/ হোম / অপরাধ
টাঙ্গাইলে বিয়ে না করেই ৮ মাস ঘর সংসার; বিয়ের দাবিতে কলেজ ছাত্রীর অনশন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিয়ে না করেই ৮ মাস ঘর সংসার; বিয়ের দাবিতে কলেজ ছাত্রীর অনশন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে বিয়ে না করেই স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাসাভাড়া নিয়ে ৮ মাস ঘর সংসার করার অভিযোগ ওঠেছে রাবিব নামের এক কলেজ ছাত্রের বিরুদ্ধে। বিয়ের দাবিতে গত দুইদিন ধরে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করছেন এক কলেজ ছাত্রী (১৯)।

পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড কাহার্তা রামখা পাড়া কটাবাড়িতে ওই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনার পর থেকে প্রেমিক জাকারিয়া ইসলাম রাব্বী লাপাত্তা।রাব্বী ওই গ্রামের প্রবাসী লুৎফর রহমানের ছেলে এবং সরকারি মুজিব কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী।

সোমবার(১৫ নভেম্বর) বিকেলে সরেজমিন দেখা যায়, রাব্বিদের বাড়ির প্রতিটি ঘরের দরজা বন্ধ করে ভেতরে অবস্থান করছেন বাড়ির অন্য সদস্যরা। আর বাইরে এক কাপড়ে বসে অনশন করছেন ওই কলেজছাত্রী। স্থানীয়রা তাকে দেখতে ভিড় করছেন। খাবার দেয়া হয়েছে কী না জানতে চাইলে মেয়েটি কান্নায় ভেঙে পড়েন। জানান ঘরে ঢুকার চেষ্টা করলে তাকে লাথি মেরে ফেলে দিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন রাব্বির পরিবারের লোকজন। বিয়ে না করা হলে তিনি এ বাড়িতেই আত্মহত্যা করবেন বলে জানান।

জানা যায়, প্রায় দেড় বছর আগে রাব্বির এক বন্ধুর মাধ্যমে মুঠোফোনে প্রথম পরিচয় হয় আবাসিক মহিলা অর্নাস কলেজ পড়–য়া ওই ছাত্রীর সঙ্গে। এক পর্যায়ে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পৌরসভার উত্তরা মোড় আবদুস সালামের বাসা এবং ক্যাপ্টেনমোড় ঐশিদের বাসা ভাড়া নিয়ে ৮ মাস স্বামী-স্ত্রী হিসেবে ঘর সংসার করেন তারা। বার বার বিয়ের চাপ দিলেও নানা তাল বাহান শুরু করেন রাবিব। নিরুপায় হয়ে রবিবার(১৪ নভেম্বর) থেকে বিয়ের দাবিতে অনশন করছেন ওই কলেজছাত্রী।

এ ব্যাপারে রাব্বির দাদা আবদুর রহমান বলেন, নাতি অন্যায় করেছে মাতাব্বররা যে ব্যবস্থা নেবেন আমরা তা মেনে নেব।

ওই ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর খলিলুর রহমান বলেন, গত রাতে বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য উভয় পক্ষকে নিয়ে বসা হয়। পরে ছেলে পক্ষের অনিহার কারণে নিষ্পত্তি সম্ভব হয়নি।স্থানীয় কাউন্সিলর ফজলুর রহমান বলেন,স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সুষ্ঠু ব্যবস্থা না হলে আইনের আশ্রয় নেবেন বলে জানান ওই কলেজ ছাত্রীর বাবা লেবু মিয়া।

সখীপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একে সাইদুল হক ভূইয়া বলেন, এ বিষয়ে কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. নভেম্বর ২০২১ ০১:৪৩:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাসচাপায় অটোভ্যানের দুই যাত্রী নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাসচাপায় অটোভ্যানের দুই যাত্রী নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ১নং দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের পাকুটিয়া বটতলী নামক স্থানে সড়ক দূর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন। ওই ঘটনায় মারাত্মক আহত হয়েছেন আরও দুইজন। রবিবার (১৪ নভেম্বর) গভীর রাতে ওই দুর্ঘটনা ঘটে।সোমবার (১৫ নভেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার।

এ ঘটনায় নিহতরা হলেন রক্তিপাড়া নয়াবাড়ি গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে সাইদুর রহমান (৪৫) এবং গাংগাইর পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত মোকছেদ আলীর মেয়ে নাছিমা বেগম (৪৫)।

মারাত্মক আহত দুইজন হলেন গাংগাইর বেকারকোনা গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে ভ্যান চালক আব্দুল মালেক (৩০) এবং গাংগাইর পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত আমান আলীর ছেলে মোঃ রুবেল মিয়া (৩৫)।

স্থানীয়রা জানায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ধনবাড়িগামী বিনিময় পরিবহনের দুটিবাস নিয়ন্ত্রনহীন গতিতে যাচ্ছিল। গাড়ি দুটি পাকুটিয়া বাজার সংলগ্ন বটতলীতে পৌছালে একটি যাত্রীবাহী বাস ব্যাটারিচালিত অটো ভ্যানকে চাপা দেয়। এসময় ভ্যানের যাত্রীরা রাস্তার পাশে পড়ে গেলে হাত, পা ও শরীরের উপর দিয়েই গাড়িটি চালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয়।

আহতদের স্বজনরা জানান, নিহতদের এক আত্মীয় মধুপুর ইব্রাহীমের দোকান থেকে ২৭ লাখ দশ হাজার টাকা চুরি হয়। ওই টাকা উদ্ধারের উপায় খুঁজতে ঘাটাইল উপজেলার কোন এক কবিরাজের কাছে যায়। সেখান থেকে গভীর রাতে অটোভ্যান যোগে বাড়ি ফেরার পথে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় আহত ভ্যানচালক মালেক মিয়াকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও রুবেল মিয়াকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। দু’জনের মধ্যে ভ্যানচালক আব্দুল মালেকের দুটি পা শরীর থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং রুবেলের একটি হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শিরা।

এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার বলেন, সংবাদ পেয়ে আহতদের হাসপাতালে পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়। দূর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছে । দুর্ঘটনা কবলিত বাসটি আটকের চেষ্টা চলছে।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. নভেম্বর ২০২১ ১০:৩৮:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার আইনপুর গ্রাম থেকে রোকেয়া বেগম (৫০) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে ঘাটাইল থানার পুলিশ।মঙ্গলবার(৯ নভেম্বর) রাতে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, রোকেয়া উপজেলার দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের আইনপুর গ্রামের বেলাল হোসেনের স্ত্রী।মঙ্গলবার স্বামী সাংসারিক কাজে বাহিরে থাকায় রোকেয়া একাই বাড়িতে ছিল। তার স্বামী সন্ধ্যায় বাড়িতে এসে বসত ঘরের ধর্নার সাথে রশি দিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় রোকেয়ার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়। পরে স্থানীয়রা ঘটনাটি পুলিশকে জানায়। খবর পেয়ে রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে তার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

নিহতের মেয়ে লিপি বলেন, তার মায়ের কিছুটা মানসিক সম্যসা ছিল।তবে গলায় ফাঁস দিয়ে মা এভাবে বিদায় নিব তা কখনও ভাবি নাই।

ঘাটাইল থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) আজহারুল ইসলাম জানায়, গৃহবধূর নিজ গৃহ থেকে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে বলা যাবে ঘটনাটি হত্যা বা আত্মহত্যা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. নভেম্বর ২০২১ ১০:০৮:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে তিন মাদকসেবীর ৬ মাসের কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে তিন মাদকসেবীর ৬ মাসের কারাদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মাদক সেবনকালে তিন মাদকসেবীকে আটক করে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা করে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক। এ সময় তাদের কাছ থেকে সাতটি ইয়াবা জব্দ করা হয়।

মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) সকালে মির্জাপুর রেল স্টেশন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. জুবায়ের হোসেন ওই সাজা দেন। এ সময় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন  উপস্থিত  ছিলেন।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের গোড়াই গ্রামের ফজলু মিয়ার ছেলে মো. রাজিব মিয়া (৩৮), উপজেলা সদরের পোষ্টকামুরী পূর্বপাড়ার বছির উদ্দিনের ছেলে মো. রায়হান (৩৬) ও আনাইতারা ইউনিয়নের আটিয়া মামুদপুর গ্রামের হাফিজুর রহমানের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৩২)।

মঙ্গলবার সকালে মির্জাপুর রেলস্টেশন এলাকায় ওই তিন যুবক মাদক সেবনকালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক তাদের হাতনাতে আটক করে এই সাজা দেন। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যহত থাকবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. জুবায়ের হোসেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. নভেম্বর ২০২১ ০৮:৪৯:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৭৩ বস্তা চালসহ গ্রেপ্তার ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৭৩ বস্তা চালসহ গ্রেপ্তার ২

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার ছিলিমপুর বাজারে একটি পাটের গুদামে সোমবার (৮ নভেম্বর) দিনগত রাতে অভিযান চালিয়ে ৭৩ বস্তা (২.২ মেট্রিক টন) সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল উদ্ধার করেছে র‌্যাব।এ সময় দুই জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পোড়াবাড়ি ইউনিয়নের বড়বেলতা গ্রামের মৃত আবুল হোসেন মন্ডলের ছেলে আব্দুল আজিজ মন্ডল (৬০) ও একই উপজেলার ছিলিমপুর ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে মো.সোহেল (২৮)।

র‌্যাব-১২ জানায়, গোপনে খবর পেয়ে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে একদল র‌্যাব দেলদুয়ার উপজেলার ছিলিমপুর বাজারে অভিযান চালায়।অভিযানে র‌্যাব সদস্যরা ছিলিমপুর বাজারের জনৈক সেকান্দরের পাটের গুদামের ভেতর থেকে পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা ৩০ কেজি ওজনের ২৩ বস্তা চাল জব্দ করে। এ সময় পাচারের জন্য মিনি ট্রাকে রাখা আরো ৫০ বস্তা সহ মোট ৭৩ বস্তা খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল জব্দ করা হয়।

র‌্যাব-১২ আরো জানায়, অভিযানকালে সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আব্দুল আজিজ মন্ডল ও মো. সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে দেলদুয়ার থানায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. নভেম্বর ২০২১ ০৮:৫৯:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ঐন্দ্রিলা কর্মকার(১৪) নামের অষ্টম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রী ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। সোমবার(৮ নভেম্বর) ভোরে সখীপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের কালিদাস রোডের পল্টনপাড় নামক এলাকায় ওই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। ঐন্দ্রিলা  একই এলাকার ডা:গোপাল কর্মকারের মেয়ে।

পুলিশ ও পারিবারিকসূত্রে জানা যায়,ঐন্দ্রিলা কর্মকার সখীপুর পি এম পাইলট মডেল স্কুল এন্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। পরিবারের সাথে রাতের খাবার শেষ করে সে তার নিজ রুমে ঘুমাতে যায়।

সোমবার ভোরে নিহতের মা তার খোঁজ খবর নিতে রুমে গিয়ে ঐন্দ্রিলাকে গলায় গামছা বাধাঁ অবস্থায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলতে দেখেন। পরে তাকে উদ্ধার করে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

সখীপুর থানার পরিদর্শক(এসআই) মো.মেহেদী হাসান জানান,হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক সুরতহাল করা হয়। পরিবারের লোকজনের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে লাশ ময়না তদন্ত ছাড়াই তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. নভেম্বর ২০২১ ০১:১১:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রী সুমাইয়া’র হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রী সুমাইয়া’র হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গায় স্কুলছাত্রী সুমাইয়া হত্যায় জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।রবিবার(৭ নভেম্বর) দুপুরে এলেঙ্গা কলেজ মোড়ে আয়োজিত ওই মানববন্ধনে স্থানীয় পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দুই সহস্রাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ  গ্রহন করে।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, কালিহাতী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মোল্লা, সরকারি শামসুল হক কলেজের অধ্যক্ষ আনোয়ারুল কবীর, লুৎফর রহমান মতিন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম, এলেঙ্গা বিএম কলেজের অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম, এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুল করিম তালুকদার, জিতেন্দ্রবালা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোবিন্দ চন্দ্র সাহা, নিহত সুমাইয়ার চাচা ফিরোজ মিয়া প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, এলেঙ্গায় কিশোর গ্যাং ও বখাটেদের উৎপাত বহুগুনে বেড়েছে। ওরা সংঘবদ্ধ হয়ে বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হচ্ছে। পুলিশ ও অভিভাবকসহ সবাইকে কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

বক্তারা সুমাইয়ার হত্যাকারী সহ সকল অপরাধী ও তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

প্রকাশ, গত ২৭ অক্টোবর এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী সুমাইয়া আক্তারের(১৫) গলাকাটা লাশ শামসুল হক কলেজের পাশের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। স্কুলছাত্রী সুমাইয়া কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের পালিমা গ্রামের ফেরদৌস রহমানের মেয়ে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. নভেম্বর ২০২১ ০২:০৩:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কবিরাজের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কবিরাজের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে আবদুল লতিফ (৪০) নামের এক কবিরাজের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। উপজেলার হামিদপুর এলাকা থেকে  রবিবার (১ নভেম্বর) বিকেলে পুলিশ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে। লতিফ ওই এলাকার বাসিন্দা। তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়ের রয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা সোহরাব হোসেন বাদী হয়ে সখীপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে জানা গেছে, লতিফ দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় কবিরাজি চিকিৎসা করতেন। কিছুদিন আগে থেকে তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। রবিবার সকালের খাবার খেয়ে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। পরে বেলা ১১টার দিকে উক্ত এলাকার একটি আম গাছে তাঁর লাশ  ঝুলতে দেখা যায়। কয়েকজন তাঁর লাশ দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে তার লাশ উদ্ধার করে।

সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জয়নাল আবেদীন জানান, ‘প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা মনে হয়েছে। এ বিষয়ে পরিবারের কারও কোনো অভিযোগ না থাকায় সুরতহাল তদন্তের পর লাশটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. নভেম্বর ২০২১ ০২:০৭:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আলোচিত তিন হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আলোচিত তিন হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দিগড় ইউনিয়নের কাশতলা দক্ষিণ পাড়া গ্রামের খামারপাড়া এলাকার সৌদি প্রবাসী জয়েন উদ্দিনের বাড়ি থেকে শনিবার(৩০ অক্টোবর) দুই নারীসহ তিনজনের লাশ উদ্ধারের ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ।

তাৎক্ষণিক তদন্ত ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে শনিবার বিকালে টাঙ্গাইলের নবাগত পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, ‘ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় আমরা রহস্য উদ্ঘাটন করতে সক্ষম হয়েছি। প্রবাসী জয়েন উদ্দিনের স্ত্রী সুমি আক্তার ও তার শাশুড়ি জমেলা বেগমকে হত্যার পর পরকীয়া প্রেমিক শাহজালাল নিজেই আত্মহত্যা করেছেন।’

ওই সময় কাশতলা গ্রামের সৌদি প্রবাসী জয়েন উদ্দিনের বসতঘর থেকে তার স্ত্রী সুমি আক্তার(২৫), জয়েন উদ্দিনের মা জমেলা বেগম(৫৫) এবং পরকীয়া প্রেমিক শাহজালাল ইসলাম সোহাগের(৩০) রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করা হয়।

মুমূর্ষু অবস্থায় জয়েন উদ্দিনের চার বছরের ছেলে সাফিকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সুমি আক্তারের পরকীয়া প্রেমিক শাহ জালালের বাড়ি কালিহাতী পৌরসভার সাতুটিয়া এলাকায়। তিনি সাতুটিয়ার সোহরাব আলীর ছেলে।

গৃহবধূ সুমি আক্তার ঘাটাইলের কাশতলা দক্ষিণ পাড়া সুতার বাড়ির জিন্নত আলীর মেয়ে। সুমি ও শাহ জালালের লাশ প্রবাসী জয়েন উদ্দিনের বসত ঘরের বিছানার ওপর এবং জমেলা বেগমের লাশটি ঘরের মেঝেতে পড়েছিল। তিন জনের লাশ উদ্ধার হওয়া বসত ঘরের দেয়ালে নিহতদের রক্ত দিয়ে বার্তা লেখা ছিল- ‘এমনটা হত না যদি আমার সুমী আমার কাছে থাকত, এই সবকিছুর জন্য সুমীর বাবা দায়ী’।

পুলিশ সুপার বলেন, ‘বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জের ধরে সুমি ও শাহজালাল পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে। প্রায় পাঁচ মাস তারা ঘর-সংসার করে। এরপর সুমির বাবা জিন্নত আলী তাদের দাওয়াত দিয়ে ডেকে এনে সুমিকে বাড়িতে রেখে দেয়। ওই সময় সুমি অন্তঃসত্তা ছিল।

পরে তার গর্ভে থাকা সন্তান নষ্ট করার শর্তে সুমির আগের স্বামী জয়েন উদ্দিন বিদেশ থেকে দেশে ফিরে সুমিকে আবার তার কাছে ফেরত নেন। এর কিছুদিন পর জয়েন উদ্দিন আবার বিদেশে চলে যান। সন্তান নষ্ট করায় সুমির সাবেক স্বামী অর্থাৎ পরকীয়া প্রেমিক শাহজালাল ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।’

তিনি বলেন, ‘সুমির স্বামী জয়েন উদ্দিন বাড়িতে না থাকায় শাহজালাল মাঝে মধ্যেই সুমির শশুরবাড়িতে আসত। ঘরের বারান্দার লোহার গ্রিলের চাবিও ছিল শাহজালালের কাছে। পরে শুক্রবার(২৯ অক্টোবর) দিনগত রাতে শাহজালাল সুমির ঘরে প্রবেশ করে।

একপর্যায়ে ছুরি দিয়ে তার সাবেক স্ত্রী সুমি ও সুমির শাশুড়িকে হত্যা করে। এসময় সুমির শিশু সন্তানকে সাফিকেও হত্যার চেষ্টা করে। এরপর শাহজালাল নিজেই আত্মহত্যা করে।’

তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধারকৃত ছুরি সহ বিভিন্ন আলামত ঘেটে আমরা বিষয়টির রহস্য উদ্ঘাটন করতে পেরেছি। তারপরও ঘটনাটির অধিকতর তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. অক্টোবর ২০২১ ০৯:১৯:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আলোচিত তিন হত্যাকান্ডের ঘটনায় মামলা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আলোচিত তিন হত্যাকান্ডের ঘটনায় মামলা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে চাঞ্চল্যকর তিন হত্যাকান্ডের ঘটনায় অজ্ঞাতদের আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার(৩০ অক্টোবর) রাতে নিহত জামেলা বেগমের বড় ছেলের স্ত্রী শাহানাজ বেগম বাদি হয়ে ঘাটাইল থানায় ওই মামলা দায়ের করেন। তবে এখনো পর্যন্ত মামলার কোন আসামী গ্রেফতার হয়নি।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আজহারুল ইসলাম জানান, শনিবার রাতে নিহত জামেলা বেগমের বড় ছেলের বউ শাহনাজ বেগম বাদি হয়ে অজ্ঞাতদের আসামী করে একটি হত্যা মামলা করেছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আলোচিত হত্যাকান্ডের দ্রুত রহস্য উন্মোচন করা হবে।

উল্লেখ্য,শনিবার সকালে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে একটি বাসা থেকে দুই নারীসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘাটাইল উপজেলার দিঘর ইউনিয়নের কাশতলার খামারপাড়া এলাকা থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতরা হলো-ওই গ্রামের জয়েন উদ্দিনের স্ত্রী সুমি (৩০) জয়েনের মা জমেলা বেগম (৬৫) ও কালিহাতী উপজেলার সহবতপুর গ্রামের শাহজালাল (২৫)। এ ঘটনায় নিহত সুমির পাঁচ বছরের ছেলে শাফিকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. অক্টোবর ২০২১ ০৮:০৩:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পরকীয়ার জেরে তিন খুন! - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পরকীয়ার জেরে তিন খুন!

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে পরকীয়ার জেরে তিন খুন হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করছে র‌্যাব। এ ছাড়া তিনজনের লাশ উদ্ধারের ঘটনার কারণ হিসেবে পুরোনো প্রেমকে দায়ী করছেন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বরত কর্মকর্তাসহ স্থানীয়রা।

টাঙ্গাইলের র‌্যাব-১২ সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার লে. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, জমেলা, সুমি ও শাহজালাল নামের তিনজনের লাশ বসতঘর থেকে পাওয়া গেছে। এসময় সুমির শিশু সন্তানকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। লাশের পাশে ছুরি ও হাতুড়ি পাওয়া গেছে। এছাড়া যে ঘরে লাশ পাওয়া গেছে তার দেওয়ালে লেখা আছে, ‘এমনটা হতো না যদি আমার সুমি আমার কাছে থাকতো। এই সব কিছুর জন‌্য সুমির বাবা দায়ী।’ তাই পরকীয়ার জেরে এমন ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আবু সাইদ জানান, স্কুলজীবন থেকে শাহজালালের সঙ্গে সুমির প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। ৫ বছর আগে সুমির সঙ্গে জয়েনুদ্দিনের বিয়ে হয়। কিছুদিন সংসার করার পর জয়েনুদ্দিন বিদেশ চলে যায়। এ সুযোগে সুমি আবার শাহজালালের সঙ্গে সম্পর্ক শুরু করে। গত ৬ মাস আগে শাহজালালের সঙ্গে সুমি চলে যায়। শাহজালালের সঙ্গে প্রায় দুই মাসের মতো সংসার করে। পরে জয়নুদ্দিন প্রায় তিন মাস আগে দেশে ফিরলে সুমিকে নিয়ে পুনরায় সংসার শুরু করে। আড়াই মাস আগে জয়েনুদ্দিন সৌদি চলে যায়। গতরাতে আবার শাহজালাল সুমির সঙ্গে দেখা করতে আসে। সকালে শুনি জয়নুদ্দিনের ঘরে তিন জনের লাশ পরে আছে।

দিঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ মামুন জানান, ‘শাহজালালের সঙ্গে সুমি অবৈধ সম্পর্ক ছিল। প্রায় ৬ মাস আগে শাহজালালের সঙ্গে সুমি পালিয়ে গিয়েছিল। শুনেছি তারা বিয়েও করেছিল। পরে সুমির স্বামী বিদেশ থেকে ফিরে আবার তাকে বাড়িতে এনেছিল।’

উল্লেখ্য, শ‌নিবার (৩০ অ‌ক্টোবর) সকা‌ল ১০টায় উপ‌জেলার দিঘর ইউ‌নিয়‌নের কাশতলার খামারপাড়া এলাকার নিজ বা‌ড়ি থে‌কে
মৃত হয়রত আলী স্ত্রী জমেলা বেগম (৬৫), তার প্রবাসী ছেলে জয়েন উদ্দিনের স্ত্রী সুমি বেগম (২৬) ও কালিহাতী উপজেলার সাতুটিয়া পূর্বপাড়া এলাকার সোহরাব আলীর ছেলে শাহজালাল ইসলাম সোহাগের (৩০) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. অক্টোবর ২০২১ ০১:০২:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাসা থেকে শ্বাশুড়ি-বউসহ তিনজনের লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাসা থেকে শ্বাশুড়ি-বউসহ তিনজনের লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে একটি বাসা থেকে দুই নারীসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচ বছরের এক শিশুকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার( ৩০ অক্টোবর) সকালে উপজেলার দিঘর ইউনিয়নের কাশতলার খামারপাড়া এলাকা থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলো- ওই গ্রামের জয়েন উদ্দিনের স্ত্রী সুমি বেগম (৩০) জয়েনের মা জমেলা বেগম (৬৫) এবং কালিহাতী উপজেলার সাতুটিয়া বাজার এলাকার সোহরাব আলীর ছেলে শাহজালাল (২৫)।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ জানান, হামিদপুরের খামারপাড়া গ্রামে সৌদি আরব প্রবাসী জয়েনের বাড়ি থেকে তার মা, স্ত্রী ও এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। রক্তাক্ত অবস্থায় ঘরের ভেতরে লাশগুলো পরে ছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এক শিশুকে (৫) আহত অবস্থায় উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। শিশুটির অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

এ ব্যাপারে ঘাটাইল থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার জানান, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা সেটা এখনো পুলিশ নিশ্চিত নয়। তদন্ত করে এর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে তিনি জানান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. অক্টোবর ২০২১ ০৭:১৪:পিএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।