একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে গভীর রাতে ফিল্মি কায়দায় বিদ্যালয়ে ঢুকে প্রশ্ন চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়েছে দশম শ্রেণির এক ছাত্রী। শনিবার (২৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টার দিকে ভূঞাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
পরে ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মহিউদ্দিন, সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহীম, শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন, মহিউদ্দিন ওরফে মনির এবং ওই ছাত্রীর মা বিদ্যালয়ে গিয়ে তাকে নিয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ওই ছাত্রী তার বান্ধবী ভূঞাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীসহ আরও দুই ছেলে বন্ধুর সহায়তায় এসএসসির টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র চুরি করার জন্য শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ভূঞাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দেয়াল টপকে ভেতরে প্রবেশ করে। সে আগে থেকে বানানো তালার চাবি দিয়ে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে প্রবেশ করে একেক করে কয়েকটি আলমারির তালা ভাঙতে থাকে। এ সময় পাশের রুমে থাকা নাইটগার্ড ফজলু তালা ভাঙার শব্দ শুনে ভেতরে গিয়ে ওই ছাত্রীর হাতে ছুরি দেখতে পান। এ সময় ওই ছাত্রী নাইটগার্ডকে ফাঁসানোর ভয় দেখায়। একপর্যায়ে তাকে ছেড়ে দেওয়ার আশ্বাসে নাইটগার্ড বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লাল মাহমুদের বাসায় নিয়ে যান। পরে সেখানে মেয়েটি ঘটনার বিস্তারিত বলে। পরে মানবিক বিবেচনায় রাতেই প্রধান শিক্ষক ওই ছাত্রীর মা ও ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মহিউদ্দিনকে বিষয়টি জানালে তারা বিদ্যালয়ে এসে মেয়েটিকে নিয়ে যান।
ভূঞাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. লাল মাহমুদ জানান, প্রশ্নপত্র চুরি করে বিক্রির জন্য ছেলেদের পোশাক পড়ে গভীর রাতে বিদ্যালয়ের দেয়াল টপকে ভেতরে প্রবেশ করে ওই ছাত্রী। তবে পূর্বেই ফিল্মি স্টাইলে বিদ্যালয়ের তালা-চাবির ছবি তুলে তালা খোলার জন্য আলাদা চাবি বানিয়ে কক্ষে প্রবেশ করে সে। পরে কক্ষের ভেতরে কয়েকটি আলমারির তালা নষ্ট করে। পরে নাইটগার্ড শব্দ পেয়ে ভেতরে গিয়ে তাকে ছুরিসহ হাতেনাতে আটক করে। সে আমাদের জানিয়েছে এসএসসির টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্ন চুরি করে বন্ধুদের কাছে বিক্রি করবে। পরে মানবিক কারণে তাকে স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও তার মাকে জানানো হলে তারা বিদ্যালয়ের এসে মেয়েকে নিয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, এই কাজে জড়িত থাকার দায়ে আমাদের বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে বিদ্যালয় থেকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (টিসি) দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মহীউদ্দিন বলেন, এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে প্রশ্ন চুরির ঘটনা জানি না। জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মোছা. ইশরাত জাহান বলেন, ঘটনাটি জেনেছি। তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি টাঙ্গাইল জেলা শাখার আয়োজনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৯অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ভবনে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি মোঃ সহিনুর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোঃ আবুল কাসেম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটি’র যুগ্ম সম্পাদক মোঃ মফিজুর রহমান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হাজী মুহাঃ সাজ্জাদুর রহমান খোশনবীশ।
টাঙ্গাইল জেলার প্রাথমিক শিক্ষক নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন জেলার উপজেলা সমূহ থেকে আগত বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
এর আগে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোঃ আবুল কাসেম টাঙ্গাইল এসে পৌঁছুলে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানোর মধ্য দিয়ে তাঁকে বরণকরে নেন টাঙ্গাইলের প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে শালিয়ারা আহম্মদিয়া বাজলুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার সুপার মোঃ আনোয়ার হোসেনকে চাকুরির প্রলোভন দেখিয়ে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত।
তিনি নাগরপুর উপজেলার বাটরা গ্রামের সোনা উল্যাহ মিয়ার ছেলে।
রবিবার ( ১৬ অক্টোবর) বিজ্ঞ আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ও তদন্তকারী কর্মকর্তার তদন্ত প্রতিবেদন বিশ্লেষণ পূর্বক এ আদেশ প্রদান করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, বিগত ২৩ জুলাই ২০২০ সালে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় নিরাপত্তা কর্মী পদে লোক নিয়োগের ব্যাপারে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে শালিয়ারা আহম্মদিয়া বাজলুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। তখন অভিযোগকারী শাররীক প্রতিবন্ধী মোঃ আরজু সিকদারের(৭০) পুত্র মোঃ ইয়ামিন মিয়া উক্ত পদের প্রার্থী হিসেবে আবেদন করেন। আবেদনের পর অত্র মাদ্রাসার সুপার অভিযোগকারীকে আশ্বস্ত করে বলেন যে, তিনি তার সন্তানকে চাকুরী দিতে পারবেন। তবে তাকে ৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দিতে হবে। প্রতিবন্ধী কৃষক বাবা গোয়ালের চাষের গরু বিক্রি করিয়া তার সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য সরল মনে তার হাতে প্রথম পর্যায়ে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা তুলিয়া দেয়। এ সময় মামলার ২ নাম্বার আসামি মোঃ হাবিবুর রহমান (অত্র মাদ্রাসার শিক্ষক) সহযোগিতায় মামলার স্বাক্ষীগণের সামনে অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার অভিযোগকারীর বাড়ি হতে টাকা গুনিয়া ব্যাগে ভরে নিয়ে যায়। অভিযোগকারীকে আশ্বস্ত করে যে, অল্প কিছু দিনের মধ্যেই নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ও বাকী ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা নিয়োগ পরীক্ষা শেষে প্রদান পূর্বক তার চাকুরী নিশ্চিত করা হবে। পরবর্তীতে ২৮ ডিসেম্বর ২০ তারিখে স্বাক্ষাতকারের প্রবেশ পত্র পান ও ৮ জানুয়ারী ২১ তারিখে সাক্ষাতকার বোর্ডে উপস্থিত হইয়া সবগুলো প্রশ্নের সঠিক উত্তর প্রদান করেন।
সাক্ষাতকার পর্ব সন্তোষজনক হওয়ায় অভিযোগকারী অতি কষ্টে বাকি ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপারের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি নানা টালবাহানা শুরু করেন। উল্লেখিত পদে চাকুরী বা প্রদেয় ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ফেরৎ দিবে না বলে অস্বীকার করেন। অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার মোঃ আনোয়ার হোসেন বিশ্বাস ভঙ্গ, টাকা আত্মসাৎ করেছে।
এতদ বিষয়ে মোকাম টাঙ্গাইল বিজ্ঞ সিনিঃ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী (নাগরপুর) আদালতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা চলমান রয়েছে। মামলা নং ১৫৩/২০২২ সি.আর (নাগরপুর)।
অভিযোগকারী মোঃ আরজু মিয়া জানান, আমি ও আমার পরিবার আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমার সন্তানের চাকুরির প্রলোভন দেখিয়ে মাদ্রাসা সুপার ঘুষ নিয়ে চাকুরীও দিচ্ছে না আবার টাকাও ফেরত দিচ্ছে না। বাধ্য হয়েই বিজ্ঞ আদালতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছি।
আমি একজন শাররীক প্রতিবন্ধী কৃষক। পালের গরু ছাগল বিক্রি করে তাকে সন্তানের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে টাকা দিয়েছিলাম।
মামলার ২ নং আসামি মোঃ হাবিবুর রহমান জামিনে মুক্ত হওয়ায় আমি চিন্তিত। তবে বিজ্ঞ আদালতের প্রতি আমার দৃঢ় আস্থা ও বিশ্বাস আছে আমি ন্যায় বিচার পাবো।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ১৪২ বছরের প্রাচীন বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের পূর্বপাশের সীমানা প্রাচীর রক্ষায় শুরু হয়েছে গণ স্বাক্ষর কর্মসূচি।
সোমবার (৩ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এই গণ স্বাক্ষর কর্মসূচি শুরু হয়।
গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিন্দুবাসিনীর সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে।
এ ছাড়া টাঙ্গাইলের সুশীল সমাজ সহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ এই গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। সোমবার বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত প্রায় সহস্রাধিক স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়।

কথা হয় গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসা সাম্য রহমান, আরমান কবীর, মুঈদ হাসান তড়িৎ,খালেদ শামস অপু, শামসুল আরেফিন খান, আব্দুল্লাহ আল মামুন,নাসিফ ইকবাল হিমেল,সাদাত হাবিবের সাথে।
বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় সাবেক ও বর্তমান এই সব শিক্ষার্থীরা তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করে জানান, বিন্দুবাসিনী আমাদের জন্য শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, আমাদের আবেগের জায়গা । এই বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর কোনভাবেই অবৈধ জায়গা দখল করে গড়ে ওঠে নি। টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়রের এই নোটিশ গ্রহণযোগ্য নয়। এই সীমানা প্রাচীর রক্ষায় গণস্বাক্ষর অভিযান একটি যৌক্তিক কর্মসূচি। তাই আমরা বৃষ্টি উপেক্ষা করে স্বাক্ষর দিতে এসেছি।
তারা আরো জানান, গণস্বাক্ষর অভিযান শেষ হলে, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে শিক্ষা সচিবের বরাবরে স্মারকলিপি সহ গণস্বাক্ষরগুলো পাঠানো হবে।
একতার কণ্ঠঃ বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে পৌরসভার রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য টাঙ্গাইলের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর ভাঙার সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।
বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর ভাঙার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে রোববার ( ২ অক্টোবর) বিদ্যালয়ের সামনে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেন এবং শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেন।
পরে পৌরসভা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের এক মতবিনিময় সভায় আপাতত সীমানা প্রাচীর ভাঙা হচ্ছে না বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভার সুপারিশ অনুযায়ী, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, সাবেক শিক্ষার্থী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে আলাপ-আলোচনা সাপেক্ষে এবং আবার পরিমাপ করে রাস্তা সম্প্রসারণ ও বিদ্যালয়ের দেওয়াল ভাঙার বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হবে।
যানজট নিরসন ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নে টাঙ্গাইল পৌর কর্তৃপক্ষ জেলা শহরের অন্যতম প্রধান সড়ক ৪ লেনের কাজী নজরুল সড়কটি ৪ লেনে রূপান্তরের উদ্যোগ নেয়।
এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গত ৮ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সহকারী কমিশনারের (ভূমি) উপস্থিতিতে জমি পরিমাপ করে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের পূর্ব পাশের সীমানা প্রাচীরের ভেতরে ৬-১০ ফুট জায়গা পৌরসভার বলে চিহ্নিত করা হয়।

পরে পৌর কর্তৃপক্ষ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ‘দখলীকৃত’ জায়গায় ৫ ফুট জমি রাস্তার জন্য ছেড়ে দিতে অনুরোধ করে এবং সীমানা প্রাচীর ভেঙে দিয়ে পরে তা আবার পৌরসভার খরচে নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাস দেয়।
তবে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এসএসসি পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর এ কাজ করতে পৌর কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করে।
এদিকে, প্রিয় বিদ্যালয়ের দেওয়াল ভেঙে ফেলা হচ্ছে এমন সংবাদ পেয়ে বিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা এর বিরুদ্ধে শনিবার রাত থেকে বিদ্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন।
বিক্ষোভকারীদের মধ্যে বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী সাম্য রহমান বলেন, ‘শহরের উন্নয়নে রাস্তা সম্প্রসারণ হোক এটা আমরাও চাই। তবে এজন্য ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর ভাঙার আবশ্যকতা আছে বলে মনে করি না।’
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল করিম বলেন, ‘বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে বিদ্যালয়ের জায়গা রক্ষা করা আমার দায়িত্ব। সহকারী কমিশনার (ভূমি) সার্ভেয়ার দিয়ে জমি পরিমাপ করে যাওয়ার পর কোনো প্রতিবেদন দাখিল না করলেও, ইতোমধ্যে পৌর কর্তৃপক্ষ বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীরের ভেতর টিনের বেড়া নির্মাণ করেছে।’
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস এম সিরাজুল হক খান আলমগীর জানান, পরিমাপে বিদ্যালয়ের ভেতরে পৌরসভার প্রায় ১০ ফুট জায়গা পাওয়া গেছে। তবে ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়টির গেট ও কোনো স্থাপনা বা খেলার মাঠের যেন কোনো ক্ষতি না হয়, সেজন্য ৫ ফুট জায়গা রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গণি বলেন, ‘রাস্তা সম্প্রসারণ কাজে পৌরসভার জায়গা উদ্ধারে সহায়তা করছে জেলা প্রশাসন। বিন্দুবাসিনী স্কুলের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি হিসাবে এবং পৌরসভার একজন তদারককারী হিসেবে আমি নিজে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও পৌর মেয়রকে নিয়ে আলোচনা করেছি।’
‘ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা বিবেচনা করে রাস্তা সম্প্রসারণের যেমন প্রয়োজন আছে, তেমনি এটি করতে গিয়ে ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়ের গেইট বা অন্য কিছু যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেটিও ভাবা হয়েছে,’ যোগ করেন তিনি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের পূর্বপাশের সীমানা প্রাচীর পৌরসভা কর্তৃক অপসারণ নোটিশ প্রদানের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা।
রবিবার ( ২ অক্টোবর) সকালে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের ঘন্টা ব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বিদ্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষণ শেষে পুনরায় বিদ্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন , বিন্দুবাসিনী সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয় একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই বিদ্যালয় কোন প্রতিষ্ঠানের জায়গা দখল করে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করেনি। তাই এই সীমানা প্রাচীর ভাঙ্গার নোটিশ অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।না হলে সাবেক ও বর্তমান ছাত্রদের নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুশিয়ারী দেন শিক্ষার্থীরা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার এসএসসি পরীক্ষার একটি কেন্দ্রে অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারসহ দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে দুই শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার সাগরদীঘি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের কলেজ শাখায় এসএসসির বিজ্ঞান বিভাগের রসায়ন পরীক্ষা চলাকালীন এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, সাগরদীঘি উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রেরের হলে মোবাইল ফোনে প্রশ্ন আদান- প্রদানকালে এক পরীক্ষার্থীকে নকলসহ হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে ওই পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হয়। এ দিকে দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগে ওই হলের দুই শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
সাগরদীঘি উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষা কেন্দ্র সচিব রহমত উল্লাহ জানান, পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া ওই কক্ষে দায়িত্বরত দুইজন শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুনিয়া চৌধুরী জানান, প্রত্যেক পরীক্ষার দিনই পরীক্ষার হল পরিদর্শন করছি। নকল রোধে পরীক্ষার হল পরিদর্শন অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসী বিভাগের উদ্যোগে ‘বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস-২০২২’ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়।
রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন বিশ্ব বিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. ফরহাদ হোসেন।
শোভাযাত্রাটি ফার্মেসী একাডেমিক কাম রিসার্চ ভবনের সামনে থেকে শুরু করে বিশ্ব বিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
শোভাযাত্রায় বিশ্ব বিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান, লাইফ সায়েন্স অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. মাহবুবুল হক, বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. মিজানুর রহমান মোগলসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে মোবাইল ফোনে প্রশ্নপত্র পাওয়ার অপরাধে ইয়াছিন সিকদার নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে ছয় মাসের কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।
শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে পদার্থ বিজ্ঞান পরীক্ষা চলাকালে উপজেলার বাঁশতৈল মনসুর আলী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান তাকে এই সাজা দেন।
সাজাপ্রাপ্ত ইয়াছিন সিকদার উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পাঁচগাও গ্রামের কালু সিকদারে ছেলে।
জানা গেছে, ইয়াছিন সিকদারের ছেলে তামিম সিকদার চলতি বছর অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় ওই কেন্দ্র থেকে অংশ নিচ্ছেন। পরীক্ষা শুরুর এক ঘন্টার মধ্যে প্রশ্নপত্র ইয়াসিন সিকদারের মোবাইল ফোনে চলে আসে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি ইউএনও জানতে পারেন। পরে বাঁশতৈল বাজারের নাজিম প্লাজা থেকে ইয়াসিন সিকদারকে মোবাইল ফোনসহ আটক করা হয়। এ সময় তার মোবাইল ফোনে চলমান পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ের প্রশ্নপত্র দেখতে পান ইউএনও।
এ প্রসঙ্গে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভ্রাাম্যমান আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান জানান, ইয়াছিন সিকদারকে পাবলিক পরীক্ষা সমুহ (অপরাধ) আইন, ১৯৮০ এর ১১(খ), (গ) ধারা অনুযায়ী ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন বিভাগের উদ্যোগে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ খাদেমুল ইসলামের সভাপতিত্বে সম্মেলন কক্ষে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
‘পরিবেশগত প্রতিকারের জন্য পলিমার ভিত্তিক ন্যানো ম্যাটেরিয়ালের ব্যবহারের সুযোগ এবং ঔষধ শিল্পে রসায়নের জ্ঞান’ বিষয়ক সেমিনারে ৩ টি গবেষণার তথ্য ও ফলাফল উপস্থাপন করা হয়।
‘Conducting polymer based (CP) based nanocomposites for waste water treatment’ এর উপরে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান খান, ‘Non-Enzymatic Electrochemical sensor for the Sensitive and Selective Determination of Hydrogen Peroxide’ এর উপরে বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আবু রাশেদ এবং API Synthesis & Its Challenges in Bangladesh এর উপরে প্রফেসর ড. মোঃ রবিউল ইসলাম গবেষণার তথ্য ও ফলাফল উপস্থাপন করেন।
সেমিনারে বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আদনান (১৫) নামের আরো এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত আদনান উপজেলার কালিয়া গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে এবং স্থানীয় ঘোনারচালা উচ্চবিদ্যালয় থেকে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ আগস্ট সখীপুর-সাগরদীঘি সড়কের কালিয়া বাজার এলাকায় আদনানের মোটরসাইকেলকে একটি ট্রাক চাপা দেয়। এতে আদনান ও তার বন্ধু জুবায়ের আহমেদ গুরুতর আহত হয়। আহত আদনানকে ঢাকার কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ২৬ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শনিবার রাতে তার মৃত্যু হয়।অন্যদিকে আদনানের বন্ধু জুবায়েরকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জুয়েল রানা জানান, মাত্র তিন দিন পরেই আদনানদের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। এই সময়ে আদনানের মৃত্যুতে তার সহপাঠী ও শিক্ষকদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
অপরদিকে, এ মাসের শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে দেলদুয়ার উপজেলার দেলদুয়ার-পাকুল্লা আঞ্চলিক সড়কে ফায়ার সার্ভিস অফিসের সামনে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সিয়াম(১৬) নামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়।এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের অপর আরোহী সিয়ামের বন্ধু রানা গুরুতর আহত হয়।

নিহত সিয়াম উপজেলার ফাজিলহাটী এলাকার সানোয়ার হোসনের ছেলে।সে স্থানীয় লাউহাটী আজহার আলী মেমরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।
গত তিন মাসে টাঙ্গাইল জেলায় বেপরোয়া মোটরসাইকেলের গতি একের পর এক স্কুল ও কলেজ ছাত্রের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে। এ ব্যাপারে সচেতন মহল ও অভিভাবকগণ সড়ক ও মহাসড়কে স্কুল-কলেজের মোটরসাইকেল আরোহী ছাত্রদের চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপের জোর দাবি জানিয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে তুচ্ছ ঘটনায় হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করায় ডিএম সালমান (১৬) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী বিষপানে আত্মহত্যা করেছে। শুক্রবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে এ ঘটনা ঘটে
নিহত সালমান উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের কুড়াতলী গ্রামের শামসুল দেওয়ানের ছেলে। সে গল্লী জনতা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
স্বজনরা জানান, সালমানের বন্ধু চুকুরিয়া গ্রামের আলামীন একই এলাকার শফিকের দোকানে তাকে সঙ্গে নিয়ে বিকাশের মাধ্যমে কিছু টাকা লেনদেন করে। আলামীন পরে টাকা দেয়ার কথা থাকলেও সে টাকা না দিয়ে গা ঢাকা দেয়। বুধবার (৩১ আগস্ট) সকালে শফিক সালমানের কাছে টাকা দাবি করে। এতে সালমান টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। ওইদিন বিকেলে শফিক সালমানকে ডেকে এলাকার মাতব্বর সেকেন্দার সিকদারের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে সেকেন্দার, সাইফুল, লতিফ, শফিক সালমানকে কয়েক ঘণ্টা আটকে রেখে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করে। রাতের কোনো একসময় সালমান ওই এলাকার মামুন তালুকদার নামে এক ব্যক্তিকে মোবাইল ফোনে কল করে তাকে উদ্ধার করতে বলে। মামুন রাতেই তাকে উদ্ধার করে তার কাছে রাখে।’
বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) ভোর ৬টার দিকে সালমান বাড়ি ফিরে ইঁদুরের বিষ পান করে। বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে আবার মামুনের সঙ্গে দেখা হলে সে বিষ পান করেছে বলে জানায়। পরে তাকে প্রথমে উপজেলার জামুর্কী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকালে সালমানের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।
সালমানের মামাতো ভাই জামুর্কী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক উজ্জ্বল হোসেন খান বলেন, ‘সদা হাস্যোজ্জ্বল ও বিনয়ী সালমানকে যারা মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে, তাদের উপযুক্ত বিচারের মাধ্যমে শাস্তি দাবি করছি।’
মির্জাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু সাইদ বলেন, কুমুদিনী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে খবর পেয়ে সালমানের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরিবার অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।