/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
কতৃপক্ষের অবহেলায় অবশেষে ট্রাক সহ ভেঙ্গে পড়ল ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজটি - Ekotar Kantho

কতৃপক্ষের অবহেলায় অবশেষে ট্রাক সহ ভেঙ্গে পড়ল ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজটি

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ বিভিন্ন গণমাধ্যমে একাধিক বার সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পরও কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহন না করায় অবশেষে  নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন ব্রিজটি ভেঙে পড়েছে। শুক্রবার (৯ এপ্রিল) রাতে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে পার হওয়ার সময় একটি বালুবাহী ট্রাক সহ ব্রিজটি ভেঙ্গে পড়ে।  এতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সড়কসহ পার্শ্ববর্তী মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর, সাটুরিয়া ও ঢাকাগামী সড়কে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।এর আগে দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন খালের ওপর নির্মিত ব্রিজটি ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়েছিল।

জানা গেছে, নাগরপুর দরগ্রাম ভায়া ছনকা বাজার সড়কের উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স সংলগ্ন ব্রিজটির দুই পাশের রেলিং ভেঙে এবং মাঝখানে ডেবে গিয়েছিল। এরপরও ওই সড়কে যানবাহনগুলো ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতো। তবে দীর্ঘদিন যাবৎ ব্রিজটির এমন দশা থাকলেও সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেয়নি এলজিইডি কর্তৃপক্ষ।স্থানীয়দের অভিযোগ, বারবার উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানানো হলেও তাদের উদাসীনতার কারণে ব্রিজটি ভেঙে পড়েছে।

নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) আনিছুর রহমান বলেন, রাতে ঝুকিপূর্ণ ওই ব্রিজ দিয়ে একটি বালুবাহী ট্রাক পারাপার হওয়ার সময় ভেঙে খাদে পড়ে যায়। এরপর থেকেই ওই সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। ট্রাকটি উদ্ধারে কাজ চলছে।

উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান বলেন, ব্রিজ ভাঙার বিষয়টি জানা নেই। আর বন্ধের দিন রাতে ফোন দিয়ে কেন বিরক্ত করছেন। এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দিতে পারবো না।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. এপ্রিল ২০২১ ০২:২১:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৪৪০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারী  গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৪৪০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারী গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  টাঙ্গাইলের মধুপুরে ৪৪০ পিস  ইয়াবা সহ তাছলিমা বেগম (৩৬) নামে এক  নারী মাদক কারবারীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।
শনিবার (১০ এপ্রিল) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার এরশাদুর রহমান এর নেতৃত্বে একটি দল মধুপুরের  বোয়ালী আদালত পাড়া গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে ওই নারীকে আটক করে। এসময় ৪৪০ পিস ইয়াবাসহ (যার আনুমানিক মূল্য ১,৩২,০০০ টাকা) তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয় ।
 র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত তাছলিমা বেগম মধুপুর উপজেলার বোয়ালী আদালতপাড়া গ্রামের আলমগীর হোসেনের স্ত্রী।
 এ প্রসঙ্গে র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার এরশাদুর রহমান  জানান, আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ মাদকদ্রব্য ইয়াবা অবৈধভাবে সংগ্রহ পূর্বক টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর থানাসহ অন্যান্য থানা এলাকায় বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সরবরাহ করে আসছেন।
 তিনি আরো জানান ,আটককৃত আসামী টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর থানা এলাকাসহ আশেপাশের থানা এলাকাগুলোতেও বিভিন্ন মাদক সেবীদের নিকট তাদের চাহিদা অনুযায়ী মাদক দ্রব্য ইয়াবা সরবরাহ এবং যুবকদের মাদক সেবনে উদ্বুদ্ধ করে আসছেন।
 আসামীর বিরুদ্ধে  মধুপুর থানায় একটি মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. এপ্রিল ২০২১ ১১:৫৫:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ফাঁসি নিয়ে দুই সন্তানের জননীর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ফাঁসি নিয়ে দুই সন্তানের জননীর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়ায় ফাঁসি নিয়ে দুই সন্তানের জননীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার(৯ এপ্রিল)দিবাগত রাতের কোন এক সময় করটিয়া শীলপাড়া ভবতোষ মাঝির পরিত্যক্ত ঘরে এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে।

পরে পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। নিহতের নাম মল্লিকা বেগম (৩০)। সে সদর উপজেলার গোসাইবাড়ী কুমল্লি গ্রামের মো. মিন্টু মিয়ার মেয়ে।

জানা গেছে, আট বছর পুর্বে মির্জাপুর উপজেলার হাট ফতেপুর এলাকার সিরাজ মিয়ার ছেলে বাদল মিয়ার সাথে পারিবারিক ভাবে মল্লিকার বিবাহ হয়। তাদের ঘরে মোস্তাকিন (৬) ও মুজাহিদ (৪) নামের দু’টি পুত্র সন্তান রয়েছে। স্বামী বাদল মিয়া অটোরিক্সা চালক। শুক্রবার রাত থেকে মল্লিকার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না।

নিহতের বাবা মিন্টু মিয়া জানান, শনিবার সকালে শীলপাড়া এলাকার ভোজন শীল ফোনে তাকে জানায়, শীল পাড়ায় তার মেয়ে ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। খবর পেয়ে তিনি স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. শাহিনকে ঘটনাটি জানান। পরে শাহীন পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্বার করে।

এ বিষয়ে করটিয়া ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী বলেন,যেহেতু ফাঁসির ঘটনা, ময়না তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছে না ।
টাঙ্গাইল মডেল থানার সহকারী পরিদর্শক(এস আই) মো. ওয়াজেদ আলী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে যাই । নিহতের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরন করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, নিহতের বাম হাতে একাধিক ক্ষত চিহ্নের দাগ পাওয়া গেছে।সম্ভবত ব্লেড দিয়ে কাটার ফলে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতকে কেউ আত্মহত্যার প্ররোচনা দিয়ে থাকতে পারে। তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

প্রকাশ, এলাকায় জনশ্রুতি রয়েছে ভোজন শীলের সাথে নিহত মল্লিকার সর্ম্পক ছিল। মনমালিন্যের কারনে মল্লিকা আতœহত্যার পথ বেছে নিতে পারে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. এপ্রিল ২০২১ ১০:৫৪:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নতুন করে ৪১ জন করোনায় আক্রান্ত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নতুন করে ৪১ জন করোনায় আক্রান্ত

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে করোনা আক্রান্ত রুগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে  জেলায়  ৪১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. শাহাবউদ্দিন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ১৯ জন, দেলদুয়ারে তিন জন, মির্জাপুর নয় জন, কালিহাতীতে দুই জন, ঘাটাইলে দুইজন, মধুপুরে একজন এবং ভূঞাপুরে পাঁচজন নিয়ে মোট ৪১ জন।

এ নিয়ে জেলায় মোট করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো চার হাজার ২৭৪ জন। এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছেন তিন হাজার ৮৭৯ জন। এ পর্যন্ত জেলা মোট মৃত্যুবরণ করেছে ৬৮ জন।

এদিকে, টাঙ্গাইল করোনা ডেডিকেটেড জেনারেল হাসপাতালে সর্বমোট ২১৮ জন করোনায় আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়। তাদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ী ফিরেছেন ১৫৭ জন। উন্নত চিকিৎসার জন্য এ পর্যন্ত ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে ৫৪ জন করোনা রুগীকে। বর্তমানে টাঙ্গাইলে জেনারেল হাসপাতালে ছয় জন করোনা রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. এপ্রিল ২০২১ ০৩:৩৩:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মাটিচাপা পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাটিচাপা পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইল  পৌর এলাকার কাগমারা মেছের মার্কেট এলাকায় মাটিচাপা পড়ে মো. কবির মিয়া (৩৫) নামে  এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) দুপুরের দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত কবির দেলদুয়ার উপজেলার গোমজানি এলাকার মো. আফাজ উদ্দিনের ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে স্থানীয় কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম  জানান, মেছের মার্কেট এলাকায় করিম মিয়ার বাড়িতে কুপ খননের কাজ করছিলেন কবিরসহ তিন শ্রমিক। খননের একপর্যায়ে ওপর থেকে মাটির একটি বড় চাপ কবিরের ওপরে পড়ে। এতে তিনি মাটি চাপা পড়েন।

বিষয়টি ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে।

টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক রেজাউল করিম  জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল  মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন  জানান, মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. এপ্রিল ২০২১ ০৪:৪৬:এএম ৫ বছর আগে
দুই দপ্তরের কাজে সমন্বয়হীনতাঃঃ  বৈরাণ নদী গর্ভে ব্রিজ ও পাকা সড়ক - Ekotar Kantho

দুই দপ্তরের কাজে সমন্বয়হীনতাঃঃ বৈরাণ নদী গর্ভে ব্রিজ ও পাকা সড়ক

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হাদিরা ইউনিয়নে একটি আরসিসি ব্রিজ ও প্রায় এক কিলোমিটার পাকা সড়ক স্থানীয় বৈরাণ নদীর গর্ভে চলে যাচ্ছে। পাউবো’র সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় না করে নদী খননের কারণে সরকারের প্রায় কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ বৈরাণ নদী গর্ভে চলে যাচ্ছে। ফলে স্থানীয়দের যোগাযোগ ব্যবস্থায় ধস নেমে এসেছে।

জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) গোপালপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বৈরাণ নদী খনন করছে। বৈরাণ নদীর মোট ৩৭.৫ কিলোমিটার ২১ কোটি ১৭ লাখ টাকা ব্যয়ে তিন ধাপে খনন করা হচ্ছে। এরমধ্যে ধনবাড়ী উপজেলার মুশুদ্দী থেকে গোপালপুর উপজেলার হাটবৈরাণ পর্যন্ত প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৬ কিলোমিটার নদী খনন ২০২০ সালের জুনে শেষ হয়েছে। চলতি অর্থবছরে বৈরাণ নদীর ভাটিতে আরও সাড়ে ১১ কিলোমিটার খনন কাজ চলছে।
সরেজমিনে জানা গেছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের(পাউবো) কর্মকর্তারা নদী খননে পরিকল্পনাকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও এলজিইডি’র সঙ্গে সমন্বয় না করার কারণে স্থানীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৫৪ লাখ চার হাজার ৬৫১টাকায় ৬০ ফুট দৈর্ঘ্যরে একটি আরসিসি ব্রিজ ও বন্দহাদিরা গ্রামের অংশে এলজিইডি’র প্রায় ৮০ লাখ টাকায় নির্মিত এক কিলোমিটার পাকা সড়ক নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে।
ইতোমধ্যে গত বর্ষায় পাকা সড়কের প্রায় এক কিলোমিটার নদীগর্ভে চলে গেছে। ফলে নগদাশিমলা বাজার থেকে হাদিরা হয়ে ধনবাড়ী উপজেলা সদরে সরাসরি যান চলাচল দীর্ঘদিন যাবত বন্ধ রয়েছে। শুস্ক মৌসুমেও ওই অংশে পাকা সড়ক ভেঙে পড়ছে। উৎপাদিত কৃষিপণ্য ও মালামাল নিয়ে বিকল্প পথে যাতায়াত করায় মানুষের খরচ ও ভোগান্তি বেড়েছে। রাতে চলাচল করতে গিয়ে ইতোমধ্যে ১০-১২ ব্যক্তি আহত হয়েছে। শুষ্ক মৌসুমেই ভাঙন রোধে ব্যবস্থা না নিলে বন্দহাদিরা গ্রামের অনেক বাড়িঘর আগামি বর্ষায় নদীগর্ভে চলে যাবে।

অন্যদিকে, হাদিরা ইউনিয়নের ভাদুরীরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পূর্বপাশে জনগুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর পূর্ব-পশ্চিমে ৬০ ফুট দীর্ঘ একটি আরসিসি ব্রিজ নির্মাণ করে। ব্রিজটি বৈরাণ নদীর পূর্ব ও পশ্চিম(ডান ও বামতীরে) পাশের ৮-১০টি গ্রামের সেতুবন্ধন। পাউবো বৈরাণ নদীর ওই অংশে খনন করতে গিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় না করে নিজেদের প্রকল্পের স্বার্থে ব্রিজের অ্যাপ্রোচের মাটি কেটে তীরে জমা করে রেখেছে। অ্যাপ্রোচের মাটি কেটে ফেলায় ইতোমধ্যে গত বর্ষায় ব্রিজের আরসিসি পিলারে ফাঁটল ধরে দেবে গেছে। শুস্ক মৌসুমে ব্রিজের দুই পাশে বাঁশের সাঁকো লাগিয়ে স্থানীয়রা জরুরি প্রয়োজনে পায়ে হেঁটে চলাচল করছে। কোন প্রকার ভ্যান-রিকশা বা অন্য যানচলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।
বন্দহাদিরা গ্রামের ব্যবসায়ী আজহার আলী, হাদিরা গ্রামের বাসিন্দা মো. গোলাম ফারুখ সহ অনেকেই জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঠিকাদার গোয়ালবাড়ী ঘাট ব্রিজের উত্তরে জনৈক প্রভাবশালীর জবরদখল করা জমি রক্ষার জন্য পূর্বদিকে ধনুকের মতো বাঁকিয়ে নদী খনন সম্পন্ন করেন। এতেই পাকা সড়ক ভেঙে নদীতে চলে যাচ্ছে।

হাদিরা ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ড সদস্য মোজাম্মেল হোসেন জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ফিল্ড অফিসার এবং ঠিকাদারের প্রতিনিধিকে একাধিকবার বলেও নদীর স্বাভাবিক প্রবাহের চ্যানেলে খনন করানো যায়নি। ফলে বর্ষায় নদীর ¯্রােত ওখানে বাঁক খেয়ে ঘূর্ণাবর্তের সৃষ্টি করায় নদীতীর ও এলজিইডি’র পাকা সড়কে ভাঙন দেখা দেয়। প্রায় এক কিলোমিটার পাকা সড়ক ইতোমধ্যে নদীগর্ভে চলে গেছে।

তিনি আর জানান, ভাদুরীরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পূর্বপাশে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ৬০ ফুট দীর্ঘ ব্রিজটির অ্যাপ্রোচের মাটি না কেটে নদী খনন করার জন্য স্কুলের শিক্ষক-অভিভাবক সহ স্থানীয় লোকজন অনুরোধ করলেও ঠিকাদার ও পাউবো’র ফিল্ড অফিসার কথা রাখেন নি। এতে শুকনো মৌসুমেই ব্রিজটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। তিনি বিষয়টি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে জানিয়েছেন।

হাদিরা ইউপি চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের তালুকদার জানান, বৈরাণ নদী খনন পাউবো একতরফাভাবে করেছে। এলজিইডি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সাথে তারা কোন সমন্বয় করে নাই। ফলে নির্মিত পাকা সড়ক ও ব্রিজের সুফল থেকে স্থানীয় জনসাধারণ বঞ্ছিত হচ্ছে।

গোপালপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আল মাসুদ জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে তাদের কোন কথাই হয়নি। পাউবো’র ঠিকাদার স্থানীয় সমস্যা বিবেচনায় না নিয়ে কাজ শেষ করেছে। এছাড়া জেলা নদী ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় তাদের ব্রিজটি সরিয়ে নেওয়ার কথা হয়েছিল কি-না তা তিনি জানেন না। ব্রিজের ক্ষয়ক্ষতির দায়ভার অবশ্যই পানি উন্নয়ন বোর্ডের।

গোপালপুর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের(এলজিইডি) প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঠিকাদারের খামখেয়ালির কারণে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তারা এলজিইডি’র নগদাশিমলা-হাদিরাবাজার সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সংস্কারে হাত দিয়েছেন। কিন্তু বন্দহাদিরা এলাকায় নদীতীর না থাকায় সড়ক সংস্কার কাজ ব্যাহত হচ্ছে।

টাঙ্গাইল এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্ষা আসার আগেই কাজ শেষ করা হবে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, ঐতিহ্যবাহী বৈরাণ নদী যথাযথভাবে খনন করা হচ্ছে। বন্দহাদিরায় গত বর্ষায় তীর ভেঙে যাওয়ায় এলজিইডি’র সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সড়কটি যেহেতু এলজিইডি’র সুতরাং সংস্কার বা মেরামতের দায়িত্বও তাদের। নদীতীর সুরক্ষায় বর্ষা মৌসুমে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়ে থাকে- তখন ওখানে কাজ করা সম্ভব।

তিনি আরও জানান, বৈরাণ নদী খননের প্রাক্কালে জেলা নদী ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় ভাদুরীরচরের ৬০ ফুট ব্রিজটি সরিয়ে নিয়ে নতুন ব্রিজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়েছিল। এখনও পর্যন্ত ব্রিজটি কেন সরানো হয়নি তা বোধগম্য নয়।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. এপ্রিল ২০২১ ০৩:১০:এএম ৫ বছর আগে
লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়েছে শ্রমজীবী মানুষ - Ekotar Kantho

লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়েছে শ্রমজীবী মানুষ

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী টাঙ্গাইলে করোনা ভাইরাস বিস্তার রোধে সর্তকতামুলক ব্যবস্থা হিসেবে পৌর শহর ও গ্রাম অঞ্চলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। শুধুমাত্র কাঁচাবাজার, ওষুধের দোকান ও নিত্যপন্যের দোকান খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। কিন্তু এসব দোকান সন্ধ্যার পর বন্ধ হয়ে যায়। গণপরিহন বন্ধ থাকার জন্য শুন্য হয়ে পড়ছে রাস্তা-ঘাট ফলে কর্মহীন হয়ে পড়ছে সাধারণ শ্রমজীবি মানুষ। রাস্তা-ঘাটে  দু’ একটি রিক্সা, অটোরিক্সা দেখা গেলেও যাত্রী পাচ্ছেনা চালকরা। এ অবস্থায় বিপাকে পড়েছে শ্রমজীবী মানুষ।

এ দিকে জেলা উপজেলায় গণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও মাইকিং করে দোকান পাট ,যান চলাচল বন্ধ রাখাসহ সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা অব্যাহত রেখেছে স্থানীয় প্রশাসন। আর এ নির্দেশনা কার্যকর করতে প্রশাসনের পাশাপাশি কাজ করছে পুলিশ বাহিনী। টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালারচর এলাকার রিক্সা চালক ইয়াকুব হোসেন বলেন, একদিন রিক্সা না চালালে খাবার জুটেনা।শহরের রাস্তায় তেমন লোকজন নাই তাই কামাই হয় না।
লকডাউনের আগে প্রতিদিন ৪’শ-৫’শ টাকা কামাই করতাম কিন্তু বর্তমানে এমন অবস্থা ৬০ টাকা কামাই করেছি। আয়-রোজগার না থাকলে কিস্তি দিমু কেমনে?শহরের আরেক রিক্সা চালক জানায়,এ অবস্থায় আমাদের কামাই রোজগার একবারেই কমে গেছে যদি বড়লোকেরা আমাদের একটু সাহায্য করতো তাহলে ছেলে সন্তান নিয়ে বাঁচতে পারতাম।

এ অবস্থায় এইসব মানুষের পাশে এসে দাড়াতে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুন(রানু)। তিনি বলেন,কোভিট-১৯ এর প্রভাবে সারাবিশ্ব আজ বিপর্যস্ত। এই দুর্যোগ মোকাবেলা করা সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়,প্রয়োজন সকলের সহযোগিতা। আপনাদের একটি ছোট উদ্যোগ বাঁচাতে পারে অনেকের প্রান।
সেই সাথে তিনি আরও বলেন, করোনার প্রকোপ বেড়ে  যাওয়ায় আপনাদের ভালোর জন্যেই ঘরে থাকতে বলা হয়েছে। প্রয়োজন ছাড়া আপনারা কেউ বাহির হবেন না। এবং মাস্ক ও সামাজিক দুরত্বের ব্যাপারে সবাইকে সচেনত হতে হবে।

এদিকে করোনা সর্তকতায় যানবাহন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায়,নিম্ন আয়ের মানুষগুলোর অবস্থা খুবই নাজুক। অসহায় এই মানুষগুলোর সরকার ও সমাজের বিত্তবানদের  সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. এপ্রিল ২০২১ ০৩:৪৯:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ১০০ লিটার চোলাই মদ সহ চার বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার  করেছে র‌্যাব - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ১০০ লিটার চোলাই মদ সহ চার বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  টাঙ্গাইল পৌর এলাকার ৬ নং  ওয়ার্ডের কান্দাপাড়া কলোনীর পাশের রাস্তা থেকে বুধবার ( ৭ এপ্রিল) সকালে ১০০  লিটার চোলাই মদ সহ চার মাদক বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১২)।

গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছে- শহরের কান্দাপাড়ার(রবিদাস পাড়া) জয়নাল রবিদাসের ছেলে কৃষ্ণ রবিদাস(৩৫), মৃত অন্তু রবিদাসের ছেলে কৈলাস রবিদাস(৩৩), মৃত শিবু রবিদাসের ছেলেতুলসী রবিদাস(৪২) ও শহরের পাড়দিঘুলিয়ার মো. আব্দুল লতিফ মন্ডলের ছেলে মো. এহসানুল হক মিলন(২৬)।

র‌্যাব-১২ জানায়, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল কোম্পানীর ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. এরশাদুর রহমানের নেতৃত্বে একদল র‌্যাব সদস্য গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের কান্দাপাড়া কলোনীর পাকা রাস্তার উপর অভিযান চালিয়ে ১০০লিটার চোলাই মদ সহ উল্লেখিত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করে।পরে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের পূর্বক তাদেরকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. এপ্রিল ২০২১ ০২:৪৪:এএম ৫ বছর আগে
মধুপুরে অপহরণের ৭ দিনেও সন্ধান মেলেনি আদিবাসী সৃষ্টি বর্মনের - Ekotar Kantho

মধুপুরে অপহরণের ৭ দিনেও সন্ধান মেলেনি আদিবাসী সৃষ্টি বর্মনের

 একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ মধুুপুরে আদিবাসী কোচ সম্প্রদায়ের  সপ্তম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত এক কিশোরীকে অপহরণের ৭ দিন অতিবাহিত হলেও তার কোন সন্ধান মেলেনি। অপহৃতা সৃষ্টি বর্মন’র বাবা রাম চন্দ্র বর্মন বাদী হয়ে মধুপুর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন।

জানা যায়, গত ৩১ মার্চ রাতে সুবকচনা গ্রামের হাতেম আলীর ছেলে আবদুল মান্নান (২১) সৃষ্টি বর্মনকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরদিন সকালে অপহৃতা কিশোরীর বাবা থানায় গিয়ে আবদুল মান্নান সহ ৫ জনকে আসামী করে মধুপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে।

রহস্যজনক কারণে পুলিশ ঘটনার ৪ দিন পর রোববার (৪ এপ্রিল) রাতে মামলাটি রেকর্ড করেন। সাতদিনেও সৃষ্টি বর্মন উদ্ধার না হওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছে মেয়েটির পরিবার।

স্থানীয় পীরগাছা সেন্ট পৌলস উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ওই কিশোরীকে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে উত্যক্ত করত মান্নান।  এছাড়া অপহরণের হুমকিও দিত । এ বিষয়ে মেয়েটি নিজেই মধুপুর থানায় দুই মাস আগে একটি সাধারন ডাইরী করেছিল। বুধবার রাতে মেয়েটি নিখোঁজ হওয়ার পর অনেক খোঁজাখুঁজি করেও না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা মান্নানের বাড়ি যান। তবে সেখানে কাউকে পাওয়া যায়নি।

মধুপুর কোচ আদিবাসী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক গৌরাঙ্গ বর্মণ অনতিবিলম্বে অপহৃতা কিশোরীকে উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন। টাঙ্গাইল জেলা কোচ আদিবাসী ইউনিয়নের সভাপতি রতন কুমার বর্মণ বলেন, অপহরণের এ ঘটনা দুঃখজনক। মেয়েটিকে দ্রুত উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানান তিনি।

ফুলবাগচালা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বেনু জানান, ওই যুবক আগে থেকেই মেয়েটিকে উত্যক্ত করত। দুই মাস আগে  থানায় আমার উপস্থিতিতে ভূক্তভোগি ওই কিশোরী জিডি করেছিল।

মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তারিক কামাল বলেন,  ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অভিযুক্ত মান্নানকে গ্রেফতার ও অপহৃত কিশোরীকে উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. এপ্রিল ২০২১ ০৯:২৯:পিএম ৫ বছর আগে
বিক্রয়ের উদ্দেশ্যেই ছিনতাই করা হয় শিশু জুনায়েতকে - Ekotar Kantho

বিক্রয়ের উদ্দেশ্যেই ছিনতাই করা হয় শিশু জুনায়েতকে

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে গভীর রাতে সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে মাকে বেঁধে রেখে ছিনতাই করা শিশু জুনায়েদকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) ভোরে দেলদুয়ার উপজেলার জাঙ্গালিয়া গ্রাম থেকে পুলিশ বুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ও সখীপুর থানার পুলিশ যৌথ অভিযানে শিশুটিকে উদ্ধার করে। পিবিআই টাঙ্গাইলের এসআই মেহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শিশুটি বর্তমানে পিবিআই টাঙ্গাইলের হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এসআই মেহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন খান বলেন, সখীপুর থানা পুলিশ ও পিবিআই যৌথ উদ্যোগে সোমবার (৫ এপ্রিল) রাত ১০টা থেকে অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) ভোরে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। শিশুকে বিক্রি করার জন্য তারা জাঙ্গালিয়া গ্রামে নিয়ে রেখেছিলো। বিক্রির আগেই  উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। শিশুটিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের  প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় কালিহাতীর হাবলা গ্রামের পরান ডাকাত ও তার স্ত্রীসহ তিন জনকে আটক করা হয়েছে।

প্রকাশ, গত বুধবার (৩১ মার্চ) দিবাগত রাত ৩টার দিকে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার শোলাপ্রতিমা এলাকার ট্রাকচালক আছর উদ্দিনের ঘরে সিঁধ কেটে ঢুকে দুর্বৃত্তরা তার স্ত্রী কল্পনা আক্তারের মুখ বেঁধে আড়াই মাসের শিশু জোনায়েদকে ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) শিশুর মা কল্পনা আক্তার বাদি হয়ে সখীপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. এপ্রিল ২০২১ ০৮:৩৫:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান ! - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান !

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে মহাসড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং ফুটপাত দখল মুক্ত করতে অভিযান পরিচালনা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত।

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার অঞ্জন কুমার সরকার এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন।

টাঙ্গাইল ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে অবস্থিত উপজেলা সদরের কলেজ মোড়, বাজার রোড,পুড়াতন বাসস্ট্যান্ড থেকে থানা পর্যন্ত সড়কের পাশে স্থাপিত বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।এসময় ফুটপাতে থাকা সাইনবোর্ড, বিলবোর্ড,চায়ের দোকান, ফলের দোকান গুড়িয়ে দেন গ্রাম্য পুলিশের সদস্যরা।

অভিযানের সহযোগীতা করেন ঘাটাইল থানা পুলিশের এস এসই মতিউর রহমান ও প্রায় ৪০ জন গ্রাম্য পুলিশের সদস্যরা। এ সময় ফুটপাতে বালু রেখে পথচারী চলাচলে বিঘ্ন ঘটানোর দায়ে এক নির্মাণাধীন ভবন মালিককে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রট ও ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার অঞ্জন কুমার সরকার জানায়, দির্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন ব্যবসায়ী পৌরসভার সরকারী জায়গা দখল করে দোকান পাট পরিচালনা করে আসছে। তাদেরকে মাইকে ঘোষনা দিয়ে জায়গা খালি করে দিতে বলা হলে কোন কর্ণপাত করেনি বলে এ অভিযান পরিচালনা করা হলো। তিনি আরো বলেন,এ অভিযান আরো জোরদার হবে এবং অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. এপ্রিল ২০২১ ০৪:২১:এএম ৫ বছর আগে
ভাসানী পরিষদ স্মরণ করল মওলানা ভাসানীর বসতবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার দিন - Ekotar Kantho

ভাসানী পরিষদ স্মরণ করল মওলানা ভাসানীর বসতবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার দিন

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে ভাসানী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি স্মরণ করলো পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক মওলানা ভাসানীর সন্তোষের বসতবাড়ি, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নির্মিত ও নির্মানাধীন গৃহাদী ও দরবার হল পুড়িয়ে দেয়া দিন। এ উপলক্ষে রবিবারস (৪ এপ্রিল) বিকাল ৫ টায় টাঙ্গাইলের সন্তোষে ঐতিহাসিক দরবার হলে একটি পাঠচক্রের আয়োজন করা হয়।

এতে সভাপতিত্ব এবং বিভিষিকাময় সেই দিনের ঘটনাপ্রবাহ বর্ণনা করেন মোহাম্মদ হোসেন। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আজাদ খান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ভাসানী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব আজাদ খান ভাসানী। আরো উপস্থিত ছিলেন প্রগতিশীল বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

দিবসটি স্মরণে ভাসানী পরিষদ উপদেষ্টা মোহাম্মদ হোসেন শুরুতেই মওলানা ভাসানীর সেই সময়কার বসত-ভিটা চিহ্নিত করেন এবং উপস্থিত সকলে তা সংরক্ষণের জন্য জোর দাবি জানান।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত্রি দ্বিপ্রহরে পাকিস্তানি হানাদাররা সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর। আক্রমণ করে আধাসামরিক বাহিনীর দপ্তর পিলখানা, পুলিশ সদর দপ্তর রাজারবাগ আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে। এর মধ্যদিয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা আসে আর ২৬ মার্চ শুরু হয় প্রতিরোধ ও স্বাধীনতা যুদ্ধ। এই যুদ্ধে ইয়াহিয়া-টিক্কা বাহিনীর একটি প্রধান আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু ছিল টাঙ্গাইল, বিশেষত সন্তোষ। ৩ এপ্রিল তারা টাঙ্গাইলে এবং ৪ এপ্রিল মওলানা ভাসানীর খোঁজে সন্তোষে প্রবেশ করে। সেখানে তাঁকে না পেয়ে তারা তাঁর বসতবাড়ি এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নির্মিত ও নির্মানাধীন গৃহাদীতে আগুন ধরিয়ে দেয়। মুহুর্তেই ছাঁই হয়ে যায় তাঁর স্বপ্নের ক্যাম্পাস, বসতবাড়ি। পুড়ে যায় স¤্রাট আওরঙ্গজেবের হাতে লিখা কোরআন শরীফসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ দলিল-দস্তাবেজ। এরপর তারা পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় তাঁর প্রিয় সন্তোষ দরবার হলে। কিন্তু অলৌকিকভাবে কিছুক্ষণের মধ্যে তা নিভে যায়। অতপরঃ সন্তোষে ভাসানীকে না পেয়ে ৬ এপ্রিল রোজ মঙ্গলবার বর্বর হানাদাররা মাইল দু’য়েক পশ্চিমে বিন্যাফৈর গ্রামে প্রবেশ করে। হানাদাররা গ্রামটিকে চতুর্দিক থেকে ঘিরে ফেলে এলোপাথাড়ি গোলাগুলি শুরু করলে গ্রামবাসী দিক-বিদিক ছুটে পালাচ্ছিল। মওলানা ভাসানী হানাদার বাহিনীর বিন্যাফৈর উপস্থিতিতে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে প্রথমে বাড়ির উত্তর দিকের পুকুর পাড়ে অবস্থান নেন এবং পরবর্তীতে গান-পয়েন্টে এগিয়ে আসা হানাদারদের পাশ দিয়েই চাঁদর মুড়ি দিয়ে হাটুরে জনতার সাথে মিশে পশ্চিম দিকে চলে যান। এক সময়ে স্ট্রেচার বুলেট দিয়ে দূর থেকেই আগুন ধরিয়ে দেয়া হয় তাঁর এই বাড়িতে। এতটুকু ঘটাতে সাকুল্যে পাঁচ মিনিটের মতো লেগেছিল; কিন্তু কার্যত একটা একতরফা যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। মওলানা ভাসানী আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং প্রত্যুৎপন্নমতিত্বে ছদ্মবেশে তা মোকাবেলা করে যমুনার চরের দিকে চলে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে সিরাজগঞ্জ হয়ে নৌকাযোগে ধলেশ্বরী-যমুনা হয়ে রৌমারীর নামাজের চর সীমান্ত দিয়ে তিনি ১৫-১৬ এপ্রিল ভারতে প্রবেশ করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. এপ্রিল ২০২১ ০৩:৫৯:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।