একতার কণ্ঠঃ ইংরেজি জাতীয় দৈনিক দি ডেইলি পোস্টের টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি রবিন তালুকদার ২০১৯ সাল থেকে মরণ ব্যাধি থাইরয়েড ক্যানসার আক্রান্ত। বর্তমানে তিনি বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং নিয়মিত ওষুধ সেবন করছেন। তার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা। এই টাকা যোগান দেওয়ার সামর্থ্য নেই রবিন ও তার পরিবারের। এক কন্যা সন্তানের জনক রবিন বাঁচার জন্য সকলের সহযোগিতা চেয়ে আবেদন করেছেন। আপনার একটু সহযোগিতা বাঁচাতে পারে রবিন ও তার পরিবারকে।
রবিন তালুকদারকে বিকাশ ও নগদে সহায়তা পাঠানো যাবে, নম্বর – ০১৭৫২-৩০৭৭৯৫ (বিকাশ পার্সনাল) এবং ০১৭৫২-৩০৭৭৯৫ (নগদ পার্সনাল)।
রবিনের পরিবারিক সূত্রে জানা যায়, মরন ব্যাধি থাইরয়েড ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে রবিন ২০১৯ সালের ১৮ নভেম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্লক সি-এর নাক-কান-গলা (ইএনটি) বিভাগের ৭ম তলার ৭৩৫নং কক্ষের পেয়িং বেড-১ এ ভর্তি হয়েছিলেন।
পরবর্তীতে একই সালের ৫ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) তার অপারেশন সম্পন্ন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক-কান-গলা (ইএনটি) বিভাগের সার্জন প্রফেসর আবুল হাসনাথ জোয়ার্দার।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, এ রোগ নির্ণয়ের টেস্ট বাবদ ইতোমধ্যে খরচ হয়েছে তার প্রায় ৪০ হাজার টাকা এবং অপারেশন বাবদ খরচ হয় প্রায় ৫০ হাজার টাকা। এছাড়াও অপারেশন পরবর্তী সময়ে তার আরো বেশ কিছু টাকা ব্যয় হয়। আনুমানিক ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকা চিকিৎসা বাবদ ইতিমধ্যে খরচ হয়েছে।
মরণ ব্যাধি ক্যান্সার আক্রান্ত সাংবাদিক রবিন তালুকদার বলেন, তৎকালীন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল ইসলাম আমার ক্যানসার আক্রান্তের কথা যেনে আমাকে ২০হাজার টাকা দিয়ে আর্থিক সহযোগীতা করেছিলেন। পাশাপাশি তৎকালীন পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় ২০হাজার টাকা দিয়েছিলেন। তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।
চিকিৎসার জন্য সবার সহযোগিতা চেয়ে রবিন বলেন, আমার এক কন্যা সন্তান রয়েছে। নিজের জমানো টাকা ও স্বজনদের সহয়তায় এখন চিকিৎসা চলছে। দুটি রেডিও থেরাপি ইমপালস ক্যানসার হাসপাতালে দেওয়া হয়েছে। আরও পাঁচটি থেকে ছায়টি রেডিও থেরাপি লাগবে। এখন চিকিৎসার টাকা সংগ্রহ হলে আবার হাসপাতালে গিয়ে রেডিও থেরাপি নেওয়া যাবে।
রবিন তালুকদার আরও বলেন, ক্যানসারের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা। কিন্তু এত টাকা ব্যয় করার সামর্থ্য নেই আমার বা পরিবারের। তাই সবার কাছে সহযোগিতা কামনা করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা। রোগমুক্তি কামনায় সকলের দোয়া কামনা করেছেন তিনি।
রবিন তালুকদারকে বিকাশ ও নগদে সহায়তা পাঠানো যাবে, নম্বর – ০১৭৫২-৩০৭৭৯৫ (বিকাশ পার্সনাল) এবং ০১৭৫২-৩০৭৭৯৫ (নগদ পার্সনাল)।
উল্লেখ্য, সাংবাদিক রবিন তালুকদার টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের উত্তর তারটিয়া গ্রামের মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম তালুকদারের ছেলে। চার ভাইয়ের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। তার বড় ভাই ঢাকায় একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন। মা, স্ত্রী, এক কন্যা সন্তান ও ছোট দুই ভাই নিয়েই তাদের সংসার।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাইভেটকার চালক মিল্টন মিয়া (৩৮) নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) সকালে সখীপুর-সাগরদীঘি আঞ্চলিক সড়কের কালিয়া বাজারে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মিল্টন মির্জাপুর উপজেলার তরফপুর ইউনিয়নের গাজেশ্বরী গ্রামের মোতাহার মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার কালিয়া বাজারে ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাইভেটকার চালক মিল্টন গুরুত্বর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহতের চাচাতো ভাই সাইফুল ইসলাম বলেন, পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন মিল্টন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এ প্রসঙ্গে সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ শাহিনুর রহমান জানান, কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ মরণ ব্যাধি থাইরয়েড ক্যান্সারে আক্রান্ত ইংরেজি দৈনিক দ্যা ডেইলি পোস্ট পত্রিকার টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি রবিন তালুকদারের চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে টাঙ্গাইল জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ।
বুধবার (৩ এপ্রিল) সকালে টাঙ্গাইল শহরের ভিক্টোরিয়া রোডে অবস্থিত সংগঠনের কার্যালয়ে অসুস্থ রবিন তালুকদারের চিকিৎসার্থে তার হাতে সহায়তার অর্থ তুলে দেন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানরা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের সভাপতি হাজী মুহা. সাজ্জাদুর রহমান খোশনবীশ, সাধারণ সম্পাদক কণ্ঠশিল্পী জিয়াদ সিদ্দিক, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ্ জনি, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ফেরদৌস আরা ডায়না, কাজী নুসরাত ইয়াসমিন, শিউলি খান সনি প্রমুখ ।
অসুস্থ সাংবাদিক রবিন জানান, নিজের জমানো টাকা ও স্বজনদের সহয়তায় এখন চিকিৎসা চলছে। দুটি রেডিও থেরাপি ইমপালস ক্যান্সার হাসপাতালে দেওয়া হয়েছে। আরও পাঁচ থেকে ছায়টি রেডিও থেরাপি লাগবে।
তিনি আরও জানান, এত টাকা ব্যয় করার সামর্থ তার বা পরিবারের নেই। তাই তিনি সবার কাছে সহযোগিতা কামনা করছেন। রবিন তালুকদারকে বিকাশ ও নগদে সহায়তা পাঠানোর নম্বর-০১৭৫২-৩০৭৭৯৫ (বিকাশ পার্সোনাল) এবং ০১৭৫২-৩০৭৭৯৫ (নগদ পার্সোনাল)।
প্রকাশ, বীরমুক্তিযোদ্ধার সন্তান সাংবাদিক রবিন তালুকদার টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের উত্তর তারটিয়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আবুল কালাম তালুকদারের ছেলে। চিকিৎসকের পরামর্শে তিনি বর্তমানে বাসায় অবস্থান করে নিয়মিত ওষুধ সেবন করছেন। তার চিকিৎসার জন্য পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা প্রয়োজন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ইয়াবাসহ মা-ছেলেকে আটক করেছে সখিপুর থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) রাতে উপজেলার বেলতলী এলাকা থেকে তাঁদের আটক করা হয়। বুধবার (৩ এপ্রিল) সকালে তাঁদের দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আটককৃতরা হলেন, আতিক হাসান (২৩) ও তাঁর মা আরজিনা আক্তার (৩৯)।
সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ শাহিনুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মঙ্গলবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বেলতলী গ্রামের সেন্টু মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় সেন্টু মিয়ার স্ত্রী আরজিনা ও ছেলে আতিক হাসানের কাছ থেকে ২০৫টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে মা-ছেলের নামে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ইয়াবাসহ আটক মা-ছেলেকে বুধবার সকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মাদক নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ দৈনিক সমাচার পত্রিকার কালিহাতী প্রতিনিধি, কালিহাতী প্রেসক্লাবের সদস্য ও উওর টাঙ্গাইল সাংবাদিক ফোরামের দপ্তর-সম্পাদক হারুনুর রশীদ আর নেই।
মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনিস্টিটিউট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন ।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৩৫ বছর। সে কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার কুড়িঘুরিয়া এলাকার আব্দুল লতিফের ছেলে।
মৃত্যুকালে তিনি ৬ বছরের ১ ছেলে, তিন বছরের ১ মেয়ে, স্ত্রী, বাবা-মা, বোনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
হারুনের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ মার্চ রাতে রমজানের সেহরি ও ফজরের নামাজ আদায় করার পর হারুন হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করে। পরে তার বুকের ব্যথা আরো প্রচন্ড হলে দ্রুত তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে আনা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর জেনারেল হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি করে। পরে সেখানে কিছুটা সুস্থ্য হওয়ার পর তাকে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়। বাড়িতে আসার পর হারুন আবার অসুস্থ্য হয়ে পড়লে রবিবার (৩১ মার্চ) তাকে রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনিস্টিটিউট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। মঙ্গলবার রাতে তারাবির নামাজের পর তার গ্রামের বাড়ি কালিহাতীর এলেঙ্গা পৌরসভার কুড়িঘুরিয়ার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
সাংবাদিক হারুনের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ ও সাধারন সম্পাদক নাসির উদ্দিন, উত্তর টাঙ্গাইল সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন, কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোজহারুল ইসলাম তালুকদার, সাধারন সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মোল্লা, এলেঙ্গা পৌরসভার মেয়র নুরে আলম সিদ্দিকী, টাঙ্গাইলের লোকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রতিদিনের টাঙ্গাইল২৪.কমের সম্পাদক সন্তোষ কুমার দত্ত, কালিহাতী প্রেসক্লাবের সভাপতি রঞ্জন কৃষ্ণ পন্ডিত ও সাধারন সম্পাদক মোল্লা মুশফিকুর মিল্টন প্রমূখ।
একতার কণ্ঠঃ ঈদযাত্রায় বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে মহাসড়ক পরিদর্শন করে গণশুনানী ও মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়ে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এবিএম আমিন উল্লাহ নুরী বলেছেন, মহাসড়কের এলেঙ্গা থেকে সেতুর টোলপ্লাজা পর্যন্ত সাড়ে ১৩ কিলোমিটারের মধ্যে মাত্র সাত কিলোমিটার এলাকায় চারলেনের কাজ চলছে।
আসন্ন ঈদযাত্রায় ওই সাত কিলোমিটার এলাকা সিঙ্গেল সড়কে যানজটের আশঙ্কা রয়েছে। ওই সাত কিলোমিটারে কোনো গাড়ি থামানো যাবেনা।
ওখানের প্রতি কিমিতে ১০জন করে দায়িত্বশীল ব্যক্তি সার্বক্ষণিক পাহারায় থাকলে এ সমস্যা এড়ানো সম্ভব হবে। এ বিষয়ে তিনি স্থানীয় প্রশাসন, পরিবহণ মালিক-শ্রমিক সমিতি সহ অংশিজনদের সহযোগিতা কামনা করেন।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে রবিবার (৩১ মার্চ) দুপুরে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল-২০২৩-২৪ এর আওতায় ঈদযাত্রা ও সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে গণশুনানী ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। ওই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন, সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এবিএম আমিন উল্লাহ নুরী।
সভায় বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপ্রান্তের টোলপ্লাজায় টোলবুথ বাড়ানো, মোটরসাইকেলের জন্য আলাদা দুইটি টোলবুথ স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ওই সভায় জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের (বাসেক) বঙ্গবন্ধু সেতু অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল, টাঙ্গাইল সওজ’র নির্বাহী প্রকৌশলী সিনথিয়া আজমিরী খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরফুদ্দিন, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ, চার লেন প্রকল্পের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাইট ম্যানেজার মো. রবিউল আউয়াল, টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. বালা মিয়া প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার মহেলা এলাকার পুংলি নদী পাড়ের বালু মাটি কেটে অবৈধভাবে বিক্রি করছে স্থানীয় প্রভাবশালী মো. শাহ্আলম।
এই নদী পাড়ের বালু কেটে বিক্রি করায় একদিকে যেমন শহর রক্ষা বাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে, অন্যদিকে হুমকিতে রয়েছে রেলসেতু। এছাড়াও ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে স্থানীয় প্রায় পাঁচ শতাধিক পরিবার।
মাঝেমধ্যে প্রশাসন লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করলেও কোন ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না অবৈধ এ বালু বিক্রি। ফলে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে বিপুল পরিমান রাজম্ব থেকে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়, মহেলা গ্রামের পুংলি নদীতে ৬টি স্থানে ভেকু মেশিন বসানো হয়েছে। এই ভেকু মেশিন গুলোর সাহায্যে প্রায় ৫০টির অধিক ড্রাম ট্রাক দিয়ে দিনরাত উত্তোলনকৃত বালু বিক্রি করে আসছে ওই প্রভাবশালী শাহ্আলম।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, পুংলি নদীর মহেলা অংশের প্রথম ঘাট চালায় এলেঙ্গা পৌরসভার স্থানীয় কাউন্সিলর মো. নুর আলমসহ শাহ্আলম, কাদের, জলিল, একাব্বর, মনির, আফজাল মোল্লা, মাজেদুল ও আফজাল প্রামানিক।
দ্বিতীয় ঘাট চালায় স্থানীয় মামুনসহ সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল বারেক, মো. জহুরুল ও শরীফ ।
এছাড়া তৃতীয় ঘাট চালায় ব্যাংকার মহসিনসহ শহিদউজ্জামান, আয়নাল ও তোফাজ্জল হোসেন।
স্থানীয়রা আরও জানায়, দিনরাত বালুভর্তি ড্রাম ট্রাক চলাচলের কারণে টাঙ্গাইল শহর রক্ষা বাঁধ ও ওই এলাকার একমাত্র যাতায়াতের রাস্তাটির চরম বেহাল দশা হয়েছে। সামনেই বর্ষা মৌসুম। এলাকাবাসীর ধারণা এভাবে দিনরাত বালুভর্তি ড্রাম ট্রাক চলাচল করলে এই বর্ষা মৌসুমেই ভেঙে পড়তে পারে রেল সেতু ও সড়ক সেতুসহ টাঙ্গাইল শহর রক্ষা বাঁধ।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানায়, মো. শাহ্আলম স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় দাপটের সহিত চলাফেরা তার। এছাড়াও রয়েছে তার বিশাল বাহিনী। সে সবসময় বাহিনী নিয়ে চলাফেরা করে। তার ভয়ে এলাকার কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়না। প্রতিবাদ করলে তার উপর হামলা চালায়। ইতোপুর্বে তার বাহিনীর হামলার শিকার হয়েছে এলাকার অনেকেই।
তারা আরও জানায়, প্রশাসনের সাথে সখ্যেতা রয়েছে শাহ্আলমের। প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই পুংলি নদী থেকে কোটি কোটি টাকার বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছে সে। মাঝেমধ্যে প্রশাসন দায় এড়ানোর জন্য আসে। আসার আগেই খবর পেয়ে যায় তারা। প্রশাসন ঘুরে চলে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই আবার শুরু হয় অবৈধ বালু উত্তোলন।
বালুভর্তি ট্রাক রেল সেতুর নিচ দিয়ে চলাচল করায় ইতোপুর্বেও রেল সেতুটির গার্ডার ধসে পড়েছিলো। পড়ে টনক নড়ে প্রশাসনের। কিছুদিন পূর্বে রেল সেতুর নিচ দিয়ে যেন কোন ধরনের যানবাহন চলাচল করতে না পারে সেজন্য কর্তৃপক্ষ পিলার দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। সম্প্রতি ওই বালু ব্যবসায়ীরা ওই পিলার তুলে ট্রাক চলাচলের রাস্তা বানিয়েছে।
অভিযোগ প্রসঙ্গে মো. শাহ্আলম মুঠোফোনে বলেন, তিনি নদী থেকে বালু মাটি কাটেননা। তিনি তার বাবার পৈত্রিক সম্পত্তির বালু মাটি কেটে বিক্রি করছে।
এ বিষয়ে কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহাদাৎ হুসেইন বলেন, তিনি উপজেলা সহকারী কর্মকর্তা (ভুমি) এসিলেন্ডকে বলে দিয়েছে, তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে কাভার্ডভ্যান ও প্রাইভেটকারের সংঘর্ষে দুইজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
রবিবার (৩১ মার্চ) সকাল ৮টার দিকে উপজেলা সদরের নগরজালফৈ বাইপাস এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার ফলে প্রাইভেটকারের সামনের অংশ ধুমড়ে মুচড়ে গেছে।
দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন- প্রাইভেটকারচালক মো. ইলিয়াস হোসেন (৩৫) সে বরগুনা জেলা সদরের সোনাখালী গ্রামের আ. মান্নানের ছেলে। নিহত অপরজন হচ্ছেন, সিরাজগঞ্জ সদরের মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে শাহ আলম (৪৫)।
এ দুর্ঘটনায় সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার মৃত দারুজ্জামান তালুকদারের ছেলে মো. আনিছুর রহমান (৫৫) ও একই জেলার সদর উপজেলার আইএইচ সিরাজী রোডের মৃত মতিয়ার রহমানের ছেলে এ কে এম মাহফুজুর রহমান আল্লাল (৫৫) আহত হয়েছেন।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. সাজেদুল ইসলাম জানান , রবিবার সকালে তিনজন যাত্রী নিয়ে প্রাইভেটকারের চালক উত্তরবঙ্গের দিকে যাচ্ছিলেন।প্রাইভেটকারটি নগরজালফৈ বাইপাস এলাকায় পৌঁছালে কাভার্ডভ্যানের পেছনে ধাক্কা দেয়।
তিনি আরও জানান, এতে ঘটনাস্থলে চালক নিহত হন। আহত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠালে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়। বাকি দুই জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তিনি জানান, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ এবার অস্ত্রের মুখে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম কিবরিয়া ওরফে বড় মনির বিরুদ্ধে। পরে ভুক্তভোগী ওই তরুণী বাদী হয়ে রাজধানীর তুরাগ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মোস্তফা আনোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।
এরআগে শুক্রবার (২৯ মার্চ ) রাতে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ এ কল পেয়ে পুলিশ রাজধানীর তুরাগ থানায় প্রিয়াংকা সিটি আবাসিক এলাকায় বড় মনিরের ফ্ল্যাট থেকে ওই কলেজছাত্রীকে উদ্ধার করে। তাকে জোর করে ওই বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী।
পুলিশের ভাষ্য, বড় মনির ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছেন।
ওই শিক্ষার্থী মামলায় অভিযোগ করেন, ফেসবুকে বড় মনিরের সঙ্গে পরিচয় হয় তার। প্রথম পর্যায়ে হাই-হ্যালো হতো। এক পর্যায়ে বড় মনির ভুক্তভোগীকে ছোট বোন বলে সম্বোধন করে। এরপর তার সঙ্গে ছাত্রীর হোয়াটসঅ্যাপে অডিও-ভিডিওতে কথা হতো।
বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) ইফতারের পর বড় মনির ভুক্তভোগী ছাত্রীকে মেসেজ দিয়ে জমজম টাওয়ারের সঙ্গে এপেক্স শোরুমের সামনে থাকতে বলেন। সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিটের সময় এপেক্স শো-রুমের সামনে অপেক্ষা করি। এর ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর বড় মনির রিকশা নিয়ে আসে এবং রিকশায় উঠতে বলে। ভুক্তভোগী ছাত্রী তার সঙ্গে রিকশায় ওঠেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে তুরাগের প্রিয়াংকাসিটির ৬ নম্বর রোডের ৭ নম্বর বাসার পশ্চিম পাশের ফ্ল্যাটের তৃতীয় তলার উত্তর-পশ্চিম পাশের রুমের ভেতর নিয়ে যান। এরপর রুমের দরজা বন্ধ করে ধর্ষণ করেন।
এরপর ভুক্তভোগী ছাত্রী তার বাবাকে ফোন দেন। তার বাবা ঘটনা শুনে ৯৯৯ এ ফোন দেন। পরে তুরাগ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
উল্লেখ্য, বড় মনির জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব এবং টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ওরফে ছোট মনিরের বড় ভাই। এর আগেও টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বড় মনিরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা রয়েছে। ওই মামলায় বর্তমানে জামিনে আছেন তিনি।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশের মানুষ সুখে থাকুক, ভালো থাকুক এটা বিএনপি চায় না বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক।
শনিবার(৩০ মার্চ )দুপুরে টাঙ্গাইল পৌর শহরের আশেকপুর বাইপাস এলাকায় কাদেরিয়া বাহিনীর জাদুঘরের স্থান পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক বলেন, এখন পেঁয়াজের দাম কমেছে। জিনিসপত্রের দাম কমেছে। মানুষ একটু স্বস্তিতে আছে। এখন তারা (বিএনপি) ভারতের পণ্য বর্জনের ডাক দিয়েছে। পেঁয়াজ হয়তো ১২০ টাকা কেজি হতো সেটা ৬০ টাকা হয়েছে এটা তাদের (বিএনপি’র) সহ্য হয় না। বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকুক, সুখে থাকুক, শান্তিতে থাকুক এটা তারা তা চায় না। বঙ্গবন্ধুর যে স্বপ্ন ছিল, এ দেশে একটা শোষণ ও দারিদ্র্য মুক্ত সমাজ তৈরি করা। এজন্য এখনও তারা (বিএনপি) পাকিস্তানকেই হৃদয়ে ধারণ করে। ১৯৭৫ সালে ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর এ দেশকে মিনি পাকিস্তান বানানো হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছি এবং যারা মুক্তিযোদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করি, মুক্তিযুদ্ধের সমস্ত স্মৃতিকে, সেগুলোকে ধরে রাখা। সেগুলো যাতে চিরস্থায়ী হয় সেই ব্যবস্থা করা।
কাদেরিয়া বাহিনীর জাদুঘরের পাশে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিক বীর উত্তমের নামে একটি স্কুল হয় সে উদ্যোগ গ্রহণ করবেন মন্ত্রী।
মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চলানা করেন কাদেরিয়া বাহিনীর প্রধান ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ছানোয়ার হোসেন এমপি, তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, খান আহমেদ শুভ এমপি, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের, জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম, সাবেক এমপি আতাউর রহমান খান, সখীপুর পৌরসভার মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু হানিফ আজাদ, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএমএস সিরাজুল হক আলমগীর প্রমুখ।
এছাড়াও বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে এক নারীর অর্ধনগ্ন ছবি ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার প্রতিবাদ করায় বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশি চাঁন মিয়ার বিরুদ্ধে। এই হামলার প্রতিবাদ করতে গিয়ে ওই নারীর মা, ভাই বোনসহ ৪ জন আহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের যমুনার দুর্গম চরাঞ্চলের বেলটিয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
শুক্রবার (২৯ মার্চ) দুপুরে গাবসারা ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম আকন্দ শাপলা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আহতরা হলেন- ওই গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে মো. মকবুল হোসেন (২৫), তার মা মোছা. নূরন্নাহার বেগম (৬০), বোন মোছা. ফাতেমা বেগম (২৪) ও স্ত্রী মোছা. সুমাইয়া বেগম (২৩)।
আহতদের মধ্যে মকবুল হোসেন ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে। অপর আহতরা স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের কাছ থেকে চিকিৎসা নেয়।
হামলার শিকার আহত মকবুল হোসেন বলেন, প্রায় ১ বছর আগে আমার ছোট বোনের অর্ধনগ্ন ছবি প্রতিবেশি চাঁন মিয়া তার ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করে। পরে ছবিটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে জানাজানি হয় এবং বিষয়টি আমরা জেনে স্থানীয় জনপ্রতিধি ও মাতাব্বারদের জানালে তারা মিমাংসার আশ্বাস দিয়েও পরে সমাধান দেয়নি।
তিনি আরও বলেন, এর কিছুদিন পর আমার বোনের নামে ফেক আইডি খুলে চাঁন মিয়া তার নিজের ছবিই ফেসবুকে পোস্ট করে আমার উপর দায় চাপানোর চেষ্টা করে। পরবর্তীতে এনিয়ে বিভিন্ন সময় আমাদের উপর হামলা চালানোর চেষ্টাসহ প্রাণনাশের হুমকি দিতো। এনিয়ে আবারও মাতাব্বরদের জানালে তারা সমাধান না দিয়ে কতিপয় কিছু মাতাব্বর উল্টো আমাদের উপর দোষ চাপায়।
তিনি বলেন, এরই জেরে ইউপি সদস্য খোরশেদ আলমের মদতে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে অভিযুক্ত চাঁন মিয়ার নেতৃত্বে ফিরোজ, সজিব, বাবলু, ফিরোজ (২), সোহেলসহ ১৪ থেকে ১৫ জন লোক বাড়িতে হামলা চালিয়ে আমাকেসহ আমার মা, বোন ও স্ত্রীকে মারধর করে এবং আমার বোনকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ ঘটনায় আমরা মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।
এদিকে, অভিযুক্ত চাঁন মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে ইউপি সদস্য খোরশেদ আলম বলেন, মিমাংসা করার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু তা সম্ভব হয়নি। তাছাড়া মকবুল আমাকে ফাঁসানোর জন্য আপনাদের কাছে আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা অভিযোগ করেছে।
গাবসারা ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম আকন্দ শাপলা জানান, বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের খবরের বিষয়টি জানতাম না। পরে খবর পেয়ে হাসপাতালে আহতদের দেখতে যাই। ভুক্তভোগীরা যাতে আইনি সহায়তা পায় সে ব্যাপারে সহযোগিতা করা হবে বলে জানান তিনি।
এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আহসান উল্লাহ জানান, হামলার ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় খাদিজা আক্তার (২৫) নামের এক নারী প্রাণ হারিয়েছেন।
শুক্রবার (২৯ মার্চ) বিকাল ৪ টায় ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের জোকারচর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত খাদিজা আক্তার উপজেলার দৈবগাতী গ্রামের ইকবাল হোসেনের স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার বিকালে জোকারচর বাসস্ট্যান্ডে সড়ক পারাপার হওয়ার জন্য সড়কের দক্ষিণপাশে দাঁড়িয়ে ছিল খাদিজা। পথিমধ্যে উত্তরবঙ্গগামী বেপরোয়া গতির একটি মোটরসাইকেল ওই নারীকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্বজনরা খবর পেয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৭ টা ১০ মিনিটের দিকে সে মৃত্যুবরণ করেন।
এ ঘটনায় বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. লিটন মিয়া জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। পরে সেখান থেকে দুর্ঘটনা কবলিত মোটরসাইকেল জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এছাড়া নিহতের মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।