একতার কণ্ঠঃ রংপুর থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) ভোর ৪ টা ৪০ মিনিটের দিকে টাঙ্গাইলের ঘারিন্দা রেল স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেল স্টেশনের ইনচার্জ রেজাউল করিম সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রেজাউল করিম জানান, রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনটি ভোররাতে বঙ্গবন্ধু পূর্ব রেলস্টেশনে বিরতি নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্য ছেড়ে যায়। পথিমধ্যে টাঙ্গাইল রেল স্টেশন পৌঁছলে ট্রেনটির ইঞ্জিনের পাশে লাগেজবাহী বগিটি হঠাৎ লাইনচ্যুত হয়। ফলে ঢাকা ও উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
টাঙ্গাইল রেলওয়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আকবর বিষয়টি সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুত উদ্ধারকারী টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছবেন।
একতার কণ্ঠঃ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান টাঙ্গাইলের সাবেক ছাত্রনেতা মুরাদ সিদ্দিকী। এ উপলক্ষে তিনি টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।
রবিবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অফিসের নির্বাচনী সেল থেকে এ দুটি আসনের মনোনয়নপত্র ক্রয় করে তার প্রতিনিধি দল।
টাঙ্গাইলের আলোচিত সিদ্দিকী পরিবারের সন্তান মুরাদ সিদ্দিকী কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম এবং সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর ছোট ভাই। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হবে।
এ অবস্থায় মুরাদ সিদ্দিকী টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র কিনেছেন- এমন খবরে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
জানা যায়, বিগত ১৯৯৯ সালে কাদের সিদ্দিকী আওয়ামী লীগ ছেড়ে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ নামে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করেন। মুরাদ সিদ্দিকী তখন তার ভাই কাদের সিদ্দিকীর সাথে দলে যোগ দেন। বিগত ২০০১ ও ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রার্থী হিসেবে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। এরপর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের রাজনীতি থেকে সরে আসেন। বিগত ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করে উল্লেখযোগ্য ভোট পেয়ে পরাজিত হন।
মূলত ২০০৯ সাল থেকে মুরাদ সিদ্দিকী আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করছেন। বিগত ২০১৫ সালে মুরাদ সিদ্দিকীর অনুসারী টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র জামিলুর রহমান মিরনসহ অনেকেই আওয়ামী লীগে যোগ দেন। তাঁরা পরবর্তী সময়ে জেলা আওয়ামী লীগে পদ-পদবিও পান। কিন্তু মুরাদ সিদ্দিকী যোগ দিতে ব্যর্থ হন। দলে ঢুকতে না পারলেও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ এবং দলীয় কার্যালয়ে মুরাদ সিদ্দিকী নিয়মিত যাতায়াত করেন। বিগত ২০২২ সালের ৭ নভেম্বর টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রায় দশ হাজার নেতাকর্মী নিয়ে অংশগ্রহণ করেন।
এ ব্যাপারে মুরাদ সিদ্দিকী বলেন, আমার রক্তে আওয়ামী লীগ, আমি আওয়ামী পরিবারের সন্তান। আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের আদর্শের সৈনিক। আমি জননেত্রী শেখ হাসিনার একজন ক্ষুদ্র কর্মী। রাজনীতি করি মানুষের কল্যাণে। এবার দুটি আসনে দলের কাছে মনোনয়ন চেয়েছি। সদর আসনে রয়েছে আমার নিজস্ব ভোট ব্যাংক ও কালিহাতী আমার পৈত্রিক নিবাস। সাধারণ মানুষ আমাকে ভালোবেসে এমপি হিসেবে দেখতে চায়। দল আমাকে যে কোন আসন থেকে নৌকা দিলে দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে আসনটি উপহার দিব। দল যদি আমাকে যে দায়িত্ব দিবে সেটা নিষ্ঠার সাথে শতভাগ পালন করবো।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভুঞাপুরে সোনালী ব্যাংক গোবিন্দাসী শাখায় গ্রাহকের সঞ্চয়পত্রের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সাবেক ম্যানেজার শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় মাইকিং করায় ব্যাংকে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরে ভুক্তভোগী গ্রাহকরা একত্রিত হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে প্রতিকার চেয়ে অভিযোগ করেছেন।
সোমবার (২০ নভেম্বর) দুপুরে সোনালী ব্যাংকের অর্ধশতাধিক গ্রাহক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেন। পরে কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করে। এতে নেতৃত্ব দেন গোবিন্দাসী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারমান দুলাল হোসেন চকদার।
এরআগে রবিবার (১৯ নভেম্বর) সকালে গোবিন্দাসী এলাকায় মাইকিং করে একত্রিত হওয়ার জন্য ইউপি চেয়ারমান দুলাল হোসেন চকদারের গরুর ফার্মে আসার আহ্বান জানান। এদিকে এলাকায় মাইকিং করার ঘটনায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তার জন্য পুলিশি নিরাপত্তা চাওয়ায় সোনালী ব্যাংক গোবিন্দাসী শাখার সামনে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
জানা যায়, অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম ম্যানেজার হিসেবে সোনালী ব্যাংক গোবিন্দাসী শাখায় ২০২০ সালে যোগদান করে। এরপর দীর্ঘ ৩ বছর ২ মাস সেখানে কর্মরত ছিলেন তিনি। এই দীর্ঘ সময়ে তথ্য প্রযুক্তিতে মেধাসম্পন্ন শহিদুল ইসলাম কৌশলে ব্যাংকের ১৩০ জনের সঞ্চয়পত্রের টাকা লুজ চেকের (জরুরি উত্তোলনের জন্য একক পাতা) মাধ্যমে অন্য অ্যাকাউন্টে ৫ কোটি ১১ লাখ টাকা সরিয়ে নেন। এছাড়া উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের হতদরিদ্রদের ভাতার ৬ লাখ ৮১ হাজার টাকাও গায়েব করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযুক্ত ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম তার বড় ভাই মহির উদ্দিন তালুকদার এগ্রো ফার্ম, কালিহাতী উপজেলার আদাবাড়ি গ্রামের খালেদা বেগম ও তার বন্ধুদের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে টাকা আত্মসাৎ করেন। টাকা আত্মসাতের অপরাধে ইতোমধ্যে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাকে বরখাস্ত করেছে।
ভুক্তভোগী গ্রাহকরা বলেন, দীর্ঘদিন হয়েছে ব্যাংকের তৎকালীন ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম ৫ কোটির বেশি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এখনও কেউ টাকা ফেরত পাচ্ছি না। ওই ম্যানেজারও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমরা টাকা ফেরত দেওয়াসহ ম্যানেজারের শাস্তির দাবি করছি।
অভিযুক্ত ম্যানেজার শহিদুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
গোবিন্দাসী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারমান দুলাল হোসেন চকদার বলেন, গ্রাহকদের একত্রিত হওয়ার জন্য এলাকায় মাইকিং করা হয়েছিল। টাকা না পেয়ে গ্রাহকরা হতাশ। সকল গ্রাহক গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানিয়েছেন। তিনি ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
সোনালী ব্যাংক গোবিন্দাসী শাখা ম্যানেজার ফিরোজ আহম্মেদ জানান, এলাকায় মাইকিংয়ের ঘটনায় ব্যাংক অনিরাপদ হওয়ায় নিরাপত্তা চাওয়া হয় পুলিশের কাছে। পরে ব্যাংকে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বেলাল হোসেন বলেন, গ্রাহকরা তাদের সঞ্চয়পত্রের টাকা আত্মসাতের বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি আমরা গুরুত্ব সহকারে দেখবো।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে পুকুরের পানিতে ডুবে আমির খান নামে দেড় বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (১৯ নভেম্বর) সকালে উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়নের কালিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু আমির ওই গ্রামের আকাশ খানের ছেলে।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার সকালে আমির বাড়ির ভেতরে খেলা করছিলো। এ সময় সবার অগোচরে বাড়ির সামনে তাদের পুকুরে পড়ে যায়। পরে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজির এক পযার্য়ে পুকুরের পানিতে আমিরকে ভেসে থাকতে দেখে। দ্রুত পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে নিকটবর্তী কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের দাদা মো. আবুল হোসেন খান জানান, খেলতে গিয়ে সকলের অগোচরে পানিতে পড়ে যায় আমির। এ কারণে পানিতে ডুবে সে মারা যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন,অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে অতিরিক্ত টাকা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক মিনহাজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে।
শিক্ষাবোর্ড থেকে তিন বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য সব মিলিয়ে সর্বোচ্চ ২ হাজার ১৪০ টাকা নির্ধারণ করে দিলেও এই বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত আরও ২ হাজার ৫’শত টাকা নেয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছে দরিদ্র শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগন।
তবে সহকারি প্রধান শিক্ষক মিনহাজ উদ্দিনের দাবি, ভালো ফলের জন্য কোচিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ জন্য শিক্ষার্থী প্রতি ফরম পূরণের সময় শিক্ষাবোর্ড নির্ধারিত টাকার অতিরিক্ত ২ হাজার ৫’শত টাকা কোচিং ফি বাবদ নেয়া হয়েছে। এছাড়া কোন বেতন নেওয়া হয়নি।
জানা গেছে, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নে অবস্থিত মগড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০২৪ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ফরমপূরণ করেছে মোট ১০৪ জন শিক্ষার্থী। এবছর এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের জন্য প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে কত টাকা নেওয়া যাবে সেটি নির্ধারণ করে দিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের প্রতি শিক্ষার্থীর জন্য বোর্ড ফি ১ হাজার ৬২৫ টাকা ও কেন্দ্র-ফি ৫১৫ টাকাসহ মোট ২ হাজার ১৪০ টাকা। বাণিজ্য বিভাগ ও মানবিক বিভাগের প্রতি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বোর্ড ফি ১ হাজার ৫৩৫ টাকা ও কেন্দ্র-ফি ৪৮৫ টাকাসহ মোট ২ হাজার ২০ টাকা হারে নির্ধারণ করে গত ১৭ অক্টোবর একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে ফরম পূরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ওই বিজ্ঞপ্তিতে কোনোভাবেই অতিরিক্ত ফি নেওয়া যাবে না উল্লেখ করা হলেও মগড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে ৪ হাজার ৭০০ টাকা রশিদ ছাড়াই নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে একাধিক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগন।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা জানায়, ৫ হাজার ৩০০ টাকা দিয়ে এসএসসি ফরম পূরণ করতে হয়েছে। মেয়ে বাড়ি গিয়ে জানিয়েছে, এ টাকা না দিলে নাকি ফরম পূরণ করতে দেওয়া হবে না। তাই কি করমু ডাবল টাকা দিয়ে ফরমপূরণ করতে বাধ্য হয়েছি। এভাবে কি সন্তাদের লেখাপড়া করানো সম্ভব?
তারা আরও জানায়, ফরম পুরণের সময় দুই বছরের বেতন বাবদ ৬০০ ও ৩ মাসের কোচিং ফি বাবদ ২৫০০ টাকা আগে পরিশোধ করতে হয়েছে। এরপর ফরমপূরণের টাকা নিছে।
মো.রফিকুল ইসলাম নামের এক অভিভাবক জানান, আমার সাথে বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির ছোট ভাইয়ের সাথে সখ্যতা থাকায় ৩ হাজার ১’শত টাকা দিয়ে মেয়ের ফরমপূরণ করেছি।
তিনি আরও জানান, আমাদের এলাকায় বেশিরভাগ লোক কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। তাদের জন্য ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা দিয়ে ফরমপূরণ করা খুবই কষ্টের ব্যাপার।
সরেজমিনে দেখা যায়, স্কুলের নবম শ্রেনীর দুই শিক্ষার্থীকে দিয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক মিনহাজ উদ্দিন তার নিজের রুম পরিষ্কার করাচ্ছেন।
বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের স্কুলে গত দুই বছর যাবত আয়া নেই। তাই শিক্ষার্থীদের দিয়ে বিদ্যালয়ের মাঠ ক্লাসরুম আর অফিস পরিষ্কার করানো হয়।
বিদ্যালয়ের একাধিক সুত্র জানায়, প্রধান শিক্ষক শরিফুল ইসলাম গত কয়েক বছর যাবত শারিরীকভাবে অসুস্থ থাকায় সহকারি প্রধান শিক্ষক মিনহাজ উদ্দিন ও অফিস সহকারী আমীর হোসেন মিলে বিদ্যালয়ে নানা অনিয়ম ও শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের সাথে খারাপ আচরণ করে আসছেন। তারা দুজনেই স্থানীয় হওয়ায় বিদ্যালয়ে অন্য শিক্ষকরা প্রতিবাদ করতে সাহস পায়না।
সুত্র আরও জানায়, এবারের মোট এসএসসি পরিক্ষার্থী সংখ্যা ১০৫জন। এর মধ্যে অনিয়মিত পরিক্ষার্থীর সংখ্যা রয়েছে ৭ থেকে ৮জন। শুধু নিয়মিত পরিক্ষার্থীরাই কোচিং ফি বাবদ টাকা জমা দিয়েছে।
মগড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. মেনহাজ উদ্দিন বলেন, ছাত্রীদের ভালো ফলের জন্য কোচিং এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ জন্য শিক্ষার্থী প্রতি ফরম পূরণের সময় শিক্ষাবোর্ড নির্ধারিত টাকার অতিরিক্ত ২ হাজার ৫’শত টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। সরকারিভাবে কোচিং নিষিদ্ধ হলেও কিভাবে তারা সেটি করাচ্ছেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ভালো ফলাফলের জন্য বেসরকারি স্কুল গুলো কোচিং এর আয়োজন করে থাকে।
তিনি আরও বলেন, সরকার নির্ধারিত টাকার বাহিরে অতিরিক্ত টাকা শুধু আমরাই নিচ্ছি না,অনেক বিদ্যালয়ই নিচ্ছে।
বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. ফজলুল হক এর মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান-বিন-মুহাম্মাদ আলী বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রেবেকা সুলতানা জানান, বিষয়টি সম্পর্কে সুস্পষ্ট তথ্য প্রমান পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া ওরফে বড় মনিরের বিরুদ্ধে দায়ের করা ধর্ষণ মামলার বাদী কলেজছাত্রী আফরোজ মির্জা এশা’র ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত সৌরভ পাল টাঙ্গাইল পৌরসভার থানাপাড়া এলাকার শ্যামল পালের ছেলে। শনিবার (১৮ নভেম্বর) রাতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সৌরভের সঙ্গে নিহত বাদী এশার বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল বলে জানা গেছে।
রবিবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি)আব্দুস ছালাম মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে শনিবার রাতেই নিহত কলেজছাত্রী এশা মির্জার বড় বোন লুনা মির্জা বাদী হয়ে সৌরভকে প্রধান ও তার আপন বড় ভাই জনি মির্জার নামে আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা দায়ের করেন।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস সালাম মিয়া বলেন, শনিবার রাতে আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগ এনে এশা মির্জার বোন লুনা মির্জার আপন ভাই জনি মির্জা ও সৌরভ নামের একজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
তিনি আরও বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। রবিবার ময়নাতদন্ত করা হবে। ময়নাতদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। গ্রেপ্তারকৃত সৌরভ পালকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৫ এপ্রিল রাতে টাঙ্গাইল সদর থানায় নিহত এশা মির্জা বাদী হয়ে আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
মামলায় এশা ধর্ষণের কারণে অন্তঃসত্তা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। পরে ৬ এপ্রিল দুপুরে আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দেয় ওই কিশোরী।
এশার দায়ের করা ধর্ষণ মামলার একমাত্র আসামি গোলাম কিবরিয়া বড় মনির বর্তমানে হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়ে মুক্ত রয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনে আগুনের ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে রেলওয়ে পুলিশ। শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, আমিনুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম ও নাজমুল ইসলাম। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রেলওয়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আশরাফ বলেন, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) ভোর রাতে টাঙ্গাইল ঘারিন্দা রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি কমিউটার ট্রেনে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এতে ট্রেনের তিনটি বগি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ঘটনায় টাঙ্গাইল রেলস্টেশন সহকারী মাস্টার তরিকুল ইসলাম বাদী হয়ে রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে মামলা দায়ের করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনিরের বড় ভাই গোলাম কিবরিয়া বড় মনিরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলাকারী কলেজ ছাত্রী এশা মির্জার (২২) রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১৮ নভেম্বর )দুপুরে করের বেতকা এলাকায় তার নিজ বাসার ৩য় তালা থেকে এশার মরদেহ উদ্ধার করা করে পুলিশ।
নিহত আফরোজ মির্জা এশা টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের করের বেতকা গ্রামের লতিফ মির্জার মেয়ে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) শরফউদ্দিন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শনিবার দুপুরে নিজ বাসার রুমের ভিতর শার মির্জার শিশু পুত্রের কান্না শুনতে পায় স্থানীয় তনিমা আক্তার নামের এক নারী। পরে আশপাশের লোকজনকে জানালে তারা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
এবিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, আলোচিত ধর্ষণ মামলার বাদি মির্জা আফরোজ এশা তার তিনতলা বাসার নিজরুমে ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। এমন খবরের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধারের কার্যক্রম চালাচ্ছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৫ এপ্রিল রাতে অন্তঃসত্ত্বা থাকা অবস্থায় এশা টাঙ্গাইল সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে আওয়ামী লীগ নেতা বড় মনির ও তার স্ত্রী নিগার আফতাবের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
সম্প্রতি গোলাম কিবরিয়া বড় মনির উচ্চ আদালতে জামিন নিয়ে কারামুক্ত হয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ ঘূর্ণিঝড় মিধিলি’র প্রভাবে দমকা হাওয়ায় টাঙ্গাইলের বাসাইলে গাছের ডাল পড়ে রাজ্জাক মিয়া (৪০) নামের এক কাপড় ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে বাসাইল উপজেলা পরিষদের গেটের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রাজ্জাক মিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের মিরিকপুর গ্রামের কুসুম মিয়ার ছেলে। তিনি বাসাইলের কোটিপতি মার্কেটে কাপড়ের ব্যবসায়ী ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, জুমার নামাজ পড়ে মোটরসাইকেলে বাসার দিকে যাচ্ছিলেন। তিনি উপজেলা পরিষদের গেটের সামনে পৌঁছালে ঝড়ো বাতাসে গাছের ডাল ভেঙে মাথায় পড়লে সঙ্গে সঙ্গে তার মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মরত মেডিকেল অফিসার ডা: নাঈম আব্দুল্লাহ বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পাপিয়া আক্তার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমরা নিহতের পরিবারের পাশে আছি।
একতার কণ্ঠঃ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম বলেছেন, আমরা আমেরিকায় বাস করি না বাংলাদেশে বাস করি। আমেরিকা স্যাংশন দিবে এই ভয়ে আমরা বিয়ে করবো না বউ তালাক দিবো, মেয়ের বিয়ে হবে না ছেলের বিয়ে করাবো এটা চিন্তা ভাবনা করা উচিত না। এটা জাতীয় পার্টির জিএম কাদের জীবনের একটি শ্রেষ্ঠ ভুল কথা বলেছেন। এটাও বলবো আমেরিকার রাষ্ট্রদূতের বাংলাদেশে এত দৌঁড়াদৌড়ি ভালো না। এটা তার দেশের ইলেকশন না, ইলেকশন আমাদের দেশের।
শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) সকালে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৭তম ওফাত দিবস উপলক্ষে তার মাজারে শ্রদ্ধা জানানোর পর তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।
তফসিল নিয়ে বঙ্গবীর বলেন, নির্বাচনী তফসিল ঘোষনা হয়েছে এটা নিয়ে অনেকে খুশি না। আমি নিজেও খুশি না। কিন্তু তার পরেও বলবো একটি গণতান্ত্রিক দেশে পাঁচ বছর পরপর অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ প্রভাব মুক্ত নির্বাচন হওয়া দরকার, বঙ্গবন্ধু নিজে বলেছে সকল প্রকার প্রভাব মুক্ত নির্বাচন করতে হবে। আমি বলবো এখন সরকার নাই, এখন সরকার নির্বাচন কমিশন। ইচ্ছে স্বাধীন যেনো কোন কিছু না করা হয়। গতবারের মতো ভোটারবিহীন ভোট হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ও সব থেকে বেশি ক্ষতি হবে বাংলাদেশের আর তার থেকে বেশি ক্ষতি হবে আমার বোন শেখ হাসিনার।
বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম আরও বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনেই কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ মনোনয়ন দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে।
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক বন্ধ রাখায় তীব্র নিন্দা ও সমালোচনা করেন বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম।
তিনি এ বিষয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উচিত এই ভাসানীর মাজার সকলের জন্য উম্মুক্ত রাখা। সকলেই যেনো ভাসানী হুজুরের মাজার জিয়ারত করতে পারে।
এসময় কাদের সিদ্দিকীর সাথে উপস্থিত ছিলেন সখীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র সানোয়ার হোসেন সজীব, ভাসানীর নাতি হাসরত খান ভাসানীসহ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে ঝিনাই নদীর তীরবর্তী আদাজান গ্রামের ৮’শ মিটার রাস্তার নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের আদাজান উত্তর পাড়ার স্থানীয় ডা. শহিদের বাড়ির সামনের রাস্তা থেকে আওয়ালের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তার কাজটির উদ্ভোধন করা হয়।
৮’শ মিটার এই রাস্তার কাজ শেষ করতে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার প্রয়োজন হলেও (কাবিটা ১ম পর্ব) মাত্র ৩ লক্ষ টাকা নিয়ে এই কাজ শুরু করা হয়েছে।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানাযায়, নারীনেত্রী রেখা বেগম দীর্ঘদিন ধরে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্যের কাছে তদবিরের মাধ্যমে বাসাইলের বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নয়ন কাজ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় রাস্তার এই কাজটি শুরু করা হয়েছে।
মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক মেম্বার আমির আলীসহ গ্রামের বয়োজেষ্ঠরা জানান, স্বাধীনতা পরবর্তী ৫১ বছরে এই এলাকার সাধারণ মানুষ এই রাস্তা টুকুর জন্য বছরের ৭ থেকে ৮ মাস যাতায়াতে ভোগান্তির শিকার হয়েছে। এই রাস্তার কাজ সমাপ্ত হলে স্থানীয় ৪শ পরিবারসহ পার্শ্ববর্তী ৪টি গ্রামের মানুষ যাতায়াতের সুফল ভোগ করবে।স্থানীয় প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং মাদ্রাসার প্রায় ৭ থেকে ৮’শ শিক্ষার্থীরাও এই রাস্তার সুফল ভোগ করবে।
রাস্তার কাজ উদ্ভোধন অনুষ্ঠানে কাঞ্চনপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন, ৯নং ওয়ার্ড মেম্বার আশরাফ উদ্ জামান বক্তার, ওয়ার্ড আ’লীগ সভাপতি সাহেব আলী মিয়া, পরেশ চন্দ্র মন্ডলসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বালুবাহী ট্রাকের ধাক্কা লেগে আশিক মিয়া (২০) নামে এক যুবককের নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গোপালপুর পৌর শহরের ভূঞারপাড়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আশিক পৌর শহরের উত্তর গোপালপুর এলাকার আমির হোসেনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে আশিক মোটরসাইকেলটি দ্রুত গতিতে চালিয়ে নবগ্রামের দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কাছে পৌঁছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি হাইড্রোলিক ট্রাকের পেছনে ধাক্কা লেগে ছিটকে পড়েন ও গুরুতর আঘাত পায়। এরপর স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
পরে ঢাকা নেয়ার পথে আশিকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে পথিমধ্যে রোগীর স্বজনরা টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আলিম আল রাজী জানান, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় আশিক নামে এক আরোহীকে নিয়ে আসে স্থানীয়রা। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও মাথায় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।
এ ব্যাপারে গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়াউল মোর্শেদ জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। এ ব্যাপারে কেউ অভিযোগ করেনি।