একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের কলেজ পাড়া (মুচিপট্টি) এলাকায় সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে অভিযান চালিয়ে ১০০ লিটার চোলাই মদ সহ দুই বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কলেজ পাড়া (মুচিপট্টি) এলাকার মৃত শিবু রবি দাসের ছেলে লিটন রবি দাস (৩০) ও একই এলাকার মৃত দুলাল রবি দাসের স্ত্রী বীনা রবি দাস (৪২)।
র্যাব-১২ জানায়, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে একদল র্যাব গোপনে খবর পেয়ে মুচিপট্টিতে অভিযান চালায়। এ সময় ১০০ লিটার চোলাই মদ সহ উল্লেখিত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা হয়। টাঙ্গাইল সদর থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে গ্রেপ্তারকৃতদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইল শহরের রেজিষ্ট্রিপাড়া ও বাস টার্মিনাল এলাকায় রোববার(১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে আলাদা অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য সহ ছয় ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন(র্যাব-১২)।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- টাঙ্গাইল শহরের আকুর টাকুরপাড়ার স্বর্গীয় হরিদাস সরকারের ছেলে গোবিন্দ সরকার(৪২), সদর উপজেলার আগবেথৈর গ্রামের মৃত আব্দুল বারেকের ছেলে মো. আলমগীর হোসেন(৪৫), ভূঞাপুর উপজেলার পাথাইলকান্দি গ্রামের মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে মো. রাশেদুল ইসলাম(৩১), রাজশাহী জেলার বাঘা উপজেলার মহদীপুর গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে রাজিব আহাম্মেদ(৩১), একই জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার মহিশালবাড়ী গ্রামের মৃত শাজাহান আলীর ছেলে আব্দুল ওয়াদুদ(৩৫) ও একই এলাকার মৃত এলাহী বক্সের ছেলে মো. মানিকুল ইসলাম(৪৫)।
র্যাব-১২ প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গোপনে খবর পেয়ে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন(জি)বিএন এর নেতৃত্বে র্যাবের একটি দল টাঙ্গাইল শহরের রেজিস্ট্রি পাড়াস্থ ভিক্টোরিয়া রোডে স্যামসাং শো-রুমের পাশে অভিযান চালায়। এ সময় ৬ ক্যান বিয়ার, ৬ বোতল দেশি মদ, পাঁচটি মোবাইল ও পাঁচটি সিম কার্ড এবং নগদ দুই হাজার ১০০ টাকা সহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-১২ জানায়, একই দিন সকালে বাসটার্মিনালে সোনিয়া নার্সিং হোমের পাশে অভিযান চালিয়ে ৫০ গ্রাম হোরোইন, দুইটি মোবাইল ফোন ও দুইটি সিমকার্ড এবং নগদ তিন হাজার ১৭০টাকা সহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের নামে টাঙ্গাইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের শীর্ষ সন্ত্রাসী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান ওরফে কোয়ার্টার রনিকে গ্রেপ্তারের পর এক দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। একটি ছিনতাই মামলায় রবিবার(১৯ সেপ্টেম্বর) টাঙ্গাইল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাঁর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। শনিবার(১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে তাঁকে ঢাকার মোহম্মদপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আতিকুর রহমান টাঙ্গাইল শহরের দেওলা মিল্ক ভিটা সড়কের সি অ্যান্ড বি কলোনির বাসিন্দা। পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী। টাঙ্গাইলের অপরাধ জগতে তিনি কোয়ার্টার রনি নামে পরিচিত। গত সেপ্টেম্বরে পুলিশ তালিকাভুক্ত অপর শীর্ষ সন্ত্রাসী পৌরসভার কাউন্সিলর আতিকুর রহমান মোর্শেদকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তারের পর রনি আত্মগোপনে চলে যান।
রবিবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় জানান, টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঢাকার মোহম্মদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে রনিকে শনিবার রাতে গ্রেপ্তার করে। তাঁর বিরুদ্ধে দুটি হত্যা, চারটি অস্ত্র মামলাসহ নয়টি মামলা আছে। শহরের তালিকাভুক্ত অন্যান্য শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।
ওসি মীর মোশারফ হোসেন বলেন, সদর থানার একটি ছিনতাই মামলায় আতিকুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করে রবিবার টাঙ্গাইল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। আদালতের বিচারক ফারজানা হাসানাত শুনানি শেষে এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালে কোয়াটার রনি ও তার সহযোগীরা টাঙ্গাইলের পিচুরিয়া এলাকা থেকে শামীম ও মামুন নামের দুইজনকে অপহরণের পর খুন করে লাশ গুম করার ঘটনায় সদর থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। সেই মামলায় রনির বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি হয়। কোয়াটার রনির বিরুদ্ধে দুইটি খুন, ৪টি অস্ত্র মামলাসহ আরো তিনটি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এছাড়াও সে সদর থানায় দায়ের হওয়া ছিনতাই মামলার সন্ধিগ্ধ আসামী।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে থ্রি হুইলার চলাচল বন্ধ করতে প্রচারণা চালাচ্ছে এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ। তিন চাকার গাড়ি চলাচল বন্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে ১২টি থ্রি হুইলার (তিন চাকার গাড়ি) আটক করে মামলা দিয়েছে এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ।
জানাগেছে, মহাসড়কে থ্রি হুইলার বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ রয়েছে। তারপরও মহাসড়কে থ্রি হুইলার চলাচল অব্যাহত থাকায় হাইওয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনায় মাঠ পর্যায়ে অভিযানে নামে হাইওয়ে পুলিশ।
অভিযানের পাশাপাশি সড়ক পরিবহন আইনে অপরাধ ও শাস্তির পরিমাণ সম্পর্কে অবগত করার জন্য থ্রি হুইলার চালক ও মালিকদের সাথে মতবিনিময় করা হয়। এছাড়া পথসভা, মাইকিং, সেমিনার ও লিফলেট বিতরণ করার মধ্য দিয়ে ধারাবাহিকভাবে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ ইয়াছির আরাফাত জানান, গত দেড় মাসে শতাধিক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, সিএনজি, নসিমন/ভটভটি আটক করে মামলা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এলেঙ্গা থেকে টাঙ্গাইল শহর পর্যন্ত মহাসড়কের দুই পাশেই সার্ভিস লেন রয়েছে। মহাসড়কের মূল ডিভাইডারের পাশে ডব্লিউ বিম বসানোর কাজ শেষ হয়নি। তাই এখনও কোন কোন থ্রি হুলার চালক সার্ভিস লেন থেকে সুযোগ বুঝে মহাসড়কে উঠে পড়ছে। এজন্য মহাসড়কে অভিযান চালানো হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গাজীপুরের চন্দ্রা থেকে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা পর্যন্ত মহাসড়কের এক পাশে সার্ভিস লেনের কাজ শেষ হলেও অপর পাশে কাজ চলছে। এ কারণে এখনও একপাশে থ্রি হুইলার চললেও অপর পাশে মহাসড়কে উঠে পড়ছে। এছাড়া এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত মহাসড়কে সার্ভিস লেন না থাকায় মহাসড়কে অবাধে থ্রি-হুইলার চলছে।
প্রকাশ, দেশের সড়ক-মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমিয়ে আনতে ২০১৫ সালের ১ আগস্ট থেকে দেশের ২২টি মহাসড়কে থ্রি-হুইলার, অটোরিকশা, অটোটেম্পো ও অযান্ত্রিক যানবাহনের চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষণা করে সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল গ্রাম থেকে রত্না বেগম নামে এক বৃদ্ধার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃদ্ধা রত্না বেগম(৫০) বাড়িতে নিজের ঘরে একাই থাকতেন।
প্রতিবেশিরা জানায়, কয়েকদিন যাবত রত্না বেগমকে দেখতে না পেয়ে শুক্রবার(১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রতিবেশিরা তার ঘরের সামনে গিয়ে ছিটকিনি আটকানো দেখতে পান। ঘরের ভেতর থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল।
পরে তারা ঘরের দরজা খুলে দেখেন রত্না বেগমের অর্ধগলিত মরদেহ মেঝেতে পড়ে রয়েছে। তার মুখের ভেতরে কাপড় গুঁজে দেওয়া ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ শুক্রবার রাতেই মরদেহ উদ্ধার করে।
দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, ধারণা করা হচ্ছে- কোন এক সময় রত্না বেগম(৫০) নিজের ঘরে খুন হয়েছেন। থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ময়না তদন্তের জন্য তার মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে স্বামীর হাতে অন্তসত্ত্বা স্ত্রী খুনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার এলাসিন ইউনিয়নের নয়াচর গ্রামে। নিহতের নাম দীপালী দাস (২৩)।এ ঘটনায় রাতেই নিহতের স্বামী রামু চন্দ্র মনি দাসকে গ্রেফতার করা হয়েছে।নিহতের লাশ উদ্ধার করে বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) সাজ্জাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত দিপালী দাস কালিহাতি উপজেলার সালেঙ্গা গ্রামের দুলু চন্দ্র মনি দাসের মেয়ে।
নিহতের বাবা দুলু চন্দ্র মনি দাস জানান, প্রায় ৫ বছর আগে নয়াচর গ্রামের রামু চন্দ্র দাসের সাথে দিপালী দাসের বিয়ে হয়। তাদের ঘরে ৪ বছর বয়সী একটি মেয়ে আছে। বর্তমানে দিপালী দাস ২ মাসের অন্তসত্ত্বা। পারিবারিক কলহের কারণে দিপালী দাসকে তার স্বামী মারপিটের পর শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করেছে বলে তিনি দাবি করেন।
এ বিষয়ে দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) সাজ্জাদ হোসেন জানান, তিনি প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছেন পারিবারিক কলহের কারণে দিপালী দাসকে তার স্বামী শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করেছে। বুধবার দিবাগত রাত ৩ টার দিকে তিনি ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। নিহতের বাবা দুলু চন্দ্র মনি দাস বাদী হয়ে দেলদুয়ার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। নিহতের স্বামী রামু চন্দ্র মনি দাস পালানোর চেষ্টা করলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার মসজিদ মার্কেটের সামনে বৃহস্পতিবার(১৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে ২৬ গ্রাম হেরোইনসহ মো. বদরুল নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
অভিযানে গ্রেফতারকৃত মো. বদরুল(৩০) চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলা সদরের ঘটাপাড়া এলাকার মো. এনামুল হকের ছেলে।
র্যাব-১২ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুনের(জি) বিএন নেতৃত্বে একদল র্যাব অভিযান চালায়। অভিযানে প্রায় দুই লাখ ৬০ হাজার টাকা মূল্যের ২৬ গ্রাম হোরোইন সহ মো. বদরুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃত বদরুলের বিরুদ্ধে মির্জাপুর থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কন্ঠঃ আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইলের সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন আবেদন আবারও নামঞ্জুর হয়েছে। এ নিয়ে ১৪তম বারের মতো তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন আদালত।
সহিদুর রহমান খান মুক্তি টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খানের ছেলে এবং একই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার ভাই।
আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পাবলিক প্রসিকিউটর) এস আকবর খান জানান, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতে বৃহস্পতিবার(১৬ সেপ্টেম্বর) মুক্তির আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন।
তারা যে কোনো শর্তে মুক্তির জামিন প্রার্থনা করেন। তবে শুনানি শেষে আদালতের বিচারক মাসুদ পারভেজ বৃহস্পতিবার(১৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে আবেদনটি নামঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ১৮ আগস্ট সকালে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে সহিদুর রহমান খান মুক্তি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে কারাগার থেকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ভর্তি রেখে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বুকের ব্যথায় মুক্তি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সাত সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। তার হৃদযন্ত্রে কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। তবে থাইরয়েড ও কিডনিতে কিছু সমস্যা আছে।
হাসপাতালে থাকতেই তিনি করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হন। তিন দিন আগে তিনি করোনামুক্ত হয়েছেন। বর্তমানে কোমরের ব্যথার জন্য হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
প্রকাশ, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ লাশ ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি তার কলেজপাড়া বাসার কাছ থেকে উদ্ধার হয়। ফারুক হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পর দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক ছিলেন মুক্তি।
গত বছরের ২ ডিসেম্বর তিনি টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর দফায় দফায় তার পক্ষে আইনজীবীরা ১৪ বার জামিনের আবেদন করেছেন। তবে প্রতিবারই ওই আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।
ফারুক হত্যাকান্ডে আমানুর রহমান খান রানা, সহিদুর রহমান খান মুক্তি সহ তদের অপর দুই ভাই ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পারও জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে।
এরপর তারা সবাই আত্মগোপনে চলে যান। এর মধ্যে আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। অপর দুই ভাই কাকন ও বাপ্পা এখনও পলাতক রয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত, ছাত্রদের মারধরসহ কলেজে প্রবেশে বাধা দেওয়ায় টাঙ্গাইল শহরের অবস্থিত মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান আদর্শ মহাবিদ্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়ে বহিরাগতরা।বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে হামলায় ভবনের জানালার কাঁচ, চেয়ার-টেবিল ভাংচুর ও প্রহরীকে মারধর করে তারা।
শিক্ষকদের অভিযোগ, করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘদিন কলেজ বন্ধ ছিলো। ১২ সেপ্টেম্বর চালু হওয়ার পর সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী কলেজ ড্রেস ব্যতিত চলছে শিক্ষাকার্যক্রম। এর ফলে ড্রেস ছাড়াই কলেজে আসছে ছাত্র-ছাত্রীরা। এই সুযোগ নিয়ে কলেজে বহিরাগতদের উপদ্রব বেড়েছে। তারা কলেজ প্রাঙ্গণে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করা, এমনকি ছাত্রদের মারধরও করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক কলেজ শিক্ষক জানান, সকালে কলেজের বাণিজ্য বিভাগ প্রথম বর্ষের এক ছাত্রকে মারধর করে বহিরাগতরা। ঘটনাটি জানাজানি হলে মারধরের শিকার ওই ছাত্রকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অধ্যক্ষের কক্ষে ডেকে আনা হয়। ওই ছাত্রকে মারধরের ঘটনায় জড়িত কলেজের প্রাক্তন ছাত্র বায়েজিদ বোস্তামী উপস্থিত হয় অধ্যক্ষের কক্ষে। তিনি বিষয়টি মীমাংসা হয়েছে বলে জানান। ফলে তাকে অধ্যক্ষের কক্ষ থেকে বাইরে যাওয়ার অনুরোধ করেন শিক্ষকরা। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি বহিরাগতদের নিয়ে হামলা-ভাঙচুর চালায়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কলেজ অধ্যক্ষ পুলিশে খবর দেন। এরই মধ্যে কলেজ ত্যাগ করে হামলাকারীরা।
উপাধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম উজ্জ্বল বলেন, হামলার বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও কলেজ পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি ড. আতাউল গণিকে জানানো হয়েছে।
কলেজ অধ্যক্ষ মো. আব্দুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় জড়িত প্রাক্তন ছাত্র বায়েজিতের নাম উল্লেখসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে মায়ের সাথে অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে আরজিনা আক্তার (১২) নামের এক কিশোরী আত্মহত্যা করেছে। মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজের শয়নকক্ষের বাঁশের ধরনার সাথে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে সে আত্মহত্যা করে। আরজিনা উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের আবেদালি গ্রামের নজরুল ইসলামের মেয়ে।
এ প্রসঙ্গে সাগরদিঘী তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মনিরুজ্জামান জানান, আরজিনা তার মায়ের সাথে রাগ করে গলায় ফাঁশ দিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সভাপতি মোজাম্মেল হক হিরো গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালীন সময়ে দায়েরকৃত একটি নাশকতামূলক কর্মকান্ডের মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন।
সোমবার(১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে এলেঙ্গা পৌরসভার বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, একটি নাশকতামূলক মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানামূলে মোজাম্মেল হক হিরোকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর বনের সরকারি রাবার বাগান থেকে চুরি হওয়া অপরিশোধিত ৩৫০ কেজি রাবারসহ আব্দুর রাজ্জাক নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১২।
সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার পীরগাছা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আব্দুর রাজ্জাক(৪২) একই উপজেলার কুড়াগাছা ইউনিয়নের পীরগাছা গ্রামের আমির আলীর ছেলে।
র্যাব-১২ জানায়, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার গোলাম ফারুকের নেতৃত্বে একদল র্যাব সদস্য গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পীরগাছা এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে ৩৫০ কেজি অপরিশোধিত চোরাই রাবার সহ আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ বিষয়ে মধুপুর মামলা দায়ের পূর্বক তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।