একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২১মে) সকালে জেলা প্রশাসকের সন্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. ওলিউজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরফুদ্দীন, পৌর মেয়র সিরাজুল হক আলমগীর ও টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমূখ।
সমন্বয় সভায় বক্তারা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের বিষয়ে আলোচনা করেন।
মাসিক উন্নয়ন সভায় আরোও উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাজাহান আনছারী, বাশাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী ওলিদ ইসলাম, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডাঃ সাদিকুর রহমানসহ উন্নয়ন সমন্বয় সভার সদস্যগণ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা পিকআপভ্যানকে ট্যাংক-লরি পিছন থেকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই ট্যাংক-লরির চালক নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ট্যাংক-লরির হেলপার আহত হয়েছে।
রবিবার (২১ মে) সকালে মহাসড়কের টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের পাছ বিক্রমহাটি নামকস্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত চালক ময়মনসিংহ জেলার বোকাই নগর থানার গৌরিপুর গ্রামের নাজিম উদ্দিনের ছেলে মো. রুবেল মিয়া(২৫)। আহত হেলপার কিশোরগঞ্জ জেলার কারাইল উপজেলার কাড়াইল এলাকার হযরত আলীর ছেলে মো. মোস্তাকিন মিয়া(২১)।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, চট্রগাম থেকে ছেড়ে আসা সওদাগর এক্সপ্রেস নামের একটি ট্যাংক-লরি টাঙ্গাইলের সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের পাছ বিক্রমহাটি এলাকায় পৌঁছালে দাড়িয়ে থাকা পিকঅ্যাপভ্যানের পিছনে ধাক্কা দেয়। মুহুর্তে পিকঅ্যাপভ্যান ও ট্যাংক-লরিটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
ঘটনাস্থলে ট্যাংক-লরির চালক মো. রুবেল মিয়া নিহত হয়। সাথে থাকা হেলপার আহত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই চালকের মরদেহটি উদ্ধার করে।
এ প্রসঙ্গে, এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির
উপ-পরিদর্শক(এসআই) মো. সাকিব হাসান জানান, ঘটনাস্থল থেকে নিহত চালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত হেলপারকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরোও জানান, আইনী প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বড় মনি’র জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছে টাঙ্গাইলের জেলা ও দায়রা জজ আদালত।
রবিবার (২১ মে) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ শেখ আব্দুল আহাদের আদালত জামিন আবেদনের শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
টাঙ্গাইলের সরকারি কৌশলী (পিপি) এস আকবর খান জানান, কিশোরীর ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গোলাম কিবরিয়া বড় মনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্র পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে আপীল বিভাগের চেম্বার জজ বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম হাই কোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করে দুই সপ্তাহের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পনের আদেশ দেন।
তিনি আরোও জানান, সেই আদেশ অনুসারে গোলাম কিবরিয়া বড় মিন ১৫ মে (সোমবার) টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পন করলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। রবিবার (২১ মে) মিস কেসের মাধ্যমে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বড় মনির জামিন আবেদন করেন তার আইনজীবীরা। আদালত শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
আসামী পক্ষের জামিন শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এ কে এম শামীমুল আক্তার, বারের সভাপতি শফিকুল ইসলাম রিপন, সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী মামুনুর রহমান, ব্যারিস্টার গোলাম নবী, বারের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম মনসুর আলী খান বিপন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম এমপিসহ অর্ধশত আইনজীবী।
রাষ্ট্রপক্ষে জামিনের বিরোধীতা করেন সরকারি কৌশলী (পিপি) এস আকবার খান, সিনিয়র আইনজীবী মো. আব্দুল করিম মিঞা, বারের সাবেক সভাপতি ফায়কুজ্জামান নাজীবসহ ১৫জন আইনজীবী।
গত ১৫ মে (সোমবার) বড় মনিকে কারাগারে পাঠানোর পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তারপর থেকেই তিনি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ৬ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
উল্লেখ্য, গোলাম কিবরিয়া বড় মনি টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনিরের বড় ভাই। তিনি টাঙ্গাইল জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিবসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃত্বে রয়েছেন।
গত ৫ এপ্রিল রাতে টাঙ্গাইল শহরের এক কিশোরী বাদী হয়ে গোলাম কিবরিয়া বড় মনি’র বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
টাঙ্গাইল মডেল থানায় দায়ের করা মামলায় বলা হয়, জমি নিয়ে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানের জন্য বড় মনি’র স্মরণাপন্ন হন ওই কিশোরী। বড় মনি সমস্যা সমাধান করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। গত ১৭ ডিসেম্বর ওই কিশোরীকে শহরের আদালত পাড়ায় বড় মনি’র বাড়ির পাশে একটি ফ্লাটে যেতে বলেন। সেখানে গেলে কিশোরীকে একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। প্রায় তিন ঘণ্টা পর বড় মনি কক্ষে ঢুকে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন এবং সে ছবি তুলে রাখেন। ধর্ষণ শেষে কাউকে এ কথা জানাতে নিষেধ করেন এবং কাউকে জানালে মেরে ফেলার হুমকি দেন তিনি। তারপর ছবি প্রকাশের ভয় দেখিয়ে প্রায়ই মেয়েটিকে বড় মনি ধর্ষণ করতেন বলেও উল্লেখ করা হয়।
মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এ ধর্ষণের কারণে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বড় মনি তাকে গর্ভপাত করার জন্য চাপ দিতে থাকেন। এত রাজি না হওয়ায় গত ২৯ মার্চ রাত ৮টার দিকে বড় মনি মেয়েটিকে আদালত পাড়ায় তার শ্বশুরবাড়িতে তুলে নিয়ে যান। সেখানে গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। তাতে রাজি না হওয়ায় ওই বাসার একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখা হয় মেয়েটিকে। পরে তাকে সেখানে আবার ধর্ষণ করেন বড় মনি। ধর্ষণের পর বড় মনির স্ত্রী তাকে মারপিট করলে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে রাত ৩টার দিকে বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয় তাকে। তারপর থেকে মেয়েটিকে নানা হুমকি দেওয়া হতো। শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ থাকায় মামলা করতে দেরি হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করেছেন বাদী।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের বাসাখানপুরে ‘শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম’ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার (২০ মে) দুপুরে এই নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. ছানোয়ার হোসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু,দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আফজাল হোসেন, বিসিবি নিয়োজিত টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ মো. আরাফাত রহমান প্রমূখ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, গ্রামীণ জনপদে খেলাধুলাকে উৎসাহিত করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ছিল প্রতিটি গ্রামে একটি করে খেলার মাঠ থাকবে। যেটার নামকরন তিনি করেছিলেন ‘শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম’।
তিনি আরোও বলেন, প্রথম প্রকল্পটি আমরা জায়গার জন্য করতে পারিনি, সেটা দ্বিতীয় প্রকল্পে আমরা বাসাখানপুরে দখলকৃত সরকারী জায়গা দখল মুক্ত করে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য ব্যবস্থা করে দিয়েছি। এছাড়া কিছু জায়গা ক্রয় করতে হয়েছে। এই মাঠটি পেয়ে এই গ্রামের মানুষ খুবই আনন্দিত।
জানা যায়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রস্তাবিত দেশের ১৮৬টি উপজেলায় ১৬শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম’ নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় টাঙ্গাইলের বাসাখানপুরে ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে এই মিনি স্টেডিয়ামটি নির্মাণ করছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান শরীফ এন্ড সন্স ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্ম লিমিটেড।
এই মিনি স্টেডিয়ামের পশ্চিম রাস্তার পাশে তিনতলা প্যাভিলিয়ানসহ অফিস কক্ষ এবং দক্ষিনে ও পূর্বে ২টি গ্যালারী নির্মাণ করা হবে। স্টেডিয়ামটি নির্মাণ সম্পন্ন হলে এখানে ফুটবল লীগ ছাড়াও অন্যান্য খেলার আয়োজন করা সম্ভব হবে।
বর্তমানে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে ক্রিকেট, ফুটবল, ভলিবল সহ বিভিন্ন খেলার আয়োজন করা হয়। ফলে খেলাধুলার বিভিন্ন ইভেন্ট আয়োজন করতে জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে হিমশিম খেতে হয়। এই ‘শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম’ উদ্বোধন হলে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামের উপর চাপ কমবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জিএসটি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষে প্রথমবর্ষ স্নাতক (সম্মান) ‘বি’ ইউনিট (মানবিক বিভাগ) ভর্তি পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২০ মে) বেলা ১২ টা থেকে ১ টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসস্থ একাডেমিক কাম রিসার্চ ভবন ও ২য় একাডেমিক ভবনের ২টি কেন্দ্রে ১৮৫৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এই পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার ছিল ৯৭-৯৮%।
পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ ফরহাদ হোসেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সিরাজুল ইসলামকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসস্থ বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
ভর্তি পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রে আসার জন্য কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিশেষ বাসের ব্যবস্থা করা হয়।
উল্লেখ্য, জিএসটি গুচ্ছভুক্ত ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষে প্রথমবর্ষের স্নাতক (সম্মান) ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা আগামি ২৭ মে ও ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আগামি ৩ জুন অনুষ্ঠিত হবে।
একতার কণ্ঠঃ নারী উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ উইমেন এন্ড ই-কমার্স ট্রাস্ট ফোরাম (উই’র) টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি হলেন মাহবুবা খান জ্যোতি।
বৃহস্পতিবার (১৮ মে) বিকেলে বাংলাদেশ উইমেন এন্ড ই- কমার্স ট্রাস্ট ফোরাম (উই’র) সভাপতি নাসিমা আক্তার নিশা টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধির দায়িত্ব দেন মাহবুবা খান জ্যোতিকে। এরপর থেকে তার সহকর্মী নারী উদ্যোক্তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসুবকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।
উইমেন এন্ড ই-কমার্স ট্রাস্ট ফোরাম (উই’র) টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি মাহবুবা খান জ্যোতি বলেন, মাথার মুকুট অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা যেমন কঠিন তেমনি দায়িত্ব নেয়ার চেয়ে তা টিকিয়ে রাখা আরও বেশি কঠিন। আমাকে বিশ্বাস আর ভরসা করে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমি সব সময় আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করবো টাঙ্গাইল উইকে এগিয়ে নিতে।
তিনি আরও বলেন, উইতে আছি প্রায় ৩ বছর হয়ে গেল। আমি সব সময় নজর দিয়েছি আমার কাজের প্রতি। আমার কাছে সব কথার উত্তর কাজ আমি এটাই বিশ্বাস করি কাজ করেই নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করতে হয়। টাঙ্গাইলের উদ্যোক্তারা আমাকে চেয়েছেন। আমার সাথে নতুন করে এগিয়ে যেতে চায় উই’র জেলা প্রতিনিধি হয়ে আমি যেনো সেই দায়িত্বটা পালন করতে পারি। ২ মাস পর টাঙ্গাইলে যেনো আরো ৫০ জন উদ্যোক্তা আমার নাম গর্ব করে বলতে পারে সেভাবেই কাজ করে যাব। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি উই’র উদ্যোক্তাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যেতে চাই। আপনারা আমার পাশে থাকবেন আমার জন্য দোয়া করবেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া, কাতুলি, দ্যাইন্যা ও কাকুয়া ইউনিয়ন নিয়ে টাঙ্গাইলের চরাঞ্চল। যমুনা ও ধলেশ্বরী নদী বেষ্টিত হওয়ায় এ অঞ্চলের চরমপন্থী আতঙ্কে দিন কাটতো সাধারণ মানুষের।
একটা সময় টাঙ্গাইলের চরাঞ্চল এলাকাকে বলা হতো ‘রক্তাক্ত জনপদ’। যেখানে খুন, লুট তরাজ, জিম্মি, ও অপহরণ ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। এ সকল এলাকায় কথিত পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (এমএল) ও সর্বহারাসহ নানা চরমপন্থী গোষ্ঠীর উত্থান হয় নব্বইয়ের দশক থেকে।
চরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফেরাতে ২০২০ সাল থেকে কাজ শুরু করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এর অংশ হিসাবে র্যাবের পক্ষ থেকে চরমপন্থীদের পরিবারের সদস্যদের স্বাভাবিক পেশায় পুনর্বাসিত করার লক্ষ্যে তাদের আর্থিকভাবে স্বচ্ছল করতে নানা কর্মমুখী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
বর্তমানে টাঙ্গাইলে ৩০টি সর্বহারা পরিবারের নারী সদস্যদের হস্তশিল্প প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করতে ‘উদয়ের পথে’ নামক একটি পাইলট প্রোগ্রাম চলমান রয়েছে।
আগামীকাল রবিবার (২১ মে) সিরাজগঞ্জ স্টেডিয়ামে র্যাব-১২ এর তত্ত্বাবধানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের নিকট টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, রাজবাড়ী, পাবনা, বগুড়া, কুষ্টিয়া ও মেহেরপুরসহ দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন চরমপন্থী গোষ্ঠীর মোট ৩২৩ জন সদস্য দুই শতাধিক অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করবেন। এদের মধ্যে শুধুমাত্র টাঙ্গাইলের চরমপন্থি রয়েছেন ৭৬ জন।
সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের বেগুনটাল বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম ও শওকত আলী বলেন, একটা সময় ছিল টাঙ্গাইলের চরাঞ্চলের মানুষ দিনের বেলাতেও স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা বাণিজ্য পরিচালনা করতে পারতো না। সর্বহারা সদস্যদের আত্মসমর্পণের খবরে আনন্দের জোয়ারে ভাসছে স্থানীয়রা। এ খবরে স্বস্তি ফিরেছে চরাঞ্চলে।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের বেগুনটাল এলাকার সাবেক সর্বহারা দলের সদস্য বারেক মিয়া বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে আমাদেরকে পুনর্বাসিত করা হয়েছে। এসব দেখেই সর্বহারা দলের অন্য সদস্যরা সম্প্রতি স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করেছে। রবিবার (২১ মে) র্যাব-১২ এর নিকট ৭৬ সর্বহারা সদস্য আত্মসমর্পণ করবে বলে জেনেছি।
সর্বহারা দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড লেবু মণ্ডল বলেন, গতকাল রাতেও আমি আতঙ্কে কাটিয়েছি। সর্বহারা দলের সদস্য হওয়ার পর থেকেই ঈদেও ছেলে-মেয়েদের থেকে দূরে থেকেছি। ডজন খানেক মামলা মাথায় নিয়ে ঘুরছি। এ জীবন যে কেমন, কষ্টের তা বলে বোঝানো যাবে না।
সর্বহারা দলের টাঙ্গাইল জেলার কমান্ডার জিয়াউর রহমান বলেন, আমাদেরকে ভুল বুঝিয়ে নেতারা পথভ্রষ্ট পথে নিয়েছিল। মুখে নীতি কথা বললেও কাজে ছিল পুরো উল্টো। সাধারণ মানুষ আমাদেরকে ঘৃণার চোখে দেখত। আমার সন্তানরাও এ জন্য এলাকায় মুখ দেখাতে পারতো না। তাই স্বাভাবিক জীবনে ফিরতেই আমারা ৭৬ সদস্য ৩৬টি অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ গুলিসহ আত্মসমর্পণ করতে যাচ্ছি।
র্যাব ১২ এর অধিনায়ক (সিও) ও অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মারুফ হোসেন জানান, বিভিন্ন চরমপন্থী দলের নেতা ও সদস্যদের বিভিন্ন ভাবে আর্থিক প্রণোদনার মাধ্যমে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে র্যাব কাজ করে যাচ্ছে। এর অংশ হিসাবে গরুর খামার, পোল্ট্রি ফার্ম, মাছ চাষের ব্যবস্থা, চায়ের দোকান, ভ্যান-রিকশা, সেলাই মেশিন দেওয়ার মাধ্যমে চরমপন্থী সদস্য ও তাদের পরিবারগুলোকে স্বাভাবিক পেশায় স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বিএনপি-জামায়াত অশুভ শক্তির অগ্নি সন্ত্রাস নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রমূলক অপরাজনীতির বিরুদ্ধে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে শান্তি সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৯ মে) বিকেলে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
টাঙ্গাইল-৮ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল-২ আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির, টাঙ্গাইল-৭ আসনের সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভ, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মামুনুর রশিদ মামুন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাস চন্দ্র সাহাসহ জেলা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে আরোও উপস্থিত ছিলেন, কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোজাহারুল ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু, ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম লেবু প্রমূখ।
পরে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের এমপির নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের মাস্টার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী শারমিন সুলতানা (২৪) এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন।
বুধবার (১৭ মে) রাত ২টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকার সাভার এনাম মেডিকেল হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান তিনি।
বুধবার রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় সহপাঠীর মোটরসাইকেলে শহর থেকে ক্যাম্পাসে ফেরার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে তার মাথা ফেটে প্রচুর রক্তপাত হয়।
নিহত শারমিন সুলতানা রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। সে ২০১৪ সালে রংপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০১৬ সালে রংপুর সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে।
প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, বুধবার রাতে টাঙ্গাইল শহর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ফেরার পথে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন কাগমারী-চারাবাড়ী সড়কের আরিফ নগর এলাকায় মোটরসাইকেলের সামনে কুকুর দেখে চালক ব্রেক চাপলে শিক্ষার্থী শারমিন সুলতানা মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে যায়। এতে তার মাথা ফেটে যায়। তখন আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।
সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মস্তিষ্কের প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজে রেফার্ড করে। ঢাকা নেয়ার পথে মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ বাড়তে থাকায় রাত ১১টার দিকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজ নেয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলেন। রাত ১২ টার দিকে ঢাকা নেয়ার পথে অবস্থার আরো অবনতি হলে তাকে সাভার এনাম মেডিকেলে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
এনাম মেডিকেলে নেয়ার পথে গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকায় আহত শিক্ষার্থীকে বহনকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাম্বুলেন্সটি নষ্ট হয়ে যায়। পরে প্রায় আধা ঘণ্টা পর এনাম মেডিকেল কলেজে হাসপাতাল থেকে একটি অ্যাম্বুলেন্স পাঠানো হয়। এনাম মেডিকেলে নেয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মীর মো. মোজাম্মেল হকের সঙ্গে কথা হলে তিনি এ বিষয়ে শোক প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, শারমিনের মৃত্যুতে আমরা শোকাহত। ক্যাম্পাসের বাইরে দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হয়েছে। অ্যাম্বুলেন্স নষ্ট হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে কিছু বলার নেই। কারিগরি ত্রুটি হতেই পারে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ভূগোল ও পরিবেশ বিষয়ে এস.এস.সি পরীক্ষা শেষে কিশোর গ্যাংয়ের হামলার শিকার হয়েছে আলিফ লাম (১৭) নামে এক পরীক্ষার্থী।
বুধবার (১৭ মে) দুপুরে টাঙ্গাইলের সন্তোষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার পথে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২য় গেটের সামনে হামলার শিকার হয় আলিফ।
পরে স্থানীয়রা আহত ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে রক্তাত্ব অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। সে বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
হামলার শিকার আলিফ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা শিবরাম গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে। সে এ বছর দাইন্যা বিন্যাফৈর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে (মানবিক বিভাগ) এস.এস.সি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।
এ ঘটনায় আহত শিক্ষার্থী আলিফ নিজে বাদী হয়ে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার ৫নং ওয়ার্ডের সাকরাইল বটতলা পাশ্ববর্তী এলাকার বেলাল হোসেনের ছেলে আমিনুর রহমান (১৬) সহ অজ্ঞাত ১২ থেকে ১৩ জনের নামে কাগমারী পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোগ দায়ের করে।
হামলা প্রসঙ্গে, বিন্যাফৈর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আক্তারুজ্জামান জানান, হামলাকারী আমিনুর রহমান ইতোপূর্বেও আমার স্কুলের সামনে এসে দলবল নিয়ে গ্যাদারিং করত। স্কুলের সামনে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সামনে এসে বিড়ি-সিগারেট খেয়ে স্কুলের পরিবেশ নষ্ট করত ও ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করত। পরে আমরা স্কুলের শিক্ষকরা মিলে ঐ কিশোর গ্যাংকে পুলিশে সোপর্দ করি।
তিনি আরোও জানান, বুধবার এস.এস.সি পরীক্ষা শেষে আমার এক শিক্ষার্থীকে ঐ কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা মারধর করেছে। এ অবস্থায় আমার ওই শিক্ষার্থীর পরবর্তী পরীক্ষাগুলো দেয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
কাগমারী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শেখ শাহীনুর রহমান জানান, আলিফ নামে এক এস.এস.সি পরীক্ষার্থী অভিযোগ দায়ের করেছে। আসামীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৭ মে) ভোরে উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের ট্রেনলাইনের জোড়বাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের গড়াশিন মধ্যপাড়া গ্রামের আবুল মিয়ার ছেলে হাবিল মিয়া (১৭) ও একই উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের মৈশানন্দনাল গ্রামের মনজুরুল ইসলামের মেয়ে রিতা আক্তার (১৫)।
তারা দুজনেই ভাতকুড়া এলাকায় আলাউদ্দিন টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডে শ্রমিকের কাজ করতো।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাবিল ও রিতা আলাউদ্দিন টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডে একত্রে শ্রমিকের কাজ করার সুবাদে তাদের মধ্য প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। সম্প্রতি বিষয়টি জানাজানি হয়। পারিবারিকভাবে তাদের প্রেমের সম্পর্কটি মেনে না নেওয়ায় মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে তারা দুজনে কর্মস্থল থেকে পালিয়ে গিয়ে নিখোঁজ হয়। তাদের প্রেমের সম্পর্কটি মেনে না নেওয়ায় অভিমান করে তারা বাসাইল জোড়বাড়ী এলাকায় গিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেয়। পরে সকালে স্থানীয়রা তাদের লাশ দেখতে পেয়ে রেলওয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে তাদের লাশ উদ্ধার করে। এসময় প্রেমিক হাবিলের পরিবার ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।
জোড়বাড়ী লেভেলক্রসিংয়ে গেট কিপার সুলতান মাহমুদ বলেন, ভোর ৪টার দিকে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে তাদের মৃত্যু হয়। পরে রেলওয়ে পুলিশ এসে নিহতদের লাশ নিয়ে গেছে।
ঘারিন্দা রেলওয়ে পুলিশের এএসআই ফজলুল হক বলেন, ধারণা করা হচ্ছে প্রেমঘঠিত কারণে তারা আত্মহত্যা করেছে। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সন্তোষে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৭তম ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস পালিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৬ মে) সকালে ভাসানী পরিষদ, পীর শাহজামান বাজার কমিটি ও ন্যাপ ভাসানীর পক্ষ থেকে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে মাজারে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
এ সময় ন্যাপ ভাসানী ও খোদা-ই-খেদমতগারের সভাপতি ও পীর শাহজামান বাজার কমিটির আহবায়ক হাসরত খান ভাসানী, ভাসানী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য-সচিব আজাদ খান ভাসানী, বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিক হোসেন বিএসসি, বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স ফেডারেশনের সভাপতি ও মাভাবিপ্রবি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ মফিজুল ইসলাম মজনু, মাভাবিপ্রবি ভাসানী পরিষদের সভাপতি মুহাম্মদ ইপিয়ার হোসেন ও কার্যকরী সভাপতি মোহাম্মদ কামরুজ্জামান খানসহ অন্যান্য নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ফারাক্কা বাঁধের ফলে পদ্মা নদীর নাব্যতা হারানোর আশঙ্কায় ও পানির নায্য হিসসার দাবিতে ১৯৭৬ সালের এই দিনে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়।
রাজশাহীর মাদ্রাসা ময়দান থেকে ফারাক্কা বাঁধ অভিমুখে লাখো জনতার সেই লংমার্চ রওনা হয় ফারাক্কা বাঁধ অভিমুখে। লংমার্চ শেষে কানসাট হাই স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত বিশাল সমাবেশে বক্তব্য দেন মজলুম জননেতা। সেই থেকে ১৬ মে ফারাক্কা দিবস নামে পরিচিতি লাভ করে।