একতার কণ্ঠঃ মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর স্মৃতি বিজরিত নানা প্রজাতির গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি ও সমাবেশ করেছে বিভিন্ন সংগঠন। বুধবার(৯ জুন) দুপুরে বৃষ্টি উপেক্ষা করে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(মাভাবিপ্রবি) ভিসি প্রফেসর ড. মো. আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে গাছ কাটা সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমি সমস্যা সমাধান না করার অভিযোগ তুলে ওই মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে অংশ নেয়- মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশন, মওলানা ভাসানী অনুসারী পরিষদ, খোদা-ই-খেদমতগার, মওলানা ভাসানী আদর্শ অনুশীলন পরিষদ, মওলানা ভাসানী মুরিদানও অনুসারী সংঘ, মওলানা ভাসানী স্মৃতি সংসদ, মওলানা ভাসানী স্মৃতি পরিষদ, মওলানা ভাসানী পরিষদ, মওলানা ভাসানী আদর্শ কলেজ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হাই স্কুল, ইসলামী
বিশ্ববিদ্যালয় সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্বদ্যিালয় সরকারি শিশু স্কুল, রাণী দীনমনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্বদ্যিালয় সূচী শিল্প স্কুল, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় তালিমাতে কোরআন ও সুন্নাহ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) ভিসি প্রফেসর ড. মো. আলাউদ্দিন অনিয়মতান্ত্রিকভাবে মওলানা ভাসানীর প্রতিষ্ঠিত অন্যান্য ৭টি প্রতিষ্ঠানের ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা মূল্যের ৫১টি গাছ কেটে বিক্রি করেছেন। আরও গাছ কাটার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন।
বক্তারা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট করে এসব গাছ কাটা বন্ধের দাবি জানান। যেসব গাছ কাটা হয়েছে সেগুলো বিক্রির টাকা সরকারের কোষাগারে জমা দেওয়ার দাবি করেন। নতুন করে আর কোন গাছ কেটে যেন স্থানীয় পরিবেশ নষ্ট না করতে পারে এজন্য সরকারের হস্তক্ষেপও কামনা করেন বক্তারা।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, ভাসানী পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা বুলবুল খান মাহবুব, টাঙ্গাইল জেলা সিপিবি’র সভাপতি অধ্যক্ষ আবদুর রাজ্জাক, সাধারণ সম্পাদক ওয়াহেদুজ্জামান মতি, ভাসানী ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক সানু,
ইসলামিক বিবি শিশু স্কুলের প্রধান শিক্ষক আফরোজা বেগম, রাণী দীণমনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামিমা ইসলাম, মওলানা ভাসানী আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন, ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় বালক হাই স্কুলের সহকারী শিক্ষক
মামুনুর রহমান, মওলানা ভাসানী মুরিদান অনুসারী সংঘের সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ আজাদ, মানবাধিকার কর্মী আবদুল গনি আলরুহি, ভাসানী স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক এনায়েত করিম, ভাসানী অনুসারী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শোভা খানসুর প্রমুখ ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার সিংহটিয়া গ্রামে জুয়ার আসর থেকে বুধবার (৯ জুন) সকালে ছয় জুয়াড়িকে ২৫ হাজার ৬০০ টাকাসহ গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
বুধবার দুপুরে র্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার মোহাম্মদ ইলিয়াস খান প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- কালিহাতী উপজেলার কোকডহরা ইউনিয়নের হাওড়াপাড়া গ্রামের মৃত আদুর ছেলে সায়েদ আলী(৪৫), গোপালপুর গ্রামের মৃত আসক আলীর ছেলে জুলহাস(৪৪), শিহরাইল গ্রামের মৃত বিশার ছেলে ফজলু মিয়া(৩৫), একই গ্রামের মৃত
শাহজাহানের ছেলে মঞ্জুরুল(৪৫), বানিয়াফৈর গ্রামের মৃত আয়েদ আলীর ছেলে মুক্তার হোসেন(৫২) এবং নারান্দিয়া ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের আ. খালেকের ছেলে মেছের আলী(২৬)।
এসময় জুয়া খেলার আসর থেকে নগদ ২৫ হাজার ৬০০ টাকা এবং এক বান্ডিল তাসসহ তাদের হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব কমন্ডার আরও জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার সিংহটিয়া গ্রামের বটতলা রোড সংলগ্ন পাটক্ষেতে অভিযান চালিয়ে জুয়ার আসর থেকে ২৫ হাজার ৬০০
টাকা এবং এক বান্ডিল তাস সহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের নামে কালিহাতী থানায় ১৮৬৭ সালের প্রকাশ্য জুয়া আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে দিন দিন করোনা আক্রান্তর সংখ্যা বাড়ছে। গত ২৪ ঘন্টায় ১১৪টি নমুনা পরীক্ষায় ২৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১৩জন, বাসাইলে ২জন, কালিহাতী ৫জন, ঘাটাইল ১জন, মধুপুর ১ ও মির্জাপুরে ২জন নিয়ে মোট ২৪জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ।টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এ নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ৫ হাজার ৭৯ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ী ফিরেছেন ৪ হাজার ২০৮ জন। এ পর্যন্ত জেলায় মোট মৃত্যুবরণ করেছে ৮২ জন।
এদিকে, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে করোনা আইসোলেশন ইউনিটে সর্বমোট ৩০১জন রোগী ভর্তি হয়। এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২১৪জন। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে ৬০জন। বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আইসিউ বেডে ৩জন ও জেনারেল বেডে ১৩জন নিয়ে মোট ১৬জন চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বংশাই নদীর বাসাইল উপজেলার কাউলজানী ইউনিয়নের সুন্যা পূর্বপাড়া অংশে পানিতে ডুবে আব্দুল্লাহ(৩) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ জুন) সকালে বংশাই নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।নিহত আব্দুল্লাহ ওই গ্রামের প্রবাসী আব্দুস সামাদের ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শিশু আব্দুল্লাহকে খুঁঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে বাড়ির পাশে বংশাই নদীতে শিশুটিকে ভেসে থাকতে দেখা যায়। পরে শিশুটির পরিবার স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।
বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. আরিফ জানান, শিশুটিকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়। পরে নিহতের পরিবার তার লাশ বাড়িতে নিয়ে গেছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কলিয়া পূর্বপাড়া গ্রামে হুরমুজ আলী(৬০) নামে এক কৃষকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (০৩ জুন) সকালে ঘরের ধর্ণার(আড়ার) সাথে ঝুলন্ত মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে হুরমুজ আলীকে দুই ভাই আমজাদ ও জবেদ আলী এবং ভাতিজা আমিনুর রহমান আমীন ও ফায়েজ তাকে হত্যা করে লাশ ঘরের ধর্ণার সাথে ঝুলিয়ে রাখে। নিহত হুরমুজ আলী ওই গ্রামের মৃত চাঁন মাহমুদের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, পৈত্রিক ১০ শতাংশ ভূমি নিয়ে তিন ভাই আমজাদ, জবেদ আলী ও হুরমুজ আলীর মধ্যে বিরোধ চলছিল। প্রায় দেড় বছর আগে বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলা হলে হুরমুজের সাথে তার ভাই আমজাদ আলী ও জবেদ আলীর বিরোধ আরও বেড়ে যায়। গত রোববার৩০ মে) বিষয়টি নিয়ে গ্রাম্য সালিশের আয়োজন করা হয়। সালিশে হুরমুজ আলীকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমজাদ আলী আগামি সোমবার(৭ জুন) হুরমুজ আলীকে টাকা পরিশোধ করার কথা ছিল। এর আগেই বৃহস্পতিবার (৩ জুন) নিজ ঘরের ধর্ণার সাথে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় হুরমুজের ঝুলন্ত লাশ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের লাশটি উদ্ধার করে।
নিহতের স্ত্রী সুরিয়া বেগম জানান, জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাদের সাথে বিরোধ চলছিল। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সময় তার স্বামী হুরমুজ আলীকে আমজাদসহ তার ছেলেরা হত্যার হুমকি দিচ্ছিল। তার স্বামী নতুন বাড়িতে তিনি একাই থাকতেন। তারা পুরাতন বাড়িতে ছিলাম। এ সুযোগে তার স্বামীকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
অভিযুক্ত আমজাদ আলী বলেন, পৈত্রিক ১০ শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে মামলা হলে গত রোববার গ্রাম্য সালিশে মিমাংসা করা হয়। হুরমুজ আলী অভিমানে আত্মহত্যা করেছে।
বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) হারুনুর রশিদ জানান, নিহতের লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অনুর্ধ্ব-১৭ গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সিলিমপুর ইউনিয়ন। বুধবার(২ জুন) বিকালে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত তীব্র প্রতিদ্বন্দীতাপূর্ন ফাইনাল মাচে ট্রাইব্রেকারে সিলিমপুর ইউনিয়ন ৬-৫ গোলে কাতুলী ইউনিয়নকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় জেলা ক্রীড়া সংস্থা টাঙ্গাইল এই জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট(অনুর্ধ্ব-১৭) এর আয়োজন করে।
খেলার শুরু থেকে দু’দলই আক্রমন পাল্টা আক্রমন করে খেলে কাঙ্খিত গোল বের করার চেষ্টা করতে থাকে। সিলিমপুর ইউনিয়নের স্টাইকার আকাশ খেলার ১৩ মিনিটের সময় চমৎকার দুরপাল্লার শটে কাতুলী জালে বল পাঠিয়ে দিয়ে (১-০) দলকে এগিয়ে নেয়। খেলায় পিছিয়ে পড়ে কাতুলী ইউনিয়ন গোল করে খেলার সমতার আনার চেষ্টা করতে থাকে। দ্বিতীয়ার্ধের ১০ মিনিটের সময় কাতুলী ইউনিয়নের রিফাতকে সিলিমপুর ইউনিয়নের ডিবক্স্রে মারাত্বক ফাউল করলে পেনাল্টি পেলে রেজাউল তার থেকে গোল করে(১-১) খেলায় সমতা আনে। এরপর খেলার ১৬ মিনিটের সময় সিলিমপুরের ডিবক্স্রে রানাকে ফাউল করলে আবারো কাতুলী আবারো পেনাল্টি পায়। পেনাণ্টি থেকে রেজাউল গোল করে(২-১) দলকে এগিয়ে নেয়।
সিলিমপুর ইউনিয়ন গোল পরিশোধের জন্য একচেটিয়া আক্রমন করতে থাকলে খেলার শেষ মুর্হুতে সিলিমপুরের শামীম চমৎকার শটে কাতুলীর জালে বল পাঠিয়ে (২-২) সমতা আনলে নির্ধারিত সময়ের খেলা ড্র হয়ে যায়। শিরোপা নির্ধারনী পেনাল্টি শুটআউটে সিলিমপুর ইউনিয়ন ৬-৫ গোলে কাতুলী ইউনিয়নকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়।
সিলিমপুর ইউনিয়নের পক্ষে জাহিদ, শান্ত, শাওন, জাহিদুল, জাফর ও সাব্বির গোল করে। আর কাতুলী ইউনিয়নের পক্ষে সুজন, রেজাউল , রিফাত হাসান, রানা ও মুন্না আহমেদ গোল করে।
খেলা শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুনের সভাপতিত্বে পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ শাহাজান আনছারী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার, কাতুলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল হোসেন, টাঙ্গাইলের সাবেক তারকা ফুটবলার বজলুর রহমান ও গোবিন্দ চন্দ্র।
খেলা আয়োজনে সহযোগিতা করেছেন উপজেলা ক্রীড়া পরিষদের সাধারন সম্পাদক জাহিদ তারেক খান জুয়েল। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেছেন ধারা ভাষ্যকার অনিক রহমান বুলবুল।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সড়কের পাশে আবারো মিললো নবজাতকের মরদেহ। এবার এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলা সদরে। বুধবার (২ জুন) সকালে টাঙ্গাইল-দেলদুয়ার সড়কের পাশে দেলদুয়ার সাব-রেজিস্ট্রি অফিস সংলগ্ন স্থান থেকে এক নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেছে দেলদুয়ার থানা পুলিশ।
এ প্রসঙ্গে দেলদুয়ার থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) মনোয়ার হোসেন জানান, মঙ্গলবার(১ জুন) রাতে কেউ মরদেহটি ওই স্থানে ফেলে রেখে গেছে।খবর পেয়ে নবজাতকের মরদেহটি উদ্ধার করে দাফনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
প্রকাশ, গত সোমবার(৩১ মে) সকাল ১২টার দিকে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার জেলা সদরে অবস্থিত সিএন্ডবি রোডের গণপূর্ত বিভাগের কোয়াটারের সামনের সীমানা প্রাচীরের কাছে একটি ট্রান্সফরমারের নিচে পলিথিনে মোড়ানো পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি নবজাতক কন্যা শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নুর-ই-খোদা রায়েজ নামে এক মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের স্বজনরা অভিযোগ করছেন, চিকিৎসকের অবহেলায় ওই বীরমুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের বিক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতালে ভাংচুর চালায়। এক পর্যায়ে নিহতের স্বজন ও হাসপাতালের কর্মচারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে কমপক্ষে পাঁচ জন আহত হয়েছেন।
জানা যায়, মঙ্গলবার(১ জুন) সকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা নুর-ই-খোদা রায়েজ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবা না দিয়ে সিট না থাকায় মেঝের(ফ্লোরের) বিছানায় রাখা হয়। পরে কর্তব্যরত নার্স একটি ইনজেকশন দিতে তার স্বজনদের কাছে চার হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা দেওয়ার পর অসুস্থ্য বীরমুক্তিযোদ্ধাকে ইনজেকশন দেওয়া হলেও কোন ডাক্তার তাকে দেখতে আসেন নি। মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে বীরমুক্তিযোদ্ধা নুর-ই-খোদা রায়েজ মারা যান। এ সময় বিক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে চিকিৎসা অবহেলায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে হাসপাতালের জানালা ভাংচুর করে।
এতে ক্ষুব্ধ হয়ে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক(আরএমও) ডা. মো. শফিকুল ইসলাম সজিব কয়েকজন কর্মচারী ও বহিরাগত ব্যক্তিকে নিয়ে বীরমুক্তিযোদ্ধার স্বজনদের উপর পাল্টা হামলা চালায়। এ হামলায় নিহত বীরমুক্তিযোদ্ধার স্বজনদের মধ্যে অন্তত পাঁচ জন আহত হয়। পরে স্বজনরা বীরমুক্তিযোদ্ধার লাশ নিয়ে বাড়ি যেতে চাইলে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক(আরএমও) ডা. মো. শফিকুল ইসলাম সজিব লাশ নিতে বাঁধা দেন। এ সময় আবার উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হলে নিহত মুক্তিযোদ্ধার ছেলে ইমরান ৯৯৯- এ ফোন করেন। ৯৯৯- এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বীরমুক্তিযোদ্ধা নুর-ই-খোদা রায়েজের ছেলে ইমরান জানান, একজন বীরমুক্তিযোদ্ধাকে যথাযথ চিকিৎসা না দিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মারাত্মক অন্যায় করেছে। মৃত্যুর পর বীরমুক্তিযোদ্ধার মরদেহ স্বজনদের নিতে না দিয়ে আরএমও ডা. সজিব চরম ধৃষ্টতা দেখিয়েছে। তিনি আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. শফিকুল ইসলাম সজিব ও তার সহযোগীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
হুগড়া ইউপি চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন তোফা জানান, তার সামনেই হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. শফিকুল ইসলাম সজিব লোকজন নিয়ে নিহত বীরমুক্তিযোদ্ধার স্বজনদের উপর হামলা চালিয়ে পাঁচজনকে আহত করেছে এবং মরদেহ নিতে বাধা দিয়েছেন। তিনিও অভিযুক্ত আরএমও’র শাস্তি দাবি করেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. শফিকুল ইসলাম সজিব জানান, রোগীর স্বজনরা অহেতুক হাসপাতালে ভাংচুর চালিয়েছে ও নার্সের শরীরে আঘাত করেছে। এ কারণে উপস্থিত হাসপাতালের স্টাফদের সাথে তাদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মীর মোশাররফ হোসেন জানান, এ ঘটনায় কোন পক্ষই থানায় অভিযোগ করেননি। কেউ অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘন্টায় ১৭৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২০জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো সাহাবুদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য সুত্রে জানা যায়, এদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ৮ জন, কালিহাতীতে ৫জন, ধনবাড়িতে ২জন, দেলদুয়ার, বাসাইল, ঘাটাইল, ভুঞাপুর ও মধুপুরে একজন করে রয়েছেন।
এ নিয়ে মঙ্গলবার( ১ জুন) সকাল পর্যন্ত জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৫০৩৬ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৮২জন। আরোগ্য লাভ করেছেন ৪২০২ জন। হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৩৫৬ জন। মোট কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৪৯৮০ জন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়ায় ট্রাকের ধাক্কায় সৈয়দ আসাদুল্লাহ(৫০) নামে এক মোটরসাইকেলআরোহী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে বঙ্গবন্ধুসেতু- ঢাকা মহাসড়কের করটিয়া বাইপাস এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
দুর্ঘটনায় নিহত মোটরসাইকেল আরোহী সৈয়দ আসাদুল্লাহ জেলার মির্জাপুর উপজেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। তিনি মেডিকন ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিতে রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম জানান, মোটরসাইকেলটি টাঙ্গাইলের দিকে যাচ্ছিল। পরে মোটরসাইকেলটি করটিয়া বাইপাস এলাকায় পৌঁছালে পেছন দিক থেকে একটি ট্রাক এসে মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এ সময় মোটরসাইকেলটির চালক ছিটকে পড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। নিহতের লাশটি হাইওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে আবারোও করোনা আক্রান্তর সংখ্যা বাড়ছে। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ২৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে।টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো সাহাবুদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য সুত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১২জন, বাসাইল ২জন, কালিহাতী ৪জন, ঘাটাইল ৪জন, গোপালপুর ২জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ৫ হাজার ১৬ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছে ৪ হাজার ২০১ জন। এ পর্যন্ত জেলায় মোট মৃত্যুবরণ করেছে ৮১ জন। ১২৭টি নমুনা পরীক্ষায় ২৪জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এদিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে করোনা আইসোলেশন ইউনিটে সর্বমোট ২৮৮জন রোগী ভর্তি হয়।
এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২০৯জন। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে ৬০জন। বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউ বেডে ৩জন ও জেনারেল বেডে ৬জন নিয়ে মোট ৯জন চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে রেজিস্ট্রেশনবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখার দায়ে তিনটি ফার্মেসীকে দুই লাখ ৩০ হাজার টাকা অর্থদন্ড করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।
সোমবার (৩১ মে) দুপুরে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. খায়রুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন ভ্রাম্যান আদালত ওই জরিমানা করেন।
এ সময় র্যাব-১২ সিপিসি-৩’র ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. এরশাদুর রহমান ও র্যাব সদস্যরা অভিযানে অংশ নেন।
অভিযানে টাঙ্গাইল শহরের পূর্ব আদালত পাড়ার স্বর্গীয় মনিন্দ্র চন্দ্রের ছেলে অরুণ চন্দ্রের রিমু সিমু ফার্মেসীকে এক লাখ টাকা, আদালত পাড়ার মৃত সজল আলীর ছেলে মো. আনিছুর রহমানের মধুবন ফার্মেসীকে এক লাখ টাকা এবং সদর উপজেলার পিচুরিয়ার আবুল কাশেমের ছেলে আ. মজিদের কশেম ফার্মেসীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. খায়রুল ইসলাম জানান, ফার্মেসীগুলোতে রেজিস্ট্রেশনবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখার দায়ে ঔষধ আইন ১৯৪০ এর ১৮(গ) ধারায় জরিমানা পূর্বক সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। পরে জব্দকৃত মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধগুলো পুড়িয়ে ফেলা হয়।