/ হোম / টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে বাবার মৃত্যুর খবর শুনে মেয়ের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাবার মৃত্যুর খবর শুনে মেয়ের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে বৃদ্ধ বাবার মারা যাওয়ার খবর শুনে মেয়ের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। রবিববার (২৯ অক্টোবর) বিকালে বাবার এবং সন্ধ্যায় মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের মাতম বইছে। রবিবার সন্ধ্যায় উপজেলার আউশনারা ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৮ নং আউশনারা ইউনিয়নের গোপিনাথপুর গ্রামের মৃত সলিম উদ্দিনের ছেলে আফসার আলির (৮০) স্বাভাবিক মৃত্যু হয়। পিতার মৃত্যুর খবর শুনে বাবার বাড়িতে ছুটে আসেন মেয়ে অজুফা আক্তার (২৮)। বাবার লাশের পাশে এসে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মেয়ে অজুফা আক্তারকে মৃত ঘোষণা করেন।

এমন অস্বাভাবিক মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের মাতম বইছে। রবিবার রাতে বাবা ও মেয়ের মরদেহ জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করার প্রক্রিয়া চলছে।

এ ব্যাপারে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেরের ডা: রাফিদুল ইসলাম জানান, ওই নারীকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. অক্টোবর ২০২৩ ০৪:১৫:এএম ৩ বছর আগে
হরতালের সমর্থনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের বিক্ষোভ-সমাবেশ - Ekotar Kantho

হরতালের সমর্থনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের বিক্ষোভ-সমাবেশ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের উদ্যোগে বিএনপি-জামায়াতের ডাকা হরতালের সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করা হয়েছে। রোববার (২৯ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল কোর্ট এলাকায় ওই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অ্যাডভোকেট বার সমিতির সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে আদালত প্রাঙ্গণের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির সাবেক সভাপতি এসএম ফাইজুর রহমান ও আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফা মিঞা। সমাবেশ পরিচালনা করেন, অ্যাডভোকেট জহুরুল ইসলাম জহির।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, টাঙ্গাইল বারের সভাপতি মঈদুল ইসলাম শিশির, এডভোকেট জহুরুল ইসলাম জহির, এমদাদ কবির, শাহ্জাহান কবীর, ওমরাও খান দিপু, আইন উদ্দিন বিপ্লব, মোবারক হোসেন প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. অক্টোবর ২০২৩ ০৩:৫৩:এএম ৩ বছর আগে
নিহত পুলিশ কনস্টেবল পারভেজের দাফন সম্পন্ন - Ekotar Kantho

নিহত পুলিশ কনস্টেবল পারভেজের দাফন সম্পন্ন

একতার কণ্ঠঃ ঢাকায় দায়িত্ব পালনকালে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত পুলিশ কনস্টেবল আমিরুল ইসলাম পারভেজের মরদেহ রোববার (২৯ অক্টোবর) বিকালে তার গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলা সদরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

তার আদি বাড়ি মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার চরকাটারি ইউনিয়ন ৮নং ওয়ার্ডের চরকাটারি গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের অসুস্থ বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সেকেন্দার আলী মোল্লার বড় ছেলে। তাদের বাড়ি যমুনা নদীতে ভেঙে যাওয়ায় তারা বর্তমানে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়নের ফয়েজপুর গ্রামে বসবাস করছেন।

পারিবারিক সিদ্ধান্তে রোববার সন্ধ্যায় দৌলতপুর উপজেলা সদর সামাজিক গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে। এদিকে, স্থানীয় মতিলাল ডিগ্রি কলেজ মাঠে তার মরদেহ পৌঁছলে এক হৃদয় বিদারক ঘটনার অবতারণা হয়। তাকে শেষ বারের মতো এক নজর দেখতে শ’ শ’ মানুষ ভির জমায়। পরে ওই কলেজ মাঠে তার জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জানাজা নামাজ চলছিল।

অপরদিকে, নিহত পুলিশ কনস্টেবল আমিরুল ইসলাম পারভেজের বর্তমান গ্রাম টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়নের ফয়েজপুরে এখনও শোকের মাতম চলছে।

নিহত পুলিশ কনস্টেবল আমিরুল ইসলাম পারভেজের চাচা ও টাঙ্গাইলের বাসাইল থানার এসআই ওয়াজেদ আলী জানান, নিহত পুলিশ কনস্টেবল আমিরুল ইসলাম পারভেজদের বাড়ি ২০১১ সালের দিকে যমুনা নদীর ভাঙনে বিলীন হয়ে যায়। পরে পরিবারসহ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়নের ফয়েজপুর গ্রামে বাড়ি করেন। তার স্ত্রীর নাম রুমা ও সাত বছর বয়সী মেয়ের নাম তানহা ইসলাম। তিনি স্ত্রী ও কন্যা সন্তান নিয়ে ঢাকায় থাকতেন।

নিহত পুলিশ কনস্টেবল আমিরুল ইসলাম পারভেজের স্ত্রী রুমা আক্তার স্বামীর মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ হয়ে গেছেন। তিনি কোন কথা বলছেন না, মাঝে মধ্যে মেয়ে তানহাকে জড়িয়ে ধরে অঝোর ধারায় চোখের পানি ফেলছেন।

নাগরপুরের দপ্তিয়র ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য গোলাম রাব্বানী জানান, আমিরুল ইসলাম পারভেজরা তার এলাকার ভোটার নয়। বসবাস করার সুবাদে তার সম্পর্কে জানতেন, তিনি অত্যন্ত সাদাসিধে মানুষ ছিলেন। কখনও কারো সাতে-পাঁচে তাকে দেখা যায়নি। তিনি একজন দেশপ্রেমিক নাগরিক ছিলেন। বীরমুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে নিজেকে নিয়ে গর্ববোধ করতেন।

দৌলতপুর উপজেলার চরকাটারি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আইয়ুব আলীর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, নিহত পুলিশ কনস্টেবল পারভেজের বাবা একজন বীরমুক্তিযোদ্ধা। পারভেজ ২০১১ সালের ১৩ আগস্ট মুক্তিযোদ্ধা কোটায় মানিকগঞ্জের ঠিকানায় পুলিশের চাকুরিতে যোগদান করেন। তারা দুই ভাই এক বোন।

ছোট ভাইয়ের নাম আজিজুল হক বিপ্লব। তবে বর্তমানে তার পরিবার টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়নের ফয়েজপুর গ্রামের বসবাস করলেও তারা এখনও চরকাটারি ইউনিয়নের ভোটার।

প্রসঙ্গত, শনিবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকার দৈনিক বাংলার মোড় এলাকায় বিএনপির মহাসমাবেশ চলাকালে দলটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে পারভেজ আহত হয়। বিকাল ৪টার পর গুরুতর আহতাবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. অক্টোবর ২০২৩ ০৩:১৯:এএম ৩ বছর আগে
হরতালে ফাঁকা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক - Ekotar Kantho

হরতালে ফাঁকা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক

একতার কণ্ঠঃ বিএনপি’র ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে বন্ধ রয়েছে সকল ধরনের যান চলাচল। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের ও চাকরিজীবী মানুষ। বিকল্প হিসেবে সিএনজি, অটোরিকশা ও অটোভ্যানে গাদাগাদি করে কর্মস্থলে যাচ্ছেন তারা। তবে এপর্যন্ত মহাসড়কের কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

শনিবার (২৮ অক্টোবর) বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঢাকার সমাবেশ থেকে এই সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দেন।

হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, মহাসড়কে দূরপাল্লার গণপরিবহন চলাচল না করলেও পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল করছে। যে কোন বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। এ পর্যন্ত কোথাও কোন সমস্যার সৃষ্টি হয়নি।

এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আলমগীর আশরাফ জানান, শনিবার (২৮ অক্টোবর) মহাসড়কে যানবাহন কম ছিলো, রবিবার (২৯ অক্টোবর) আরও কম চলাচল করছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. অক্টোবর ২০২৩ ০৩:৩৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ওড়নার কাপড় দিয়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় অজ্ঞাত পরিচয়ের এক যুবকের (৩০) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার(২৯ অক্টোবর )বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়নের কালমেঘা বেলতলী এলাকায় বনের ভেতর দিয়ে যাওয়া সড়কের পাশে মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। তাৎক্ষণিক ওই যুবকের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

এ প্রসঙ্গে বহুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সরকার নূরে আলম মুক্তা বলেন, ‘সকালে স্থানীয় এক কাঠমিস্ত্রি সড়কের পাশে লাশটি পড়ে থাকতে দেখে আমাদের খবর দেয়। এলাকার কেউ লাশের পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি। ধারণা করা হচ্ছে, অন্য কোনো এলাকায় ওই যুবককে হত্যা করে, গভীর রাতে এখানে লাশ ফেলে রেখে গেছে।’

সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ শাহিনুর রহমান জানান, রোববার সকালের দিকে কালমেঘা বেলতলী গ্রামে একটি আকাশমনি গাছের বাগান থেকে অজ্ঞাত যুবকের হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে।পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এঘটনায় এখনও মামলা বা নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. অক্টোবর ২০২৩ ১০:০৯:পিএম ৩ বছর আগে
বিএনপি’র সমাবেশে সংর্ঘষে নিহত পুলিশ সদস্যের টাঙ্গাইলের বাড়িতে শোকের মাতম - Ekotar Kantho

বিএনপি’র সমাবেশে সংর্ঘষে নিহত পুলিশ সদস্যের টাঙ্গাইলের বাড়িতে শোকের মাতম

একতার কণ্ঠঃ রাজধানীর দৈনিক বাংলা মোড়ে বিএনপি’র নেতাকর্মীদের সাথে সংঘর্ষে নিহত পুলিশ সদস্য আমিরুল ইসলাম পারভেজের (৩৩) গ্রামের বাড়িতে শোকের মাতম চলছে। সে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়নের ফয়েজপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা সেকান্দর মন্ডলের ছেলে।

স্থানীয় বাসিন্দা মাছুম বলেন, তার গ্রামের বাড়িতে বৃদ্ধ বাবা-মা ও ভাই থাকেন। মা ও ভাই কান্নাকাটি করছেন। বাড়িতে শোকের মাতম চলছে।

জানা গেছে, নিহত পুলিশ সদস্য আমিরুল ইসলাম পারভেজ ২০০৯ সালে পুলিশে যোগ দেন। তারা দুই ভাই। চাকুরির সুবাদে পারভেজ পরিবার নিয়ে ঢাকাতেই থাকেন। গ্রামের বাড়িতে তার বৃদ্ধ বাবা-মা ও ভাই থাকে। ২০১২ সালে তিনি বিয়ে করেন। তাদের ঘরে ৬ বছর বয়সী তানহা ইসলাম নামের একজন কন্যা সন্তান রয়েছে।

উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম ফিরোজ সিদ্দিকী বলেন, সংঘর্ষে নিহত হওয়ার খবর পেয়েছি। ওই পুলিশ সদস্যের বাড়ি মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার ছিল। কিন্তু নদী ভাঙনে তাদের বসতভিটা হারিয়ে পার্শবতী দপ্তিয়র ইউনিয়নের ফয়েজপুর গ্রামে বসবাস করেন। ফয়েজপুরে বসবাস গড়ে তুললেও এখনও তারা দৌলতপুর এলাকার ভোটার।

জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, ওই পুলিশ সদস্যের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে ঢাকায় জানাযা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মরদেহ তার গ্রামের বাড়িতে আনা হবে। নিহতের পরিবার যেভাবে চাইবে সেইভাবে হবে।তার জানাযা নামাজ ও তার পরিবারের পাশে দাঁড়ানোসহ সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া মরহুমের শোক-সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা জ্ঞাপন করছি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. অক্টোবর ২০২৩ ০৩:০৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রবাসীর স্ত্রীর লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রবাসীর স্ত্রীর লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সুমী আক্তার (২৭) নামের এক প্রবাসীর স্ত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৮ অক্টোবর) সকালে উপজেলার বনবাড়ী গ্রাম থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত সুমী উপজেলার আটাবাড়ী গ্রামের সৌদি আরব প্রবাসী হাসমত আলীর স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানান, গৃহবধূ সুমী আক্তার বিয়ের পর তার স্বামীর বাড়িতে বসবাস করলেও বিভিন্ন কারণে তার শ্বশুর বাড়ীর লোকজনেদের সাথে ঝগড়া ঝাটি লেগেই থাকতো। তাই সুমীর বাবা মেয়ের সুখের কথা ভেবে তার কাছাকাছি বাড়ী করে দেন। সেখানেই সুমী তার একমাত্র ছেলে সোহাগ কে নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন।

শুক্রবার (২৭ অক্টোবর) দিনগত রাতে সুমীর ছেলে সোহাগ প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিয়ে তার মাকে (সুমী) ডাক দিলে কোন প্রকার শব্দ না পেয়ে রুমের দরজা খোলা দেখতে পায়। এক পর্যায়ে তার মা সুমীকে বিছানা থেকে রুমের মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। পরে সে দৌড়ে তার নানার বাড়ীর লোকজন ডেকে আনে। খবর পেয়ে পুলিশ সুমী আক্তারের লাশ শনিবার সকালে উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ফারুক জানান, সুমী আক্তার নামের এক প্রবাসীর স্ত্রীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।তবে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. অক্টোবর ২০২৩ ০১:৪৮:এএম ৩ বছর আগে
মহাসমাবেশে যাওয়ার পথে টাঙ্গাইল বিএনপি’র ৪ নেতা গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

মহাসমাবেশে যাওয়ার পথে টাঙ্গাইল বিএনপি’র ৪ নেতা গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ ঢাকায় বিএনপি’র মহাসমাবেশে যোগ দেওয়ার জন্য যাওয়ার পথে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরের ৪ বিএনপি নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৮ অক্টোবর) ভোরে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেল স্টেশন এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তবে, গ্রেপ্তাতারকৃতদের বিরুদ্ধে পূর্বে নাশকতার মামলা ছিল বলে পুলিশ দাবি করলেও বিএনপি নেতৃবৃন্দের দাবি মহাসমাবেশকে বাধাগ্রস্থ করতে চালানো হয়েছে ওই গ্রেপ্তার অভিযান।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মফিজুর রহমান খান ওরফে মফিজ, ভূঞাপুর পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান গিয়াস, গাবসারা ইউনিয়ন বিএনপি’র ৮নং ওয়ার্ড সভাপতি শফি উদ্দিন ও অলোয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র ৬নং ওয়ার্ড সভাপতি ফরহাদুল ইসলাম।

উপজেলা বিএনপি সূত্রে জানা যায়, ২৮ অক্টোবর ঢাকায় বিএনপির মহাসমাবেশে যোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে ভোরে টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেল স্টেশনে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছিল শতশত নেতাকর্মী। হঠাৎ পুলিশ এসে ওই ৪ নেতাকে গ্রেপ্তার করে। বাকিরা দ্রুত ট্রেনে উঠায় তাদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক সেলিমুজ্জামান তালুকদার সেলু বলেন, ঢাকায় বিএনপি’র মহাসমাবেশকে বাধাগ্রস্ত করতে পুলিশ গণহারে গ্রেপ্তার অভিযান ও হয়রানি করছে। ইতোমধ্যে যে ৪ নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা ছিল না। এই গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান উল্লাহ্ জানান, গ্রেপ্তারকৃত ওই ৪ জনের বিরুদ্ধে পূর্বে নাশকতার মামলা থাকায় অভিযান চালিয়ে ভোরে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব স্টেশন এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. অক্টোবর ২০২৩ ০১:১৬:এএম ৩ বছর আগে
কৌশল পাল্টে সমাবেশের আগেই ঢাকা পৌঁছেছেন টাঙ্গাইল বিএনপি’র নেতাকর্মীরা - Ekotar Kantho

কৌশল পাল্টে সমাবেশের আগেই ঢাকা পৌঁছেছেন টাঙ্গাইল বিএনপি’র নেতাকর্মীরা

একতার কণ্ঠঃ সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে ঢাকায় আয়োজিত সমাবেশে আসতে বাঁধার মুখে পড়তে হবে জেনে, কয়েক দিন আগেই টাঙ্গাইল থেকে ১০ হাজারেরও বেশি বিএনপি নেতাকর্মী ইতোমধ্যে ঢাকায় পৌঁছেছেন। বাকিরা শুক্রবার (২৭ অক্টোবর) এর মধ্যেই পৌঁছে যাবেন বলে জানিয়েছেন তারা।

শনিবার (২৮ অক্টোবর) সমাবেশে অংশ নিতে ইতোমধ্যেই ঢাকায় পৌঁছে যাওয়া টাঙ্গাইল বিএনপি’র নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, দলীয় হাইকমান্ড থেকে তাদের শুধু স্বতঃস্ফূর্ত ও শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশে যোগ দিতে বলা হয়েছে। সেখান থেকে একদফা দাবি আদায়ে আন্দোলনের চূড়ান্ত কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

জেলা বিএনপির নেতারা জানান, ঢাকায় প্রবেশ ঠেকাতে সরকারের নানা অপকৌশলের কথা মাথায় রেখে গত কয়েকদিন আগে থেকেই রেল, বাসসহ বিভিন্নভাবে ঢাকায় যেতে শুরু করেন নেতা কর্মীরা। আগের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার তারা মাইক্রোবাসের মতো বাহনে দল বেঁধে যাচ্ছেন না।

ঢাকায় পৌঁছে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবসহ বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন তারা। এ ছাড়া গ্রেপ্তার এড়িয়ে রাজধানীতে অবস্থান এবং সমাবেশস্থলে পৌঁছানোর ব্যাপারে নানা সতর্কতা অবলম্বন করছেন তারা।

টাঙ্গাইল জেলা যুবদলের সভাপতি খন্দকার রাশেদুল আলম জানান, তিনিসহ দলের অনেক নেতাকর্মী ইতোমধ্যেই ঢাকায় পৌঁছে গেছেন।

তিনি জানান, ইতোমধ্যে ঢাকায় পৌঁছে যাওয়া নেতাকর্মীর সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। আরও আসছেন। সবাই যার যার নিজ নিজ খরচে এবং নিজ নিজ ব্যবস্থাপনায় আসছেন।

তিনি আরও জানান, আমাদের শুধু স্বতঃস্ফূর্ত ও শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশে যোগ দিতে আহ্বান করা হয়েছে। সেখান থেকে একদফা দাবি আদায়ে আন্দোলনের চূড়ান্ত কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

বিপদ হতে পারে জেনেও মহাসমাবেশে যোগ দিতে ঢাকায় এসেছি। আসলে এই সরকারের আমলে এত বিপদে আছি যে, আর কি হতে পারে জানালেন জেলার এক বিএনপি কর্মী।

এলাকায় গ্রেপ্তার অভিযানের পাশাপাশি ঢাকায় মহাসমাবেশে না যেতে পুলিশের দেখানো ভয়-ভীতি, আসার পথে বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চেকপোস্ট এবং রাজধানীতে এসে মোবাইল ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক সমস্যায় পড়েছেন বলেও জানিয়েছেন অনেক বিএনপি কর্মী।

টাঙ্গাইল র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩ কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দিন মোহাম্মদ যোবায়ের বলেন, দেশে যেন কোন প্রকার নাশকতা না করতে পারে সে জন্য ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কালিহাততে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। এখনো কাউকে আটক করা হয়নি।

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার অবশ্য স্থানীয় সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশ উপলক্ষে তারা কাউকে গ্রেপ্তার করছেন না। শুধু ডাকাতি রোধে নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিভিন্ন সড়কে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, জেলার কালিহাতীতে ১ জন, দেলদুয়ারে ২জন, মধুপুরে ২জন, ধনবাড়ীতে ২জন, নাগরপুর উপজেলার ২ জন ও বাসাইল উপজেলায় ১জনসহ মোট ১০জন বিএনপি নেতা কর্মীকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদেরকে গত বছরের নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. অক্টোবর ২০২৩ ০১:৪৯:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে দেখানো হলো ‘মুজিব একটি জাতির রূপকার’ চলচ্চিত্র - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে দেখানো হলো ‘মুজিব একটি জাতির রূপকার’ চলচ্চিত্র

একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত ‘মুজিব একটি জাতির রূপকার’ চলচ্চিত্র টাঙ্গাইলে বিনামূল্যে দেখার সুযোগ পেলো শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এ চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় টাঙ্গাইল কালেক্টরেট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রথমে বিনামূল্যে চলচ্চিত্রটি উপভোগ করেন। এরপর দুপুর দেড়টায় বিবেকানন্দ হাই স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা চলচ্চিত্রটি দেখেন। আগামী ২৯ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং দুপুর দেড়টায় মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান আদর্শ মহাবিদ্যালয়; ৩০ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় টাঙ্গাইল কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং দুপুর দেড়টায় পুলিশ লাইনস আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়; ৩১ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় কুমুদিনী সরকারি কলেজ এবং দুপুর দেড়টায় বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়; ১ নভেম্বর সরকারি শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা কলেজ এবং দুপুর দেড়টায় নার্সিং মিডওয়াইফারি কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে চলচ্চিত্রটি দেখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ওলিউজ্জামান, জেলা কালচারাল অফিসার এরশাদ হাসান, জেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এলেন মল্লিক প্রমুখ।

এ সময় জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থী ছাড়াও জেলা পর্যায়ে সকল সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারী, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকদের জন্য বিনামূল্যে ‘মুজিব একটি জাতির রূপকার’ চলচ্চিত্র দেখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই সিনেমাটি দেখে বঙ্গবন্ধুর জীবন নীতি আর্দশকে দর্শকদের হৃদয়ে লালন করতে পারবো। মুজিব একটি জাতির রূপকার’ সিনেমাটি দেখার জন্য পর্যায়ক্রমে উপজেলাগুলোতে বিনা টিকিটে দেখার জন্য সুযোগ করে দেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অক্টোবর ২০২৩ ০২:৫৫:এএম ৩ বছর আগে
২৮ অক্টোবরে বিএনপি আক্রমণাত্মক হলে আ’লীগ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করবে না: কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

২৮ অক্টোবরে বিএনপি আক্রমণাত্মক হলে আ’লীগ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করবে না: কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, ২৮ অক্টোবর আন্দোলনের নামে বিএনপি যদি সন্ত্রাসের পথে যায় ও আক্রমণাত্মক হয়, তাহলে আওয়ামী লীগ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করবে না। বিএনপি হুমকি দিচ্ছে ২৮ অক্টোবর দেশকে অচল করে দিবে, ঢাকাকে সারা দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিবে, দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করবে। বিএনপি যতোই হুমকি দিক, আমি মনে করি, ২৮ তারিখ তারা কিছুই করতে পারবে না। আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অনেক সক্ষমতা অর্জন করেছে, তারাই বিএনপিকে কঠোরভাবে মোকাবেলা করবে। আর বিএনপি যদি আন্দোলনের নামে সন্ত্রাসের পথে যায়, আক্রমণাত্মক হয়, গাড়িতে আগুন দেয়, বিদ্যুতের লাইন কাটে, রেললাইন তুলে, তাহলে আওয়ামী লীগ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করবে না। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপিকে সমুচিত জবাব দেয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা অডিটোরিয়ামে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন অঞ্চলে ধানের ও তেল ফসলের উচ্চ ফলনশীল জাতের সম্প্রসারণ ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে করণীয় শীর্ষক আঞ্চলিক কর্মশালায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, নির্বাচন যথাসময়ে হবে এবং তা সুষ্ঠু, সুন্দর ও সবার নিকট গ্রহণযোগ্য হবে। নির্বাচনে কারা আসল, কারা আসল না, সেটি কোন বিষয় না। তবে আমি আশা করি, বিএনপি’র শুভ বুদ্ধির উদয় হবে ও তারা নির্বাচনে আসবে। রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করে বিএনপি দেশকে বিদেশের উপর নির্ভরশীল করতে চায়। কারণ বিএনপি’র প্রভু হলো পাকিস্তান। এখনো পাকিস্তানের মায়া তাদের কাটে নি। তারা এখনো পাকিস্তানের ধারায়, পাকিস্তানের পথে ফিরে যেতে চায়। সেজন্য তাদের লক্ষ্য নির্বাচন বানচাল করা।

কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, ভবিষ্যতেও যাবে। এটি মানবতার দেশ। এই দেশে সাম্প্রদায়িকতার কোন জায়গা নেই। ধর্ম নিরপেক্ষতাই আমাদের আদর্শ।

তিনি বলেন, বিএনপি’র শাসনামলে দেশে দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিলো। তারা সার দিতে পারেনি। সার চাইতে গিয়ে ১৮ জন মানুষকে জীবন দিতে হয়েছে। ১৮ জন কৃষককে তারা গুলি করে হত্যা করেছে। দেশে বর্তমানে দুর্ভিক্ষ নেই।

উচ্চ ফলনশীল স্বল্প জীবনকালীন ধানের ও সরিষার জাতগুলোকে দ্রুত সম্প্রসারণের জন্য কর্মশালায় উপস্থিত কৃষির মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের তাগিদ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশে ক্রমশ কৃষি জমি কমছে, মানুষ বাড়ছে। এ অবস্থায় ১৭ কোটি মানুষের খাদ্যের যোগান দেয়া খুবই কঠিন। সেজন্য, কম সময়ে অধিক ফলন ও একই জমি থেকে বার বার ফসল ফলানোর উপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। আমাদের বিজ্ঞানীরা স্বল্পজীবনকালীন উন্নত জাতের ধানের ও অন্যান্য অনেক ফসলের জাত উদ্ভাবন করেছে। যা চাষের মাধ্যমে বছরে ০১ টি অতিরিক্ত ফসল ফলানো সম্ভব হচ্ছে। একইসঙ্গে, ফলনও অনেক বেশি। এই জাতগুলোকে কৃষকের নিকট দ্রুত জনপ্রিয় করতে হবে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাহবুবুল আলম পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের এমপি, বিনার মহাপরিচালক মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস, ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক শাহজাহান কবীর, কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক দেবাশীষ সরকার, বিএডিসির সদস্য পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান, মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অক্টোবর ২০২৩ ০১:২১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইল থেকে ২০ হাজার নেতাকর্মী ঢাকায় বিএনপি’র মহাসমাবেশে যোগ দিবে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল থেকে ২০ হাজার নেতাকর্মী ঢাকায় বিএনপি’র মহাসমাবেশে যোগ দিবে

একতার কণ্ঠঃ শনিবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকায় বিএনপি’র মহাসমাবেশে যোগ দিতে টাঙ্গাইল থেকে দলের নেতা-কর্মীরা চলে গেছেন। দলের নেতারা জানিয়েছেন, টাঙ্গাইল থেকে এই কর্মসূচিতে প্রায় ২০ হাজার নেতা-কর্মী যোগ দেবেন। বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলের মধ্যে ৩-৪ হাজার নেতা-কর্মী ঢাকায় পৌছে গিয়েছেন। এ ছাড়া অনেক কর্মী বিভিন্ন কৌশলে পৌঁছে গেছেন ঢাকায়। কেউ দূরপাল্লার বাস, ট্রেন, প্রাইভেটকার ও ব্যক্তিগত গাড়িতে করে সমাবেশে যাচ্ছেন। শুক্রবারের মধ্যে অন্যরা ঢাকায় পৌঁছাবে।

এদিকে সমাবেশেকে কেন্দ্র করে জেলার ১০জন বিএনপি’র নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।

মহাসমাবেশ সামনে রেখে দূরপাল্লার যানবাহন বন্ধ করে দেওয়াসহ সরকারের পক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের বাধা ও প্রতিবন্ধকতা এড়াতে আগেভাগেই বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা ঢাকায় যাচ্ছেন।

বিএনপি’র নেতারা বলছেন, মহাসমাবেশ কর্মসূচির এক সপ্তাহ আগে থেকে সরকারি দল যে যুদ্ধ প্রস্তুতি দেখাচ্ছে, এর উদ্দেশ্য ভীতির পরিবেশ সৃষ্টি করে লোকসমাগম কমানো। একই সঙ্গে বিরোধী দলগুলোর চূড়ান্ত আন্দোলন থামিয়ে দেওয়া, যাতে নির্বাচনের আগে আর ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ না পায় বিএনপি।

বিএনপি’র নেতাকর্মীরা বলেন, ঢাকার সমাবেশে যোগ দিতে এবার ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে। টাঙ্গাইলের বিভিন্ন ইউনিট থেকে নেতা-কর্মীরা ঢাকায় ঢুকতে শুরু করেছেন কয়েক দিন আগে থেকেই। পুলিশি হয়রানির ভয়ে নানা কৌশলে বিভিন্ন যানবাহনে এবং বিভিন্ন রুটে তাঁরা ঢাকায় ঢুকেছেন।

বিএনপি’র নেতাকর্মীদের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের তল্লাশিচৌকি বসিয়ে বিভিন্ন পরিবহনে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশের সদস্যরা।

জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল বলেন, আমরা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাঁধার সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা করছি। আমরা প্রায় ২০ হাজার নেতাকর্মী সমাবেশে যাবো। আওয়ামী লীগের নেতারা আমাদের গাড়ি আটকে রাখতে পারেন। যেভাবেই হোক আমরা সমাবেশে পৌছাবো। বৃহস্পতিবার থেকেই আমাদের বিএনপি’র নেতাকর্মীরা ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছেন।

তিনি আরও বলেন, হাসিনার পতন ঘটিয়ে আমরা ঘরে ফিরবো।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল আদালত পরিদর্শক তানবীর আহমেদ বলেন, এ পর্যন্ত কারাগারে ১০জন বিএনপি’র নেতাকর্মীরাকে প্রেরণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কালিহাতীতে ১ জন, দেলদুয়ারে ২জন, মধুপুরে ২জন, ধনবাড়ীতে ২জন, নাগরপুর উপজেলার ২ জন ও বাসাইল উপজেলায় ১জন রয়েছন। তাদেরকে গত বছরের নাশকতার মামলায় বৃহস্পতিবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

টাঙ্গাইল র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩ কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দিন মোহাম্মদ যোবায়ের বলেন, দেশে যেন কোন প্রকার নাশকতা না করতে পারে সে জন্য ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কালিহাততে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। এখনো কাউকে আটক করা হয়নি।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, ২৮ তারিখের সভাকে কেন্দ্র করে কোন গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। ডাকাতি বন্ধে পুলিশের নিয়মিত কার্যক্রম অংশ হিসেবে মধুপুরে, এলেঙ্গা, গোড়াই, হামিদপুরে ৪টি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। সেখানে প্রতিদিনের ন্যায় নিয়মিত চল্লাশি করা হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অক্টোবর ২০২৩ ০১:২৭:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।