/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইল বিএনপির উদ্যোগে বৃক্ষ রোপন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল বিএনপির উদ্যোগে বৃক্ষ রোপন

একতার কণ্ঠঃ  সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইলেও জেলা বিএনপির উদ্যোগে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শুক্রবার(১৮ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের পদ্মমনি (বড়) পুকুর পাড়ে এ বৃক্ষ রোপন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছাইদুল হক ছাদু, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, জেলা বিএনপির সহ সভাপতি সাদেকুল আলম খোকাসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিবেশ বান্ধব নিম গাছের চারা রোপন করা হয়। জেলার অন্যান্য উপজেলা পর্যায়েও বৃক্ষ রোপন করা হবে বলেও দলীয় সূত্র জানান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. জুন ২০২১ ০১:৫৮:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে করোনা আক্রান্ত হয়ে ইউপি চেয়ারম্যানের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে করোনা আক্রান্ত হয়ে ইউপি চেয়ারম্যানের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ৬ নং দিঘলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম (৫২) করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি—-রাজেউন)। শুক্রবার (১৮ জুন) সকাল ১১টার দিকে তিনি মারা যান। তার গ্রামের বাড়ি উপজেলার নাটশালা গ্রামে।

স্থানীয় প্রশাসন ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি তিনি করোনা উপসর্গ নিয়ে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে নমুনা পরীক্ষায় তার করোনা পজেটিভ আসে। সেখান থেকে তিনি গত বুধবার বাড়িতে চলে আসেন। বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকাকালে শুক্রবার সকালে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে তিনি মারা যান। তিনি দিঘলকান্দি ইউনিয়নের দুই বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন।

মৃত্যুকালে তিনি চার মেয়ে ও এক স্ত্রীসহ বহু গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তার এক মেয়েও করোনায় আক্রান্ত। স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশক্রমে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুক্রবার বাদ আছর নাটশালা দক্ষিনপাড়া জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি নাটশালা গ্রামের পারিবারিক গোরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। তার মৃত্যুতে আওয়ামীলীগ, বিএনপি সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. জুন ২০২১ ১১:৩৭:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে করোনায় আরও এক জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১১৩ জন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে করোনায় আরও এক জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১১৩ জন

একতার কণ্ঠঃ  টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও এক জনের মৃত্যু হয়েছে। তার বাড়ি টাঙ্গাইল সদর উপজেলায়।গত ২৪ ঘণ্টায় ৩১৩টি নমুনা পরীক্ষায় ১১৩ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, নতুন আক্রান্ত ১১৩ জনের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ৫৪ জন, কালিহাতী ২০ জন, মির্জাপুরে ১০ জন, দেলদুয়ারে ছয় জন, সখীপুরেএক জন, বাসাইলে আটজন, ঘাটাইলে আট জন, মধুপুরে একজন, ভূঞাপুরে তিন জন ও গোপালপুরে দুই জন রয়েছেন। জেলায় করোনা শনাক্তের হার শতকরা ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ।

এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাড়াল পাঁচ হাজার ৮২৫ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছে চার হাজার ৩৭১জন। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন মোট ৯৬জন।

টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন জানান, গত একমাসে জেলায় করোনা ভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে গেছে।বিশেষ করে গত এক সপ্তাহ যাবৎ ৩০ ভাগের বেশি রোগী শনাক্ত হচ্ছে। জেলায় কঠোর বিধি নিষেধ আরোপ করার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

আগামি শনিবার(১৯ জুন) মিটিংয়ের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে লকডাউনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনি জানান, করোনা ভাইরাসের প্রকোপ শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে সচেতনতা বাড়াতে কাজ করা হচ্ছে।একই সাথে যারা স্বাস্থ্যবিধি মানছেনা তাদের বিরদ্ধে জরিমানা করা হলেও কাঙ্খিত মাত্রার ফল পাওয়া যাচ্ছেনা।

প্রতিদিনই করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। তাই আগামি শনিবার ‘জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটি’র সভা শেষে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে জেলার অধিক সংক্রমিত টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতী ও মির্জাপুর এই তিনটি উপজেলায় লকডাউনের পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. জুন ২০২১ ০২:০২:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জুয়ার টাকা পরিশোধ করতে না পেরে আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জুয়ার টাকা পরিশোধ করতে না পেরে আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের চর বিহারী গ্রামে জুয়ার টাকা পরিশোধ করতে না পেরে শরীফ(৩৫) নামে এক জুয়ারি বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) তার মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।

এর আগে বুধবার(১৬ জুন) রাতে তিনি বিষপান করায় স্বজনরা তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মৃত শরীফ ওই গ্রামের উখিলা শেখের ছেলে।

ভূঞাপুরের গাবসারা ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনির জানান, শরীফ জুয়া খেলায় আসক্ত ছিলেন। তিনি বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে জুয়া খেলায় অংশ নিতেন। জুয়া খেলার কারণে জুয়ারিদের কাছে প্রায় ৭ লাখ টাকা ঋণ গ্রস্থ হয়ে পড়েন তিনি।

ওই ঋণের টাকা বুধবার রাতেই পাওনাদার জুয়াড়িদেরকে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু টাকা সংগ্রহ করতে না পেরে তিনি বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন।

ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. আব্দুল ওহাব মিয়া জানান, এ ঘটনায় কেউ কোন অভিযোগ করেনি। মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. জুন ২০২১ ০১:১২:এএম ৫ বছর আগে
ইসলামিক স্কলার আবু ত্ব-হা আদনান ও তার সঙ্গীদের সন্ধানের দাবিতে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

ইসলামিক স্কলার আবু ত্ব-হা আদনান ও তার সঙ্গীদের সন্ধানের দাবিতে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ তরুণ ইসলামিক স্কলার আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনানসহ তার তিন সফর সঙ্গীর সন্ধানের দাবিতে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার(১৭ জুন) সকালে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণের সচেতন ছাত্র ও যুব সমাজের ব্যানারে শহীদ মিনারের সামনে উপস্থিত হয়ে মানববন্ধন করে শিক্ষার্থীরা।এতে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষও অংশগ্রহণ করেন।

এসময় নিখোঁজ তরুণ ইসলামিক স্কলার আবু ত্ব-হা আদনানসহ তার সাথে নিখোঁজ হওয়া তিন সফর সঙ্গীদের অতি দ্রুত সন্ধানের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সহ প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

বক্তারা বলেন, তরুণ ও মেধাবী ইসলামী বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানসহ তার সফরসঙ্গী আব্দুল মুকিত, মোহাম্মদ ফিরোজ ও গাড়িচালক আমির উদ্দিন ফয়েজ নিখোঁজ রয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। পুলিশ চাইলেই সবকিছু সম্ভব হয়। কিন্তু নিখোঁজ আবু ত্ব-হা আদনানদের বেলায় তা হচ্ছে না কেন? এ দেশের নাগরিক হিসেবে নিখোঁজদের সন্ধান চেয়ে দাবি জানানোর অধিকার আমাদের রয়েছে। কিন্তু এতো দিনে পেরিয়ে গেলেও তাদের সন্ধান না পাওয়াটা উদ্দেগজনক।

উপস্থিত সাধারণ শিক্ষার্থীরা এসময় আরো বলেন,অতি দ্রুত ত্ব-হা ও অন্যদের সন্ধান দিতে হবে।অন্যথায় টাঙ্গাইলসহ সারাদেশে গণআন্দোলনের হুশিয়ারি দেন উপস্থিত শিক্ষার্থীরা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. জুন ২০২১ ০১:৫৭:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিদ্যুতায়িত হয়ে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিদ্যুতায়িত হয়ে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ঘাটাইল উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের শংকরপুর গ্রামে বিদ্যুতায়িত হয়ে মঙ্গলবার(১৫ জুন) বিকালে মারুফ তালুকদার( ১৫) নামে এক স্কুল ছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবার জানায়, মারুফ তালুকদার( ১৫) শংকরপুর গ্রামের রফেল তালুকদারে এক মাত্র ছেলে ও স্থানীয় ঘাটাইল সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির মানবিক শাখার ছাত্র।

নিহতের চাচা মিজানুর রহমান জানান, মঙ্গলবার বিকালে মারুফ পানি দিয়ে গোয়াল ঘর(গরুর ঘর) পরিষ্কার করার জন্য বিদ্যুতের মটরের লাইন দিতে যায়। এ সময় নিজের অজান্তে বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে যায়। পরে বাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. জুন ২০২১ ০১:৪১:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নতুন করে ৯৫ জন করোনায় আক্রান্ত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নতুন করে ৯৫ জন করোনায় আক্রান্ত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ২৪ ঘন্টায় ২৫৪টি নমুনা পরীক্ষায় জেলায় ৯৫জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্তের হার ৩৭.৪০ শতাংশ। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫ হাজার ৭১২ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছে ৪ হাজার ৩৩৫ জন। এ পর্যন্ত জেলায় মোট মৃত্যুবরণ করেছে ৯৫ জন।

এদিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটে সর্বমোট ৩৬৭ জন রোগী ভর্তি হয়। এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৬২ জন। উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করা হয়েছে ৬১ জন। বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনালে হাসপাতালে আইসিউ বেডে ৪জন ও জেনারেল বেডে ১৮জন অন্যদিকে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কপ্লেক্সে পাঁচজনসহ জেলায় সর্বমোট ২৭জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. জুন ২০২১ ১২:০৯:এএম ৫ বছর আগে
করোনা সংক্রমণে টাঙ্গাইলকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জেলা হিসেবে ঘোষণা - Ekotar Kantho

করোনা সংক্রমণে টাঙ্গাইলকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জেলা হিসেবে ঘোষণা

একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলে এক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। গাণিতিক হারে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় টাঙ্গাইলকে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

জেলায় করোনা ভাইরাস শনাক্তের হার বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আগামি শনিবার(১৯ জুন) থেকে সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতী ও মির্জাপুর উপজেলায় সর্বাত্মক লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সোমবার(১৪ জুন) বিকালে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনির সভাপতিত্বে সোমবার বিকালে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল আমিন মিঞা, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক খন্দকার সাদিকুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরীফ উদ্দিন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতী ও মির্জাপুর উপজেলায় মঙ্গলবার(১৫ জুন) থেকে মাস্ক পরিধান ও কঠোর স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার পাশাপাশি মাইকিং করে করোনার ভয়াবহতা সম্পর্কে প্রচারণাসহ বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো শুরু হয়েছে।

এদিকে, টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৭১টি নমুনা পরীক্ষায় জেলায় ৮৫জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ৫৬, কালিহাতীতে ১২জন, মির্জাপুর উপজেলায় চার জন, দেলদুয়ারে ছয় জন, সখীপুরে তিন জন এবং নাগরপুর, ঘাটাইল, মধুপুর ও গোপালপুর উপজেলায় এক জন করে মোট ৮৫ জন রয়েছে। মঙ্গলবার(১৫ জুন) সকালে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, টাঙ্গাইল সদর ও কালিহাতী উপজেলা উত্তরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার ট্রানজিট পয়েণ্ট হওয়ায় এ দুই উপজেলায় করোনা শনাক্তের হার অন্য উপজেলাগুলোর তুলনায় অনেক বেশি।

তিনি আরও জানান, করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে সরকারি নির্দেশনা, স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে। নিজে সচেতন হতে হবে, অন্যকেও সচেতন করতে হবে।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত জেলায় করোনা আক্রান্তের মোট সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচ হাজার ৬১৭ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছে চার হাজার ৩৩১ জন। এ পর্যন্ত জেলায় করোনাক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে মোট ৯৫ জন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. জুন ২০২১ ১২:১৯:এএম ৫ বছর আগে
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নারীকে ধর্ষণ চেষ্টা মামলায় দুই ব্যক্তি গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নারীকে ধর্ষণ চেষ্টা মামলায় দুই ব্যক্তি গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার বাজাইল গ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর এক নারীকে(৪০) বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ চেষ্টার  অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় স্বগোত্রীয় দিনা সরকার(৩০) ও মণ্টু সরকারকে(৩২) জেলা গোয়েন্দা পুলিশ(ডিবি দক্ষিণ) গ্রেপ্তার করেছে। মঙ্গলবার(১৫ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

টাঙ্গাইল পুলিশ সুপারের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর এক নারীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে তিন জনকে আসামি করে রোববার(১৩ জুন) ভিকটিম(ওই নারী) বাদী হয়ে সখীপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি চাঞ্চল্যকর ও লোমহর্ষক হওয়ায় জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(অপরাধ) মো. শরফুদ্দীনের তত্ত্বাবধানে একটি চৌকষ টিম গঠন করা হয়।

পুলিশ সুপার জানান, টাঙ্গাইলের গোয়েন্দা পুলিশের(ডিবি দক্ষিণ) অফিসার ইনচার্জ মো. সাজ্জাদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত চৌকষ টিম অক্লান্ত পরিশ্রম করে মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জেলার মির্জাপুর ও নাগরপুর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত আসামি ভিকটিমের স্বগোত্রীয় দিনা সরকার ও মণ্টু সরকারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত দিনা সরকার ওই গ্রামের প্রকাশ সরকারের ছেলে ও মণ্টু সরকার স্বর্গীয় নারায়ন সরকারের ছেলে এবং ভিকটিমের(ওই নারীর) প্রতিবেশি।এজাহারভুক্ত অপর আসামি ময়নাল মিয়ার ছেলে সবদুল মিয়াকে(৩৫) গ্রেপ্তারে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

প্রকাশ, গত ১১ জুন(বৃহস্পতিবার) দিনগত গভীর রাতে সখীপুর উপজেলার হাতীবান্ধা ইউনিয়নের বাজাইল বড়চালা গ্রামের দিনা চন্দ্র সরকার, মণ্টু চন্দ্র সরকার ও সবদুল মিয়া নামে তিন ব্যক্তি মদ্যপ অবস্থায় ওই নারীর বাড়িতে যান। তারা ওই নারীকে ডেকে ঘরের বাইরে এনে জোর করে বাড়ির পাশের বনে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। ওই বখাটেরা ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে ওই নারীর মুখম-লসহ শরীরের স্পর্শকাতর সহ নানা স্থানে কামড়ে জখম করে চলে যান। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহতাবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করে প্রথমে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স ও পরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে(ওসিসি) ভর্তি করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. জুন ২০২১ ১১:৫৪:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের উপর নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের উপর নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান রুমি আক্তারের উপর যৌতুক লোভী স্বামীর নির্যাতনের প্রতিবাদ ও নির্যাতনকারী স্বামী স্কুল শিক্ষক মিজানুর রহমানের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল।মঙ্গলবার (১৫ জুন) পৌর সভার মোখতার ফোয়ারা চত্বরে সকাল সাড়ে দশটায় শুরু হয়ে ঘন্টা ব্যাপি এ এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে অভিযুক্ত মিজানুর রহমানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলর সাবেক কমান্ডার পৌর মেয়র বীরমুক্তিযোদ্ধা আবু হানিফ আজাদ, সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলী সিকদার,সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা এম ও গনি,সাবেক ডিপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইদুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল্লাহ মিয়া, নির্যাতিতা রুমির বাবা বীরমুক্তিযোদ্ধা আবদুল মান্নান, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম কাজী বাদল, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক, কামরুল হাসান আজাদ প্রমুখ বক্তব্য দেন। এতে উপজেলার তিন শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা ও সন্তান কাউন্সিলের নেতাকর্মী অংশ নেন। এ ঘটনায় ওই স্কুল শিক্ষককে স্কুল পরিচালনা কমিটি থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৫ নভেম্বর মিজানুর রহমানের সঙ্গে উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মান্নানের মেয়ে রুমি আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় রুমির বাবা মেয়েকে চার ভরি স্বর্ণালংকার দেন। বিয়ের পরের বছর মিজানুর একটি মোটরসাইকেল দাবি করেন। জামাতাকে দেড় লাখ টাকার একটি মোটরসাইকেলও কিনে দেন ওই বীরমুক্তিযোদ্ধা। ২০১৭ সালে রুমির গর্ভে কন্যাসন্তান আসে। অস্ত্রোপচারের জন্য শ্বশুরের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা নেন মিজানুর। দুই বছর আগে চাকরিতে সমস্যার কথা বলে শ্বশুরের কাছ থেকে আরও ৫০ হাজার টাকা আদায় করেন তিনি। চার মাস ধরে আরও দুই লাখ টাকা দাবি করে স্ত্রী রুমিকে নির্যাতন করে আসছিলেন মিজানুর। না দেওয়ায় কিছুদিন আগে মিজানুর তাঁর স্ত্রীকে তালাক দেন।

প্রসঙ্গত: গত ৯ জুন বুধবার সখীপুর থানায় রুমি আক্তার বাদী হয়ে স্বামী মিজানুর রহমানকে একমাত্র আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করলে পুলিশ মামলার তিন ঘন্টার মধ্যে আসামি মিজানুর রহমানকে গ্রেফতার ও আসামিসহ টাঙ্গাইল আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. জুন ২০২১ ০৯:২৭:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলের তিন উপজেলায় লকডাউনের পরিকল্পনা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের তিন উপজেলায় লকডাউনের পরিকল্পনা

 একতার কণ্ঠঃ  কয়েক দিন ধরে টাঙ্গাইলে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের সংখ্যা বাড়ছে। এ জন্য টাঙ্গাইলকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এই শনাক্তের হার বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আগামী শনিবার থেকে জেলার সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ তিন উপজেলায় সর্বাত্মক লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উপজেলাগুলো হলো টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতী ও মির্জাপুর।

সোমবার( ১৪ জুন) বিকেলে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এই তিন উপজেলায় মঙ্গলবার থেকে মাস্ক পরিধান ও কঠোর স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, মাইকিং করে করোনার ভয়াবহতা সম্পর্কে প্রচারণাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

জেলা প্রশাসক মো. আতাউল গনির সভাপতিত্বে সভায় সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাব উদ্দিন খান, শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল আমিন মিঞা, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক খন্দকার সাদিকুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরফ উদ্দিন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ বক্তব্য দেন।

এদিকে টাঙ্গাইলে ৭৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। ২৩১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে এ আক্রান্ত শনাক্ত হয়। আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ৩৯ জন, কালিহাতীতে ২১ জন, বাসাইলে ৫ জন, সখীপুরে ৪ জন, গোপালপুর ও ঘাটাইলে ৩ জন করে এবং মধুপুর ও দেলদুয়ারে ১ জন করে রয়েছেন। এ নিয়ে সোমবার সকাল পর্যন্ত জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৪ হাজার ৫৩২। করোনায় আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৯৫ জন।

সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাব উদ্দিন খান বলেন, টাঙ্গাইল সদর ও কালিহাতীতে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বেশি। করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে সরকারি নির্দেশনা, স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে। নিজে সচেতন হতে হবে, অন্যকেও সচেতন করতে হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. জুন ২০২১ ০৩:০৯:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিভাগীয় ক্যাডেটের ১৯তম ব্যাচের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিভাগীয় ক্যাডেটের ১৯তম ব্যাচের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের মহেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের বিভাগীয় ক্যাডেট (এসআই) এর ১৯তম ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৪ জুন) সকালে ট্রেনিং সেন্টারের প্যারেড গ্রাউডে এ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়।এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) ময়নুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি ময়নুল ইসলাম কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন। পরে তিনি ৪টি ক্যাটাগরিতে প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করেন।

ময়নুল ইসলাম জানান, ৮৭৭ জন প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে ২২৫ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ৬৫২ জন প্রশিক্ষণার্থী চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পেয়েছে। তবে যেসব প্রশিক্ষণার্থীকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে তারা পুনরায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত ডিআইজি মাহবুবুর রহমান, পুলিশ সুপার (ট্রেনিং) আব্দুর রহিম শাহ চৌধুরী, পুলিশ সুপার (প্রশাসন) সালমা সৈয়দ পলি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) শেখ রাজীবুল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রেনিং) মারুফা আক্তার প্রমুখ। এছাড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের অন্যন্য অফিসারবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রকাশ, ১৯তম ব্যাচের মোট প্রশিক্ষণার্থী ছিলেন ৮৭৭ জন। প্রশিক্ষণ চলাকালে বিভিন্ন কারণে ২২৫ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. জুন ২০২১ ০২:৪১:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।