/ হোম / শিক্ষাঙ্গন
টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে কলেজছাত্রের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে কলেজছাত্রের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে এক কলেজছাত্র নিহত হয়েছে। শনিবার রাতে উপজেলার দাপনাজোড় রেল ক্রসিং এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।

নিহত কলেজছাত্র অন্তর খান (১৮) টাঙ্গাইল সদর উপজেলার টি-ভাতকুড়া এলাকার মো. নজরুল খানের ছেলে। তিনি টাঙ্গাইল সৃষ্টি কলেজের একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শনিবার বিকেলে অন্তর খান মোটরসাইকেল নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। একপর্যায়ে রাত ৮টার দিকে তিনি বাসাইল উপজেলার দাপনাজোড় এলাকার রেল ক্রসিং এলাকায় ঢাকাগামী বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনটিতে কাটা পড়েন।

এ সময় তার সঙ্গে থাকা মোটরসাইকেলটি পাশেই পার্কিং করা ছিল। খবর পেয়ে রেলওয়ে পুলিশের ঘারিন্দা ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যরা লাশটি উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। পরে শনিবার দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে পুলিশ লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন।

ঘারিন্দা রেলের স্টেশন মাস্টার সোহেল খান বলেন, এ বিষয়ে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। লাশ আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. এপ্রিল ২০২২ ০২:৫০:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্র নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্র নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সড়ক দুর্ঘটনায় এক কলেজ ছাত্র নিহত হয়েছেন। এ সময় নারীসহ আরো ৪ জন আহত হয়। মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে জোকারচর এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে।

আরো পড়ুনঃ মধুপুর বনের ১৫ হাজার ৩৮০ একর বনভূমি প্রভাবশালীদের অবৈধ দখলে

নিহত কলেজ ছাত্র ভূঞাপুর উপজেলার সিরাজকান্দি এলাকার আব্দুল কুদ্দুছ শেখের ছেলে শেখ শরিফুল ইসলাম (১৭)। সে উপজেলার যমুনা কলেজের মানবিক বিভাগের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন।

পুলিশ জানায়, আহত নারী তার ছেলেকে নিয়ে জোকারচর এলাকায় মহাসড়ক পার হচ্ছিলো। এ সময় তারা বঙ্গবন্ধু সেতুর দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের সামনে পড়েন। পরে মোটরসাইলেটির সাথে বাড়ি খেয়ে ওই নারী, তার শিশু ছেলে ও তিন আরোহীসহ মোটরসাইকেলটি পড়ে যায়। সাথে সাথেই বঙ্গবন্ধু সেতু মুখী একটি ট্রাক তাদের চাপা দিয়ে চলে যায়। স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরে দুপুরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই কলেজ ছাত্রের মৃত্যু হয়৷

এঘটনায় আহত পথচারী নারী হলেন সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার কদমতলী গ্রামের মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী তাহমিনা বেগম (৩৫) ও তাঁর শিশু ছেলে আব্দুল্লাহ (৪)।

আহত দুই কলেজ ছাত্রকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন চিকিৎসক।

অপরদিকে,আহত নারী ও শিশু টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম জানান, নিহতের পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহটি পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. এপ্রিল ২০২২ ০২:৪২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বন্ধুর হয়ে পরীক্ষা দিতে গিয়ে যুবক কারাগারে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বন্ধুর হয়ে পরীক্ষা দিতে গিয়ে যুবক কারাগারে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বন্ধুর হয়ে (প্রক্সি) পরীক্ষা দিতে আসায় রায়হান কবির নামে এক যুবককে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার (৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে তাকে আটক করা হয়। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাবলী শবনম অভিযুক্ত রায়হানকে এক বছরের কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা জরিমানা করেন। তিনি ওই কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী।

জানা গেছে, সকালে টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে টাঙ্গাইল শহরের অক্সফোর্ড কলেজ অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির চতুর্থ সেমিস্টারের ড্রয়িং-২ (ক্যাড) বিষয়ের পরীক্ষা শুরু হয়। পরীক্ষা চলাকালীন প্রক্সি দিতে আসা রায়হান কবিরের প্রবেশপত্রে মূল পরীক্ষার্থীর ছবির মিল না পাওয়ায় ওই কক্ষে দায়িত্বরত শিক্ষক খাতাটি নিয়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেনকে অবগত করেন। পরে রায়হানকে ওই কেন্দ্রের অধ্যক্ষের কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তিনি জানান, টাঙ্গাইল শহরের অক্সফোর্ড কলেজ অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে অষ্টম পর্বে অধ্যয়নরত তার বন্ধু সায়েমের পরিবর্তে পরীক্ষা দিতে এসেছেন।

কেন্দ্র সচিব টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ বিএম আমিনুল ইসলাম বলেন, সায়েমের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া তাকে পরবর্তী তিন শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি না দিতে সুপারিশ করা হয়েছে।

ম্যাজিস্ট্রেট বাবলী শবনম বলেন, রায়হান কবির তার বন্ধু সায়েমের রেফার্ড পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে যান। পরে শিক্ষকরা তার প্রবেশপত্র ও কাগজপত্র যাচাই করলে রায়হান ভুয়া প্রমাণ হয়। তাকে এক বছরের জেল দেওয়া হয়েছে। এছাড়া দুইশ’ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. এপ্রিল ২০২২ ০২:১৪:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বেতের আঘাতে মাদরাসাছাত্রের শরীরে পচন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বেতের আঘাতে মাদরাসাছাত্রের শরীরে পচন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে শিক্ষকের বেতের আঘাতে এক মাদরাসাছাত্রের শরীরে পচন ধরেছে। এ নিয়ে স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। ওই ছাত্রের নাম মো. ইব্রাহিম (৮)। সে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের ক্ষুদিরামপুর গ্রামের রিকশাচালক আমিনুল ইসলামের ছেলে। অভিযুক্ত শিক্ষক তানজিম ময়মনসিংহের মো. বাবুল মিয়ার ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ওই মাদরাসায় শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আমিনুল তার ছেলেকে শহরের ঢাকা ক্লিনিকের চিকিৎসক শিশুবিশেষজ্ঞ ডা. আকমলের প্রতিষ্ঠিত মীরের বেতকা (উত্তরপাড়া) মাদরাসাতুল কুরআন আল কারীম মাদরাসায় আবাসিকে পড়তে দেন। হঠাৎ করেই গত সপ্তাহে মাদরাসা থেকে আমিনুলকে ফোন করে জানানো হয় তার ছেলে অসুস্থ। মাদরাসার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন তাকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য জন্যও। একপর্যায়ে আমিনুল তার ছেলেকে শুক্রবার বাড়ি নিয়ে যায়। বাড়িতে যাওয়ার পর ছেলেকে গোসল করানোর সময় তিনি ইব্রাহিমের শরীরে ক্ষত দেখতে পান। এ সময় তার ছেলে তাকে শিক্ষক মো. তানজিম তাকে বেত দিয়ে আঘাত করেছেন বলে জানায়। এ ঘটনা এলাকায় জানাজানি হলে মাদরাসাছাত্রের পরিবার কর্তৃপক্ষের কাছে উক্ত বিষয়টি অভিযোগ করেন। একপর্যায়ে পরিবারের লোকজন মাদরাসার প্রিন্সিপাল মো. আবদুল্লাহ আল মামুনকে ওই আঘাতের চিহ্ন দেখান। সে সময় ওই ক্ষতস্থান থেকে রক্ত এবং পানি বের হচ্ছিল।

এ বিষয়ে ওই মাদরাসাছাত্র মো. ইব্রাহিম বলেন, গত এক মাস আগে মাদরাসার শিক্ষক মো. তানজিম তাকে নীম গাছের ডাল দিয়ে পেটান। সে সময় এই পেটানোর কথা বাবা-মাকে না জানানোর জন্য ভয়ভীতিও দেখান ওই শিক্ষক। এই বলেই কান্নায় ভেঙে পড়ে ইব্রাহিম।

এ বিষয়ে শিক্ষক তানজিম বলেন, কথা না শোনার কারণে ইব্রাহিমকে পেটানো হয়েছিল। তবে এমনটা হবে তা আগে বুঝতে পারিনি। তবে পরিবারের কাউকে বিষয়টি জানাতে ইব্রাহিমকে মানা করেছেন বলে তিনি স্বীকার করেন।

ইব্রাহিমের মা রোজিনা বেগম বলেন, তার ছেলেকে যেভাবে পেটানো হয়েছে, ঠিক সেভাবে ওই শিক্ষককে পেটালে তিনি শান্তি পাবেন এই বলেই তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য ওয়াছেরুর রহমান নেছার বলেন, তিনি বিষয়টি জেনেছেন। এর আগেও বেশ কয়েকবার ওই মাদরাসায় অনৈতিক কাজের জন্য সালিশ বৈঠক হয়েছে। তবে এ ঘটনার জন্য তিনি জড়িত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

এ বিষয়ে ওই মাদরাসায় প্রিন্সিপাল মো. আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, সবার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. এপ্রিল ২০২২ ০৩:১৯:এএম ৪ বছর আগে
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগিং আতঙ্ক - Ekotar Kantho

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগিং আতঙ্ক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনিয়র শিক্ষার্থীদের নামে র‌্যাগিংয়ের অভিযোগ করেছেন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১ম বর্ষ ও ১ম সেমিস্টারের নবীন শিক্ষার্থী মোঃ তারেক।

মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কার্যালয়ে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান মোঃ রোকনুজ্জামানের সুপারিশক্রমে লিখিত অভিযোগ জমা দেন তিনি।

র‌্যাগিংয়ের অভিযোগে তার লিখিত আবেদনে গত ২৮ মার্চ (২০২২) রাতে ক্যাম্পাসের নিকটস্থ সন্তোষ আরিফ নগরে অবস্থিত ছাত্রাবাসে, ২য় বর্ষ ১ম সেমিস্টারের এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এন্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী শামীম, আজমাইন, সেলিম, মাহিন ও রাহাত এবং ফার্মেসী বিভাগের সাফি ও আরো অনেকের র‌্যাগিংয়ের শিকার হওয়ার কথা জানান।

আরো পড়ুনঃ আমি প্রতিবাদই করি, লুটপাট তো আর করি না : টাঙ্গাইলে ব্যারিস্টার সুমন

এছাড়া আবেদনে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ও লেখাপড়া চালানো কঠিন হওয়া ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মীর মোঃ মোজাম্মেল হক বলেন, সে অভিযোগ করেছে। অভিযোগের আলোকে আমরা তদন্ত কমিটি গঠন করব। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার গভীর রাতে তারেককে টাঙ্গাইলের সন্তোষ আরিফ নগরে অবস্থিত ছাত্রাবাসের সামনে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে স্থানীয় জনগণ, পুলিশ প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে মঙ্গলবার সকালে তাকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিয়ে আসা হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ওপর অমানবিক র‌্যাগিং এবং শারীরিক, মানসিক অত্যাচার করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষেধ থাকলেও রাতে তারা বিভিন্ন মেসে ডেকে নিয়ে সারা রাত র‌্যাগিং চালায়। উল্টাপাল্টা হলে শারীরিক নির্যাতন করা হয়। আমরা অসহায় আমাদের বলার কেউ নাই। বললেও কাকে বলবো জানি না বললে পরে আরো শাস্তি পেতে হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. মার্চ ২০২২ ০৪:৩৬:এএম ৪ বছর আগে
কালিহাতীতে ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ - Ekotar Kantho

কালিহাতীতে ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ

একতার কণ্ঠঃ অছাত্র, বিবাহিত ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে গঠনতন্ত্র উপেক্ষা করে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা,পৌর ও এলেঙ্গা পৌর ছাত্রদলের নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে ছাত্রদলের একাংশ।

জানা যায়, রবিবার ( ২৭ মার্চ) রাত ৮টায় জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দুর্জয় হোড় শুভ ও সদস্য সচিব আব্দুল বাতেন স্বাক্ষরিত কালিহাতী উপজেলা ছাত্রদল, পৌর ও এলেঙ্গা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করে ।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে কালচার অফিসার রেদওয়ানা’র হত্যাকারীর ফাঁসি দাবী

আর এই কমিটি বাতিলের দাবিতে সোমবার ( ২৮ মার্চ) বিকেলে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড চত্ত্বরে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ছাত্রদলের পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা।

 

বিক্ষোভ মিছিলটি পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, কালিহাতী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক শেখ মোঃ আমিনুর ইসলাম, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শরিফ মোল্লা, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মমিন মিয়া, এলেঙ্গা পৌর ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মোঃ রকিব মোল্লা প্রমুখ।

এসময় বাংড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাওন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সায়েম, দশকিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক সবুজ, বীরবাসীন্দা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস, সল্লা ইউনিয়ন ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক তানভীর, এলেঙ্গা পৌরসভাধীন ১নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি নিয়ামুল দারো, ৬নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সহিদুল ইসলাম, ৪নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক রাকিব, ছাত্রদল নেতা মোহাব্বত সহ শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

 

বক্তারা বলেন, অছাত্র, বিবাহিত, অযোগ্য, ছাত্রলীগের কর্মী ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে গঠনতন্ত্র উপেক্ষা করে নবগঠিত এ আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ছাত্রদলের যে আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে জেলা কমিটি তা সাংগঠনিক বিধিমালা না মেনে সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে এই কমিটি বাতিল করতে হবে। তা না হলে আরও কঠিন কর্মসূচির ডাক দেয়া হবে।

এছাড়া সমাবেশ থেকে জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন নেতাকর্মীরা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. মার্চ ২০২২ ০৩:২২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগ নেতার ওপর হামলা, পোস্ট মাস্টার গ্রেফতার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগ নেতার ওপর হামলা, পোস্ট মাস্টার গ্রেফতার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাব্বির হোসেনের ওপর হামলার ঘটনায় মিনহাজ উদ্দিন (৫০) নামের এক পোস্টমাস্টারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে মামলার আইও টাঙ্গাইল সদর থানার এসআই মোরাদুজ্জামান এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। এরআগে শুক্রবার (২৫ মার্চ) তাকে গ্রেফতার করা হয়।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্র রাহাত হত্যার রহস্য উদঘাটন

গ্রেপ্তারকৃত  মিনহাজ উদ্দিন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে। তিনি বাসাইল উপজেলা পোস্টমাস্টার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। এরআগে একই মামলায় গত ২৩ মার্চ করটিয়া বেপারীপাড়া এলাকার দুলাল মিয়ার ছেলে মিরাজ (২০) কে গ্রেফতার করে পুলিশ। বর্তমানে দুইজনেই কারাগারে রয়েছে।

আহত ছাত্রলীগ নেতা সাব্বির হোসেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঢেলিকরটিয়া গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে।

মামলা ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাব্বির হোসেন একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করেন। গত ১৫ মার্চ প্রতিদিনের ন্যায় সকালে সাব্বির হোসেন অফিসে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে ঢেলিকরটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে পৌঁছালে এলাকার  একদল দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সাব্বিরের ওপর এলোপাথাড়িভাবে আঘাত করে। এসময় তার মাথায়, হাত এবং পায়ে দেশীয় অস্ত্রের কোপের আঘাতে গুরুতর আহত হয়। তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তার ওপর পড়ে যায়। সাব্বিরের ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে ওই দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে সাব্বিরকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা সাব্বির হোসেনের মা সাফিয়া বেগম বাদি হয়ে ২১ মার্চ ১৩ জনকে আসামী করে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।

এদিকে, এ হামলার ঘটনার প্রতিবাদ ও অপরাধীদের গ্রেফতারের দাবিতে গত মঙ্গলবার (২২ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচির পালন করা হয়।

সাব্বির হোসেনের মা সাফিয়া বেগম বলেন, ‘আমার ছেলের ওপর বর্বরোচিত হামলার উপযুক্ত বিচার চাই। আমার ছেলেটি বিছানায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।’

টাঙ্গাইল সদর থানার এসআই মোরাদুজ্জামান বলেন, ‘এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হামলা হয়েছে। আহত সাব্বিরের মা বাদী হয়ে ১৩ জনকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। এঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

টাঙ্গাইলের ডেপুটি পোস্টমাস্টার (জেনারেল) মোহাম্মদ ওমর ফারুক জানান ‘বাসাইল উপজেলা পোস্টমাস্টারকে গ্রেফতারের বিষয়টি শুনেছি। যদি কোনও কর্মচারি মামলাতেই পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার হয়, তাহলে সরকারি আইনে তাকে সাসপেন্ড করা হয়। অফিস খুললে তথ্য সংগ্রহ করে তাকে সাসপেন্ড করা হবে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. মার্চ ২০২২ ১২:৫৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্র রাহাত হত্যার রহস্য উদঘাটন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্র রাহাত হত্যার রহস্য উদঘাটন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার কোকডহরা ইউনিয়নের স্কুল ছাত্র রাহাত(১৪) হত্যা রহস্য উদঘাটন করেছে র‌্যাব।শনিবার(২৬ মার্চ) দুপুরে র‌্যাব-১২ সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার মো. এরশাদুর রহমান এক প্রেস ব্রিফিংয়ে  ওই হত্যাকান্ডের বিস্তারিত গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে তুলে ধরেন।

র‌্যাব কমান্ডার মো. এরশাদুর রহমান জানান, বন্ধুকে এতিম বলায় জীবন দিতে হয় স্কুলছাত্র রাহাতকে (১৪)। শুক্রবার (২৫ মার্চ) রাতে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিহত রাহাতের বন্ধু বিপ্লব র‌্যাবের হাতে আটক হওয়ার পর হত্যার রহস্য উদঘাটন হয়।

তিনি আরো জানান, রাহাত ও বিপ্লব দুই বন্ধু। তাদের বাড়িও পাশাপাশি। মঙ্গলবার (২২ মার্চ) রাতে বিপ্লব ও রাহাত কালিহাতী উপজেলার কোকডহরা ইউনিয়নের কাগুজিপাড়া বাজারে বসে লুডু খেলছিল। এ সময় বিপব্লকে কয়েকবার রাহাত এতিম বলে সম্বোধন করে। এ কারণে রাহাতের ওপর ক্ষিপ্ত হয় বিপ্লব এবং রাহাতকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয় । পরে বিপ্লব বাজারের একটি দোকান থেকে ব্লেড ও সিগারেট কেনে। এরপর সে সিগারেট খাওয়ার কথা বলে রাহাতকে কাগুজিপাড়া এলাকার একটি পুকুর পাড়ে নিয়ে যায়। সিগারেট খাওয়া শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিপ্লব ব্লেড দিয়ে রাহাতের গলায় পোচ দেয়। এসময় রাহাত চিৎকার দিলে বিপ্লব মুখ চেপে ধরে আরও কয়েকবার পোচ দেয়। পরে মৃত্যু নিশ্চিত করতে কাদা-মাটির মধ্যে রাহাতের মুখ চেপে ধরে। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর মরদেহ পাশের পুকুরে ফেলে দিয়ে রাহাতের মোবাইল ফোন নিয়ে বাড়িতে চলে যায় বিপ্লব। বাড়িতে গিয়ে সে গোসল করে এবং তার রক্তমাখা জামা-কাপড় ধুয়ে ফেলে।

তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের আরো জানান, শুক্রবার (২৫ মার্চ) তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে কালিহাতী থেকে বিপ্লবকে আটক করার পর র‌্যাবের কাছে সে এ হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ঘটনার বর্ণনা দেয়। পরে তার ঘর থেকে তার জামা-কাপড় ও নিহত রাহাতের মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

উল্লেখ্য, বুধবার (২৩ মার্চ) সকালে উপজেলার কোকডহরা ইউনিয়নের কাগুজিপাড়া এলাকা থেকে রাহাতের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। রাহাত বানিয়ারা গ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে। সে বল্লা করোনেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেনীর ছাত্র ছিল। আটককৃত বিপ্লব বানিয়ারা গ্রামের নুবু মিয়ার ছেলে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. মার্চ ২০২২ ০৯:১০:পিএম ৪ বছর আগে
চাকরিতে যোগদানের আগেই প্রীতির বুক ছিদ্র করে বেরিয়ে গেলো ঘাতক বুলেট! - Ekotar Kantho

চাকরিতে যোগদানের আগেই প্রীতির বুক ছিদ্র করে বেরিয়ে গেলো ঘাতক বুলেট!

একতার কণ্ঠঃ রাজধানীর শাহজাহানপুরে বৃহস্পতিবার(২৪ মার্চ) রাত সোয়া ১০টার দিকে এলোপাতাড়ি গুলি করে আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপুকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। একই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে সামিয়া আফরান জামাল প্রীতি নামের এক কলেজছাত্রীও নিহত হন।

শুক্রবার(২৫ মার্চ) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিহত টিপু ও প্রীতির লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন ঢামেক ফরেনসিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. জান্নাতুন নাইম।

জানা গেছে, টিপুর শরীর থেকে সাতটি গুলি বের করা হয়েছে। আর প্রীতির শরীরে কোনো গুলি পাওয়া যায়নি। কারণ তার শরীরের এক দিক দিয়ে ঢুকে অন্যদিকে একটি গুলি বেরিয়ে গেছে।

প্রীতির লাশের সুরতাল করেন শাহজাহানপুর থানার এসআই তমা বিশ্বাস। সুরতহাল প্রতিবেদনে এসআই তমা উল্লেখ করেন, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে প্রীতি নিজের বাসা থেকে রিকশাযোগে বান্ধবীর সঙ্গে তাঁর বাসায় যাচ্ছিলেন। রাত আনুমানিক সোয়া ১০টার দিকে উত্তর শাহজাহানপুর সড়কে এলে দুর্বৃত্তরা এলোপাতাড়ি গুলি করে। এতে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রীতির বাম স্তনের ওপরে একটি ছিদ্র এবং পিঠের ডান পাশে মাঝ বরাবর একটি গোল চিহ্ন রয়েছে।

শুক্রবার (২৫ মার্চ) প্রীতির বান্ধবী সুমাইয়া গণমাধ্যমকে বলেন, প্রীতি তার মা-বাবা ও ছোট ভাইয়ের সঙ্গে পশ্চিম শান্তিবাগে ভাড়া বাসায় থাকতেন। তবে গত ৪ দিন সে খিলগাঁও তিলপা পাড়ায় আমার বাসায় ছিল। সেখান থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাসায় ফিরছিল। তবে, নিজের বাসার কাছে এসেও ফিরে আসতে হয় প্রীতিকে। বাসার কাছাকাছি গেলে প্রীতিকে তার মা হঠাৎ ফোন দিয়ে বলেছিলেন- চট্টগ্রাম থেকে প্রীতির মামা-মামী এসেছেন। সে যেন আজকেও আমার বাসায় থাকে। আগামীকাল যেন বাসায় যায়।

প্রীতিদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগরে। সেখানে যাতায়াত কম। বাবার চাকরিসূত্রে ঢাকায় থাকে তার পরিবার।

প্রীতির বাবা মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা সাধারণ পরিবারের নিরীহ মানুষ। আমার মেয়ের হত্যার ঘটনায় আমরা কোনো মামলা করব না। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। সাধারণ জীবনযাপন করি। কার বিরুদ্ধে মামলা করব? হয়তো এক্সিডেন্টলি ঘটনাটি ঘটে গেছে।আল্লাহ একজন আছেন, তিনিই দেখবেন।

তিনি আরো বলেন, মিরপুর-২ এ একটি কোম্পানির ফ্যাক্টরির প্রডাকশনে চাকরি করি। বেতন বেশি পাই না। অনেক কষ্টে মেয়ে প্রীতি ও ছেলে সোহায়েব জামাল সামি ও স্ত্রীকে নিয়ে পশ্চিম শান্তিবাগের একটি বাসায় ভাড়ায় থাকি।

জামাল উদ্দিন বলেন, প্রীতি বদরুন্নেসা কলেজে ইন্টারমিডিয়েটে পড়তো। পরিবারের অবস্থা বিবেচনা করে নিজে চাকরির চেষ্টা করছিল৷ ১৫ হাজার টাকায় একটা অফিসে চাকরি নিয়েছিল। সামনের মাসে জয়েন করার কথা ছিল মেয়েটার। কিন্তু সেটা আর হলো না।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. মার্চ ২০২২ ০৩:১৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ব্যতিক্রমী শিশুমেলা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ব্যতিক্রমী শিশুমেলা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে ব্যতিক্রমী শিশুমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) সকালে শহরের হাতেখড়ি প্রি-প্রাইমারী স্কুল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জানা যায়, শহরের হাতেখড়ি প্রি-প্রাইমারী স্কুল প্রাঙ্গণে আয়োজিত মেলায় শিশুরাই ক্রেতা ও  বিক্রেতার ভূমিকায় ছিল। এই মেলায় একাধিক স্টলে শিশুরা বিভিন্ন খাবার ও খেলনা সামগ্রী নিয়ে বসে। তবে এই খাবার সামগ্রীগুলো বিনামূল্যে অন্যান্য শিশুরা সংগ্রহ করে। মেলা উপলক্ষে শিশুরা মেতে ওঠে আনন্দে-উল্লাসে। দীর্ঘদিন পর বিদ্যালয় খোলার শুরুতেই এমন আয়োজন দেখে শিশু-শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি মুগ্ধ  অভিভাবকগণ।

এদিকে, মেলায় জিলাপি, আকরি, চিনি সাঁজ, কদমা, চিতই পিঠা, তেলের পিঠা, কুলি পিঠা, খাজা, পোড়াবাড়ির চমচম, মাটির খেলনা, হাড়ি-পাতিলসহ নানান কিছুর পসরা সাজিয়ে আনন্দে দোকান করে তারা। মেলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনও করা হয়। তবে অনুষ্ঠানে ছিলো না কোনও বড় অতিথি অথবা শিল্পী। এদিন সব দাঁয়িত্ব ও অতিথির আসনেও বসেছিল এই শিশুরাই।

অভিভাবক সামিমা সিথি বলেন, ‘বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এমন আয়োজনকে আমরা সাধুবাদ জানাই। দীর্ঘদিন পর বিদ্যালয় খুলেছে। শিক্ষার্থীদের মনটাও ভালো ছিল না। তারা গম্ভিরভাবে দীর্ঘদিন বাসায় আটকা ছিল। সম্প্রতি বিদ্যালয় খুলেছে। বিদ্যালয় খুলেই এমন আয়োজন দেখে শিশুরা অনেক খুশি হয়েছে। যান্ত্রিক এবং প্রতিযোগিতার বাজারে বেড়ে ওঠা শিশুদের মানসিক বিকাশে এমন আয়োজন আরও হওয়া উচিত।’

একতার কণ্ঠ

অভিভাবক সুমাইয়া পারভীন শিলা বলেন, ‘সত্যিই এটা একটা ব্যতিক্রমী আয়োজন। আর শিশুরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। এদিন শিশুরা অনেক আনন্দে কাটিয়েছে। শিশুমেলায় উৎসবমূখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আনন্দ-উল্লাসে মেতে ওঠে শিশুরা।’

হাতেখড়ি প্রি-প্রাইমারী স্কুলের চেয়ারম্যান সাংবাদিক নওশাদ রানা সানভী বলেন, ‘আমরা বরাবরই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান আয়োজন করে থাকি। এবার একটু ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। করোনাকালে বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় শিশুরা তাদের বাসায় দীর্ঘদিন আটকে ছিল।

তিনি আরো বলেন,  অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সাথে মেশার সুযোগ ছিল না। এজন্য আমরা শিশুদের মাঝে তার সহপাঠীর সঙ্গে আরও বন্ধুত্বপূর্ণ ভালোবাসা সৃষ্টির লক্ষে এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্মদিন ও শিশু দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য আমরা এই শিশুমেলার আয়োজন করেছি।  এই বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ও শিশুদের মাঝে আনন্দ দিতে এবং গ্রামীণ ঐতিহ্য তুলে ধরতেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. মার্চ ২০২২ ০২:৫৮:এএম ৪ বছর আগে
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক গণিত দিবস পালন - Ekotar Kantho

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক গণিত দিবস পালন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিত বিভাগের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক গণিত দিবস ২০২২ পালিত হয়েছে।সোমবার (১৪ মার্চ) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২য় একাডেমিক ভবনের সামনে এই দিবসের আয়োজন করা হয়।

বেলুন উড়িয়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালির উদ্বোধন করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. ফরহাদ হোসেন। গণিত বিভাগের সম্মেলন কক্ষে কেক কাটা হয়। এ ছাড়া, বেলা ১১টায় গণিত প্রতিযোগিতা ও বেলা ১২টায় পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

বর্ণাঢ্য এই আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান, সায়েন্স অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন, রেজিস্ট্রার ড. তৌহিদুল ইসলাম, গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান মুছা মিয়া, প্রক্টর প্রফেসর ড. মীর মোজাম্মেল হকসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. মার্চ ২০২২ ০৯:০১:পিএম ৪ বছর আগে
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত - Ekotar Kantho

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। সোমবার (২১ ফেব্রয়ারি) রাত রাত ১২ টা ১ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ ফরহাদ হোসেন এর নেতৃত্বে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে ক্যাম্পাস্থ শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সিরাজুল ইসলাম, বিভিন্ন অনুষদ,বিভাগ, হল, মাওলানা ভাসানী রিসার্স সেন্টার, আইসিটি সেল, আইকিউএসি, বঙ্গবন্ধু পরিষদ,অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশন, ভাসানী পরিষদ, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতি,বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ এবং ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকেও শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে ১ মিনিট নিরবতা পালন ও ভাষা শহীদদের রূহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

এছাড়া ভোরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা অর্ধনমিতকরণ, কালো পতাকা উত্তোলন এবং বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

সকল কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. মার্চ ২০২২ ০৩:২৩:পিএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।