/ হোম / টাঙ্গাইল
কারাগারে মায়ের মৃত্যু, বিচারের দাবি তিন সন্তানের - Ekotar Kantho

কারাগারে মায়ের মৃত্যু, বিচারের দাবি তিন সন্তানের

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল কারাগারে সুচিকিৎসার অভাবে নাদীয়া জাহান শেলী নামে এক নারী কয়েদীর মৃত্যুর অভিযোগ তুলেছেন পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় জেল সুপার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন ও ডেপুটি জেলারসহ অজ্ঞাতনামা অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন মৃতের স্বামী মো. মিনহাজ উদ্দিন।

মঙ্গলবার (৩১ মে) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে আসামিদের বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেন ওই কয়েদীর পরিবার।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ওই নারীর মেয়ে সোনালী আক্তার বলেন, তার মা নাদীয়া জাহান শেলী ডায়াবেটিক ও কিডনি রোগে আক্রান্ত ছিলেন। জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সখীপুর আমলী আদালতে চলমান সি.আর ৩১১/২০২১ এর মামলায় তিনি ছিলেন ২নং আসামি। ৪ এপ্রিল অসুস্থ অবস্থায় তার মা অন্য একটি মামলায় সখীপুর আমলি আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিন প্রার্থনা করেন। জামিনের জন্য আদালতে শারীরিক অসুস্থতার সকল প্রতিবেদন (রিপোর্ট) দাখিল করার পরও বিচারক তাকে কারাগারে পাঠান। নাদীয়া জাহান শেলী অসুস্থ হওয়ায় তার সুচিকিৎসার জন্য জেল সুপারকে নির্দেশ দেন বিচারক।

কিন্তু জেল সুপার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন ও ডেপুটি জেলারসহ অজ্ঞাতনামা অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তার চিকিৎসার সু ব্যবস্থা না করে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে তাকে সাধারণ কয়েদী হিসেবে জেনারেল ওয়ার্ডে রাখেন। চিকিৎসা না পেয়ে তিনি কারাগারে খুবই কষ্ট করেছেন। অবশেষে গত ৮ এপ্রিল রাতে তিনি (শেলী) চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুবরণ করেন।

সোনালী আরও জানান, ১৯ এপ্রিল তার বাবা মিনহাজ উদ্দিন বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট টাঙ্গাইল সদর থানা আমলী আদালতে বাংলাদেশ দণ্ডবিধি আইনের ১০৪(খ)/১০৯ ধারায় মামলা করেন। বিচারক এই অবহেলিত হত্যা মামলার বিষয়ে তার আদেশে উল্লেখ করেন ‘আসামিগণ উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী হওয়ায় এবং অভিযোগের গভীরতা বিবেচনায় মামলার ঘটনার বিষয়ে পুলিশ বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা দ্বারা তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন হলে ন্যায় বিচার নিশ্চিত হবে বলে আদালত মনে করেন।’ সার্বিক পর্যালোচনায় টাঙ্গাইল পুলিশ সুপারকে মামলার ঘটনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ পূর্বক তদন্ত করে প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের জন্য নির্দেশ দেন।

সংবাদ সম্মেলনে তার পাঁচ বছরের যমজ দুই ভাই হাসান ও হোসাইন উপস্থিত ছিল।

সোনালী আক্তার বলেন, আমার মা খুব অসুস্থ ছিলেন। তারপরও জেল সুপার তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করেননি। জেল সুপার আদালতের নির্দেশকে অমান্য করেছেন। আমরা তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করি।

এ বিষয়ে জেলা সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, কারাগারের দুজন চিকিৎসক নাদীয়া জাহান শেলীর সুচিকিৎসার দায়িত্বে ছিলেন। কারাগারে তাকে সুচিকিৎসাই দেওয়া হয়েছে। তিনি মারা যাওয়ার পর সকল প্রকার আইনি পক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মরদেহ নেওয়ার সময় তাদের কোনো অভিযোগ ছিলো না। এরপরও তারা চিকিৎসার অভাবে ওই কয়েদীর মৃত্যু হয়েছে দাবি করে আমাদের বিরুদ্ধে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট টাঙ্গাইল সদর থানা আমলি আদালতে বাংলাদেশ দণ্ডবিধি আইনের ১০৪(খ)/১০৯ ধারায় মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলার বিষয়ে পুলিশ সুপার নিজেই তদন্ত করছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. জুন ২০২২ ০৬:১৩:পিএম ৪ বছর আগে
সোহেল হাজারী কোন কর্তৃত্ববলে এমপি পদে, জানতে চান হাইকোর্ট - Ekotar Kantho

সোহেল হাজারী কোন কর্তৃত্ববলে এমপি পদে, জানতে চান হাইকোর্ট

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের এমপি পদে মোহাম্মদ হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারী কোন কর্তৃত্ববলে বহাল আছেন, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও এমপি পদে মোহাম্মদ হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারীসহ সংশ্লিষ্ট ১০ জনকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

রিটকারীর পক্ষের আইনজীবী মো. বুরহান খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ সংক্রান্ত রিটের শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (৩১ মে) হাইকোর্টের বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে মঙ্গলবার রিটের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলী। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. বুরহান খান।

অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম জি সারোয়ার পায়েল, ইশিতা পারভীন ও আশিকুল হক।

টাঙ্গাইল-৪ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী। তাকে দল থেকে বহিষ্কারের পর ২০১৭ সালে ওই আসনের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে খান সোহেল হাজারী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো এমপি হন তিনি।

আইনজীবী মো. বুরহান খান জানান, হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতায় গড়মিল আছে উল্লেখ করে গত বছরের ২৫ জুলাই স্পিকার বরাবর মোখলেছুর রহমান চিঠি দেন। ওই চিঠিতে বিতর্কের বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য নির্বাচন কমিশনে পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছিল। সেটি নিষ্পত্তি না করায় তিনি হাইকোর্টে রিট করেছেন। আবেদনে রিটটি নিষ্পত্তির নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল।

২০২১ সালের ১৭ নভেম্বর ওই রিট খারিজ করেন হাইকোর্টের অন্য একটি বেঞ্চ। এবার তার সংসদ সদস্য বাতিল চেয়ে আরও একটি রিট করা হয়। ওই রিটের শুনানি নিয়ে আজ এ রুল জারি করেন আদালত।

রিটের বিষয়ে আইনজীবী মো. বুরহান খান জানান, এবার পিটিশনার সরাসরি কোয়ারেন্ট নিয়েছেন। আমরা যেটা বলি, তার এমপির যে পোস্ট, সেটা কোন অথরিটির বলে (কর্তৃত্ববলে), এটা চ্যালেঞ্জ করে কোয়ারেন্ট করা হয়। কোর্ট এনিয়ে রুল ইস্যু করেছেন।’

তিনি আরো জানান, ‘আদালতে রিট আবেদনটি করেছিলেন আমার চেম্বারের জুনিয়র অ্যাডভোকেট মাহফুজ চৌধুরী বাপন। আর সিনিয়র কাউন্সিলর হিসেবে ছিলেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী।’

সংবাদ সূত্র – Jagonews24.com

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. জুন ২০২২ ০২:৩৯:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠ: সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মে) সকালে শহরের ভিক্টোরিয়া রোডস্থ জেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে ওই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভ সমাবেশ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক হাসানুজ্জামিল শাহীন এর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুর সঞ্চালনায় বক্তব্যে রাখেন, জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, কাজী শফিকুর রহমান লিটন, দেওয়ান শফিকুল ইসলাম, জেলা যুব দলের সদস্য সচিব তৌহিদুল ইসলাম বাবু, জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব এমএ বাতেন প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা সরকারের সমালোচনা করে ঢাকায় ছাত্র দলের নেতা কর্মীদের হামলার তীব্র নিন্দা জানান। ভবিষ্যতে এইসব সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে বলেও জানান তারা।

এসময় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. মে ২০২২ ০৭:৫৬:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে র‌্যাবের পৃথক অভিযানে মাদকসহ আটক ৩ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে র‌্যাবের পৃথক অভিযানে মাদকসহ আটক ৩

‍একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইল ও কালিহাতীতে পৃথক অভিযানে ৩১০ গ্রাম হিরোইন ও ১৫২ পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান (র‌্যাব-১২)।

মঙ্গলবার (২৪ মে) সকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার রুপসী যাত্রা এলাকা ও কালিহাতী উপজেলার রাজাবাড়ী সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে তাদের আটক করা হয়।র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩ এর কোম্পানী কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আটককৃতরা হলেন,ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার চান্দু শেখের ছেলে মো. নান্নু শেখ (৩৫) , টাঙ্গাইল সদর উপজেলার রুপসী গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে মো. শফিকুল ইসলাম (৩৮),দেলদুয়ার উপজেলার বেতরাইল গ্রামের শহিদুল মিয়ার ছেলে লুৎফর মিয়া(৩৪)।

র‌্যাব-১২ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান জানান, আটককৃতদের কাছ থেকে ১৫২ পিস ইয়াবা, ২টি মোবাইল এবং নগদ দুই হাজার ৬০ টাকা এবং ৩১০ গ্রাম হেরোইন (মূল্য অনুমানিক ৩১,০০,০০০ , টাকা)সহ জব্দ করা হয়।

তিনি আরো জানান, আটককৃতরা ইয়াবা ও হিরোইন অবৈধভাবে সংগ্র করে জেলার বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করত। এ ঘটনায় র‌্যাব বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর ও কালিহাতী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. মে ২০২২ ০৭:০২:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দুই দিন ব্যাপি বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের উদ্বোধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দুই দিন ব্যাপি বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের উদ্বোধন

একতার কণ্ঠ: স্মার্টফোনে আসক্তি: পড়ালেখায় ক্ষতি এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলে দুই দিন ব্যাপি বিজ্ঞান মেলা ও বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের উদ্বোধন করা হয়েছে।

৪৩ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে শনিবার(২১ মে ) সকালে শহরের জেলা সদরে অবস্থিত কালেক্টর উচ্চ বিদ্যালয়ে মাঠে দুই দিন ব্যাপি এই মেলার উদ্বোধন করেন ,টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর আতাউল গনি।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শরিফুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে, প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার , বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল হাসেম, জেলা শিক্ষা অফিসার লায়লা খানম প্রমুখ।
প্রকাশ, মেলায় জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে ৩৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশ গ্রহন করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. মে ২০২২ ০৯:১৭:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করলেন গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করলেন গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

একতারকণ্ঠ: টাঙ্গাইলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদের নিয়োগ পরীক্ষা কেন্দ্র শুক্রবার (২০ মে) সকাল ১১টায় পরিদর্শন করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

পরিদর্শনকালে তিনি বলেন তিনি বলেন, টাঙ্গাইলের যে কয়েকটা কেন্দ্র পরিদর্শন করেছি, প্রত্যেকটাই সুন্দর পরিবেশে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনে যারা রয়েছেন তারা দায়িত্বশীল মানুষ। প্রথম ধাপ স্বচ্ছতার মাধ্যমে হয়েছে। কোনো অনিয়ম বা আপত্তিকর কিছু হলেই আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব ফারহানা হক, জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দীন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ।

শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলায় ২৩টি কেন্দ্রে ১৬ হাজার ৭৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. মে ২০২২ ০৯:০৯:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বখাটের হাতে শিক্ষক লাঞ্ছিত মহাসড়ক অবরোধ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বখাটের হাতে শিক্ষক লাঞ্ছিত মহাসড়ক অবরোধ

একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা সল্লা সমবায় উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুকান্ত কুমার সুত্রধরকে লাঞ্ছিত করেছে স্থানীয় বখাটে শিশির।এঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (১৯ মে) দুপুরে সল্লা সমবায় উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বখাটে শিশিরের বিচারের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে কালিহাতী উপজেলার সল্লায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে বিদ্যালযের শিক্ষার্থীরা।

এসময় মহাসড়কের দুইপাশে ১৫ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে কালিহাতী থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শিক্ষার্থীরা সকল প্রকার ক্লাশ-পরীক্ষা বর্জন করে ২৪ ঘন্টার মধ্যে শিশিরকে গ্রেফতার করা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন।
জান যায়, বিদ্যালয়ের ইংরেজি সহকারী শিক্ষক সুশান্ত কুমার সূত্রধর ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় বৃহস্পতিবার সকালে বখাটে শিশির স্কুল প্রাঙনে প্রবেশ করে তাকে শারিরীকভাবে লাঞ্ছিত করে পালিয়ে যায়। শিশির সল্লা গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আবু নাসিরের ছেলে। এদিকে শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনা শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে পরলে তারা একত্রিত হয়ে মহাসড়ক অবরোধ করেন। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আলীম জানান, বিদ্যালয়ে যাওয়া আসার সময় মাঝে মধ্যেই এই বখাটে শিশির ছাত্রীদের উত্যক্ত করে।তিনি শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
বখাটে শিশিরের শাস্তির আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা বাড়িতে চলে যায়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছাদেক আলী মোল্লা জানান, শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে শিক্ষকদের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বখাটে শিশিরের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, শিক্ষক অভিযোগ দিলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. মে ২০২২ ০৯:১০:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চাচির গোসলের ভিডিও ধারণ করে টাকা দাবি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চাচির গোসলের ভিডিও ধারণ করে টাকা দাবি

একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের বাসাইলে চাচির গোসলের নগ্ন ভিডিও ধারণ করে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই নারী বাসাইল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মান্দারজানি গ্রামের জামাল মিয়ার ছেলে শরিফুল ইসলাম শরীফ (২৮) কৌশলে তার চাচির গোসলের নগ্ন ভিডিও ধারণ করে। পরে ওই ভিডিও হৃদয় খান নামে একটি ইমো আইডি থেকে তার সৌদি প্রবাসী চাচাকে পাঠায়। দুই লাখ টাকা না দিলে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে ভাইরাল করে দেওয়া হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। বিষয়টি তিনি তার স্ত্রীকে জানান। পরে স্ত্রী বাদী হয়ে বাসাইল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, ভুক্তভোগী ওই নারীর গোসলখানাটি অভিযুক্ত শরীফের ঘরের উত্তর পাশে অবস্থিত। ভুক্তভোগী ওই নারীর গোসলখানা দরজাবিহীন। ছবিটির ফ্রেম বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ছবিটি অভিযুক্ত শরীফের ঘর থেকে তোলা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শরীফের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে চুরিসহ নানা অপকর্মে জড়িত থাকায় এলাকায় একাধিক গ্রাম সালিশ হয়েছে।

ভুক্তভোগী নারী বলেন, শরিফ ইতোপূর্বে আমার ঘরে ঢুকে খাবারের সাথে বিষজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে আমাদের সবাইকে মেরে ফেলারও চেষ্টা করেছিল। শুধু ভাতিজা বলে এতদিন সকল অত্যাচার সহ্য করেছি। আমি ওর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
এ বিষয়ে সৌদি প্রবাসী মুঠোফোনে বলেন, যে ইমো আইডি হৃদয় খান থেকে আমাকে ভিডিওটি পাঠানো হয়েছে ওই একই আইডি থেকে আমার ভাতিজা শরীফ আমার সাথে যোগাযোগ করেছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম শরীফ বলেন, আমাদের বাড়িতে পুলিশ এসেছিল। আমি পুলিশকে আমার মোবাইল ফোন দিয়ে দিয়েছি। আমার চাচির সাথে এমন কাজ করতে পারি না। অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেও তিনি দাবি করেন।

বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. মে ২০২২ ০৫:৩৬:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে জমি দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে জমি দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

একতারকণ্ঠ: টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নে অবৈধ ড্রেজার দিয়ে মাটি ভরাট করে জমি দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় বনমালি গ্রামের মৃত মোসলেম উদ্দিনের ছেলে মো. হানিফা।বুধবার (১৮ মে) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু অডিটিরিয়ামে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন,দীর্ঘদিন যাবত পৈত্রিকভাবে পাওয়া সম্পত্তি ভোগ দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ করে ব্যবসা পরিচালা করে আসছি। সম্প্রতি বনমালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শামীমা ইয়াসমীন ঝর্না জোরপুর্বক বিদ্যালয় সংলগ্ন ৪২ শতাংশ ভূমি দখলের পায়তারা করে আসছে। এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিঃ আদালতে তিনি দুইটি মামলা দায়ের করেছেন। প্রধান শিক্ষক প্রভাবশালী ব্যক্তির ক্ষমতাবলে জমি দখল করার জন্য সোমবার(১৮ মে) সকালে ঝিনাই নদীতে অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে মাটি উত্তোলন শুরু করছে।তিনি সংবাদ সম্মেলনে আরো বলেন,ইতোপুবে জমির বিষয়ে রফা করতে প্রধান শিক্ষিকা তার কাছে উৎকোচ দাবী করে। সেই উৎকোচ না দেওয়ায় স্থানীয় প্রভাবশালীর ছত্রছায়ায় আমার পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের চেষ্ঠা করছে। তিনি অবৈধ ড্রেজার দিয়ে মাটি তুলে সম্পত্তি জবরদখল বন্ধের জোর দাবি জানাচ্ছি ও সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে যথাযথ কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

সংবাদ সম্মেলনে টাঙ্গাইলের কর্মরত বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সংবাদকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. মে ২০২২ ০২:৩৫:এএম ৪ বছর আগে
প্রস্তাবিত শেখ কামাল আইটি সেন্টার মধুপুরে স্থান্তারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন - Ekotar Kantho

প্রস্তাবিত শেখ কামাল আইটি সেন্টার মধুপুরে স্থান্তারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় সরকার নির্ধারিত ও প্রস্তাবিত ‘শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার’ মধুপুরে স্থানান্তরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।

বুধবার (১৮ মে) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে ঘাটাইল শেখ কামাল আইটি পার্ক রক্ষা কমিটি এ সম্মেলনের আয়োজন করে ঘাটাইল শেখ কামাল আইটি পার্ক রক্ষা কমিটি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ঘাটাইল শেখ কামাল আইটি পার্ক রক্ষা কমিটি সদস্য সচিব আতিকুর রহমান আতিক।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০১৯ সালের ২৫ জুন ঘাটাইল উপজেলার গৌরিশ্বরে ১২.৭৭ একর জমিতে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টারে জন্য জমির লিজ হিসেবে এক লাখ টাকা নির্ধারণ করেন ভ‚মি মন্ত্রনালয়। পরে ওই বছরের ২৯ ডিসেম্বর জমির নির্ধারিত প্রতিকী মূল্য পরিশোধ করা হয়। এর প্রেক্ষিতে গত বছরের ১৪ ফেব্রæয়ারি সরকারের পক্ষে জেলা প্রশাসক ওই জমিটি হস্তান্তর করেন। লিজ দলিল সম্পাদন প্রক্রিয়ায় গ্রহীতা হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি উপস্থিত থেকে দলিলে স্বাক্ষর করেন। ঘাটাইলের জনগন মনে করে, এই উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠানটি মুজিব বর্ষে তাদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর একটি উপহার। জেলা প্রশাসন যাচাই-বাছাই করে প্রতিষ্ঠানের জন্য ঘাটাইলের এই স্থানটি নির্ধারণ করে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ে প্রতিমন্ত্রীর বরারব পাঠানো হয়। পরবর্তীতে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করা হলে, তারা ঘাটাইল থেকে মধুপুরের স্থানান্তেরর বিষয়টি অবগত করেন। আইটি সেন্টারটি অন্য উপজেলায় নেওয়ার চেষ্টা করা হলে ঘাটাইলবাসী এর প্রতিবাদ করে মিছিল, মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর করে স্মারকলিপি টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় পাঠানো হয়।

তিনি আরো বলেন, পরে হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে টাঙ্গাইলের একাধিক উপজেলার জায়গা পরিদর্শন করেন। একই সাথে ঘাটাইল উপজেলার বর্তমান বরাদ্দকৃত জমিটি যথোপোযুক্ত বলে নির্ধারণ করেন। যার ধারাবাহিকতায় জমি হস্তান্ত সংক্রান্ত সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

কিন্তু সম্প্রতি একনেক সভায় কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাকের হস্তক্ষেপে আইটি সেন্টারটি ঘাটাইল থেকে মধুপুরে স্থানান্তর করা হয়। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা অতিদ্রæতই পূনরায় ঘাটাইলেই আইটি সেন্টারটি বাস্তবায়নের জোর দাবি জানাচ্ছি। কৃষিমন্ত্রী তার নিজ এলাকায় আলাদাভাবে আইটি সেন্টার স্থাপন করুন, এতে আমাদের কোন বাঁধা নেই। কিন্তু ঘাটাইলের নির্ধারিত আইটি সেন্টার বাস্তবায়ন করতে হবে। তা না হলে কঠোর আন্দোলন করা হবে। আগামী রোববার মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলসহ বিভিন্ন কর্মসুচি পালন করা হবে। আমি এ বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

এ সময় বক্তব্য রাখেন, ঘাটাইল শেখ কামাল আইটি পার্ক রক্ষা কমিটি আহবায়ক জুলফিকার হায়দার, যুগ্ম-আহবায়ক ও জিবিজি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যক্ষ মতিউর রহমান মিয়া, উপজেলার ভাইস-চেয়ারম্যান কাজী আরজু, বিআরডিবি’র চেয়ারম্যান রুহুল আমিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা হুমায়ুন খান, আনেহলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তালুকদার মোহাম্মদ শাহজাহান প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. মে ২০২২ ১০:৫৬:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্ত্রীর অধিকারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্ত্রীর অধিকারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে স্ত্রীর অধিকারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সোনিয়া আক্তার নামে এক গৃহবধু।

বুধবার (১৮ মে) সকাল ১১টায় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সোনিয়া আক্তার ধনবাড়ী উপজেলার আমনগ্রামের আব্দুল মোতালেবের ছেলে মো. কবির হোসেনের দ্বিতীয় স্ত্রী। কবির হোসেন মিরপুর-১৪ পুলিশ লাইন্সে কর্মরত বলে জানা গেছে।

সোনিয়া আক্তার জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় এক বছর আগে তার সঙ্গে কবির হোসেনের পরিচয় হয়। প্রথম স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও কবির হোসেন বিষয়টি গোপন করে দুই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি তাকে বিয়ে করে। বিয়ের পর কবির সোনিয়াকে বাবার বাড়িতেই রেখে দেয়। এ সময় কবির পদন্নোতির কথা বলে কয়েক দফায় স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি করে প্রায় চার লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় বলে অভিযোগ করেন সোনিয়া আক্তার।

সংবাদ সম্মেলনে সোনিয়া আরো জানান, এক পর্যায়ে সন্দেহ হলে খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন কবির ইতিপূর্বে সাত লাখ টাকা যৌতুক নিয়ে আরেকটি বিয়ে করেছে। প্রথম স্ত্রীকেও সে বাবার বাড়িতে রেখে দিয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হলে সোনিয়া আইনের আশ্রয় নিতে চাইলে তাকে নানাভাবে হুমকি দেয় কবির এবং যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকে বাবার বাড়িতেই অসহায় জীবন যাপন করছেন সোনিয়া।

সোনিয়া বলেন, আমি শারীরিক নির্যাতন সহ্য করেও কবিরের সংসার করতে চেয়েছি। কিন্তু সে আমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। আমি স্ত্রীর অধিকার দাবি করছি।

এ সময় স্ত্রীর অধিকারের জন্য প্রশাসনসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন সোনিয়া আক্তার।

অভিযুক্ত কনস্টেবল কবির হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. মে ২০২২ ১০:০২:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রকল্পের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রকল্পের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

একতারকণ্ঠ: টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় দরিদ্রদের কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিকের মজুরির টাকা কৌশলে নিজের পকেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত হেকমত সিকদার উপজেলার সাগরদীঘি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। এ বিষয়ে ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সাগরদীঘি ইউনিয়নে গত ১৫ জানুয়ারি থেকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখার ২০২১- ২০২২ অর্থ বছরের অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ের প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে। আর এই প্রকল্পের কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে চেয়ারম্যান হেকমত সিকদারের বিরুদ্ধে। ৪০ দিনের এই প্রকল্পে গ্রামের অসহায় হতদরিদ্র লোকজনের কাজ করার কথা থাকলেও তা করানো হয়নি। শ্রমিক নয়, বরং মাটি কাটার ভেকু দিয়ে নামমাত্র কাজ করিয়েছেন তিনি। নিজের লোকদের মোবাইল নম্বর দিয়ে প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন।

আরও জানা গেছে,প্রকল্পের এই কাজে সাগরদীঘি ইউনিয়নের জন্য ১৩ লাখ ১২ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। ৪০ দিনের ওই প্রকল্পে গ্রামের অসহায় হতদরিদ্র লোকজনের কাজ করার কথা থাকলেও সেখানে নাম রয়েছে স্বচ্ছল ব্যক্তিদের। কলেজের শিক্ষক থেকে ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী থেকে ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার অপারেটরের নাম সেই তালিকায়। এমনকি সিঙ্গাপুর ফেরত জোড়দিঘী এলাকার যুবলীগের নেতা মেহের আলীর নাম রয়েছে ওই তালিকায়। ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের মোট ৮১ জন ব্যাক্তির নাম এই কর্মসূচির তালিকায় রয়েছে। তাদের একাংশের মোবাইল সিমকার্ডসহ তাদের পিন কোড কৌশলে হাতিয়ে নেন চেয়ারম্যান। পরে ওই ভুক্তভুগীরা টাকা এবং সিমকার্ড কোনোটিই ফেরত পাননি বলে অভিযোগ করেন। এ কর্মসূচির আওতায় শ্রমিক দিয়ে কোনো কাজ হয়নি বলেও জানা যায়।

ভুক্তভোগী মেহের আলী জানান, আমার নাম তালিকায় থাকলেও আমি কোনো টাকা পাইনি। ওই কর্মসূচির তালিকায় থাকা কামালপুর ওয়ার্ডের আনোয়ারা, নার্গিজ, খাদিজা আক্তার এবং আব্দুর রহিম মিয়ার সঙ্গেও কথা হয়। তারা জানান, যাচাই-বাছাই করার কথা বলে হেকমত চেয়ারম্যান আমাদের বিকাশের পিনকোডসহ সিমকার্ড নিয়ে যায়। পরে সিমকার্ড ফেরত চাইলে নানা টালবাহানা করেন। এসব ভুক্তভুগীরা প্রকল্পের কোনো প্রকার টাকা পাননি বলেও জানান।

পাগাড়িয়া জালালপুর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শফিক মিয়ার বলেন, চেয়ারম্যান হেকমত সিকদার আমাকে ৯টি শ্রমিকের নামের মধ্যে ৩টি নাম দিতে বলেন। বাকি ৬টি চেয়ারম্যানের লোকদের দিবে বলে জানিয়ে দেন। আমার এলাকায় শ্রমিক দিয়ে এই প্রকল্পের কোনো কাজ করা হয়নি।

ওই ইউনিয়নের আরেক ইউপি সদস্য ফরহাদ আলী বলেন, আমার ৭নং ওয়ার্ডে প্রকল্পের কোনো কাজ হয়নি। সম্পূর্ণ টাকা চেয়ারম্যান তার লোকজন নিয়ে ভাগাভাগি করে খেয়েছেন।

এ বিষয়ে সাগরদীঘি ইউপি চেয়ারম্যান হেকমত সিকদার জানান, এই অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

এ বিষয়ে ভুক্তভুগীদের পক্ষে ওই ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ লাল মিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগের ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এনামুল হক জানান, শ্রমিকদের নামের তালিকা করেছে স্থানীয় মেম্বাররা। সেখানে কোনো অনিয়ম হলে শ্রমিকদের বিল দেওয়া হবে না।

এ বিষয়ে ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুনীয়া চৌধুরী জানান, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। তবে সঠিক তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. মে ২০২২ ০৯:৫৮:পিএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।