নীতিমায় স্নাতক ডিগ্রির ক্ষেত্রে ডিনস পদক দেওয়া হচ্ছে না এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রিকে কোনো পদকের জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে না। এর প্রতিবাদে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একটি অংশ সমাবর্তনে যোগ না দিয়ে আন্দোলনে নেমেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ তত্ত্ব ও পুলিশ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ইসতিয়াক আহমেদ তালুকদার জানান, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ৫২ জন ছাত্র বর্তমানে শিক্ষক হিসেবে চাকুরি করছেন।
এছাড়া বেশির ভাগ শিক্ষক পদক নীতিমালার পরিবর্তনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এই প্রতিবাদের অংশ হিসেবে তাদের অনেকে সমাবর্তনে অংশগ্রহন করেন নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সমাবর্তনে চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন দুইজন শিক্ষার্থী ও ভাইস চ্যান্সেলর পদক পাচ্ছেন তিন জন শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের চার হাজার ৪৩৩ জন বিএসসি (অনার্স) মাস্টার্সের শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি প্রদান করা হয়। এর মধ্যে দুই হাজার ২৪৩ জন শিক্ষার্থী সনদ নেন।
একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২০৪১ সাল নাগাদ বাংলাদেশকে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার ঘোষণা করেছেন। ডিজিটাল বাংলাদেশের পর স্মার্ট বাংলাদেশের পরিকল্পনা এ শতাব্দীর সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ এবং দূরদৃষ্টিসম্পন্ন সিদ্ধান্ত।
রবিবার (৫ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সমাবর্তনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশ বির্নিমাণে আপনাদের বিশেষ ভূমিকা পালন করতে হবে। মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর আদর্শের দিকে তাকান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্ব এবং তাঁর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্নের দিকে তাকান, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর শহীদ, অকুতভয় মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করুন। আজ দেশ ও জাতি আপনাদের দিকেই তাকিয়ে আছে। আপনাদের মেধা, শ্রম ও গবেষণার দ্বারাই এই জাতির যাবতীয় সংকটের অবসান ঘটবে। আপনারা দেশ ও জাতির সামনে আশার আলোস্বরূপ। আপনাদের কর্মস্পৃহা এই দেশকে সব প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা হয়ে উঠতে সাহায্য করবে।’
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আব্দুর রাজ্জাক আরও বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বে একটি দেশের সার্বিক উন্নয়নে দক্ষ মানবসম্পদে ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। আমাদের মতো দেশে যাঁদের প্রাকৃতিক সম্পদ খুব সীমিত, সেখানে দক্ষ মানবসম্পদ বেশি গুরত্বপূর্ণ। আপনাদের মতো তরুণরাই আমাদের দেশের বিরাট শক্তি ও প্রকৃত সম্পদ। এই তারুণ্যের শক্তি কাজে লাগাতে বর্তমান সরকারও নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এই বাস্তবতায় আপনাদের নিজেদেরও দক্ষ করে তুলতে হবে।’

খাদ্য নিরাপত্তার প্রসঙ্গে কৃষিমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯, রাশিয়া-ইউক্রেনের চলমান যুদ্ধ, অবরোধ-পাল্টা অবরোধের প্রভাবে বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। বিশ্বব্যাপী ‘খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা’ বেড়েছে। বেড়েছে ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে বাংলাদেশের মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে এবং বহুমুখী দুর্যোগের মধ্যেও বিশ্বে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তব্য দেন পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্র বা সেন্টার ফর দ্য রিহ্যাবিলিটেশন অফ দ্য প্যারালাইজডের (সিআরপি) পরিকল্পক ও প্রতিষ্ঠাতা ভ্যালেরি অ্যান টেইলর। অন্যদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফরহাদ হোসেন, সহ–উপাচার্য এআরএম সোলাইমান, রেজিস্ট্রার তৌহিদুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম, ছানোয়ার হোসেন ও খন্দকার মমতা হেনা, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ সেণ্টার ফর দ্যা রিহ্যাবিলিটেশন অব দ্যা প্যারালইজডের (সিআরপি) প্রতিষ্ঠাতা ও কো-অর্ডিনেটর ভ্যালেরি অ্যান টেইলর টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বলেছেন, আজ এই শুভ দিনে সরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আপনারা ডিগ্রি গ্রহণ করে জীবনের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে চলেছেন।
আপনাদের শিক্ষার জন্য রাষ্ট্রের প্রচুর টাকা ব্যয় হয়েছে। এই টাকা এসেছে এদেশের কৃষকের কাছ থেকে, শ্রমিকের কাছ থেকে, মেহনতি মানুষের কাছ থেকে। তাই রাষ্ট্রের জনগণের প্রতি আপনাদের কৃতজ্ঞ হতে হবে। তাদের প্রতি আপনাদের অনেক দায়িত্ব পালন করতে হবে। রবিবার (৫ মার্চ) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে তিনি বক্তব্য রাখছিলেন।
তিনি বলেন- আশাকরি, আপনাদের মেধা, শ্রম, সেবা, নেতৃত্ব ও প্রশিক্ষণ দিয়ে সমাজকে আধুনিকায়ন, বিজ্ঞানমুখী ও প্রগতিশীল করতে এগিয়ে আসবেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সুবিধার সঙ্গে যুক্ত হয়ে দেশকে উন্নতির দিকে নিয়ে যাবেন এবং নিজেও সফলতা অর্জন করবেন।
ভ্যালেরি বলেন, শুরুতে জ্ঞান অর্জনের জন্য শিক্ষা গ্রহণ করা হত। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দেখা গেল জ্ঞান শক্তির বাস্তব প্রয়োগের মাধ্যমে জীবিকা, সম্পদ ও মানবসেবাও করা যায়। এভাবে শিল্প, প্রযুক্তি ও চিকিৎসা বিজ্ঞানসহ জ্ঞানের বিভিন্ন শাখার বিকাশ ঘটে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রভাবে মানুষের ধারণা, দৃষ্টিভঙ্গি বদলে গেছে।
তিনি বলেন, মানব সভ্যতার জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতি অপরিহার্য। প্রযুক্তি জ্ঞানের ব্যবহারিক দিক এবং এটি বিজ্ঞানের অনুশীলনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। পশ্চিমে আধুনিক বিজ্ঞানের অগ্রগতি মূলত বাস্তব পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমেই অর্জিত হয়েছে। অনেক মহান বিজ্ঞানী, দার্শনিক এবং পন্ডিত এই অগ্রগতিতে অবদান রেখেছেন।
সমাবর্তন বক্তা ভ্যালেরি বলেন, আমাদের সাধারণ ধারণা হলো সমাবর্তন শুধুমাত্র স্নাতকদের জন্য, তবে এটি সম্পূর্ণ সত্য নাও হতে পারে। সমাবর্তন যতটা ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ততটা তাদের অভিভাবকদের জন্য। আমি স্নাতক ডিগ্রিধারী শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের অভিনন্দন ও স্বীকৃতি জানাই।
এসময় মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মো. আবদুল হামিদের পক্ষে কৃষিমন্ত্রী ডক্টর মো. আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর মো. ফরহাদ হোসেন, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর এআরএম সোলাইমান, রেজিস্ট্রার ডক্টর মোহা. তৌহিদুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ ডক্টর মো. সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম(ভিপি জোয়াহের), সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন, সংসদ সদস্য খন্দকার মমতা হেনা লাভলী, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ সমাবর্তন প্যান্ডেলের সামনে মানববন্ধন করেছেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) অ্যালামনাই শিক্ষক ও সাবেক শিক্ষার্থীরা।
শনিবার (৪ মার্চ) দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সমাবর্তনে পদক প্রদানে নতুন নীতিমালা বৈষম্যমূলক দাবি করে তা বাতিলসহ আগের নীতিমালা বহালের দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আগের দুইটি সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী চ্যান্সেলর, ভাইস চ্যান্সেলর এবং ডিনস তিনটি ক্যাটাগরিতে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর উভয় পদক দেওয়া হয়েছিল। আসন্ন তৃতীয় সমাবর্তনের রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পদক দেওয়ার নীতিমালায় পরিবর্তন আনে। এতে বর্তমানে স্নাতক ডিগ্রির ক্ষেত্রে ডিনস লিস্ট ও পদক ক্যাটাগরি সম্পূর্ণ বাতিল এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রিকে পদকের জন্য বিবেচনা করা যাবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অর্ডিন্যান্স পরিপন্থী।
বক্তারা আরও বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস লিস্ট ও পদক অতিগুরুত্বপূর্ণ ও সম্মানীয় বলে বিবেচনা করা হয়।
তাই এ ধরেনের বৈষম্য আর অবমাননাকর সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়েছেন তারা। সিদ্ধান্ত বাতিল করা না হলে সমাবর্তন অনুষ্ঠান বর্জনসহ নানা কর্মসূচি দেওয়ার কথা জানিয়েছেন আয়োজকরা।

এসময় বক্তব্য দেন, অ্যালামনাই শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. ইসতিয়াক আহমেদ তালুকদার, সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, মোছাদ্দিক হাসান, ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহমুদা আক্তার, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির তথ্য ও যোগাযোগ বিভাগের প্রভাষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মো. হাবিবুর রহমান।
কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি এ এস এম সাইফুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক মাসুদার রহমান, সিএসই অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. তারেকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. হাসান বখতিয়ার, ইএসআরএম অ্যালামাইন অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. বাদশা মিয়া, সিপিএস অ্যালামাইন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফয়সাল হক, সিপিএস অ্যালামাইন অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মুনমুন বিনতে আজিজ, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, সাবেক অ্যালামনাই শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জরুরি মিটিংয়ে আছেন জানিয়ে ফোন কেটে দেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরহাদ হোসেন।
প্রকাশ, টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সমাবর্তন রবিবার (৫ মার্চ) অনুষ্ঠিত হবে। সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করবেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি মনোনীত কৃষিমন্ত্রী ডক্টর মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি।
সমাবর্তনে বিশেষ অতিথি থাকবেন, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এমপি। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখবেন, বাংলাদেশ সেন্টার ফর দি রিহ্যাবিলেশন অব প্যারালাইসড (সিআরপি) এর ফাউন্ডার ও কো-অর্ডিনেটর ভ্যালেরি অ্যান টেইলর। স্বাগত বক্তব্য রাখবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ডক্টর মো. ফরহাদ হোসেন।
একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আগামী নির্বাচনও সংবিধান অনুযায়ী হবে। নির্বাচনে না এলে বিএনপির অস্তিত্ব বিলীন হবে। গত তিনটি নির্বাচনে বিএনপির চরম বিপর্যয় হয়েছে, তাদের বর্তমান কর্মকাণ্ড দেখে মনে হয়- আগামী নির্বাচনে চতুর্থ বারের মতো বিএনপির বিপর্যয়ের সময় এসে গেছে। তবে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, বিএনপির শুভ বুদ্ধির উদয় হবে। অস্তিত্বের স্বার্থে তাদের নেতৃবৃন্দ একটা পর্যায়ে গিয়ে নির্বাচনে আসতে বাধ্য হবেন।
শনিবার (৪ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইল শহরের কুমুদিনী সরকারি মহিলা কলেজের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব বলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন দেখে মানুষ খুবই খুখি। মানুষ উন্নয়নের প্রশংসা করছে। মহান স্বাধীনতার লক্ষ্য ছিল- ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত দেশ বিনির্মাণের, সে লক্ষ্যেই দেশ এগিয়ে চলেছে। কাজেই দেশের জনগণ আবার শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনবে।
পোল্ট্রি মুরগির দাম নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে ডক্টর রাজ্জাক বলেন, করোনার সময় থেকে শুরু করে দীর্ঘদিন যাবৎ পোল্ট্রি ব্যবসায়ী, খামারি, উদ্যোক্তারা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছিলেন- ক্ষতি দিচ্ছিলেন। হঠাৎ করে গত দুই মাস ধরে পোল্ট্রি মুরগির দাম অনেক বেশি। শোনা যাচ্ছে- তৃণমূলের প্রান্তিক খামারিরা ঠিকমতো দাম পাচ্ছেন না। এ বিষয়টি আমি সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামে তুলে ধরব। এমন একটা নীতি আমাদের নির্ধারণ করতে হবে- যার মাধ্যমে পোল্ট্রি মুরগির দাম সহনশীল রাখা যাবে। যাতে নিম্ন ও সীমিত আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকে এবং একইসঙ্গে ব্যবসায়ী, খামারি ও উদ্যোক্তারা লাভবান হয়।
কুমুদিনী সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক বদরুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম(ভিপি জোয়াহের) এমপি, মো. ছানোয়ার হোসেন এমপি, খন্দকার মমতা হেনা লাভলী এমপি, কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক আবদুল করিম মিঞা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন এর আয়োজনে প্রথম বারের মতো ‘অফিসার্স ডে’ উদযাপিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০ টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার্স ক্লাবের সামনে বেলুন উড়িয়ে ও কেক কেটে অফিসার্স ডের উদ্বোধন করা হয়।
একদিন নয় হাসিবি তোরা, একদিন নয় বিষাদ ভুলিয়া, সকলে মিলিয়া গাহিবো মোরা-স্লোগানকে সামনে রেখে দিনব্যাপী অফিসার্স ডেতে গল্প, নৃত্য, সংগীত, যাদু, কৌতুক, কবিতা আবৃত্তি, গীতি কাব্যের আয়োজন করা হয়। এরপর র্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুল ইসলাম মজনু। সঞ্চালনা করেন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক ড. ইকবাল বাহার বিদ্যুৎ, যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক আজাদ সোবহানী আল ভাসানী ও সৈয়দ সাইফুল্লাহ।
পরে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী লিজু বাওলা সংগীত পরিবেশন করেন।
একতার কণ্ঠঃ বর্ণাঢ্য আয়োজনে টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক ভবনের সামনে কেক কেটে প্রতিষ্ঠা বার্ষির্কী উদ্যাপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. ফরহাদ হোসেন।

পরে একটি বার্ণাঢ্য আনন্দ র্যালি ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। এই র্যালিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, ডিন ও বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সঞ্জয় কুমার সাহা ও বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহণ করেন।
এছাড়া ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিকেলে খেলাধুলা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নে আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিয়োগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃৃৃস্পতিবার সকালে বার্ষিক এ ক্রীড়া প্রতিযোগীতার উদ্বোধন করেন আটিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম মল্লিক।
বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠতা ও পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মো. ফজলুল হক মল্লিকের সভাপতিত্বে ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দেলদুয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মমর্তা( ইউএনও) ফারহানা আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাছির উদ্দিন মৃধা,উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মুজিবুল আহসান,আটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাজ্জাদ হোসেন আজাদ, আটিয়া মহিলা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো. ইকবাল হোসেন খান, আরফান মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ নারায়ন চন্দ্র দে দুলাল, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রঞ্জিত কুমার পাল,সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন শাররীক শিক্ষক মো. রাসেল মিঞা। পরে প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের মাঝে পাুরস্কার বিতরণ করা হয়।