একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে মোবাইল ফোনে প্রশ্নপত্র পাওয়ার অপরাধে ইয়াছিন সিকদার নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে ছয় মাসের কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।
শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে পদার্থ বিজ্ঞান পরীক্ষা চলাকালে উপজেলার বাঁশতৈল মনসুর আলী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান তাকে এই সাজা দেন।
সাজাপ্রাপ্ত ইয়াছিন সিকদার উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পাঁচগাও গ্রামের কালু সিকদারে ছেলে।
জানা গেছে, ইয়াছিন সিকদারের ছেলে তামিম সিকদার চলতি বছর অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় ওই কেন্দ্র থেকে অংশ নিচ্ছেন। পরীক্ষা শুরুর এক ঘন্টার মধ্যে প্রশ্নপত্র ইয়াসিন সিকদারের মোবাইল ফোনে চলে আসে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি ইউএনও জানতে পারেন। পরে বাঁশতৈল বাজারের নাজিম প্লাজা থেকে ইয়াসিন সিকদারকে মোবাইল ফোনসহ আটক করা হয়। এ সময় তার মোবাইল ফোনে চলমান পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ের প্রশ্নপত্র দেখতে পান ইউএনও।
এ প্রসঙ্গে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভ্রাাম্যমান আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান জানান, ইয়াছিন সিকদারকে পাবলিক পরীক্ষা সমুহ (অপরাধ) আইন, ১৯৮০ এর ১১(খ), (গ) ধারা অনুযায়ী ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপরে জামায়াতে ইসলামীর ৫ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার গোড়াই শিল্পাঞ্চল এলাকার সৈয়দপুর মঈননগর এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ সময় ৪০টি জিহাদী বই, চাঁদা জমা-খরচের রেজিস্ট্রার ও একটি টালিখাতা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, জামায়াতে ইসলামী গোড়াই ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড সভাপতি আরিফ হোসেন (৩৯), গোড়াই হরিপাড়া গ্রামের হাসান আলী মোল্লার ছেলে মো. মুনিরুজ্জামান (৪৬), আজগানা ইউনিয়ন জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন খান (৫১), বগুড়ার ধুনট উপজেলার চিথুলিয়া গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে মো. নুরুজ্জামান (৩৮) ও জয়পুরহাট জেলা সদরের সিরাজুল ইসলামের ছেলে মো. মমিনুল (৩০)।
পুলিশ জানায়, সরকারের পতন ও অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড সংগঠিত করার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামী ও অন্যান্য ইসলামী সমমনা সংগঠনের ৫০/৬০ জন নেতাকর্মী সৈয়দপুর মঈননগর এলাকার আরিফ হোসেনের বাড়িতে সমবেত হয়ে সভা করছেন। এমন খবরের ভিত্তিতে মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিমের নেতৃত্বে ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।
এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্যরা পালিয়ে গেলেও ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাদের টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি আরো জানান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে অধ্যক্ষ জামাল হোসেন ঠান্ডু হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে টাঙ্গাইলের স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক বেগম শাহানা হক সিদ্দিকা এ রায় দেন।
এছাড়া আদালতের বিচারক দণ্ডপ্রাপ্ত ২ জনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও করেন।
এ ছাড়া এ হত্যা মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ৩ জনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, সখীপুরের ফুলবাগ গোবরচাকা গ্রামের মৃত হাসান আলীর ছেলে মিনহাজুর রহমান মিন্টু, একই গ্রামের সুর্যদ আলীর ছেলে আব্দুল মালেক শুকুর।
মামলায় খালাসপ্রাপ্তরা হলেন, শমশের আলী, মোহাম্মদ মাসুদ এবং মোহাম্মদ নান্নু মিয়া।
রাষ্ট্রের পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ মহসিন সিকদার জানান, ২০১১ সালের ২০ অক্টোবর দুপুরে অধ্যক্ষ জামাল হোসেন ঠান্ডু সখীপুরের পলাশতলী মহাবিদ্যালয় থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়। তিনি বৈল্লারপুর এলাকায় পৌঁছালে পূর্ব শত্রুতার জেরে মিনহাজুর রহমান মিন্টুর নেতৃত্বে জামাল হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় ওই দিন জামাল হোসেনের স্ত্রী পারভীন বেগম বাদী হয়ে সখীপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তিনি আরও জানান, ২০১২ সালের ২৬ ডিসেম্বর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই আইয়ুব আলী ৫ জনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। বিচারক সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে বুধবার ২ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ৩ জনকে বেকসুর খালাস দেন।
রায় ঘোষণার সময় মিনহাজুর রহমান মিন্টু আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং আব্দুল মালেক শুকুর পলাতক ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে মেয়েদেরকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করতে গিয়ে হামলার শিকার এক যুবকের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত প্রায় ১ টার দিকে রাজধানীর নিউরো সাইন্স হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
নিহত যুবকের নাম মো. মাজহারুল ইসলাম(২১)। সে উপজেলার কালিয়ান দক্ষিণ পাড়া এলাকার আ. মালেক মিয়ার ছেলে এবং সরকারি সা’দত কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিল।

হামলার ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে শনিবার ( ১০ সেপ্টেম্বর) ৭ জনের নাম উল্লেখ করে সখীপুর থানায় একটি মামলায় দায়ের করেছেন।
নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার কালিয়ান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে শুক্রবার(৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এলাকার বিবাহিত বনাম অবিবাহিতদের সমন্বয়ে এক ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলা দেখতে আসা মেয়েদের নানাভাবে উত্যক্ত করে কালিয়ান দোহানিয়া পাড়ার কয়েকজন বখাটে ছেলে। এ সময় মাজহারুল তাদের উত্যক্ত করতে নিষেধ করলে ঘটনাস্থলেই তাকে কিল, ঘুষি দেয় স্থানীয় বখাটে ইয়ারুল ও তার সহযোগীরা।
এর পর খেলা শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে ইয়ারুল ইসলাম (১৯), ছাব্বির আহমেদ (১৯) সহ সাত-আট জনের একটি সঙ্ঘবদ্ধ দল লোহার রড, দা, দিয়ে মাজহারুলের উপর আবার আক্রমণ করে। এ সময় চিৎকার শুনে তার বাবা ও অন্যান্যরা মাজহারুলকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে সখীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার নিউরো সাইন্স হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে তিন দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার রাত প্রায় ১ টায় মাজহারুলের মৃত্যু হয়।
মাজহারুলের বাবা আ. মালেক কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘অনেক চেষ্টা করেও আমার ছেলেটাকে বাঁচাতে পারলাম না। বখাটেদের হামলায় ছেলেটা অবশেষে মারাই গেল।
এ প্রসঙ্গে সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান,হামলার ঘটনায় মাজহারুলের বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। ওই মামলাতেই ৩০২ ধারা যুক্ত করার জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
একতার কণ্ঠঃ ২৬৬ ঘনফুট চোরাই মেহগনির কাঠ উদ্ধার ও একজনকে আটক করেছে টাঙ্গাইল বন বিভাগ।
রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ত্রিপলে ঢাকা অবস্থায় একটি ট্রাক থেকে কাঠগুলো উদ্ধার করা হয়। এ সময় ট্রাক চালককে আটক করা হয়েছে।
আটককৃত ট্রাক চালক টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার নলহড়া গ্রামের মৃত আফাজ উদ্দিনের ছেলে মোস্তাক আহমেদ লাকী।
বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, দুর্বৃত্তরা পাচারের উদ্দেশে কাঠগুলো ট্রাকের ওপর ত্রিপল দিয়ে লুকিয়ে রেখেছিল। এ সময় স্থানীয় বিট কর্মকর্তা পিছু নিয়ে ট্রাকটিকে আটক করে।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর করটিয়া পরীক্ষণ ফাঁড়ির স্টেশন কর্মকর্তা সোলাইমান মিয়া জানান,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৬৬ ঘনফুট চোরাই মেহগনি কাঠ ভর্তি ট্রাকটি আটক করা হয়। ট্রাকটি জামালপুর থেকে ঢাকার উত্তরার আজমপুর যাচ্ছিল। চক্রটি সংরক্ষিত মেহগনি কাঠ কেটে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করে আসছিল। এ সময় ট্রাক ড্রাইভারকেও আটক করা হয়।
টাঙ্গাইল বিভাগীয় বন কর্মকর্তা সাজ্জাদুজ্জামান জানান, বৈধ কাগজপত্র না থাকায়, ট্রাকটি আটক করে চোরাই মেহগনি কাঠ জব্দ করা হয়। যার বাজার মূল্য প্রায় ৪ লাখ টাকা। ইতোমধ্যে বন আইনে মামলা করা হয়েছে। এ সময় ট্রাক চালকেও আটক করা হয়।
তিনি আরো জানান,এ ধরনেরই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আরও এক আসামির কারা হেফাজতে মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার(৯ সেপ্টেম্বর) রাতে হৃদরোগজনিত সমস্যার কারণে তার মৃত্যু হয়।
শনিবার(১০ সেপ্টেম্বর) সকালে টাঙ্গাইলের জেল সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল-মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আসামির নাম মো. সমীর মিঞা (৪২)। তিনি শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকার মৃত তফিজ উদ্দিনের ছেলে।
তিনি ফারুক হত্যা মামলায় ২০১৫ সালের ১২ নভেম্বর থেকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে আটক ছিলেন।
জেল সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল-মামুন জানান, শনিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে সমীর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে কারা চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরো জানান,সমীর হৃদরোগজনিত সমস্যার কারণে ইতোপূর্বে একাধিকবার চিকিৎসা নিয়েছেন। শনিবার সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত শেষে যথানিয়মে লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এর আগে গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর ফারুক আহমদ হত্যা মামলার আরেক আসামি আনিসুল ইসলাম রাজা (৪২) কারা হেফাজতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ মরদেহ তার কলেজপাড়া বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে টানা সাত বারের মতো মাদক উদ্ধারে জেলায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি দক্ষিণ) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. দেলওয়ার হোসেন।
মাদক উদ্ধারে জেলায় প্রথম স্থান অর্জন করায় বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) কাজী নুসরাত এদীব লুনা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দীনসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়,এ বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত জেলায় প্রথম ক্রিস্টাল মেথ আইসসহ বিভিন্ন মাদক উদ্ধার ও আসামী গ্রেপ্তারে বিশেষ ভূমিকা রাখায় জেলায় প্রথম স্থান অর্জন করেছেন ওসি দেলওয়ার।
এছাড়াও তার নেতৃত্বে ১৮২ টি অভিযানে ১২৬ টি মামলা হয়েছে। এসব ঘটনায় দুুই কোটি ১৭ লাখ ৬৮ হাজার টাকার মাদক উদ্ধার ও ২০৮ জন আসামীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে মো. দেলওয়ার হোসেন তার প্রতিক্রিয়ায় জানান, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সারের নির্দেশে টাঙ্গাইলে দায়িত্ব পালন করছি। এসআই নুরুজ্জামান ও এসআই রাইজ উদ্দিনসহ অন্যান্য সদস্যদের সাথে নিয়ে মাদক উদ্ধার ও আসামী গ্রেপ্তার করছি। সকলের সহযোগিতা সামনের দিনে আরও ভাল কাজ করতে চাই।
উল্লেখ্য, মো. দেলওয়ার হোসেন ১৯৯০ সালে এসআই পদে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। এরপর তিনি খুলনা, কুষ্টিয়া, যশোর, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় দায়িত্ব পালন করেছেন। সিলেটে দায়িত্ব পালনকালে জেলায় চারবার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হন। সর্বশেষ তিনি গাজীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের এক স্কুলছাত্রীকে নানা প্রলোভন ও ফুসলিয়ে নিয়ে পালিয়েছে আবু সামা (৩৫) নামে এক মাদরাসা শিক্ষক।
এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে ভূঞাপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে।
অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে পলাতক শিক্ষক আবু সামার বড় ভাই ও সহযোগী আব্দুর রাজ্জাক ওরফে মোতালেবকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ থানায় নিয়ে এসেছে।
আবু সামা উপজেলার ধুবলিয়া এলাকায় খালেক নুরানী মাদরাসার শিক্ষক এবং উপজেলার ধুবলিয়া গ্রামের মৃত আরজু মিয়ার ছেলে।
জানা গেছে, উপজেলার ধুবলিয়া গ্রামের শিক্ষক আবু সামা ওই গ্রামের খালেক নুরানী মাদরাসায় শিক্ষকতার কারণে ধুবলিয়া বাজারের একটি ওষুধের দোকানের পিছনে গণিত বিষয়ে টিউশনি করতো। এতে সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের ওই ছাত্রী আবু সামারের কাছে গণিতের প্রাইভেট পড়তো।
গত দুই মাস ধরে আবু সামার কাছে প্রাইভেট পড়তো সে। এই সুযোগে আবু সামা প্রথম থেকেই ছাত্রীকে কু-নজরে দেখার পাশাপাশি প্রেম প্রস্তাব দেয়। পরে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে মেয়েটিকে নিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর তাদের আর কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা জানান, শিক্ষক আবু সামার পরিবার ও তার ভাই রাজ্জাক জামায়াতের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। কি কারণে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মেয়েটিকে সে প্রলোভন দেখিয়ে তাকে নিয়ে পালিয়েছে গেছে জানা যায়নি। বিষয়টি মিমাংসার জন্য ওই সংখ্যালঘু পরিবারটিকে চাপ দিচ্ছে।
ওই মেয়েটির বাবা জানান, সন্ধ্যার পর থেকে মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছি না। শিক্ষক আবু সামার কাছে প্রাইভেট পড়ানোর সুযোগে সে আমার মেয়েকে ফুসলিয়ে ভাগিয়ে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় থানায় বৃহস্পতিবার রাতে অভিযোগ দেয়া হয়েছে। পুলিশ তার ভাইকে ধরেছে বলে জেনেছি। এখন পর্যন্ত আমার মেয়ের কোন খোঁজ পাচ্ছি না।
এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্তের বড় ভাই সহযোগী রাজ্জাককে জিজ্ঞাসাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আইগত বিষয় প্রক্রিয়াধীন এবং মেয়েটিকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে মা ও ভাইদের সাক্ষীতে এক চিহ্নিত মাদকসেবীকে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার সিলিমপুর বাজারে আদালত বসিয়ে এ সাজা দেওয়া হয়। আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আলম।
সাজা পাওয়া ওই ব্যক্তির নাম ছানোয়ার হোসেন (৩২)। সে উপজেলার ছিলিমপুর গ্রামের মৃত ওসমান গণির ছেলে। তার মা রহিমা বেগম ছেলের বিরুদ্ধে আদালতের কাছে সাক্ষ্য দেন।
সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান জানান, ছানোয়ার হোসেন এলাকার একজন চিহ্নিত মাদকসেবী। মা, ভাই ও স্ত্রী সবাই সানোয়ারের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ ছিল। বুধবার ছানোয়ার গাঁজা খেয়ে উপজেলার সিলিমপুর বাজারে মাতলামি করছিল। এ সময় ওই বাজারের লোকজন উপজেলা প্রশাসন ও থানাকে জানালে ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই বাজারে গিয়ে ছানোয়ারকে মাতলামি করা অবস্থায় খুঁজে পায়।
তিনি আরো জানান, সানোয়ার হোসেনের মা রহিমা বেগম (৬০),দুই ভাই আইয়ুব আলী ও মোতালেব সানোয়ারকে একজন মাদকসেবী বলে আদালতের কাছে সাক্ষ্য দেন। আদালত তাকে মাদক সেবন ও নিয়ন্ত্রণ আইনে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন। এছাড়াও ২৫ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও তিন মাসের সাজা দেয়।
সানোয়ারের মা রহিমা বেগম জানান, তার ছেলেকে মাদক কেনার টাকা না দেওয়া হলে সে আমাদের মারধর করে। ঘরের বেড়ার টিন খুলে বিক্রি করে সেই টাকা দিয়ে সে মাদক কিনে সেবন করে। বাড়ি থেকে কখনো গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করে তা বিক্রি করে মাদক সেবন করে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারজানা আলম জানান, মাদক সেবন অবস্থায় ধরে উপস্থিত সাক্ষ্যগণের মোকাবেলায় সানোয়ারকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া ২৫ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও তিন মাসের সাজা দেওয়া হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সাক্ষ্য গ্রহন করেছেন আদালত। ওই জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নাম শিউলী রানী দাস। তিনি এই মামলার এক সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেছিলেন।
প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মাসুদ পারভেজের আদালতে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিউলী রানী দাস সাক্ষ্য দেন। টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মনিরুল ইসলাম খান জানান, সাক্ষ্য প্রদানকালে শিউলী রানী দাস আদালতকে জানান— তিনি এই মামলার সাক্ষী আব্দুল ওয়াহেদের জবানবন্দি ১৬৪ ধারায় লিপিবদ্ধ করেছেন। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হলে তাকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা টাঙ্গাইল সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু ওবায়দা তার দেওয়া সাক্ষীর জেরার জন্য আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাকে জেরা করেননি। পরবর্তী তারিখে জেরা করবেন বলে আদালতকে জানিয়েছেন।
সাক্ষ্য গ্রহণকালে কারাগারে থাকা এই মামলার আসামি সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান ওরফে মুক্তি এবং জামিনে থাকা আসামি সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম জানান, ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার মোট ৩৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে।
২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজ পাড়া বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এই হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশ আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দুই জনকে গ্রেপ্তার করে।
আদালতে এ দুই জনের দেওয়া স্বাীকারোক্তিতে এই হত্যার সঙ্গে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা, তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে। এরপর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। সহিদুর ২০২০ সালের ডিসেম্বরে আত্মসমর্পণের পর থেকে কারাগারে রয়েছেন। তাদের অন্য দুই ভাই এখনও পলাতক।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের বাজিতপুর থেকে সোমবার(৫ সেপ্টেম্বর) ভোরে সাত জন অপহরণকারীকে আটক ও অপহৃত ব্যক্তিকে উদ্ধার করেছে র্যাব। র্যাব-১২ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
আটককৃতরা হচ্ছেন- টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের রতনগঞ্জ গ্রামের আ. মান্নানের ছেলে জামিল হোসেন সাগর(২৪)(তিনি শহরের থানাপাড়ার জনৈক শাজাহানের বাসার ভাড়াটিয়া), টাঙ্গাইল শহরের আদি টাঙ্গাইলের হাবিবুর রহমানের ছেলে শাকিল আহাম্মেদ হৃদয়(২৭), আলমগীর হোসেনের ছেলে মো. লাবিব খান(১৮), ফজলুল হকের ছেলে রাকিবুল ইসলাম(২২), টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গড়াইল গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে হৃদয় আহাম্মেদ(২২), টাঙ্গাইলের সখীপুর পৌরসভার এবাদত হোসেনের ছেলে বাধন(১৯) এবং একই এলাকার মোস্তফা কামালের ছেলে রাব্বি খান(১৮)।
র্যাব-১২ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামানের নেতৃত্বে র্যাবের একটি দল টাঙ্গাইল শহরের বাজিতপুর হাটখোলার বিকাশের দোকানের পাশে অভিযান চালায়। অভিযানে অপহরণকারী চক্রের তির সদস্যকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই এলাকার সাহাপাড়ায় একটি অটোরাইস মিলের বাউন্ডারীর ভেতর থেকে আরও চার অপহরণকারীকে আটক করে র্যাব ।
এ সময় একটি গামছা দিয়ে চোখ ও রশি দিয়ে হাত বাঁধা অবস্থায় থাকা অপহৃত রাজমিস্ত্রি শ্রমিক মো. আব্দুর রহিমকে(৪০) উদ্ধার করেন।
র্যাব আপহরণকারীদের কাছ থেকে ধারালো ছুরি, রশি, গামছা ও নগদ ১১ হাজার ৩০ টাকা জব্দ করে।
র্যাব-১২ আরও জানায়, মো. আব্দুর রহিম পেশায় রাজমিস্ত্রি। তিনি কাজের সন্ধানে টাঙ্গাইল শহরের বাসটার্মিনালে এলে তাকে অপহরণ করা হয়। পরে তার বাড়ি থেকে এক লাখ ২০ হাজার টাকা বিকাশের মাধ্যমে এনে দেওয়ার জন্য অপহরণকারীরা তাকে মারপিট করে। বিকাশে টাকা আনার বিষয়টি আব্দুর রহিম তার ছোট ভাই আব্দুর রাজ্জাককে মোবাইল ফোনে জানায়। আব্দুর রাজ্জাক তার ভাইয়ের অপহরণের বিষয়টি র্যাবের টাঙ্গাইল কার্যালয়ে জানায়।
র্যাবের দলটি অপহরণকারীদের অবস্থান শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারী ও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে। এদিকে অপহরণকারীরা বার বার স্থান পরিবর্তন করায় র্যাব তাদের অবস্থান শনাক্ত করতে পারছিলনা। এক পর্যায়ে টাঙ্গাইল শহরের বাজিতপুর হাটখোলায় একটি বিকাশের দোকানে র্যাব সদস্যরা অবস্থান নেয় এবং অপহরণকারীদের আটক ও অপহৃতকে উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে অপহৃত আব্দুর রহিমের ভাই আব্দুর রাজ্জাক বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন বলেও র্যাব-১২ জানায়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে পুকুরে ভাসমান অবস্থায় হাসনা বেগম (৮৫) নামে এক বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার ধোপাকান্দি ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামের এক পুকুর থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
তিনি ওই গ্রামের মৃত মতিয়ার রহমানের স্ত্রী।
জানা যায়, স্বামী মারা যাওয়ার পর বয়সের ভারে ন্যুজ হাসনা বেগমের ঠাঁই হয় ছেলের রান্না ঘরে। তিনি একা চলতে পারতেন না। তারপরেও রান্নাঘরে একাই রাত্রিযাপন করতেন। মাঝে মাঝে মেয়ের জামাই বাড়ী গিয়েও থাকতেন তিনি।
নিহতের মেয়ে শামছুন্নাহার জানান, বৃদ্ধ মায়ের কষ্টের কথা ভেবে ভাইয়ের বাড়ী থেকে মাকে নিয়ে তার স্বামীর বাড়ী রেখেছিলেন। কিছুদিন আগে ভাই জোর করে মাকে নিজের বাড়ি নিয়ে যায়। রবিবার ছেলের বাড়ির পাশের পুকুরে লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়।
গোপালপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ওই বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি আরো জানান,তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, উচ্চ রক্তচাপ জনিত কারণে তিনি পুকুরে পড়ে ডুবে মারা যেতে পারেন।