/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
নাগরপুরে অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের হামলায় এসিল্যান্ড লাঞ্ছিত, সেনাসদস্য আটক - Ekotar Kantho

নাগরপুরে অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের হামলায় এসিল্যান্ড লাঞ্ছিত, সেনাসদস্য আটক

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বালু মহালে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) তারিন মসরুরের নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে হামলা চালিয়েছে অবৈধ বালু ব্যবসায়ীরা। হামলাকারীরা এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও নাগরপুর উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা তারিন মসরুরকে শারীরিক ভাবেও লাঞ্ছিত করে। বৃহস্পতিবার(২২ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার দপ্তিয়র ইউয়িনের বাগ কাটারী বালু মহালে এ ঘটনা ঘটে।

পরে এই ঘটনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)ও র‌্যাব-১২ কে অবহিত করা হয়। টাঙ্গাইল র‌্যাব-১২ এর ডিএডি মো.আক্তারুজ্জামানের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি দল ও নাগরপুর থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌছে ভূমি কর্মকর্তাকে উদ্ধার ও হামলাকরী সেনা সদস্য শরিফ উদ্দিন সহ ২ জন  কে আটক করে।

উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) তারিন মসরুর জানান, উপজেলার বাগ কাটারী যমুনার শাখা নদীতে দীর্ঘদিন যাবৎ প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এক শ্রেণীর অবৈধ বালু ব্যবসায়ী ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করে আসছিল। এমন সংবাদে বৃহস্পতিবার বিকেলে সরেজমিন ঘটনাস্থলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে জাহাঙ্গীর ও উজ্জ্বল নামে দুই অবৈধ বালু ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। এ খবরে ক্ষিপ্ত হয়ে সেনা সদস্য শরীফ উদ্দিন দল বল নিয়ে মোবাইল কোর্টে হামলা করে তাকে শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত ও আটককৃতদের ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।

সেনাসদস্য শরিফ উদ্দিন (আইডি নং-১৩০৫৭২)কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে কর্মরত। তার গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলায়। সে বর্তমানে দুই মাসের ছুটিতে রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত-ই-জাহান সন্ধ্যায় তাঁর কার্যালয়ে সাংবাদিকদের জানান, হামলাকারী সেনা সদস্য শরিফউদ্দিনকে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। শুক্রবার(২৩ এপ্রিল) তাকে ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্টে হস্তান্তর করা হবে। পরে সেনা আইনে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলেও জানান ইউএনও সিফাত-ই-জাহান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. এপ্রিল ২০২১ ০৩:৩১:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কোচিং সেন্টার খোলা রাখায় মালিককে জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কোচিং সেন্টার খোলা রাখায় মালিককে জরিমানা

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে করোনার মধ্যে সরকারি বিধি নিষেধ উপক্ষো করে বিএন কোচিং সেন্টার খোলা রাখায় মালিককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত। বৃহস্পতিবার(২২ এপ্রিল) সকালে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি)  জুবায়ের হোসেন এ জরিমানা করেন।

জানা যায়, সদরের কলেজ রোডস্থ ফারুক ভিলার নীচতলায় অবস্থিত বিএন কোচিং সেন্টারে নিয়মিত ছাত্র-ছাত্রীদের কোচিং করানো হয়। সকালে সেখানে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সত্যতা পায় ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক। সেন্টারের মালিক উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের লতিফপুর গ্রামের নাজির আহমেদকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

একই দিন উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে জনসচেতনা বৃদ্ধির লক্ষে সদরে মাইকিংও করা হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে জানিয়েছেন এসিল্যান্ড জুবায়ের হোসেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. এপ্রিল ২০২১ ০২:০২:এএম ৫ বছর আগে
করোনার প্রভাবে অস্তিত্ব সংকটে টাঙ্গাইলের ঢুলি সম্প্রদায় - Ekotar Kantho

করোনার প্রভাবে অস্তিত্ব সংকটে টাঙ্গাইলের ঢুলি সম্প্রদায়

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ বাংলা সংস্কৃতি আর ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ ঢুলি সম্প্রদায়। এ সংস্কৃতির ঐতিহ্যে বিকাশেও রয়েছে এ সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। বাংলা সংস্কৃতির যাত্রা, নাটক, বাউলগান, পালাগান হয়েছে এ সম্প্রদায়ের হাত ধরে সমৃদ্ধ। এ সম্প্রদায়ের উর্বর ভূমি টাঙ্গাইল জেলা। যার নিদর্শন এখনও ধরে রেখেছে জেলার ঘাটাইল উপজেলার দিগর ইউনিয়নের হামিদপুরের বায়ানপাড়ায় বসবাসরত ঢুলি সম্প্রদায়ের শতাধিক পরিবার।

তবে করোনা ও লকডাইনের কারনে এখন প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে এ সম্প্রদায়ের কার্যক্রম। এর ফলে চরম অভাব অনটনে কাটছে এ সম্প্রদায়ের  দিন-কাল। করোনার প্রভাবে অস্তিত্বে সংকটে পড়েছে টাঙ্গাইলে ঢুলি সম্প্রদায় । পেটের দায়ে সম্প্রদায়ের কেউ কেউ বেঁছে নিচ্ছেন অন্য পেশা। ঝুঁপড়ির ঘর, উন্মুক্ত পায়খানায় এ সম্প্রদায়ের শিশুসহ পরিবার গুলো যেমন রয়েছে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে, তেমনি রয়েছে পরিবার পরিকল্পনা প্রদ্ধতি সম্পর্কে অসচেতনতা। গ্রামটিতে রয়েছে চরম পয়ঃনিস্কাশন সমস্যাও। মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যেও দিনদিন বাড়ছে এ গ্রামে বসবাসরত পরিবারগুলোর সদস্য সংখ্যা।

জানা যায়, প্রায় ৩’শ বছর যাবৎ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দিগর ইউনিয়নের হামিদপুরের বায়ানপাড়ায় বসবাস করে আসছে ঢুলি সম্প্রদায়ের এ পরিবার গুলো। ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের গ্রাম এই বায়ানপাড়া বা নার্গাচিপাড়া। ব্যক্তি মালিকাধীন ৫৯ শতাংশ জমির উপর অবস্থিত এ গ্রামটিতে বসবাসরত পরিবারের সংখ্যা শতাধিক হলেও এর সদস্য সংখ্যা প্রায় ২’শ জন। তাদের ভোটার সংখ্যা ১০৫জন। এছাড়াও ইসলাম ধর্মাবলম্বী এ সম্প্রদায়ের উপার্জনের একমাত্র অবলম্বন এই বাদ্যযন্ত্র। পরিবারের উপার্জনক্ষম শিশু থেকে বৃদ্ধ একজন হলেও রয়েছে এ পেশায় জড়িত। গ্রামটিতে বর্তমানে এ পেশার জড়িত রয়েছে বাসন্তী ব্যান্ড পার্টি, মনির ব্যান্ড পার্টি, বাংলাদেশ ভান্ডারী ব্যান্ড পার্টি, স্বপন ব্যান্ড পার্টি, শাহিন ব্যান্ড পার্টি, ফখর উদ্দিন ভাই ভাই ব্যান্ড পার্টি, সুমাইয়া ব্যান্ড পার্টি, বৃষ্টি ব্যান্ড পার্টি ও হৃদয়-রিপন ব্যান্ড পার্টির মত কয়েকটি দল।

এক একটি দলে কাজ করছে কমপক্ষে ১২জন সদস্য। বাংলা বছরের বৈশাখ, জৈষ্ঠ্য, আষাঢ়, শ্রাবণ, অগ্রহায়ন, মাঘ আর ফাল্গুন এ সম্প্রদায়ের উপার্জনের সময়। এ সকল ব্যান্ড পার্টির একটি দলে কাজ করেন ৬জন বাঁশি বাদক, ১জন বাংলা সানাই বাদক, ১ জন জয় ঢাঁক বাদক, ১জন ঢোল বাদক, ১জন জুড়ি বাদক, ১ জন কারা বা ছোট জয় ঢাঁক বাদক আর ১জন করতাল বাদক। নাটক, যাত্রা, বাউলগান, পালাগান, হিন্দু বিয়ে, অন্নপ্রাশন, পূঁজা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ওরশ, র‌্যালীসহ নানা ধরণের সামাজিক অনুষ্ঠানে ব্যবহৃত হয় তাদের বাদ্যযন্ত্র। এ ধরণের প্রতিটি দিনব্যাপি অনুষ্ঠানে বাদ্যযন্ত্র বাজানো বাবদ জনপ্রতি পান এক হাজার টাকা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ব্যক্তি মালিকাধীন মাত্র ৫৯ শতাংশ জমিতে অবস্থিত এ গ্রামটিতে গড়ে উঠেছে মাত্র একটি সেমিপাকা ঘর। বাকি সব ঘরগুলোই তোলা হয়েছে টিনের ঝুঁপড়ি দিয়ে। ৫৯ শতাংশ জমির গ্রামটিতে এতগুলো পরিবার বসবাসের ফলে তাদের এক একটি পরিবার এক বা আধা শতাংশ জমির মালিক। আবার অনেকেই আছেন ভূমিহীন। নেই তাদের কোন আবাদী জমি। এদের বেশিরভাগ ঘরেই নেই শোয়ার মত খাট বা চৌকি। সরকারিভাবে স্যানেটারী পায়খানা তৈরির রিং পাট আর স্লাব বসানো হলেও সেগুলোতে টিনের বেড়া দেয়ার সাধ্যও হয়নি হতদরিদ্র এই পরিবারগুলোর। এ কারণে পলিথিন বা সিমেন্টের কাগজ দিয়ে ঘিরেই কোন রকমে চলছে এর ব্যবহার। এর মধ্যেই চলছে গ্রামটিতে বসবাসরত শিশুদের খেলাধুলা, বৃদ্ধসহ পরিবারের সকল বয়সী নারী পুরুষের চলাচল। একই সাথে পরিবার পরিকল্পনা প্রদ্ধতি মেনে চলার চরম অসচেতনতায় গ্রামটির প্রতিটি পরিবারেই বৃদ্ধি পেয়েছে সদস্য সংখ্যা। এছাড়াও ওই গ্রামের মরহুম বরকত আলী নার্গাচীর স্ত্রী খুশিরন (৫৫) প্রধানমন্ত্রীর দেয়া একটি ঘর পেলেও তারও নেই স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানার ব্যবস্থা।

বায়ানপাড়া গ্রামের চার সন্তানের জনক ও বয়োজ্যেষ্ঠ করনেট বাঁশি বাদক দরাজ আলী নার্গাচী (৭৮) জানান, আমাগো জাতিগত ব্যবসা এই ঢোল ব্যবসা। পূর্বপুরুষ থেকে আমাগো এই ব্যবসা চৈইলা আসছে। করোনার কারনে লকডাইনে ব্যবসা বাণিজ্য নাই, তাই খুব অভাবে আছি। বছরের ছয় মাস চলে আমাগো এই ব্যবসা। যখন কাম থাকেনা তহন আমরা রিক্সা বাই, কেউ কেউ আবার হাটে বাজারে ইঁদুর, তেলাপোকা, পিঁপড়া মারার ওষুধ বিক্রি কৈইরা চলে। সেই কাজও এখন বন্ধ তাই এক পেট খেয়ে কোন রকমে বাইচা আছি। সরকার আমাগো দিকে তাকায় না।

চার সন্তানের জনক ও বাঁশি বাদক জোয়াদ আলী নার্গাচী (৪৮), দুই সন্তানের জনক ও বাঁশি বাদক শফিকুল ইসলাম নার্গাচী (৩৪) ও তিন সন্তানের জনক আহাম্মদ আলী ভান্ডারী নার্গাচী (৫০) বলেন, অন্য কোন কাম জানা নাই বৈইলা কোন রকমে এ পেশা দিয়াই বাইচা আছি। আমরা নাটক, যাত্রা, বাউলগান, হিন্দু বিয়ে, অন্নপ্রাশন, পূঁজা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ওরশ, র‌্যালীসহ বিভিন্ন পারিবারিক অনুষ্ঠানে বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে থাকেন তারা। তবে দেশে এখন করোনা আইসা আমাগো কাজ কৈইমা গেছে। এ কাম কৈইরা এখন কোন রকমে চলতাছে আমাগো পেট। বাংলার ঐতিহ্য আর সংস্কৃতি বাঁচিয়ে রাখতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা।

চার সন্তানের জনক হযরত আলী নার্গাচী (৫৫) বলেন, আমাগো পূর্বপুরুষের ব্যবসা এই ব্যান্ডপার্টি। এ ব্যবসার উপরই আমাগো সংসার চলতাছে। এ ব্যবসা ছাড়া আমাগো কোন অর্থ সম্পদ নাই। বছরের ছয়মাস যখন কাম না থাকে পেটে ভাতে বেঁচে থাকার তাগিদে দিনমজুরের কাম করাসহ রিক্সা চালান বলেও জানায় সে। সেই কাজ ও এখন বন্ধ।

আপন ঢুলি নার্গাচী (২৮) বলেন, আমরা খুবই দরিদ্র এ কারণে ছালা দিয়া ঘিরা পায়খানা ব্যবহার করতাছি। সরকারিভাবে দেয়া পায়খানা আমরা গরীব বৈইলা পাইনা। অন্যজনাগো দিয়া দেয়। চেয়ারম্যান-মেম্বাররে জানাইয়া কোন কাম হয়নাই বলেও জানান তিনি। এখন পর্যন্ত কোন সরকারী সাহায্যে মেলেনি তাদের ভাগ্য।

ইউনিয়নের ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম তালুকদার জানান, প্রায় তিন’শ বছর যাবৎ এ গ্রামে এই বায়ান সম্প্রদায়ের বসবাস। করোনার প্রভাবে এ ব্যবসায় প্রায় ধস নেমে গেছে। ব্যবসা খারাপ হওয়ায় এ পরিবারগুলোর অনেকেই এখন হাটে বাজারে মশা, মাছি ও ইঁদুরের ওষুধ বিক্রি কৈইরা পেট চালাইতাছে। এ গ্রামে বসবাসরত পরিবারগুলোর অধিকাংশেরই কারো আদা শতাংশ জমি, কারো এক পোয়া শতাংশ জমি, কারো তিন পোয়া শতাংশ জমি, কারো এক শতাংশ জমি রয়েছে। আবার অনেকেই আছেন একদম ভূমিহীন।

দিগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ (মামুন) বলেন, বায়ানপাড়ার অধিকাংশ পরিবারকে পায়খানা নির্মাণে রিং পাট ও স্লাব দিয়েছেন তারা। বেড়া তাদের দিয়ে নেয়ার কথা। এছাড়াও প্রতি বছরই বন্যায় ওই গ্রামটি তলিয়ে যেত বলে ইতিপূর্বে বাঁশের সাঁকো দিয়ে যাতায়াতের সুবিধা করে দিয়েছিল তারা। পরবর্তীতে মাটি ফেলে বায়ানপাড়ায় যাতায়াতের রাস্তাও করে দেয়া হয়েছিল। তবে বন্যায় ওই রাস্তাটির অনেকটাই ক্ষতি হয়েছে। এরপরও এলজিএসপির বরাদ্দ থেকে গ্রামটির রাস্তা রক্ষায় গাইডওয়াল নির্মাণের কাজ শুরু করেছি। করোনা সংকট মোকাবেলায় এই সম্প্রদায়ের লোকদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে বলে তিনি জানান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. এপ্রিল ২০২১ ০২:১২:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে  ধানক্ষেতে সেচ দেয়াকে কেন্দ্র করে কৃষক খুন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ধানক্ষেতে সেচ দেয়াকে কেন্দ্র করে কৃষক খুন

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ধানক্ষেতে সেচের  পানি আগে দেয়াকে কেন্দ্র করে হযরত আলী নামের এক বৃদ্ধ কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার(২১ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার মঠবাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ওয়াজেদ আলী নামের আরেক বৃদ্ধকে আহত অবস্থায়  আটক করেছে ধনবাড়ী থানা  পুলিশ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান , স্থানীয় সেচ পাম্প থেকে নিজ নিজ জমিতে কে আগে পানি দেবে এই নিয়ে প্রতিবেশী ওয়াজেদ আলীর সঙ্গে হযরত আলীর কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে তা মারামারিতে রূপ নেয়। পরে ওয়াজেদ আলীর উপুর্যুপরি কিল,ঘুষি ও লাথির আঘাতে  হযরত আলী মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

 

স্থানীয়রা তাকে  উদ্ধার করে  চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ অভিযুক্ত ওয়াজেদ আলীকে আটক করে। ওয়াজেদ আলী আহত হওয়ায় পুলিশ পাহারায় তাকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে  ধনবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক মাজাহারুল ইসলাম জানান,  সেচ পাম্প থেকে কে আগে  জমিতে পানি দেবে এই নিয়ে  ওয়াজেদ আলীর সঙ্গে হযরত আলীর কথা কাটাকাটি থেকে পর্যায়ে তা মারামারিতে রূপ নেয়। পরে ওয়াজেদ আলীর উপুর্যুপরি কিল,ঘুষি ও লাথির আঘাতে হযরত আলী মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। নিহতের মরদেহ বৃহস্পতিবার( ২২ এপ্রিল) ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।

 

এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. এপ্রিল ২০২১ ০৩:৩৬:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গৃহবধূকে রাতভর গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গৃহবধূকে রাতভর গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে এক গৃহবধূ গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। গত মঙ্গলবার ( ২০ এপ্রিল) সখীপুর পৌরসভার জামতলা এলাকার একটি বাসায় আটক রেখে তিন বন্ধু মিলে রাতভর ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে।

এ ঘটনায় বুধবার( ২১ এপ্রিল) বিকেলে গৃহবধূর বাবা বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে সখীপুর থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ সিয়াম (২১) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ওই গৃহবধূর বাড়ি ঘাটাইল উপজেলায়।

পুলিশ ও গৃহবধূর বাবার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পূর্ব পরিচিত হওয়ায় ওই গৃহবধূকে সিয়াম ফোন করে সখীপুরে নিয়ে আসেন। পরে পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডে সিয়ামের চাচাত ভাইয়ের বাসায় আটক রেখে সিয়াম ও তার দুই বন্ধু জয় (২০), সুমন (২১) মিলে জোরপূর্বক রাতভর ধর্ষণ করে। বুধবার ভোরে সিয়াম মোটরসাইকেলযোগে ওই গৃহবধূকে বাড়িতে পৌঁছে দিতে যায়।

এ সময় গৃহবধূ অসুস্থ হয়ে পড়লে তার চিৎকারে লোকজন সিয়ামকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। আহত গৃহবধূকে প্রথমে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওই গৃহবধূ দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে তার বাবা জানান।

সখীপুর থানার ওসি (তদন্ত) লুৎফুল কবির বলেন, এ ঘটনায়   সিয়াম নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. এপ্রিল ২০২১ ০২:১৭:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে লকডাউনে কর্মহীনদের মাঝে ছাত্রলীগের ইফতার বিতরণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে লকডাউনে কর্মহীনদের মাঝে ছাত্রলীগের ইফতার বিতরণ

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে টাঙ্গাইলে লকডাউনের ফলে কর্মহীন হয়ে পড়া দুস্থ-অসহায় মানুষের মাঝে শহর ছাত্রলীগের উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশনায় মঙ্গলবার(২০ এপ্রিল) বিকালে টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকায় আওয়ামী লীগের আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে ওই ইফতার সামগ্রী দুস্থ ও অসহায়দের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

টাঙ্গাইল শহর ছাত্রলীগের সভাপতি মীর ওয়াসেদুল হক ও সাধারণ সম্পাদক কায়ছার হাসান পাপ্পু সহ ছাত্রলীগ নেতারা স্থানীয় চার শতাধিক অসহায় রোজাদারের হাতে ইফতার সামগ্রীর প্যাকেট তুলে দেন। পুরো রমজান মাস জুড়ে এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে নেতারা জানান।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. এপ্রিল ২০২১ ০১:৫৩:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অবৈধ বালু ঘাটের ১১ জনের কারাদন্ড, ভেকু ও ট্রাক জব্দ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অবৈধ বালু ঘাটের ১১ জনের কারাদন্ড, ভেকু ও ট্রাক জব্দ

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বিক্রির অপরাধে ১১ জনকে ২০ দিন করে বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত। এ সময় বালু ঘাট থেকে ৪টি ভেকু, ৫ টি ট্রাক ও নগদ ৪৪ হাজার ৭৬২ টাকা জব্দ করা হয়েছে। বুধবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার জগৎপুরা এলাকায় পুলিশ ও র‌্যাবের সহায়তায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোছা. ইশরাত জাহান।

কারাদন্ড প্রাপ্তরা হলো- উপজেলার ছাব্বিশা গ্রামের আরশেদের ছেলে এনামুল, তাহাছানের ছেলে ছানা, জগৎপুরা গ্রামের পাঠান আলীর ছেলে ওয়াসিম খান, রসুনা গ্রামের খোকনের ছেলে ইমতিয়াজ, নলিন গ্রামের জুরানের ছেলে নুরুল ইসলাম, কুঠিবয়ড়া গ্রামের আকাব্বরের ছেলে ছালাম সরকার, বাগবাড়ি গ্রামের জব্বারের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম, ছাব্বিশা গ্রামের হায়দার আলীর ছেলে হাফিজুর, একই গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে আপেল, জড়ৎপুরা গ্রামের পাঠান আলীর ছেলে আরমান খান ও ছাব্বিশা গ্রামের বাবলু মিয়ার ছেলে বিপ্লব হোসেন।

র‌্যাব ১২ সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার এরশাদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের প্রেসবিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল, গোবিন্দাসী ও অজুর্না ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় যমুনা নদীতে জেগে উঠা চর স্থানীয় প্রভাবশালীরা দীর্ঘদিন ধরে কেটে বিক্রি করে আসছে। এসব অবৈধ বালু ঘাটের বালুভর্তি ট্রাক সড়ক ও মহাসড়কে বেপরোয়াভাবে চলাচল করায় দূর্ঘটনার পাশাপাশি স্থানীয় সড়কগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ প্রশাসন থেকে নামমাত্র অভিযান হলেও পরক্ষণেই আবার ঘাট চালু হয়।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. এপ্রিল ২০২১ ১০:৩৯:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মসজিদ নির্মাণকে কেন্দ্র করে হামলা আহত স্কুলশিক্ষকের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মসজিদ নির্মাণকে কেন্দ্র করে হামলা আহত স্কুলশিক্ষকের মৃত্যু

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ি ইউনিয়নের কদিম খশিল্লা গ্রামে মসজিদ নির্মাণকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত এক স্কুলশিক্ষক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেছেন।মঙ্গলবার(২০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান শিক্ষক মিজানুর রহমান বাবুল।

এই হামলার ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন।আহতদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

নিহত মিজানুর রহমান নাগবাড়ি গ্রামের আব্দুর রশিদ মাতাব্বরের ছেলে । তিনি বেহালাবাড়ি কিন্ডার গার্ডেন স্কুলের শিক্ষক ছিলেন।

রক্তক্ষয়ী হামলার ঘটনা ঘটেছে রবিবার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আট জনকে আসামি করে মামলা করেন নিহতের চাচা জিয়াউর রহমান।

মামলায়  বিবরণে জানা যায়, মিজানুর রহমানের দাদি উপজেলার নাগবাড়ি ইউনিয়নে কদিম খশিল্লা গ্রামে মসজিদ নির্মাণের জন্য জমি দান করেন। মসজিদ ঘর নির্মাণ হলে স্থানীয় কোরবান আলী ও তার পরিবারের লোকজন আপত্তি জানান।

তারা মসজিদের ভেতরে নিজেদের জমি আছে বলে দাবি করেন। যদিও নির্মাণের আগে জমি  পরিমাপের সময় তারা সম্মতি দেন।

গেল রবিবার মিজানুরের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয় কোরবান আলীর। এক পর্যায়ে কোরবান ও তার গোষ্ঠীর লোকজন হামলা করেন। সাবল দিয়ে আঘাত করেন মিজানুরের মাথায়। এ সময় তাকে বাঁচাতে গিয়ে হামলার শিকার হন লাবু ও জাহিদ নামের দুইজন।

আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপালে পাঠানো হয়। অবস্থার অবনতি হলে মিজানুরকে নেয়া হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সেখানে মৃত্যু হয় তার।

কালিহাতী থানার (ওসি) সওগাতুল আলম বলেন , ৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করছেন নিহতের চাচা জিয়াউর রহমান। তারা সবাই পলাতক। আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. এপ্রিল ২০২১ ০৬:৪২:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে সাদিয়া আক্তার (১৯) নামে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। দুই হাত বাঁধা ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। সোমবার(১৯ এপ্রিল) রাতে উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের জুড়ান মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে ।

নিহত সাদিয়ার বাবার অভিযোগ, শ্বশুড়-শ্বাশুড়ির দাবিকৃত যৌতুকের টাকা ও নোনাসের জামাইয়ের কুপ্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ বিষয়ে শ্বশুড়-শ্বাশুড়ি, নোনাস ও নোনাসের জামাইকে আসামী করে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ঘটনার পর থেকে সাদিয়ার শ্বশুড় বাড়ির লোকজন গা ঢাকা দিয়েছে। সাদিয়া উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের বেলতৈল গ্রামের সেলিম হোসেনের মেয়ে ও বাঁশতৈল মুনসুর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী।

পুলিশ জানায়, আড়াই বছর আগে আজগানা ইউনিয়নের জুড়ান মার্কেট এলাকার বাসিন্দা রফিক মিয়ার দক্ষিন আফ্রিকা প্রবাসী ছেলে ওয়াজেদ আলীর সঙ্গে সাদিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের তিনমাস পর ওয়াজেদ আলী পুনরায় দক্ষিন আফ্রিকা চলে যায়।এরপর থেকে সাদিয়া এক সময় বাবার বাড়ি এক সময় শ্বশুড় বাড়িতেই থাকতেন।

মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আজিম বলেন, সোমবার রাতে খবর পেয়ে দুই হাত বাধা ঘরের ধন্যার সঙ্গে ঝুলানো মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।মরদেহ উদ্ধারের পর সুরতহাল রিপোর্ট করে ময়নাতদন্তের জন্য রাতেই টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।মৃত্যুটি রহস্যজনক বলে তিনি জানিয়েছেন।

এদিকে সাদিয়ার বাবা সেলিম হোসেন অভিযোগ করে বলেন, জামাই আফ্রিকা যাওয়ার পর মেয়ের শ্বশুড় রফিকুল ইসলাম ও শুশুড়ি মিলে তাদের ছেলে আফ্রিকায় দোকান ভাড়া নেবে বলে দুই লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে না পারায় তারা সাদিয়াকে নানাভাবে অত্যাচার নির্য়াতন করতে থাকে।

অন্যদিকে স্বামী প্রবাসে থাকার সুযোগে সাদিয়ার ননাস জামাই জুয়েল সাদিয়াকে নানা সময়ে কুপ্রস্তাব দিয়ে উত্যক্ত করে আসছিল। এ বিষয়ে সাদিয়া তার শ্বশুড়-শ্বাশুরিকে জানালে বিষয়টি হিতে বিপরীত হয় বলে সেলিম হোসেন জানান। এরপর তার উপর শুরু হয় শ্বশুড়-শ্বাশুরি এবং ননাস রোজীনা ও তার স্বামী জুয়েল মিয়ার নির্যাতন শুরু হয়। প্রায়ই সাদিয়াকে খাবার দেয়া হতো না।
গত ২ এপ্রিল সাদিয়া তার মামা মিনহাজ উদ্দিনকে ফোনে জানান, তাকে খেতে দেয়া হচ্ছে না এবং শারীরিকভাবেও নির্যাতন করা হয়েছে। যা তার মামা মিনহাজ উদ্দিন মোবাইলে রেকর্ড করে রাখেন। রবিবার সাদিয়া বাবার বাড়ি থেকে শ্বশুড় বাড়িতে আসলে সোমবার দিনের কোন এক সময়ে তারা পরিকল্পিতভাবে তাকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়। পরে খুঁনের অভিযোগ থেকে বাঁচতে তারা তাকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুঁলিয়ে রাখা হয় বলে সাদিয়ার বাবা অভিযোগ করেন। তিনি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

সাদিয়ার সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুতকারী মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আজিম মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, দুই হাত ওড়না দিয়ে পেঁচানো অবস্থায় গৃহবধূ সাদিয়ার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা করা হয়েছে। ময়না তদন্ত মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। হত্যা না আত্মহত্যা জানতে চাইলে ঘটনাটি রহস্যজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. এপ্রিল ২০২১ ০৪:১৬:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন

একতার কন্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন হয়েছেন।সোমবার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার সাগরদিঘী ইউনিয়নের কামালপুর গ্রাম থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহতের নাম বানেছা বেগম (৪০)। তিনি কামালপুর গ্রামের সমশের আলীর মেয়ে। এ ঘটনার পর থেকে স্বামী খোকন মিয়া পলাতক রয়েছেন। খোকন মিয়া মির্জাপুর থানার বাশতৈল এলাকার কাশেম মিয়ার ছেলে।

পুলিশ জানায়, খোকন পেশায় একজন গাড়ি চালক। তিন বছর আগে খোকনের সঙ্গে বিয়ে হয় বানেছার। বানেছা কামালপুর বাবার বাড়িতে থাকার কারণে মাঝে মধ্যে খোকন আসা যাওয়া করতেন। গত রাতে খোকন বানেছার ঘরে ছিলেন এবং রাতে তার স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন বলে পুলিশ ধারণা করছে। এ ঘটনার পর থেকে খোকন মোবাইল বন্ধ করে পলাতক রয়েছেন।

সাগরদিঘী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ জাকির হোসেন বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য  টাঙ্গাইল জেনারেল  হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। ঘাতককে গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. এপ্রিল ২০২১ ০৩:০৪:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রাক চাপায় শিশুর মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাক চাপায় শিশুর মৃত্যু

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে ট্রাক চাপায় তিন বছরের এক শিশুর  মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার কচুয়া- কীর্তণখোলা সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুর নাম  কামরুল ইসলাম। সে কচুয়া গ্রামের আলম মিয়ার ছেলে।স্থানীয়রা ঘাতক ট্রাক ও চালককে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন।

জানা যায়, সকাল ১১টায় উপজেলার কচুয়া-কীর্তণখোলা চৌরস্তা সড়কের পাশে খেলা করছিলো কামরুল। এ সময় কীর্তণখোলা বাজার থেকে আসা গরুভর্তি একটি ট্রাক শিশুটিকে চাপা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে, সখিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ কে সাইদুল হক বলেন, ঘাতক ট্রাক ও চালককে আটক করা হয়েছে।  এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. এপ্রিল ২০২১ ০২:৫৪:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে  চাঁদাবাজি মামলায় বাপ-বেটা জেল হাজতে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চাঁদাবাজি মামলায় বাপ-বেটা জেল হাজতে

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ   টাঙ্গাইলের সখীপুরে চাঁদাবাজি মামলায় পিতা শামসুল আলম (৬৫) পুত্র সরোয়ার আলমকে (৩৫) গ্রেফতার করেছে সখীপুর থানা পুলিশ। পরে সোমবার(১৯ এপ্রিল) সকালে তাদের টাঙ্গাইল  আদালতে  উপস্থিত করা হলে বিজ্ঞ আদালত তাদের  জেল হাজতে প্রেরণ । তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবজি, জমি লুট,অগ্রণী ব্যাংক নলুয়া বাজার শাখায় ৬লাখ টাকার ঋণ খেলাপি সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

প্রকাশ,  রবিবার (১৮ এপ্রিল) শামসুল আলমের ভাই স্কুল শিক্ষক শামীম আল মামুনের দায়ের করা চাঁদাবাজি মামলায় তাদেরকে উপজেলার বহুবিয়া চতলবাইদ গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়।

এ ব্যাপারে সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওমর ফারুক বলেন, চাঁদাবাজি মামলায় বাপ- বেটাকে গ্রেফতার করে সোমবার সকালে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়। পরে বিজ্ঞ আদালত তাদের জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. এপ্রিল ২০২১ ০৩:৩২:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।