একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে গভীর রাতে সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে মাকে বেঁধে রেখে ছিনতাই করা শিশু জুনায়েদকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) ভোরে দেলদুয়ার উপজেলার জাঙ্গালিয়া গ্রাম থেকে পুলিশ বুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ও সখীপুর থানার পুলিশ যৌথ অভিযানে শিশুটিকে উদ্ধার করে। পিবিআই টাঙ্গাইলের এসআই মেহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শিশুটি বর্তমানে পিবিআই টাঙ্গাইলের হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এসআই মেহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন খান বলেন, সখীপুর থানা পুলিশ ও পিবিআই যৌথ উদ্যোগে সোমবার (৫ এপ্রিল) রাত ১০টা থেকে অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) ভোরে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। শিশুকে বিক্রি করার জন্য তারা জাঙ্গালিয়া গ্রামে নিয়ে রেখেছিলো। বিক্রির আগেই উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। শিশুটিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় কালিহাতীর হাবলা গ্রামের পরান ডাকাত ও তার স্ত্রীসহ তিন জনকে আটক করা হয়েছে।
প্রকাশ, গত বুধবার (৩১ মার্চ) দিবাগত রাত ৩টার দিকে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার শোলাপ্রতিমা এলাকার ট্রাকচালক আছর উদ্দিনের ঘরে সিঁধ কেটে ঢুকে দুর্বৃত্তরা তার স্ত্রী কল্পনা আক্তারের মুখ বেঁধে আড়াই মাসের শিশু জোনায়েদকে ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) শিশুর মা কল্পনা আক্তার বাদি হয়ে সখীপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে মহাসড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং ফুটপাত দখল মুক্ত করতে অভিযান পরিচালনা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত।
মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার অঞ্জন কুমার সরকার এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন।
টাঙ্গাইল ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে অবস্থিত উপজেলা সদরের কলেজ মোড়, বাজার রোড,পুড়াতন বাসস্ট্যান্ড থেকে থানা পর্যন্ত সড়কের পাশে স্থাপিত বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।এসময় ফুটপাতে থাকা সাইনবোর্ড, বিলবোর্ড,চায়ের দোকান, ফলের দোকান গুড়িয়ে দেন গ্রাম্য পুলিশের সদস্যরা।
অভিযানের সহযোগীতা করেন ঘাটাইল থানা পুলিশের এস এসই মতিউর রহমান ও প্রায় ৪০ জন গ্রাম্য পুলিশের সদস্যরা। এ সময় ফুটপাতে বালু রেখে পথচারী চলাচলে বিঘ্ন ঘটানোর দায়ে এক নির্মাণাধীন ভবন মালিককে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রট ও ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার অঞ্জন কুমার সরকার জানায়, দির্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন ব্যবসায়ী পৌরসভার সরকারী জায়গা দখল করে দোকান পাট পরিচালনা করে আসছে। তাদেরকে মাইকে ঘোষনা দিয়ে জায়গা খালি করে দিতে বলা হলে কোন কর্ণপাত করেনি বলে এ অভিযান পরিচালনা করা হলো। তিনি আরো বলেন,এ অভিযান আরো জোরদার হবে এবং অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে ভাসানী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি স্মরণ করলো পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক মওলানা ভাসানীর সন্তোষের বসতবাড়ি, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নির্মিত ও নির্মানাধীন গৃহাদী ও দরবার হল পুড়িয়ে দেয়া দিন। এ উপলক্ষে রবিবারস (৪ এপ্রিল) বিকাল ৫ টায় টাঙ্গাইলের সন্তোষে ঐতিহাসিক দরবার হলে একটি পাঠচক্রের আয়োজন করা হয়।
এতে সভাপতিত্ব এবং বিভিষিকাময় সেই দিনের ঘটনাপ্রবাহ বর্ণনা করেন মোহাম্মদ হোসেন। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আজাদ খান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ভাসানী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব আজাদ খান ভাসানী। আরো উপস্থিত ছিলেন প্রগতিশীল বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
দিবসটি স্মরণে ভাসানী পরিষদ উপদেষ্টা মোহাম্মদ হোসেন শুরুতেই মওলানা ভাসানীর সেই সময়কার বসত-ভিটা চিহ্নিত করেন এবং উপস্থিত সকলে তা সংরক্ষণের জন্য জোর দাবি জানান।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত্রি দ্বিপ্রহরে পাকিস্তানি হানাদাররা সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর। আক্রমণ করে আধাসামরিক বাহিনীর দপ্তর পিলখানা, পুলিশ সদর দপ্তর রাজারবাগ আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে। এর মধ্যদিয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা আসে আর ২৬ মার্চ শুরু হয় প্রতিরোধ ও স্বাধীনতা যুদ্ধ। এই যুদ্ধে ইয়াহিয়া-টিক্কা বাহিনীর একটি প্রধান আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু ছিল টাঙ্গাইল, বিশেষত সন্তোষ। ৩ এপ্রিল তারা টাঙ্গাইলে এবং ৪ এপ্রিল মওলানা ভাসানীর খোঁজে সন্তোষে প্রবেশ করে। সেখানে তাঁকে না পেয়ে তারা তাঁর বসতবাড়ি এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নির্মিত ও নির্মানাধীন গৃহাদীতে আগুন ধরিয়ে দেয়। মুহুর্তেই ছাঁই হয়ে যায় তাঁর স্বপ্নের ক্যাম্পাস, বসতবাড়ি। পুড়ে যায় স¤্রাট আওরঙ্গজেবের হাতে লিখা কোরআন শরীফসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ দলিল-দস্তাবেজ। এরপর তারা পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় তাঁর প্রিয় সন্তোষ দরবার হলে। কিন্তু অলৌকিকভাবে কিছুক্ষণের মধ্যে তা নিভে যায়। অতপরঃ সন্তোষে ভাসানীকে না পেয়ে ৬ এপ্রিল রোজ মঙ্গলবার বর্বর হানাদাররা মাইল দু’য়েক পশ্চিমে বিন্যাফৈর গ্রামে প্রবেশ করে। হানাদাররা গ্রামটিকে চতুর্দিক থেকে ঘিরে ফেলে এলোপাথাড়ি গোলাগুলি শুরু করলে গ্রামবাসী দিক-বিদিক ছুটে পালাচ্ছিল। মওলানা ভাসানী হানাদার বাহিনীর বিন্যাফৈর উপস্থিতিতে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে প্রথমে বাড়ির উত্তর দিকের পুকুর পাড়ে অবস্থান নেন এবং পরবর্তীতে গান-পয়েন্টে এগিয়ে আসা হানাদারদের পাশ দিয়েই চাঁদর মুড়ি দিয়ে হাটুরে জনতার সাথে মিশে পশ্চিম দিকে চলে যান। এক সময়ে স্ট্রেচার বুলেট দিয়ে দূর থেকেই আগুন ধরিয়ে দেয়া হয় তাঁর এই বাড়িতে। এতটুকু ঘটাতে সাকুল্যে পাঁচ মিনিটের মতো লেগেছিল; কিন্তু কার্যত একটা একতরফা যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। মওলানা ভাসানী আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং প্রত্যুৎপন্নমতিত্বে ছদ্মবেশে তা মোকাবেলা করে যমুনার চরের দিকে চলে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে সিরাজগঞ্জ হয়ে নৌকাযোগে ধলেশ্বরী-যমুনা হয়ে রৌমারীর নামাজের চর সীমান্ত দিয়ে তিনি ১৫-১৬ এপ্রিল ভারতে প্রবেশ করেন।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত লকডাউনে স্বাস্থ্য বিধি মান হচ্ছে না কোন ধরনের খুচরা ও পাইকারী বাজার গুলোতে। প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের পরিদর্শন ও তৎপরতা চলাকালে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার চেষ্টা করা হয়। তারা চলে গেলেই মানা হচ্ছে না কোন স্বাস্থ্য বিধি। স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার বিষয়ে বাজার কমিটির দৃশ্যমান কোন ধরনের তৎপরতা চোখে পড়েনি। তবে ব্যতিক্রম দৃশ্য দেখা যায় টাঙ্গাইল নতুন বাস টার্মিনালে। টাঙ্গাইল বাসটার্মিনাল থেকে দূরপাল্লার কোন গাড়ি ছেড়ে যায়নি ও কোন গাড়ি শহরে প্রবেশও করেনি। মহাসড়কেও দূরপাল্লার কোন যানবাহন চলতে দেখা যায়নি।
সোমবার(৫ এপ্রিল) সরেজমিনে টাঙ্গাইল শহরের পাইকারী বাজার পার্ক বাজার, বটতলা, সাবালিয়া, আমিন বাজার, ছয়আনি বাজার,সদর উপজেলার করটিয়া সহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা প্রতিদিনের ন্যায় দোকান খুলে মালামাল কেনাবেঁচা করছে। কাঁচা বাজার ছাড়াও অন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। এই বাজার গুলোতে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার জন্য কোন ধরনের তৎপরতা কিম্বা বিধি নিষেধ মানছেনা ব্যবসায়ী ও ক্রেতাগণ।
ব্যবসায়ীরা জানায়, সামনে বৈশাখের পর পরই পবিত্র রমজান- এ সময়ে দোকানপাট বন্ধ রাখলে ব্যক্তি ও পারিবারিক জীবনে তার ভয়াবহ প্রভাব পড়বে। এছাড়া অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে ব্যবসা-বাণিজ্যের বিকল্প নেই। প্রশাসনের পক্ষ থেকে লকডাউন স্বাস্থ্য বিধি বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করায় তারা ওই সময় দোকানপাট বন্ধ রাখলেও পর মুহূর্তেই খুলছেন।সবজির বাজার খোলা জায়গায় নেওয়ার নিদের্শনা থাকলেও বাজার কমিটি তা বাস্তাবয়ন করিনি। ব্যবসায়ীদের দাবী, নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিয়ে দোকানপাট বন্ধ রাখার ঘোষণা দিতে হবে।
ক্রেতারা জানায়, নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতেই তারা বাজারে এসেছেন। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে তারা মাস্ক ব্যবহার ও দূরত্ব বজায় রেখে কেনাকাটা করার চেষ্টা করছেন। তবে অধিক সংখ্যাক ক্রেতার কারনে স্বাস্থ্য বিধি মেনে কেনা-কাটা করা যাচ্ছে না।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি জানান, সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সরকার লকডাউন ঘোষণা করেছে। সাধারণ মানুষের সাময়িক অসুবিধা হলেও তা জীবনের চেয়ে বড় নয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলায় লকডাউন বাস্তবায়নে নানা উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। এছাড়া সর্বসাধারণকে তিনি সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলার আহ্বান জানান।
এদিকে টাঙ্গাইলের পার্ক বাজারে লকডাউনের প্রথম দিনে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা রেখে বেঁচাকেনা করার দায়ে চার ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ডেপুটি নেজারত কালেক্টর(এনডিসি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে সোমবার সকাল ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ওই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার হোসেন জানান, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে শহরের পার্ক বাজারে হোটেলে বসে খাবার খাওয়ার অভিযোগে তিন ব্যবসায়ীকে আড়াই হাজার টাকা ও পেঁয়াজের দাম বেশি রাখায় এক ব্যবসায়ীকে এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া সকলকে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতসহ সরকারি নির্দেশনা মানার জন্য তাগিদ ও মাইকিং করা হয়।
লকডাউন বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান। এ সময় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ চট্টগ্রাম নগরের বন্দর থানা এলাকায় মটর সাইকেল দুর্ঘটনায় মিনহাজুল ইসলাম (৪৩) নামে এক ডিজিএফআই কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।রবিবার (৪ এপ্রিল)দুপুরে নৌবাহিনী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।নিহত মিনহাজুল ইসলাম নৌবাহিনী কর্মরত ও ডিজিএফআই চট্টগ্রাম কার্যালয়ের বন্দর ডেস্কে চীফ পেটি অফিসার ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলায় বলে জানা গেছে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন ।
বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন বলেন,” দুপূর একটার দিকে মোটরসাইকেলযোগে পতেঙ্গা থেকে বন্দরে আসার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দিকে গুরুতর আহত হন মিনহাজ। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নৌবাহিনী হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ( বিসিবি) আয়োজিত বয়স ভিত্তিক ক্রিকেটের ২০২১ মৌসুমের প্রথম আসরের ট্রফি ঘরে তুললো টাঙ্গাইল জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ ক্রিকেট দল। বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) কিশোরগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে ইয়ং টাইগার্স অনুর্দ্ধ-১৮ জাতীয় ক্রিকেটের( ঢাকা বিভাগ উত্তর) ফাইনাল ম্যাচে টাঙ্গাইল জেলা দল শক্তিশালী ময়মনসিংহ জেলা দলকে অনায়াসে ২০ রানের ব্যবধানে পরাজিত করে এই গৌরব অর্জন করে।
যে সব তরুন ক্রিকেটারদের সাফল্যের জন্য টাঙ্গাইল জেলার এই গৌরব অর্জন তারা হলোঃ টাঙ্গাইল জেলার অধিনায়ক ও তরুন লেগস্পিনার ইমতিয়াজ আহমেদ, সহ-অধিনায়ক বাহাতি ওপেনার খন্দকার তাসিন মাহতাব, উইকেট কিপার গাজী আল বিন হাসান মুগ্ধ, , অলরাউন্ডার মাইন উদ্দিন, দিব্য কর্মকার, মিডিয়াম ফাস্ট বোলার তারেক মিঞা , ফেরদৌস হাসান লিমন, সুমন মিঞা, মাহির আশহাব , সাজ্জাদ হোসেন এবং পেসার সাদিদ দিপ।
এদিকে দিনের শুরুতে টসে হেরে যায় টাঙ্গাইল জেলা দল। টসে জয়ী ময়মনসিংহ জেলা দলের অধিনায়ক সামিউল ইসলাম সামি টাঙ্গাইলকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রন জানায়। আমন্ত্রন গ্রহন করে টাঙ্গাইল জেলা দল নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৭৩ রান করে।
অলরাউন্ডার মাইন হোসেন দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬০ রান করে। এছাড়া ওপেনার তাসিন মাহতাব ২৮ ও সুমন মিঞা ২৩ রান করে।বোলিংয়ে ময়মনসিংহ জেলা দলের অফ স্পিনার সাকিন ৪৩ রানে ৩টি উইকেট দখল করে।
১৭৪ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ময়মনসিংহ জেলা দল ৪৯ ওভারে সব ক’টি উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রান করে ।ফলে ম্যাচে টাঙ্গাইল জেলা দল তাদের চির প্রতিদ্বন্দী ময়মনসিংহ জেলা দলকে ২০ রানের ব্যবধানে হারিয়ে তাদের কাঙ্খিত বিজয় অর্জন করে। ব্যাটিংয়ে ময়মনসিংহ দলের মাহিন আহমেদ সর্বোচ্চ ৩১ রান করে।
বোলিংয়ে টাঙ্গাইল জেলা দলের অধিনায়ক ইমতিয়াজ ৩টি, লিমন ও তাসিন ২টি করে উইকেট দখল করে।
ফাইনাল খেলায় টাঙ্গাইল জেলা দলের মাইন হোসেন ৬০ রান ও ২৫ রানে ১টি উইকেট দখল করায় ম্যান অব দ্যা ফাইনাল নির্বাচিত হয়।
টাঙ্গাইল জেলা দলের সঙ্গে কোচ হিসেবে ছিলেন বিসিবি নিয়োজিত টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ মোঃ আরাফাত রহমান ও অফিসিয়াল হিসেবে ছিলেন মোঃ সামছুল হক।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে সিঁধ কেটে জুনায়েদ নামের এক দুই মাসের শিশু চুরি হয়েছে। উপজেলার শোলাপ্রতিমা গ্রামে বুধবার (৩১মার্চ) গভীর রাতে এ মর্মান্তিক চুরির ঘটনা ঘটে।জুনায়েদ ওই গ্রামের ট্রাক চালক আছির উদ্দিনের ছেলে । এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
শিশুর মা কল্পনা আক্তার জানান, স্বামীর ট্রাক চালাতে যাওয়ায় বুধবার রাতে তিনি ওই শিশুকে নিয়ে একাই ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত আনুমানিক তিনটার দিকে দুইজন চোর সিঁধ কেটে তার ঘরে ঢুকে। সে হঠাৎ জেগে ওঠায় একজন চোর তার মুখ চেপে ধরে, মুখে গামছা বাধে। আরেকজন চোর শিশুকে কোল থেকে ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। চোররা পালিয়ে গেলে আমার ডাকাডাকিতে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে সাইদুল হক ভূঁইয়া বলেন, এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ নেওয়া হয়েছে। চুরি যাওয়া শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ মাদক হিরোইন সহ তাসলিমা বেগম নামে এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র্যাব-১২।
বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) দূপুরে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। সে গোড়াই এর মঈন নগর এলাকার রাজু আহমেদের স্ত্রী। তার বিরুদ্ধে মির্জাপুর থানায় আরো ৫টি মাদকের মামলা রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে র্যাব-১২ সিপিসি ৩ নং ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. এরশাদুর রহমান জানান, অভিযান চালিয়ে ছয় গ্রাম হিরোইন সহ ওই নারীকে আটক করা হয়। পরে মির্জাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে তাসলিমা বেগমকে মির্জাপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ নরসিংদী জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ ক্রিকেট দলকে ৭ উইকেটে পরাজিত করে ইয়ং টাইগার্স অনুর্দ্ধ-১৮ ঢাকা বিভাগ (উত্তর) ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় ফাইনালে উঠেছে টাঙ্গাইল জেলা দল।
বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) প্রতিযোগিতা ফাইনালে মুখোমুখি হবে ময়মনসিংহ জেলা দল ও টাঙ্গাইল জেলা দল।
বুুধবার(৩১ মার্চ) সকালে কিশোরগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে ২য় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয় টাঙ্গাইল জেলা দল ও নরসিংদী জেলা দল।
খেলার শুরুতে টস জয়ী নরসিংদী ব্যাট করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। কিন্তু টাঙ্গাইল জেলা দলের পেস ও স্পিন বোলিংয়ের তান্ডবে ৩৮ ওভার ৫ বলে সব ক’টি উইকেটে হারিয়ে নরসিংদী জেলা মাত্র ৮৯ রান করে।
দলের পক্ষে ব্যটসম্যান শামীম সর্বোচ্চ ২৫ রান করেন। এছাড়া চঞ্চল ১৪ ও দিপু ১১ রান করেন।
বোলিংয়ে টাঙ্গাইল জেলা দলের পেসার তারেক ১১ রানে ৩টি উইকেট দখল করে। এছাড়া অধিনায়ক স্পিনার ইমতিয়াজ, লিমন ও দিব্য সরকার যথাক্রমে ১৮,১১ ও ১৯ রানের বিনিময়ে ২টি করে উইকেট দখল করে।
৮৯ রানের লক্ষে ব্যাট করতে নেমে টাঙ্গাইল জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ দল ২৫ ওভার ১ বলে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে ৯১ রান করে ফাইনাল নিশ্চিত করে।
টাঙ্গাইল জেলা দলের বাহাতি ওপেনার তাসিন মাহতাব সর্বোচ্চ ৫১ বলে ২৯ রান করেন। এছাড়া টাঙ্গাইল দলের উইকেট রক্ষক গাজী আল বিন হাসান মুগ্ধ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২০ রান করেন।
বোলিংয়ে বিজিত নরসিংদী জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ দলের দিপু ৩২ রানে ২টি উইকেট দখল করে।
স্কোরঃ নরসিংদী ৩০.৫ ওভার ৮৯/১০,
ব্যাটিংঃ আবিদ ৯, জয় ৭, সালাউদ্দিন ০, নিহার ০, বাদশা ০, শামীম ২৫, আকরাম ৬, চঞ্চল ১৪, দিপু ১১, শফিক ৩, মাহিম ০, বোলিংঃ তারিক ৭-১-১১-৩, লিমন ৮-১-১৯-২,তাছিন ৪-১-৮-০, ইমতিয়াজ ৭-২-১৮-২, দিব্য সরকার ২.৫-০-৩-২, মাইন ৩-০-১২-০ ও সুমন ২-২-১২-০ টাঙ্গাইল ২৫.১ ওভার ৯১/৩ ব্যাটিংঃ গাজী আল বিন হাসান মুগ্ধ ২০, তাসিন ২৯, মাহির ০, দিব্য ৮(অপঃ) ও লিমন (অপঃ)
আম্পায়ারঃ বিশ্বজিৎ রায় সুমন ও মোঃ সাজ্জাদ হোসেন।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে ৫০০ পিস ইয়াবা সহ মোজাম্মেল (২৯) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১২, সিপিসি-৩ এর একটি দল। বুধবার (৩১ মার্চ) সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহসড়কের রাবনা বাইপাস এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আটককৃত মোজাম্মেল কুড়িগ্রাম জেলার পূর্ব পাখিউড়া গ্রামের জব্বার শেখের ছেলে।
র্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার মোঃ এরশাদুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের একটি দল জেলার সদর উপজেলার রাবনা বাইপাস এলাকার হামিদ সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সামনে অভিযান চালায়। এ সময় মাদক ব্যবসায়ী মোজাম্মেলের কাছ থেকে ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরো জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোজাম্মেল স্বীকার করেছে যে, সে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা অবৈধভাবে সংগ্রহ পূর্বক টাঙ্গাইল জেলার সদর থানাসহ অন্যান্য এলাকায় বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সরবরাহ করে আসছে।
মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন মাদকসেবীদের নিকট তাদের চাহিদা অনুযায়ী মাদক দ্রব্য ইয়াবা সরবরাহ এবং যুবকদের মাদক সেবনে উদ্বুদ্ধ করে। আসামীর বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬ (১) এর ১০ (ক) ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে পুকুর খনন করতে গিয়ে একটি পরিত্যক্ত গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (২৯ মার্চ) দুপুরে উপজেলার পাহাড়ী অঞ্চল সংগ্রামপুর ইউনিয়নের দক্ষিন কাউটে নগর গ্রামের একটি পুকুর থেকে পরিত্যক্ত এই গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়। এ সময় উৎসুক গ্রামবাসী গ্রেনেডটি একনজর দেখার জন্য পুকুরের চারিদিকে ভিড় জমায়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, কাউটে নগড় গ্রামের আবুল বিএসসি নামের এক শিক্ষকের পুরাতন একটি পুকুর খনন করেন।পুকুরের মাটি স্থানীয় কবির নামে এক লোক কিনে দোকান ভরাট করার সময় কোদালের মাথায় গ্রেনেডটি উঠে আসে।
বিষয়টি ঘাটাইল থানা পুলিশকে জানালে পরিত্যক্ত গ্রেনেডটি উদ্ধার করে ঘাটাইল থানায় নিয়ে আসে।
এ বিষয়ে সংগ্রামপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম মিয়া পুকুরে গ্রেনেড উদ্ধারের সত্যতা স্বীকার করে মুঠোফোনে জানান, খুব সম্ভবত স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যুদ্ধ শেষে গ্রেনেডটি পুকুরে ফেলেছে।
এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার উপরিদর্শক (এসআই) মতিউর রহমান বলেন, আমরা গ্রেনেডটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছি। ঢাকা থেকে বিশেজ্ঞ টিম এসে এটা নিয়ে যাবে।