একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে সিঁধ কেটে জুনায়েদ নামের এক দুই মাসের শিশু চুরি হয়েছে। উপজেলার শোলাপ্রতিমা গ্রামে বুধবার (৩১মার্চ) গভীর রাতে এ মর্মান্তিক চুরির ঘটনা ঘটে।জুনায়েদ ওই গ্রামের ট্রাক চালক আছির উদ্দিনের ছেলে । এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
শিশুর মা কল্পনা আক্তার জানান, স্বামীর ট্রাক চালাতে যাওয়ায় বুধবার রাতে তিনি ওই শিশুকে নিয়ে একাই ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত আনুমানিক তিনটার দিকে দুইজন চোর সিঁধ কেটে তার ঘরে ঢুকে। সে হঠাৎ জেগে ওঠায় একজন চোর তার মুখ চেপে ধরে, মুখে গামছা বাধে। আরেকজন চোর শিশুকে কোল থেকে ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। চোররা পালিয়ে গেলে আমার ডাকাডাকিতে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে সাইদুল হক ভূঁইয়া বলেন, এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ নেওয়া হয়েছে। চুরি যাওয়া শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ মাদক হিরোইন সহ তাসলিমা বেগম নামে এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র্যাব-১২।
বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) দূপুরে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। সে গোড়াই এর মঈন নগর এলাকার রাজু আহমেদের স্ত্রী। তার বিরুদ্ধে মির্জাপুর থানায় আরো ৫টি মাদকের মামলা রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে র্যাব-১২ সিপিসি ৩ নং ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. এরশাদুর রহমান জানান, অভিযান চালিয়ে ছয় গ্রাম হিরোইন সহ ওই নারীকে আটক করা হয়। পরে মির্জাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে তাসলিমা বেগমকে মির্জাপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ নরসিংদী জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ ক্রিকেট দলকে ৭ উইকেটে পরাজিত করে ইয়ং টাইগার্স অনুর্দ্ধ-১৮ ঢাকা বিভাগ (উত্তর) ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় ফাইনালে উঠেছে টাঙ্গাইল জেলা দল।
বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) প্রতিযোগিতা ফাইনালে মুখোমুখি হবে ময়মনসিংহ জেলা দল ও টাঙ্গাইল জেলা দল।
বুুধবার(৩১ মার্চ) সকালে কিশোরগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে ২য় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয় টাঙ্গাইল জেলা দল ও নরসিংদী জেলা দল।
খেলার শুরুতে টস জয়ী নরসিংদী ব্যাট করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। কিন্তু টাঙ্গাইল জেলা দলের পেস ও স্পিন বোলিংয়ের তান্ডবে ৩৮ ওভার ৫ বলে সব ক’টি উইকেটে হারিয়ে নরসিংদী জেলা মাত্র ৮৯ রান করে।
দলের পক্ষে ব্যটসম্যান শামীম সর্বোচ্চ ২৫ রান করেন। এছাড়া চঞ্চল ১৪ ও দিপু ১১ রান করেন।
বোলিংয়ে টাঙ্গাইল জেলা দলের পেসার তারেক ১১ রানে ৩টি উইকেট দখল করে। এছাড়া অধিনায়ক স্পিনার ইমতিয়াজ, লিমন ও দিব্য সরকার যথাক্রমে ১৮,১১ ও ১৯ রানের বিনিময়ে ২টি করে উইকেট দখল করে।
৮৯ রানের লক্ষে ব্যাট করতে নেমে টাঙ্গাইল জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ দল ২৫ ওভার ১ বলে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে ৯১ রান করে ফাইনাল নিশ্চিত করে।
টাঙ্গাইল জেলা দলের বাহাতি ওপেনার তাসিন মাহতাব সর্বোচ্চ ৫১ বলে ২৯ রান করেন। এছাড়া টাঙ্গাইল দলের উইকেট রক্ষক গাজী আল বিন হাসান মুগ্ধ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২০ রান করেন।
বোলিংয়ে বিজিত নরসিংদী জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ দলের দিপু ৩২ রানে ২টি উইকেট দখল করে।
স্কোরঃ নরসিংদী ৩০.৫ ওভার ৮৯/১০,
ব্যাটিংঃ আবিদ ৯, জয় ৭, সালাউদ্দিন ০, নিহার ০, বাদশা ০, শামীম ২৫, আকরাম ৬, চঞ্চল ১৪, দিপু ১১, শফিক ৩, মাহিম ০, বোলিংঃ তারিক ৭-১-১১-৩, লিমন ৮-১-১৯-২,তাছিন ৪-১-৮-০, ইমতিয়াজ ৭-২-১৮-২, দিব্য সরকার ২.৫-০-৩-২, মাইন ৩-০-১২-০ ও সুমন ২-২-১২-০ টাঙ্গাইল ২৫.১ ওভার ৯১/৩ ব্যাটিংঃ গাজী আল বিন হাসান মুগ্ধ ২০, তাসিন ২৯, মাহির ০, দিব্য ৮(অপঃ) ও লিমন (অপঃ)
আম্পায়ারঃ বিশ্বজিৎ রায় সুমন ও মোঃ সাজ্জাদ হোসেন।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে ৫০০ পিস ইয়াবা সহ মোজাম্মেল (২৯) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১২, সিপিসি-৩ এর একটি দল। বুধবার (৩১ মার্চ) সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহসড়কের রাবনা বাইপাস এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আটককৃত মোজাম্মেল কুড়িগ্রাম জেলার পূর্ব পাখিউড়া গ্রামের জব্বার শেখের ছেলে।
র্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার মোঃ এরশাদুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের একটি দল জেলার সদর উপজেলার রাবনা বাইপাস এলাকার হামিদ সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সামনে অভিযান চালায়। এ সময় মাদক ব্যবসায়ী মোজাম্মেলের কাছ থেকে ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরো জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোজাম্মেল স্বীকার করেছে যে, সে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা অবৈধভাবে সংগ্রহ পূর্বক টাঙ্গাইল জেলার সদর থানাসহ অন্যান্য এলাকায় বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সরবরাহ করে আসছে।
মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন মাদকসেবীদের নিকট তাদের চাহিদা অনুযায়ী মাদক দ্রব্য ইয়াবা সরবরাহ এবং যুবকদের মাদক সেবনে উদ্বুদ্ধ করে। আসামীর বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬ (১) এর ১০ (ক) ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে পুকুর খনন করতে গিয়ে একটি পরিত্যক্ত গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (২৯ মার্চ) দুপুরে উপজেলার পাহাড়ী অঞ্চল সংগ্রামপুর ইউনিয়নের দক্ষিন কাউটে নগর গ্রামের একটি পুকুর থেকে পরিত্যক্ত এই গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়। এ সময় উৎসুক গ্রামবাসী গ্রেনেডটি একনজর দেখার জন্য পুকুরের চারিদিকে ভিড় জমায়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, কাউটে নগড় গ্রামের আবুল বিএসসি নামের এক শিক্ষকের পুরাতন একটি পুকুর খনন করেন।পুকুরের মাটি স্থানীয় কবির নামে এক লোক কিনে দোকান ভরাট করার সময় কোদালের মাথায় গ্রেনেডটি উঠে আসে।
বিষয়টি ঘাটাইল থানা পুলিশকে জানালে পরিত্যক্ত গ্রেনেডটি উদ্ধার করে ঘাটাইল থানায় নিয়ে আসে।
এ বিষয়ে সংগ্রামপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম মিয়া পুকুরে গ্রেনেড উদ্ধারের সত্যতা স্বীকার করে মুঠোফোনে জানান, খুব সম্ভবত স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যুদ্ধ শেষে গ্রেনেডটি পুকুরে ফেলেছে।
এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার উপরিদর্শক (এসআই) মতিউর রহমান বলেন, আমরা গ্রেনেডটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছি। ঢাকা থেকে বিশেজ্ঞ টিম এসে এটা নিয়ে যাবে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইল বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লীগে শ্বাসরুদ্ধকর এক ম্যাচে থানাপাড়া ক্লাবকে ১ উইকেটে পরাজিত করেছে সিটি ক্লাব ।সিটি ক্লাবের এই জয় দ্বিতীয় রাউন্ডে “খ”গ্রুপের হিসাবকে জটিল করে লীগকে আরো আর্কষনীয় করে তুলেছে।
রবিবার (২৮ মার্চ ) সকালে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লীগের “খ” গ্রুপের ম্যাচে থানাপাড়া ক্লাব ও সিটি ক্লাবের মুখোমুখি হয়। খেলায় টস জয়ী থানাপাড়া ক্লাবের অধিনায়ক আরিফ প্রথমে ব্যাটিং করার সিন্ধান্ত নেয়।
থানা পাড়া ক্লাব ৪৯ ওভার ১ বল খেলে ১০ উইকেট হারিয়ে ২৬০ রান করে। নির্ধারিত ৫০ ওভারের ৫ বল বাকি থাকতেই থানা পাড়া ক্লাব অল আউট হয়ে যায়।
দলের পক্ষে ডান হাতি অলরাউন্ডার রাফসান জানি সর্বোচ্চ ৬৬ রান করে। এ ছাড়া থানা পাড়া ক্লাবের পক্ষে ব্যাটসম্যান শাহিন ৪৯ ও বাহাতি অলরাউন্ডার নাসিউল হক সানি ঝড়ো গতির ব্যাটিংয়ে ৪৫ রান করে। নাসিউল হক সানির ব্যাটিংয়ে দর্শনীয় ৪টি ছয়ের মার ছিল।
অপর দিকে সিটি ক্লাবের ডানহাতি মিডিয়াম পেসার রিজান হোসেন ৮ ওভার বল করে ৩৭ রান দিয়ে ৩ ইউকেট দখল করে। দলের আরেক লেগ স্পিনার দেবাশীষ সরকার ১০ ওভার বল করে ৩৩ রান দিয়ে ৩ ইউকেট দখলে নেয়।
জবাবে সিটি ক্লাব শুরুতে ওপেনার জনির উইকেট হারালেও দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে বাংলাদেশ জাতীয় (অনুর্দ্ধ-১৭) দলের ক্রিকেটার রিজান হোসেন ও দলের ইউকেট কিপার আরিফুল ইসলাম মুন ৫৯ রানের চমৎকার কেমিও জুটি দলের প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেন।
মনু আউট হয়ে গেলেও রিজান হোসেন, অপর দুই ব্যটসম্যান দেবাশীষ ও সোহাগকে নিয়ে চমৎকার ব্যাটিং জুটি করে দলীয় রান ১৭০ নিয়ে যায়। দলীয় ১৭০ রানে রিজান ফিরে গেলেও সোহাগ, জিহাদ ও উত্তমের ব্যাটিংয়ে ৪৬ ওভার ৫ বলে ২৬২ রান করে জয়ের লক্ষে পৌছায়। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৪ বলে ৮৪ রান করে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে রিজান হোসেন। এছাড়া আরিফ হোসেন মুন ৪০, জিহাদ ৩৩, দেবাশীষ ২৫ ও উত্তম ১২ রান করে।
বোলিংয়ে থানা পাড়া ক্লাবের বিজয় ও রাফসান যথাক্রমে ৩১ ও ৫১ রান দিে ৩টি করে উইকেট দখল করে। এছাড়া সাদ্দাম, শাহিন ও উদয় ১টি উইকেট দখল করে। থানাপাড়া ৩টি খেলায় অংশগ্রহন করে একটিতে জয় ও একটি পরাজয় এবং এক ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যাক্ত হওয়ায় ৩ পয়েন্ট এবং সিটি ক্লাব ৩ ম্যাচে অংশ নিয়ে দুটি জয় ও একটিতে পরাজয়ে ৪ পয়েন্ট অর্জন করেছে। খেলায় আম্পায়ার ছিলেন তমাল বিহারী দাস ও আমিনুর রহমান। স্কোরে ছিলেন রাজিব খান।
উল্লেখ্য, সকালে সিটি ক্লাবের স্বতাধিকারী টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আতোয়ার রহমান খান তার দলের খেলা উপভোগ করতে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে আসেন। তিনি সিটি ক্লাবের খেলোয়ার, কর্মকর্তা ও কোচের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেন ও মতবিনিময় করেন। পরে তিনি ভিআইপি গ্যালারিতে বসে বেশ কিছু সময় দলের খেলা উপভোগ করেন।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ রবিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মাঠে টাঙ্গাইলে সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা খন্দকার রেদওয়ানা ইসলামের জানাযা সম্পন্ন হয়েছে। জানাযায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এলেন মল্লিকসহ জেলার বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এদিকে খন্দকার রেদওয়ানা ইসলাম খুনের মামলার প্রধান আসামী স্বামী মিজানুর রহমান মিজানকে (৪৫) গ্রেপ্তারে পুলিশ সাড়াশি অভিযান চালাচ্ছে। পুলিশের ধারণা, পরিবারিক বিরোধের জের ধরেই এ হত্যাকা- হয়েছে। নিহতের ভাই খন্দকার আসাদুল ইসলাম আবিদ বাদী হয়ে শনিবার(১৭ মার্চ) রাতে মির্জাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
খন্দকার রেদওয়ানা ইসলাম রংপুরের রোমানতলা এলাকার মৃত রফিকুল ইসলামের মেয়ে। সেখানেই লাশ দাফন করা হবে। তার পলাতক স্বামী সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের গ্রামের বাড়ী পাবনায়।
মামলার বাদী নিহতের ভাই খন্দকার আসাদুল ইসলাম আবিদ বলেন, ২০১৯ সালে আমার বোনের সাথে ব্যাংকার মিজানের বিয়ে হয়। বিয়ের পরে জানতে পারি ও আরেকটি বিয়ে করেছে। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় আমার বোনের সাথে মিজানের ঝগড়া বিবাদ হতো। মিজান বোনকে খুন করার জন্য সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। হাসপাতালে আমার বোনকে মিজানই খুন করেছে। আমরা দ্রুত খুনীর গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। তিনি কান্না জড়িত কণ্ঠে আরো বলেন, চোখের সামনে আর কারো যেন অকালে তার বোনের লাশ দেখতে না হয়।
এদিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মির্জাপুর থানার এসআই শাহ্জাহান খান বলেন, তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ ছিল। বিরোধ মিমাংসা করতে জেলা কর্মকর্তারা একটি উদ্যোগও নিয়েছিলেন। সেই কলহের জের ধরেই এ হত্যাকা- ঘটে থাকতে পারে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখছি। আসামী মিজানুর রহমানকে ধরতে আমরা জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। আশা করি অতি দ্রুতই ধরা পরবে।
এ মর্মান্তিক হত্যাকা-ে জেলায় ব্যাপক নিন্দা ও প্রতিবাদ চলছে। জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি বলেন, হত্যাকা-ের তীব্র নিন্দা ও পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত অপরাধীনের খুঁজে বের করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী করছি। যাতে এরকম ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটাতে আর কেউ সাহস না পায়।
প্রসঙ্গত, শনিবার (২৭ মার্চ) বিকেলে টাঙ্গাইলে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালের একটি ভিআইপি কক্ষ থেকে খন্দকার রেদওয়ানা ইসলামের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মির্জাপুর সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার দীপংকর ঘোষ জানান, রেদওয়ানা প্রসব ব্যাথা নিয়ে গত ২২ মার্চ মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি হন। ওই দিনই তিনি একটি কন্যা সন্তান জন্ম দেন। এরপর থেকে কন্যা সন্তানকে আইসিও’তে রাখা হয়। গত চারদিন আগে রেদওয়ানা ইসলামকে চিকিৎসকরা ছুটি দিয়ে দেন। কিন্তু জন্ম নেওয়া মেয়ে হাসপাতালে থাকার কারনে রেদওয়ানা হাসপাতালেই থেকে যান। শনিবার সকালে তার স্বামী মিজানুর রহমান আসেন হাসপাতালে রেদওয়ানার সাথে দেখা করতে। বিকেলে হাসপাতালের নার্স রেদওয়ানার কক্ষ বাইরে থেকে তালাবদ্ধ দেখতে পেয়ে কর্তৃপক্ষকে জানান। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কক্ষের বিকল্প চাবি দিয়ে তালা খুলে ভেতরে রেদওয়ানার লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে দেন। পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইল জেলা কালচারাল কর্মকর্তা খন্দকার রেদওয়ানা ইসলামকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৭ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মির্জাপুর কুমুদিনি হাসপাতালের একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মির্জাপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার দীপংকর বলেন, গত সোমবার (২২ মার্চ) রেদওয়ানা ইসলাম প্রসব ব্যথা নিয়ে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি হন। ওই দিনই তিনি একটি কন্যা সন্তান জন্ম দেন। এরপর থেকে সন্তানটি আইসিওতে (নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে) রাখা হলেও চারদিন আগে রেদওয়ানা ইসলামকে চিকিৎসকরা ছুটি দিয়ে দেন। কিন্তু নবজাতক হাসপাতালে থাকার কারণে রেদওয়ানা হাসপাতালের একটি কক্ষ নিয়ে থেকে যান।
শনিবার (২৭ মার্চ) সকালে তার স্বামী মিজান হাসপাতালে রেদওয়ানার সাথে দেখা করতে আসেন। বিকেলে হাসপাতালের নার্স রেদওয়ানার কক্ষ বাইরে থেকে লক (তালা) দেখতে পেয়ে কর্তৃপক্ষকে জানান। পরে হাসপাতালের লোকজন কক্ষের ডুব্লিকেট চাবি দিয়ে তালা খুলে ভেতরে রেদওয়ানার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়া হয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।
নিহত রেদওয়ানা ইসলামের মামী খোদেজা বেগম ও মর্জিনা বেগম বলেন, ‘শিশুটিকে মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোর পর যখন আমরা বের হই তখন তার স্বামী কেবিনেই ছিলেন। ফিরে এসে তারা ওই কক্ষ বন্ধ দেখেতে পাই।’
তারা আরও বলেন, ‘প্রায় দুই বছর আগে রেদওয়ানা ইসলাম টাঙ্গাইলে বদলী হয়ে আসেন। তার স্বামী টাঙ্গাইলের একটি বেসরকারি ব্যাংকে চাকরি করতেন। সম্প্রতি তিনি অন্যত্র বদলী হয়ে যান। স্বামী-স্ত্রী দুইজন জেলা প্রশাসনের কোয়ার্টারে বসবাস করতেন।’
কুমুদিনী হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মো. আলী হোসেন বলেন, ‘প্রসবজনিত কারণে খন্দকার রেদওয়ানা ইসলাম গত সোমাবার (২২ মার্চ) সকালে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। ওই দিন সিজার অপারেশনের মধ্যেমে কন্যা সন্তান প্রসব করেন তনি। বাচ্চা অসুস্থ থাকায় তিন তলায় ভর্তি রাখা হয়। মা সুস্থ হয়ে উঠায় শুক্রবার রেফার্ড করা হয়েছিল।’
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করার চেষ্টাকালে তিনজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতায় শনিবার(২৭ মার্চ) বিক্ষোভ মিছিল বের করার সময় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম বাবু, জেলা মৎস্যজীবীদলের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা ও জেলা যুবদলের সদস্য কামাল হোসেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার দুপুরে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে যুবদল-ছাত্রদলের ব্যানারে শহরের রেজিষ্ট্রিপাড়া থেকে একটি বিক্ষোভ বের করার চেষ্টা করলে পুলিশ তাতে বাঁধা দেয়। এসময় পুলিশের সাথে নেতাকর্মীদের মধ্যে বাকবিতন্ড ও ধস্তাধস্তি হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে তাদের ধাওয়া করলে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এসময় ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, বিএনপির সহযোগী সংগঠনের তিন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি জানান, পুলিশের গাড়িতে হামলার চেষ্টাকালে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ ইয়াং টাইগার’স অনুর্দ্ধ-১৮ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় (ঢাকা বিভাগ উত্তর) টাঙ্গাইল জেলা গাজীপুর জেলাকে ১১৭ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে টানা তৃতীয় জয় পেয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচে জয়ের ফলে টাঙ্গাইল জেলা দল প্রতিযোগিতার সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে।
শনিবার (২৭ মার্চ) কিশোরগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে “খ” গ্রুপের শেষ দিনের খেলায় মুখোমুখি হয়েছিল টাঙ্গাইল জেলা দল বনাম গাজীপুর জেলা ক্রিকেট দল।সকালে টস জয়ী টাঙ্গাইল প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। টাঙ্গাইল জেলা দল দিনের নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২০৩ রান সংগ্রহ করে। দলের পক্ষে দিব্য সরকার সর্বোচ্চ ৭৬ রান করে। এ ছাড়া টাঙ্গাইল দলের অপর দুই ব্যাটসম্যান নাঈম ৩৭ ও লিমন ৩৩ রান করে।
জবাবে গাজীপুর জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ ক্রিকেট দল ৩৮ ওভার তিন বল খেলে সব কয়টি উইকেট হারিয়ে মাত্র ৮৬ রান করে। টাঙ্গাইল জেলা দলের অধিনায়ক বাহাতি স্পিনার ইমতিয়াজে ঘূর্ণি বলের সামনে গাজীপুর জেলা দল কোন ব্যাটসম্যান দাড়াতেই পারেনি। ইমতিয়াজ একাই ৫টি ইউকেট লাভ করে।
বোলিংয়ে টাঙ্গাইল দলের অধিনায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ ১০ ওভার বল করে ২০ রানে ৫টি উইকেট দখল করে। এছাড়া টাঙ্গাইল দলের অলরাউন্ডার নাঈম ও মাইন হোসেন ২টি করে উইকেট দখল করে। খেলায় ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচত হন টাঙ্গাইল জেলা দলের অধিনায় ইমতিয়াজ আহমেদ। ফলে খেলায় টাঙ্গাইল জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ ক্রিকেট দল ১১৭ রানে বড় ব্যবধানে জয়লাভ করে।
ইতিপূর্বে টাঙ্গাইল জেলা দল গ্রুপ পর্বে তাদের প্রথম ম্যাচে নেত্রকোনা জেলা দলকে ১৫ রানে এবং শেরপুর জেলাকে ৩ রানের ব্যবধানে পরাজিত করে।
টাঙ্গাইল জেলা দলের টিম অফিসিয়াল হিসেবে আছেন, সামছুল হক ও ভ্রমর চন্দ্র ঘোষ ঝোটন এবং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মোঃ আরাফাত রহমান।
আগামী ৩১ মার্চ বুধবার কিশোরগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে টাঙ্গাইল জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ ক্রিকেট দল ” ক” গ্রুপের রানার-আপ নরসিংদী জেলা ক্রিকেট দলের সাথে সেমিফাইনাল মুখোমুখি হবে।
আগামী ১ এপ্রিল কিশোরগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ওসমান (২৮) নামের এক বিদ্যুৎ শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৬ মার্চ) বিকালে উপজেলার প্রতিমা বংকী পল্লীবিদ্যুৎ সাবস্টেশনের পশ্চিম পাশেই এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ওসমান ধনবাড়ী উপজেলার হাসমত আলীর ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার সকাল থেকেই পল্লী বিদ্যুতের নিওট্রাল তার টাঙানোর কাজ করছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। এক পর্যায়ে দুই শ্রমিক বিদ্যুতায়িত হয়ে চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা এগিয়ে আসে। পরে আহত ওসমানের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক কারিজ জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর পূর্বেই ওসমানের মৃত্যু হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুতের প্রতিমা বংকী অভিযোগ কেন্দ্রের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, স্বাধীনতা দিবস থাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু ছিল। ঠিকাদার আমাদের না জানিয়েই লাইনে কাজ করছিল। তাছাড়া নিওট্রাল লাইনে বিদ্যুৎ থাকার কথা নয়। ধারণা করা হচ্ছে, কোনো বাড়ির সার্ভিস লাইন থেকে তারটি বিদ্যুতায়িত হয়েছে।