একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাঁশভর্তি মহিষের গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা লেগে মোটরসাইকেল আরোহী দুই বন্ধুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (১৩ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার সাগরদিঘী ইউনিয়নের সাগরদিঘী-সখিপুর আঞ্চলিক সড়কের হাজীগঞ্জ এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতরা হলেন, উপজেলার সাগরদিঘী ইউনিয়নের জোরদিঘী ফজরগঞ্জ এলাকার প্রবাসী মো. আলমগীর হোসেনের ছেলে জুয়েল রানা (২০) ও রফিকুল ইসলামের ছেলে শাহাদত (১৮)।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জোরদিঘী বাজার এলাকা থেকে সাগরদিঘী বাজারের উদ্দেশ্যে ঘুরতে বের হন দুই বন্ধু। সাগরদিঘী-সখিপুর আঞ্চলিক সড়কের হাজীগঞ্জ এলাকায় তাদের মোটরসাইকেলটি বাঁশভর্তি একটি মহিষের গাড়িকে পাশ কাটাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। মোটরসাইকেলটি বাঁশভর্তি মহিষের গাড়ির সাথে ধাক্কা লেগে সড়কে পড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলেই দুই বন্ধুর মৃত্যু হয়।
সাগরদিঘী ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন জানান, মোটরসাইকেল নিয়ে দুই বন্ধু ঘুরতে গিয়ে রাস্তায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
একতার কন্ঠঃ যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, আমলা তন্তটা সব সময় জনগণ থেকে একটা দূরত্ব বজায়রেখে চলতো। আমরা মনে করি যে তারা জনগণের সেবক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। সেই সেবাটা যেন তারা জনগনকে দেন এবং জনগনের পাশে দাড়িয়ে সেটা দেন। প্রভুমূলক বা প্রভুত্ত্যমূলক জায়গায় না থেকে দূরত্বটা যেন কমিয়ে আনা যায়। মাঠ প্রশাসন সরকার, সাথে জনগনের, তার জন্য আমরা আরও কাজ করবো। সামনে যেন এই দূরত্বটা কমে আসে এই অভিযোগগুলো যাতে না থাকে, তথ্যের ঘাটতি কিংবা তাকে পাওয়া যায় না এই অভিযোগ সামনের দিনে না থাকে সেজন্য আমরা কাজ করবো।
বুধবার (১৩ নভেম্বর) বিকেলে মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৮তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে “মওলানা ভাসানী ও নতুন বাংলাদেশ” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদানের পূর্বে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এসময় তিনি আরও বলেন, আমরা আসার পর দেখলাম- যে কয়টা স্টেডিয়াম আছে এগুলোরই যথার্থ সংস্কার কিংবা যথার্থ ব্যবহার যোগ্যতা নাই। সে জায়গা থেকে আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য হচ্ছে এগুলোকে সংস্কারের মাধ্যমে ব্যবহারে যোগ্য করে গড়ে তোলা। ইতোমধ্যে বিসিবি আমাদের একটি তালিকা দিয়েছে। সারা দেশে ৯টা স্টেডিয়াম আন্তজার্তিক পর্যায়ের, যেগুলোতে কখনো কখনো আন্তজার্তিক খেলা হতো। কয়েকটা আছে যে ২৬ বছর আগে খেলা হয়েছে তারপর আর ব্যবহার করা হয়নি। সেগুলোকে সংস্কারের মাধ্যমে প্রথমে ব্যবহার যোগ্য করা। একই সাথে আমরা বাফুফেকে নির্দশনা দিয়েছি আপনারাও একটি তালিকা দেন ফুটবল স্টেডিয়ামকে কোনগুলো রিভাইভ করতে পারি। খেলার উপযুক্ত করতে পারি। আপনারা জানেন জেলা ক্রীড়া সংস্থা, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থাগুলো বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলো পূর্ণগঠন চলছে। আমরা বলেছি- জবাবদিহিতা নিশ্চিতের মাধ্যমে একদম প্রান্তিক পর্যায়ে খেলাধুলাকে পৌছে দেয়া। আবার আগের টুর্নামেন্ট যেন আবার পরিচালিত হয় এবং তরুণরা-যুবকরা যাতে এর মধ্যে অংশগ্রহণ করতে পারে। আপনারও জানেন যে আমাদের প্রধান উপদেষ্টার সরাসরি তত্ত্বাবধায়নে একটা ইউস ফ্যাস্টিব্যাল করতে যাচ্ছি। বিপিএল খেলার যে সময়টা কেন্দ্র করে শুধু স্টেডিয়ামে না স্টেডিয়ামের বাইরেও সারাদেশে ইউস ফ্যস্টিব্যাল করার একটা পরিকল্পনা আমাদের আছে এবং সকল যুবক-তরুনদেরকে একসাথে সংযুক্ত হওয়ার আহবান থাকবে।
মওলানা ভাসানী পাঠ চক্রের আয়োজনে জাতীয় নাগরিক কমিটি টাঙ্গাইল জেলা শাখার সহযোগিতায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এরআগে দুই উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ ভাসানীর মাজার জিয়ারত করেন। পরে ভাসানীর গড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন শেষে আলোচনা সভায় যোগ দেন।
মাজার জিয়ারত শেষে উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেন, জনগনের অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা জনগণের নির্বাচিত সরকার। জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছি আমরা। জনগণের পক্ষের এবং এই দীর্ঘ লড়াইয়ের যারা স্বপক্ষে আছে তাদেরকে নিয়েই আমাদের এই সরকার গঠন করার পরিকল্পনা এবং সরকার ঐভাবেই চলমান আছে।
নতুন উপদেষ্টা নিয়োগের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা মনে করি যে- যাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে তারা জনগণের আকাঙ্ক্ষার পক্ষেই থাকবেন। আপনারা এই সরকারের উপর আস্থা রাখতে পারেন। এই সরকার জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করবেন এবং যারা নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন তারাও এই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের মধ্যে সামিল হবেন। কোন রকম সংশয়, সন্দেহ থাকলে আমরা মনে করি এটা কাজের মাধ্যমে প্রমান করা হবে যে তারা জনগনের পক্ষে আছেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কবি, ভাবুক ও রাষ্ট্র চিন্তক ফরহাদ মজহার।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর মো: আনোয়ারুল আলম আখন্দ, জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব আরিফ সোহেল, ভাসানী ফাউন্ডেশনের মহাসচিব মাহমুদুল হক সানু প্রমুখ।
আলোচনা সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার বেড়াডোমা এলাকায় টাঙ্গাইল-বাঘিল আঞ্চলিক সড়কে দুর্ঘটনায় চলতি সপ্তাহে দুজনের মৃত্যুর পর ঐ সড়কে গতি রোধকের দাবীতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
বুধবার (১৩ নভেম্বর) সকাল ১১ টার দিকে টাঙ্গাইল-বাঘিল আঞ্চলিক সড়কের বেড়াডোমা চৌরাস্তায় ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে শহীদ জাহাঙ্গীর উচ্চ বিদ্যালয়, শহীদ মডেল একাডেমি, জনসেবা ইসলামী ফাউন্ডেশন ও স্থানীয় এলাকাবাসী অংশগ্রহণ করে।
এসময় বক্তব্য রাখেন শহীদ জাহাঙ্গীর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো.শামসুল আলম, সাবেক কাউন্সিলর নুরুল আলম,জহুরুল ইসলাম আজাদ, যমুনা টেলিভিশনের স্টাফ করেসপনডেন্ট শামীম আল মামুন, ব্যবসায়ী রুহুল তালুকদার, শহীদ মডেল একাডেমির পরিচালক মাজহারুল ইসলাম সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এসময় বক্তারা দাবী করেন, টাঙ্গাইল-বাঘিল আঞ্চলিক
সড়কে সিএনজি ও অটোরিকশা বেপরোয়া গদিতে চলাচল করে। ফলে এক সপ্তাহের মধ্যেই এই সড়কে দুই জনের প্রাণ গেছে।
বক্তারা বলেন, এই সড়কে যাত্রী ও পথচারীদের নিরাপত্তা দিতে হবে। প্রত্যেকটি মোড়,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সামনে স্পিডব্রেকার দিতে হবে। সড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও মোড়ে প্রয়োজনে ফুটওভার ব্রিজ চাই। যানবাহনের বেপরোয়া গতির নিয়ন্ত্রণ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা লেগে তানভীর হোসেন (১৫) নামের এক স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। এতে আহত হয়েছে তানভীরের এক বন্ধু।
মঙ্গলবার(১২ নভেম্বর )রাত ১০টার দিকে উপজেলার পেচারআটা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তানভীর হোসেন জেলার সখীপুর উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের দিঘীরচালা গ্রামের সৌদি আরব প্রবাসী আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে।
সে একই উপজেলার সুরীরচালা উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র ছিল।
দুর্ঘটনায় আহত হয় তানভীরের বন্ধু ফেরদৌস। সে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদ রানা।
তিনি বলেন, দুর্ঘটনাস্থল পার্শ্ববর্তী ঘাটাইল থানার আওতাধীন থাকায় আমাদের থানায় এ বিষয়ে কেউ কিছু জানাননি।
নিহত তানভীরের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তানভীর মঙ্গলবার বিকেলে নিজের মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে মোবাইল ফোনে খবর আসে তানভীর ঘাটাইলের পেচারআটা এলাকায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা নামক স্থানে তাঁর মৃত্যু হয়।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে তানভীরের মরদেহ রয়েছে বলে জানান তার নানা আবুল কাশেম। তিনি বলেন, লাশ হাসপাতাল থেকে বাড়িতে আনার প্রক্রিয়া চলছে।
তানভীরের বড় বোন বর্ষা আক্তার বলেন, অনেকবার বলার পর আমার ভাইকে মোটরসাইকেল কিনে দিয়েছিলাম, সেই মোটরসাইকেলই ভাইয়ের প্রাণ কেড়ে নিল। মানতে পারছি না ভাই আমার আর কোনো দিন আমার বাড়ি যাবে না।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে রাহাত আহম্মেদ সিয়াম (১৩) নামে এক এতিমখানার ছাত্র ১ মাস ধরে নিখোঁজ রয়েছে। সিয়ামকে খুঁজে না পেয়ে চরম হতাশায় ভুগছেন এতিমখানার শিক্ষক ও তার পরিবারের লোকজন।
সিয়াম ভূঞাপুর পৌর শহরের বাসস্ট্যান্ডের শাহজাহান দারুস সুন্নাহ এতিমখানা ও ভূঞাপুর ফাজিল মাদ্রাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র।
মাদ্রাসা সূত্র জানা যায়, সিয়াম বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে গত ১০ অক্টোবর থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি নেয়। ছুটি শেষে মাদ্রাসায় ফিরে না আসায় শিক্ষকরা তার বাড়িতে খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারে সে বাড়িতে যায়নি। পরে শিক্ষক ও পরিবারের লোকজন তার বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে খোঁজ নিয়েও সন্ধান না পেয়ে তার কয়েক দিন পর মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মো. জাহিদুল ইসলাম ভূঞাপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।
এতিমখানার সুপার মাওলানা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, সিয়াম নিখোঁজের ১ মাস পার হয়েছে। আজও সে ফিরে আসেনি। আমরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাইনি। সম্প্রতি আমি নিজে বাদী হয়ে ভূঞাপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছি। আমরা তার সন্ধান চাই। এ জন্য সবার সহযোগিতা চাচ্ছি। যদি কেউ সিয়ামের সন্ধান পান তাহলে ০১৭২৪-৫৭২৪২৫ নাম্বারে যোগাযোগ করার অনুরোধ করছি।
এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুন জানান, সিয়াম নামে ছেলেটি নিখোঁজ হয়েছে। সে এর আগেও দুইবার নিখোঁজ হয়েছিল। পরে তাকে কক্সবাজার ও জামালপুর থেকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ খুঁজে পায়। সম্প্রতি ছেলেটি বাড়ি যাওয়ার কথা বলে ছুটি নেয়। পরে ছুটি শেষে মাদ্রাসায় না ফিরে আসায় নিখোঁজ হওয়ার ব্যাপারে মাদ্রাসা সুপার একটি অভিযোগ দিয়েছেন। আমরা তার সন্ধানের জন্য কাযক্রম চালাচ্ছি।
একতার কণ্ঠঃ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নিহত শহীদদের স্মরনে “শহীদ স্মৃতি ক্রিকেটার্স কাপ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২৪” ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খেলায় আমেনা স্পোর্টস হাউস চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল ক্রিকেট খেলোয়ার কল্যাণ সমিতির আয়োজনে ও জেলা ক্রীড়া সংস্থা এবং ওয়ালটনের সার্বিক সহযোগিতায় টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
ফাইনাল খেলায় আমেনা স্পোর্টস হাউস ও টাঙ্গাইল ইউনিক ক্লাব অংশগ্রহন করে। শুরুতে টাঙ্গাইল ইউনিক ক্লাব টসে জিতে ব্যাটিং করে ১৮ ওভার ১ বলে ৭১ রান করে। বিপরীতে আমেনা স্পোর্টস হাউস ২ উইকেট হারিয়ে ৮ ওভার ৪ বলে ৭৬ রান করে।
আমেনা স্পোর্টস হাউস ৮ উইকেটে বিজয়ী হয়।
এই খেলায় দেবাশীষ ২২ বলে ২১ রান করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহ করে।
পরে বিজয়ী ও টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ স্কোরারদের মাঝে পুরষ্কার বিতরন করা হয়। পুরষ্কার বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সঞ্জয় কুমার মহন্ত, বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম সানতু।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন,জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. আফাজ উদ্দিন, পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন গ্রুপের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী পরিচালক (গেমস অ্যান্ড স্পোর্টস, মার্কেটিং) এফএম ইকবাল-বিন-আনোয়ার (ডন), টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারন সম্পাদক আলী ইমাম তপন, দৈনিক পথে প্রান্তরে পত্রিকার সম্পাদক ফিরোজ মান্না, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এসএসএস এর সহকারী পরিচালক (মানব সম্পদ ও প্রশাসন) মোহাম্মদ ফয়সাল আহমেদ, টাঙ্গাইল জেলা যুবদলের সদস্যসচিব তৌহিদুর ইসলাম বাবুসহ খেলায় অংশগ্রহনকারী ক্লাবের কর্মকর্তা, খেলোয়ার ও টাঙ্গাইল ক্রিকেট খেলোয়ার কল্যাণ সমিতির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
পুরষ্কার বিতরন অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন টাঙ্গাইল ক্রিকেট খেলোয়ার কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবু নাসের মানিক।
এ সময় ম্যান অফ দ্যা টুর্নামেন্ট রিজান, সর্বোচ্চ উইকেট রিফাত আল জাবির, সর্বোচ্চ রান তালহা, টুর্নামেন্টের সেরা ক্যাচ সোহাগ ও ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ মো. হাসানকে পুরস্কার দেয়া হয়। পরে দুই দলকে চ্যাম্পিয়ান ও রানারআপের পুরস্কার দেয়া হয়।
উল্লেখ্য, শুক্রবার (১লা নভেম্বর) সকাল ১০টায় টাঙ্গাইল ক্রিকেট খেলোয়ার কল্যাণ সমিতির আয়োজনে জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও ওয়ালটনের সার্বিক সহযোগিতায় টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে “ শহীদ স্মৃতি ক্রিকেটার্স কাপ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২৪ ” শুরু হয়। এই টুর্নামেন্টে মোট ৮ টি ক্রিকেট দল অংশগ্রহণ করে।
এই ৮ টি ক্রিকেট দল গ্রুপ “এ” তে ইয়ং স্পোর্টিং ক্লাব, টাঙ্গাইল টাইগার্স, টাঙ্গাইল ইউনিক ক্লাব ও আরামবাগ স্পোর্টিং ক্লাব এবং গ্রুপ “বি” তে ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাব, সখিপুর ক্রিকেট এলিভেন, কালিহাতী গ্রিন ওয়ারিয়স ও আমেনা স্পোর্টস হাউস অংশগ্রহণ করে।
একতার কণ্ঠঃ বিগত ১৫ বছর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নির্যাতনকারী ও ছাত্র রাজনীতিকে কলুষিত করার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সকল অপরাধীকে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবিতে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে জেলা ছাত্রদল।
রবিবার(১০ নভেম্বর )দুপুরে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জেলা ছাত্রদলের আয়োজনে এ কর্মসূচির পালন করা হয়।
এ প্রতিবাদ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচিতে,জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দুর্জয় হোড় শুভ’র সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব এম এ বাতেনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আতাউর রহমান জিন্নাহ, শফিকুর রহমান লিটন, রকিব উদ্দিন বাবুল, আবুল কাশেম, শফিকুর রহমান শফিক, শহর বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান আলীম, সদর থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক আজিম উদ্দিন বিপ্লব প্রমুখ।
এ সময় জেলা বিএনপি, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সহযোগি অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৯ জুয়াড়ীসহ ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ।
রবিবার (১০ নভেম্বর)দুপুরে তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন,উপজেলার মমিননগর গ্রামের আ. মালেক (৫৫) , মো. মিন্টু(৪৫),কোকরাইল গ্রামের শাহআলম (৩০), রাব্বি(২৯), দত্ত গ্রামের আল আমিন (৩৫),বেহেলাবাড়ি গ্রামের জুলহাস (৩৫),মিজানুর (৪৫), রুবেল(৪৪), ফারুক মিয়া (৩৪)সহ বিভিন্ন মামলায় নারীসহ আরো ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়,কালিহাতী থানার একদল পুলিশ শনিবার(৯ নভেম্বর )রাতে উপজেলার বেহেলাবাড়ি নদীর পাড়ে নাজমুলের বাড়ির সামনে ও মমিননগর জামতলার জামাল পাগলার পুকুর পাড়ে অভিয়ান চালিয়ে ওই ৯ জুয়াড়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়।এছাড়াও বিভিন্ন মামলার আরো ১০ জন আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি )মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূইয়ার জানান, মাদকও জুয়ার বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যহত থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ সাদপন্থিদের টাঙ্গাইলে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা শুরু হয়েছে। টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের বাসাখানপুর মিনি স্টেডিয়াম মাঠে এ ইজতেমার আয়োজন করা হয়েছে।
শুক্রবার (৮ নভেম্বর) ফজরের নামাজের পর মাওলানা সৈয়দ আনিসুজ্জামানের আমবয়ানের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী তাবলিগ জামাতের জেলা ইজতেমা শুরু হয়।
জুমার নামাজে ইমামতি করেন টাঙ্গাইলের মহেড়া পিটিসি মসজিদের মুফতি নিজাম উদ্দিন বকশি। জুমার নামাজ শেষে কাকরাইল মসজিদের মুরব্বি মাওলানা আরিফুর রহমান বয়ান করেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাসাখানপুর মিনি স্টেডিয়াম মাঠজুড়ে বিশাল প্যান্ডেল বানানো হয়েছে। জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা কয়েক হাজার মুসল্লি সেখানে অবস্থান করছেন। নিরাপত্তার জন্য সেখানে পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।
মুসল্লি রাসেল আহমেদ বলেন, এবারের ইজতেমাটা অনেক ভালো হবে। অনেক বড় জামাত হয়েছে। একসঙ্গে হাজারো মানুষ নামাজ আদায় করেছে। আমিও এই জায়গায় ভাগিদার হতে এসেছি। আমরা কোনো গ্রুপিং চাই না। সবাই মিলে দিনের কাজ করতে চাই।
আরেক মুসল্লি জাহিদ মিয়া বলেন, শুক্রবার ফজরের নামাজের পর আমবয়ানের মধ্য দিয়ে ইজতেমা শুরু হয়েছে। এক দিন আগেই আমরা ময়দানে চলে এসেছি। ময়দানে এসে খুবই ভাগ্যবান মনে হচ্ছে নিজেকে।
ইজতেমা পরিচালনা কমিটির সদস্য শামীমুল ইসলাম জানান, ইজতেমায় তাবলিগের মূল শিক্ষা, দাওয়াত ও তওবার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা চলছে। জেলার ১২ উপজেলা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মুসল্লিরা এসেছেন।
এ ছাড়া ইন্দোনেশিয়া থেকে নয়জনের একটি দল ইজতেমায় অংশ নিয়েছে। জুমার নামাজে প্রায় ১৫ হাজার মুসুল্লি অংশ নেন। আগামী রবিবার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ইজতেমা শেষ হবে।
এদিকে সাদপন্থিদের ইজতেমাকে পণ্ড করার জন্য শুক্রবার বিকেলে শহরের নিরালা মোড় এলাকায় যোবায়েরপন্থির অনুসারীরা সমবেত হওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতা দেখা গেছে।
টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানবীর আহাম্মেদ বলেন, জেলা প্রশাসনের কার্যালয় থেকে তাদের কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। নিরাপত্তার জন্য কোনো পুলিশ সদস্যও মোতায়েন করা হয়নি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে আব্দুল আলীম (৫০) নামে এক কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এতে আরও কয়েকজন আহত হন।
বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনাসেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইল সদর উপজেলার রসুলপু্র এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শিক্ষক আব্দুল আলীম ভূঞাপুর উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের রাজাপুর চর এলাকার আব্দুল কদ্দুসের ছেলে। বর্তমান ভূঞাপুর পৌরসভার ঘান্টান্দী নতুনপাড়ার বাসিন্দা। তিনি ভূঞাপুর পৌর শহরের প্রভাতী কিন্ডারগার্টেনের পরিচালক।
কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষক মাহমুদুল হাসান ও শফিউর রহমান জানান, সকালে টাঙ্গাইল শহরের তার নিজ বাসা থেকে ভূঞাপুরে কর্মস্থলে আসার জন্য টাঙ্গাইল থেকে সিএনজিযোগে রওনা হন তিনি। পথিমধ্যে রসুলপুর এলাকায় পৌঁছলে ঢাকাগামী একটি ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে প্রচুর রক্তক্ষরণে তিনি ঘটনাস্থলে মারা যায়।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল পুলিশ বক্সের (এএসআই) আলমগীর সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
উল্লেখ্য, শিক্ষক আব্দুল আলীমের গ্রামের বাড়ী জেলার ভূঞাপুর উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের রাজাপুর চরাঞ্চলেও হলেও তিনি প্রায় ২০ বছর ধরে স্বপরিবার নিয়ে ভূঞাপুর পৌর শহরের ঘান্টান্দী নতুনপাড়া বসবাস করে আসছেন।
একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলে মাদক মামলায় স্বামী উজ্জ্বল হোসেন ও তার স্ত্রী সেলিনা আক্তারকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
উজ্জ্বল হোসেনকে সাত বছরে কারাদণ্ড এবং সেলিনা আক্তারকে পাঁচ বছরে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।এছাড়া উভয়কে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানাসহ অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।
বুধবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা ও দায়রা জজ মো. নাজিমুদৌলা এই রায় দেন।
দণ্ডিতরা হলেন- টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আগবেথৈর গ্রামের নাজিমুদ্দিনের ছেলে মো. উজ্জ্বল হোসেন (৩৭) ও তার স্ত্রী সেলিনা আক্তার (২৭)।
টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এস আকবর খান জানান, টাঙ্গাইল সদর থানার পুলিশ ২০১৮ সালের ২৮ জানুয়ারি গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আগবেথৈর গ্রামে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা বিক্রির সময় উজ্জ্বল ও তার স্ত্রী সেলিনাকে গ্রেপ্তার করে।
এসময় উজ্জলের দেহ তল্লাশি করে ২০০ এবং সেলিনার কাছ থেকে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ হয়। পরদিন টাঙ্গাইল সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমির হামজা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন।
পরে ৭ মার্চ উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল বাশার মোল্লা তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে বুধবার এ রায় দেওয়া হয়।
গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে উজ্জ্বল হোসেন কারাগারে থাকলেও স্ত্রী সেলিনা জামিনে বের হয়ে পলাতক রয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ: বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেল স্টেশন এলাকা থেকে সোমবার (৪ নভেম্বর) ভোরে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টাকা মূল্যের বিক্রি নিষিদ্ধ ফেনসিডিলসহ দুই বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি-উত্তর)।
এছাড়া, টাঙ্গাইল শহরের ৬ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ কলেজপাড়ায় রবিবার (৩ নভেম্বর) রাত সোয়া ১০টার দিকে অভিযান চালিয়ে ১৮৭ গ্রাম হেরোইনসহ দুই নারী বিক্রেতাকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৪) সিপিসি-৩
জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি-উত্তর) একটি দল বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে সেতুপূর্ব রেল স্টেশন এলাকায় সোমবার ভোর ৪টার দিকে অভিযান চালায়। অভিযানে একটি কাভার্ডভ্যানে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টাকা মূল্যের ৩৫০ বোতল বিক্রি নিষিদ্ধ ভারতীয় ফেনসিডিলসহ দুই বিক্রেতাকে গ্রেফতার করে। এসময় গোয়েন্দা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দুই মাদক ব্যবসায়ী দৌড়ে পালিয়ে যায়।
গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছেন- নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার ফরহাদ মোল্লার ছেলে মো. চঞ্চল মোল্লা (২৭) ও একই উপজেলার অশ্বীনি কান্ত রায়ের ছেলে খিতিশ চন্দ্র রায়(৩৭)। দৌড়ে পালিয়ে যাওয়া মাদক ব্যবসায়ীরা হচ্ছেন- লালমনিরহাট জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার রহিম (৪২) ও রংপুর জেলার শামীম (৪৫)।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি-উত্তর) অফিসার ইনচার্জ(ওসি )এবিএমএস দোহা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সোমবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মনির হোসেনের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কের সেতুপূর্ব রেলস্টেশন এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় কাভার্ডভ্যানে মাদকদ্রব্য পরিবহণকালে ৩৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ উল্লিখিত দুজনকে গ্রেপ্তার করে।
তিনি আরও জানান,অন্য দুজন দৌড়ে পালিয়ে যায়। তাঁদের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানায় মাদকদ্রব্য। নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
অপরদিকে, টাঙ্গাইল শহরের ৬ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ কলেজপাড়ায় রবিবার (৩ নভেম্বর) রাত সোয়া ১০টার দিকে অভিযান চালিয়ে ১৮৭ গ্রাম হেরোইনসহ দুই বিক্রেতাকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৪)। র্যাব-১৪ সোমবার দুপুরে এক প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
আটক হেরোইন বিক্রেতারা হচ্ছেন- টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার দুল্লা গ্রামের মো. ফরহাদ মিয়ার স্ত্রী শাহিদা আক্তার (৩৬) ও একই এলাকার মো. লিটন মিয়ার স্ত্রী রিতা বেগম ওরফে বানু (৩৮)।
র্যাব-১৪ এর সিপিসি-৩ এর মিডিয়া অফিসার সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল হাই চৌধুরি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একদল র্যাব শহরের দক্ষিণ কলেজপাড়ার জনৈক রফিক ওসির বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১৮৭ গ্রাম হেরোইনসহ উল্লিখিত দুই নারী বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করে।
তিনি আরও জানান, অভিযানকালে তাদের কাছে থাকা নগদ দুই লাখ ১৫ হাজার টাকা, তিনটি অ্যান্ড্রয়েড ও চারটি বাটন মোবাইল ফোনও জব্দ করে। গ্রেপ্তারকৃতদের টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।