/ মূলপাতা / টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইল বিএনপির প্রস্তুতি সভা শেষে ১২ নেতাকর্মী গ্রেফতার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল বিএনপির প্রস্তুতি সভা শেষে ১২ নেতাকর্মী গ্রেফতার

একতার কণ্ঠঃ ১০ ডিসেম্বর ঢাকার গণসমাবেশ সফল করা লক্ষে আয়োজিত টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির প্রস্তুতি সভা শেষে ১২ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার( ২১ নভেম্বর) রাতে মামলা দায়ের করাসহ মঙ্গলবার(২২ নভেম্বর) গ্রেফতারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- ধনবাড়ী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম স্বপন, নাগরপুর উপজেলা বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. ফরিদ আহমেদ, টাঙ্গাইল পৌর বিএনপির ১ নং ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক ও শহর বিএনপির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক শাহীন চৌধুরী, জেলা যুবদল নেতা হেলাল, জেলা ছাত্র দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ, বাসাইলের আমিনুরসহ ৯ নেতাকর্মী।

সোমবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে শহরের বড় কালিবাড়ী রোড়ে অবস্থিত ফুলি কমিউনিটি সেন্টারের তৃতীয় তলায় এ সভার আয়োজন করা হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির স্থায়ি কমিটির সদস্য বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান এড.আহমেদ আযম খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ওবায়দুল হক নাসির।

জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবালের সঞ্চালনায় এ সময় জেলা বিএনপির ২৩ টি ইউনিট এর সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, যুবদল, ছাত্রদলসহ এর বিভিন্ন অঙ্গসহযোগি সংগঠণের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

গ্রেফতার বিষয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল জানান, ১০ ডিসেম্বরের ঢাকার গণসমাবেশ বানচাল করতে সরকারের মদদে এই গ্রেফতার অভিযান পরিচালনা করছে পুলিশ। এ কারণে শান্তিপূর্ণ প্রস্তুতি সভা শেষে বাড়ি ফেরার পথে ওই নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এটি খুবই দুঃখজনক।

তিনি আরো জানান, এরই জের ধরে নাগরপুর ও কালিহাতীর নেতাকর্মীদেরও গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের ভয় দেখিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের ঢাকার গণসমাবেশে যাওয়া ফিরিয়ে রাখা যাবে না। টাঙ্গাইল থেকে কমপক্ষে পচিশ হাজার নেতাকর্মী ঢাকার গণসমাবেশে যাবে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (২২ নভেম্বর) টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি (তদন্ত) হাবিবুর রহমান গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সোমবার রাতে টাঙ্গাইল সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রেহানুল ইসলাম বাদি হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে গ্রেফতারকৃতদের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৩০-৩৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মঙ্গলবার গ্রেফতারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. নভেম্বর ২০২২ ০১:১১:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাড়ির পাশের টিলা থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাড়ির পাশের টিলা থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বাড়ির পাশের টিলা থেকে এক নারীর মরদেহ পাওয়া গেছে। সোমবার(২১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের মাকড়াই এলাকার বনবেষ্টিত পাহাড়ি টিলা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ঘাটাইল থানার পুলিশ।

নিহত ওই নারীর নাম সেলিনা বেগম (৪৫)। তিনি মাকড়াই এলাকার মৃত কুবেদ আলীর মেয়ে।

তাঁর স্বামী আবদুল গফুর একই ইউনিয়নের মালেঙ্গা বড়চালা এলাকার বাসিন্দা। নিহতের বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়ির দূরত্ব ২০০ মিটারের মতো হবে। বাবার বাড়ির পূর্ব পাশের টিলায় লাশটি পাওয়া যায়।

স্থানীয় ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে ঘাটাইল থানার উপপরিদর্শক সাজ্জাদ হোসেন জানান, স্থানীয় কয়েকজন নারী সোমবার দুপুরে টিলা এলাকায় লাকড়ি সংগ্রহ করছিলেন। এ সময় তাঁরা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্বজনদের খবর দেন। স্থানীয় ব্যক্তিরা বিকেলে থানায় খবর দিলে সন্ধ্যায় পুলিশ পৌঁছে সুরতহাল শেষে মরদেহটি উদ্ধার করে।

সাজ্জাদ হোসেন আরও বলেন, নিহত নারীর গলায় ওড়না দিয়ে কয়েকটা প্যাঁচ দেওয়া। ওড়নার অপর প্রান্ত বোরকার সঙ্গে বাঁধা। তবে শরীরের আর কোথাও কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই।

সেলিনার বড় ভাই আবদুল মান্নান জানান পারিবারিক কলহের জেরে সেলিনা মাস তিনেক আগে তাঁদের বাড়িতে আসেন। তখন থেকে এখানেই থাকতেন। গত রাতে বাড়িতে না পেয়ে তাঁরা ভেবেছিলেন, সেলিনা তাঁর স্বামীর বাড়িতে গেছে। কিন্তু সকালে খোঁজ করে সেখানেও পাওয়া যায়নি। পরে টাঙ্গাইলে আরেক ভাইয়ের বাসায়ও খোঁজ করা হয়। দুপুরে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তাঁর মরদেহ বাড়ির পাশের টিলায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় নারীরা। সেলিনাকে কেউ হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করেন আবদুল মান্নান।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. আজহারুল ইসলাম সরকার জানান, এ ঘটনায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন।লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারন জানা যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. নভেম্বর ২০২২ ০৫:৪৮:পিএম ১ বছর আগে
বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণী, প্রেমিক পলাতক - Ekotar Kantho

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণী, প্রেমিক পলাতক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করছেন এক তরুণী। রোববার (২০ নভেম্বর)থেকে এ অনশন শুরু করেন তিনি। প্রেমিকার উপস্থিতি টের পেয়ে বাড়ি থেকে পালিয়েছেন প্রেমিক হৃদয় (২২)।

চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটেছে এলেঙ্গা পৌরসভা মসিন্দা গ্রামে। হৃদয় হোসেন ওই গ্রামের হাবিবুর রহমান হবির ছেলে। আর মেয়ের বাড়ি ভূঞাপুর উপজেলায়। .
এদিকে বিয়ের দাবিতে প্রেমিক হৃদয়ের বাড়িতে অবস্থান করায় বাড়ির লোকজন ওই তরুণী ব্যাপক মারধর করে। বর্তমানে মেয়েটি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

ভুক্তভোগী ওই তরুণী জানান, প্রায় দুই বছর আগে কালিহাতী উপজেলার মসিন্দা গ্রামের হাবিবুর রহমান হবির ছেলে হৃদয় হোসেনের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। তাদের প্রেমের সম্পর্ক রূপ নেয় দৈহিক সম্পর্কে। কয়েকদিন আগে সে বিয়ের জন্য চাপ প্রেমিক হৃদয় হোসেনকে। কিন্তু সে বিয়েতে রাজি না হয়ে নানা টালবাহানা শুরু করে।
যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। পরে রোববার দুপুর থেকে সে প্রেমিক হৃদয় হোসেনের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করে।

এদিকে রোববার দুপুরে ওই তরুণী বিয়ের দাবিতে হৃদয় হোসেনের বাড়িতে উঠলে বাড়ির লোকজন তাকে মারধর করে বাড়ির গেট বন্ধ করে দেয়। পরবর্তীতে গেটের সামনেই অনশন চালিয়ে যেতে থাকে সে। পরে সে অসুস্থ হয়ে পড়লে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অভিযুক্ত হৃদয় হোসেন ও তার বাবা হাবিবুর রহমান বাড়িতে না থাকায় তাদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, ঘটনাটি শুনেছি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. নভেম্বর ২০২২ ০৯:২৯:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কিশোর অটোরিকশা চালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কিশোর অটোরিকশা চালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে শাকিল মিয়া (১৪) নামে এক কিশোরী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২১ নভেম্বর) সকালে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে উপজেলা সদরের সৈয়দ মহব্বত আলী ডিগ্রী কলেজের পেছন থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত শাকিল মিয়া উপজেলা সদর ইউনিয়নের বারপাখিয়া গ্রামের বুদ্দু মিয়ার ছেলে।

এ প্রসঙ্গে দেলদুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসির উদ্দীন মৃধা জানান, শাকিল মিয়া স্থানীয় বাথুলী উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

তিনি মাঝে মধ্যে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালাতেন। রোববার (২০ নভেম্বর) রাতে লিটন নামে একজনের অটোরিকশা নিয়ে তিনি বাড়ি থেকে বের হন।
পরে সোমবার সকালে স্থানীয়রা কলেজের পেছনে শাকিলের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন।

ওসি আরও জানান, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে দুর্বৃত্তরা শাকিলকে হত্যা করে অটোরিকশাটি নিয়ে পালিয়ে গেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. নভেম্বর ২০২২ ০৮:২৫:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দেবে গেছে সেতু ৩ কর্মকর্তা বরখাস্ত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দেবে গেছে সেতু ৩ কর্মকর্তা বরখাস্ত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের বেড়াডোমা সেতু নির্মাণ কাজে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে টাঙ্গাইল পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলীসহ তিন প্রকৌশলীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

ওই সেতু নির্মাণে অনিয়ম হচ্ছে এমনটা জানার পরও আইনগত প্রদক্ষেপ না নেওয়ায় টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়রকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

রবিবার (২০ নভেম্বর) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ পৌর-১ শাখার উপসচিব আব্দুর রহমান স্বাক্ষরিত এসব চিঠি মন্ত্রণালয়ের ওয়েব সাইটে দেওয়া হয়েছে।

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- নির্বাহী প্রকৌশলী শিব্বির আহমেদ আজমী, সহকারী প্রকৌশলী রাজীব গুহ ও উপসহকারী প্রকৌশলী জিন্নাতুল হক।

এদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করে দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও অসদাচরণের অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগ নামা পাওয়ার ১০ কার্য দিবসের মধ্যে তাদের লিখিতভাবে স্থানীয় সরকার বিভাগকে জানানোর জন্য বলা হয়েছে।

জানা গেছে, বেড়াডোমা এলাকায় লৌহজং নদীর উপর নির্মাণাধীন সেতু দেবে যায়। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীন টাঙ্গাইল পৌরসভা অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছিল। আট মিটার প্রস্ত ও ৪০ মিটার দৈর্ঘ সেতুটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় তিন কোটি ৬০ লাখ টাকা।

তবে স্থানীয় সূত্র জানায়, ‘ব্রিকস্ অ্যান্ড বিল্ডিং লিমিটেড’এবং ‘দ্যা নির্মিতি কে (জেভি)’ নামক দুটি প্রতিষ্ঠান সেতুটি নির্মাণ কাজ পেয়েছিলেন। কিন্তু তাদের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন আওয়ামী লীগের স্থানীয় কয়েকজন নেতা।

এ বিষয়ে পৌর মেয়র এস এম সিরাজুল হক জানান, তারা মন্ত্রানালয়ের ওয়েব সাইটের মাধ্যমে এ সংক্রান্ত চিঠি পেয়েছেন। তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই চিঠির জবাব দিবেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. নভেম্বর ২০২২ ০৪:৫৬:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ ফেলে পালালো বিনিময় পরিবহন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ ফেলে পালালো বিনিময় পরিবহন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ ফেলে পালিয়েছে বিনিময় পরিবহনের একটি বাস। পরিবহনটি ধনবাড়ী থেকে ঢাকা চলাচল করে।

রোববার (২০ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, মরদেহটি দেখার পর তারা পুলিশকে জানায়।

পরে রাত ৮টার দিকে থানা থেকে সদস্যরা এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, রাতে বিনিময় পরিবহনের একটি বাস থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ ঘাটাইল বাস স্ট্যান্ডে ফেলে দিয়ে গেছে এমন সংবাদ পাই। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এখন পর্যন্ত মরদেহের পরিচয় জানা যায়নি। বাসটিকে আটক করতে পুলিশ কাজ করছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. নভেম্বর ২০২২ ০৫:৫৮:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সরকারি রাস্তা উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সরকারি রাস্তা উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার ফুলকি ইউনিয়নের আইসড়া গ্রামে সরকারি রাস্তা উদ্ধারের দাবিতে শনিবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে এলাকাবাসী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে।

ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধনে আইসড়া ও আশপাশের কয়েকটি গ্রামের ভোগান্তির শিকার পাঁচ শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন ফুলকি ইউপি সদস্য লোকমান মিয়া, বাবুল সরকার, মর্জিনা বেগম, সাবেক ইউপি সদস্য মির্জা আব্দুল খালেক,
নিজামুদ্দিন, ফুলকি ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি মজনু মিয়া ও সমাজকর্মী কাইয়ুম সরকার প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, অর্ধশত বছরের পুরানো রাস্তাটি ইতোপূর্বে সরকারি বরাদ্দে সংস্কার করা হয়। কিন্তু স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি রাস্তার দুই
পাশে পুকুর খনন ও ঘর বাড়ি বানিয়ে জবরদখল করে রেখেছেন। তারা গ্রামবাসীর অনুরোধ এবং অসুবিধার তোয়াক্কা করেন না। উল্টো ভয়ভীতি হুমকি ধমকি দেয়। অথচ ওই রাস্তা দিয়ে আইসড়া প্রতিবন্ধী স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ ও বাজারসহ বিভিন্নস্থানে প্রতিদিন হাজারো লোক যাতায়াত করে থাকেন। স্থানীয় জবরদখলকারীদের আগ্রাসনে রাস্তাটি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ফলে এলাকার মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। তারা রাস্তাটি জবরদখলমুক্ত করে ব্যবহার উপযোগী করার দাবি করছি। অন্যথায় এলাকাবাসী আরো কঠোর কর্মসূচি গ্রহন করতে বাধ্য হবেন।

এরআগে এলাকার শিশু ও নারী-পুরুষরা বিশাল বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশগ্রহন করে।

ফুলকি ইউপি চেয়ারম্যান সামছুল আলম বিজু জানান, মানুষের চলাচলের জন্য এ রাস্তাটি অতীব প্রয়োজন। কয়েকজন অসৎ লোক জনসাধারণের বহুল ব্যবহৃত পুরাতন রাস্তাটি জবরদখল করে রেখেছেন। ফলে ওই এলাকার হাজারো মানুষ চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছে।এলাকাবাসীর দাবির সাথে আমি একাত্মতা প্রকাশ করছি। অনতিবিলম্বে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে জনস্বার্থে রাস্তাটি উদ্ধার করার ব্যবস্থা নিবো।

বাসাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার পাপিয়া আক্তার জানান, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে জনদুর্ভোগ কমানোর জন্য রাস্তাটির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. নভেম্বর ২০২২ ১২:০১:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেত থেকে অজ্ঞাত নারীর মস্তকবিহীন দেহের  টুকরো অংশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেত থেকে অজ্ঞাত নারীর মস্তকবিহীন দেহের টুকরো অংশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলর মগড়া ইউনিয়নের বাহির শিমুল গ্রামের ধানক্ষেত থেকে এক নারীর মস্তকবিহীন লাশের খন্ডিত কয়েক টুকরো উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার(১৮ নভেম্বর) বিকেল চারটা থেকে শনিবার(১৯ নভেম্বর) দুপুর ২টা পর্যন্ত একটি হাত, দুইটি পা, বুকের কিছু অংশ এবং পরনের কাপড় উদ্ধার করা হয়। লাশের মাথা ও একটি হাত উদ্ধারের জন্য পুলিশ এখনো ওই এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে।

টাঙ্গাইল সদর থানার উপ-পরিদর্শক আশরাফুল ইসলাম জানান, শুক্রবার বিকেলে খবর পেয়ে ওই এলাকায় ধানক্ষেত থেকে প্রথমে দুটি পা ও একটি হাত উদ্ধার করা হয়। এরপর শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দেহের খন্ডিত বিভিন্ন টুকরা উদ্ধার করা হয়। দেহের বাকি অংশ উদ্ধারে এলাকার ধানক্ষেতগুলোতে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে দুর্বৃত্তরা অজ্ঞাত ওই নারীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে। এরপর লাশ গুম করার জন্য টুকরো টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. নভেম্বর ২০২২ ১১:২৪:পিএম ১ বছর আগে
স্বামীর দায়ের কোপে স্ত্রী নিহত, স্বামী পলাতক - Ekotar Kantho

স্বামীর দায়ের কোপে স্ত্রী নিহত, স্বামী পলাতক

‌‏একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে স্বামী সোনা মিয়ার দায়ের কোপে স্ত্রী সাহিদা আক্তার(৪২) নামে এক গৃহবধূ নিহত হয়েছে। শনিবার(১৯ নভেম্বর) সকালে উপজেলার কৈয়ামধু কারিগর পাড়া জঙ্গল থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনার পর থেকে সোনা মিয়া পলাতক রয়েছে।

জানা যায়, সোনা মিয়া ও তার স্ত্রী সাহিদা আক্তার জঙ্গলে লাকড়ি কেটে তাদের সংসার চালাতো। প্রতিদিনে মতো শনিবার সকালে স্বামী-স্ত্রী মিলে কারিগর পাড়া জঙ্গলে লাকড়ি কাটতে যায়। তাদের সাথে পাশের একজন প্রতিবেশীও ছিলো।

হঠাৎ করে তুচ্ছ ঘটনায় স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এর একপর্যায়ে সোনা মিয়ার হাতে থাকা ধারালো দা দিয়ে তার স্ত্রীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই সাহিদার মৃত্যু হয়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহাদত মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ প্রসঙ্গে সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম জানান, এ ঘটনায় স্বামী পলাতক রয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো
হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. নভেম্বর ২০২২ ০৮:৩৪:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ককটেল সহ আটক ৫ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ককটেল সহ আটক ৫

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে একটি বিস্ফোরিত ককটেলসহ ছোট-বড় মোট ১২টি ককটেল সহ ৫ জনকে আটক করেছে টহল পুলিশ।

শুক্রবার (১৮ নভেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার এলেঙ্গা লুৎফর রহমান মতিন মহিলা ডিগ্রিকলেজের পাশে ফাঁকা জায়গা থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, উপজেলার কদিমহামজানি গ্রামের মৃত খন্দকার লাল মিয়ার ছেলে খন্দকার ইকবাল হোসেন (৩৬), বল্লভবাড়ী গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে শহিদ সিকদার (২৭), একই গ্রামের মহির উদ্দিন তালুকদারের ছেলে হাফিজুর রহমান তালুকদার (৪৪), রতনগঞ্জ জোড়বাড়ী গ্রামের মৃত খেদমত আলীর ছেলে সাইফুল ইসলাম লাভলু মিয়া (৫৮) ও চাঁনপাড়া গ্রামের আ. হক আকন্দের ছেলে এসএম আহসান হাবিব লাভলু (৫০)।

এ বিষয়ে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, রাত্রিকালীন থানার মোবাইল টিম ডিউটি করাকালে বাগুটিয়া বাজারে অবস্থানকালে এলেঙ্গা লুৎফর রহমান মতিন মহিলা ডিগ্রি কলেজের পাশে ফাঁকা জায়গায় বসে নাশকতার উদ্দেশ্যে কতিপয় লোকজন মিটিং করছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হইলে পুলিশকে লক্ষ্য করে একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয় ।

তিনি জানান,এ সময় ঘটনাস্থল থেকে বিস্ফোরিত একটি সহ ছোট বড় মোট ১২টি ককটেলসহ পাঁচজনকে আটক করা হয় এবং অন্যান্যরা দৌড়ে পালিয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, এঘটনায় ১৯০৮ সালের বিস্ফোরণ দ্রব্য আইনের ৩/৪/৬ ধারা মোতাবেক তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে শুক্রবার দুপুরে টাঙ্গাইল আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. নভেম্বর ২০২২ ০১:৪৫:এএম ১ বছর আগে
বিএনপির প্রতিটি সমাবেশ প্রতিহত করার চেষ্টা করেছে সরকার: দুদু - Ekotar Kantho

বিএনপির প্রতিটি সমাবেশ প্রতিহত করার চেষ্টা করেছে সরকার: দুদু

একতার কণ্ঠঃ বিএনপির কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, বিএনপির প্রতিটি সমাবেশ প্রতিহত করার চেষ্টা করেছে সরকার। আগামী ১০ ডিসেম্বর প্রতিহত করার নামে তারা যদি রাস্তায় নামে যে ভাষায় তারা কথা বলবে আমাদের জবাবটাও হবে সেই ভাষায়।

তিনি বলেন, সরকার যার নিয়ত ঠিক নাই, চোরের মন পুলিশ পুলিশ, সে আগে থেকেই খারাপ কিছু ভাবনা মাথায় নিয়ে দেশবাসীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। পুলিশ বাহিনী, প্রশাসনকেও বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) সকালে টাঙ্গাইলের সন্তোষে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকীতে দলের পক্ষ থেকে তার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, এর আগে ছয়টি গণসমাবেশ করেছি। বিএনপি কি ধরনের সমাবেশ করবে শান্তিপূর্ণ কি অশান্তিপূর্ণ সেটা ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। এই প্রতিটি সমাবেশে একটি থেকে আরেকটিতে বাধা বিপত্তি চেকপোস্টের পুলিশের হয়রানি গ্রেফতার লাঠিপেটা করা হয়েছে। সর্বশেষ বরিশালে হোটেলেও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আগামী যেসব সমাবেশ হবে তারই সর্বশেষটা হচ্ছে ঢাকায় ১০ ডিসেম্বরের মহাসমাবেশ। এই সমাবেশ অন্যান্য সমাবেশের মতো একটি বিস্ময়কর সমাবেশ হিসেবে হিসেবে আমরা চিহ্নিত করবো এ প্রচেষ্টা আছে।

তিনি বলেন, গত ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশে নির্বাচন বলতে যেটা বোঝায় সেটা নেই। ২০০৮ সালের নির্বাচন ছিলো সাজানো গোছানো নির্বাচন। ১৪ সালের নির্বাচন কোন নির্বাচন নয়। অপ্রতিদ্বন্দ্বিতার নামে ১৫৩টি আসনে জোর করে তারা ক্ষমতা দখল করে নেয়। ১৮ সালে মধ্যরাতে তারা ক্ষমতা দখল করে।

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, জাপানি রাষ্ট্রদূতসহ সারাবিশ্ব এখন বর্তমান সরকার প্রধান, আওয়ামী লীগ তাদের যে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, দেশ বিরোধী কর্মকাণ্ড, ভোটের বিরুদ্ধে অবস্থান সেটা স্পষ্টভাবে তারা বুঝতে পারছে। দেশ এবং বিদেশে একটিই দাবি, বর্তমান সরকারের পদত্যাগ, পাল্টামেন্ট ভেঙে দেওয়া এবং একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশনের অধিনে অবাধ সুষ্ঠ ও স্বচ্ছ একটি নির্বাচন অনুষ্ঠান। সেটি যদি করা সম্ভব হয় তাহলে বাংলাদেশকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। দুর্নীতিমুক্ত একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

এর আগে, শামসুজ্জামান দুদু বিএনপির পক্ষ থেকে মওলানা ভাসানীর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন।

এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসন উপদেষ্টা কবি আব্দুল হাই সিকদার, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল প্রমুখ নেতারা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. নভেম্বর ২০২২ ০৮:১৮:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মওলানা ভাসানীর মৃত্যু বার্ষিকীতে নানা আয়োজনে সকল স্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মওলানা ভাসানীর মৃত্যু বার্ষিকীতে নানা আয়োজনে সকল স্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন

একতার কণ্ঠঃ বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) সকাল থেকে মওলানা ভাসানীর ৪৬ তম শাহাদাত বার্ষিকীতে টাঙ্গাইল শহরের সন্তোষে তার মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সংস্কৃতিক সংগঠন সহ সর্বস্তরের জনগণ।

এ সময় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, আগামী নির্বাচন ৫৪ ও ৭০ মতো না হলে দেশের জন্য ভয়াবহ পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে। আমরা যে চিন্তা নিয়ে, যে ভালবাসা নিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম আজকে তার কিছুই নাই। মানুষের স্বাধীনতা এটাকে বলে না। শুধু কথা ও যা কিছু তা বলতে পারলেই স্বাধীনতা নয়। মানুষের স্বাধীনতা হচ্ছে মানুষের মর্যাদাবোধ, মানবিকবোধ ভালবাসা। সবার কাছে আহ্বান জানাবো মানুষকে ভালবাসতে ও সম্মান জানাতে হবে। নাহলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সম্মান দিতে পারবো না। খুব কষ্ট হয়, যদি আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকে তখন জাতির পিতা বঙ্গন্ধু, বিএনপি ক্ষমতায় এলে জাতির পিতা জিয়াউর রহমান, আবার কখনও জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় এলে জাতির পিতা হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদও হতে পারে। আমাদের চিন্তা ভাবনা থেকে বের হয়ে আসতে হবে।

এসময় আগামী ১০ ডিসেম্বর সম্মেলন কে ঘিরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু সাংবাদিকদের বলেন, আগামী যে সব সমাবেশ হবে তারই সর্বশেষ হচ্ছে ঢাকার সমাবেশ। এই সমাবেশ অন্যান সমাবেশের মতোই একটি বিষ্ময়কর সমাবেশ হিসাবে আমরা চিহ্নিত করবো সেই প্রচেষ্টা আছে। যেগুলো বাকী আছে সেগুলো শেষ করার পরে, ভাবার কোন কারণ নেই সরকার,যার নিয়ত ঠিক নাই, চোরের মন পুলিশ পুলিশ, সে আগে থেকেই খারাপ কিছু ভাবনা মাথার ভিতরে নিয়ে দেশ বাসীকে বিভ্রান্তি করছে,প্রশাসনকে বিভ্রান্তি কার চেষ্টা করছে,সেই হিসাবে ১০ তারিখ হচ্ছে আমাদের এই সরকারের বিরুদ্ধে সর্বশেষ গণসমাবেশ,ইতিহাসের বিরল একটি সমাবেশ হিসাবে আমরা সেটা অনুষ্ঠিত করতে চাই।

এসময় সরকারের সমালোচনা করে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকী বলেন, আজকে বাংলাদেশের জন্য অত্যান্ত একটা অসম্মান জনক অবস্থা, যখন বিদেশীরা বলেন,এ দেশে রাতের বেলা ব্যালট বক্স পুলিশ আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তারা ব্যালট ভর্তি করে ফেলে। এইটা পৃথিবীর অন্য কোন দেশে শুনেন নাই,বাংলাদেশে এটা শুনেছে। এটা কী আমরা অস্বীকার করতে পারি, জাপানের রাষ্ট্রদূত যা শুনেছেন এটা আমরা কেউ শুনি নাই অথবা দেখি নাই? আমরা যারা নির্বাচন করেছি আমরা এটা দেখেছি আমরা শুনেছি যে বাংলাদেশে কিভাবে ২০১৮ সালে ৩০শে ডিসেম্বরে নির্বাচন হওয়ার কথা সেই নির্বাচন ২৯ তারিখ রাতে প্রায় প্রত্যেকটি কেন্দ্রে ৫০ ভাগের কাছাকাছি কোথাও কোথাও বেশি ব্যালট স্টাফিন করে বাক্সে ভরে রাখা হয়েছিলো।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. নভেম্বর ২০২২ ০৮:৩৯:পিএম ১ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।