/ হোম / অপরাধ
টাঙ্গাইলে প্রেমিকার গলাকাটার পর আহত প্রেমিকেরও মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রেমিকার গলাকাটার পর আহত প্রেমিকেরও মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার শামছুল হক ডিগ্রি কলেজের পাশে স্থানীয় খোকন ড্রাইভারের একটি নির্মাণাধীন ভবনের সিঁড়িতে স্কুলছাত্রী সুমাইয়া আক্তারের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধারের রহস্য ছায়া তদন্তের মাধ্যমে উদ্ঘাটন করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন(র‌্যাব-১২)। র‌্যাবের তদন্তে প্রেমিক মনিরকে ছেড়ে অন্য এক ছেলের সাথে প্রেমে জড়ানোর কারণে স্কুলছাত্রী সুমাইয়া আক্তারকে গলাকেটে নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করে বলে উল্লেখ করা হয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গুরুতর আহত প্রেমিক মনির হোসেনকে বুধবার(২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭ টার দিকে গ্রেপ্তার দেখায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আহত প্রেমিক মনির হোসেন চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার(২৮ অক্টোবর) ভোরে মৃত্যুবরণ করেছে।

প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব-১২ জানায়, ঘটনার আকস্মিকতা ও চাঞ্চল্য বিবেচনায় র‌্যাবের সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের একটি চৌকষ টিম স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্ত শুরু করে।

নিহত স্কুলছাত্রী সুমাইয়া আক্তার(১৫) কালিহাতী উপজেলার পালিমা গ্রামের ফেরদৌস রহমানের মেয়ে ও এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তারা এলেঙ্গা পৌরসভার মসিন্দা এলাকায় ভাড়া বাসায় পরিবারসহ বসবাস করতেন। গুরুতর আহত মনির হোসেন(১৭) এলেঙ্গা পৌরসভার মশাজান এলাকার মেহের আলীর ছেলে। তিনি ট্রাক চালকের সহকারী ছিলেন।

র‌্যাব-১২ জানায়, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে গঠিত একটি চৌকষ টিম র‌্যাবের গোয়েন্দা টিমের সহযোগিতায় ঘটনার ১০ ঘণ্টার মধ্যে স্কুলছাত্রী নিহতের রহস্য উন্মোচন করেছে।

র‌্যাব-১২ আরও জানায়, ভিকটিম সুমাইয়া আক্তারের পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, প্রতিবেশী ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং বিভিন্ন লোকজনের সাথে প্রকাশ্য ও গোপনে কথা বলে র‌্যাবের টিম। তারা জানতে পারে ভিকটিম সুমাইয়ার সাথে ট্রাকের হেলপার মনির হোসেনের দীর্ঘ দুই বছর যাবত প্রেমের সম্পর্ক ছিল।

সম্প্রতি মনির তার প্রেমিকা সুমাইয়ার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করার জন্য একাধিকবার প্রস্তাব দেয়। এতে রাজি না হওয়ায় মনির মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। মাদকাসক্ত অবস্থায় ইতোপূর্বে কয়েক দফায় সুমাইয়ার উপর শারীরিক নির্যাতনও করেছে। প্রায় দুই মাস আগে সুমাইয়া তার সাথে সম্পর্ক চ্ছেদ করে অন্য একটি ছেলের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। এতে মনির অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হয়। ৫-৭ দিন আগেও ভিকটিম সুমাইয়াকে মনির রাস্তায় একা পেয়ে মারপিট করায় সুমাইয়া আহত হয়ে চিকিৎসা করায়।

ওই চড় থাপ্পরের দৃশ্য মনির ভিডিও করে রেখে তার বন্ধুদের দেখায়। ২৬ অক্টোবর রাতে মনির তার কয়েক বন্ধুকে নিয়ে এলেঙ্গা সামসুল হক কলেজের মাঠে বসে মিটিং করে এবং সুমাইয়া ও তার নতুন প্রেমিকের উপর প্রচন্ড ক্ষোভ প্রকাশ করে। এ সময় বন্ধুরা তাকে সুমাইয়ার পথ থেকে সরে যেতে পরামর্শ দেয়। এরপর থেকে মনির পাগলের মত আচরণ করতে থাকে এবং ২০-২৫ মিনিট পর সবাই বাড়ি চলে যায়।

র‌্যাব জানায়, সংশ্লিষ্ট বিবেচনায় একটি ভিডিও বিশ্লেষন করে দেখা যায়- ট্রাক হেলপার মনির একটি সুইচ গিয়ার সংগ্রহ করে এবং লাইকির জন্য ভিডিও তৈরি করে। বিভিন্ন স্টাইলে মনির ওই সুইচ গিয়ার ছুরির ব্যবহার করার ভিডিও করে। ওই সুইচ গিয়ারটিই ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ জব্দ করে। প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত হয়ে র‌্যাবের তদন্ত টিম ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গুরুতর আহত মনির হোসেনকে বুধবার রাতে গ্রেপ্তার দেখায়। কিন্তু বৃহস্পতিবার ভোরে চিকিৎসাধীন মনিরের মৃত্যু হয়।

এলেঙ্গা পৌরসভার প্যানেল মেয়র সুকুমার ঘোষ জানান, পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার ভোর রাতে মনির হোসেনের মৃত্যু হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার বিকালে মরদেহ মশাজান গ্রামে আনা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. অক্টোবর ২০২১ ০৭:২৮:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কিশোরীকে গলা কেটে হত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কিশোরীকে গলা কেটে হত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গায় এক কিশোরীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এছাড়া একই স্থান থেকে গলাকাটা অবস্থায় আহত এক কিশোরকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (২৭ অক্টোবর) সকালে এলেঙ্গা পৌর এলাকার শামসুল হক কলেজের সামনে ওই ঘটনা ঘটে।

নিহত কিশোরীর নাম ছুমাইয়া আক্তার (১৬)।সে কালিহাতী উপজেলার নারন্দিয়া ইউনিয়নের পালিমা গ্রামের ফেরদৌসুর রহমানের মেয়ে। নিহতের পরিবার এলেঙ্গা পৌরসভার রিসোর্ট এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। ছুমাইয়া স্থানীয় এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর শিক্ষার্থী ছিল।

আহত কিশোরের নাম মনির হোসেন (১৭)। সে এলেঙ্গা পৌর সভার মশাজান এলাকার মেহের আলীর ছেলে। সে বাস চালকের সহকারী হিসেবে কাজ করতো।

নিহত কিশোরীর বাবা ফেরদৌসুর রহমান জানান, বুধবার সকাল ৬টায় তার মেয়ে স্থানীয় প্রাইম একাডেমিতে প্রাইভেট পড়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। সকাল ৮ টায় স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পান যে তার মেয়েকে (ছুমাইয়া) কে বা কারা জবাই করে হত্যা করে শামসুল হক কলেজের সামনে লাশ ফেলে রেখেছে। তবে ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা ছেলেটিকে তিনি চেনেন না বলে জানান।

আহত মনিরের খালা রোজিনা বেগম জানান, মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) রাতে বাড়ি থেকে মনির বের হয়ে যায়। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। সকালে স্থানীয় লোকজনদের কাছে খবর পেয়ে মনিরকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। তবে তার সঙ্গে যে মেয়েটিকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে তাকে তিনি চেনেন না।

হত্যাকান্ড প্রসঙ্গে কালিহাতী থানার অফিসার-ইন-চার্জ(ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, সকালে স্থানীয় লোকজন শামসুল হক কলেজের সামনে গলাকাটা এক কিশোরী ও এক কিশোরকে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এসময় ওই কিশোর জীবিত ছিল। পরে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহত ওই কিশোরের ঘাড়সহ বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
তিনি আরো জানান, প্রেমঘটিত কোনো কারণে ওই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে। হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত একটি ছুরি ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অক্টোবর ২০২১ ০৮:৩৫:পিএম ৫ বছর আগে
যোগাযোগ বন্ধ করায় টাঙ্গাইলে প্রেমিকাকে কোপাল প্রেমিক - Ekotar Kantho

যোগাযোগ বন্ধ করায় টাঙ্গাইলে প্রেমিকাকে কোপাল প্রেমিক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে প্রেমিকের অবাধ্য হওয়ায় প্রেমিকাকে কুপিয়ে আহত করেছে হৃদয় (১৮) নামে এক প্রেমিক। শনিবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঘাটাইল উপজেলার ছয়আনী বকশিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে, ওই প্রেমিকা আহত অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এ ব্যাপারে ঘাটাইল থানায় নির্যাতিতার নানা বাদী হয়ে রবিবার রাতেই বখাটে হৃদয়কে একমাত্র আসামি করে নারী নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছে। রবিবার রাতেই বখাটে প্রেমিককে আটক করেছে পুলিশ।

আহত স্কুল ছাত্রী জানায়, গত দুই বছর পূর্বে বকশিয়া এলাকার টেক্কা মিয়ার ছেলে হৃদয়ের সঙ্গে তার প্রেমের সর্ম্পক গড়ে ওঠে। দীর্ঘদিন তাদের সম্পর্ক চলমান থাকার এক পর্যায়ে গত দুই মাস পূর্বে বিষয়টি পরিবারের মধ্যে জানাজানি হয়।

পরে স্থানীয়ভাবে দু’পক্ষ মিলে সমঝোতায় পৌঁছায়। এবং সিদ্ধান্ত হয় আগামী দুই বছর পর পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে দেওয়া হবে। এ ব্যাপারে দু’পক্ষের অভিভাবকই স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে সমঝোতা করেন।

এদিকে প্রেমিক হৃদয় কিছুদিন যেতে না যেতেই প্রেমিকাকে পড়ালেখা বন্ধ করে দিতে বলে এবং তার অনুমতি ছাড়া বাড়ি থেকে বের না হওয়ার নির্দেশ দেয়। কিন্তু প্রেমিকা তার কথায় কর্ণপাত না করে পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়াসহ স্বাধীনভাবেই চলাচল করতে থাকে। এতে হৃদয় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে কথা না শুনলে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।

এরপর থেকেই ওই প্রেমিকা হৃদয়ের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এতে আরো ক্ষিপ্ত হয় প্রেমিক। গত শনিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ প্রেমিকার বাসায় গিয়ে হাজির হয় হৃদয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই প্রেমিকার ঘরে গিয়ে তাকে চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। পরে পরিবারের লোকজন এগিয়ে এসে হৃদয় সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

এসময় গুরুতর আহত অবস্থায় প্রেমিকাকে প্রথমে ভুঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায়। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রেফার করে। বর্তমানে ওই স্কুলছাত্রী আশঙ্কামুক্ত রয়েছে।

এ ব্যাপারে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আজাহারুল ইসলাম সরকার জানান, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। রবিবার ওই বখাটের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা হয়েছে। মামলা হওয়ার পরেই আসামিকে গ্রেপ্তার করে সোমবার(২৫ অক্টোবর) সকালে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. অক্টোবর ২০২১ ০১:২০:এএম ৫ বছর আগে
সাবেক মেয়র মুক্তি’র জামিন আবেদন ফের নামঞ্জুর - Ekotar Kantho

সাবেক মেয়র মুক্তি’র জামিন আবেদন ফের নামঞ্জুর

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আসামি সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন আবেদন না মঞ্জুর হয়েছে।সোমবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে এ বিষয়ে শুনানি শেষে এমন আদেশ দিলেন আদালত।এ নিয়ে মোট ১৬ বার তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হল।

সহিদুর টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানার ভাই এবং ওই আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় বর্তমান এমপি আতাউর রহমান খানের ছেলে। প্রায় ১১ মাস ধরে কারাগারে রয়েছেন।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌসুলি মনিরুল ইসলাম জানান, প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মুক্তির আইনজীবীরা তার জামিন আবেদন করেছিলেন। সোমবার (২৫ অক্টোবর) এই আবেদনের শুনানিতে তারা যে কোনো শর্তে সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন প্রার্থনা করেন। শুনানি শেষে বিচারক মাসুদ পারভেজ তাদের আবেদন নামঞ্জুর করেন।

ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পর দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক থাকার পর গত ২ ডিসেম্বর সহিদুর রহমান খান মুক্তি টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। তারপর থেকে তিনি টাঙ্গাইল জেলা কারা হেফাজতে আছেন।

গত ১৮ আগস্ট সহিদুর রহমান খান মুক্তি কারাগারে অসুস্থ হওয়ার পর তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে আনা হয়েছিল। সেখানে প্রায় এক মাস চিকিৎসা শেষে তাকে আবার টাঙ্গাইল কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ মরদেহ তার কলেজ পাড়া বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশ আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দুই জনকে গ্রেপ্তার করে।

আদালতে এ দু’জনের দেওয়া স্বাীকারোক্তিতে এই হত্যার সঙ্গে তৎকালীন এমপি আমানুর রহমান খান রানা, তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে। এরপর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পন করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। তাদের অন্য দুই ভাই এখনও পলাতক।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. অক্টোবর ২০২১ ১২:২০:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর থেকে ইয়াসমিন (১৯) নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার কুড়াগাছা ইউনিয়নের ধরাটি টানপাহাড় এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই গৃহবধূর স্বামী নুরুন্নবীকে আটক করেছে পুলিশ। নিহত ইয়াসমিন ওই এলাকার আব্দুল লতিফ মৃধার মেয়ে।

গৃহবধূর চাচা জুলহাস উদ্দিন জানান, কুড়াগাছা ইউনিয়নের ধরাটি গ্রামের হাসু মিয়ার ছেলে নুরুন্নবীর সাথে পারিবারিকভাবে ইয়াসমিনের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে পারিবারিক কলহের জের ধরে ইয়াসমিনের শ্বশুর বাড়ির লোকজন তার উপর নির্যাতন করত। এক বছর আগে ইয়াসমিন একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দেয়। বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে ধরাটি টানপাহাড় এলাকায় একটি জলপাই গাছের নিচে ইয়াসমিনকে রক্তাক্ত অচেতন অবস্থায় দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ইয়াসমিনকে মৃত ঘোষণা করেন।

গৃহবধূর শাশুড়ি নূরজাহান বেগম জানান, তাদের নতুন বাড়িতে কাজ চলছে। এ জন্য তিনি সেখানেই ছিলেন। ছেলের বউ বাড়িতে একাই ছিল। কীভাবে এ ঘটনা ঘটেছে তা তিনি বলতে পারছেন না।

মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক কামাল জানান, বিকেলে লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। গৃহবধূর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় গৃহবধূর বাবা আব্দুল লতিফ মৃধা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গৃহবধূর স্বামী নুরুন্নবীকে আটক করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. অক্টোবর ২০২১ ০৪:৩৬:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দুই কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দুই কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় ঘটনা আলাদা হলেও একই এলাকায় একই সময়ে দুই কিশোরীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।বুধবার(২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার কাউলজানী ইউনিয়নের বোর্ডবাজার ও বার্থা দক্ষিণপাড়া থেকে তাদের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহতদের লাশ সন্ধ্যায় হাসপাতালের বেডে একই সময় পাশাপাশি রাখা ছিল। দুটি ঘটনা আলাদা হলেও একই এলাকা ও একই সময়ে হওয়ায় উপজেলাব্যাপী ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

নিহতরা হলেন— উপজেলার কাউলজানী বোর্ডবাজার এলাকার কামাল মিয়ার মেয়ে শারমিন আক্তার (১৫) ও একই ইউনিয়নের বার্থা দক্ষিণপাড়া গ্রামের মোস্তফা সিকদারের মেয়ে মুক্তা (১৫)।

স্থানীয়রা জানান, বিকাল ৫টার দিকে উপজেলার কাউলজানী বোর্ডবাজার এলাকায় শারমিন আক্তারের লাশ ঘরের ধন্যার সঙ্গে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয়রা।

পরিবারের লোকজন ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাজমুল হাসান তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অপরদিকে, একই ইউনিয়নের বার্থা দক্ষিণপাড়া গ্রামে মুক্তাকেও বিকাল ৫টার দিকে ঘরের ধন্যার সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান পরিবারের লোকজন। পরে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাজমুল হাসান তাকেও মৃত ঘোষণা করেন।

বাসাইল থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) হারুন অর রশিদ, দুটি ঘটনায়ই আলাদা দুটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে, দুই কিশোরীই পরিবারের সঙ্গে অভিমান করে আত্মহত্যা করে থাকতে পারে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. অক্টোবর ২০২১ ০৩:০৪:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ‘মা’ ইলিশ ধরার অপরাধে ৩ জেলের দণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ‘মা’ ইলিশ ধরার অপরাধে ৩ জেলের দণ্ড

একতার কণ্ঠঃ সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে টাঙ্গাইলের যমুনা নদী থেকে ‘মা’ ইলিশ ধরার অপরাধে মো. আ. খালেক নামে এক জেলেকে ৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া আরও দুই জেলেকে ২০০ টাকা করে আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (২০ অক্টোবর) দিনব্যাপী সদর উপজেলার সহকারি কমিশনার( ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. খায়রুল ইসলামের নেতৃত্বে  ওই অভিযান পরিচালনা করা হয়।এসময় জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমদাদুল হক ও সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আইয়ুব আলীসহ নৌ পুলিশ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এ প্রসঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেট মো. খায়রুল ইসলাম জানান, মা ইলিশ সংরক্ষণে গত ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ মাছ ধরা, পরিবহন ও বিক্রি বন্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করছে সরকার। সেই সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে যমুনা নদী থেকে ইলিশ ধরার অপরাধে সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের চক গোপাল গ্রামের আজিম উদ্দিন মণ্ডলের ছেলে মো. আ. খালেককে ৫ দিনের কারাদণ্ড  এবং আরো দুই যুবককে ২০০ টাকা করে আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান,  এছাড়াও প্রায় ২০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল বিনষ্ট করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. অক্টোবর ২০২১ ০১:২৯:এএম ৫ বছর আগে
প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে কটুক্তি করায় পৌর কাউন্সিলর স্বপন কারাগারে - Ekotar Kantho

প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে কটুক্তি করায় পৌর কাউন্সিলর স্বপন কারাগারে

একতার কণ্ঠঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটুক্তি করার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাফিজুর রহমান স্বপনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। রবিবার (১৭ অক্টোবর)  টাঙ্গাইলের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সাউদ হাসানের আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন হাফিজুর রহমান।  বিচারক সেই আবেদন নামঞ্জুর করে হাফিজুর রহমানকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। টাঙ্গাইলের আদালত পরিদর্শক তানভীর আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হাফিজুর রহমান। গত ৫ জুন হাফিজুর রহমান শহরের আকুর টাকুর পাড়ায় একটি জমি পরিমাপকে কেন্দ্র করে ওই জমির মালিকের জামাতার সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেন। কথা বলার এক পর্যায়ে তিনি তাকে বলেন ‘আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও মানি না।’ এ সময় তিনি অশালীন মন্তব্যও করেন। তার ওই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আতিকুর রহমান মোর্শেদ বাদি হয়ে কাউন্সিলর স্বপনের বিরুদ্ধে ৯ জুন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। এছাড়াও মুঠোফোনে হুমকি দেওয়ার ঘটনায় শহরের আকুর টাকুর পাড়ার প্রয়াত আশরাফ চৌধুরীর জামাতা মফিজুর রহমান টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

মামলা হওয়ার পর থেকে হাফিজুর রহমান আত্মগোপনে ছিলেন। পরে উচ্চ আদালতে গিয়ে আট সপ্তাহের জামিন লাভ করেন। রাষ্ট্রপক্ষ এই জামিনের বিরুদ্ধে আপিল করে। পরে তার জামিন বাতিল করে এক সপ্তাহের মধ্যে হাফিজুর রহমানকে নিম্ন আদালতে হাজির হওয়ার আদেশ দেন।

টাঙ্গাইলের আদালত পরিদর্শন তানভীর আহমেদ জানান, কাউন্সিলর হাফিজুর রহমান স্বপন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে তাকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, মামলা দায়েরের পর হাফিজুর রহমানকে টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি পদ থেকে বহিস্কার করা হয়। এ ছাড়া টাঙ্গাইল পৌরসভার প্যানেল মেয়র পদ থেকেও অব্যহতি দেওয়া হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. অক্টোবর ২০২১ ০১:৩০:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে প্রবাসীর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে প্রবাসীর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে শরিফুল ইসলাম (২৮) নামে এক সিঙ্গাপুর প্রবাসী আত্মহত্যা করেছেন।শনিবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলার সোনালিয়া রেলক্রসিং এলাকায় বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।বাসাইল থানার এসআই মজিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত শরিফুল ইসলাম সখীপুর উপজেলার দেউবাড়ী গ্রামের আলাল মিয়ার ছেলে।

নিহতের বাবা আলাল মিয়া জানান, গত ৬ মাস আগে সিঙ্গাপুর থেকে ছুটিতে বাড়িতে আসে শরিফুল। তিন মাস আগে বাসাইল উপজেলার নাইকানবাড়ী গ্রামে বিয়ে করে শফিকুল। শুক্রবার (১৫ অক্টোবর) সে শ্বশুরবাড়িতে যায়। এরপর এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, বিকেলে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বনলতা একপ্রেস ট্রেনটি রাজশাহী যাওয়ার পথে সোনালিয়া রেলক্রসিং এলাকায় আসলে শরিফুল ইসলাম ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এ খবর শোনার পর তার স্ত্রী আমেনা বেগম বার বার মুর্ছা যাচ্ছেন।

এসআই মজিবুর রহমান জানান, খবর পেয়ে মরদেহ রেলওয়ে পুলিশ নিয়ে গেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে তিনি আত্মহত্যা করেতে পারেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. অক্টোবর ২০২১ ০২:৫১:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে হত্যার পর সেতুর রেলিংয়ে ঝুলাল ভ্যানচালকের লাশ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে হত্যার পর সেতুর রেলিংয়ে ঝুলাল ভ্যানচালকের লাশ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় চানমিয়া চানু (৬০) নামে এক ভ্যানচালক খুন হয়েছেন। তাকে হত্যা করে সেতুর রেলিংয়ে ঝুলিয়ে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা বলে জানান স্থানীয়রা। বুধবার (১৩ অক্টোবর) সকালে পলাইআটা-ধলপুর সেতুতে ঝুলন্ত অবস্থায় নিহতের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।কুড়ালিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আহাম্মদ আলী  ওই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নিহত চান মিয়া কুড়ালিয়া ইউনিয়নের ধলপুর গ্রামের পলাইআটার মৃত জুব্বার মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় ভ্যানচালক ছিলেন।

কুড়ালিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আহাম্মদ আলী জানান, সকালে স্থানীয় ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিনের কাছে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গামছায় পা বাঁধা অবস্থায় নেটের প্লাস্টিক রশিতে ঝুলে থাকা চানুর লাশ দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

মধুপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) তারিক কামাল জানান, দুপুর ১২টার দিকে লাশ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. অক্টোবর ২০২১ ১২:৩০:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে হামলার শিকার সেই ম‌্যা‌জিস্ট্রেটের মামলা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে হামলার শিকার সেই ম‌্যা‌জিস্ট্রেটের মামলা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় ম‌্যা‌জি‌স্ট্রেটের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা হ‌য়ে‌ছে। মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) দিনগত রাত ১২টার পর হামলার শিকার উপ‌জেলা সহকা‌রী ক‌মিশনার (ভূ‌মি) ও নির্বাহী ম‌্যা‌জি‌স্ট্রেট মো. আব্দুল্লাহ আল রনী বাদী হ‌য়ে উপজেলা বাস মিনিবাস, কোচ শ্রমিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক পাপ্পু খানের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১৫/২০ জ‌নের না‌মে ভুঞ‌াপুর থানায় মামলা দা‌য়ের ক‌রেন।

মামলায় সরকারি কাজে বাধা ও হামলায় আহত করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) বিকেল থেকেই ভূঞাপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই ঘটনা‌কে কেন্দ্র ক‌রে থমথমে অবস্থা বিরাজ কর‌ছে। থানায় মামলা দা‌য়েরের পর প‌রিবহন শ্রমিকদের মধ্যে গ্রেফতার আতঙ্ক বিরাজ কর‌ছে। এতে অন‌্যান‌্য দি‌নের মত ভুঞাপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশে তেমন প‌রিবহন ছে‌ড়ে যায়‌নি।

ভূঞাপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল ওহাব জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালত প‌রিচালনার সময় পরিবহন শ্রমিকদের হামলার ঘটনায় ম‌্যা‌জি‌স্ট্রেট বাদী হ‌য়ে একজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ১৫/২০ জনের নামে মামলা করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অক্টোবর ২০২১ ০৯:২৬:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ভ্রাম্যমান আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের উপর হামলাঃ ক্ষমা চেয়ে মুক্তি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভ্রাম্যমান আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের উপর হামলাঃ ক্ষমা চেয়ে মুক্তি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় পরিবহন শ্রমিকদের হামলায় আহত হয়েছেন ম্যাজিস্ট্রেট। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল রনীর নাক ফেটে রক্ত বের হতে থাকে। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান।

মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে ভূঞাপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দুই পরিবহন শ্রমিককে ৭ দিনের কারাদণ্ড অনাদায়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, ঘাটাইল উপজেলার আনেহলা ইউনিয়নের যুগিহাটী গ্রামের মৃত মজিদ মণ্ডলের ছেলে হারুনুর রশিদ (৪০) ও উপজেলা কাগমারীপাড়ার ইকেন আলীর ছেলে মানিক।

জানা যায়, ভূঞাপুর বাসস্ট্যান্ড ও উপজেলা প্রশাসন কার্যালয়ের গেটের সামনে এলোপাতাড়িভাবে পার্কিং করে দখল করার বিষয়টি উপজেলা আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে উঠানো হয়। উপস্থিত অনেকেই পরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। পরে মঙ্গলবার উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশ সদস্যদের নিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে গেলে শ্রমিকরা ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর হামলা করে। এতে ম্যাজিস্ট্রেটের নাক ফেটে রক্ত বের হয়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়। এর আগে ওই ম্যাজিস্ট্রেট দুই পরিবহন শ্রমিককে জরিমানা অনাদায়ে কারাদণ্ড প্রদান করলে শ্রমিকরা উত্তেজিত হয়ে তার উপর হামলা চালায়।

এ ঘটনার পর উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও শ্রমিক পরিবহন নেতাদের সাথে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কক্ষে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সকল পক্ষের সাথে আলোচনা করা হয়। পরে শ্রমিক নেতারা ইউএনও ও ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ক্ষমা চেয়ে মুক্তি পান।

ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল ওহাব মিয়া বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় ২ জন শ্রমিককে জেল-জরিমানা করলে পুলিশ সদস্যরা তাদের নিয়ে পুলিশ ভ্যানে বসে। এ সময় উত্তেজিত শ্রমিকরা ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর হামলা চালায়। পরে ইউএনও কক্ষে শ্রমিক নেতারাসহ সবাই বসে বিষয়টি সমাধান করে। এতে পরিবহন শ্রমিকরা ক্ষমা চাওয়ায় দুই শ্রমিককে জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়।

হামলার শিকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল রনী এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অক্টোবর ২০২১ ০২:২২:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।