/ হোম / সদর
টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে স্মার্ট কর্নারের উদ্বোধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে স্মার্ট কর্নারের উদ্বোধন

আরমান কবীরঃ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে স্মার্ট কর্নারের উদ্বোধন করা হয়েছে।

রবিবার (১১ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল পৌর শহরের মেইন রোডস্থ জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে স্মার্ট কর্নারের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান কবির বিন আনোয়ার।

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মামুনুর রশীদ মামুন, জেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সহ-সভাপতি খন্দাকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সুভাস চন্দ্র সাহা, তারেক মাহমুদ পুলু,সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, দপ্তর সম্পাদক এডভোকেট খোরশেদ আলম, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সোলায়মান হাসান প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যারে নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিল।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. জুন ২০২৩ ১০:২৬:পিএম ৩ বছর আগে
কাজের মাধ্যমে জনগণের আস্থার প্রতিদান দিতে চান তোফায়েল চেয়ারম্যান - Ekotar Kantho

কাজের মাধ্যমে জনগণের আস্থার প্রতিদান দিতে চান তোফায়েল চেয়ারম্যান

একতার কণ্ঠঃ জনগনের বিপুল ভোটে দ্বিতীয়বার নির্বাচিত হওয়া টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তোফায়েল আহম্মেদ রাতদিন পরিশ্রম করছেন তার নির্বাচনী প্রতিশ্রতি বাস্তবায়নের জন্য।

ইউনিয়নে ২২টি গ্রামে অবাধ যাতায়াত তার। বাংলাদেশের অন্যতম কনিষ্ঠ ইউপি চেয়ারম্যানকে কাছে পেয়ে খুশি তার ইউনিয়নের জনগন। তার পিতা মরহুম রুহুল আমীন খান খোকন ছিলেন ইউনিয়নের দুই বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। ফলে তোফায়েল আহম্মেদকে এক প্রকার ঘরের ছেলে মনে করেই তার প্রতিটা কর্মসুচিতে ইউনিয়নের নারী-পুরুষ নির্বিশেষে স্বর্তস্ফুতভাবে অংশ গ্রহন করছে।

২০২০ সালের ১৮ নভেম্বর দ্বিতীয়বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েই ইউনিয়নের অসমাপ্ত ৪৬টি গ্রামীণ রাস্তা উন্নয়নের কাজ করেছেন তিনি। এদের মধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য হচ্ছে, সুরুজ পুর্বপাড়া থেকে হাজী বাড়ি পর্যন্ত রাস্তার ইটের সোলিং ও আরসিসি ঢালাই। আউলটিয়া থেকে কলেজ গেইট পর্যন্ত রাস্তা পাঁকাকরণ। দরুণ জামাই পাড়া থেকে বিশ্বরোড পর্যন্ত নতুন রাস্তা তৈরী। নিয়োগী জোয়াইর পাকা রাস্তা থেকে পুরাতন মসজিদ পর্যন্ত রাস্তার উন্নয়ন। সুরুজ কবরস্থানের রাস্তার উন্নয়নসহ এ পর্যন্ত ৪৬টি রাস্তার উন্নয়নের কাজ করেছেন তিনি।

এছাড়া ইউনিয়নের ৫টি মসজিদ,৩ টি গোরস্থান ও ৩টি মন্দিরের সংস্কারের কাজ করেছেন তিনি। দায়িত্ব নেয়ার পর ইউনিয়নে বয়স্কভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা,বিধবা ভাতার কার্ড প্রদান করেছেন প্রায় ১ হাজার জনকে। ইতোমধ্যে ইউনিয়নের ৩’শ মা পেয়েছেন মাতৃকালীন ভাতা। এর বাইরেও প্রতিমাসে ১৩জনকে নতুন করে দেওয়া হচ্ছে মাতৃকালীন ভাতা।

 

দরুণ গ্রামের জব্বার আলী,জোয়াইর গ্রামের আবু বক্কর, পাকের আলী, ঘারিন্দা গ্রামের রুবেল মিঞা, বীর নাহালী গ্রামের ওসমান মিঞা, রানাগাছা গ্রামের সোনাভানু, অনিতা রাণী জানান, আমাদের ইউনিয়নে এর আগেও অনেক চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে। কিন্তু কেও আমাগো তোফায়েল চেয়ারম্যানের মতো এত্ত কাজ ও জনগনের খোঁজখবর রাখেনাই। তার কাছে প্রয়োজনে দিনেরাতে যেকোন সময় যাওয়া যায়।

তারা আরও জানান, ইউনিয়নবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিলো আমাদের ওই রাস্তাগুলোর সংস্কার ও নতুন রাস্তা তৈরী করার জন্য। সামান্য বৃষ্টি হলেই যাতায়াত বন্ধ হয়ে যেত গ্রামবাসীর, জনদূর্ভোগ পৌঁছাতো চরমে। রাস্তাগুলো তৈরী হওয়াতে এখন আমাদের চলাচলের আর কোন সমস্যা হয়না। এছাড়া বৃষ্টির দিনে সুরুজ কবরস্থানে যাতায়াত খুব কষ্টকর ছিলো। রাস্তাটি করে দেওয়ার ফলে বৃষ্টির দিনেও মৃতদের দাফনে কোন প্রকার সমস্যা হবেনা। দরুণ গ্রামটি টাঙ্গাইল পৌর এলাকার একদম লাগোয়া হলেও বিশ্বরোড কিম্বা শহরে যাতায়াতের কোন রাস্তা ছিলো না। বর্ষাকালে আমাদের নৌকায় যাতায়াত করতে হতো। বর্তমানে রাস্তাটি হওয়ায় আমরা শহরে নির্বিঘ্নে চলাফেরা করতে পারছি।

ঘারিন্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. তোফায়েল আহম্মেদ বলেন, ইউনিয়নটি টাঙ্গাইল শহরের লাগোয়া হওয়ায় ইউনিয়নের অনেক লোক শহরে গিয়ে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। বিশেষ করে বর্ষাকালে শহরের গিয়ে তাদের কাজ করা খুবই কঠিন হয়ে পরতো। আমি দ্বিতীয়বারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পরে ইউনিয়নের ২২টি গ্রামের কাঁচাপাকা ৪৬টি গ্রামীন সড়ক নির্মাণ, পুনঃনির্মাণ ও সংস্কার করেছি। বিশেষ করে দরুণ গ্রামের যাতায়াতের জন্য কোন রাস্তাই ছিলোনা। বর্তমানে বিশ্বরোড থেকে দরুণ জামাইপাড়া পর্যন্ত রাস্তাটি তৈরী করে দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, টাঙ্গাইল-৫(সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ ছানোয়ার হোসেনের সার্বিক সহযোগীতায় ইউনিয়নের ব্যাপক উন্নয়নমুলক কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নমুলক কাজের চিত্র প্রায় প্রতি দিনই বিভিন্ন গ্রামে, চা স্টলে ও শুক্রবার জুম্মা নামাজের পুর্বে বিভিন্ন মসজিদে ইউনিয়নের জনগনের মাঝে তুলে ধরা হচ্ছে। এতে জনগনের মাঝে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমার ইউনিয়ন থেকে নৌকা বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. জুন ২০২৩ ০৩:৩৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মাদক মামলায় স্ত্রীর যাবজ্জীবন, স্বামীর ৪ বছরের কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাদক মামলায় স্ত্রীর যাবজ্জীবন, স্বামীর ৪ বছরের কারাদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মাদক মামলায় স্ত্রী লিলি বেগম (৪০) নামে এক নারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জারিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

অপরদিকে, একই মামলায় স্বামী বকুল সিকদারকে ৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। আসামিদের অনুপস্থিতিতে এ রায় দেন তিনি।

বৃহস্পতিবার(৮ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. মোস্তফা শাহারিয়ার খান এ রায় দেন।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত লিলি বেগম টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সিংগুরিয়া গ্রামের বকুল সিকদারের স্ত্রী। অপর দণ্ডপ্রাপ্ত বকুল সিকদার একই এলাকার মৃত কালু সিকদারের ছেলে।

টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এস আকবর খান জানান, ২০১৫ সালের ২৮ নভেম্বর স্ত্রী লিলি বেগম ও তার স্বামী বকুল সিকদারকে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সিংগুরিয়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। সেই সময় স্ত্রী লিলির কাছ থেকে ৩০ গ্রাম এবং স্বামী বকুলের কাছ থেকে ১৫ গ্রাম হেরোইন জব্দ করা হয়।

তিনি আরোও জানান, এ ঘটনায় ওইদিনই তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. মাহবুবুর রহমান বাদি হয়ে ঘাটাইল থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে উপ-পরিদর্শক প্রবীর চন্দ্র সরকার লিপি ও বকুলের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. জুন ২০২৩ ০৩:১১:এএম ৩ বছর আগে
অসহনীয় লোডশেডিং এর প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিএনপির অবস্থান ধর্মঘট - Ekotar Kantho

অসহনীয় লোডশেডিং এর প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিএনপির অবস্থান ধর্মঘট

একতার কণ্ঠঃ দেশব্যাপী বিদ্যুতের অসহনীয় লোডশেডিং ও বিদ্যুতখাতে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির প্রতিবাদে অবস্থান ধর্মঘট করেছে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি।

বৃহস্পতিবার(৮ জুন) দুপুরে দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে শহরের রেজিস্ট্রিপাড়ায় সিলমি কমিউনিটি সেন্টারের সামনে এ কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়।

এই অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারন সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, দেশটা চোরে ভরে গেছে আমরা শহরে দুই চার ঘন্টা বিদ্যুত পেলেও গ্রামে তাউ পাচ্ছে না। আগামী তিন দিনের মধ্যে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুত ব্যবস্থা না করা হলে জেলার সকল নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

বক্তারা আরও বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া এদেশে কোন নির্বাচন হবে না। আর জোর করে নির্বাচন দেয়ার চেষ্টা করলে আমরা যে কোন কিছুর বিনিময়ে তা প্রতিহত করবো।

এই কর্মসূচিতে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক মাহমুদুল হক সানু, জেলা বিএনপি নেতা জিয়াউল হক শাহীন, আবুল কাশেম, আতাউর রহমান জিন্নাহ, শ্রমিকদল নেতা একেএম মনিুরুল হক, জেলা মহিলা দলের সভাপতি নিলুফার ইয়াসমিন, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম, সদস্য সচিব তৌহিদুল ইসলাম বাবু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি তারিকুল ইসলাম ঝলক, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, সাধারন সম্পাদক আব্দুর রৌফ, শহর বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান আলিম, জেলা তাঁতীদলের সভাপতি শাহ আলম, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দুর্জয় হোড় শুভ প্রমুখ।

এছাড়া বিএনপির সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. জুন ২০২৩ ১০:২২:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস পালিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস পালিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বুধবার (৭ জুন)সকালে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয় ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সহ-সভাপতি খন্দকার আশরাউজ্জামান স্মৃতি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সুভাস চন্দ্র সাহা, তারেক মাহমুদ পুলু, সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার আজাদ, দপ্তর সম্পাদক খোরশেদ আলম, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক কিসলু মিয়া, প্রচার সম্পাদক বদিউজ্জামান ফারুক, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রব চান মিয়া, টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হাসান প্রমুখ।

এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের অন্যন্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. জুন ২০২৩ ০২:০১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইল-আরিচা মহাসড়ক উন্নয়নে কাটা হচ্ছে শতবর্ষীসহ ২ হাজার ৩৭৯ গাছ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল-আরিচা মহাসড়ক উন্নয়নে কাটা হচ্ছে শতবর্ষীসহ ২ হাজার ৩৭৯ গাছ

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইল-আরিচা মহাসড়ক উন্নয়ন কাজের জন্য কাটা হচ্ছে রাস্তার পাশের ২ হাজার ৩৭৯টি গাছ। ইতোমধ্যে এর বেশকিছু গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। বাকিগুলো কাটা চলছে।

সরজমিনে দেখা যায়, টাঙ্গাইল শহরের কাগমারী মোড় থেকে শ্মশান ঘাট পর্যন্ত রাস্তার দুপাশে গাছ কাটা চলছে। এর মধ্যে শতবর্ষী আম, মেহগনি ও বট গাছও রয়েছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মানিকগঞ্জ থেকে টাঙ্গাইল পর্যন্ত ৫৯ দশমিক ৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ ও ৩৩ ফুট প্রশস্ত মহাসড়ক উন্নীতকরণের প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। যার মধ্যে টাঙ্গাইল অংশের দৈর্ঘ্য ৪০ কিলোমিটার এবং মানিকগঞ্জ অংশের দৈর্ঘ্য ১৮ দশমিক ৫০ কিলোমিটার। এটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকা। উল্লিখিত মহাসড়কটি ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আজাদ খান ভাসানী বলেন, উন্নয়নের বলিতে কাটা পড়া গাছগুলোর মধ্যে জমিদারী আমলের বহু প্রাচীন গাছ রয়েছে। গাছগুলো দীর্ঘকাল মানুষকে বন্ধুর মতো সুমিষ্ট ফল এবং সুশীতল ছায়া দিয়ে আসছিল। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এই পুরনো গাছগুলো আর দেখতে পাবে না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা যে পরিমাণ বাড়ছে তাতে দেশ যে ক্রমশ মরুকরণের দিকে যাচ্ছে, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। অপরদিকে নির্বিচারে কেটে ফেলা হচ্ছে গাছ। সুতরাং পরিবেশের স্বার্থে ভবিষ্যতে যে কোনো উন্নয়ন পরিকল্পনা গাছ রেখেই যাতে বাস্তবায়ন করা যায় সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সচেষ্ট থাকতে হবে।

টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আলিউল হোসেন জানান, মহাসড়ক প্রশস্তকরণের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে এবং এই কাজের জন্য গাছগুলো কাটা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বৃক্ষপালন বিভাগ ইতোমধ্যে টেন্ডারের মাধ্যমে গাছগুলো বিক্রি করেছে।

বৃক্ষপালন বিভাগের নির্বাহী কর্মকর্তা মীর মুকুট আবু সাঈদ বলেন, মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় দেলদুয়ার-লাউহাটি-সাটুরিয়া সড়কে কাটা হচ্ছে ১ হাজার ৩৭০টি গাছ। এগুলোর জরিপ মূল্য ধরা হয়েছিল ১৬ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। আর টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি হয়েছে ২১ লাখ ৬০ হাজার টাকায়।

অপরদিকে একই প্রকল্পের আওতায় আরিচা-ঘিওর-দৌলতপুর–নাগরপুর সড়কে কাটা হচ্ছে ১ হাজার ৯টি গাছ। এগুলোর জরিপ মূল্য ধরা হয়েছিলো ১৯ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি হয়েছে ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকায়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. জুন ২০২৩ ০৩:১৯:এএম ৩ বছর আগে
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত - Ekotar Kantho

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত

একতার কণ্ঠঃ: মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এন্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে সোমবার(৫ জুন) বিকালে একাডেমিক ভবন-১ থেকে ‘প্লাস্টিক দূষণের সমাধানে সামিল হই সকলে’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে একটি র‌্যালী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে।

র‌্যালীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সিরাজুল ইসলাম, লাইফ সায়েন্স অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ উমর ফারুক, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সঞ্জয় কুমার সাহা, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এন্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রফেসর ড. এ এস এম সাইফুল্লাহ, প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবুল হকসহ অন্যান্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহন করে।

র‌্যালী শেষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গাছ বিভিন্ন ধরনের লাগানো হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. জুন ২০২৩ ০১:৩০:এএম ৩ বছর আগে
আওয়ামী লীগের কর্মসূচির কারণে টাঙ্গাইলে সমাবেশ করতে পারেনি গণতন্ত্র মঞ্চ - Ekotar Kantho

আওয়ামী লীগের কর্মসূচির কারণে টাঙ্গাইলে সমাবেশ করতে পারেনি গণতন্ত্র মঞ্চ

একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের ‘শান্তি’ সমাবেশের কারণে টাঙ্গাইলে নির্ধারিত সমাবেশ করতে পারেনি গণতন্ত্র মঞ্চের রোডমার্চের বহর। রোববার(৪ জুন) বিকেল চারটায় ঢাকা-টাঙ্গাইল বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের বাসাইল উপজেলার করাতিপাড়ায় গণতন্ত্র মঞ্চের সমাবেশ করার কথা ছিল।

স্থানীয় আওয়ামী লীগ একই সময়ে করাতিপাড়ায় ‘শান্তি’ সমাবেশ করায় রোডমার্চের বহর সেখানে না থেমে বিকেল সোয়া চারটার দিকে ওই এলাকা অতিক্রম করে। পরে তারা শহরের অদূরে সন্তোষে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। এ সময় সেখানেও ছাত্রলীগ কর্মীদের মহড়া দিতে দেখা যায়।

মাওলানা ভাসানীর কবরে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম শরিক দল গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেন, ‘আমরা রোডমার্চ করছি গণতন্ত্র মঞ্চের ১৪ দফা মানুষের সামনে তুলে ধরার জন্য। সরকারের পদত্যাগ, অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নির্বাচন, সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর—এসব ব্যাপারে মানুষ যে ঐক্যবদ্ধ, সেটা সরকার বুঝতে পারছে। তাই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে ভয় পাচ্ছে। নানাভাবে কর্মসূচিতে বাধার সৃষ্টি করছে।’

জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘আমরা একটি রোডমার্চে আছি। আমরা সফরকারী। সফরে থাকতে আমরা একটা কর্মসূচির জায়গা ঠিক করেছি। পুলিশের দায়িত্ব আমাদের সেই জায়গায় নিরাপত্তা দেওয়া। কিন্তু আওয়ামী লীগ সেখানে “শান্তি” সমাবেশ ঘোষণা করে। সেখানে পুলিশ তাদের সহযোগী ছিল। আমরা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম। অন্যত্র তারা স্থান ঠিক করে দিক। পুলিশ সে বিষয়ে কোনো সহযোগিতা করেনি।’

জোনায়েদ সাকি আরও বলেন, ‘আমাদের কর্মসূচি ছিল ভাসানীর মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদনের। সেটা করেছি। সেখানেও দেখেছি, অপ্রীতিকর পরিস্থিতি হয়েছে। নানা দিক থেকে একটা হুমকির পরিস্থিতি তৈরি করে রাখা হয়েছে। যেহেতু মওলানা ভাসানীর কবর জিয়ারত, দোয়া ও শ্রদ্ধা নিবেদনের বিষয়। তাই ভাবগাম্ভীর্য বজায় রাখার বিষয়ে আমরা সচেতন ছিলাম।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. জুন ২০২৩ ০৬:০০:পিএম ৩ বছর আগে
তীব্র তাপদাহে শিশুদের খেলাধুলার আয়োজন করা ঠিক হয়নি: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

তীব্র তাপদাহে শিশুদের খেলাধুলার আয়োজন করা ঠিক হয়নি: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ শিশুরা খুবই স্পর্শকাতর। স্বাভাবিক গরম বা ঠান্ডায় শিশুদের শরীরে সহনীয় পর্যায়ে থাকে। কিন্তু প্রচন্ড গরমে তারা নানা অস্বস্তিতে পড়েছে। তাই তীব্র তাপদাহের মধ্যে শিশুদের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে খেলাধুলার আয়োজন করা মোটেও ঠিক হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ হাসান রাসেল।

রোববার (৪ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর, ঘাটাইল ও সখীপুরে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের আগে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পছন্দের প্রকল্প হচ্ছে ‘শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্প’। এরই ধাবাহিকতায় সারাদেশে প্রথম পর্যায়ে ১২৬টি ও বর্তমানে ১৮৬টি শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম নির্মানের জন্য প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। দেশের প্রত্যেকটি উপজেলাতেই একটি করে মিনি স্টেডিয়াম নির্মান করা হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল সদর আসনের এমপি ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো: জসীম উদ্দিন হায়দার, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কাউছার প্রমুখ।

উল্লেখ্য, গত (৩০ মে) টাঙ্গাইলের কালিহাতীর সহদেবপুর ইউনিয়নের দ্বীমুখা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলতে গিয়ে ছুনটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী রিয়া আক্তার মৃত্যুবরণ করে। এছাড়া একই দিন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আরও এক শিশু শিক্ষার্থী মাঠে মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়ে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. জুন ২০২৩ ০৩:২৪:এএম ৩ বছর আগে
জনবল সঙ্কটে খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল - Ekotar Kantho

জনবল সঙ্কটে খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সহ জনবলের অভাবে পুরোপুরিভাবে স্বাস্থ্য সেবা চালু হচ্ছেনা। চাহিদা অনুযায়ী জনবল চেয়ে মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হলেও ফলপ্রসূ হয়নি।

ফলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বিশালকায় ভবন এক প্রকার পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। টাঙ্গাইলের ৪০ লাখ মানুষ কাঙ্খিত চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, ২০১৪ সালে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের পাশে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ১৫তলা ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু করে গণপূর্ত বিভাগ। ২০১৮ সালের শেষ দিকে ভবন নির্মাণ শেষ হয়। ২০২২ সালের ২২ মার্চ হাসপাতাল ভবন কর্তৃপক্ষের কাছে বুঝিয়ে দেয় গণপুর্ত বিভাগ।

সূত্রমতে, শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অন্তঃবিভাগে গত বছরের সেপ্টেম্বরে মেডিসিন বিভাগ চালু করা হয়। এছাড়া শিশু, ডায়রিয়া, কার্ডিওলজি, অবস(গাইনী), চক্ষু, নাক, কান, গলা, পোস্ট অপারেটিভ, আইসিইউ, সিসিইউ, সার্জারী, অনক্লোনজি ও অর্থপেডিক ওয়ার্ড চালুর প্রক্রিয়া চলছে।

সূত্র জানায়, গত বছরের ২১ জুন থেকে হাসপাতালের বহিঃবিভাগে মেডিসিন, শিশু, গাইনী, সার্জারী, চক্ষু, ডেন্টাল, বক্ষব্যাধি, নিউরোলজি, ইউরোলজি, মানসিক, শিশু বিকাশ কেন্দ্র, ফিজিক্যাল মেডিসিন, চর্ম ও যৌন, কার্ডিওলজি, নেফরোলজি, অর্থপেডিক, অনক্লোনজি(ক্যান্সার) সেবা চালু রয়েছে। গত বছরের শুরু থেকে আল্ট্রাসনোগ্রাফি, ইসিজি, সিটিস্ক্যান, এক্সরে সহ বিভিন্ন পরীক্ষা শুরু হয়েছে। ১০টি আইসিইউ বেড, সিসিইউ ও ১৫টি অপারেশন থিয়েটার চালু করার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, জনবল সঙ্কটে হাসপাতালে পুরোপুরি স্বাস্থ্য সেবা চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগে ৬৫ জন ডাক্তার প্রয়োজন। সেখানে রয়েছে ৬১ জন। তারা নিয়মিত কর্মস্থলে থাকেন না। অনেকে ঢাকা থেকে এসে অফিস করেন।

১৬৫ জন নার্সের মধ্যে মাত্র ৩৯ জন নার্স রয়েছে। তাদের মধ্যে চার জন প্রশিক্ষণে ও দুই জন মাতৃত্বকালীন ছুটিতে এবং দুই জন ইনচার্জে দায়িত্ব পালন করছেন। ৩৭৭ জন আউটসোর্সিং জনবলের মধ্যে ৯০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আয়া, সুইপার ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীর অভাবে হাসপাতালের ময়লা-আবর্জনা পরিস্কার করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে ওয়ার্ডের ময়লা-আবর্জনা রোগীদের পাশেই রাখা হচ্ছে। দুর্গন্ধে শৌচাগারে প্রবেশ করা যায় না।

স্থানীয়রা জানায়, প্রধানমন্ত্রীর নামে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণ করা হলেও পুরোপুরি চিকিৎসা দেওয়া শুরু না হওয়ায় টাঙ্গাইলের ৪০ লাখ মানুষ স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। রোগীদের ঢাকাসহ আশপাশের বিভাগীয় শহর থেকে কাঙ্খিত সেবা নিতে হচ্ছে। ফলে আশঙ্কাজনক রোগী ও স্বজনরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পুরোপুরি মানসম্মত চিকিৎসা সেবা চালু করার দাবি জানায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতাল ভবনের নিচতলায় বহিঃবিভাগের টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। সেখানে রোগীদের ব্যাপক চাপ দেখা যায়। তাদের মধ্যে কালিহাতী উপজেলার পাইকরা গ্রামের কামরুল হাসান জানান, টাঙ্গাইলের গণমানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে টাঙ্গাইলে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়েছে। শুধুমাত্র জনবল সঙ্কটের কারণে তারা কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছেন না। ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় গিয়ে চিকিৎসা সেবা নিতে হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত সময় ব্যয় সহ দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তিনি হাসপাতালে দ্রুত পুর্নাঙ্গ চিকিৎসা সেবা চালুর দাবি জানান।

ভবনের লিফট ও আশপাশের দেওয়ালে পানের পিক ফেলে পরিবেশ নষ্ট করা হচ্ছে। ধুলাবালির কারণে ভবনের বিভিন্ন গ্রিলে মরিচা ধরতে শুরু করেছে। ভবনের ১০ম তলায় মেডিসিন বিভাগে নারী ও পুরুষ রোগীদের সেবা দেওয়া হচ্ছে। ওয়ার্র্ডে ৮৪টি নির্ধারিত বিছানা বরাদ্ধ থাকলেও অতিরিক্ত মিলে প্রায় আড়াইশ’ রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। রোগীদের বিছানার পাশে ও শৌচাগারসহ বিভিন্ন কক্ষের সামনে ময়লা-আবর্জনা পড়ে রয়েছে। উৎকট দুর্গন্ধে শৌচাগার ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

নারী ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, নির্ধারিত বিছানার পাশাপাশি মেঝেতে বিছানা পেতে নারী রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সেখানেও ময়লা-আবর্জনার একইচিত্র বিদ্যমান। হাসপাতালের পরিচালকের কক্ষের সামনের দেওয়ালের টাইলস খসে পড়ছে। তার সামনের কক্ষের দরজার হাতল ভাঙা। এছাড়া দরজায় কাঠের জোড়ার অংশ ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় হাসপাতাল পরিচালকের কক্ষসহ বিভিন্ন দেওয়ালের টাইলস খসে পড়ছে।

টাঙ্গাইল গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শহীদুল ইসলাম জানান, শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের জন্য ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া যায়। সেখানে হাসপাতাল ভবনসহ ২৭টি ভবনের নির্মাণ ব্যয় হয়েছে ২৮৪ কোটি টাকা। ১০৮ কোটি টাকা ব্যয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিভিন্ন যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছে। বাকি ১০৮ কোটি টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে।

শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আলী খান জানান, হাসপাতালের স্বাস্থ্য সেবা পুরোপুরি চালু করতে পর্যাপ্ত জনবলের প্রয়োজন। জনবলের জন্য মন্ত্রণালয়ে বার বার চিঠি দেওয়া হয়েছে। জনবল পেলেই পুরোপুরি স্বাস্থ্য সেবা দেওয়া সম্ভব হবে।

শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল পরিচালনা পরিষদের সহ-সভাপতি মো. ছানোয়ার হোসেন এমপি জানান, হাসপাতালে রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার যন্ত্রপাতি সবই আছে। কিন্তু জনবলের অভাবে পুরোপুরি স্বাস্থ্য সেবা চালু করা সম্ভব হচ্ছে না।

হাসপাতালের সভাপতি কৃষিমন্ত্রী ডক্টর মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি’র সভাপতিত্বে একটি সভা করার পর আর কোন সভা এখনও হয়নি। দায়িত্বে যারা ছিলেন, তারা কেউ দায়িত্ব পালন করেননি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. জুন ২০২৩ ০৪:৫৩:এএম ৩ বছর আগে
আন্তঃজেলা ভলিবল প্রতিযোগিতায় আঞ্চলিক চ্যাম্পিয়ন টাঙ্গাইল - Ekotar Kantho

আন্তঃজেলা ভলিবল প্রতিযোগিতায় আঞ্চলিক চ্যাম্পিয়ন টাঙ্গাইল

একতার কণ্ঠঃ তীব্র প্রতিদ্বন্দিতাপূর্ণ মিনিষ্টার আন্তঃ জেলা ভলিবল প্রতিযোগিতার ফাইনালে টাঙ্গাইল জেলা ৩-২ সেটে কিশোরগঞ্জ জেলাকে হারিয়ে আঞ্চলিক চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

বৃহস্পতিবার (১ জুন) বিকেলে টাঙ্গাইল আউটার স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ভলিবল ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে এই আন্তঃ জেলা ভলিবল প্রতিযোগিতার ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।

খেলার শুরুতে টাঙ্গাইল জেলা ভলিবল দল প্রথম সেটে ২৫-১৯ পয়েন্টে জয়লাভ করে।

দ্বিতীয় সেটে কিশোরগঞ্জ জেলা ২৫-২০ সেটে টাঙ্গাইল জেলাকে হারিয়ে খেলায় সমতা আনে।

তৃতীয় সেটে টাঙ্গাইল জেলা ২৫-১৭ সেটে কিশোরগঞ্জ জেলাকে হারিয়ে আবারও এগিয়ে গেলে ৪র্থ সেটে কিশোরগঞ্জ ২৫-২০ সেটে টাঙ্গাইল জেলাকে হারিয়ে ২-২ সেটে সমতা আনে।

শিরোপা নির্ধারনী ৫ম সেটে টাঙ্গাইল জেলা ১৫-১১ পয়েন্টে কিশোরগঞ্জ জেলাকে হারিয়ে ৩-২ সেটে জয়লাভ করে প্রতিযোগিতায় আঞ্চলিক চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

খেলা শেষে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দিন হায়দার প্রধান অতিথি হিসেবে খেলোয়াড়দের মাঝে পুরষ্কার বিতরন করেন।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ওলিউজ্জামানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ভলিবল ফেডারেশনের যুগ্ম-সম্পাদক এড. ফজলে রাব্বী বাবুল, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ হাসান ফিরোজ এবং নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট দীপ ভৌমিক।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার ভলিবল উপ-কমিটির সভাপতি হারুন-অর-রশীদ ও সাধারণ সম্পাদক ইফতেখারুল অনুপম।

চ্যাম্পিয়ন টাঙ্গাইল ভলিবল দলের খেলোয়ারগণ হচ্ছেন, সাইদুল ইসলাম খান রিন্টু (অধিনায়ক), রাজিম খান, মেহেদী হাসান, শাহরিয়ার খান রমিম, আরাফাত রায়হান সিয়াম, জাহিদুল ইসলাম, আব্দুস সাত্তার, মো. আঃ রাজ্জাক, আদিল, হাসিব ও পলাশ।

টাঙ্গাইল জেলা দলের ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইফতেখারুল অনুপম ও কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিপ্লব দাস।

আঞ্চলিক পর্বের এই প্রতিযোগিতায় কিশোরগঞ্জ জেলা, মানিকগঞ্জ জেলা, ময়মনসিংহ জেলা ও স্বাগতিক টাঙ্গাইল জেলা অংশগ্রহন করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. জুন ২০২৩ ০৪:৪২:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিজয় টিভি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিজয় টিভি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ‘অনির্বাণ বাংলা’ স্লোগানে বেসরকারি টেলিভিশন বিজয় টিভি’র ১১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।

বুধবার (৩১ মে) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামে আয়োজিত প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার।

টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, র‌্যাব-১৪’র সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল কোম্পানীর কমান্ডার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের, জেলা সিনিয়র তথ্য অফিসার তাহলিমা জান্নাত ও টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সম্পদক নাসির উদ্দিন।

বিজয় টিভি’র সখীপুর উপজেলা প্রতিনিধি মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রতিনিধি মো. আবু জুবায়ের উজ্জল।

এসময় জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিণ্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. জুন ২০২৩ ০২:১৫:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।