/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ   টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের কাশিল পশ্চিমপাড়া থেকে কনা আক্তার (২৪) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) সকালে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন বাসাইল থানার অফিসার-ইন -চার্জ(ওসি) হারুনুর রশিদ।

নিহত গৃহবধূর পরিবার জানায়, প্রায় পাঁচ বছর আগে কাশিল পশ্চিমপাড়া এলাকার বাবু মিয়ার দুবাই প্রবাসী ছেলে কবির মিয়ার সঙ্গে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের দরুন গ্রামের জয়নাল মিয়ার মেয়ে কনা আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাকে যৌতুকের জন্য শাশুড়ি ও দুই ননাশের নানা নির্যাতন সহ্য করতে  হয়। এরপর তার শাশুড়ি কহিনূর বেগম ও স্বামী কবির মিয়া পুনরায় প্রবাসে পাড়ি জমান।

ফলে ওই গৃহবধূ তার শিশু সন্তানকে নিয়ে বাকপ্রতিবন্ধী শ্বশুরের সঙ্গে বসবাস করছিলেন। এরমধ্যে এক ননাশের স্বামী অন্যত্র বিবাহ করায় ও আরেক ননাশের স্বামী প্রবাসে থাকায় তারা শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে বাবার বাড়িতেই অবস্থান নেয়। সেই থেকে দুই ননাশই গৃহবধূর উপর নানা ধরনের নির্যাতন চালাতে থাকে।

সর্বশেষ সোমবার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায়ও ওই গৃহবধূ কনাকে তার দুুই ননাশ মিলে মারধর করে। পরে (মঙ্গলবার) সকালে তার বসত ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত গৃহবধূর মা বলেন, ‘রাতের কোনও এক সময় তারা আমার মেয়েকে হত্যা করে লাশ ঘরের ধন্নার সাথে ঝুঁলিয়ে রেখে আমাদের খবর দেয়। খবর পেয়ে ওই বাড়িতে গিয়ে দেখি ঘরের বাইরে থেকে তালা লাগানো অবস্থায় রয়েছে। আমি আমার মেয়ের হত্যার বিচার চাই।’

স্থানীয় ইউপি সদস্য আক্কাছ মিয়া বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানানো হয়। পরে পুলিশ এসে নিহতের লাশটি ঝুঁলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এটা হত্যা নাকি আত্মহত্যা কিছু বলা যাচ্ছে না।’

বাসাইল থানার অফিসার-ইন -চার্জ ( ওসি )হারুনুর রশিদ বলেন, ‘খবর পেয়ে নিহতের লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। পরে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেয়ে মৃত্যুর রহস্য জানা যাবে। এ ঘটনায় ইউডি মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. এপ্রিল ২০২১ ১১:০৪:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সাপের ছোবলে মুরগী ফার্ম মালিকের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সাপের ছোবলে মুরগী ফার্ম মালিকের মৃত্যু

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায়  মুরগির ফার্মে কাজ করার সময় সাপের ছোবলে লাভলু খন্দকার (৩০) নামের  এক মুরগী ফার্ম মালিকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার(২৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার জামাল হাটখুরা পশ্চিম পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত লাভলু ওই এলাকার খন্দকার মোতালেব মিয়ার ছেলে।

এ প্রসঙ্গে লাভলুর চাচাতো ভাই ও ত্রিশাল উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ  বলেন, লাভলুর দুই হাজার সেটের একটি লেয়ার মুরগির ফার্ম রয়েছে। সোমবার সকালে ফার্মে  লাভলূ মুরগির খাবার দিতে যায়। যাওয়ার পথে হঠাৎ তাকে একটি বিষধর সাপে ছোবল দেয়। ছোবলের সাথে সাথে লাভলুর  শরীরের  যন্ত্রণা শুরু হয়। প্রথমে তাকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। এখানে তার অবস্থার অবনতি হলে  তাকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে লাভলুর মৃত্যু হয়।

নিহত লাভলু বিবাহিত  ও এক সন্তানের জনক। এ ঘটনায় ওই পরিবারের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. এপ্রিল ২০২১ ০৩:৫৫:এএম ৫ বছর আগে
যমুনায় অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে ২ জনকে জরিমানা  - Ekotar Kantho

যমুনায় অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে ২ জনকে জরিমানা 

একতার কণ্ঠ ডেস্ক: টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের  কাজীর বাজার এলাকায় যমুনা নদীতে অবৈধ ড্রেজার এর মাধ্যমে বালু উত্তোলনের দায়ে, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ৪(খ) ধারা লংঘন করায়,  হুগড়া গ্রামের  আব্দুল মান্নানের ছেলে তোফাজ্জল হোসেনকে  ৫০০০০/ ( পঞ্চাশ হাজার)  টাকা ও পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে একই এলাকার মোঃ চান মোল্লার ছেলে মাজেদুর রহমানকে ১০০০০/-(দশ হাজার) টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার(২৬ এপ্রিল)  দুপুরে, টাঙ্গাইল সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি )ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ খায়রুল ইসলামের নেতৃত্বে এই  ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা হয়। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ খায়রুল ইসলাম জানান, অবৈধ ড্রেজার এর বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. এপ্রিল ২০২১ ০২:০১:এএম ৫ বছর আগে
শিশু রোদেলার ঠাঁই হলো মামা-মামীর ঘরে - Ekotar Kantho

শিশু রোদেলার ঠাঁই হলো মামা-মামীর ঘরে

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  জন্মের চার দিনের মাথায় পিতার হাতে মাতা খুন এবং খুনের মামলায় আসামি হয়ে পিতা পলাতক থাকায় অসহায় শিশুর ঠিকানা হয়েছিল কুমুদিনী হাসপাতালের শিশু বিভাগে। হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সগণ শিশুটিকে আদর আর মমতা দিয়ে লালন পালন করে নাম রেখেছিল ‘রোদেলা’।

আইনি প্রক্রিয়ায় ৩৫ দিন পর প্রশাসনের সহযোগিতায় অবশেষে কুমুদিনী হাসপাতালের সেই ফুটফুটে শিশু কন্যার ঠাঁই হলো মামা-মামির ঘরে। এখন থেকে মামা মামীই তার বাবা-মা। শিশুটিকে হস্তান্তরের সময় এক আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। রবিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে  টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় শিশু কল্যাণ বোর্ডের সদস্যগণ কুমুদিনী হাসপাতালে এসে শিশু কন্যাকে বৈধ অভিভাবক হিসেবে মামা খন্দকার আশরাদুল হক এবং মামি সাবিহা ইসলামের হাতে তুলে দেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ মার্চ দুপুরে কুমুদিনী হাসপাতালে টাঙ্গাইল জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার খন্দকার রেদোয়ানা ইসলাম ইলুকে তার স্বামী দেলোয়ার রহমান মিজান বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার পর পালিয়ে যান। তখন থেকেই বাবা-মা ছাড়া অসহায় ফুটফুটে শিশু কন্যার আশ্রয় হয় কুমুদিনী হাসপাতাল।

শিশুটির লালন-পালন নিয়ে গত ১ এপ্রিল টাঙ্গাইল জেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। শিশুটির দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনির সভাপতিত্বে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।

অন্যদিকে, মামলার বাদি ও কালচারাল অফিসার খন্দকার রেদোয়ানা ইসলাম ইলুর ভাই খন্দকার আশরাদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকেই তার বোনের উপর স্বামী মিজান অমানবিক অত্যাচার-নির্যাতন করছিল। মিজান সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি টাঙ্গাইল থেকে সম্প্রতি ভোলা জেলায় বদলি হয়ে যান।

গত ২২ মার্চ প্রসব ব্যাথা নিয়ে তার বোন খন্দকার রেদোয়ানা ইসলাম ইলু কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি হন।ওইদিনই কন্যা শিশুর জন্ম হয়। তার বোনের ছুটি হলেও শিশু কন্যা অসুস্থ্য থাকায় কেবিন ভাড়া নিয়ে তিনি থেকে যান।

গত ২৭ মার্চ মিজান কুমুদিনী হাসপাতালে শিশু কন্যাকে দেখতে আসেন। মিজানকে ওয়ার্ডে রেখে তার মামি খোদেজা বেগম শিশু কন্যাকে দুধ খাওয়ানের জন্য তিন তলায় যান। ফিরে এসে দেখেন রুমের দরজায় তালা।

ঘটনাটি কর্তব্যরত নার্স ও চিকিৎসকদের জানালে তারা বিকল্প চাবি এনে দরজা খুলে দেখেন বালিশ চাপা দিয়ে তার বোন ইলুকে হত্যার পর ঘাতক স্বামী মিজান পালিয়েছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, তার বোনকে পরিকল্পিত ভাবে খুন করা হয়েছে। এ বিষয়ে মির্জাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। খুনের পর থেকেই দেলোয়ার রহমান মিজান পলাতক রয়েছেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মির্জাপুর থানার এসআই মো. শাজাহান মিয়া জানান, মামলার পর থেকে একমাত্র আসামি দেলোয়ার রহমান মিজানকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তাকে গ্রেপ্তারে বিভিন্ন তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. এপ্রিল ২০২১ ০১:৩২:এএম ৫ বছর আগে
অবশেষে টাঙ্গাইলের যৌনপল্লীতে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ - Ekotar Kantho

অবশেষে টাঙ্গাইলের যৌনপল্লীতে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  অবশেষে টাঙ্গাইলের যৌনপল্লীতে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। করোনা ভাইরাসের  দ্বিতীয়  ঢেউয়ে দেশ বিপর্যস্ত হলে  এবার  লকডাউন ঘোষনার পর সরকারী কিম্বা বেসকারী পর্যায়ে টাঙ্গাইলের যৌনপল্লীর ৭০০ সদস্যদের মাঝে শনিবার(২৪ এপ্রিল) পর্যন্ত কোন ধরনের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়নি  । বিভিন্ন গণমাধ্যমে যৌনকর্মীদের অধাহারে-অনাহারে জীবন-যাপনের খবর প্রকাশিত হওয়ার পর এই ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হলো।রবিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ১১ টায় শহরের কান্দাপাড়ায় জেলা প্রশাসন এবং দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এছাড়াও লেডিস ক্লাবের উদ্যোগে শিশুদের মাঝে নগদ টাকা বিতরণ করা হয়েছে।করোনাভাইরাসে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে গিয়ে কর্মহীন হয়ে পড়া টাঙ্গাইল যৌন পল্লীর সদস্যদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রীও বিতরণ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহানা নাসরিন, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুন, সহাকারি কমিশনার (ভূমি) মো. খায়রুল ইসলাম, ডেপুটি নেজারত কালেক্টটর (এনডিসি) আনোয়ার হোসেন, সিনিয়র সহকারি কমিশনার মোছা. নুর নাহার বেগম, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ।

এ সময় যৌনপল্লীর ৫৫০ পরিবারের মাঝে ১০ কেজি চাল, দুই কেজি আলু, এক লিটার তেল, এক কেজি ডাল, এক কেজি পেঁয়াজ, এক কেজি ছোলা, এক কেজি চিনি, এক কেজি লবণ বিতরণ করা হয়। এ ছাড়াও ঈদে নতুন জামা কেনার জন্য ১২০ জন শিশুর মাঝে নগদ ৫০০ টাকা করে বিতরণ করা হয়।

প্রকাশ, টাঙ্গাইল পৌর এলাকার ১১ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত ২০০ বছরের পুরোনো কান্দাপাড়া যৌন পল্লীটি ৩০২ শতাংশ জমির উপর প্রতিষ্ঠিত। এর ৫৯টি বাড়িতে প্রায় ৭০০ যৌনকর্মী বসবাস করে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে গত বছরের ২০ মার্চ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতি জনকে ৩০ কেজি করে চাল দিয়ে এই পল্লীকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। এর পর ঈদুল ফিতরের আগে প্রতি সদস্যকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নগদ ৫০০ করে টাকা দেওয়া হয়।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. এপ্রিল ২০২১ ০৩:১৪:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জমির জন্য বাবা-মাকে পিটিয়ে আহত করল ছেলে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জমির জন্য বাবা-মাকে পিটিয়ে আহত করল ছেলে

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পোড়াবাড়ি ইউনিয়নের বানিয়াবাড়ী এলাকায় ছেলের নামে জমি লিখে না দেয়ায় বাবা-মাকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে।

ছে‌লের এমন অত্যাচা‌রে অতিষ্ঠ হ‌য়ে ছেলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে টাঙ্গাইল সদর ফাঁড়ি পুলিশের কাছে গিয়ে লিখিত অভিযোগ দিলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়‌নি পু‌লিশ।

এ ব্যাপারে অসহায় বৃদ্ধা বাবা মোহাম্মদ আলী পল্টু জানান, তার স্ত্রী রুমিছা বেগমের নামে বাড়ির সাড়ে ৯ শতাংশ জমি রয়েছে। সেই জমি ছেলে শুকুর আলী তার নামে লিখে দেয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে তাদের চাপ প্রয়োগ করে আসছে। প্রতিনিয়তই শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে।

তিনি জানান, এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (১৯ এপ্রিল) আবারও জায়গা লিখে দিতে বলে ছেলে শুকুর আলী । তার কথায় রাজি না হওয়ায় ছে‌লে, ছে‌লের বউ, না‌তি, ছে‌লের শ্যালকসহ কয়েকজন মিলে মোহাম্মদ আলী ও তার স্ত্রী রুমিছা বেগমকে মারধর ক‌রে।

এ সময় মোহাম্মদ আলীর আরেক ছে‌লে ও না‌তিরা এগি‌য়ে এলে তা‌দের‌ও মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।

এ ব্যাপারে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেয়‌নি পু‌লিশ। এতে আতঙ্কে দিন কাটাতে হচ্ছে তাদের।

মোহাম্মদ আলী পল্টুর আরেক ছে‌লে ফজল হক বলেন, গায়ের জোরে শুকুর বাবা-মা‌সহ সবাইকে লোক ভাড়া ক‌রে মারধর ক‌রে‌ছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আলী বলেন, বাবা-মা‌কে মারধর করার ঘটনা‌টি ন্যক্কারজনক। ছেলে হয়ে বাবা-মায়ের গায়ে হাত তোলা ঠিক হয়নি। তদন্তসাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

টাঙ্গাইলের কাগমারি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোশারফ হোসেন বলেন, বিষয়টি জানি। তবে শুনেছি তারা সামাজিকভাবে বিষয়টি সমাধান করবেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. এপ্রিল ২০২১ ০২:৩৭:এএম ৫ বছর আগে
মধুপুরে কেজিপ্রতি ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে  তরমুজ, বাজার মনিটরিংয়ের দাবি - Ekotar Kantho

মধুপুরে কেজিপ্রতি ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ, বাজার মনিটরিংয়ের দাবি

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ তরমুজ কেবল খেতেই সুস্বাদু নয়, শরীর-স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো। এতে চর্বি নেই। প্রচুর ভিটামিন এ, বি৬, সি, পটাশিয়াম, লাইকোপেন ও সিট্রুলিনের মতো উপাদান থাকে।মৌসুমী রসালো ফল তরমুজ এখন টাঙ্গাইলের মধুপুরে কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা তাদের ইচ্ছামতো দাম হাকিয়ে তরমুজ বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ জানিয়েছেন ক্রেতা ও জন সাধারণ। নিম্ন আয়ের মানুষের এবছরের তরমুজের স্বাদই নিতে খুবই হিমশিম খাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

রমজান মাস এলেই বাঙালীদের প্রতিটি পরিবারেই ইফতারে থাকে তরমুজসহ হরেক রকমের মৌসুমী ফলের সমাহার। কিন্তু এবছর সেই তরমুজের দাম এখন আকাশ ছোঁয়া। তবে দাম বৃদ্ধির কারনে অনেক রোজাদারসহ নিম্ন আয়ের মানুষ আজও তরমুজের স্বাদ নিতে পারেনি। গেল বছর মধুপুরের সর্বত্রই তরমুজের ছড়াছড়ি এবং পিচ হিসেবে বিক্রি হতে দেখা গেছে। কিন্তু এবার চিত্রটা ভিন্ন! চলতি মৌসুমে বাজারে পর্যাপ্ত তরমুজের দেখা গেলেও এ বছর তরমুজ কেজিতে বিক্রি হচ্ছে এবং তাও কেজিপ্রতি আবার ৫০ থেকে ৬০ টাকায়।

শনিবার (২৪ এপ্রিল) মধুপুরের মোটের বাজার হাট এবং শুক্রবার জলছত্র বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কেজি দরে তরমুজ বিক্রি হচ্ছে। অনেক ক্রেতা এসে বিক্রেতার সাথে দাম নিয়ে রীতিমতো বিবাদে জড়িয়ে পড়ছেন। আবার অনেক ক্রেতা যেহেতু কেজিতে বিক্রি হচ্ছে তাই কেটে ১ কেজি তরমুজ চাচ্ছেন দোকানির কাছে। এ নিয়েও চলছে বাক বিতন্ডতা।

অটোচালক ফরিদ, হীরা মিয়া, আসাদুজ্জামান আসাদ সহ আরও অনেকেই বলেন, লকডাউন চলছে। ভয় নিয়ে সড়কে আসি, দিন শেষে যা আয় হচ্ছে কোনো রকমে পরিবার পরিজন নিয়ে বেঁচে আছি। এই রোজগারে এ বছর তরমুজ খাওয়া সম্ভব হবে না।

বাজারে আসা রোজাদারসহ নানা শ্রেনী পেশার মানুষের প্রশ্ন তরমুজ কেজিতে বিক্রি হওয়ার কারন কি? যে তরমুজ গত বছরও মানুষ পিচ হিসেবে কিনেছে, সেই তরমুজ এ বছর কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে কেজিতে যদি ১৫/২০ টাকা হতো তাহলে সাধ্যের মধ্যে থাকতো ; অথচ ৫০/৬০ টাকা কেজি দরে তরমুজ বিক্রি হতে দেখা গেছে। ভোক্তাদের প্রশ্ন এই টাকা কি প্রকৃতপক্ষে ওই চাষি, যে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তরমুজ উৎপাদন করেছে তার পকেটে যাচ্ছে নাকি অন্য কারও পকেটে? কৃষকের তরমুজের ক্ষেত থেকে শুরু করে বাজারে বিক্রেতা পর্যন্ত যারা ভোক্তার পকেট খালি করে চলেছে তাদের খুজে বের করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

বাজারের কয়েকজন খুচরা ব্যবসায়ী জানান, বড় ব্যবসায়ীরা তরমুজ পাইকারী বাজার হতে শ’ হিসেবে কিনে তা কেজিতে বিক্রি করছেন। আমরাও কেজিতে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি। বাজার মনিটরিং করলে কেজি কাহিনী উন্মোচন হবে বলে তারা মনে করছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. এপ্রিল ২০২১ ১২:৩৬:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিদ্যুৎ পৃষ্টে স্কুল শিক্ষকের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিদ্যুৎ পৃষ্টে স্কুল শিক্ষকের মৃত্যু

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ফ্যান দিয়ে ধানের কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎ পৃষ্টে মোকাদ্দেস আলী নামে এক শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) রাতে পৌর শহরের পশ্চিম ভূঞাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

তিনি উপজেলার  পৌর শহরের পশ্চিম ভূঞাপুর  এলাকার বাসিন্দা। তিনি স্থানীয়  রামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, ওই শিক্ষক তার বাড়িতে ফ্যান দিয়ে ধানের কাজ করছিল। একপর্যায়ে ফ্যানে হাত দিলে বিদ্যুতায়িত হন তিনি। পরে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ  নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. এপ্রিল ২০২১ ০২:২১:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার কোদালিয়া এলাকায় ট্রাকচাপায় দেলোয়ার হোসেন দেলু (১৮) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দেলোয়ার ওই উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের চিতেশ্বরী গ্রামের জলিল মিয়ার ছেলে বলে জানা গেছে।

মির্জাপুর গোড়াই হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, মহাসড়কটির কোদালিয়া এলাকায় মোটরসাইকেলটি ওভারটেক করার সময় ট্রাকচাপায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন। ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করলেও চালক পালিয়ে গেছেন। নিহতের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. এপ্রিল ২০২১ ০৮:০১:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নদীতে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীর মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নদীতে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

একতার কণ্ঠ ডেস্ক :টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে এলেংজানি নদীতে গোসল করতে নেমে ৯ম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার সল্লা ইউনিয়নের আনালিয়া বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক রেজাউল করিম নিশ্চিত করেছেন।নিহত মীম আক্তার (১৫) আনালিয়াবাড়ী  গ্রামের মো. আব্দুল্লাহর মেয়ে।

জানাগেছে, স্কুল ছাত্রী প্রতিবেশীদের সাথে নদীতে গোসল করতে গিয়ে হঠাৎ তলিয়ে যায়।অনেক খোঁজাখোজি করে তাকে পাওয়া না গেলে ডুবরী দলকে খবর দেয়্  হয় ।খবর পেয়ে টাংগাইল জেলা ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরী দল ঘটনা স্থলে পৌঁছে নদীর পানিতে ডুবে নিখোঁজ হওয়া মীম আক্তার (১৫) কে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে ।পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি মো. শফিকুল ইসলামের কাছে মরদেহটি হস্তান্তর করা হয় ।

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল  ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক রেজাউল করিম বলেন, শুক্রবার দুপুরে মীম আক্তার গোসল করতে এলেংজানি নদীতে নামেন। এক পর্যায়ে তিনি পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয়। পরে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌছে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ওই শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. এপ্রিল ২০২১ ০৭:০৫:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রাইভেটকারসহ ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রাইভেটকারসহ ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একটি প্রাইভেটকারসহ ডাকাত দলের ৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার( ২২ এপ্রিল) রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উপজেলার কোদালিয়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার(২৩ এপ্রিল) তাদের ৪ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো পটুয়াখালী জেলার মির্জাগজ্ঞ থানার  নতুন শ্রীনগর গ্রামের ইলিয়াস হাওলাদারের ছেলে জুয়েল হাওলাদার (২৭), একই জেলা সদরের কালিচন্না গ্রামের চান মিয়ার ছেলে নুর আমিন (২৪) শরীয়পুর জেলার জাকিরা উপজেলার পালেরচর গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে  মুরাদ (২৫), বড়গুনা জেলার আমতলী উপজেলার বনইবুনিয়া গ্রামের মাজেদ মৃধার ছেলে নজরুল মৃধা (৩২)।

পুলিশ জানায়, মহাসড়কে প্রাইভেটকার অথবা মাইক্রোবাস নিয়ে নিজেরাই যাত্রী ও চালক সেজে যানবাহনের জন্য অপেক্ষায় থাকা যাত্রীদের কম টাকা ভাড়ায় গন্তব্যে পৌছে দেয়ার কথা বলে গাড়ীতে উঠাতেন। পরে সুবিধামতো জায়গায় পৌঁছে তাদের অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে গলায় গামছা পেঁচিয়ে সর্বস্ব লুটে নিতো। অনেক সময় চলন্ত গাড়ী থেকে লাথি মেরে ফেলে দিয়ে পালিয়ে দিতো। কোন কোন ক্ষেত্রে অনেক যাত্রীকে মেরেও ফেলে।

গ্রেপ্তারকৃতরা মহাসড়কের বাইপাইল-চন্দ্রা-টাঙ্গাইল এবং গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাস থেকে মিরের বাজারসহ আশপাশের এলাকায় অপরাধ সংগঠিত করতো বলে মির্জাপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ রিজাউল হক জানিয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. এপ্রিল ২০২১ ০২:৩৫:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ফের ৭৬ বস্তা খাদ্য বান্ধব চাল জব্দ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ফের ৭৬ বস্তা খাদ্য বান্ধব চাল জব্দ

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ফের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১০ টাকা কেজির ৭৬ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার(২২ এপ্রিল) বিকালে উপজেলার হাদিরা ইউনিয়নের চাতুটিয়া মধ্যপাড়ার লাল মিয়ার বাড়ি থেকে চালের বস্তা গুলো উদ্ধার করে উপজেলা প্রশাসন। গোপালপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ(ওসি) মোশাররফ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পারভেজ মল্লিক বলেন, দুইজন ব্যক্তি ১০ টাকা কেজি দরের ৩০ কেজি বস্তার খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল ক্রয় করে লাল মিয়ার বাড়িতে মজুদ করে রাখেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে ৭৬ বস্তা চাল জব্দ করা হয়।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে লাল মিয়াসহ বাড়ির লোকজন পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা আবদুল্লাহ ইবনে হুসাইন বাদী হয়ে গোপালপুর থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।

প্রকাশ,এর আগে মঙ্গলবার(২০ এপ্রিল) বিকালে উপজেলার আলমনগর মধ্যপাড়ায় অভিযান চালিয়ে ৬০ বস্তা খাদ্য বান্ধব চাল জব্দ করা হয়।
জেলা প্রতিনিধি

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. এপ্রিল ২০২১ ১০:০০:পিএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।