একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মানহীন মিষ্টি তৈরী করায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর পুরাতন বাস স্ট্যান্ডে অবস্থিত ফনিন্দ্র মিষ্টান্ন ভান্ডারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমাবার(১৯ এপ্রিল)দুপুরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও জেলা প্রশাসকের সহযোগিতায় বাজার তদারকির অংশ হিসেবে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায় টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ইফতেখারুল আলম রিজভী।
অভিযান পরিচালনাকালে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মানহীন মিষ্টি তৈরী করায় টাঙ্গাইলে ফনিন্দ্র মিষ্টান্ন ভান্ডারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ বিষয়ে ইফতেখারুল আলম রিজভী বলেন,রমজান উপলক্ষে আমাদের বিশেষ মনিটরিং টিম জনসাধারণের ভোক্তা অধিকার নিশ্চিতে সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকি সবসময় অব্যাহত থাকবেও বলে তিনি ব্যক্ত করেন।
এসময় রমজান কে কেন্দ্র করে সকল ব্যবসায়ীকে অধিক মূল্যে পণ্য বিক্রয় না করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘন্টায় ১৬৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৩৫জনের করোনা ভাইরাস সনাক্ত হয়েছে।টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো সাহাবুদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য মতে, আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ২৫ জন, সখীপুরে ৪জন, দেলদুয়ারে ৩ জন, বাসাইল, মধুপুর ও ভুঞাপুরে একজন করে রয়েছেন। এ নিয়ে সোমবার(১৯ এপ্রিল) সকাল পর্যন্ত জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৪৫৩১জন।
করোনায় আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৭০জন। আরোগ্য লাভ করেছেন ৩৯২৮ জন। হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২৯৪ জন। মোট কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৪৭০০ জন।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে অনুমোদিহীন একটি ঔষুধ কোম্পানীকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।রবিবার(১৮এপ্রিল)বিকালে ঘাটাইল উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের বীর ঘাটাইল এলাকায় অবস্থিত মেসার্স বিটাস ফার্মাসিউটিক্যালসে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অঞ্জন কুমার সরকার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন র্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ এরশাদুর রহমান সহ বিপুল সংখ্যক র্যাব ও আনসার সদস্য ।
[৪]এই ভ্রাম্যমান আদালত প্রসঙ্গে ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অঞ্জন কুমার সরকার বলেন, র্যাব-১২ সহযোগীতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মেসার্স বিটাস ফার্মাসিউটিক্যালস (আয়ুর্বেদিক) প্রতিষ্ঠানের মালিক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেনকে রেজিস্ট্রেশনবিহীন ঔষধ (ট্যাবলেট) উৎপাদন করার অপরাধে ঔষধ আইন ১৯৪০ এর ২৭ ধারায় অভিযুক্ত করে নগদ ১,০০,০০০ (এক লাখ) টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। তিনি আরো বলেন, এ ধরনের অভিযান অব্যহত থাকবে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইল শহরের পশ্চিম আকুর টাকুর পাড়া এসএস যুব সংঘের কার্যালয়ে রবিবার (১৮ এপ্রিল) ভোর পৌনে পাঁচটার দিকে(সেহরির পর) অভিযান চালিয়ে ১৩ জুয়াড়িকে আটক করেছে র্যাব-১২। র্যাব-১২ সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. এরশাদুর রহমান প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন বেড়াডোমা এলাকার মৃত দেলু মিয়ার ছেলে মো. দুলাল মিয়া(২৫), মো. আবুল কাশেমের ছেলে মো. সোহেল মিয়া(৩০), মাইশা নন্দলাল এলাকার মৃত ইমান আলীর ছেলে মো. আমিনুল ইসলাম(২৫), পশ্চিম আকুর টাকুর পাড়ার মো. ইমান আলীর ছেলে উসমান গনি(২৮), মৃত কদম আলীর ছেলে মো. ফিরোজ মিয়া(৪৮), মো. সুজন মিয়ার ছেলে মো. রিফাত মিয়া(১৯), মো. ফজর বেপারীর ছেলে আব্দুর রহমান(২৫), মৃত উমর আলীর ছেলে মো. রানা মিয়া(২৬), আবুল হোসেনের ছেলে মো. ইমন মিয়া(২০), দুলাল চোহাংয়ের ছেলে রিপন চোহাং(২০), মো. হযরত বেপারীর ছেলে মো. আমিন কিময়া(২৪), আব্দুর রাজ্জাকের দুই ছেলে মো. শাকিল মিয়া(২৮) ও মো. শাওন মিয়া(১৯)।
সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. এরশাদুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন পশ্চিম আকুরটাকুর পাড়ার এসএস যুব সংঘ নামে একটি সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের টিনসেড ঘরের ভেতরে প্রতিদিন ভোরে নিয়মিত তাস দিয়ে জুয়ার আসর চালানো হচ্ছে। র্যাবের গোয়েন্দা শাখার মাধ্যমে খবরের সত্যাসত্য যাচাই করে রোববার সেহরির পর অর্থাৎ ভোর পৌনে পাঁচটার দিকে র্যাবের একটি চৌকষ দল অভিযান চালায়। অভিযানকালে জুয়ার আসর থেকে একসেট তাস ও নগদ ১১ হাজার ৭৩০টাকা জব্দ এবং ১৩ জুয়াড়িকে আটক করা হয়। আটককৃতরা জব্দকৃত তাস দিয়ে জুয়া খেলার আসর চালানো হতো বলে স্বীকার করেছে।
তিনি আরও জানান, আটককৃতদের নামে প্রকাশ্যে জুয়া খেলার অভিযোগে মামলা দায়ের পূর্বক টাঙ্গাইল সদর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ কার্যালয় শূন্য পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের ছাড়পত্রের ভিত্তিতে টাঙ্গাইল জেলা পরিষদে ২টি পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রার্থীকে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা আগামী ১১ মে পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।
পদের নাম: ড্রাইভার
পদসংখ্যা: ১ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: অষ্টম শ্রেণি
দক্ষতা: বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স
বেতন: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা
পদের নাম: অফিস সহায়ক
পদসংখ্যা: ০১ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি/সমমান
বেতন: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা
বয়স
২০২১ সালের ১৩ এপ্রিল প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে শারীরিক প্রতিবন্ধী, মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান-পোষ্যদের ক্ষেত্রে বয়স ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে অ্যাফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না।
আবেদনের ঠিকানা
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা পরিষদ, টাঙ্গাইল
আবেদন ফি
আবেদনপত্রের সঙ্গে ১ নম্বর পদের জন্য ৪০০ টাকা ও ২ নম্বর পদের জন্য ৩০০ টাকার ব্যাংক ড্রাফট/পে-অর্ডারের মাধ্যমে পাঠাতে হবে।
![]()
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় পরকীয়ার জের ধরে শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) রাতে এক যুবকে আটক আটক করেছে এরাকাবাসী। আটককৃত যুবক কালিহাতী উপজেলার পাইকরা গ্রামের জগন্নাথ সুত্রধরের ছেলে অমিত সুত্রধর(২৩)।পরে শনিবার (১৭ এপ্রিল) শনিবার সকালে স্থানীয় কমিশনার ও ইউপি সদস্যর মাধ্যমে সমঝোতার মাধ্যমে অমিত সুত্রধরকে ছেড়ে দেওয়া হয় । এ ব্যাপারে এলাকায় আলেড়ন সৃস্টি হয়েছে।
জানাগেছে,বাসাইল উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের ভাংরা গ্রামের নিমাই চন্দ্রের ছেলে কৃষ্ণ চন্দ্র(৩৫) সিংগাপুর থাকার সুবাধে নিমাই চন্দ্রের পুত্রবধু মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে।এক পর্যায় সম্পর্ক গভীরে পৌছালে প্রেমিক অমিত সুত্রধরকে তার স্বামীর বাড়ি ভাংরা গ্রামে আসতে বলে।পরে বেরসিক জনতা তাদেরকে আটক করে। খবর পেয়ে উৎসুক জনতা এলাকায় ভীড় করে। ঘটনাটি কাশিল ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো.লিটন মেম্বার সামাজিকভাবে মীমাংসা করে প্রেমিক অমিত সুত্রধরকে ছেড়ে দেয়। এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে।। এলাকাবাসী জানান, রাতের আঁধারে জনগন দুইজনকেই আপত্তিকর অবস্থায় আটক করে। সেই ঘটনায় কোন প্রকার শাস্তিমুলক বিচার না করেই স্থানীয় ইউপি সদস্য ছেলের পক্ষের সাথে আঁতাত করে তাকে ছেড়ে দিয়েছে।
এ ব্যপারে ইউপি সদস্য মো.লিটন মেম্বার বলেন, আমি ঘটনার বিষয়ে বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করি এবং ঘটনাস্থলে একজন অফিসার এসে বিস্তারিত জানার পর সামাজিক ভাবে আপোষ-মীমাংসা করি।
এ বিষয়ে, বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) হারুনুর রশীদ বলেন, ঘটনার বিষয়ে লোকমুখে শুনেছি, তবে কেউ কোন অভিয়োগ না করায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা যায়নি।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল ছাত্রনেতা আলী আজগর টাঙ্গাইলের কালিহাতী বাসস্ট্যান্ডে তৎকালীন ঢাকাইয়া হোটেলে (গ্রীন হোটেল) অবস্থান করছিলেন। এ অবস্থায় পাকিস্তানি হানাদাররা আচমকা এসে গুলি করলে তিনি শাহাদৎ বরণ করেন। পরে শহীদ আলী আজগরকে কালিহাতীর ঝগড়মান কবরস্থানে দাফন করা হয়।
শহীদ আলী আজগর টাঙ্গাইলের কালিহাতী পৌরসভার সাতুটিয়ায় ১৯৫০ সালের ৩১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মুন্সী আলীম উদ্দিন এবং মাতার নাম হালিমা বেগম। ছোটবেলা থেকেই আলী আজগর ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ও মিশুক স্বভাবের। তিনি ১৯৬৬ সালে কালিহাতী রামগতি শ্রীগোবিন্দ (আরএস) পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন। এরপর ভর্তি হন টাঙ্গাইলের কাগমারীর মওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজে। নিজ দক্ষতায় ধীরে ধীরে হয়ে উঠেন তুখোড় ছাত্রনেতা। আলী আজগর ১৯৬৮-৬৯ কার্যসালে কাগমারী কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) নির্বাচিত হন। ছাত্রলীগের নেতা হিসেবে তিনি তৎকালীন সময়ে সরকার বিরোধী বিভিন্ন আন্দোলন- সংগ্রামে সাহসের সাথে নেতৃত্ব দিয়েছেন। মওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেন। কালিহাতী তথা টাঙ্গাইলে মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠক হিসেবে কাজ করতেন।
শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আলী আজগরের বিশেষ গেজেট নং- ১৫৬৫, শহীদ নং- ০২, মুক্তিবার্তা লালবই নং- ০১১৮০২০৫৩৬, বাংলাদেশ গেজেট নং- ২৪১০। শহীদ আলী আজগরের তিন ভাই কছিম উদ্দিন, আব্দুল করিম ও আব্দুল হামিদ এবং চার বোন ফুলজান নেছা, শামছুন্নাহার বেগম, আয়েশা বেগম ও আমেনা বেগম।
শহীদ আলী আজগরকে আজও শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন তার এলাকাবাসী। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্যোগে আলী আজগরের স্মৃতি সংরক্ষণে কালিহাতীতে গঠণ করা হয়েছে শহীদ আলঅ আজগর নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। কালিহাতী বাসস্ট্যান্ডের পূর্বপাশে ১৯৯০ সালে ১০/১৫ ফিটের একখন্ড জমি ১ টাকার বিনিময়ে কালিহাতী কলেজ কর্তৃপক্ষ সংঘটির নামে বরাদ্দ করে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃবঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কের কালিহাতী উপজেলার আনালিয়াবাড়ি নামক স্থানে সড়ক দূর্ঘটনায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। শনিবার( ১৭ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে মহাসড়কের ৮ এবং ৯ নম্বর ব্রীজের মাঝখানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষনিকভাবে নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আশরাফুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে একটি মোটরসাইকেল ও দুইজনের মরদেহ পড়েছিল। ধারনা করা হচ্ছে ,মোটরসাইকেলটিকে অজ্ঞাত কোন ট্রাক পিছন থেকে চাপা দিয়ে চলে গেছে। এ কারনেই হয়তো দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। লাশ দুটি উদ্ধার করে বঙ্গবন্ধু সেতু পুর্ব থানায় রাখা হয়েছে।
একতার কণ্ঠ ডেস্ক ঃ টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে চাহিদা মতো টাকা না দেওয়ায় শতাধিক ধান কাটা শ্রমিককে রাতভর আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) রাতে কৃষি অফিসের অনুমতিপত্র নিয়ে ওই শ্রমিকরা দুটি ট্রাকে করে পাবনা থেকে হবিগঞ্জে ধান কাটতে যাচ্ছিলেন। তবে পুলিশের দাবি কঠোর বিধিনিষেধ মানাতেই শ্রমিকদের ট্রাক আটকে দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, পাবনার আতাইকুলা এলাকা থেকে জীবিকার তাগিদে ধান কাটা শ্রমিক হিসেবে হবিগঞ্জে যাচ্ছিলেন শতাধিক ব্যক্তি। শুক্রবার রাত ১১টার দিকে এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ তাদের বহন করা দুটি ট্রাক আটকে দেয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন তারা।
রবিউল ইসলাম নামে ৬৫ বছর বয়সী এক শ্রমিক অভিযোগ করে বলেন, এই বয়সে শুধুমাত্র পেটের দায়ে অন্য জেলায় ধান কাটতে যাচ্ছি। যদি আটকেই দেবে তবে এলাকাতেই আটকে দিত। প্রশাসনের অনুমতি নিয়েই তো আমরা ধান কাটতে যাচ্ছি। এই বয়সে কয় বেলা না খেয়ে থাকা যায়? এখন জীবন নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারলেই বাঁচি। সেখানেই না হয় পরিবারের সঙ্গে না খেয়ে মরবো।
শ্রমিকরা বলেন, পাবনা থেকে এলেঙ্গা পর্যরাত আসতে কোনো সমস্যা হয়নি। এলেঙ্গা আসার পর পুলিশ তাদের ট্রাক আটকে দেয়। এ সময় টাকা দাবি করে পুলিশ। টাকা দিতে না পারায় ট্রাক দুটি ফাঁড়ির সামনে নিয়ে যায়। রাতে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টিতে ভিজতে হয়েছে। না খেয়ে রাত থেকে কষ্ট করতে হচ্ছে। পায়খানা-প্রসাবের জায়গা না থাকায় কষ্ট আরও কয়েক গুণ বেড়ে গেছে।
তারা আরও বলেন, কাজ না থাকায় আমরা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খুব কষ্টে দিন পার করছিলাম। তাই আমাদের উপজেলা কৃষি অফিসার ও চেয়ারম্যানের প্রত্যায়নপত্র নিয়ে ধান কাটতে হবিগঞ্জের দিকে যাচ্ছিলাম। পুলিশ আমাদের অনুমতিপত্র জব্দ করে রেখেছে।
ট্রাকচালক উজ্জল মিয়া বলেন, শুক্রবার বিকেলে পাবনা থেকে রওনা দিয়েছি। রাত ১১টার দিকে এলেঙ্গা আসলে পুলিশের এক অফিসার টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তারা ট্রাকের সব শ্রমিককে নামিয়ে দিতে বলেন। শ্রমিকদের বাসে যেতে বলেন। পরে অপর এক পুলিশ অফিসার এসে শ্রমিকসহ ট্রাক ফাঁড়িতে নিয়ে যান। গাড়ির কাগজপত্রও পুলিশ জব্দ করেছে।
পাবনা সদর উপজেলা কৃষি অফিসার হাসান রশিদ হোসাইনী বলেন, তাদের অনুমতিপত্র দেওয়া আছে। তাদের ছেড়ে দেওয়ার জন্য পুলিশকে অনুরোধ করেছি। পুলিশ হয়তো আইনগত ভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু মানবিক দৃষ্টিতে কাজটি তেমন ভালো হয়নি। আরেকটি বাসের ব্যবস্থা করে পুলিশ তাদের গন্তব্য পৌঁছাতে সহযোগিতা করতে পারত।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়াসির আরাফাত বলেন, টাকা দাবির বিষয়টি মিথ্যা। একটি ট্রাকে ৪৮ ও অপর ট্রাকে ৭২ জন শ্রমিক ছিল। স্বাস্থ্যবিধি না মেনে তারা গন্তব্য যাচ্ছিলেন। এছাড়াও গতকাল মহাসড়কে পণ্যবাহী ট্রাক দুর্ঘটনায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। সব কিছু মিলিয়ে সরকারি কঠোর বিধিনিষেধ পরিপন্থী কাজ করায় তাদের ট্রাক আটক করা হয়েছে। পরে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে পুলিশের পক্ষ থেকে দু’টি বাসের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। এতে শ্রমিকদের কোনো বাস ভাড়া দিতে হবে না। এছাড়া বাসটি যাতে কোথায় না আটকায় সেজন্য একটি প্রত্যয়ন পত্র দেওয়া হয়েছে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে মসজিদে ইফতার মাহফিলে লাইট লাগানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ৯জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার(১৬ এপ্রিল) জুম্মার নামাজ শেষে পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের গড়গোবিন্দপুর পশ্চিমপাড়া নালারচালা জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সখীপুর থানায় বিল্লাল ভূইয়া ও শামছুল হক বাদী হয়ে পৃথক দু’টি মামলা করেছেন।
পুলিশ বিল্লাল ভূইয়ার মামলার প্রধান আসামি শামছুল হকের ছেলে শহিদুর মিয়া (৩৫) এবং তার ভাই সোহাইল ওরফে শুভকে (১৯) গ্রেপ্তার করেছে।
মামলার বিবরণ ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ এপ্রিল বৃহস্পতিবার পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের গড়গোবিন্দপুর পশ্চিমপাড়া নালারচালা জামে মসজিদে ইফতার মাহফিলে লাইট লাগানোকে কেন্দ্র করে ওই এলাকার হেলাল ভূইয়া এবং শামছুল হকের সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়। এরই জের ধরে পরেরদিন ১৬ এপ্রিল শুক্রবার জুম্মার নামাজের সময় শামছুল হকের ছেলে শহিদুর রহমান, সোহাইল ওরফে শুভ মসজিদে ঢুকে হেলাল ভূইয়ার উপর হামলা চালায়। পরে মসজিদ থেকে বের হয়ে বাড়ি ফেরার পথে শহিদুর তার হাতে থাকা দা দিয়ে হেলাল ভূইয়ার মাথায় আঘাত করলে পরক্ষণে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে হেলাল ভূইয়া (৪৫), তার ছেলে শাহিন ভূইয়া (৩১) এবং কিতাব আলীর ছেলে কামাল মিয়া (৩৮) আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। হেলাল ভূইয়ার মাথার আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাকে টাঙ্গাইল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ওই ঘটনায় অপর পক্ষের শাকিল মিয়া (২৮), সাব্বির হোসেন (২৪), শাহজাহান মিয়া (৫৮), শহিদুর রহমান (৩৫), হাজেরা বেগম (২৭) এবং জাদরিল মিয়া (২৪) আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।
সখীপুর থানার ওসি (তদন্ত) এএইচ এম লুৎফুল কবির বলেন, মসজিদে সংঘর্ষের ঘটনায় উভয়পক্ষের মামলা নেওয়া হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্ত দু’জনকে গ্রেপ্তার করে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠিয়েছে। বাকীদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নের টাঙ্গাইলে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) বিকালে, শহরের পাঁচআনি বাজার ও ছয়আনি বাজার এলাকায় , টাঙ্গাইল সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ খাইরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।
অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারনে , পাঁচআনি বাজারে এক মিষ্টি ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা ও সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে দোকান খোলা রাখায় ছয়আনি বাজারে এক দোকানিকে ৫ হাজার টাকা এবং ছয়আনি বাজারে স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে মাস্ক ব্যবহার না করার , একজনকে ২ শত টাকা সহ সর্বমোট ১৫২০০( পনেরো হাজার দুইশত) টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর য সদস্যরা উপস্থিত ছিল।
এ প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার( ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ খাইরুল ইসলাম জানায়, সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য লকডাউন পরিস্থিতিতে ভ্রাম্যমান আদালতের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার পৌর এলাকার কাচারী পাড়ায় মহল্লাবাসির মধ্যে সংঘর্ষের জের ধরে আইয়ুব আলী (৭০) নামক এক বৃদ্ধ খুন হয়েছেন। পুলিশ খুনের সাথে জড়িত সন্দেহে দুইজনকে আটক করেছে।
এ প্রসঙ্গে গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোশাররফ হোসেন জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গত বুধবার (১৪ এপ্রিল) ওই মহল্লার আইয়ুব আলীর স্বজনদের সঙ্গে পড়শি সোহেলদের সাথে মারামারি হয়। এতে তিনজন আহত হয়। সন্ধ্যায় কাচারী পাড়া মসজিদে নামাজ পড়তে গেলে প্রতিপক্ষ সোহেল ও আলাদিনের নেতৃত্বে ৪/৫ জন আইয়ুব আলীকে মসজিদের ভিতর বেদম পেটায়। গুরুতর আহত আইয়ুবকে প্রথমে গোপালপুর হাসপাতাল এবং পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।
নিহত আইয়ুব আলীর পুত্র মোজাম্মেল হক জানান, বৃদ্ধ মানুষটিকে অমানুষিকভাবে পেটানো হয়। চিকিৎসার ত্রুটি ছিলনা। শুক্রবার(১৬ এপ্রিল) দুপুরে তার পিতা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
এদিকে তার মৃত্যুর খবরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আইয়ুব হত্যার বিচারের দাবিতে মহল্লাবাসি শহরের নন্দনপুর এলাকায় প্রধান সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে স্থানীয় প্রশাসন খুনিদের গ্রেফতার ও বিচারের আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেয় হয়।