একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ঝটিকা মিছিল ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিল নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী।
শনিবার (৪ জানুয়ারি) ভোরে টাঙ্গাইল শহরে নিষিদ্ধ সংগঠনটির নেতাকর্মীরা এ কর্মসূচি পালন করে।

জানা গেছে, শনিবার ভোরে টাঙ্গাইল শহরের প্রাণকেন্দ্র নিরালার মোড় থেকে মিছিলটি বের করে নিষিদ্ধ সংগঠনটি। মিছিলটি নিরালার মোড়ে হয়ে মেইন রোডের আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে গিয়ে পূণরায় ঘুরে জগলু রোডের দিকে চলে যায়। ‘জয় বাংলা’স্লোগান দিয়ে মিছিলটি বের করলেও বেশিক্ষণ শহরে অবস্থান করতে পারেনি তারা।এর আগে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দেয় সংগঠনের নেতাকর্মীরা
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দেওয়াসহ মিছিলের নেতৃত্ব দেয় শহর ছাত্রলীগের সভাপতি ওয়ারেছুল হক তানজীল। কর্মসূচিতে ৮ থেকে ১০জন নেতাকর্মীউপস্থিত ছিল বলে জানা গেছে।
এ দিকে নিষিদ্ধ সংগঠনের হঠাৎ কর্মসূচি পালনে হতবাক টাঙ্গাইল শহরের সাধারণ মানুষ। এই বিষয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে জেলায় ক্রিয়াশীল বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
ছাত্র ফেডারেশনের টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি ফাতেমা রহমান বিথী তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাসে ছাত্রলীগের মিছিল ও পুষ্পস্তবক অর্পণের ছবি দিয়ে লিখেছেন, ‘টাঙ্গাইল ছাত্রলীগের আজকের মিছিল এটা। শহর ছাত্রলীগের সভাপতি তানজীলসহ বাকি গুন্ডা বাহিনী দিব্যি ঘুরে বেড়ায়, উদ্যানে এসে মুড়ি খেয়ে যায়। তাহলে টাঙ্গাইলের প্রশাসন আসলে কি করে?
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে পুরো শহরে টহল দেওয়া হয়েছে। তবে নিষিদ্ধ সংগঠনের কাউকেই খুঁজে পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য,গত ৫ আগস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর জেলায় আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এই ধরনের কর্মসূচি এই প্রথম পালন করা হলো।
একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (৪ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার দশকিয়া ইউনিয়নের ধলাটেঙ্গর এলাকার ৫ নম্বর রেল ব্রিজের কাছে এ ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন- ধলাটেঙ্গর এলাকার নিলু মণ্ডল ও তার স্ত্রী কল্পনা রানী মণ্ডল।
নিহতের পরিবারের লোকজন জানান, সকালে উপজেলার রৌহা গ্রামে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে বাড়ি ফিরছিলেন ওই দম্পতি।
পথে ধলাটেঙ্গর ৫ নম্বর রেল ব্রিজের কাছে রেললাইন পার হওয়ার সময় উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেনে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।
যমুনা সেতু পূর্ব ইব্রাহীমাবাদ স্টেশন মাস্টার শাহীন মিয়া দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,ঘটনার পরপরই মরদেহ দুটি পরিবারের লোকজন নিয়ে গেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের দেওলা এলাকা থেকে চাঁদাবাজি মামলায় মো. নাইম আদনান (৩৪) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার(৩ জানুয়ারি )দুপুরে ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করে তাকে টাঙ্গাইলের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠিয়েছে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ।
এর আগে বৃহস্পতিবার(২ জানুয়ারি )রাতে পৌর শহরের দেওলা এলাকার ‘নিঝুম’ ছাত্রাবাস থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত নাইম আদ ওই এলাকার আবুল কালাম আজাদের ছেলে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, সিলেটে কুলবাখানী এলাকার মৃত এমএ নুরের ছেলে তারেক আহমেদ দেশের বিভিন্ন এলাকায় মনিপুরি তাঁতিশিল্প ও জামদানি বেনারশি কল্যাণ ফাউন্ডেশন নামে বাণিজ্য মেলা করে থাকে।
এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে টাঙ্গাইল কালেক্টরেট মাঠে মেলা করার জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গত ২৬ ডিসেম্বর তারেককে অনুমতির বিষয়টি জানানো হলে তিনিসহ ডেকোরেটর ম্যানেজার ফরহাদ হোসেন ২৯ ডিসেম্বর টাঙ্গাইলে আসেন। তিনি দেওলা এলাকায় অবস্থানকালে শহরের হাজরাঘাট এলাকার জাহিদ, মো. ইমরান, নাইম আদনান, বিপ্লব ও জামাল হোসেনসহ অজ্ঞাত আরো কয়েক জন তাদের নিঝুঁম ছাত্রাবাসে নিয়ে যান। তাদের মুক্তিপনের জন্য ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা অস্বীকার করায় তাকে হত্যার হুমকিসহ মারধর করতে থাকে। পরে বিকাশ ও এসএ পরিবহনের মাধ্যমে কয়েক দফায় নাইমদের পাঁচ লাখ ৬০ হাজার টাকা প্রদান করে। ৩০ ডিসেম্বর রাতে অভিযুক্তরা তারেক ও ফরহাদ হোসেনের তিনটি অলিখিত ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে ছেড়ে দেন। বিষয়টি গোপন না রাখলে প্রাণ নাশের হুমকিও দেন অভিযুক্তরা। পরে থানায় তারেক আহমেদ বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা টাঙ্গাইল সদর থানার এসআই রামকৃষ্ণ দাস জানান, বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তারের পর শুক্রবার দুপুরে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বিকেলের পর শুনানী হওয়ার কথা রয়েছে। বাকি আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ত্রাণ তহবিল থেকে টাঙ্গাইলে অসহায় ছিন্নমূল মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার(২ জানুয়ারি )রাতে শহরের টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রাঙ্গনে প্রধান উপদেষ্টার পক্ষে ৩২০ জনের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক শরীফা হক।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, মো. আব্দুল্ল্যাহ-আল-মামুন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও )নাহিদা আক্তার, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আক্তারুজ্জামান, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ডেপুটি নেজারত কালেক্টর মো. আল আমিন কবির প্রমুখ।
এ প্রসঙ্গে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আকতারুজ্জামান বলেন, প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিল হতে ১০ হাজার কম্বল বরাদ্দ পেয়েছিলাম। ইতিমধ্যে ১২ উপজেলায় ৫০০ করে ৬ হাজার বিতরণ করা হয়েছে। বাকিরা চার হাজার হতে হাসপাতালে অসহায় ছিন্নমূল মানুষের মাঝে ৩২০টি বিতরণ করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন,এছাড়াও শীতবস্ত্র কেনার জন্য সরকারিভাবে ১২ উপজেলায় তিন লাখ টাকা করে মোট ৩৬ লাখ ও পরবর্তীতে আরো ৩২ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এছাড়া ১১টি পৌরসভার মধ্যে প্রথম শ্রেণির জন্য দুই লাখ করে, দ্বিতীয় শ্রেণির জন্য দেড় লাখ করে ও তৃতীয় শ্রেণির জন্য এক লাখ টাকা করে বরাদ্দ পাওয়া গেছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বেড়েছে শীতের তীব্রতা, সেই সাথে উত্তরের কনকনে হিমেল হাওয়ায় জবুথবু হয়ে পড়েছে জেলার জনজীবন। বিশেষ করে জেলার পশ্চিমের চরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বের পাহাড়ি এলাকায় সবচেয়ে বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে। ফলে নিম্ন-আয়ের মানুষ, গৃহহীন ভাসমান মানুষ ও কৃষকরা সমস্যায় পড়ছে সবচেয়ে বেশি।
টাঙ্গাইল আবহাওয়া অফিসের সূত্রে জানা যায়, জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় তাপমাত্রা কমেছে ৩ ডিগ্রী সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) সকল ৯টা জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস। এই তাপমাত্রার পতন অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জেলা আবহাওয়া অফিস।

জানা গেছে, বুধবার ও বৃহস্পতিবার জেলায় সূর্যের দেখা মেলেনি। সেই সাথে উত্তরের কনকনে হিমেল হাওয়ার কারনে জেলায় প্রচন্ড শীত অনুভূত হচ্ছে। এর ফলে জেলার পশ্চিমের চরাঞ্চলে খুব সকালে কৃষকদের সবজির খেতে গিয়ে সবজি তুলে শহরের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে আনতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। এ ছাড়াও জেলার পাহাড়ি এলাকায় ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় কারনে সন্ধ্যার পরে স্থানীয় মানুষ জন প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছে না
স্থানীয়রা জানায়,শীতের দাপটে গ্রামাঞ্চলের অনেকেই আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টাও করছেন। তীব্র শীত উপেক্ষা করে জীবিকার তাগিদে কাজের সন্ধানে বের হয়েছেন খেটে খাওয়া মানুষগুলো। তাপমাত্রা কমার চেয়েও বেশি অসুবিধা হচ্ছে হিমশীতল বাতাসে। এর পাশাপাশি ঘন কুয়াশা থাকায় বাতাসে তা গায়ে কাঁটার মতো বিঁধতে থাকে। ঘরে ঘরে লেপ-কাঁথা নামানো হয়েছে। তবে গত কয়েকদিন থেকেই শীতের তীব্রতা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার নিদারুণ কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন জেলার নিম্নআয়ের মানুষজন। খড়-কুঠো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে নিম্নে আয়ের মানুষ। সন্ধ্যার পর শহর খালি হয়ে যাচ্ছে। প্রচন্ড শীত থেকে বাঁচতে সন্ধ্যার পর ঘরে থাকছে শহরের মানুষ। যার প্রভাব পড়েছে শহরের ব্যবসা-বাণিজেও।
টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে পান-সিগারেট বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন লাইলি বেগম (৭০)। পরিবার-পরিজন বিহীন ভাসমান লাইলি বেগম থাকেন শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে। তিনি জানান, এই শীতে কাঁপছেন তিনি। গায়ের পাতলা চাদরটা তার শীত নিবারণ করতে পারছে না। তার পরও বাধ্য হয়ে এই প্রচন্ড শীতে সকাল থেকে রাত অব্দি পান-সিগারেট বিক্রি করতে হচ্ছে জীবনধারণের প্রয়োজনে। তার আফশোস এই প্রচন্ড শীতে কেউ তাঁকে একটি শীত বস্ত্র দিয়ে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেনি।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের বাগুনটাল গ্রামের কৃষক শাহাদাত হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার খুব ভোরে তার কপি খেতে গিয়েছিলেন কপি কেটে টাঙ্গাইল পার্ক বাজারে নিয়ে যাওয়া জন্য। প্রচন্ড শীতে কাঁপছে কাঁপতে তার পক্ষে আর সম্ভব হয়নি নদীর পাড়ের তার এই কপি খেতে থাকার। ফলে কপি না কেটেই বাসায় চলে এসেছেন তিনি। এ দিকে নির্দিষ্ট সময়ে কপি না তুললে বাজারে সঠিক দাম পাওয়া যাবে না বলে জানান তিনি। প্রচন্ড শীত তাঁদের জীবন যাপনকে আরও কঠিন করে তুলেছে।
শুকুর আলী টাঙ্গাইল পৌর এলাকায় ব্যাটারি চালিত রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। তার গ্রামের বাড়ি জেলার মধুপুর উপজেলায় হলেও টাঙ্গাইল শহরের পশ্চিম আকুর-টাকুর পাড়ায় পরিবার পরিজন নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকেন। তিনি জানান, এই প্রচন্ড শীতে শহরে মানুষ-জন বের হয় না। বিশেষ প্রয়োজনে যারা বের হচ্ছেন তারাও শহরে বেশী সময় থাকছে না। ফলে গত ৩ দিনে তার আয়-রোজগার প্রায় অর্ধেক হয়ে গেছে, এ ভাবে চলতে থাকলে আগামী মাসে তার বাড়ি ভাড়া দিতে সমস্যায় পড়তে হবে। এ ছাড়াও এই প্রচন্ড শীতে তার রিক্সা চালাতে সমস্যা হচ্ছে, ফলে সন্ধ্যার পর রিক্সা না চালিয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন।
তিনি আরো জানান, কোন সংগঠনের পক্ষ থেকে কোন ধরনের শীতের কাপড় কিম্বা আর্থিক সহযোগিতা পাননি তিনি।
জেলায় অসহায়, দুস্থ ও দরিদ্র মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণের তথ্য জানতে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরিফা হকের মুঠো ফোনে বার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌর শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকার রেজিনা বেগমের ক্রয়কৃত ৩৪ শতাংশ সম্পত্তি ৭০ বছর ধরে দখলে থাকা জমিতে সংখ্যালঘু সাইনবোর্ড টাঙিয়ে ভাংচুর করে জমি দখল করার চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।
রবিবার (২৯ ডিসেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের ভিআইপি অডিটোরিয়ামে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মো. শাওন আল মনসুর বলেন, আমাদের পূর্ব পুরুষদের দলিল ও রেকর্ড মুলে প্রাপ্ত হই। ১৯৪০, ১৯৫৩ এবং ১৯৬৪ সনে টাঙ্গাইল সাব রেজিষ্টার অফিস হতে রেজিস্ট্রীকৃত দলিল মুলে রিজিনা বেগম, স্বামী আব্দুর রহিম মিয়া এই জমির মালিকানা প্রাপ্ত হন। বি.এস জরিপ আগত হইতে ১/১নং খতিয়ানে এস.এ ১০৫৪,১০৫৫, ১০৫৬, ১০৫৭নং দাগে ৩৫৬৫, ৩৫৬৬, ৩৫৫৬ দাগে রুপান্তরিত হয়। বর্তমানে ১/১ নং খতিয়ান এসএ দাগ নং ১০৫৪.১০৫৭ যা বিএস নকশাকৃত দাগ ৩৫৬৬। যা রেজিয়া ওয়ারিশগন ভোগ দখলরত আছে। এমত অবস্থায় ১৭ ডিসেম্বর দুপুরে একদল লোক সংখ্যালঘুর নাম ভাঙিয়ে ভাংচুর ও উক্ত জমি দখলের চেষ্টা করে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন দখলে থাকা উক্তভুমিটি ১২ বছর পুর্বে কয়েক লাখ টাকা খরচ করিয়া বাউন্ডারী ওয়াল করার জন্য সিসি কলাম করা হয়। ২০২২ সালে সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল্ল্যাহ হেল ওয়ারেজ (হুমায়ন) টাঙ্গাইল পৌরসভার আমীন দ্বারা পরিমাপ করে যার-যার অংশ বুজিয়ে দেন। তারপর আমরা ওয়ারিশগন উক্ত জায়গায় সিসি কলামের উপর টিনের বেড়া দিয়ে জায়গাটি ঘিরে রাখি। এমতঅবস্থায় টিনের বেড়া খুটি, সাইনবোর্ড ঘরের দরজাসহ বিভিন্ন জিনিষ ভাঙচুর ও লুটপাট করে নিয়ে যায়। ওইদিন যদি আমরা বাধা দিতাম তাহলে একটি অপ্রীতিকর অস্থার সৃষ্টি হতো এবং হতাহত হতো, যে কারণে আমরা বাধা দেইনি। এই জমিতে আমরা খেলাধুলা করেছি এবং বড় হয়েছি। তখন কেউ এই জমি তাদের বলে দাবি করেনি।
তিনি আরও বলেন, আমরা আইনে বিশ্বাস করি, তারা যদি এই জমির বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারে তাহলে আমরা এই জমি ছেড়ে দিবো। আর যদি দেখাতে না পারে তাহলে তাদের এই জমির দাবি ছেড়ে দিতে হবে। ইতোমধ্যে ভাঙচুর ও লুটপাট বিষয়ে টাঙ্গাইল মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। জমির বিষয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, পাভেল এ রৌফ, মো. ফরহাদ মিঞা ও মো. আবীর হোসেন।
এসময় জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষ থেকে টাঙ্গাইলে সুবিধা বঞ্চিত অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার পোড়াবাড়ী ইউনিয়নের পোড়াবাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে টাঙ্গাইল জেলা মহিলাদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক এডভোকেট মমতাজ করিম এ শীতবস্ত্র বিতরণ করেন।
এসময় প্রায় চার শতাধিক অসহায় শীতার্তদের মাঝে এ শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।
এই শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপি’র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ পাহেলী, শফিকুর রহমান শফিক, সদর উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম-সম্পাদক এমএ সবুর, জেলা যুবদল নেতা শাতীল, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক নুরুল ইসলাম নুরু, সদর উপজেলা যুবদল নেতা কবীর হোসেন, সাংবাদিক মুক্তার হাসান, ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি আমিনুর ইসলাম, আজাদ মিয়া, যুবদল নেতা নয়ন ইসলাম, মহিলাদল নেত্রী শাহানাজ পারভীন, আশা আক্তার প্রমূখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন পোড়াবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক।
এসময় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার কান্দাপাড়া মৌজায় থানাপাড়া সুইপার কলোনিতে পত্তনসুত্রে প্রাপ্ত ৪০ শতাংশ জায়গায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বহুতল ভবন নির্মাণের পায়তার অভিযোগ উঠেছে টাঙ্গাইল পৌরসভা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় পৌরসভার মেয়রকে বিবাদী করে উক্তভুমির মালিক কার্তিক চন্দ্র হরিজন বাদী হয়ে টাঙ্গাইল যুগ্ম জেলা জজ আদালতে একটি ১৪৪ ধারায় মামলা দায়ের করেন। যাহার মামলা নং ৪৫/২০২২। মামলাটি বর্তমানে চলমান রয়েছে। এদিকে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পৌর কর্তৃপক্ষ বহুতল ভবণ নির্মাণের পায়তারা করায় এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মামলা সুত্রে জানাগেছে, সন্তোষের জমিদার প্রমথ নাথ রায় চৌধুরীর স্বত্ব দখলীয় জোত (পাঁচআনী জমিদার স্টেটের) ভুমির ৪০ শতাংশ জায়গা তাদের জমিদারী এলাকায় পয়নিস্কাশনের জন্য ভারতের এলাহাবাদ থেকে এনে মহদেব জমাদার এর পরিবারদের থাকার জন্য পত্তন দেন। যাহার কাগমারী পরগনার কান্দাপাড়া মৌজার খতিয়ান নং ৩, ক্রমিক নং ২১৮ হিসাব নং ১১৫, সিএস দাগ নং ১৩৫। যাহার উত্তরে থানাপাড়া বিসিক রোড, দক্ষিনে মাসুদ গংয়ের বাড়ি, পুর্বে টাঙ্গাইল পৌরসভার জায়গা ও পশ্চিমে দেলদুয়ার রোড। বর্তমানে টাঙ্গাইল দেলদুয়ার রোডের জন্য উক্ত ভুমির ১.৮৬ পয়েন্ট সরকার ভুমি অধিগ্রহন করায় ৩৮.১৪ শতাংশ ভুমি কার্তিক হরিজনের দখলে রয়েছে।বর্তমানে ওই ভুমিতে নিঃস্তান মহাদেব চন্দ্র জমাদারের দত্তক সন্তান কার্তিক চন্দ্র হরিজন তার পরিবার-পরিজন নিয়ে শতবছর ধরে বসবাস করে আসছে এবং জায়গাটি স্বত্বঃবান রয়েছে।
গত এসএ জরিপে ১৩৫ দাগটি এসএ ২২৫ দাগে রুপান্তরিত হওয়ায় এবং ভুলক্রমে মহাদেব চন্দ্র হরিজনের নামে লিপিবদ্ধ না হইয়া এসএ ৩নং খতিয়ানে ২২৫ নং দাগ হিসেবে বাড়ি শ্রেণীরুপে টাঙ্গাইল পৌরসভার নামে লিপিবদ্ধ হয়। কিন্তু উক্ত ভুমিটি হালের বিএসে ৪৩৮ খতিয়ানে মহাদেব হরিজনের দত্তক পুত্র কার্তিক হরিজনের নামে ২৪.২৫ শতাংশ ভুলক্রমে মাঠপর্চায় অর্ন্তভুক্ত হয়। পরে উক্ত ভুমিটি নিয়ে কার্তিক হরিজন পৌরসভাকে বিবাদী করে আদালতে ৩৮.১৪ শতাংশ জমি দাবি করে রেকর্ড কারেকশনের মামলা করেন। যাহার নাম্বার ৪৫/২২। মামলাটি এখনও চলমান রয়েছে। কিন্তু টাঙ্গাইল পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ২০২১ সালের অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহে উক্ত পত্তন সুত্রে প্রাপ্ত মালিকানা অস্বীকার করিয়া নিজেদের মালিকানা দাবিতে মামলা করেন।
গত নভেম্বরের ৮ তারিখে পৌরসভার নিয়োজিত ঠিকাদার উক্ত ভুমি দখল নিতে গেলে স্থানীয়দের বাধার মুখে চলে আসে।
এ প্রসঙ্গে, কার্তিক চন্দ্র হরিজন বলেন, উক্ত ভুমির পত্তন সুত্রে পাওয়া মালিক মহাদেব নিঃসন্তান হওয়ায় আমাকে দত্তক আনেন। হঠাৎ তার পালক পিতা মহাদেব হরিজন অসুস্থ হয়ে মৃত্যুবরণ করলে তার পিতার অনুমতিক্রমে মাতা মহাদের স্ত্রী লক্ষী ওরফে কমলী হরিজন ১৯৯০ সালের মে মাসের ১৭ তারিখে তার সকল স্থাবর-অস্থাবর আমাকে রেজিষ্ট্রি করে দেন। সে থেকে আমি পৈত্রি সুত্রে পাওয়া ভুমিতে শতবছর যাবত পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করে আসছি। সম্প্রীতি টাঙ্গাইল পৌরসভা মালিকানা দাবি করলে আমি আদালতে মামলা দায়ের করি, মামলাটি চলমান আছে।
স্থানীয় মিনজু হরিজন,পন্ন হরিজনসহ অনেকেই জানান, পৈত্রিক সুত্রে এই জমির মালিক কার্তিক হরিজন। এলাকার কিছু অসাধু লোক পৌরসভার লোকজনের সাথে আতাত করে জমিটি বহুতল ভবন নির্মাণ করার পায়তারা চালাচ্ছে।
টাঙ্গাইল জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ কামরুজ্জামান মুঠোফোনে বলেন, টাঙ্গাইল পৌরসভা তাদেরকে জায়গা বুঝিয়ে দিলে তারা কাজ ধরবে। পৌর কর্তৃপক্ষ জায়গা বুঝিয়ে দিতে না পারলে বহুতল ভবনের প্রকল্পের কাজ বন্ধ থাকবে।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পৌরসভার দায়িত্বরত প্রশাসক ও জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার মন্ত্রালয়ের উপসচিব মো. শিহাব রায়হান জানান, তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না। যেহেতু বহুতল ভবনটি টাঙ্গাইল এলজিইডির প্রকল্প সেহেতু এলজিইডির নির্বাহী কর্মকতার নিকট কথা বলার পরামর্শ দেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সর্ববৃহৎ পাইকারি বাজার পার্ক বাজারের ১০ জন ব্যবসায়ীর নামে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলার প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করা হয়েছে।
সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে পার্ক বাজার মোড়ে মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান চাঁদ বাজার(পার্ক বাজার) ব্যবসায়ী সমিতির আয়োজনে ঘন্ট্যাব্যপী এ মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করা হয়।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন,মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান চাঁদ বাজার(পার্ক বাজার) ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. আব্দুল বারেক, সাধারণ সম্পাদক মো. জহের আলী, ব্যবসায়ী বাবলু সাহা,সরোয়ার হোসেন,আমীর হামজা,মোহাম্মদ আলী,আব্দুস ছাত্তার,মামুন হোসেন,মাসুদ পারভেজ পানুু,মো. আদর আলী প্রমুখ।
এসময় ভুক্তভোগী ১০ জন ব্যবসায়ী ও তাদের পরিবারসহ পার্ক বাজারে বিপুল সংখ্যক সাধারণ ব্যবসায়ীগণ এই মানবন্ধনে উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন,জয়নাল আবেদীন নামে এক ব্যক্তি পার্ক বাজারের ১০ জন ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন জনের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। পার্ক বাজারের এইসব ব্যবসায়ীরা কোন ধরণের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত নয়। ৫ আগস্টের পুর্বে ছাত্রদের সাথে আমরা রাজপথে ছিলাম। সম্প্রতি একটি স্বার্থন্বেষী মহল মিথ্যা মামলা দিয়ে বিভিন্নজনের কাছে টাকা দাবি করছে। আমাদের ভুক্তভোগী ওইসব ব্যবসায়ীরা দিন রোজগার করে দিন খায়-টাকা দিবে কিভাবে।
মানববন্ধন থেকে বক্তারা অবিলম্বে এই মিথ্যা মামলার প্রত্যাহারের দাবি জানান। বক্তারা আরো বলেন, অবিলম্বে এই মামলা থেকে ১০ জন ব্যবসায়ীর নাম প্রত্যাহার করা না হলে বড় ধরণের কর্মসুচির হুশিয়ারী দেন তারা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার বিশ্বাস বেতকা মৌজার ৩৪ শতাংশ ওয়ারিশ সুত্রে পাওয়া একটি সংখ্যালঘু পরিবারের জমি দীর্ঘদিন বেদখল ছিলো। দেশের রাজনৈতিক পটপরির্তনের পর একটি সংখ্যালঘু পরিবার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকার বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষের সহযোগীতায় গত ১৭ ডিসেম্বর জায়গাটি দখলমুক্ত করে। এরপর থেকেই উক্ত বেদখলকারী কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইউটিউব ও ফেসবুক পেইজে বিভিন্ন মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করে আসছে ।এর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার(২৬ ডিসেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের অডিটিরিয়ামে সংবাদ সম্মেলন করেছে উক্ত ভুক্তভোগী পরিবার।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিপ্লব কুমার গুহ।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমাদের পৈত্রিক ওয়ারিশ সুত্রে পাওয়া টাঙ্গাইল পৌরসভার বিশ্বাস বেতকা মৌজার ৩৪ শতাংশ জায়গা যার সিএস খতিয়ান নং ৬৫০,দাগ নং ১০০৪ ও ১০০৫ এর মালিক ভুবনময়ী দাস্যা জং ভৈরব চন্দ্র গুহ পরলোক গমন করার পর তাদের একমাত্র সন্তান সতীষ চন্দ্র গুহের একমাত্র ছেলে সুশীল চন্দ্র গুহ ওয়ারিশ সুত্রে মালিকানা প্রাপ্ত হোন। যা বিগত এস এ রের্কডে খতিয়ান নং ৭৪৭ দাগ নং ১০৫৪,১০৫৫,১০৫৬,১০৫৭ সুষ্পষ্টভাবে শুশীল চন্দ্র গুহের নাম লিপিব্দ হয়েছে। শুশীল চন্দ্র গুহ আমাদের পিতা। তিনি পরলোক গমন করার পর আমরা ৫ ভাই যথাক্রমে গৌরাঙ্গ চন্দ্র গুহ, নারায়ণ চন্দ্র গুহ ,দীপক কুমার গুহ,সুবীর চন্দ্র গুহ,বিপ্লব কুমার গুহ উক্ত ভুমির ওয়ারিশান সুত্রে মালিকানা প্রাপ্ত হই। আমাদের নামে উক্ত ভুমির ডিজিটাল নামজারী করা আছে এবং হালসনের ভুমি উন্নয়নকর পরিশোধ করা আছে।
লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন ,দীর্ঘদিন যাবত আমরা সংখ্যালঘু হওয়ায় ভয়ভীতি দেখাইয়া বিশ্বাস বেতকার শাওন-আল-মনসুর পিতা মৃত দুলাল আল মনসুরগং জোরপুর্বক আমাদের ওয়ারিশয়ান সুত্রে প্রাপ্ত ৩৪ শতাংশ জমিতে জোরপুর্বক দখল করিয়া ছিলো। এই জমির মালিকানা প্রাপ্ত হওয়ার বৈধ কোন কাগজপত্র তাদের কাছে নেই। এই অবৈধ দখলদার স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় আমরা ধর্মীয় সংখ্যালঘু হওয়ায় নানা বৈষম্যর শিকার হয়ে বৈধ মালিক হওয়া সত্বেও জমিটির দখলে যেতে পারিনি। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তির মাধ্যমে একাধিকবার অবৈধ দখলদারের সাথে জমির বৈধ কাগজপত্র নিয়ে শালিসের আয়োজন করা হলেও তারা সেই শালিসে উপস্থিত হয়নি। সম্প্রতি দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গত ১৭ ডিসেম্বর স্থানীয়দের সহায়তায় আমাদের পৈত্রিক সম্পটি অবৈধ দখল মুক্ত করে আমরা দখলে গিয়েছি। তারপর থেকেই উক্ত অবৈধ দখলদারের যোগসাজসে কয়েকটি ইউটিউব ও ফেসবুক পেইজ এই বিষয়ে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, গৌরাঙ্গ চন্দ্র গুহ,নারায়ন চন্দ্র গুহ,দীপক কুমার গুহ,সুবীর চন্দ্র গুহসহ ওই পরিবারে বেশ কিছু সদস্য।
সংবাদ সম্মেলনে জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখিপুরে পৃথক-পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল ৭ টায় জেলার সখীপুর উপজেলার টাঙ্গাইল-সখীপুর আঞ্চলিক সড়কের বেড়বাড়ী, সকাল ৯ টায় সখীপুর থানার গেট সংলগ্ন এলাকায় এবং সকাল ১০ টায় সখীপুর-সাগরদিঘী আঞ্চলিক সড়কের কুতুবপুর এলাকায় তিনটি পৃথক-পৃথক স্থানে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানান, সকাল ৭টায় ট্রাক চাপায় নিহত মামুন ভালুকা উপজেলার একটি কোম্পানিতে চাকরী করতো। সে রাতে ডিউটি শেষে ফেরার পথে সখীপুর উপজেলার টাঙ্গাইল-সখীপুর আঞ্চলিক সড়কের বেড়বাড়ী এলাকায় পৌঁছালে অজ্ঞাত ট্রাকচাপায় তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
নিহত মামুন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার এনায়েতপুর গ্রামের মো. আবুল কাশেমের ছেলে।
অন্যদিকে, সোমবার সকাল ৯ টায় সখীপুর থানার সামনে একটি ট্রাক মোটরসাইকেলকে চাপা দিলে জয়েন উদ্দিন (৭০) নামের এক বৃদ্ধ নিহত হয়।
নিহত জয়েন উদ্দিন মির্জাপুর উপজেলার পেকুয়া গ্রামের মো. গনি মিয়ার ছেলে।
সকাল ১০টায় সখীপুর উপজেলার জোড়দিঘী এলাকায় মাছের জন্য যাওয়ার পথে সখীপুর-সাগরদিঘী আঞ্চলিক সড়কের কুতুবপুর এলাকায় সিএনজি চাপায় আবুবকর (৪৫) নামের এক মাছ ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।
তিনি সখীপুর উপজেলার কচুয়া গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে।
এ বিষয়ে সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.জাকির হোসেন বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ গুলো উদ্ধার করা হয়। নিহতদের মরদেহ গুলো ময়না তদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে কালিহাতী থানা পুলিশ।
রবিবার (২২ ডিসেম্বর) বিকালে কালিহাতী থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কালিহাতী সার্কেল এএসপি আব্দুল্লাহ আল ইমরান এ তথ্য জানান।
শনিবার(২২ ডিসেম্বর) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে অভিযান চালিয়ে উপজেলার ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এ সময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র, ১টি ট্রাকসহ বিভিন্ন ডাকাতির সরঞ্জাম উদ্ধার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- সিরাজগঞ্জ সদরের চর বনবাড়িয়া এলাকার গহের আলী শেখের ছেলে শামীম শেখ (৩০), টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের বেলতৈল উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত আমছের আলীর ছেলে আব্দুল লতিফ (৪৭), হাট ফতেপুর এলাকার মৃত একাব্বর মিয়ার ছেলে রাসেল মিয়া (২৮), ভূঞাপুর উপজেলার উত্তর চর বিহারী এলাকার রহিজ উদ্দিনের ছেলে রবিউল ইসলাম রবি (২৭), সিরাজকান্দি মাস্টারপাড়া এলাকার মৃত সোরহাব আলীর ছেলে খাদেম আলী (২৮), কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী মধ্যপাড়া গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে আব্দুল্লা হিল কাফি (২০)।
সংবাদ সম্মেলনে (কালিহাতী সার্কেল) এএসপি আব্দুল্লাহ আল ইমরান জানান, গ্রেপ্তারকৃত ডাকাত দলের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতি করে আসছিল এবং তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে তাদেরকে টাঙ্গাইল আদালত প্রেরণ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে কালিহাতী থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূঁইয়াসহ থানার অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।