একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে নাতির লাঠির আঘাতে শরিফুন্নেছা (৬৫) নামের এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। বুধবার( ১২ মে) বিকেল তিনটার দিকে উপজেলার দেবলচালা গ্রামের নাজমুল (২১) নামের এক যুবক ঐ বৃদ্ধার মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করলে তাঁর মৃত্যু হয় বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। অভিযুক্ত নাজমুল সম্পর্কে ওই বৃদ্ধার ছেলের ঘরের নাতি। ঘটনার পরপরই নাজমুল বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। নিহত শরিফুন্নেছা ওই এলাকার আবদুল বাছেদ মিয়ার স্ত্রী।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নাতি নাজমুল ভ্যান চালিয়ে বাড়ি এসে ঈদের কাপড় কেনা কাটার প্রসঙ্গ তুলে কথা কাটাকাটি করে। এক পর্যায়ে দাদির মাথায় আকস্মিক ভাবে মোটা কাঠের খন্ড দিয়ে আঘাত করে। এ সময় দাদি শরিফুন্নেছা মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। মাথা ফেটে রক্তক্ষরণ হয়ে হাসপাতালে নেয়ার সময় তাঁর মৃত্যু হয়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়েছে। এ ঘটনায় বিকেল ছয়টা পর্যন্ত পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।
সখীপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একে সাইদুল হক ভূঁইয়া বলেন, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দেউলাবাড়ি ইউনিয়নে দুই নীলগাই নিয়ে বিপাকে পড়েছেন এলাকার মানুষ। হঠাৎ লোকালয়ে চলে এসে বিলুপ্তপ্রায় এ প্রাণী দু’টি নষ্ট করছে ফসল।
আবার নীলগাই দেখার জন্য ভিড়ও জমাচ্ছেন শত শত মানুষ।
জানা যায়, গত দু’দিন ধরে দু’টি নীলগাই ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে বেড়াচ্ছে। মাঝে মধ্যে কৃষকের পাকা ধান নষ্ট করছে। এক নজর দেখার জন্য শত শত মানুষ প্রাণীটির পিছনে দৌড়াচ্ছেন। মানুষের তাড়া খেয়ে বিশ্রাম নিতে না পেরে হাঁফিয়ে উঠছে বিলুপ্তপ্রায় এ প্রাণী দু’টি।
বাঘেরহাট নচিয়ামামুদপুর গ্রামের ব্যবসায়ী মো. খাইরুল ইসলাম জানান, গত দু’দিন ধরে নীলগাই দু’টি প্রথমে চেড়াভাঙ্গা সংলগ্ন পাহাড়ের টিলার উপর দেখতে পান এলাকার লোকজন। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি হয়।
দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম খান জানান, তিনি শুনেছেন দু’টি নীলগাই দু’দিন ধরে ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
ভারতের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে নীলগাই দু’টি পথ ভুলে বাংলাদেশে ঢুকে পড়তে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
রফিকুল ইসলাম খান উপজেলা প্রাণিসম্পদ ও বন বিভাগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ করেন শিগগিরই বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী দু’টি উদ্ধার করতে ব্যবস্থা নেওয়ার।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে কোভিড-১৯ ভীতি উপেক্ষা করে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপনের লক্ষ্যে কেনাকাটায় মহাব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন মধুপুরবাসী। সরকারের কঠোর বিধিনিষেধ জারির পরও মধুপুররবাসীর মধ্যে যেন কোনো ধরনের করোনা ভীতি নেই। এই সংকটকালেও নিশ্চিন্তে ঈদের কেনাকাটা করছেন তারা।
টাঙ্গাইলের মধুপুরে বিভিন্ন বয়সী মানুষ তাদের পছন্দের জিনিসপত্র কিনতে এক মার্কেট থেকে অন্য মার্কেটে ছুটছেন। প্রতিটি মার্কেটেই ক্রেতাদের জনসমাগম চোখে পড়ার মতো। এক্ষেত্রে তাদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বা স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো তাড়না চোখে পড়েনি। কিছু কিছু মার্কেটে পা ফেলার জায়গাও পাওয়া খুবই মুশকিল হয়ে পড়েছে।
মধুপুরের পাইলট সুপার মার্কেট, সরকার মার্কেটসহ অন্যান্য মার্কেটগুলোতেও একজনের সঙ্গে আরেকজনের গা ঘেঁষে ঘেঁষে চলতে দেখা গেছে। এমনকি অভিভাবকদের সঙ্গে ঈদ শপিংয়ে মার্কেটে আসা শিশুদেরকেও মাস্ক পড়তে দেখা যায়নি।
মার্কেটগুলোতে উপচে পড়া ভীড় দেখা গেলেও বেচাকেনার পরিমাণ চাহিদার তুলনায় খুবই কম বলে দাবি করেছেন বিক্রেতারা। বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ক্রেতাদের ভীড় অনেক বেশি। কিন্তু বেচা-বিক্রি অনেক কম। যে পরিমাণ জনসমাগম রয়েছে সবাই যদি একটি করে জিনিসও কিনতেন তাহলে আমাদের দোকানের জিনিসপত্র অনেক কমে যেত। কেনাকাটা হচ্ছে কম, অধিকাংশই শুধু জিনিসপত্র দেখছেন।
সরেজমিনে মধুপুরের বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, শপিংমল ও দোকানপাট খুলে দেয়ার সঙ্গে সঙ্গেই একপ্রকার হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন ক্রেতারা। কেউ নিজস্ব গাড়ি হাঁকিয়ে যাচ্ছেন মার্কেটে। কেউ যাচ্ছেন অটোরিকশা কিংবা রিকশায়। তবে এখন আর কোনো চিন্তা-ভাবনা নেই মানুষের মধ্যে। স্বাস্থ্যবিধি কেউ কেউ মানছেন আর কেউ বা মানছেন না, যারা মানছেন না তাদেরকে বাধ্য করাররও যেন কেউ নেই।
মধুপুরের সরকার মার্কেটের কয়েকজন ক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঈদের শপিং করতে এসেছেন তারা। করোনার মধ্যেও তো ঈদ করতে হবে। এ কারণেই কিছু কেনাকাটা করতে এসেছেন। তবে এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ঘোরাঘুরি কম করছেন, পছন্দ হলেই কিনে নিচ্ছেন পছন্দের পোশাক বলে তারা জানান। করোনা সংক্রমণের মধ্যেও অনেকে শপিংমলগুলোতে ঘুরতে বেরিয়েছেন। দেখছেন নতুন কী কী কাপড়-চোপড় কিংবা জিনিসপত্র এসেছে। এতে করেও লোকজনদের ভিড় বাড়ছে।
মধুপুরের সাথী মোড়ের ফুটপাতের কাপড় বিক্রেতাদের সাথে কথা বললে তারা জানান, গত কদিনে লকডাউনে অনেক টাকার ক্ষতি হয়েছে। মাত্র কয়েকদিন বসতে পারছি। তবে আজ ক্রেতা অনেক। বিক্রিও মোটামুটি আগের দিনের তুলনায় ভালোই হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩১ হাজার ৮০২টি যানবাহন পারাপার হওয়ায় যে কোন সময়ের চেয়ে বেশি টোল আদায় হয়েছে। রোববার (৯ মে) ভোর ৬টা থেকে সোমবার(১০ মে) ভোর ৬টা পর্যন্ত সময়ে দুই কোটি ২০ লাখ ২৭ হাজার ৬৩০ টাকা টোল আদায় হয়েছে। এরমধ্যে উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকাগামী পরিবহনের সংখ্যা ছিল ১৬ হাজার ৭৭৯ এবং ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী পরিবহনের সংখ্যা ছিল ১৫ হাজার ২৩টি। যা অন্য যে কোন স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ। বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম ও সেতু কর্তৃপক্ষের একাধিক সূত্র এতথ্য নিশ্চিত করেছে।
নাম সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্র জানায়, বঙ্গবন্ধুসেতু দিয়ে পণ্যপরিবহনে নিয়োজিত ট্রাক, পিকআপভ্যান, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত যানবাহন ছাড়াও বিপুল সংখ্যক যাত্রীবাহী বাস স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ সেতু দিয়ে পারাপার হয়েছে। এদিকে, সোমবার সকাল থেকে উত্তরবঙ্গমুখী সড়কে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ বেড়েছে। ঈদুল ফিতরের দিন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি নিয়ে মালবাহী ট্রাক, খোলা ট্রাক, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ব্যক্তিগত গাড়িতে গাদাগাদি করে বাড়ি ফিরছেন ঘরমুখো মানুষ।
অন্যদিকে, সরকার ঘোষিত দূরপাল্লার গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও ঈদে ঘরমুখো মানুষ তা মানছে না। ব্যক্তিগত পরিবহনের পাশাপাশি ট্রাক, মাইক্রোবাস, পিকআপে করেই প্রিয়জনের সাথে ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে বাড়ি ছুটছে মানুষ। ফলে ঈদের দিন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কয়েকগুন বৃদ্ধি পেয়েছে। বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব পাড় থেকে কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে থেমে থেমে যান চলাচল করছে। দূরপাল্লার গণপরিবহন বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে যাত্রী সাধারণ। এছাড়া মহাসড়কে যাতায়াতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে জেলার অভ্যন্তরে গণপরিবহন চলাচলের নির্দেশনা থাকলেও তা মানা হচ্ছেনা। খুবই কম সংখ্যক দূরপাল্লার গণপরিবহন চলাচল করতে দেখাগেছে। তবে রাতে দূরপাল্লার যানবাহেেনর আধিক্য বেশি লক্ষ্য করা গেছে।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়াসির আরাফাত জানান, মহাসড়কে দূরপাল্লার কোন গণপরিবহন চলাচল করছে না। তবে সোমবার সকাল থেকে মহাসড়কে গাড়ির চাপ রয়েছে।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, গত কয়েকদিন ধরে এ মহাসড়কে যানবাহনের চাপ ক্রমাগত বাড়ছে। তবে এখনও যানজট ছাড়াই স্বাভাবিক গতিতে যানবাহন চলাচল করছে।
একতার কণ্ঠঃ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, এবছর সারা দেশে আনন্দমুখর পরিবেশে বোরো ধান কাটা চলছে।সরকারের নানামুখী উদ্যোগ ও ভর্তুকি দেওয়ার ফলে ধানসহ অন্যান্য ফসলের উৎপাদন প্রতি বছর বাড়ছে। বিশেষ করে চার দফায় সারের দাম কমানো বর্তমান সরকারের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত।
ইতোমধ্যে হাওরের প্রায় শতভাগ ধান কাটা শেষ হয়েছে। প্রতি বছর হাওর এলাকায় আগাম বন্যায় ধান তলিয়ে যায়- এবার সে আশঙ্কা নেই। আশা করা যায় সারাদেশে সফলভাবে ধান কাটা শেষ করা যাবে।মন্ত্রী বলেন, এখন দেশে বোরো মৌসুমে সবচেয়ে বেশি ধান হয়। এক সময় এ মৌসুমে তেমন কোন ধান হত না।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সেচ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ, সেচের মূল্য হ্রাস, সারের দাম নিয়ন্ত্রণ, বীজ, কীটনাশকসহ অন্যান্য কৃষি উপকরণ সহজলভ্যকরণ এবং নতুন নতুন উন্নত জাতের ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ফলেই এটা সম্ভব হয়েছে।
কৃষিমন্ত্রী শুক্রবার(৭ মে) বিকালে টাঙ্গাইলের মধুপুরে ব্রাহ্মণবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠে মধুপুর কৃষক লীগ আয়োজিত “ধান কাটা উৎসব” অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
একতার কণ্ঠ বিনোদনঃ ছোট বেলা থেকে নাচ এবং গানের প্রতি খুব বেশি দরদ থাকলেও বড় হতে হতে আনিকা খানের এখন ঝোঁক নাটকে। বছরের শুরুতে পরিচালক শাহীদ-উন-নবীর “মাইন্ড করবেননা প্লিজ” নামক একটি নাটকের মধ্য দিয়ে অভিনয় শুরু এক সময় নতুন কুঁড়ি, শাপলা কুঁড়িতে অংশগ্রহণকারী সেই ছোট্র আনিকার।
এবার ঈদুল ফিতরে দেখা যাবে তাকে ঈদের ৭ পর্বের বিশেষ ধারাবাহিক ‘বুড়া জামাই-২’ নাটকে নতুন প্রজন্মের এ অভিনেত্রী আনিকা খানকে। গত বছর ঈদে বৈশাখী টিভিতে প্রচারিত বুড়া জামাই নাটকের সিক্যুয়েল এটি।
বুড়া জামাই নাটকের বিপুল জনপ্রিয়তার কারণেই সিক্যুয়েল বুড়া জামাই-২। টিপু আলম মিলনের গল্পে জাকির হোসেন উজ্জলের চিত্রনাট্যে নাটকটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন রোহান আহমেদ রুবেল ও হানিফ খান।
নাটকে সুরভি চরিত্রে দেখা যাবে আনিকা খানকে নাটকের গল্প থেকে জানা যায় ফরহাদের খালা শেফালী বেগম তার মেয়ে সুরভীকে নিয়ে বেড়াতে আসেন। খালার অনেক শখ ছিল ফরহাদের সাথে সুরভীর বিয়ে দেবেন কিন্তু ফরহাদ কাউকে না জানিয়ে বিয়ে করে ফেলায় সে প্রচণ্ড কষ্ট পায়।
শেফালী বেগম অতি আবেগী এবং কথায় কথায় ওকে ছোট বেলা কোলে-পিঠে করে কত কষ্ট করে মানুষ করেছে বলে কান্নাজুড়ে দেন। দিয়াকে সে মোটেই দেখতে পারেন না। এই মেয়ের জন্যই সে ফরহাদের সাথে তার মেয়ের বিয়ে দিতে পারেনি। বিভিন্ন উছিলায় সে দিয়ার ভুল ধরতে চেষ্টা করেন। অপমান করেন। তার মনে এখনও ইচ্ছা কোনোভাবে দিয়াকে বিদায় করে দিতে পারলে ফরহাদের সাথে সুরভীর বিয়ে দিতে পারবেন।
এক প্রতিক্রিয়ায় আনিকা খান জানান, অনেক সুন্দর একটা নাটক। আশা করি দর্শকদের অনেক ভালো লাগবে । আমি চেষ্টা করেছি ভালো করার, অনুরোধ করবো সকলকে নাটকটা দেখার জন্য । সকলের দোয়া চাই। আগামীতে যেন দর্শকদের আরো ভালো ভালো নাটক উপহার দিতে পারি।
নাটকটিতে আরো অভিনয় করেছেন, জনপ্রিয় অভিনেতা জাহিদ হাসান,লাক্স সুন্দরী মীম মানতাশা, আরফান, সাজু খাদেম, মানসী প্রকৃতি, শিরিন আলম প্রমুখ। ঈদের সপ্তম দিনে রাত ৯.২০ মিনিটে নাটকটি প্রচার হবে বৈশাখী টিভিতে।
একতার কণ্ঠঃ নারায়ণগঞ্জ থেকে অপহরণের ১৬ ঘণ্টা পর টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা থেকে মো. আবিরকে (২৫) উদ্ধার করেছে র্যাব। শুক্রবার(৭ মে) ভোর রাতে উপজেলার দেউপাড়া বাজার থেকে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে তাকে উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাবের-১২ সিপিসি-৩ এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার এরশাদুল রহমান।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার (৬ মে) সকাল ৮টার দিকে নারায়ণগঞ্জের হিরাজিল সিরাজ টাওয়ারের দ্বিতীয় তলা থেকে মো. আবিরকে অপহরণ করা হয়। এরপর মোবাইল ফোনে বিকাশের মাধ্যমে তার পরিবারের কাছে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। আবিরকে নির্যাতনও করা হয়। বিষয়টি আবিরের পরিবার র্যাব-১২ কার্যালয়ে অভিযোগ করে।
এই অভিযোগ থেকে জানা যায়, আবিরের সঙ্গে এক বছর ধরে ফেসবুকে সুজন (২৫) নামে এক যুবকের বন্ধুত্ব আছে। সেই সূত্র ধরে, কাপড়ের ব্যবসা করার কথা বলে মো. আবিরকে অপহরণ করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে আবিরের অবস্থান শনাক্ত করা হয় এবং শুক্রবার ভোর রাতে তাকে উদ্ধার করা হয়।
এ সময় তিনি আরও বলেন, তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
একতার কণ্ঠঃ বৃহস্পতিবার(৬ মে) সকাল থেকে টাঙ্গাইলে বাস চলাচল শুরু হয়েছে। বাস চলাচল করায় যাত্রীদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও অস্বস্তি প্রকাশ করছে পরিবহন চালকরা। দুরপাল্লার গাড়ী চলাচল না করায় টাঙ্গাইলের বাসস্ট্যান্ডেই রয়েছে দুরপাল্লার বাসগুলো। শুধু লোকাল বাস ও নন সিটিং সার্ভিস বাসগুলো চলছে টাঙ্গাইল জেলায়।
স্বাস্থবিধি মেনে ফাঁকা ফাঁকা হয়ে যাত্রী পরিবহনের ব্যবস্থা থাকায় ভাড়া বেশি দিতে হচ্ছে যাত্রীদের। তারপরও কিছুটা স্বস্তির কথা জানিয়েছেন সাধারন যাত্রীরা। কিন্তু দুরপাল্লা গাড়ী চলাচল না করায় তেলের খরচও উঠছে না বলে জানিয়েছেন পরিবহন চালক ও মালিকগণ।
বাস চালক মিজানুর রহমান জানান, যাত্রী সংখ্যা কম হওয়াতে গাড়ীর তেল খরচ উঠানোই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তার পরও সরকারকে ধন্যবাদ বাস চলাচলের অনুমোদি দেওযার জন্য।
বাস মালিক এহসানুল হক বলেন, শুধু মাত্র শুধুমাত্র জেলার মধ্যে বাস চলাচলে মালিক-চালক-শ্রমিক কারো কোন লাভ হচ্ছে না। স্বাস্থ্য বিধি মেনে নিদিস্ট রুটে বাস চলাচল করার অনুমোদি দিলে সব দিক যাত্রী- মালিক উভয়ই লাভবান হতো। আশা করি, সরকার বিষয়টি বিবেচনায় আনবেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে গত ৩১ জানুয়ারি প্রসূতির পেটে গজ রেখে সেলাই করার ঘটনায় পাঁচ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।বৃহস্পতিবার( ৬ মে)দুপুরে টাঙ্গাইল সদর আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রসূতির বাবা এস,এম, মাহবুব হোসাইন এই মামলা করেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল বাকি মিয়া জানান, আদালত মামলা গ্রহণ করে পুলিশের তদন্ত ব্যুরোকে (পিবিআই) তদন্তের আদেশ দিয়েছেন।
বাদী এস,এম, মাহবুব হোসাইন জানান, গত ৩১ জানুয়ারি তার মেয়েকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিলে সেখানে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে একটি ছেলেসন্তান হয়। এরপর তার মেয়ের পেটে গজ রেখে সেলাই করে দেন চিকিৎসকেরা। এরা হলেন হাসপাতালের গাইনি বিভাগের চিকিৎসক ডা. নিসফুন নাহার, ডা. অপু সাহা, ডা. আবেদা সুলতানা, ডা. ফজলুল হক ও ডা. জাকির।
এদিকে গজ পেটে রয়ে যাওয়ায় পর দিন থেকেই তার মেয়ের পেটে ব্যথা শুরু হয়। গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা সন্দেহে এই হাসপাতালেই টানা ২২ দিন চিকিৎসা চলে। অবস্থার অবনতি হলে মেয়েকে ঢাকায় নেয়া হয়। গত ১ মার্চ ঢাকার হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে সিটি স্ক্যানে পেটের ভেতরে অস্বাভাবিক কিছু ধরা পড়ে। ৩ মার্চ অস্ত্রোপচার করে তার পেট থেকে প্রায় এক ফুট লম্বা গজ বের করেন চিকিৎসকেরা।
তিনি জানান, চিকিৎসকদের এই অবহেলার জন্য তিনি তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তিনি ঘটনার সঠিক তদন্ত ও সব আসামির বিচার চান।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. খন্দকার সাদিকুর রহমান বলেন, হাসপাতালের পক্ষ থেকে করা তদন্তে রোগীর স্বজনদের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে ঘটনাটি অনিচ্ছাকৃত ও অনাকাঙ্খিত। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কৈফিয়ত দাবি করব এবং সঠিক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করব।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে দুই কেজি গাঁজা সহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। বৃহস্পতিবার(৬মে) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব এর একটি দল কালিহাতী উপজেলারএলেঙ্গা বাসষ্ট্যান্ডে অবস্থিত মৌফুল সুইট এ্যান্ড রেস্টুরেন্টের কাছ থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- কুড়িগ্রাম জেলার ভূরঙ্গামারী উপজেলার বেলাদহ গ্রামের মোঃ সাইফুর রহমানের ছেলে মোঃ আব্দুল জলিল ও একই জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার ভাঙ্গামোড় গ্রামের মৃত আঃ খালেকের ছেলে মোঃ নাজির হোসেন।
এই অভিযান প্রসঙ্গে র্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ এরশাদুর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, র্যাব-১২, সিপিসি-৩ একটি দল অভিযান চালিয়ে মোঃ আব্দুল জলিল ও মোঃ নাজির হোসেনকে দুই কেজি গাঁজা,৪টি মোবাইল এবং নগদ ১৩০০ টাকা সহ গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে কালিহাতি থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন এর ৩৬ (১) এর ৮(ক) ধারায় নিয়মিত মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এই ধরনের অভিযান অব্যহত থাকবে বলে তিনি আরো জানান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর পৌর নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের এজেন্ট সূচী বেগমের আঙুল কাটার অভিযোগে নির্বাচিত কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি ওই ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। সোমবার (৩ মে) ভূঞাপুর পৌর আ.লীগের সভাপতি মো. আব্দুল বাছিদ মন্ডল ও সাধারণ সম্পাদক মো. খাইরুল ইসলাম তালুকদার বাবলুর স্বাক্ষরিত চিঠিতে এই বহিষ্কারের কথা গণমাধ্যমকে জানানো হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, মো. আনোয়ার হোসেন গত ৩০ জানুয়ারি ভূঞাপুর পৌরসভা নির্বাচনে ১ নং ওয়ার্ডের নির্বাচনী কেন্দ্রের নৌকা প্রতীকের এজেন্ট সূচী বেগমকে এবং আ.লীগের অন্যান্য কর্মীদের উপর নিজ স্বার্থ হাসিলের জন্য অতর্কিত হামলা করেন। সূচী বেগমকে নির্বাচনী বুথ থেকে বের করে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি কেটে ফেলেন। এ কারণে দল থেকে বহিষ্কার করা হলো তাকে। এছাড়া বাংলাদেশ আ.লীগের সাংগঠনিক পরিচয়সহ দলীয় সকল পরিচয় থেকে বিরত থাকতে বলা হলো তাকে।
উল্লেখ্য, ৩০ জানুয়ারি সকাল ৮ থেকেই সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ চলছিল টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার কুতুবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে। উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিচ্ছিলেন নারী-পুরুষ ভোটাররা। নিজের অবস্থা শোচনীয় দেখে জাল ভোট দিতে যান কাউন্সিলর প্রার্থী আনোয়ার হোসেনের লোকজন। অপর কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকরা বাঁধা দিলে বিপত্তি বাধে, শুরু হয় সংঘর্ষ। লাঠি হাতে নিয়ে নেতৃত্ব দেন সদ্য বিজয়ী কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়। কেটে ফেলা হয় নৌকা প্রতীকের এজেন্ট সূচী বেগমের আঙুল এবং গুরুতর আহত হয় ৭ জন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার একটি আনারস বাগান থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে মধুপুর থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (৪ মে) রাতে উপজেলার শোলাকুড়ী ইউনিয়নের কুড়ালিয়া গাজীর ভিটার আনারস বাগান থেকে ওই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়।
মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক কামাল বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এলাকাবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে আনারস বাগান থেকে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় ওই অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে,কয়েকদিন আগে তাকে হত্যা করে আনারস বাগানে ফেলে রাখা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, বুধবার (৫ মে) সুরতহাল শেষে নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। নিহতের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।এ ব্যাপারে মধুপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।