/ হোম / টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে ৯৪ বছর বয়সেও মিলেনি বয়স্ক ভাতা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৯৪ বছর বয়সেও মিলেনি বয়স্ক ভাতা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার সদর ইউনিয়নের মিরিকপুর গ্রামের মৃত মুছিরাম রাজবংশীর স্ত্রী মরনী রাজবংশীর ৯৪ বছর বয়সেও কপালে জুটেনি বয়স্ক ভাতার কার্ড। তার আক্ষেপ আর কত বছর বয়স হলে মিলবে বয়স্ক ভাতার কার্ড।

কান্নাজড়িত কন্ঠে মরনী রাজবংশী বলেন, এখন আর চোখে তেমন দেখতে পাই না, বয়স তো আর কম হলো না। শরীর আর চলতেই চায়না। শুয়ে বসেই দিন কাটে। কখন যেনো মৃত্যুর ডাক এসে যায়। শুনেছি প্রধানমন্ত্রী নাকি বয়স্কদের ভাতার ব্যবস্থা করেছেন। কিন্তু আমারতো অনেক বয়স হয়েছে, এখন পর্যন্ত কোন ভাতার কার্ড পাইনি। কত জনপ্রতিনিধির দ্বারে দ্বারে গেছি আমাকে কার্ড করে দেয়নি। আশপাশের অনেকেই ভাতার টাকা পাইছে। কিন্তু আমি পাই নাই! বৃদ্ধা মরনী রাজবংশীর প্রশ্ন ‘আর কত বয়স হলে ভাতার কার্ড পাব আমি’ ?

বয়সের ভারে নুয়ে পড়া মরনী ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। চোখের দৃষ্টিও ঝাঁপসা হয়ে গেছে। দিনের বেশিরভাগ সময় কাটে বিছানায় শুয়ে। স্বামী বেঁচে থাকা অবস্থায় কোনো মতে চলতো তাদের টানাটানির সংসার। স্বামীর মৃত্যুর পর সন্তানরাও অভাবের তাড়নায় মায়ের খোঁজখবর নিতে পারেনা।

সপ্তাহে মাত্র ৩’শ টাকা দরকার তার ঔষুধ কেনার জন্য। সেটাও জোটাতে পারেন না তিনি। ফলে প্রয়োজনীয় ঔষুধ না খেয়েই বেঁচে থাকতে হচ্ছে তাকে।একটু সচ্ছলতার জন্য বয়স্ক ভাতার কার্ডের জন্য বেশ কয়েক বছর ধরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও কেবলই মিলেছে শুধুই আশ্বাস।

সরেজমিনে মিরিকপুর গিয়ে দেখা যায়, জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী, ১৯২৯ সালে ১০ আগস্ট জন্ম মরনী রাজবংশীর। এতে তার বয়স এখন ৯৪ বছর। তার তিন ছেলে ও তিন মেয়ে সন্তানের মধ্যে সবার বিয়ে হয়ে গেছে। দুই ছেলের মৃত্যু হয়েছে অনেক আগেই। স্বামীর রেখে যাওয়া সামান্য জায়গার ওপর টিনের ছাপড়া ঘরে বসবাস করেন মরনী রাজবংশী ।

কান্নাজড়িত কন্ঠে মরনী রাজবংশী বলেন, এখন আর চোখে তেমন দেখতে পাই না, বয়স তো আর কম হলো না। শরীর আর চলতেই চায়না। শুয়ে বসেই দিন কাটে। কখন যেনো মৃত্যুর ডাক এসে যায়। শুনেছি প্রধানমন্ত্রী নাকি বয়স্কদের ভাতার ব্যবস্থা করেছেন। কিন্তু আমারতো অনেক বয়স হয়েছে, এখন পর্যন্ত কোন ভাতার কার্ড পাইনি। কত জনপ্রতিনিধির দ্বারে দ্বারে গেছি আমাকে কার্ড করে দেয়নি। আশপাশের অনেকেই ভাতার টাকা পাইছে। কিন্তু আমি পাই নাই! বৃদ্ধা মরনী রাজবংশীর প্রশ্ন ‘আর কত বয়স হলে ভাতার কার্ড পাব আমি’ ?

এ প্রসঙ্গে,বাসাইল সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহেল জানান, বাসাইল সদর ইউনিয়নটি নবগঠিত। গত বছরের ২৪ জুলাই আমি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করেছি। দায়িত্ব গ্রহনের পর এই ইউনিয়নে বয়স্কদের জন্য কোন বয়স্ক ভাতার কার্ড বরাদ্দ হয়নি। তবে মরনী রাজবংশীকে ভিজিএফ’র চাল বরাদ্দসহ ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন সহযোগিতা করা হচ্ছে। ইউনিয়নের বয়স্কদের জন্য বরাদ্দ এলেই প্রথমে তাকে দেওয়া হবে।

বাসাইল উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নূরে-ই-লায়লা জানান, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। দ্রুতই মরনী রাজবংশীর খোঁজ-খবর নিয়ে তার কার্ড করে দেওয়া হবে।

বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) পাপিয়া আক্তার জানান, বিষয়টি আমার জানা ছিলোনা। যত দ্রুত সম্ভব স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে তাকে বয়স্ক ভাতার ব্যবস্থা করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. মে ২০২৩ ০২:৫৬:এএম ৩ বছর আগে
নাগরপুরে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি - Ekotar Kantho

নাগরপুরে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়নে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে বসতবাড়িসহ বোরো ধান, ব্রি ২৯ ধান, আম ও কাঁঠালের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

বুধবার (১০ মে) উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের উপর দিয়ে বিকেলে হালকা ঝড়ো হাওয়া ও পরে প্রচন্ড বেগে কালবৈশাখী ঝড়ের সাথে বড় বড় শিলা বৃষ্টি পড়ে। প্রায় ২০ মিনিট ধরে বয়ে যাওয়া ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে ঘর বাড়িসহ গাছপালার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে বিচ্ছিন্ন রয়েছে বিদ্যুৎ সংযোগ।

দপ্তিয়র ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মো. কাউছার মিয়া জানান, ঝড়ে আমার বসত বাড়ির ঘরসহ আশপাশের প্রায় ৫০ থেকে ৬০ টি ঘর উড়ে গেছে। ভেঙ্গে গেছে বহু গাছপালা।

দপ্তিয়র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম ফিরোজ সিদ্দিকী জানান, বিকেলের দিকে আমার ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে শিলা বৃষ্টিসহ কাল বৈশাখী ঝড় হানা দেয়। ঝড়ে ঘর বাড়ি ও গাছপালাসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বন্ধ রয়েছে গোটা ইউনিয়নের বিদ্যুৎ সংযোগ। ঝড়ে ইউনিয়নের মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. মে ২০২৩ ০৪:২১:এএম ৩ বছর আগে
স্কুলছাত্রকে গলাকেটে হত্যা: প্রতিবন্ধী বাবার পাশে জেলা প্রশাসক - Ekotar Kantho

স্কুলছাত্রকে গলাকেটে হত্যা: প্রতিবন্ধী বাবার পাশে জেলা প্রশাসক

একতার কণ্ঠঃ অভাব-অনটনের সংসারে পড়াশোনার খরচ ও পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা করতে প্রতিবন্ধী বাবার অটোভ্যান নিয়ে বাড়তি আয়-রোজগারের আশায় বের হওয়া স্কুলছাত্রকে গলাকেটে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল দুর্বৃত্তরা। সেই অসহায় পরিবারের পাঁশে দাঁড়ালেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দিন হায়দার।

বুধবার (১০ মে) সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. বেলাল হোসেন এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে মঙ্গলবার (৯ মে) দিনব্যাপী উপজেলার বিভিন্ন দপ্তর পরিদর্শন ও উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নের বলরামপুর গ্রামে ওই স্কুলছাত্রের প্রতিবন্ধী বাবা সুজন তালুকদারের হাতে অটোভ্যানের চাবি তুলে দেন তিনি (জেলা প্রশাসক)।

নিহত স্কুল ছাত্রের নাম জাহিদুল ইসলাম (১৪)। সে  বলরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দিন হায়দার বলেন, জাহিদুল নামে স্কুলছাত্রের বাবা প্রতিবন্ধী ও পরিবারটি দরিদ্র । বাড়তি আয়ের আশায় অটোভ্যান নিয়ে বের হলে দুর্বৃত্তরা কাঁচি দিয়ে তার গলা কেটে হত্যার পর অটোভ্যানটি ছিনতাই করে নেয়। এতে করে পরিবারটি আরও ক্ষতিগ্রস্ত ও মানষিকভাবে ভেঙে পড়ে। তাই ওই অসহায় পরিবারকে একটি নতুন অটোভ্যান উপহার দেওয়া হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোছা: নার্গিস বেগম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুদুল হক মাসুদ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফাহিমা বিনতে আখতার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম বাবু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আলিফ নূর মিনি, ভুঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম প্রমূখ।

উল্লেখ্য, গত ১ মার্চ রাত সাড়ে ৮টার দিকে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর-গোপালপুর আঞ্চলিক সড়কের ঘাটাইলের পাঁচটিকড়ি দক্ষিণপাড়া এলাকায় একটি প্রাইমারি স্কুলের পাশে জাহিদুল ইসলামকে গলাকেটে হত্যা করে তার অটোভ্যান ছিনতাইয়ের পর পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে তার চাচা শামছুল ইসলাম বাদী হয়ে ঘাটাইল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. মে ২০২৩ ০৩:৩৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৬ জুয়ারি কারাগারে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৬ জুয়ারি কারাগারে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ছয় জুয়ারিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে গোপালপুর থানা পুলিশ।

বুধবার (১০ মে) দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

কারাগারে যাওয়া ব্যক্তিরা হচ্ছেন, ঘাটাইল উপজেলার পাঞ্জনা গ্রামের মো. শাহাদৎ খানের ছেলে মো. সিয়াম খান (২৭), গোপালপুর উপজেলার সুন্দর গ্রামের মো. মজিবর রহমানের ছেলে মো. আব্দুল মোমিন (২৮), নন্দনপুর ফকিরবাড়ী গ্রামের মৃত আব্দুল সামাদের ছেলে খন্দকার আব্দুল জলিল (৫০), ঝাওয়াইল গ্রামের মো. রফিকুল ইসলামের ছেলে মো. জহির মিয়া (৩০), ডুবাইল আটাপাড়া গ্রামের মো. আব্দুল কাশেমের ছেলে মো. মেহেদী হাসান (২৪) ও মৃত আব্দুস সালামের ছেলে মোহাম্মদ আলী আহমেদ সোহাগ (২৮)।

গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন জানান, মঙ্গলবার (৯ মে) মধ্য রাতে থানার এসআই মো. শফিকুল ইসলাম ওয়ারেন্ট তামিল ও মাদক উদ্ধার ডিউটি করার সময় খবর পান নন্দনপুর গ্রামের রঞ্জু মিয়ার পতিত জমিতে তাস দিয়ে টাকার বিনিময়ে জুয়া খেলা চলছে।

তিনি আরোও জানান, পরে তাৎক্ষনিক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে ১৮৬৭ সালের প্রকাশ্য জুয়া আইনের চার ধারায় মামলা করা হয়। বুধবার দুপুরে তাদের আদালতে প্রেরণ করা হলে বিচারক তাদের টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. মে ২০২৩ ০২:৩১:এএম ৩ বছর আগে
৫ বছরেও নির্মিত হয়নি বাসাইলের সেই হেলে পড়া সেতু - Ekotar Kantho

৫ বছরেও নির্মিত হয়নি বাসাইলের সেই হেলে পড়া সেতু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে উদ্বোধনের আগেই হেলে পড়া সেতুটি ৫ বছর পরেও নির্মিত হয়নি। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সেতুটি না থাকায় পার্শ্ববর্তী ১০ গ্রামের ভোগান্তি বেড়েছে কয়েকগুন। উদ্বোধনের পূর্বেই হেলে পড়া সেতুটি উপজেলার ফুলকি ইউনিয়নের নিরাইল এলাকায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে নিজ খরচে পুনরায় নির্মাণ করে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেয় প্রকল্প পরিচালক। কিন্তু তা আর আলোর মুখ দেখেনি। অভিযোগ রয়েছে বাসাইল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) যোগসাজসে পার পেয়ে গেছেন ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

সরেজমিনে দেখা যায়, টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার ফুলকি-ফুলবাড়ি সড়কের নিরাইল এলাকায় অযত্নে অবহেলায় পড়ে রয়েছে উদ্বোধনের আগে হেলে পড়া সেই সেতুটি। দেখে মনে হয় এক অভিসপ্ত নগরির ধ্বংসাবশেষ।এলাকাবাসীর অভিযোগ বার বার জনপ্রতিনিধিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও সেতুটির বিষয়ে কোন প্রকার সুরাহ হয়নি।

সূত্রমতে, গ্রামীণ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে গত ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলায় মোট ১২৮টি সেতু নির্মাণ করে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়। বাসাইল উপজেলার ফুলকি ইউনিয়নের ফুলকি-ফুলবাড়ি সড়কের নিরাইল এলাকায় ৬০ ফুট দীর্ঘ সেতু নির্মানের কাজ পায় মেসার্স আব্দুল্লাহ এন্টারপাইজ নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ৫৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ওই সেতু নির্মাণ কাজ শেষ করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। নিন্মমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে কাজ করায় উদ্বোধনের পূর্বেই সেতুটি হেলে পড়ে। এ সময় বিভিন্ন গনমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে তদন্ত শেষে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নিজ খরচে সেতুটি পুনরায় নির্মাণ করে দেওয়ার নিদের্শ দেয়।

এরপর পরই ঠিকারদারি প্রতিষ্ঠান সেতুটি পুনরায় নির্মাণের লক্ষে সেতুটির বিভিন্ন অংশ ভাঙ্গা শুরু করে। এর অংশ হিসাবে সেতুটির উপরের অংশ ভেঙ্গে রড বের করে নিয়ে যায়। কিন্তু এরপর ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সেতুটি পুনরায় নির্মাণ না করে দিয়ে কাজ শেষে করে বিল তুলে নেয়। ঐ সময় অভিযোগ ওঠে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. সাখাওয়াত হোসেন সাত লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়ে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে প্রতিবেদন দেন। এতে করে ওই প্রতিষ্ঠান পুনরায় কাজ শেষ না করেই সেতুটি ভেঙ্গে ব্যবহৃত রড ও কংক্রিট নিয়ে যায়। এতে করে সড়ক ব্যবহারকারীদের দূর্ভোগ চরম আকার ধারন করে।

এদিকে দীর্ঘ দিনেও ফুলকি-ফুলবাড়ি সড়কের নিরাইল এলাকায় সেতু নির্মাণ না হওয়ায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে পার্শ্ববর্তী বালিয়া, ফুলকি, ফুলবাড়ি, বাঘিল, নিরাইলসহ অন্তত ১০ গ্রামের মানুষের। একজন মুমূর্ষ রোগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যেতে ১০ কিমি রাস্তা ঘুরে যেতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে নিরাইল এলাকার রবি মিয়া বলেন, হেলে পড়া সেতু দিয়ে বড় গাড়ি চলাচল না করতে পারলেও সাধারন মানুষ পাড় হতে পারতো। কিন্তু সেতুটি ভেঙ্গে ফেলায় এখন আমাদের দূর্ভোগ আরোও বেরে গেছে। আমাদের এলাকা কৃষি প্রধান এলাকা। সেতুটি না থাকায় আমরা কৃষি পন্যেরও ন্যায্য মূল্য পাই না।

স্কুলছাত্র মো. রামিম বলে, বর্ষা মৌসুমে আমার দূর্ভোগের কোন সীমা থাকে না। বিদ্যালয়ে যাওয়ার সময় অনেক সময় আমাদের বই খাতা ভিজে যায়।

এ বিষয়ে ফুলকি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. সামছুল আলম (বিজু) বলেন, যখন ওই সেতুটি নির্মাণ হয়, তখন আমি চেয়ারম্যান ছিলাম না। তবে আমি চাই আমার এলাকার জনগণের সুবিধার জন্য ওই স্থানে একটি সেতু পুনরায় নির্মাণ হোক। এ জন্য আমি খুব শীঘ্রই জেলা প্রাশাসক বরাবর একটি আবেদন করবো।

এ ব্যাপারে জানতে বাসাইল উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা (পিআইও) মো. সাখাওয়াত হোসেন ঘুষ গ্রহনের বিষয়টি অস্বীকার করেন বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তাদের ক্ষতি হবে জেনে সেতুটি পুনরায় নির্মাণ করে দেয়নি। এ ছাড়া ওই স্থানে প্রতিষ্ঠানই সেতু নির্মানের কোন প্রকার প্রকল্প পুনরায় হাতে নেয়নি বলেও তিনি জানান।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দিন হায়দার জানান, দুর্নীতির বিষয়ে যাচাই বাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। জনগনের সুবিধার জন্য সেতুটি পুনরায় নির্মাণ করার জন্য খুব শীঘ্রই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. মে ২০২৩ ০২:২০:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবক নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবক নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে মোটরসাইকেল ও পিকআপভ‍্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে স্বপন মিয়া (২৪) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী যুবক নিহত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ মে) দুপুরে উপজেলার আউশনারা ইউনিয়নের কাকরাইদ-গারোবাজার আঞ্চলিক সড়কের ইদিলপুর গোরস্থান ঈদগাহ সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনায় অপর দুই মোটরসাইকেল আরোহী অপু কুমার দাস (২৫) ও মনির হোসেন (১৭) আহত হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য শহীদুল ইসলাম।

নিহত স্বপন মিয়া উপজেলার অরণখোলা ইউনিয়নের রামকৃষ্ণবাড়ি গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে। সে কাকরাইদ বাজারে তার মামা মফিজের হার্ডওয়ারের দোকানে কাজ করতেন।

ইউপি সদস্য শহীদুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার দুপুরে স্বপন ব‍্যবসায়ীক কাজ শেষে গারোবাজার থেকে মোটরসাইকেল যোগে তার কর্মস্থলে ফিরছিলেন । অপর দিকে একটি পিকআপভ্যান প্রচণ্ড গতিতে গারোবাজারের দিকে যাচ্ছিল। কাকরাইদ-গারোবাজার আঞ্চলিক সড়কের ইদিলপুর গোরস্থান ঈদগাহ সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে পিকআপভ্যান ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই স্বপন মিয়া নিহত হয়। দুর্ঘটনায় আহত হয় অপর দুই মোটরসাইকেল আরোহী। তারা বর্তমানে মধুপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাজহারুল আমিন জানান, দূর্ঘটনার কথা জেনেছি। তবে এই ব্যাপারে কোন অভিযোগ পাইনি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের জিম্মায় মরদেহটি দাফনের জন‍্য হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. মে ২০২৩ ০৩:২৯:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আ’লীগ নেতার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন এক ব্যবসায়ী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আ’লীগ নেতার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন এক ব্যবসায়ী

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন খান তোফার বিরুদ্ধে স্থানীয় এক ব্যবসায়ীকে হত্যাসহ বিভিন্ন হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ আতঙ্কে ব্যবসায়ী ও তার পরিবার গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

মঙ্গলবার (৯ মে) দুপুরে সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের মৈশা গ্রামে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আর এস এস প্লাস্টিক ডোর ফ্যাক্টরি প্রাঙ্গণে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ওই ব্যবসায়ী মো.শাহীন আলম এ অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ব্যবসায়ী মো. শাহীন আলম বলেন, ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসের ৯ তারিখে সাবেক চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন তোফা তার পৈত্রিক সুত্রে প্রাপ্ত মৈশা মৌজার সাড়ে ৪৬ শতাংশ চাষের জমি আমার নিকট বিক্রির প্রস্তাব করে। যাহার বিক্রি মুল্যে নির্ধারিত হয় ৫ লাখ ৭৭ হাজার সাত শত টাকা। ওই দিনই ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা নগদ পরিশোধ করিয়া ও ৫২ হাজার ৭’শ টাকা বাকি রাখিয়া স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মজনু সরকার ও সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার পঞ্চতারা বেগমের স্বাক্ষীতে উক্ত জমির বায়না পত্র সম্পন্ন করি। উক্ত জমির বায়না সম্পন্ন হওয়ায় ওই জমির উপর আর এস এস প্লাস্টিক ডোর ফ্যাক্টরি স্থাপন করি। বর্তমানে এই ফ্যাক্টরিতে ৩০ জন শ্রমিকের কর্মরত আছে।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, দীর্ঘ ৭ বছরেও তোফাজ্জল হোসেন তোফা তার বায়নাকৃত সম্পত্তি আমাকে রেজিস্ট্রি দলিল না করিয়া দিয়া, নানান তালবাহানা করে আসছে। উপরন্ত জমি রেজিস্ট্রির জন্য চাপ দিলে গত ২৫ শে ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় তোফাজ্জল হোসেন তোফা তার ক্যাডার বাহিনীর প্রধান ফরিদসহ বেশকিছু সন্ত্রাসী আমার প্রতিষ্ঠানে আসিয়া প্রাণনাশ ও গুম করিয়া ফেলার হুমকি দেয়। এক পর্যায়ে বাঁশের খাম দিয়া সন্ত্রাসী ফরিদ আমাকে মারতে উদ্যত হয়। আমার ডাক চিৎকারে লোকজন এগিয়ে আসলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে তারা চলে যায়। পরে উক্ত জমি রক্ষায় গত ৫ মার্চ টাঙ্গাইল চীফ জুডিশিয়ায়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করি। এছাড়া টাঙ্গাইল সদর থানায় জীবন রক্ষার্থে একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি)করতে গেলে আওয়ামী লীগ নেতার প্রভাবে উক্ত জিডিটি গ্রহন করেননি।

তিনি বলেন, আমার ওই ফ্যাক্টরিটি ব্যাংক ও ব্যাক্তিগত পর্যায়ে ৫০ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে স্থাপন করেছি।বর্তমানে ওই আ’লীগ নেতার ভয়ে আমি ও আমার পরিবার এলাকা ছাড়া হওয়ার ফ্যাক্টরিটি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এছাড়া জীবনের নিরাপত্তাহীনতার কারণে পরিবার পরিজন নিয়ে পালিয়ে থাকায় ঋণগ্রস্থ হয়ে পড়েছি। সংবাদ সম্মেলনে তার প্রতিষ্ঠান ও পরিবারের জীবন রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে ইউপি সদস্য মো. শওকত আলী, স্থানীয় মাতাব্বর আজিবর দেওয়ান, তায়েজ উদ্দিন, সামাদ মিঞা, আবু হানিফ ,আব্দুল মান্নানসহ শতাধিক গ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. মে ২০২৩ ০২:২৯:এএম ৩ বছর আগে
বাচ্চাটা আপনারা কেউ দাফন করুন, কিছু টাকা রেখে গেলাম - Ekotar Kantho

বাচ্চাটা আপনারা কেউ দাফন করুন, কিছু টাকা রেখে গেলাম

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে রাইসকুকার কার্টুনের ভেতর থেকে এক নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেছে ঘাটাইল থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার (৯ মে) সকালে এলেঙ্গা-ভূঞাপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের উপজেলার সিংগুরিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকার পশ্চিম পাড়া কবরস্থান জামে মসজিদের পাশ থেকে অজ্ঞাত নবজাতকের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

এছাড়া নবজাতকের সাথে কার্টুনে লেখাযুক্ত একটি কাগজের টুকরো পাওয়া যায়। এতে লেখা ছিল- ‘দয়া করে আপনারা কেউ দাফন করুন, কিছু টাকা রেখে গেলাম। বাচ্চাটা ১২ ঘণ্টা বেঁচে ছিল।’ নবজাতকের সাথে কার্টুনে এক হাজার টাকাও ছিল।

এই নবজাতকটি দেখতে স্থানীয় ও আশ-পাশের এলাকার বিভিন্ন লোকজন ভিড় করে।

এ ঘটনায় মসজিদের ইমাম গোলাম মোস্তফা জানান, ফজরের নামাজ ও সকালে মক্তব শেষে বাড়িতে ধানের কাজ করছিলাম। সে সময় খবর আসে মসজিদের দরজার পাশে একটি রাইসকুকার রাখা। রাইসকুকারের কার্টুনটি দেখে কেউ কেউ ধারণা করছিল অন্যকিছু থাকতে পারে। তাই ভয়ে কেউ কার্টুনটি খুলতে সাহস পাচ্ছিল না।

তিনি আরো জানান, এরপর ঘটনাস্থল মসজিদে এসে দেখি সামনের দরজার পাশে কার্টুন। পরে মসজিদ কমিটির লোকজনদের সাথে নিয়ে কার্টুনটি খুলে দেখি ফুটফুটে এক মৃত নবজতাক ও সাথে লেখা যুক্ত এক টুকরো কাগজ রয়েছে। এ বিষয়টি জানাজানি হলে নবজাতকটি দেখতে ভিড় করে উচ্ছুক জনতা। তারপর পুলিশকে খবর দিলে নবজাতকটি উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ব্যাপারে ঘাটাইল থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে কার্টুনসহ নবজাতকটির মরদেহ উদ্ধার ও সুরতাহাল শেষে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে নবজাতকটির লাশ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. মে ২০২৩ ০২:২১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দিনের বেলায় কেটে নিয়ে গেলো গজারী বাগানের সব গাছ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দিনের বেলায় কেটে নিয়ে গেলো গজারী বাগানের সব গাছ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইাল উপজেলার সংগ্রামপুর ইউনিয়নের ভেলুয়াটিকি বাইকার চালা এলাকায় দিনের বেলায় সংঘবদ্ধ চিহ্নিত গাছ চোরের দল কেটে নিয়ে গেছে মুল্যবান গজারীর গাছ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সংগ্রামপুর ইউনিয়নের ধলাপাড়া রেঞ্জের আওতাধীন বটতলী বীটের অন্তর্ভুক্ত বাইকার চালা পাহারী অঞ্চলে দুইমাসে প্রায় ১০লক্ষাধিক মুল্যবান গজারী গাছ কেটে নিয়েছে এলাকার চিহ্নিত গাছ চোর চক্র।

গত দুইমাস আগে মুল্যবান গজারী গাছ থাকলেও দুইমাস পরে গিয়ে দেখা যায় বাগান মরুভুমির মতো খালি পড়ে আছে।

এলাকার এক বাসিন্দা জানান, এই বাগানে প্রায় ৫০০ শত মুল্যবান গজারী গাছ ছিলো কিন্তু চোরের দল দিনে দুপুরে কেটে নিয়ে গেছে। যার আনুমানিক মুল্য ১০লাখ টাকা হতে পারে ।এভাবে দিনের বেলায় গাছ চুরি যাওয়াতে প্রকৃতির বিরুপ প্রভাব পরছে পরিবেশের উপর।

এ বিষয়ে ধলাপাড়া রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মুঞ্জরুল ইসলাম জানান, আমরা কিছু গাছ উদ্ধার করেছি বাকিটা উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. মে ২০২৩ ০৩:০৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়িতে জামাল হোসেন হত্যা মামলার প্রধান আসামি মাহফুজ মন্ডলকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

সোমবার (৮ মে) দুপুরে টাঙ্গাইল র‌্যাব-১২ সিপিসি ৩ এর কোম্পানী অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান।

গ্রেপ্তারকৃত মাহফুজ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার মুমিনপুর গ্রামের ছোবহান মন্ডলের ছেলে।

কোম্পানী অধিনায়ক জানান, রোববার (৭ মে) বিকেলে নড়াইল জেলার নড়াগাতী থানার নলমারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি জানান, জমি জমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে পূর্ব শক্রতার জের ধরে গত ২২ এপ্রিল ঈদের নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে হামলার শিকার হন জামাল। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে পরদিন ঢাকা মহানগরের সুপার স্পেসালাইজড হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন জামাল।

তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় নিহত জামাল হোসেনের স্ত্রী মোছাঃ মাসুদা বেগম ৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে ধনবাড়ি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে ধনবাড়ি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. মে ২০২৩ ০২:২৮:এএম ৩ বছর আগে
কৃষকের ধান কেটে দিলেন টাঙ্গাইল যুবলীগের সম্পাদক প্রার্থী রাজিব - Ekotar Kantho

কৃষকের ধান কেটে দিলেন টাঙ্গাইল যুবলীগের সম্পাদক প্রার্থী রাজিব

একতার কণ্ঠঃ দেশব্যাপী অসহায় কৃষকের সহায়তায় ধানকাটা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ। এরই ধারাবাহিকতায় টাঙ্গাইলে অসহায় এক কৃষকের ধান কেটে দিলেন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ইসতিয়াক আহমেদ রাজিব।

সোমবার (৮ মে) দুপুরে সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের বাসা-খানপুরের কৃষক মো.মহর উদ্দিনের দুই বিঘা জমির ধান কেটে ঘড়ে তুলে দেন তিনি।

কৃষক মো.মহর উদ্দিন বলেন,ধান কাটার কামলার যে দাম। এ কারণে কামলা নিয়ে ধান কেটে ঘড়ে নেয়া আমার জন্য অসম্ভব হয়ে উঠেছিল। ফেসবুকে আমার ছেলের সাথে রাজিব ভাইয়ের কথা হয়। পরে আমার ছেলে বলে বাবা চিন্তা করো না। ব্যবস্থা একটা হবে। সোমবার রাজিব ভাই তার নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে আমার দুই বিঘা জমির ধান কেটে ঘড়ে তুলে দিয়েছেন। আল্লাহ্তালা যেন তার ভালো করেন।

এ বিষয়ে ইসতিয়াক আহমেদ রাজিব বলেন, ধানের বাম্পার ফলন হলেও তীব্র গরম, শ্রমিক ও আর্থিক সংকট,অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের শঙ্কায় ধান কাটা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন অনেক কৃষক।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। কৃষিই বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকা শক্তি। অসহায় কৃষকের পাশে দাঁড়াতে বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নির্দেশে অসহায় কৃষকের ধান কেটে মাড়াই করে ঘরে তুলে দেওয়ার জন্য দেশব্যাপী যুবলীগের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামছ পরশ ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো.মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন সৈনিক হয়ে অসহায় কৃষকের ধান কেটে ঘরে তুলে দিতে পেরে আমি আনন্দিত।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. মে ২০২৩ ০২:০৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গাছ চাপায় বৃদ্ধের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গাছ চাপায় বৃদ্ধের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ভেকু মেশিন দিয়ে জমির মাটি কাটার সময় গাছের নিচে চাপা পড়ে মোজ্জাম্মেল হক (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।

রবিবার (৭ মে) সকালে উপজেলার লতিফপুর গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে। লতিফপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী হোসেন রনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

মোজ্জামেল হক ওই গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মোজ্জামেল হক তার বাড়ির পাশের জমি থেকে ভেকু মেশিন দিয়ে লাল মাটি কাটছিলেন। এসময় ওই জমিতে থাকা একটি খেজুর গাছের গোঁড়ার মাটি কাটা পড়লে গাছটি মোজ্জামেল হকের উপরে পড়লে তিনি আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তার মৃত্যু হয়।

মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম জানান, বিষয়টি তিনি জানতে পেরেছেন। খোঁজ নিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. মে ২০২৩ ০১:৪৫:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।