/ হোম / সদর
করটিয়া যুবদলের উদ্যোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত - Ekotar Kantho

করটিয়া যুবদলের উদ্যোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়ায় ইউনিয়ন যুবদলের উদ্যোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ মে) দুপুরে করটিয়া মসজিদ রোড জমিদার বাড়ি প্রাঙ্গণে‌ দোয়া মাহফিল ও গণভোজ আয়োজনের মাধ্যমে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

করটিয়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মীর তানভীর আহমেদ তুষারের সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব টিপু তালুকদারের সঞ্চালনায় এই দোয়া ও গণভোজে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা বিভাগীয় যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার রাশেদুল হাসান রাশেদ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা যুবদলের সাবেক আহবায়ক অ্যাডভোকেট আলী ইমাম তপন, জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক দেওয়ান শফিকুল ইসলাম, সাবেক দপ্তর সম্পাদক মির্জা শাহীন,সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মমিনুল হক নিক্সন, জেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক আশরাফ পহেলী, সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক শফিকুর রহমান রঞ্জু, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ মনিরুজ্জামান জুয়েল, জেলা মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদ অ্যাডভোকেট মমতাজ করিম, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দুর্জয় হোড় শুভ প্রমুখ।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, করটিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মনিরুজ্জামান মনির, করটিয়া সা’দত কলেজ শাখার ছাএদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম মেসবাহ উদ্দিন, সাবেক ছাত্রদল নেতা সেলিমুজ্জামান বাবুল, হাসনাত জামিল, আমিনুল ইসলাম, সাদাত বাজার ব্যবসায়িক কল্যাণ সমিতির ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ সজিব মিয়া প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন জেলা যুবদলের সাবেক আহবায়ক আশরাফ পাহেলী। পরে ৩ শতাধিক বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের মধ্যে তবারক বিতরণ করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. মে ২০২৩ ০২:৫১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কাভার্ডভ্যানের চাপায় ঘুমন্ত মা-মেয়ে নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কাভার্ডভ্যানের চাপায় ঘুমন্ত মা-মেয়ে নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে পণ্যবাহী কাভার্ডভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা বসতঘরে উপর উঠে গেলে ঘুমন্ত মা-মেয়ে নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন বাবা খোকন চন্দ্র রবি দাস।

সোমবার (২৯ মে) দিনগত রাত ৩টার দিকে টাঙ্গাইল-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের উপজেলার নল্লা বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- খোকন চন্দ্র রবি দাসের স্ত্রী ফুল রানী (৪২) ও মেয়ে রাধিকা রানী দাস (১২)। আহত খোকন চন্দ্র রবি দাস ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তারা উপজেলার নল্লা এলাকার বাসিন্দা।

মঙ্গলবার (৩০ মে) সকালে ধনবাড়ী থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম জসিম উদ্দিন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এ ব্যাপারে ধনবাড়ী থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম জসিম উদ্দিন জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা জামালপুরগামী একটি পণ্যবাহী কাভার্ডভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নল্লা বাজার এলাকার খোকন চন্দ্র রবি দাসের বাড়ীতে উঠে পড়ে। এতে ঘুমন্ত অবস্থায় থাকা মা ও মেয়ে মারা যান। গুরুতর আহত হয় বাবা। পরে আহত খোকনকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, পিকআপটি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় চালক পালিয়ে গেছে। নিহত মা-মেয়ের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. মে ২০২৩ ০৬:৫৭:পিএম ৩ বছর আগে
বঙ্গবন্ধুর জুলিও কুরি শান্তি পদক প্রাপ্তির ৫০ বছর উপলক্ষে ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে আলোচনা সভা - Ekotar Kantho

বঙ্গবন্ধুর জুলিও কুরি শান্তি পদক প্রাপ্তির ৫০ বছর উপলক্ষে ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে আলোচনা সভা

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদক প্রাপ্তির ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার(২৯ মে) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ ফরহাদ হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভার একক আলোচক ছিলেন খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার প্রফেসর ড. খুরশীদা বেগম।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন আলোচনা সভা উদযাপন কমিটির আহবায়ক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ খাদেমুল ইসলাম।

আলোচনা সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান, রিজেন্ট বোর্ড সদস্য, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, হল প্রভোস্ট, প্রক্টর, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহন করেন।

আলোচনা সভায় বক্তাগণ বলেন, বঙ্গবন্ধুর মানুষের প্রতি অন্ধ বিশ্বাস ছিল। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে আমরা যদি লালন করি তাহলে আমরা একটি সুন্দর দেশ তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে পারবো। শেখ মুজিবুরের অহিংস রাজনীতির কথা গান্ধীজিও বলেছিলেন। ৭ই মার্চের ভাষণে রাজনীতি, শিক্ষা, পরস্পর দায়িত্বশীলতা, ভাষা, বর্ণ বৈষম্যের বিষয়ে শেখার অনেক কিছু আছে। পৃথিবীতে আজ যুদ্ধের দামামা বাজছে, কালো ধোয়া উঠছে, আগুনের লেলিহান শিখা জ্বলছে, এটাকি শান্তি? পৃথিবীতে আজ সর্বত্র বিরাজ করছে অশান্তি।

বঙ্গবন্ধুর সারা জীবনের রাজনৈতিক জীবনের এই পদক ছিল বিশ্ব স্বীকৃতি, বিশ্ব সম্মান ও বিশ্ব শ্রদ্ধা। তাঁর সারাজীবনের লক্ষ্য ছিল দেশের মানুষের মুক্তি। তিনি ব্যাপক গনসংযোগ করে মানুষের অধিকারের বিষয়ে সচেতন করেছিলেন। তিনি মানবতার মুক্তির জন্য লড়াই করেছেন, মৌলিক অধিকার: অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান ও শিক্ষার জন্য লড়াই করেছেন। তিনি ধর্ম, বর্ণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে গেছেন। মানুষের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য দরিদ্র ও দুঃখী মানুষের স্বার্থে কাজ করে গেছেন

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. মে ২০২৩ ০৩:২০:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধুর জুলিও কুরি পদক প্রপ্তির ৫০ বছর উদযাপন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধুর জুলিও কুরি পদক প্রপ্তির ৫০ বছর উদযাপন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জুলিও কুরি শান্তি পদক প্রাপ্তির ৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (২৮ মে) সকালে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয় ।

জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি একুশে পদক প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৫(সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ ছানোয়ার হোসেন।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ওলিউজ্জামান,পৌর মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(ক্রাইম) শরফ উদ্দীন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) হাসান বীন মুহাম্মদ আলী, প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমুখ ।

সভায় বঙ্গবন্ধুর পদক প্রাপ্তির প্রসঙ্গ তুলে ধরে আলোচনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ওলিউজ্জামান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ছানোয়ার হোসেন এমপি উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে করে বলেন, তোমাদের মত বয়স থেকেই বঙ্গবন্ধু সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করতেন। দেশের স্বার্থে বঙ্গবন্ধু ১৪ টি বছর কারাগারে কাটিয়েছেন। এমন নিঃস্বার্থ রাজনীবিদ বর্তমানে বিরল। তোমরা বঙ্গবন্ধুর জীবন থেকে শিক্ষা নিবে।

তিনি আরও বলেন, শান্তি পরিষদের তৎকালিন মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বঙ্গবন্ধুকে জুলিও কুরি পদক প্রদান করেন। বিশ্বের শান্তির জন্য সর্বোচ্চ পদক হল জুলিও কুরি পদক। এই পদক বিশ্বের বরেণ্য ব্যাক্তিরাই পেয়ে থাকেন।

উল্লেখ, ১৯৭৩ সালের ২৩ মে বিশ্ব শান্তি পরিষদের পক্ষ থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করা হয়।
বঙ্গবন্ধু এই পদকপ্রাপ্তির আগে কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রো, ভিয়েতনামের সংগ্রামী নেতা হো চি মিন, চিলির গণ-আন্দোলনের নেতা সালভেদর আলেন্দে, ফিলিস্তিনের জনদরদি নেতা ইয়াসির আরাফাত প্রমুখ এই পদকপ্রাপ্ত হয়েছেন। মূলত, সাম্রাজ্যবাদ ও ফ্যাসিবাদ বিরোধিতা এবং মানবতার ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় যাঁরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন, তাঁরা এই পদকে ভূষিত হয়ে আসছিলেন ১৯৫০ সাল থেকে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. মে ২০২৩ ০৩:২১:এএম ৩ বছর আগে
আন্দোলন করে নির্বাচনকে ব্যাহত করা যাবেনা: কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

আন্দোলন করে নির্বাচনকে ব্যাহত করা যাবেনা: কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ডক্টর মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বিএনপি আন্দোলন করে নির্বাচনকে ব্যহত করতে পারবেনা। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। দেশি-বিদেশি শক্তির কেউ আগামী সংসদ নির্বাচন প্রভাবিত করতে পারবে না। সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে তারা সহযোগিতা করবে।

শনিবার (২৭ মে) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে জেলা যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে আওয়ামী লীগ বিচলিত নয়।
গাজীপুরের নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনে কোনো প্রভাব ফেলবে না। সিটি করপোরেশন, পৌরসভার মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ফলাফলে অনেক ফ্যাক্ট কাজ করে। গাজীপুরে সুষ্ঠ সুন্দর ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন হয়েছে, আমরা সেটিই চেয়েছিলাম। আমরা আগের মতো আবারও জাতিকে দেখিয়েছি বর্তমান সরকারের অধীনে অবাধ-সুষ্ঠ, সুন্দর ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন সম্ভব।

আন্দোলন করে আগামী নির্বাচনকে বিএনপি ব্যাহত করতে পারবে না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি আন্দোলন করে কোনভাবেই বৈধ সরকারের পতন ঘটাতে পারবে না, আগামী নির্বাচনকেও ব্যাহত করতে পারবে না।’

কৃষিমন্ত্রী বলেন,আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু, সুন্দর ও গ্রহনযোগ্য হবে। তারপরও বিএনপি যদি ষড়যন্ত্র করে অসাংবিধানিক সরকারকে ক্ষমতায় আনতে চায়, নির্বাচন বানচাল করতে চায়, তাহলে এ দেশের প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তা মোকাবিলা করবে। আর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতি নিয়ে হতাশ ও উদ্বিগ্ন হওয়ারও কিছু নেই জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন,এটি যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নিষেধাজ্ঞা নয়। আমরা যেটি চাই দেশে একটি সুষ্ঠ নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে নির্বাচন, সেটিই যুক্তরাষ্ট্র আগামী নির্বাচনে দেখতে চায়। এক্ষেত্রে বিএনপিই মূল বাধা। আন্দোলন করে, সন্ত্রাস করে বিএনপি নির্বাচনকে ব্যাহত করতে চায়, বানচাল করতে চায়। বিএনপি ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনকে বানচালের চেষ্টা করেছিল। সেরকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয়, মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে, সেজন্যই যুক্তরাষ্ট্র নতুন ভিসা নীতি ঘোষণা করেছে।

সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, কেন্দ্রীয় যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য মামুনুর রশীদ মামুন, সাবেক টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট তারানা হালিম, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক, সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম এমপি, টাঙ্গাইল -৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল-৪( কালিহাতী) আসনের সংসদ সদস্য হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারী, টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভুঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনিরসহ যুবলীগের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. মে ২০২৩ ০৪:৫৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাপ্পী হত্যা মামলায় ৩ আসামি গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাপ্পী হত্যা মামলায় ৩ আসামি গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের চাঞ্চল্যকর পার্ক বাজারের মাছ ব্যবসায়ী আলী আকবর বাপ্পী(৩৩) হত্যার ঘটনায় ৩ আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ। এছাড়াও তাদের কাছে থাকা হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দা উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছে, টাঙ্গাইল পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পাড় দিঘুলিয়া এলাকার মোঃ নূরু মিয়ার ছেলে মোঃ রাজু আহম্মেদ হাবলু (৩০), একই এলাকার ঝন্টু বেপারীর ছেলে মোঃ খোকন (৩১) ও মৃত শহীদ বেপারীর ছেলে ওলি (৩০)।

শনিবার (২৭ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া।

ওসি মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান,ব্যবসায়ী বাপ্পি হত্যাকাণ্ডটি চাঞ্চল্যকর হওয়ায় টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ সোহেল রানার নির্দেশে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুর রহমান ও তদন্তকারী অফিসার এসআই (নিঃ) মোরাদুজ্জামান’সহ অন্যান্য অফিসার ফোর্সের অংশগ্রহণে একাধিক টিম ঘটনার পর থেকেই সাড়াশি অভিযান চালাতে থাকে। পৌর এলাকার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গত তিন দিনে আসামিদেরকে গ্রেপ্তার করা হয় ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দা উদ্ধার করা হয়। পরে বিজ্ঞ আদালতে গ্রেপ্তারকৃত তিন আসামি স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি (১৬৪) প্রদান করেছে।

তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের পর ব্যবসায়ী বাপ্পির মা আজিমন বেগম (৫৫) মঙ্গলবার (২৩ মে) অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তিনি জানান, টাঙ্গাইল শহরের পার্ক বাজারে মাছ বিক্রির দুইটি দোকানের মালিকানাকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছে। নিহত বাপ্পি দীর্ঘদিন যাবৎ পার্ক বাজারে খুচরা মাছ ক্রয়-বিক্রয় করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিল। পার্ক বাজারে দুইটি মাছের দোকান আসামি খোকন, ওলি ও নিহত বাপ্পি তিনজনের মধ্যে ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। উক্ত দোকান ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে আসামী মোঃ রাজু আহম্মেদ হাবলু, খোকন ও ওলি তিনজন মিলে পরিকল্পনা করে, বাপ্পিকে মারপিট করে ভয় দেখিয়ে দুইটি দোকানকে তিন ভাগ করে তারা তিনজন দোকান তিনটি নিয়ে নিবে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী সোমবার (২২ মে) বিকাল অনুমানিক ৩ থেকে ৪ ঘটিকার মধ্যে শহরের পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কালিপুর এলাকায় খোকনের অটোরিক্সা গ্যারেজে আসামী মোঃ রাজু আহম্মেদ হাবলু, খোকন ও ওলি বসে বাপ্পিকে মেরে ফেলার (হত্যা করার) পরিকল্পনা করে। তাদের পরিকল্পনা মোতাবেক আসামী মোঃ রাজু আহম্মেদ হাবলু নিহত বাপ্পিকে রাত্রী অনুমানিক ১০.৩০ মিনিটে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে দিঘুলিয়া ব্রীজের পশ্চিম-দক্ষিন পার্শ্বে লৌহজং নদীর পাড়ে বটগাছের নিচে আসামী খোকন ও ওলি আসার জন্য অপেক্ষা করতে থাকে।

তিনি জানান, মেয়েলি বিষয়ে টাকা পয়সা নিয়ে একটি পার্টি আসবে এই লোভ দেখিয়ে নিহত বাপ্পিকে নিয়ে আসামী মোঃ রাজু আহম্মেদ হাবলু সময়ক্ষেপন করতে থাকে। সোমবার (২২ মে) দিনগত রাত আনুমানিক ১.৩০ মিনিটের দিকে আসামী খোকন ও ওলি তাদের হাতে থাকা ধারালো দা-বটি সহ অন্যান্য অস্ত্র নিয়ে নিহত বাপ্পির কাছে এসে প্রথমে আসামী খোকন বাপ্পিকে বসা অবস্থায় পিছন দিক থেকে দা দিয়ে কোপ মারলে বাপ্পি উঠে রাস্তার দিকে দৌড় দেয়। পরে রাস্তার কোনায় বাপ্পি পিছলে পরে যায়, ওই সময় আসামী মোঃ রাজু আহম্মেদ হাবলু, খোকন ও ওলি বাপ্পিকে পিছন থেকে ধাওয়া করে শহীদ মিজানুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান গেটের সামনে দা-বটি‘সহ অন্যান্য ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে মাথা, হাত ও পিঠের বিভিন্নস্থানে কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে। পরে তারা বিভিন্ন দিকে পালিয়ে যায়।

তিনি আরোও জানান, গ্রেপ্তারকৃত রাজু আহম্মেদ হাবলুকে বৃহস্পতিবার (২৫ মে) আদালতে প্রেরণ করা হয়। এছাড়া ওলি ও খোকনকে শুক্রবার (২৬ মে) আদালতে প্রেরণ করা হয়। এর আগে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক জান্নাত রিপা ওই তিনজনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি (১৬৪) রেকর্ড করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. মে ২০২৩ ০৩:৩১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে আলী আকবর বাপ্পী (৩৩) নামে এক মাছ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা।

সোমবার (২২ মে) দিনগত রাত দেড়টার দিকে পৌর এলাকার পার দিঘুলীয়া শহীদ মিজানুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান গেটের সামনে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে।

নিহত বাপ্পী টাঙ্গাইল পৌর সভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চর দিঘুলীয়া এলাকার মৃত দেলবর বেপারির ছেলে।

টাঙ্গাইল সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২২ মে) রাত ১২ দিকে মোবাইল ফোনে এক বড় ভাইয়ের কল পেয়ে বাপ্পী স্থানীয় একটি মুদির দোকানে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে বাপ্পির স্ত্রী আখী আখতার শহীদ মিজানুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান গেটের সামনে বাপ্পির রক্তাক্ত ও ক্ষতবিক্ষত লাশ দেখতে পায়। স্থানীয়রা খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

টাঙ্গাইল সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া বলেন, সোমবার রাতে ব্যবসায়ী বাপ্পিকে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে হত্যা করে পার দিঘুলীয়া শহীদ মিজানুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান গেটের সামনে ফেলে রেখে যায়। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে মডেল থানার উপপরিদর্শক সুলতান উদ্দিন খান ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

তিনি আরোও জানান, মরদেহের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে অসংখ্য কুপিয়ে জখম করার চিহ্ন রয়েছে। থানায় এখনো কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি। ময়নাতদন্তের পর মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।আসামি গ্রেপ্তারে পুলিশ জোর তৎপরতা চালাচ্ছে।

উল্লেখ্য,বাপ্পি টাঙ্গাইল পার্ক বাজারে মাছের ব্যবসা করতো। সে বিবাহিত ও তিন সন্তানের জনক। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিল বাপ্পি। মাত্র তিন মাস আগে বাপ্পি এক কন্যা সন্তানের জনক হন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে বাপ্পির পরিবার অসহায় হয়ে পড়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. মে ২০২৩ ০১:১৯:এএম ৩ বছর আগে
প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ মিছিল - Ekotar Kantho

প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ মিছিল

একতার কণ্ঠঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা আওয়ামী লীগ।

সোমবার(২২ মে) বিকালে বিক্ষোভ মিছিল শেষে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে সমাবেশ করা হয়।

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম(ভিডি জোয়াহের) এমপি’র নেতৃত্বে শহীদ মিনারের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।

বিক্ষোভ মিছিলে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আনিছুর রহমান আনিছ, সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাস চন্দ্র সাহা, জামিলুর রহমান মিরন, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদদক এমএ রৌফ, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা নবীন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার প্রমুখ অংশ নেন।

এ সময় জেলা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী এবং ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. মে ২০২৩ ০৪:২০:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পারভীনের রিপোর্ট দেখে পারভেজের পিত্তথলি কাটলেন ডা. তুহিন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পারভীনের রিপোর্ট দেখে পারভেজের পিত্তথলি কাটলেন ডা. তুহিন

একতার কণ্ঠঃ ভুল চিকিৎসায় এক যুবকের পিত্তথলি কাটার অভিযোগ উঠেছে টাঙ্গাইল শহরের সোনিয়া নার্সিং হোমের সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. মো. তুহিন তালুকদারের বিরুদ্ধে।

রবিবার (২১ মে) দুপুরে ওই ভুক্তভোগী যুবক মো. পারভেজ প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসক ও জেলা সিভিল সার্জন বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগে জানা গেছে, গত ২৭ এপ্রিল পেটের ব্যথা নিয়ে সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. মো. তুহিন তালুকদারের কাছে যান পারভেজ। ওই চিকিৎসক পারভেজকে দেখে আল্ট্রাসনোগ্রাম ও এক্সরে করানোর পরামর্শ দেন।

চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন পারভেজ। পরে সেই রিপোর্ট দেখালে চিকিৎসক তাৎক্ষনিক অপারেশন করতে হবে বলে জানান। ওই দিনই পারভেজের পেটে অস্ত্রোপচার করে পিত্তথলি কেটে ফেলেন ডা. মো. তুহিন তালুকদার।

অপারেশনের পরে রোগীর স্বজনদের পিত্তথলি দেখালে তাতে কোনও পাথর ছিল না। একপর্যায়ে জানানো হয়, কেটে ফেলা পিত্তথলিতে কোনও ক্যান্সারের জীবাণু রয়েছে কিনা সেটা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানোর কারণে পিত্তথলি নার্সিং হোমে রেখে দেওয়া হয়েছে।

অপারেশনের কয়েকদিন পরে পারভেজকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। তখন রোগীর স্বজনরা দেখতে পান, পারভেজের স্থানে পারভীন নামের এক নারীর রিপোর্ট দেখে চিকিৎসক তার পিত্তথলি কেটে ফেলেছেন। বিষয়টি তাৎক্ষণিক চিকিৎসক ও নার্সিং হোম কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেন।

পারভেজের স্ত্রী তামান্না হাসান বিজলি বলেন, ‘চিকিৎসক তুহিন ও নার্সিং হোমের মালিক আবুল কালাম রিজভী ভুল চিকিৎসার জন্য শুধু দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এটা নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করেছেন তারা।’

ভুল চিকিৎসার শিকার মো. পারভেজ বলেন, ‘ওই দিন আমার সঙ্গে পারভীন নামের এক নারীর পিত্তথলির অপারেশন করা হয়। ডাক্তার ওই নারীর রিপোর্ট দেখে আমার চিকিৎসা করেছেন। পিত্তথলি কাটার পর থেকে পেটে এখনো ব্যথা করে। ব্যথার জন্য নিয়মিত ওষুধ খেতে হচ্ছে। ভুল চিকিৎসার প্রতিকার চাইলে নার্সিং হোম কর্তৃপক্ষ হুমকি দিচ্ছে। ভুল চিকিৎসা ও প্রতারণার কারণে জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জন বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’

সোনিয়া নার্সিং হোমের মালিক আবুল কালাম রিজভী বলেন, ‘সঠিকভাবেই ওই রোগীর পিত্তথলির অপারেশন হয়েছে। তবে তার রিপোর্টের স্থালে একজন নারীর রিপোর্ট চলে যায়। নার্সিং হোমে ওই দিন ৫টি অপারেশন হয়েছে। এছাড়া পিত্তথলির বায়োপসি রিপোর্ট হারিয়ে গেছে। এখন ওই রোগী টাকা ফেরত চাচ্ছে।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে ডা. মো. তুহিন তালুকদারের মুঠোফোনে বেশ কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এরপর তাকে বারবার মুঠোফোনে খুদেবার্তা (মেসেজ) পাঠানো হলেও কোন জবাব দেননি তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. মে ২০২৩ ০৩:১৩:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২১মে) সকালে জেলা প্রশাসকের সন্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. ওলিউজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরফুদ্দীন, পৌর মেয়র সিরাজুল হক আলমগীর ও টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমূখ।

সমন্বয় সভায় বক্তারা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের বিষয়ে আলোচনা করেন।

মাসিক উন্নয়ন সভায় আরোও উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাজাহান আনছারী, বাশাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী ওলিদ ইসলাম, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডাঃ সাদিকুর রহমানসহ উন্নয়ন সমন্বয় সভার সদস্যগণ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. মে ২০২৩ ০২:১৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় ট্যাংক-লরির চালক নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় ট্যাংক-লরির চালক নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা পিকআপভ্যানকে ট্যাংক-লরি পিছন থেকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই ট্যাংক-লরির চালক নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ট্যাংক-লরির হেলপার আহত হয়েছে।

রবিবার (২১ মে) সকালে মহাসড়কের টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের পাছ বিক্রমহাটি নামকস্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত চালক ময়মনসিংহ জেলার বোকাই নগর থানার গৌরিপুর গ্রামের নাজিম উদ্দিনের ছেলে মো. রুবেল মিয়া(২৫)। আহত হেলপার কিশোরগঞ্জ জেলার কারাইল উপজেলার কাড়াইল এলাকার হযরত আলীর ছেলে মো. মোস্তাকিন মিয়া(২১)।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, চট্রগাম থেকে ছেড়ে আসা সওদাগর এক্সপ্রেস নামের একটি ট্যাংক-লরি টাঙ্গাইলের সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের পাছ বিক্রমহাটি এলাকায় পৌঁছালে দাড়িয়ে থাকা পিকঅ্যাপভ্যানের পিছনে ধাক্কা দেয়। মুহুর্তে পিকঅ্যাপভ্যান ও ট্যাংক-লরিটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

ঘটনাস্থলে ট্যাংক-লরির চালক মো. রুবেল মিয়া নিহত হয়। সাথে থাকা হেলপার আহত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই চালকের মরদেহটি উদ্ধার করে।

এ প্রসঙ্গে, এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির
উপ-পরিদর্শক(এসআই) মো. সাকিব হাসান জানান, ঘটনাস্থল থেকে নিহত চালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত হেলপারকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরোও জানান, আইনী প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. মে ২০২৩ ০২:২৫:এএম ৩ বছর আগে
কিশোরী ধর্ষণ মামলায় আ’লীগ নেতা বড় মনির জামিন নামঞ্জুর - Ekotar Kantho

কিশোরী ধর্ষণ মামলায় আ’লীগ নেতা বড় মনির জামিন নামঞ্জুর

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বড় মনি’র জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছে টাঙ্গাইলের জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

রবিবার (২১ মে) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ শেখ আব্দুল আহাদের আদালত জামিন আবেদনের শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

টাঙ্গাইলের সরকা‌রি কৌশলী (‌পি‌পি) এস আকবর খান জানান, কি‌শোরীর ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গোলাম কিবরিয়া বড় ম‌নি উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্র পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে আপীল বিভাগের চেম্বার জজ বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম হাই কোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করে দুই সপ্তাহের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পনের আদেশ দেন।

তিনি আরোও জানান, সেই আদেশ অনুসারে গোলাম কিবরিয়া বড় মিন ১৫ মে (সোমবার) টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পন করলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। রবিবার (২১ মে) মিস কেসের মাধ্যমে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বড় মনির জামিন আবেদন করেন তার আইনজীবীরা। আদালত শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

আসামী পক্ষের জামিন শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এ কে এম শামীমুল আক্তার, বারের সভাপতি শফিকুল ইসলাম রিপন, সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী মামুনুর রহমান, ব্যারিস্টার গোলাম নবী, বারের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম মনসুর আলী খান বিপন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম এমপিসহ অর্ধশত আইনজীবী।

রাষ্ট্রপক্ষে জামিনের বিরোধীতা করেন সরকারি কৌশলী (পিপি) এস আকবার খান, সিনিয়র আইনজীবী মো. আব্দুল করিম মিঞা, বারের সাবেক সভাপতি ফায়কুজ্জামান নাজীবসহ ১৫জন আইনজীবী।

গত ১৫ মে (সোমবার) বড় মনিকে কারাগারে পাঠানোর পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তারপর থেকেই তিনি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ৬ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

উল্লেখ্য, গোলাম কিবরিয়া বড় মনি টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনিরের বড় ভাই। তিনি টাঙ্গাইল জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিবসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃত্বে রয়েছেন।

গত ৫ এপ্রিল রাতে টাঙ্গাইল শহরের এক কিশোরী বাদী হয়ে গোলাম কিবরিয়া বড় মনি’র বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

টাঙ্গাইল মডেল থানায় দায়ের করা মামলায় বলা হয়, জমি নিয়ে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানের জন্য বড় মনি’র স্মরণাপন্ন হন ওই কিশোরী। বড় মনি সমস্যা সমাধান করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। গত ১৭ ডিসেম্বর ওই কিশোরীকে শহরের আদালত পাড়ায় বড় মনি’র বাড়ির পাশে একটি ফ্লাটে যেতে বলেন। সেখানে গেলে কিশোরীকে একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। প্রায় তিন ঘণ্টা পর বড় মনি কক্ষে ঢুকে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন এবং সে ছবি তুলে রাখেন। ধর্ষণ শেষে কাউকে এ কথা জানাতে নিষেধ করেন এবং কাউকে জানালে মেরে ফেলার হুমকি দেন তিনি। তারপর ছবি প্রকাশের ভয় দেখিয়ে প্রায়ই মেয়েটিকে বড় মনি ধর্ষণ করতেন বলেও উল্লেখ করা হয়।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এ ধর্ষণের কারণে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বড় মনি তাকে গর্ভপাত করার জন্য চাপ দিতে থাকেন। এত রাজি না হওয়ায় গত ২৯ মার্চ রাত ৮টার দিকে বড় মনি মেয়েটিকে আদালত পাড়ায় তার শ্বশুরবাড়িতে তুলে নিয়ে যান। সেখানে গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। তাতে রাজি না হওয়ায় ওই বাসার একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখা হয় মেয়েটিকে। পরে তাকে সেখানে আবার ধর্ষণ করেন বড় মনি। ধর্ষণের পর বড় মনির স্ত্রী তাকে মারপিট করলে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে রাত ৩টার দিকে বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয় তাকে। তারপর থেকে মেয়েটিকে নানা হুমকি দেওয়া হতো। শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ থাকায় মামলা করতে দেরি হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করেছেন বাদী।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. মে ২০২৩ ০১:৩৯:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।