একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে কাভার্ডভ্যান ও প্রাইভেটকারের সংঘর্ষে দুইজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
রবিবার (৩১ মার্চ) সকাল ৮টার দিকে উপজেলা সদরের নগরজালফৈ বাইপাস এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার ফলে প্রাইভেটকারের সামনের অংশ ধুমড়ে মুচড়ে গেছে।
দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন- প্রাইভেটকারচালক মো. ইলিয়াস হোসেন (৩৫) সে বরগুনা জেলা সদরের সোনাখালী গ্রামের আ. মান্নানের ছেলে। নিহত অপরজন হচ্ছেন, সিরাজগঞ্জ সদরের মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে শাহ আলম (৪৫)।
এ দুর্ঘটনায় সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার মৃত দারুজ্জামান তালুকদারের ছেলে মো. আনিছুর রহমান (৫৫) ও একই জেলার সদর উপজেলার আইএইচ সিরাজী রোডের মৃত মতিয়ার রহমানের ছেলে এ কে এম মাহফুজুর রহমান আল্লাল (৫৫) আহত হয়েছেন।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. সাজেদুল ইসলাম জানান , রবিবার সকালে তিনজন যাত্রী নিয়ে প্রাইভেটকারের চালক উত্তরবঙ্গের দিকে যাচ্ছিলেন।প্রাইভেটকারটি নগরজালফৈ বাইপাস এলাকায় পৌঁছালে কাভার্ডভ্যানের পেছনে ধাক্কা দেয়।
তিনি আরও জানান, এতে ঘটনাস্থলে চালক নিহত হন। আহত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠালে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়। বাকি দুই জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তিনি জানান, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ এবার অস্ত্রের মুখে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম কিবরিয়া ওরফে বড় মনির বিরুদ্ধে। পরে ভুক্তভোগী ওই তরুণী বাদী হয়ে রাজধানীর তুরাগ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মোস্তফা আনোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।
এরআগে শুক্রবার (২৯ মার্চ ) রাতে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ এ কল পেয়ে পুলিশ রাজধানীর তুরাগ থানায় প্রিয়াংকা সিটি আবাসিক এলাকায় বড় মনিরের ফ্ল্যাট থেকে ওই কলেজছাত্রীকে উদ্ধার করে। তাকে জোর করে ওই বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী।
পুলিশের ভাষ্য, বড় মনির ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছেন।
ওই শিক্ষার্থী মামলায় অভিযোগ করেন, ফেসবুকে বড় মনিরের সঙ্গে পরিচয় হয় তার। প্রথম পর্যায়ে হাই-হ্যালো হতো। এক পর্যায়ে বড় মনির ভুক্তভোগীকে ছোট বোন বলে সম্বোধন করে। এরপর তার সঙ্গে ছাত্রীর হোয়াটসঅ্যাপে অডিও-ভিডিওতে কথা হতো।
বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) ইফতারের পর বড় মনির ভুক্তভোগী ছাত্রীকে মেসেজ দিয়ে জমজম টাওয়ারের সঙ্গে এপেক্স শোরুমের সামনে থাকতে বলেন। সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিটের সময় এপেক্স শো-রুমের সামনে অপেক্ষা করি। এর ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর বড় মনির রিকশা নিয়ে আসে এবং রিকশায় উঠতে বলে। ভুক্তভোগী ছাত্রী তার সঙ্গে রিকশায় ওঠেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে তুরাগের প্রিয়াংকাসিটির ৬ নম্বর রোডের ৭ নম্বর বাসার পশ্চিম পাশের ফ্ল্যাটের তৃতীয় তলার উত্তর-পশ্চিম পাশের রুমের ভেতর নিয়ে যান। এরপর রুমের দরজা বন্ধ করে ধর্ষণ করেন।
এরপর ভুক্তভোগী ছাত্রী তার বাবাকে ফোন দেন। তার বাবা ঘটনা শুনে ৯৯৯ এ ফোন দেন। পরে তুরাগ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
উল্লেখ্য, বড় মনির জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব এবং টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ওরফে ছোট মনিরের বড় ভাই। এর আগেও টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বড় মনিরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা রয়েছে। ওই মামলায় বর্তমানে জামিনে আছেন তিনি।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশের মানুষ সুখে থাকুক, ভালো থাকুক এটা বিএনপি চায় না বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক।
শনিবার(৩০ মার্চ )দুপুরে টাঙ্গাইল পৌর শহরের আশেকপুর বাইপাস এলাকায় কাদেরিয়া বাহিনীর জাদুঘরের স্থান পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক বলেন, এখন পেঁয়াজের দাম কমেছে। জিনিসপত্রের দাম কমেছে। মানুষ একটু স্বস্তিতে আছে। এখন তারা (বিএনপি) ভারতের পণ্য বর্জনের ডাক দিয়েছে। পেঁয়াজ হয়তো ১২০ টাকা কেজি হতো সেটা ৬০ টাকা হয়েছে এটা তাদের (বিএনপি’র) সহ্য হয় না। বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকুক, সুখে থাকুক, শান্তিতে থাকুক এটা তারা তা চায় না। বঙ্গবন্ধুর যে স্বপ্ন ছিল, এ দেশে একটা শোষণ ও দারিদ্র্য মুক্ত সমাজ তৈরি করা। এজন্য এখনও তারা (বিএনপি) পাকিস্তানকেই হৃদয়ে ধারণ করে। ১৯৭৫ সালে ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর এ দেশকে মিনি পাকিস্তান বানানো হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছি এবং যারা মুক্তিযোদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করি, মুক্তিযুদ্ধের সমস্ত স্মৃতিকে, সেগুলোকে ধরে রাখা। সেগুলো যাতে চিরস্থায়ী হয় সেই ব্যবস্থা করা।
কাদেরিয়া বাহিনীর জাদুঘরের পাশে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিক বীর উত্তমের নামে একটি স্কুল হয় সে উদ্যোগ গ্রহণ করবেন মন্ত্রী।
মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চলানা করেন কাদেরিয়া বাহিনীর প্রধান ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ছানোয়ার হোসেন এমপি, তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, খান আহমেদ শুভ এমপি, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের, জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম, সাবেক এমপি আতাউর রহমান খান, সখীপুর পৌরসভার মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু হানিফ আজাদ, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএমএস সিরাজুল হক আলমগীর প্রমুখ।
এছাড়াও বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে এক নারীর অর্ধনগ্ন ছবি ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার প্রতিবাদ করায় বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশি চাঁন মিয়ার বিরুদ্ধে। এই হামলার প্রতিবাদ করতে গিয়ে ওই নারীর মা, ভাই বোনসহ ৪ জন আহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের যমুনার দুর্গম চরাঞ্চলের বেলটিয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
শুক্রবার (২৯ মার্চ) দুপুরে গাবসারা ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম আকন্দ শাপলা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আহতরা হলেন- ওই গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে মো. মকবুল হোসেন (২৫), তার মা মোছা. নূরন্নাহার বেগম (৬০), বোন মোছা. ফাতেমা বেগম (২৪) ও স্ত্রী মোছা. সুমাইয়া বেগম (২৩)।
আহতদের মধ্যে মকবুল হোসেন ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে। অপর আহতরা স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের কাছ থেকে চিকিৎসা নেয়।
হামলার শিকার আহত মকবুল হোসেন বলেন, প্রায় ১ বছর আগে আমার ছোট বোনের অর্ধনগ্ন ছবি প্রতিবেশি চাঁন মিয়া তার ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করে। পরে ছবিটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে জানাজানি হয় এবং বিষয়টি আমরা জেনে স্থানীয় জনপ্রতিধি ও মাতাব্বারদের জানালে তারা মিমাংসার আশ্বাস দিয়েও পরে সমাধান দেয়নি।
তিনি আরও বলেন, এর কিছুদিন পর আমার বোনের নামে ফেক আইডি খুলে চাঁন মিয়া তার নিজের ছবিই ফেসবুকে পোস্ট করে আমার উপর দায় চাপানোর চেষ্টা করে। পরবর্তীতে এনিয়ে বিভিন্ন সময় আমাদের উপর হামলা চালানোর চেষ্টাসহ প্রাণনাশের হুমকি দিতো। এনিয়ে আবারও মাতাব্বরদের জানালে তারা সমাধান না দিয়ে কতিপয় কিছু মাতাব্বর উল্টো আমাদের উপর দোষ চাপায়।
তিনি বলেন, এরই জেরে ইউপি সদস্য খোরশেদ আলমের মদতে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে অভিযুক্ত চাঁন মিয়ার নেতৃত্বে ফিরোজ, সজিব, বাবলু, ফিরোজ (২), সোহেলসহ ১৪ থেকে ১৫ জন লোক বাড়িতে হামলা চালিয়ে আমাকেসহ আমার মা, বোন ও স্ত্রীকে মারধর করে এবং আমার বোনকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ ঘটনায় আমরা মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।
এদিকে, অভিযুক্ত চাঁন মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে ইউপি সদস্য খোরশেদ আলম বলেন, মিমাংসা করার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু তা সম্ভব হয়নি। তাছাড়া মকবুল আমাকে ফাঁসানোর জন্য আপনাদের কাছে আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা অভিযোগ করেছে।
গাবসারা ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম আকন্দ শাপলা জানান, বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের খবরের বিষয়টি জানতাম না। পরে খবর পেয়ে হাসপাতালে আহতদের দেখতে যাই। ভুক্তভোগীরা যাতে আইনি সহায়তা পায় সে ব্যাপারে সহযোগিতা করা হবে বলে জানান তিনি।
এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আহসান উল্লাহ জানান, হামলার ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় খাদিজা আক্তার (২৫) নামের এক নারী প্রাণ হারিয়েছেন।
শুক্রবার (২৯ মার্চ) বিকাল ৪ টায় ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের জোকারচর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত খাদিজা আক্তার উপজেলার দৈবগাতী গ্রামের ইকবাল হোসেনের স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার বিকালে জোকারচর বাসস্ট্যান্ডে সড়ক পারাপার হওয়ার জন্য সড়কের দক্ষিণপাশে দাঁড়িয়ে ছিল খাদিজা। পথিমধ্যে উত্তরবঙ্গগামী বেপরোয়া গতির একটি মোটরসাইকেল ওই নারীকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্বজনরা খবর পেয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৭ টা ১০ মিনিটের দিকে সে মৃত্যুবরণ করেন।
এ ঘটনায় বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. লিটন মিয়া জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। পরে সেখান থেকে দুর্ঘটনা কবলিত মোটরসাইকেল জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এছাড়া নিহতের মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টায় ঢাকা-সখীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের তক্তারচালা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যবসায়ীর নাম সাজিবুল হাসান সুজন (৩৫)। তিনি উপজেলার বড়চওনা গ্রামের আবদুল বাছেদের ছেলে। সে স্থানীয় বড়চওনা বাজারে কাপড়ের ব্যবসা করতেন।
বড়চওনা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মিজানুর রহমান সড়ক দুর্ঘটনায় সুজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সুজনের পরিবার জানায়, সুজন মোটরসাইকেল চালিয়ে ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরছিল। পথে তক্তারচালা এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে মোটরসাইকেল ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই সুজন মারা যান। পরে স্থানীয়রা অ্যাম্বুলেন্সে করে লাশটি সুজনের বাড়ি পৌঁছে দেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, দাঁড়ানো ট্রাকের সঙ্গে দুর্ঘটনা ঘটেছে, তাই পরিবারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়নি।
সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ শাহিনুর রহমান বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে লরি ও কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে আগুন ধরে একজনের নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন।
বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) দিবাগত রাত ৩টার দিকে এলেঙ্গা বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের জোকার চর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের পরিচয় জানা যায়নি।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর আশরাফ জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কনটেইনারবাহী লরি ও উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা কাভার্ডভ্যান ঘটনাস্থলে পৌঁছলে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।এতে দুই গাড়িতেই আগুন ধরে যায়। এতে দুইজন আহত হন।
তিনি আরও জানান, পরে তাদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যু হয়। এ
ঘটনায় আহত অপরজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল ৯৬৬ বোতল নিষিদ্ধ ঘোষিত ভারতীয় ফেন্সিডিলসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৪।
বুধবার (২৭ মার্চ) রাত ৮টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইল সদরের রাবনা বাইপাস এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে র্যাব-১৪, সিপিসি-৩,কোম্পানি কমান্ডার মেজর মনজুর মেহেদী ইসলাম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আটককৃতরা হচ্ছেন- লালমনিরহাটের কালিগঞ্জ উপজেলার সেবকদাস গ্রামের মো. কফুর উদ্দিনের ছেলে মো. দুলু মিয়া(৪০), একই এলাকার দুলাল হোসেনের ছেলে মাইক্রোবাস চালক মো. রিপন ইসলাম(২২), মো. আমিনুল হকের ছেলে মিনাজুল ইসলাম(২১) এবং একই উপজেলার সেবকদাস নিথক গ্রামের মো. আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মো. রহিম বাদশা(২৭)।
র্যাব-১৪, সিপিসি-৩,কোম্পানি কমান্ডার মেজর মনজুর মেহেদী ইসলাম জানান,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাত ৮টার দিকে মহাসড়কের রাবনা বাইপাসে গাড়িতে তল্লাশি চালায় র্যাব-১৪। তল্লাশিকালে রংপুর থেকে ছেড়ে আসা একটি মাইক্রোবাসে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা ৯৬৬ বোতল বিক্রি নিষিদ্ধ ভারতীয় ফেনসিডিল জব্দ ও ৪জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে চারটি মোবাইল সেট, নগদ এক হাজার ৬৫০ টাকা ও ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটি জব্দ করা হয়।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে প্রতিনিয়ত অভিনব কৌশল অবলস্বন করতেন। তারা রংপুর জেলা থেকে আমদানী নিষিদ্ধ অবৈধ ভারতীয় ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে ঢাকা মহানগর সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা ব্যক্তির কাছে বিক্রি করতেন।
তিনি জানান,আটককৃতদের নামে টাঙ্গাইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলে রাতে পলিথিন বোঝাই কাভার্ডভ্যান জব্দ করার পর টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।
সোমবার (২৫ মার্চ) রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু মহাসড়কের সদর উপজেলার তারটিয়া এলাকা থেকে নিষিদ্ধ পলিথিনবাহী কাভার্ড ভ্যান জব্দ করেন সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বেলাল হোসেন। পরে কতিপয় সাংবাদিকদের মাধ্যমে দেনদরবার শেষে মঙ্গলবার দুপুরে জব্দ করা কাভার্ডভ্যানটি ছেড়ে দেওয়া হয়।
পরিবেশের জন্য ভয়াবহ হুমকি নিষিদ্ধ পলিথিন আটকের পর অবৈধ সুবিধা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতারা। আর সচেতন মহলের মধ্যে বইছে সমালোচনার ঝড়। এ কাজে সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে তিন গণমাধ্যম কর্মীর বিরুদ্ধেও। এসআই ট্রাক জব্দের বিষয়টি স্বীকার করলেও অন্য সকল অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থানা পুলিশের সদস্যরা জানান, সোমবার দিবারগত রাতে মধুপুর ট্রান্সপোর্টের নামের নিষিদ্ধ পলিথিনবাহী কাভার্ডভ্যান ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের তারটিয়া এলাকায় পৌঁছলে টাঙ্গাইল সদর থানার এসআই মো. বেল্লাল হোসেনের টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই কাভার্ডভ্যানটি আটক করে। পরে কাভার্ড ভ্যানে নিষিদ্ধ পলিথিন থাকায় তা জব্দ করে ভোর রাতেই থানায় নিয়ে আসে। এরপর থেকেই শুরু হয় তদবির। এ কাজে যোগ দেন দুই মিশ্র টেলিভিশনের প্রতিনিধিসহ তিন গণমাধ্যমকর্মী।তিনি জানান, শহরের ছয়আনী বাজারের আনোয়ার হোসেন পলিথিন ব্যবসায়ী এবং কালিহাতীর দুই সংবাদকর্মী ও টাঙ্গাইলের এক গণমাধ্যমকর্মী নিষিদ্ধ পলিথিনবাহী কাভার্ড ভ্যানটির মালামালসহ ছাড়িয়ে নিতে ভোর রাতেই থানায় উপস্থিত হন। পরে দেনদরবার শেষে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে তা মালামালসহ মঙ্গলবার দুপুরে ছাড়িয়ে নিতে সক্ষম হন।জানা গেছে, এ ঘটনায় পুলিশ ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা নেয়। বাকি ১ লাখ ২০ হাজার টাকার মধ্যে জেলার এক মিশ্র টেলিভিশনের গণমাধ্যমকর্মী ঢাকার অফিসের টিমের কথা বলে ৮০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। অন্য দুইজন পেয়েছে বাকী টাকা। টাকার এই অসম ভাগাভাগি নিয়েও মনোমালিন্য হয় তাদের মধ্যে।
এদিকে ট্রাকটি ছাড়িয়ে নেওয়ার পর থানা পুলিশের ভেতর থেকেই ঘটনাটি জানাজানি হয় সর্বত্র। জানাজানির পর বইতে থাকে ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড়।
পরিবেশবাদী সংগঠন বেলার সাবেক কর্মকর্তা ও পরিবেশ কর্মী সোমনাথ লাহিড়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পরিবেশের জন্য মরণঘাতী এ পলিথিন উচ্চ আদালতে উৎপাদন, পরিবহন ও বাজারজাত করণ এবং ব্যবহারে নিষিদ্ধ পণ্য। নিষিদ্ধ পণ্য জব্দের পর তা ধ্বংস না করে ছেড়ে দেয়া অতীব গর্হিত কাজ। এ কাজের মাধ্যমে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা চরমভাবে অবজ্ঞা করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানাই।
এ বিষয়ে মধুপুর ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির ম্যানেজার মো. কায়ছার বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। তবে আমাদের গাড়িতে এ ধরনের মালামাল বহন করা হয় না।
তিনজন গণমাধ্যম কর্মীর একজন বলেন, ভোর রাতে এক গণমাধ্যমকর্মীর সাথে প্রাইভেটকারযোগে মহাসড়কে চা খেতে গিয়েছিলাম। তখন ট্রাক জব্দের কথা জানতে পেরে এসআই বেলালকে অবহিত করলে তিনি অস্বীকার করেন। যে তিন লাখ টাকা লেনদেনের কথা হচ্ছে, আমি এ বিষয়সহ কোন কিছুই জানি না।
সদর থানার উপপরির্দশ (এসআই) মো. বেল্লাল হোসেন জানান, পলিথিনের ট্রাকটি আটক করে থানায় নিয়ে এসেছি। পরে আর কিছু জানি না। সব জানে ওসি স্যার। ওসির সাথে আপনারা কথা বলেন। এটা নিয়ে খুবই প্যারায় আছি।
সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. লোকমান হোসেন জানান, এধরণের কোন ট্রাক আটক বা জব্দ করা হয়নি। তবে রাতে মাটিবাহী একটি ট্রাক আটক করা হয়েছিল। থানায় চর্তুদিকে সিসি ক্যামেরা লাগানো আছে। থানায় আনার পর সেই ট্রাক ছাড়ার সুযোগ নেই। হয়ত ভুলভাবে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দীন জানান, সুর্নিদিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের অবৈতনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফ্রেন্ডশিপ স্কুলে ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশের আয়োজনে শিশুদের সুন্দর হাতের লেখা, চিত্রাঙ্কন ও কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শিশুদের চেতনায় স্বাধীনতা” এই প্রতিপাদ্য নিয়ে ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ (ভিবিডি) টাঙ্গাইল জেলা শাখা এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
এ ইভেন্টটি টাঙ্গাইল জেলা সদর হাউজিং ব্রিজ সংলগ্ন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের অবৈতনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফ্রেন্ডশিপ স্কুলে অনুষ্ঠিত হয়।
এতে সুবিধাবঞ্চিত ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে সুন্দর হাতের লেখা, চিত্রাঙ্কন ও কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটি টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি সাংবাদিক মো. রাশেদ খান মেনন (রাসেল), ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ (ভিবিডি) টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি এস. এম. সালমান, সংগঠনের ভলান্টিয়ারগণ, শিক্ষক মন্ডলী’সহ স্কুলের শিক্ষার্থীগণ।
অনুষ্ঠানটি বুধবার (২৭ মার্চ) সকাল ১০ টায় শুরু হয়। এরপর প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।
আয়োজকগণ জানান, শিশুদের স্বাধীনতার চেতনায় উদ্ভূদ্ধ করতে ও শিশুমনের সৃজনশীলতাকে ফুটিয়ে তুলতে এ ধরনের আয়োজন কার্যকরী বলে আমরা আশাবাদী। আমাদের এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ ৩১ বার তোপধ্বনি, পুষ্পস্তবক অর্পন, শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংঙ্গীত পরিবেশনসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
২৬ মার্চ (মঙ্গলবার) সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে শহিদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভ চত্বরে ৩১ বার তোপধ্বনি ও শহিদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
রাষ্ট্রের পক্ষে প্রথমে শহিদদের ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম। এরপর জেলা পুলিশের পক্ষে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, জেলা পরিষদের পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার ফরহাদ আহমেদ, পৌরসভার পক্ষে মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষে সিভিল সার্জন ডা. মো. মিনহাজ উদ্দিন মিয়া, উপজেলা পরিষদের পক্ষে চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের পক্ষে এডভোকেট জাফর আহমেদসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো হয়।
এরপর শহরের শহিদ স্মৃতি পৌরউদ্যানে পুষ্পস্তবক অর্পন ও শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। সকাল সাড়ে ৮ টায় টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে সমাবেশ, আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংঙ্গীত পরিবেশিত হয়। এছাড়াও বাংলাদেশ পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং বিএনসিসি সমন্বয়ে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল ১০ টায় শহিদ স্মৃতি পৌরউদ্যানে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. ছানোয়ার হোসেন, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার জহিরুল হক ডিপটি, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমুখ।
এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান বিন মোহাম্মদ আলী।
দিবসটি উপলক্ষে বাদ যোহর ও সুবিধাজনক সময়ে জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে মোনাজাত ও প্রার্থনা করা হয়। এছাড়া হাসপাতাল, জেলখানা, সরকারি শিশু পরিবার, ভবঘুরে প্রতিষ্ঠান ও শিশু দিবা যত্ম কেন্দ্র সমূহে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের মির্জাপুরে ছিনতাইকালে দুই কনস্টেবলকে গ্রেপ্তারের পর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সকালে তাদের আদালতে পাঠালে বিচারক দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) বিকেলে মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এরআগে সোমবার রাত পৌনে ১০টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের উপজেলার ধেরুয়া এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় ওই রাতেই তাদের দুজনকেই সাময়িক বহিষ্কার করে মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান।
গ্রেপ্তারকৃত দুই পুলিশ কনস্টেবল হলেন, সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার কোদালিয়ার ময়নাল হকের ছেলে মো. মোহসীন মিয়া এবং টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার মিরিকপুর গ্রামের কৈলা রাজবংশীর ছেলে রিপন রাজবংশী। এই দুই কনস্টেবল মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর থানায় কর্মরত আছেন। ইতোমধ্যে তাদেরকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মহাসড়কের উপজেলার ধেরুয়া ফ্লাইওভার ব্রিজের দক্ষিণ পাশে একটি পিকআপকে থামার সিগন্যাল দেয় তারা। এ সময় চালক ও হেলপারকে গাড়ি থেকে নামিয়ে পাশেই দেওহাটা পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে গিয়ে মামলার ভয় দেখিয়ে ১১ হাজার ৫৫০ টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে চালক ও হেল্পারদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে গিয়ে ওই দুই পুলিশ সদস্যদের ধরে ফেলে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩০ হাজার ২১০ টাকা, একটি মোটরসাইকেল, একটি হ্যান্ডকাফ, পুলিশের পোশাক ও বেল্ট উদ্ধার করা হয়।
ওই রাতেই মধুপুর উপজেলার পিকআপ চালক রানা বাদী হয়ে ওই দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান, এই ঘটনায় পিকআপ চালক বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। তাদেরকে আদালতে পাঠানোর পর দুই দিনের রিমান্ডে আনা হয়েছে।