একতার কণ্ঠঃ দেশাত্ববোধক গান পরিবেশন, শহীদ মিনারে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদনসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলে ২১ শে ফেব্রুয়ারী (সোমবার) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও মহান শহীদ দিবস পালিত হয়েছে।
সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২ টা ১ মিনিটে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রথমে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে স্থানীয় সংসদ সদস্য, পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে শহীদদের স্মরণে এক মিনিটের নিরবতা পালন করা হয়৷
এ সময় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক,সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম, স্থানীয় সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, জেলা প্রশাসক আতাউল গণি, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আমিনুল ইসলাম, সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এর পর জেলা পরিষদ, পুলিশ প্রশাসন, পৌরসভা, প্রেসক্লাব, সিভিল সার্জন অফিস, পিবিআই, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, আওয়ামীলীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ ও সর্বস্তরের জনসাধারন শহীদদের স্মরণে শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
এর আগে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে চলে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের দেশাত্ববোধক গানের অনুষ্ঠান। এছাড়াও জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে দিনব্যাপী চিত্রাংকন প্রতিযোগীতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী রবিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশ করা হবে। এরইমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ওমিক্রনের ঝুঁকির কারণে এবারো অনলাইনে হবে ফল প্রকাশ।বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি এইচএসসি, আলিম, এইচএসসি ভোকেশনাল, এইচএসসি ব্যবসা ব্যবস্থাপনা ও ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে।
সেদিন সকালে ২০২১ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর দুপুরে শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা যাবে।
এরআগে বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে শুটিং ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেদিন সময় দেবেন সেদিনই ঘোষিত হবে ফল।
জানা গেছে, ফল প্রকাশের দিন শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে সকাল ১০টায় সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রীর কাছে এর সারসংক্ষেপ তুলে ধরবেন। এরপর দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করা হবে। করোনা পরিস্থিতির কারণে ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন।
করোনার কারণে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে গত ডিসেম্বরে নেওয়া হয় ২০২১ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১৩ লাখ ৯৯ হাজার পরীক্ষার্থী অংশ করেন। চলতি বছরের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ বা ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ফল প্রকাশের কথা থাকলেও দেশের বাইরে থাকা বিভিন্ন কেন্দ্রের খাতা মূল্যায়নে দেরি হয়।
এ অবস্থায় বোর্ড জানায়, সব জটিলতার অবসান ঘটিয়ে ফলাফল প্রস্তুত করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ স্বৈরশাসক এরশাদের শাসন আমলে ১৯৮৭ সালে বাসভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদ করতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন টাঙ্গাইলের ছাত্রনেতা মির্জা আবু রায়হান খান জগলু। মঙ্গলবার(৮ ফেব্রয়ারি) সকালে টাঙ্গাইলে তাঁর ৩৫তম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে।
শহীদের পরিবার, জেলা বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা শহরের শহীদ জগলু রোড়ে ( পুরাতন আদালত রোড়) জগলুর স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন। পরে বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় মোনাজাত করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান ও জেলার আহবায়ক অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমেদ টিটু, জেলার সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক হাসানুজ্জামিল শাহীন, সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, যুগ্ম-আহবায়ক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, কাজী শফিকুর রহমান লিটন, অমল ব্যানার্জী, দেওয়ান শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ১৯৮৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি স্বৈরশাসক এরশাদের আমলে বাস ভাড়া বাড়ানোর প্রতিবাদে আন্দোলনরত জনতার ওপর পুলিশ গুলিবর্ষণ করে। এ আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক তৎকালীন ছাত্রদলনেতা মির্জা আবু রায়হান জগলু নিহত হন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে প্রেমিকার অন্যত্র বিয়ে হয়ে যাওয়ায় প্রিতম কুমার সিংহ আকাশ (২১) নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। রোববার (০৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১টার দিকে তিনি বিষপান করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু।
প্রিতম কুমার সিংহ আকাশ মধুপুর পৌরসভায় সাথী সিনেমা হল রোডের পার্শ্বের উত্তম কুমার সিংহের ছেলে। তিনি ঢাবির চারুকলা বিভাগের স্নাতক (সম্মান) শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টাঙ্গাইলের কুমুদিনী সরকারি মহিলা কলেজের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল প্রিতমের। সম্প্রতি মেয়েটির অন্যত্র বিয়ে হয়ে যায়। প্রেমিকাকে হারানোর বেদনা ও ক্ষোভে রোববার(৬ ফেব্রয়ারি) রাতে নিজ বাড়িতে ইঁদুর মারার বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন প্রিতম। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে তাকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করে। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। পরে সোমবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইলের রানিদিনমনি মহাশ্মশান ঘাটে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।
মধুপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাবলু আকন্দ বলেন, প্রেমঘটিত কারণে প্রিতম আত্মহত্যা করেছেন বলে জানতে পেরেছি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সন্তোষে অবস্থিত মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বরস্বতী পূজা উদযাপন নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার(৩ ফেব্রয়ারি) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এন্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী মানিক শীল ফেসবুক গ্রুপ ‘এমবিএসটিউ ফ্যামিলি’-তে তার ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
রবিবার( ৬ ফেব্রয়ারি) পর্যন্ত প্রায় শতাধিক সনাতন ধর্ম্বালম্বী অন্যান্য শিক্ষার্থী তাতে কমেন্টের মাধ্যমে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
মানিক শীল তার পোস্টে জানান, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দুই দশক পরেও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয় বা মন্দির নেই। কেন্দ্রীয় মন্দির না থাকার কারণে প্রতিবছরই কোন একটি জায়গা বাছাই করে পুজা করা হয়। খুব কষ্ট লেগেছে আজ এত কষ্ট করেও যখন বৃষ্টি এসে সব আয়োজন ধূলিসাৎ করে দিয়ে গেছে, বিপাকে পড়তে হয়েছে আয়োজকদের। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মত আমাদের একটি মন্দির থাকলে এই অবস্থার সম্মুখীন হওয়া লাগতো না।গত কয়েক বছর মন্দির প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে সনাতনী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা সাবেক ভিসি স্যারের কাছে গেলেও কেন জানি কোন কারণে অজুহাত দিয়ে তা বন্ধ করে রেখেছে। ধর্ম চর্চার জন্য, পুজার জন্য মাভাবিপ্রবিতে একটি মন্দির অত্যাবশ্যকীয় হয়ে দাড়িয়েছে এবং আমরা একটি মন্দির চাই।’
এ বিষয়ে মানিক শীল বলেন, প্রায় সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব কেন্দ্রীয় মন্দির থাকে। আমরা বারবার বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে মন্দির প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছি। আমি সনাতন ধর্মাবলম্বী সকল শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে বিশ^বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনতিবিলম্বে কেন্দ্রীয় মন্দির প্রতিষ্ঠার জোর দাবি জানাই।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ ফরহাদ হোসেন বলেন, আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন দায়িত্ব পেয়েছি, অনেক কিছুই আমার অজানা। সকলের সাথে আলোচনা স্বাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।
একতার কণ্ঠঃ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীভুক্ত সাত কলেজের পূর্বনির্ধারিত পরীক্ষাসমূহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুষ্ঠিত হবে।
করোনা মহামারির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও এসব প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা যথাসময়ে হবে।
বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চলতি বছরের শুরু হয়ে কোভিডের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রণের প্রভাবে সংক্রমণ দ্রুত বেড়ে যায়। ওই পরিস্থিতিতে গত ২১ জানুয়ারি দেশের সব স্কুল-কলেজ ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকেও একই ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না আসায় বুধবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান এই ছুটি আরও দুই সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জানান শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।
দেশে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ। মহামারি কারণে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে দেড় বছর দেশে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। ২০২১ সালের ১২ সেপ্টেম্বর স্কুল-কলেজ খোলার পর আবার শ্রেণিকক্ষে ফিরতে শুরু করে শিক্ষার্থীরা। এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষাও নেওয়া সম্ভব হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বিবেকানন্দ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে সংবাদের নিন্দা প্রকাশ করেছেন বিবেকানন্দ স্কুল এন্ড কলেজের ৩০ জন স্বাক্ষরকারী। তারা এক বিবৃতিতে বলেন, টাঙ্গাইল জেলা সদরে অবস্থিত প্রায় শতবর্ষীয়ান শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে অনন্য ঐতিহ্যবাহী বিবেকানন্দ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দের বিরুদ্ধে মিথ্যা, ষড়যন্ত্রমূলক ও মানহানিকর সংবাদ বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে ও ফেইজবুকে প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদন জানাই। এ বিষয়ে স্বাক্ষরকারীরা টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে একটি পত্র দেন।
গত ২০২১ সালের ২৪ নভেম্বর টাঙ্গাইল শহরের আকুর টাকুর পাড়ায় অবস্থিত শ্রী শ্রী ছোট কালিবাড়ী মন্দির কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে এক শ্রেণীর অসাধু ও হীন মানসিকতার কয়েকজন ব্যক্তি রীমা রায় নামের একজন মেয়েকে দিয়ে নানা প্রকার মানহানিকর বক্তব্য ও সাজানো অভিযোগ দায়ের করার চেষ্টা করছেন। গত ২০২১ সালের ২৫ নভেম্বর ষড়যন্ত্রকারীরা আকুর টাকুর পাড়াতে নানা প্রকার মানহানীকর কথা বার্তা প্রচার করে-বলিয়া জানা যায়। অতপর শ্রী শ্রী ছোট কালীবাড়ীর সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট অনুপম দে বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট টাঙ্গাইল সদর থানা আমলী আদালতে মানহানীর একখানা ১৪৪০/২২ নং মোকদ্দমা দায়ের করেন। উক্ত মোকদ্দমায় বিবাদীগনের বিরুদ্ধে সমনের আদেশ হয়েছে।
এতএব বিবেকানন্দ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে একজন সম্মানী ব্যক্তিকে অসম্মান করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। এজন্য আমরা নিন্দা জানাই ও মিথ্যা গুজব প্রকাশের বিরুদ্ধে বিবেকানন্দ স্কুল এন্ড কলেজের পক্ষ থেকে সকল পর্যায়ের শিক্ষকবৃন্দ জোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রতিবাদপত্রে স্বাক্ষরকারীরা হলেন- আবু দাউদ প্রভাষক, প্রভাষক রুনা লায়লা, সিনিয়র শিক্ষক মনিরুল হক, বজলুর রহমান, আবু ইউছুব ছিদ্দিকী, রেজাতী হায়দার, কাকলী মজুমদার, মৃদুল কান্তি ভৌমিক, মজিবর রহমান, লক্ষী ঘোষ, সিরাজুল মনির, সুমী আক্তার, মনোয়ারা খান, শাহনাজ আক্তার, এম,এম, রাশিদা, অসীমা দাশ, স্মৃতি প্রামানিক, শফিকুল ইসলাম, আলী হায়াত, গোলাম মোস্তফা, ফয়সাল আহমেদ, মাজহারুল ইসলাম, হাবিব উল্লাহ সরকার, বাসুদেব দে, ফারুক হোসেন, শামীমা নুশরাত, ফারজানা রিমু, নাজমুল হক খান, সুজিত কর্মকার, মোঃ রবিন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের জেলা সদর রোড়ে অবস্থিত বিবেকানন্দ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে’র বিরুদ্ধে এক নারীকে প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে।এ ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে রিমা রায় (৩১) নামের ওই নারী টাঙ্গাইল সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।রবিবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রিমা রায় শহরের আকুর টাকুরপাড়া ছোট কালিবাড়ী এলাকার স্বপন দাসের মেয়ে।
রিমা রায়ের অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ২১ জানুয়ারি বিকেলে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজের রাস্তায় হাঁটতে বের হন রিমা রায়। এ সময় অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে (৪৭) ও টুকু দেসহ (৪০) অজ্ঞাত কয়েকজন তাকে অকথ্য অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। তারা এসিডে চেহারা বিকৃত করে দেওয়ার হুমকিও দেয় রিমা রায়কে। খুন করে ফেলা হবে বলেও হুমকি দেয়।
রিমা রায় অভিযোগে উল্লেখ করেন, বিবাদিরা যে কোন সময় তার ও তার ছেলের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে।
রিমা রায় বলেন, কিছুদিন আগে শহরের ছোট কালিবাড়ি মন্দির কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এসময় অনিয়মের মাধ্যমে মন্দির কমিটি গঠনের পেছনে আনন্দ মোহন দে’র হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। আমিও বক্তব্য রাখি মানববন্ধনে। আর এটাই কাল হয়ে দাঁড়ায়।
তিনি আরো বলেন, আমি তো কোন অন্যায় আচরণ করিনি। আমি শুধু বলেছিলাম- মন্দির-মসজিদ নিয়ে কেন রাজনীতি হবে। মন্দির-মসজিদ হলো প্রার্থণার জায়গা, শান্তির জায়গা। আর এ কথা বলার জন্যেই আমাকে হুমকি দিয়েছে আনন্দ মোহন দে।
এ ব্যাপারে অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে বলেন, আমি শুনেছি মেয়েটি একটি লিখিত অভিযোগ নাকি দিয়েছে। সে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় আমার প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করতো। সে আমার সরাসরি ছাত্রী ছিল। তার অভিযোগগুলো সত্য নয়। সম্পুর্ণ ভিত্তিহীন। আমিও তদন্ত সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
এ ব্যাপারে তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোহেল বলেন, ছোট কালিবাড়ী এলাকার একটি মন্দিরের কমিটি নিয়ে পুরাতন ও নতুন দুই পক্ষের বিরোধ চলছে। আমি এ বিষয়ে ওই এলাকায় গিয়ে খোঁজ খবর নিয়ে এসেছি। তদন্ত চলছে। তবে দুই পক্ষই একে অপরকে দোষারোপ করছে। মূলত মন্দির কমিটি নিয়েই মূল সমস্যা দেখা দিয়েছে।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, ৩ দিন আগে ওই নারী বাদি হয়ে একটি লিখিত আবেদন দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ আগামী দুই সপ্তাহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। আজ শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কনফারেন্স রুমে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
জাহিদ মালেক জানান, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
তিনি বলেন, প্রতিদিন আক্রান্তের হার বেড়ে যাচ্ছে। ১১ দফা দেবার পরেও সাধারণ মানুষেরা কেউ তা মানছে না। এভাবে আক্রান্তের হার বাড়তে থাকলে হাসপাতালের বেড খালি থাকবে না। স্কুলে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় আগামী ২ সপ্তাহ স্কুল, কলেজ, ভার্সিটি বন্ধ থাকবে।
তিনি বলেন, করোনা সংক্রমণ কিছুটা কমে আসায় আমরা স্কুল-কলেজ, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু করেছিলাম। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, স্কুল-কলেজে সংক্রমণের হার বেড়ে যাচ্ছে। এটা আশঙ্কাজনক। এমন অবস্থায় আমরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে আগামী দুই সপ্তাহ আমরা স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, পরে পরিস্থিতি বুঝে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশিদ আলমসহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনান্য কর্মকর্তারা।
সংবাদ সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক
একতার কণ্ঠঃ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন দ্বি-বার্ষিক কার্যকরি পরিষদ নির্বাচনে শাপলা প্যানেলের মজনু-বিদ্যুৎ পরিষদ থেকে সভাপতি পদে মো. মফিজুল ইসলাম মজনু ও সাধারণ সম্পাদক পদে ড. ইকবাল বাহার বিদ্যুৎ নির্বাচিত হয়েছেন।
বুধবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ভোট গণনা শেষে তাদের বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
এর আগে সকাল ৯ টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় একাডেমিক ভবনের শিক্ষক লাউঞ্জে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়া মজনু-বিদ্যুৎ পরিষদ থেকে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে মো. ছাদিকুল হক, সহ-সভাপতি পদে সত্য সাহা, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে এম.এ আজাদ সোবহানী আল ভাসানী, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, অর্থ সম্পাদক পদে মোহাম্মদ আবুল হোসেন, সহ-অর্থ সম্পাদক পদে মোহাম্মদ ফরিদুজ্জামান ফারুকী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে মো. রেজাউল করিম, ক্রীড়া ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান রাশেদ, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মোহাম্মদ মেহের আলী, দপ্তর সম্পাদক পদে মো. শহিদুল ইসলাম, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক পদে আমজাদ হোসেন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পদে সোনিয়া পারভীন, সদস্য পদে এস. এম সেলিম মিয়া, মো. ফারুক হোসেন, ডা. হারুন-অর-রশিদ রাসেল, মোহাম্মদ আব্দুর রফিক ও সদস্য মুহাম্মদ ইপিয়ার হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ২৪৩। নির্বাচন পরিচালনা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার মো. মাকসুদুর রহমান, নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনির ও মো. গোলাম মওলা।
একতার কণ্ঠঃ সম্প্রতি প্রকাশিত হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল। এবারের প্রাপ্ত ফলাফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন শুরু হয় গতকাল থেকে। ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত এসএমএসের মাধ্যমে পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা যাবে। তবে শুধু টেলিটক প্রি-পেইড মোবাইল ফোন থেকে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে।
বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এসএম আমিরুল ইসলামের সই করা অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আর তাই এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করতে মোবাইলের Message অপশনে গিয়ে RSC বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর রোল নম্বর বিষয় কোড লিখে Send করতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।
উদাহরণ : ঢাকা বোর্ডের কোনো পরীক্ষার্থীর রোল নম্বর ১২৩৪৫৬ হলে এবং পরীক্ষার্থী আবেদন করতে চাইলে message অপশনে RSC Dha 123456 136 Send করতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।
ফিরতি এসএমএসে আবেদন বাবদ কত টাকা কেটে নেওয়া হবে তা জানিয়ে একটি PIN নম্বর দেওয়া হবে। এতে সম্মত থাকলে ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে RSC Yes PIN Contact Number (যে কোনো মোবাইল অপারেটর) লিখে Send করতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।
উল্লেখ্য, পুনঃনিরীক্ষণের ক্ষেত্রে একই এসএমএসের মাধ্যমে একাধিক বিষয়ের (যেসব বিষয়ের পরীক্ষা হয়েছে) জন্য আবেদন করা যাবে। সে ক্ষেত্রে কমা দিয়ে বিষয় কোডগুলো আলাদা করে লিখতে হবে। যেমন পদার্থ ও রসায়ন দুটি বিষয়ের জন্য টেলিটক প্রি-পেইড মোবাইলের ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে RSC Dha Space Roll Number Space> ১৩৬,১৩৭ লিখতে হবে। প্রতিটি বিষয় ও প্রতিপত্রের জন্য ১২৫ টাকা হারে চার্জ কাটা হবে। যেসব বিষয়ের দুটি পত্র (প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র) রয়েছে, সেসব বিষয়ের ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করলে মোট ২৫০ টাকা ফি কাটা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১০ হাজার বিনামূল্যের পাঠ্যবই গায়েব হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফলে অনেক শিক্ষার্থী পহেলা জানুয়ারি ‘বই উৎসব’ থেকে বঞ্চিত হবেন বলে শিক্ষকরা মনে করছেন।
পাঠ্যপুস্তক গায়েব হওয়ার অভিযোগে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মর্জিনা পারভীনকে গত ২৩ ডিসেম্বর শো’কজ করেন টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুল আজিজ।
জানা যায়, উপজেলার ৬১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেনি পর্যন্ত ৩৫ হাজার পাঠ্যবইয়ের চাহিদা পাঠানো হয়। গত ৮ ডিসেম্বর পরিবহন ঠিকাদার সোহেল রানা গোপালপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মর্জিনা পারভীনকে চালানমূলে ওই সব বই বুঝিয়ে দেন। কিন্তু শিক্ষা অফিসার গ্রহনকৃত বই উপজেলা পরিষদের স্টোর রুমে না রেখে নিজ দায়িত্বে স্থানীয় সূতি সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে রেখে দেন।
সেখানে রাতের বেলা কোনো পাহারার ব্যবস্থা ছিলনা। গত ২২ ডিসেম্বর সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বই বুঝিয়ে দেওয়ার সময় বই গায়েব হওয়ার ঘটনাটি ধরা পড়ে। দেখা যায় পঞ্চম শ্রেনির প্রাথমিক বিজ্ঞান ৪ হাজার ৯৫০ কপি এবং ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা ৫ হাজার ৫০ সহ মোট ১০ হাজার কপি বই গায়েব হয়ে গেছে।
গোপালপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক কল্যাণ সমিতির সভাপতি আব্দুল করিম জানান, সকল পাঠ্যবই চালানমূলে ঠিকাদারের কাছ থেকে বুঝে নেন প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মর্জিনা পারভীন। বই সংরক্ষণ রাখার কক্ষের চাবিও ছিল তার নিকট। তাহলে এসব পাঠ্য বই কিভাবে হাওয়া হয়ে গেলো তা নিয়ে তিনি এখন ধোঁয়াশা সৃষ্টি করছেন। বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনসহ এমনকি থানা পুলিশকেও জানানো হয়নি।
পাঠ্যসপুস্তক গায়েব হওয়া নিয়ে পরিবহন ঠিকাদার সোহেল রানাজানান, চালানে স্বাক্ষর নিয়ে সকল পাঠ্যবই উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। নিজেরা বই গায়েব করে এখন তাকে দোষারোপ করা হচ্ছে।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার মর্জিনা পারভীন জানান, ঠিকাদার বই কম দিয়েছে। অতগুলো বই এক সঙ্গে গুণে নেওয়া তার পক্ষে সম্ভব ছিলনা। চালান বুঝে নেওয়ার সময় তিনি তড়িঘড়ি দস্তখত করেছেন। জানতেন না ঠিকাদার ফাঁকি দিচ্ছেন। এখন বিকল্পভাবে নানাস্থান থেকে এসব বই সংগ্রহের চেষ্টা চালাচ্ছেন ।
গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন জানান, বই গায়েব হওয়ার মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনায় উপজেলা শিক্ষা অফিস তাদের কিছুই জানায়নি। পুলিশ নিজ উদ্যোগে বিষয়টি তদন্ত করে দেখবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পারভেজ মল্লিক জানান, বই গায়েব হওয়ার খবরটি তিনি সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) শুনেছেন। খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনি বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।