একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হযরত আলী তালুকদার ও তার ছেলে ওবায়দুর তালুকদারকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
সোমবার(৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (কালিহাতী) আমলী আদালতের বিচারক শামসুল আলম একটি মারামারী মামলায় তাদের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। টাঙ্গাইলের আদালত পরিদর্শক তানভীর আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
টাঙ্গাইলের আদালত পরিদর্শক তানভীর আহমেদ জানান, একটি মারামারি মামলায় মেডিকেল রিপোর্টের(এমসি) ভিত্তিতে গত বছরের ১৩ অক্টোবর থেকে ইউপি চেয়ারম্যান হযরত আলী তালুকদার জামিনে ছিলেন।সোমবার আদালতে হাজির হলে তার ও তার ছেলের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক। পরে তাদের টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
প্রকাশ, বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব প্রান্তে বাসেক’র ভূমিতে অস্থায়ী ভিত্তিতে ট্রাকে মালামাল লোড-আনলোড করা হতো। ওই অস্থায়ী স্টেশনে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কুলি সর্দার আকবর আলীর সাথে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান হযরত আলী তালুকদারের বিরোধ চলছিল।
ওই বিরোধের জের ধরে গত বছরের ৬ অক্টোবর চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে কুলি সর্দার আকবর আলীকে মারধর করা হয়। পরে ওই দিন বিকালে কুলি সর্দার আকবর আলীর ছোট ভাই আবু বক্কর বাদি হয়ে কালিহাতী থানায় ইউপি চেয়ারম্যান সহ ২০ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেন।
একতার কণ্ঠঃ কালিহাতী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের চরহামজানী গ্রামের সাংবাদিক আব্বাস আলীর বিচারের দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করা হয়েছে। রবিবার( ৫ সেপ্টেম্বর) সকালে চরহামজানী গ্রামের সাত্তার মাষ্টারের বাড়ীর রাস্তার পাশে ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে এলাকাবাসী।মানববন্ধন শেষে আব্বাস আলীর বিচারের দাবীতে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।
মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে স্থানীয় ইউপি সদস্য সোলায়মানসহ দুর্গাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের সাধারন লোক অংশ গ্রহন করেন।
মানববন্ধনে ইউপি সদস্য সোলায়মান, আব্দুল মোতালেব,তপন পাল বলেন, বিভিন্ন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ভয় দেখিয়ে আব্বাস আলী বেশ কয়েক জন গ্রামবাসীর কাছ ৩০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। অসহায় গ্রামবাসী প্রতিবাদ করলে তাদেরও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।
বক্তরা আরো বলেন, স্থানীয়দের বিভিন্ন ভাবে হয়রানির পাশাপাশি অন্যের জমি দখল করে বাংলা ডেজার বসিয়ে সাধারণ মানুষের চাষের জমির ক্ষতি করছে,এ ছাড়া আরো বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ রয়েছে কথিত সাংবাদিক আব্বাস আলীর বিরুদ্ধে।মানববন্ধন থেকে বক্তারা সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আব্বাস আলীর বিচার দাবি করেন।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা দুর্গাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বলেন, এলাকায় সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজিসহ নানা ধরনের অভিযোগ রয়েছে আব্বাস আলীর বিরুদ্ধে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল, পাসপোর্ট অফিস ও বিআরটিএ অফিসে সংঘবদ্ধ দালাল চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ২৭ জন দালালকে আটক করেছে র্যাব। রোববার( ৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে র্যাব এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে ভ্রাম্যমান আদালত আটকৃত ২৭ জনের প্রত্যেককেই ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করে।
দন্ডপ্রাপ্তরা হলো- টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী এলাকার মৃত বজলুর রশিদের ছেলে মো: আ: আল মামুন (৩২), গোপালপুর উপজেলার খরুরিয়া এলাকার মৃত হামিদুর রহমানের ছেলে মো: আ: বারী (৪০), টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাগমারা এলাকার মো: তাইজ উদ্দিনের ছেলে মো: মামুন (২৭), দেলদুয়ার উপজেলার নাল্লাপাড়া গ্রামের মৃত খোরশেদ মিয়ার ছেলে মো: ইয়ামিন (৩৫), টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকার মো: বাবুল মিয়ার ছেলে মো: তোফাজ্জল (৩৭), ঘাটাইল উপজেলার ভদ্রবাড়ী গ্রামের মৃত মাজম আলীর ছেলে মো: আ: হাই (৫০), টাঙ্গাইল পৌর সভার সাবালিয়া এলাকার মৃত একাববর আলীর ছেলে মো: আ: ছামাদ, পাড়দিঘুলিয়া এলাকার মৃত ওমেদ আলীর ছেলে মো: মামুন মিয়া (৪৪), সদর উপজেলার চৌবাড়িয়া এলাকার মৃত সুমার আলীর ছেলে মো: আমিনুল ইসলাম (৩৫), নাগরপুর উপজেলার আটপাড়া গ্রামের মৃত আনোয়ার মোল্লার ছেলে মো: বুদ্দু মিয়া (৩৫), টাঙ্গাইল সদর উপজেলার এনায়েতপুর এলাকার মৃত খুশীমন পাালের ছেলে তুষার পাল (৩২), গোপালপুর উপজেলার বেতবাড়ী গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে মো: শরিফুল ইসলাম (২২), সদর উপজেলার ফতেপুর গ্রামের আ: রশিদের ছেলে মো: সাজ্জাদ হোসেন (২৭), মিরপুর এলাকার এলাকার মো: আজাদ হোসেনের ছেলে মো: আবুল হোসেন (৪৬), কলেজপাড়া এলাকার শাহাজাদা মিয়ার ছেলে মো: সম্রাট মিয়া (২৭), সদর উপজেলার এনায়েতপুর এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো: আশরাফুল (৩২), হাজরা ঘাট এলাকার সিজুর ছেলে রনি (৩২), কালিহাতী উপজেলার বহরমপুর এলাকার আ: হামিদের ছেলে আ: খালেক (৫০), মির্জাপুর উপজেলার আ: খালেকের ছেলে শহিদুল ইসলাম (৩৪), মির্জাপুর উপজেলার আড়াইপাড়া গ্রামের জাবেদ আলীর ছেলে আ: আজিজ (৩৮), কালিহাতী উপজেলার আদাবাড়ী এলাকার দেওয়ান মোশারফ হোসেনের ছেলে দেওয়ান মেহেদী হাসান (৪০), শহরের সাবালিয়া এলাকার মৃত মোসলেম উদ্দিনের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান(৪৩), ইছাপুর এলাকার সৈকত আলী তালুকদারের ছেলে মো: কামরুল হাসান সাগর (৩০), শহরের কাগমারা এলাকার মো: জয়নাল আবেদীন এর ছেলে মো: রুবেল মিয়া (৩৩), দিঘুলিয়া এলাকার আ: হাকিমের ছেলে আ: রায়হান (৩৯) ও সিটকি বাড়ী এলাকার মো: রসুল উদ্দিনের ছেলে শফিকুল ইসলাম (২৯)।
অভিযান প্রসঙ্গে র্যাব-১২ সিপিসি-৩ এর কোম্পানী কমান্ডার লেঃ কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন, (জি), বিএন জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করে ১২জন, পাসপোর্ট অফিস থেকে ৮ জন এবং বিআরটিএ অফিস থেকে ৭জন সহ মোট ২৭ জন দালালকে আটক করা হয়। পরে টাঙ্গাইলের সিনিয়র সহকারী কমিশনার (ম্যাজিস্টেট) গোলাম মাসুম প্রধান ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে আটককৃতদের ৭ দিনের বিনাশ্রম কারদন্ড প্রদান করেন।
তিনি আরো জানায়, র্যাবের উদ্যোগে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার নগরজালফৈ এলাকার বিসিক শিল্প পার্কের সামনে বুধবার(১ সেপ্টেম্বর) ভোরে অভিযান চালিয়ে ১১ কেজি গাঁজা সহ মো. ইসমাইল হোসেন নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
গ্রেপ্তারকৃত মো. ইসমাইল হোসেন(৩০) রাঙামাটি জেলার চন্দ্রঘোনা উপজেলার ঘানিয়ামাটি গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে।
র্যাব-১২ জানায়, গোপনে খবর পেয়ে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন(জি) বিএন- এর নেতৃত্বে একদল র্যাব বিসিক শিল্প পার্কের সামনে পাকা রাস্তায় অভিযান চালায়।অভিযানে পলিথিনে মোড়ানো পাঁচটি পোটলায় রাখা ১১ কেজি গাঁজা সহ মো. ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-১২ আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃত মো. ইসমাইল হোসেনের নামে টাঙ্গাইল সদর থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬ (১) এর ১৯ (খ) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃটাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের জনপ্রিয় নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি আনিসুল ইসলাম রাজা(৪২) কারা হেফাজতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন।
মঙ্গলবার(৩১ আগস্ট) রাতে ঢাকার মিডফোর্ট হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। তিনি টাঙ্গাইল শহরের কলেজপাড়া এলাকার আমিনুল ইসলাম মোতালেবের ছেলে। টাঙ্গাইলের জেল সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন বুধবার(১ সেপ্টেম্বর) সকালে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জেল সুপার জানান, আনিসুল ইসলাম রাজা চাঞ্চল্যকর ফারুক আহমদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারের পর ২০১৪ সালের আগস্ট থেকে টাঙ্গাইল কারাগারে ছিলেন। আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ে হঠাৎই রাজার পেট ফুলে যায়। প্রথমে কারাগারের চিকিৎসক এবং পরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে তার চিকিৎসা করানো হয়।
জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেয়। পরে গত ১৮ আগস্ট তাকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। ওই কারাগারের হেফাজতে তাকে মিডফোর্ট হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল।
প্রকাশ, ২০১৪ সালের ১৪ আগস্ট জেলা গোয়েন্দা পুলিশ(ডিবি) বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলায় রাজাকে গ্রেপ্তার করে। দুই দফা রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের পর তিনি ওই হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তার স্বীকারোক্তিতেই ওই হত্যার সঙ্গে তৎকালিন এমপি আমানুর রহমান খান ওরফে রানা এবং তার তিন ভাইয়ের সম্পৃক্ততার বিষয়টি বের হয়ে আসে।
প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরের অরণখোলা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিমের বাড়ীতে হামলা, ভাংচুরসহ আদিবাসী নেতৃবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রনোদিত মিথ্যা বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) সকালে উপজেলার জলছত্র বাজারে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের দু’পাশে দাঁড়িয়ে অরণখোলা ইউনিয়নবাসীর ব্যানারে ওই মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদ, আচিক-মিচিক সোসাইটি, জলছত্র হরিসভা উন্নয়ন প্রকল্প, জলছত্র ট্রাক ড্রাইভার্স ইউনিয়ন, কোচ আদিবাসী সংগঠনসহ প্রায় ৩০টি সংগঠনের কয়েক হাজার নারী-পুরুষ অংশ গ্রহণ করে।
প্রতিবাদ সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খন্দকার আব্দুল গফুর মন্টু, মধুপুর ইউপি চেয়ারম্যন সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা খান বাবলু, মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আদিবাসী নেত্রী পিউ ফিলোমিনা ম্রং, জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি ইউজিন নকরেক, ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক দেবদাস, জলছত্র ট্রাক ড্রাইভার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, কোচ আদিবাসী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক গৌরাঙ্গ বর্মণ, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য আদিবাসী নেত্রী শান্তি সাংমা প্রমুখ। এ সময় সকলের উদ্দেশ্যে মিথ্যা বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার ও হামলার প্রতিবাদে বক্তব্য রাখেন, অরণখোলা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম।
প্রতিবাদ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর উপজেলা চেয়ারম্যান সরোয়ার আলম খান আবু, ইউপি চেয়ারম্যান সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও মহিষমারা ইউপি চেয়ারম্যান কাজী আব্দুল মোতালেব, শোলাকুড়ি ইউপি চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন, বেড়িবাইদ ইউপি চেয়ারম্যান জুলহাস উদ্দিন, ফুলবাগচালা ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বেনুসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, বিভিন্ন আদিবাসী সংগঠন, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের কয়েক হাজার নারী-পুরুষ রাস্তার দু’পাশে দাঁড়িয়ে এক কিলোমিটার রাস্তা জুড়ে সকাল সাড়ে দশটা থেকে সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত মানববন্ধনে অংশ নেয়।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, স্থানীয় জনৈক ফেসবুক সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সমাজের সম্মানীত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মানহানিকর মিথ্যা বিভ্রান্তিকর স্ট্যাটাস দিয়ে মানুষকে হয়রানি করছে। সম্প্রতি অরণখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে মিথ্যা মানহানিকর স্ট্যাটাস ও বাড়ীতে হামলা করে। তারা এ ফেসবুকারের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি করেন।
তারা আরো বলেন, তার স্ট্যাটাসে আদিবাসীও স্থানীয়দের মধ্যে চরম বিভেদ সৃষ্টি হচ্ছে। তারা এ হীন কর্মের তীব্র প্রতিবাদ জানান।
সমাবেশ শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধম্যে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা সদরে অবস্থিত ডিসি লেকে ডুবে শাকিল মিয়া (১৫) নামে নবম শ্রেনীর এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত শাকিল মিয়া টাঙ্গাইল জেলা সদর এলাকার মৃত. মতিয়ার রহমান তালুকদারের ছেলে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. নবীন।
তিনি জানান, নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া শাকিল জেলা সদর মাঠে ফুটবল খেলা শেষে সন্ধ্যায় ডিসি লেকে গোসল করতে আসে। এ সময় সে পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে দুই সন্তানসহ চাচীকে বিয়ে করার অভিযোগে বহুরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শরীফুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার ও দৃন্তান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। রবিবার( ২৯ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে ঘন্টাব্যাপি ওই ইউনিয়নের কালিদাস বাজারে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বুলবুল আহমেদের সভাপতিত্বে এলাকাবাসীর পক্ষে মোতালেব সরকার, সাইফুল ইসলাম, মহিলা আওয়ামী নেত্রী কানিজ ফাতেমা বিউটি, ছাত্রলীগ নেতা সিকদার সুজন, হৃদয় হাসান, সাব্বির আহমেদ,কাউছার আহমেদ রিগান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। মানববন্ধন থেকে শরীফুল ইসলামকে দল থেকে অবিলম্বে বহিষ্কার ও তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানানো হয়।
এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক দুই বারের উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শওকত সিকদার বলেন, বিয়েতে আইনগত প্রক্রিয়ার ব্যত্যয় ঘটালে তার বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত: উপজেলার কালিদাস পানাউল্লাহপাড়া গ্রামের রাইজ উদ্দিনের ছেলে ইমান আলীর সাথে নলুয়া মোল্লাপাড়া গ্রামের আমির মোল্লার মেয়ে স্কুল শিক্ষক রহিমা আক্তার রুমির বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েক বছর পরই ভাসুর হাজী আবদুল ছবুর মুন্সীর ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা শরিফুল ইসলামের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন রহিমা। পরে ২০১৯ সালে চাচীকে দিয়ে চাচাকে ডিভোর্স করান শরীফুল। চলতিমাসে ভাতিজা বহুরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শরীফুল ইসলাম দুই সন্তানসহ চাচী রহিমা আক্তার রুমিকে বিয়ে করেন। পরে ভাতিজা কর্তৃক চাচীকে বিয়ে করার ঘটনা বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হলে এলাকা ও ইউনিয়বাসীর মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলওয়ে স্টেশনের পাশে রোববার(২৯ আগস্ট) ভোরে অভিযান চালিয়ে ২৪৪ গ্রাম হেরোইন সহ দুই বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার খালেদপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মো. সেন্টু মিয়া(৫৫) ও একই গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে মো. সাইদুর রহমান(৬৫)।
র্যাব-১২ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে স্পেশাল কোম্পানীর ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার এএসপি মি. জন রানার নেতৃত্বে র্যাবের একটি চৌকষ দল বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলওয়ে স্টেশনের পাশে অভিযান চালায়। অভিযানে উল্লেখিত ব্যক্তিদের কাছ থেকে ২৪৪ গ্রাম হেরোইন, দুইটি মোবাইল ফোন ও নগদ ২০০০ টাকা জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) এর সারণীর ৮(গ) ধারায় মামলা দায়ের করে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানায় হস্তান্তর করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় ফজরের নামাজ পড়তে গিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন হেকমত আলী (৪৮) নামে এক ব্যবসায়ী। শনিবার (২৮ আগস্ট) ভোর ৪টার দিকে উপজেলার আলমনগর ইউনিয়নের নবগ্রাম দক্ষিণপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত হেকমত ওই গ্রামের মৃত হযরত আলীর ছেলে। তিনি ধান ও গাছের ব্যবসার পাশাপাশি বাউল গানের আসর বসাতেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ভোর ৪টার দিকে ফজরের নামাজ পড়ার জন্য হেকমত ঘুম থেকে ওঠেন। এর পর অজু করে মসজিদে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। সকালে নিজ বাড়ির আমগাছের সঙ্গে রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ পাওয়া যায়। স্বজনদের দাবি মানসিক সমস্যার কারণে তিনি এভাবে আত্মহত্যা করেছেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে থানা পুলিশ গিয়ে লাশের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন করেন।
এ বিষয়ে গোপালপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মো. মোশাররফ হোসেন জানান, পরিবারের কারও কোনো অভিযোগ না থাকায় বিনা ময়নাতদন্তে লাশ দাফন করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরে জানাজা শেষে সামাজিক কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিনকে হত্যার হুমকি দিয়ে চিঠি দিয়েছে জঙ্গি সংগঠন। এছাড়া তাকে হত্যা করতে ব্যর্থ হলে তার ঘনিষ্ট স্বজন আউট সোর্সিং হিসেবে প্রসেস সার্ভার পদে চাকরিরত এক ছেলেকে গলা কেটে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।
এ নিয়ে সব বিচারকদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বিচারক খালেদা ইয়াসমিনসহ তার পরিবারের লোকজন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) খাকি রংয়ের খামে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিনের নামে একটি চিঠি আসে। সেখানে প্রেরকের স্থানে জুবায়ের রহমান লেখা রয়েছে।
চিঠির লেখাটি হুবুহু তুলে ধরা হলো: ম্যাডাম- আপনাকে উদ্দেশ্য করে চিঠি দিলাম। বিস্তারিত পড়ে দেখুন।
আমরা জঙ্গি সংগঠনের লোক। তাই জীবনে চলার পথে অনেক অন্যায় কাজ করেছি। এমনকি এখনো করি। আমরা যখন যাকে ট্রার্গেট করি তখন তাকে ছলে বলে কৌশলে হত্যা করি। এটাই আমাদের পেশা। এবার আপনাকে হত্যা করার পালা। কারণ আপনি নারী ও শিশু কোর্টে আসার পর থেকে এ পর্যন্ত অনেকটি বড় ধরনের মামলার রায় দিয়েছেন। তাতে আমাদের লোকজনের খুব বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। তাই আল্লাহর দোহাই দিয়ে বলছি যদি নিজের জীবনের প্রতি মায়া থাকে তাহলে টাঙ্গাইল থেকে বদলি হয়ে চলে যান। যদি কথা না শোনেন তাহলে আমরা আপনাকে হত্যা করতে বাধ্য হবো। আর আমাদের যারা সহযোগিতা করতেছে তারা কয়েকজন আইনজীবী এমনকি জজ কোর্ট ও ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের স্টাফদের সমন্বয়ে।
আপনাকে যেভাবে হত্যা করা হবে তার ২টি নমুনা:
টার্গেট-১। অফিস থেকে বাসা এর মধ্যে আসা যাওয়ার পথে আপনার গাড়িতে বোমা নিক্ষেপ করা হবে।
টার্গেট-২। অফিস চলাকালীন সময়ে লোকজনের ভিড়ের মধ্যে গিয়ে আপনার এজলাশ বা খাসকামড়ার মধ্যে বোমা নিক্ষেপ করা হবে।
তবে একটা কথা মনে রাখবেন আপনাকে পুলিশ যতই নিরাপত্তার মধ্যে রাখুক না কেন আপনাকে আমাদের বোমার হাত থেকে রক্ষা করতে পারবে না। তাই প্রাণ বাঁচাতে চাইলে টাঙ্গাইল থেকে তাড়াতাড়ি বদলি হয়ে চলে যান।
যদি আপনাকে হত্যা করতে ব্যর্থ হই। তাহলে আমাদের হিংস্রতার টার্গেট রয়েছে আরেকটি। সেটা হলো-আপনার নারী ও শিশু কোর্টে ‘আউট সোর্সিং’ হিসেবে প্রসেস সার্ভার পদে যে ছেলেটি চাকরি করে সে নাকি আপনার খুব ঘনিষ্ট আত্মীয়। তাই আমাদের লক্ষ্য ছেলেটাকে অফিসে আসা যাওয়ার পথে বা কোর্ট থেকে বাহিরে যাওয়া মাত্রই আমরা তাকে অপহরণ করবো। পরে গহীন জায়গায় নিয়ে আটকে রেখে কমপক্ষে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করবো। আর যদি টাকা না দিতে পারেন তাহলে ছেলেটাকে জবাই করে হত্যা করা হবে। পরে লাশ যমুনা নদীতে ফেলে দেওয়া হবে। কথাটা মনে রাখবেন।
ইতি
জঙ্গি সংগঠন।
এদিকে চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন জানান, চিঠিটি পাওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়েছে। এছাড়া তিনি ও তার পরিবারের লোকজন বর্তমানে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।
পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় জানান, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। সেইসঙ্গে বিচারক খালেদা ইয়াসমিন ও তার পরিবারের লোকজনদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
টাঙ্গাইল র্যাব-১২ এর কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, র্যাবের সব টিম বিষয়টি নিয়ে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।
একতার কণ্ঠঃ দ্বিতীয় স্ত্রী সৈয়দা আমেনা পিংকিকে হত্যা ও লাশ গুমের ঘটনার দ্রুত তদন্ত শেষ করে পৌর কাউন্সিলর আতিকুর রহমান মোর্শেদের বিচারের দাবি উঠেছে। বুধবার( ২৫ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে সৈয়দা আমেনার বাবা সৈয়দ শরিফ উদ্দিন এ দাবি জানান।
লিখিত বক্তব্যে সৈয়দ শরিফ উদ্দিন বলেন, টাঙ্গাইলে থাকার সময় ২০১২ সালের জুন মাসে তার মেয়ে সৈয়দা আমেনাকে মোর্শেদের লোকজন অপহরণ করে। পরে মোর্শেদ আমেনাকে জোরপূর্বক বিয়ে করেন। এরপর মোর্শেদ আমেনাকে স্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে ঘর সংসার করতে থাকে। মোর্শেদের দুই স্ত্রী থাকায় পরিবারে মাঝে মাঝে ঝগড়া হয়। তাদের সংসারে এক কন্যা সন্তান মায়শা জন্মগ্রহন করে, যার বয়স এখন ছয় বছর। আমেনার সংসারে এক মুহুর্তের জন্য শান্তি দেয়নি সন্ত্রাসী মোর্শেদ ও তার প্রথম স্ত্রী। তাকে প্রচুর মারধর করত। ২০১৭ সালের ২৬ জানুয়ারি রাতে মোর্শেদ তার এক সহযোগির বাসায় দাওয়াতের কথা বলে আমেনাকে নিয়ে যান। সেখানে নিয়েই মোর্শেদ কয়েকজনের সহায়তায় আমেনাকে হত্যা করে লাশ গুম করে।
সৈয়দ শরিফ উদ্দিন জানান, এতো দিন মোর্শেদের ভয়ে তিনি আইনগত পদক্ষেপ নিতে সাহস পাননি। সম্প্রীতি মোর্শেদ অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হওয়ার পর গত মঙ্গলবার টাঙ্গাইল চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য টাঙ্গাইল সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।লিখিত বক্তব্যে সৈয়দ শরিফ উদ্দিন মোর্শেদের দ্রুত বিচার দাবি করেন।
সৈয়দ শরিফ উদ্দিন নীলফামারী শহরের হাড়োয়া আদর্শপাড়ার বাসিন্দা। তিনি এক সময় টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকায় মোর্শেদের বাড়ির পাশে ভাড়া থাকতেন।
প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আতিকুর রহমান মোর্শেদকে গত ১৯ আগস্ট গোয়েন্দা পুলিশ ও সদর থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে। পরে তার বিশ্বাস বেতকা এলাকার বাড়িতে তল্লাশী চালিয়ে দু’টি বিদেশি পিস্তল, ছয় রাউন্ড গুলি ও দুটি ম্যাগজিন উদ্ধার করে পুলিশ।
আতিকুর রহমান মোর্শেদের বিরুদ্ধে দুই যুবলীগ নেতা হত্যা, ছাত্রদল নেতা রেজা হত্যা, ব্যবসায়ী তুহিন হত্যা মামলাসহ চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের এক ডজন মামলা হয়েছে। মোর্শেদ টাঙ্গাইল শহর ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। পরে জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে দলীয় পদ না থাকলেও শহর আওয়ামী লীগের দলীয় বিভিন্ন কর্মকান্ডে অংশ নিতেন। তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ছাত্রদল নেতা রেজা হত্যা মামলা রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে।