/ হোম / টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে বন থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বন থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বনের ভেতর থেকে সাকেদ আলী (৮০) নামে এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করেছে ঘাটাইল থানা পুলিশ।

সোমবার (১ মে) বিকেলে উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের কোঁচপাড়া জাঙ্গাইলাচালা এলাকা থেকে তার লাশটি উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার।

পুলিশ, নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের সাকেদ আলীর বাড়ি উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের হরিনাচালা গ্রামে। তার বাবার নাম মৃত মফিজ উদ্দিন।

রবিবার (৩০ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকে নিখোঁজ ছিলেন সাকেদ আলী। সোমবার সকালে পায়ে হাঁটা পথ ধরে যাতায়াত করার সময় এলাকাবাসী উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নে বনের ভেতরে কোঁচপাড়া জাঙ্গাইলাচালা নামক স্থানে ওই বৃদ্ধকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পায়। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে বিকাল তিনটার দিকে তার লাশ উদ্ধার করে।

ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার জানান, লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে স্বাভাবিক মৃত্যু মনে হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. মে ২০২৩ ০২:১৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মাটি ভর্তি ট্রাক চাপায় গৃহবধূ নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাটি ভর্তি ট্রাক চাপায় গৃহবধূ নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে অবৈধ মাটি ভর্তি ট্রাফি ট্রাক্টরের চাপায় নাসরিন আক্তার (৪০) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছে।

সোমবার (১ মে) সকালে উপজেলার কাকাড়াজান ইউনিয়নের জিতাশ্বরী দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মোজাম্মেল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত গৃহবধূ নাসরিন ওই গ্রামের জামাল বাদশার স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মহানন্দপুর গ্রামের মনির হোসেন এবং জিতাশ্বরী গ্রামের ফারুক নিষিদ্ধ ট্রাফি ট্রাক্টর দিয়ে মাটির ব্যবসা করে আসছিলেন। সোমবার সকালে ওই গ্রামের জামাল বাদশার বাড়িতে অবৈধ ট্রাফি ট্রাক্টর দিয়ে মাটি ফেলে। এক পর্যায়ে মাটি বোঝাই ট্রাক্টরটি গৃহবধূ নাসরিন আক্তারকে চাপা দেয়। এ সময় তাঁর মাথা পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ব্যাপারে নিহত গৃহবধূর ছেলে হৃদয় মিয়া জানান, মা আমাদের তিন ভাই বোনকে এতিম করে চলে গেলেন। ঘাতক চালক একটু সচেতন থাকলে এমন হতো না।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে কোন অভিযোগ না পাওয়ায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. মে ২০২৩ ০২:৩২:এএম ৩ বছর আগে
মে দিবসে টাঙ্গাইলে আ’লীগের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি - Ekotar Kantho

মে দিবসে টাঙ্গাইলে আ’লীগের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি

একতার কণ্ঠঃ ‘দুনিয়ার মজদুর “এক হও, এক হও” এই স্লোগানকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলে মহান মে দিবস পালিত হয়েছে।

সোমবার (১ মে) সকালে টাঙ্গাইল জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের উদ্যোগে শহরের পৌর উদ্যানে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক।

জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বালা মিয়ার সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভুঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান ছোট মনির, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট মামুনুর রশিদ।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক থানা আ’লীগ সভাপতি ও সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ওলিউজ্জামান, সাবেক পৌর মেয়র জামিলুর রহমান মিরন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমুখ।

এসময় বিভিন্ন স্তরের শ্রমিক নেতৃবৃন্দ ও তাদের কর্মী সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।

অপরদিকে, স্থানীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ‘পৌর এলাকার সর্বস্তরের শ্রমিকবৃন্দ’ ব্যানারে আয়োজিত সমাবেশে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন, পৌরসভার মেয়র ও শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম সিরাজুল হক বক্তব্য দেন। সমাবেশে জেলা আওয়ামী লীগের বিগত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুজ্জামান সোহেল, দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খান, ক্রীড়া সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেনসহ পদবঞ্চিত অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া টাঙ্গাইলের বহুল আলোচিত খান পরিবারের অনুসারী হিসেবে পরিচিত শ্রমিক লীগের সহসভাপতি আব্বাস আলী, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইসতিয়াক আহমেদের নেতৃত্বে তাঁদের অনুসারীরা অংশ নেন। মেয়রের সঙ্গে কয়েকজন পৌর কাউন্সিলরও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি পালন নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক জানান, টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে অনুষ্ঠিত সমাবেশটিই গ্রহণযোগ্য। এখানে সরকারি কর্মকর্তাসহ সকল শ্রমিক নেতাই অনুষ্ঠানে যোগদান করেছেন। এ সময় বিক্ষিপ্তভাবে শহরের প্রাণকেন্দ্রে আরেকটি র‍্যালি বা সমাবেশ কোনভাবেই কাম্য নয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. মে ২০২৩ ০২:২১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শহীদ মিনারে বাঁশ রাখার অভিযোগে আ.লীগ নেত্রীকে জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শহীদ মিনারে বাঁশ রাখার অভিযোগে আ.লীগ নেত্রীকে জরিমানা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বাঁশ রাখার অভিযোগে বৈশাখ মেলা উদযাপন কমিটির পরিচালক ও ডেকোরেটরের মালিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত।

সোমবার (১ মে) সকালে উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বৈশাখ মেলা উদযাপন কমিটির পরিচালক রওশন আরা রিতা ও ডেকোরেটরের মালিক ফেরদৌসকে ভ্রাম্যমান আদালতে এ জরিমানা করা হয়।

জানা যায়, উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা মাঠে ঈদুল ফিতরের দিন থেকেই বৈশাখী মেলা চলছিলো। এসএসসি পরীক্ষার কারণে মেলাটি বন্ধ করে দেন উপজেলা প্রশাসন। মেলা বন্ধ হওয়ায় স্টলের ব‍্যবহৃত বাঁশ শহীদ বেদিতে রাখা হয়।

সোমবার মহান মে দিবস উপলক্ষে উপজেলা শ্রমিক নেতৃবৃন্দ শহীদ মিনারে ফুল দিতে গেলে বিষয়টি সবার নজরে আসে। পরে সামাজিক যোগাযোগ ম‍াধ‍্যম ফেসবুকে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে বৈশাখী মেলা উদযাপন কমিটির পরিচালক উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রওশন আরা রিতা ও ডেকোরেটরের মালিক ফেরদৌসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রকৌশলী ফারজানা আলম জানান, শহীদ মিনারে মেলায় ব‍্যবহৃত বাঁশ রাখার অভিযোগে মেলা উদযাপন কমিটির পরিচালক রওশন আরা রিতা ও ডেকোরেটরের মালিক ফেরদৌসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রকৌশলী ফারজানা আলম জানান, শহীদ মিনারে মেলায় ব‍্যবহৃত বাঁশ রাখার অভিযোগে মেলা উদযাপন কমিটির পরিচালক রওশন আরা রিতা ও ডেকোরেটরের মালিক ফেরদৌসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. মে ২০২৩ ০১:৪৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মতের বিরুদ্ধে বিয়ে ঠিক করায় কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মতের বিরুদ্ধে বিয়ে ঠিক করায় কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে পছন্দের ছেলের সাথে বিয়ে না দিয়ে পরিবার অন্যত্র বিয়ে ঠিক করায় বিষপানে আয়েশা আক্তার আশা (১৮) নামের এক কলেজছাত্রী আত্মহত্যা করেছে।

গত মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) ওই ছাত্রীর পরিবার তার মতের বিরুদ্ধে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে সে অভিমানে বিষ পান করে।সোমবার (১মে) ভোর রাতে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত আয়েশা আক্তার উপজেলার কচুয়া গ্রামের আজহার আলীর মেয়ে।সে স্থানীয় সরকারি মুজিব কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সখীপুর সরকারি মুজিব কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী আয়শা আক্তার আশার সঙ্গে এক প্রতিবেশী সহপাঠীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) তাকে পারিবারিক ভাবে তার মতের বিরুদ্ধে বিয়ে দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেয় তার পরিবার। তার মতের বিরুদ্ধে অন্যত্র বিয়ে দেওয়ার কথা শুনেই সে বিষপান করে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় প্রথমে তাকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়। পরে সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার(১ মে) ভোররাতে তার মৃত্যু হয়।

এ ব্যাপারে সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল করিম জানান, বিষপানে আত্মহত্যা করা মেয়েটির লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. মে ২০২৩ ০৯:৫১:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে একসঙ্গে তিন বোন বসেছে এসএসসি পরীক্ষায়! - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে একসঙ্গে তিন বোন বসেছে এসএসসি পরীক্ষায়!

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে একসঙ্গে চলতি এসএসসি পরীক্ষায় বসেছে তিন সহোদর বোন। একসঙ্গে তিন বোনের পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের বিষয়টি সবার নজর কেড়েছে। তারা হলো সখীপুর পৌর শহরের ৫ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা শফিকুল ইসলামের তিন কন্যা সুমাইয়া ইসলাম, সাদিয়া ইসলাম ও রাবিয়া ইসলাম।

রবিবার (৩০ এপ্রিল) থেকে শুরু হওয়া পরীক্ষায় তারা উপজেলার সখীপুর পিএম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মানবিক বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। তারা উপজেলার সখীপুর পিএম পাইলট মডেল সরকারি স্কুল এন্ড কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছে।

সখীপুর পিএম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাইয়ুম হোসাইন বলেন, ওই তিন বোন মেধাবী শিক্ষার্থী। এর আগে তারা প্রাথমিক সমাপনী ও জেএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করেছে। এবারের পরীক্ষায়ও তারা কৃতিত্বের ধারাবাহিকতার স্বাক্ষর রাখবে বলে আশাবাদব্যক্ত করেন তিনি।

তিন বোনের বাবা শফিকুল ইসলাম বলেন, মেয়েদের সন্তোষজনক ফলাফল এবং একই সঙ্গে আমার তিন কন্যার পরীক্ষা দেওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত আনন্দের। মেয়েদের তিনি উচ্চ শিক্ষা লাভে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা শেষে সাদিয়া ইসলাম বলেন, তিন বোন একসঙ্গে পরীক্ষা দেওয়ার মজাই আলাদা। আমাদের তিনজনের পরীক্ষা ভালো হয়েছে। ভালো ফলাফলের জন্য সবার দোয়া চেয়েছেন সাদিয়া ইসলাম।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. মে ২০২৩ ০২:০০:এএম ৩ বছর আগে
ধর্ষণ মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা বড় মনির ও তার স্ত্রীর জামিন স্থগিত - Ekotar Kantho

ধর্ষণ মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা বড় মনির ও তার স্ত্রীর জামিন স্থগিত

একতার কণ্ঠঃ ধর্ষণ মামলায় টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনির ও তার স্ত্রী নিগার আফতাবকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত। একইসঙ্গে তাদের আগামী ‍দুই সপ্তাহের মধ্যে টাঙ্গাইলের আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে।

তাদের জামিন স্থগিতে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি নিয়ে রোববার (৩০ এপ্রিল) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পী। আসামিদের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন।

এর আগে গত ১৭ এপ্রিল ধর্ষণ মামলায় টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনির ও তার স্ত্রী নিগার আফতাবকে হাইকোর্টের চার সপ্তাহের জামিন দেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি ইকবাল কবির ও বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

পরে এই জামিন আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

উল্লেখ্য, গত ৫ এপ্রিল রাতে টাঙ্গাইল সদর থানায় শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বড় মনিরের বিরুদ্ধে এক কিশোরীকে (১৭) ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করা হয়। মামলায় ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় গোলাম কিবরিয়ার স্ত্রী নিগার আফতাবকেও আসামি করা হয়েছে। মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা বলে প্রমাণ পেয়েছে মেডিকেল বোর্ড। মামলা হওয়ার পরদিন ওই কিশোরী আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. এপ্রিল ২০২৩ ১০:৩৬:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ শিক্ষার্থীসহ নিহত ৪ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ শিক্ষার্থীসহ নিহত ৪

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে যাত্রীবাহী বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষে সপ্তম শ্রেণির দুই শিক্ষার্থীসহ চার জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও দুই শিক্ষার্থী।

টাঙ্গাইল-জামালপুর মহসড়কের ধনবাড়ী উপজেলার ধোপাখালি ইউনিয়নের বাঘীল বাজার এলাকায় রবিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- ধনবাড়ী উপজেলার ভাইঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ও বাঘিল গ্রামের আবুল কালামের মেয়ে রুশনী আক্তার (১৩), রুশনীর সহপাঠী একই গ্রামের হাসেন আলীর মেয়ে সাদিয়া আক্তার (১৩), একই উপজেলার নরিল্যা গ্রামের মৃত নিয়ত আলীর ছেলে ভ্যান চালক আব্দুল হাকিম (৬৪) এবং গোপালপুর উপজেলার হাদিরা গ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে অটোরিকশা চালক গোলাম মোস্তফা (৫২)।

এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় ধনবাড়ী উপজেলার বাঘীল গ্রামের জয়নালের মেয়ে যুথি আক্তার (১৩) ও আসর আলীর মেয়ে আফসানা আক্তার (১৩) কে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ধনবাড়ী থেকে টিএস পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে বাসটি টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়কের ধনবাড়ী উপজেলার বাঘীল বাজার এলাকায় পৌছালে নিয়ন্ত্রন হারায়। এ সময় বাসটি দুধবাহী একটি ভ্যানকে চাপা দিয়ে বিপরীতমুখী অটোরিকশার সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ভ্যান চালক আব্দুল হাকিম, অটোচালক গোলাম মোস্তফা ও রুশনী আক্তার নিহত হয়। এ ঘটনায় আহত ৩ শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদেরকে ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এ সময় চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাদিয়া আক্তার মারা যায়।

এ বিষয়ে নিহত সাদিয়ার মামা আয়নাল হক বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ জন ঘটনাস্থলেই মারা গেছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাদিয়া আক্তার ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যায়। আহত অপর দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে যুথির অবস্থা আশংকাজনক।

ভাইঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোজাম্মেল হোসেন জানান, এসএসসি পরীক্ষা থাকায় বেলা দুইটা থেকে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ক্লাস দেওয়া হয়েছে। বাঘীল থেকে অটোরিকশায় ওই নিহত ছাত্রীরা ভাইঘাটের দিকে যাচ্ছিল। দুর্ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা একঘণ্টা টাঙ্গাইল-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। পরে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

ধনবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তদন্ত ইদ্রিস আলী জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ঘাতক বাসটি আটক করেছে কিন্তু চালক ও সহকারী পলাতক রয়েছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের লাশ স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

ধনবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসলাম হোসাইন জানান, দুর্ঘটনা রোধে ধনবাড়ী বাস মালিক সমিতির সাথে সভা সেমিনারের মাধ্যমে গাড়ী চালাকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ও লাইন্সেসবিহীন চালক যাতে গাড়ী চালাতে না পারে সে বিষয়ে মালিকদের দায়িত্বশীল হতে পরামর্শ করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. মে ২০২৩ ০২:৪১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিয়ের দাবিতে যুবকের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছে এক নারী  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিয়ের দাবিতে যুবকের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছে এক নারী 

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় করটিয়ার কলেজ পাড়ায় বিয়ের দাবিতে সাইফুল ইসলাম নামে এক যুবকের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছে এক নারী। শুক্রবার(২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে সাইফুলের বাড়িতে অবস্থান করছেন কথিত ওই প্রেমিকা।

যুবক সাইফুল ইসলাম বাবু সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের কলেজপাড়া এলাকার মো. মনোয়ার হোসেনের ছেলে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো.শাহীন মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিয়ের দাবিতে অবস্থান নেওয়া ওই নারী জানায়, সে আর সাইফুল এক সাথে টাঙ্গাইল ‘ল’ কলেজে পড়ালেখা করতো। সেই সুবাদে বিগত ১ বছর ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠেছে।

তিনি আরো জানান, সাইফুল তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে এবং বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার সর্বস্ব লুটে নিয়েছে। এখন বিয়ে করতে অস্বীকার করছে তার প্রেমিক সাইফুল। এমনকি সাইফুলের পরিবারও এই সম্পর্ক মানতে নারাজ। এমন পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েই প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নিয়েছেন তিনি । তাকে বিয়ে না করলে আত্মহত্যা করবেন বলেও জানান ওই নারী।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার সকাল থেকে ওই নারী বিয়ের দাবিতে সাইফুলের বাড়িতে অবস্থান করছেন।

অবশ্য সাইফুল ওই মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক অস্বীকার করছেন।’

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস ছালাম মিয়া জানান, এ নিয়ে ওই নারী এখনো থানায় কোনও অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. এপ্রিল ২০২৩ ০৬:২২:এএম ৩ বছর আগে
সখীপুরে সরকারি পুকুর থেকে মাটি কেটে বিক্রি - Ekotar Kantho

সখীপুরে সরকারি পুকুর থেকে মাটি কেটে বিক্রি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার হতেয়া-রাজাবাড়ি ইউনিয়নের তক্তার চালা মৌজার ঝিনিয়া পুর্বপাড়ায় সরকারি পুকুর (সায়রাত মহল) থেকে মাটি কেটে বিক্রি করছে স্থানীয় যুবলীগ নেতা শামীম সহ তক্তারচালা নতুন বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ফরহাদ সিকদার, মো. শান্ত মিয়া, সোহেল সিকদার ও তুহিন মিয়া।

সরেজমিনে দেখাযায়, উপজেলার তক্তার চালা মৌজার ঝিনিয়া পুর্বপাড়া গ্রামের ৭২ শতাংশ আয়তনের একটি সরকারি পুকুর থেকে ভেকু বসিয়ে ১৫-২০টি ড্রাম ট্রাক দিয়ে মাটি কেটে সততা এন্টার প্রাইজের রশিদের মাধ্যমে বিক্রি করছেন একটি মহল। সরকারি শাল-গজারী বনের মধ্যে অবস্থিত পুকুরটি থেকে মাটি কাটতে গিয়ে অনেক মুল্যবান বনজ গাছ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এছাড়া স্থানীয় এলাকাবাসীর চলাচলের একমাত্র মাটির রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। রাস্তার পাশের বাড়ি গুলোতে লাল মাটির ধুলার আস্তরণ পড়ে গেছে। এই মহলটি এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে তাদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেনা।

এছাড়াও কোটি টাকা ব্যয় করে নতুনভাবে সংস্কার করা তক্তার চালা-বাইটকারচালা সড়কটিতে দিনরাত ড্রাম ট্রাক চলাচলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ওই সড়কটি।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বেশ কয়েকজন জানায়, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন টিলা কেটে মাটি বিক্রি করে আসছে।

তারা আরো জানান, স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই তারা সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ভিতর থেকে বনভুমি বিনষ্ট করে লাল মাটি কাটার সাহস পাচ্ছে। গত একমাস যাবৎ তারা ভুমি অফিসে মাটি ফেলার নাম করে সরকারি ওই পুকুর থেকে মাটি কাটছে। লোক দেখানোর জন্য নাম মাত্র ইউনিয়ন ভুমি অফিসে অল্প কিছু মাটি ফেলছে। পুকুরের নব্বই শতাংশ মাটি তারা রশিদের মাধ্যমে অন্যত্র বিক্রি করছে। কেউ প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে নানাভাবে হেনস্থা করা হয় বলে তারা জানান।

এ প্রসঙ্গে মাটি ব্যবসায়ী যুবলীগ নেতা শামীম মিয়া মুঠোফোনে জানান, সরকারি পুকুর থেকে মাটি কেটে সখিপুর উপজেলা চত্তর ও হাতীহান্ধা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে মাটি ফেলা হচ্ছে। অন্যত্র মাটি বিক্রির কথা জানতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন।

হাতীবান্ধা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অফিস সহকারী হামিদুর রহমানের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি নতুন এসেছি, এ ব্যাপারে কিছু বলতে পারবো না। আপনি ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তার কাছে জানেন।

হাতীবান্ধা ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা সাঈদা নাজনিন জানান, ওই পুকুর থেকে সরকারি ভাবে মাটি কাটা হচ্ছে। কিছু মাটি ভূমি অফিসে ফেলা হচ্ছে। আর অবশিষ্ট মাটি অন্যত্র বিক্রি করে তাদের ভেকু খরচ উঠিয়ে নিচ্ছে।

সখীপুর সহকারী কর্মকর্তা(ভূমি) হা-মীম তাবাসসুম প্রভার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্ঠা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

সখীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আলম জানান, সখিপুরে হাতীবান্ধা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সামনে নিচু জায়গা ভরাট করার জন্য ওই সরকারি পুকুর থেকে মাটি কাটার বিষয়টি আমি জানি। সরকারি বিধি মোতাবেক মাটি ভরাট করতে গেলে সময় ও ব্যায় বেশি হওয়ায় মৌখিকভাবে অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. এপ্রিল ২০২৩ ০৪:৪২:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে যুবলীগের সম্পাদক পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করলেন ইঞ্জি. কামাল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে যুবলীগের সম্পাদক পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করলেন ইঞ্জি. কামাল

একতার কণ্ঠঃ আসন্ন টাঙ্গাইল জেলা যুবলীগের সম্মেলন উপলক্ষে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করলেন ইঞ্জিনিয়ার মো. কামাল আহমেদ। শুক্রবার (২৮ এপ্রিল)বিকেলে শহরের আইনজীবী সহকারি সমিতির কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এ প্রার্থীতা ঘোষণা করেন। কামাল আহমেদ বর্তমানে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

মত বিনিময়কালে কামাল আহমেদ বলেন, আমি আওয়ামী পরিবারের সন্তান। সেই ১৯৯৩ সালে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে লালন করে ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে যোগদান করি। পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালে ঘাটাইল উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়নের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছি। ১৯৯৯ সালে ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্রলীগের সভাপতি ও বাংলাদেশ কারিগরি ছাত্র পরিষদের (বাকাছাপ) সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। ২০০০ সালে সততার সাথে দিঘলকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের আহŸায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। ২০০১ সালে ঘাটাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলাম। ২০০৬ সালে ঘাটাইল উপজেলা যুবলীগের সদস্য ছিলাম। এছাড়া গত জেলা পরিষদ নির্বাচনে কালিহাতী আসনে সাধারণ সদস্য পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করে অল্প কিছু ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হই।

ইঞ্জিনিয়ার কামাল আরও বলেন, ছোট বেলায় ছাত্রলীগ করলেও পরবর্তীতে যুবলীগের দায়িত্ব পালন করেছি। সেই থেকে যুবলীগের সাথে আমার প্রেমের সম্পর্ক হয়। যুবলীগকে ভালবেসে ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম এমপির হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হয়েছি। যুবলীগের শহর থেকে তৃণমুল পর্যালের সকল কাউন্সিলর ও ডেলিগেটেরদের সাথে আমার সুসম্পর্ক রয়েছে। আমি যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হতে পারলে উপজেলা, শহর ও ওয়ার্ড পর্যায়ের যুবলীগের পুর্ণাঙ্গ কমিটি করা হবে। আর এসব কমিটি প্রবীণ ও ত্যাগীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। অপর দিকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিটি আসনে নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করতে দিন-রাত জনগনের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরবো।

তিনি বলেন, যদি আমাকে দায়িত্ব দেয়া হয় তাহলে সকলকে সাথে নিয়ে বর্তমান যে যুবলীগের কমিটি রয়েছে তার চেয়ে গ্রহণযোগ্য গতিশীল কমিটি করে টাঙ্গাইল জেলাবাসীকে উপহার দেবো। সকলের দোয়া ও সহযোগিতা চেয়ে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকায় ভোট চান তিনি।

ইঞ্জিনিয়ার মো. কামাল আহমেদ টাঙ্গাইল শহরের দেওলা এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। তিনি কালিহাতীর পৌরসভা সালেঙ্কা এলাকার মৃত মতিউর রহমানের ছেলে। তিনি ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট থেকে ২০০১ সালে ডিপ্লোমা ইন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন। ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর বাজার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছে। কামাল আহমেদ বর্তমানে ঠিকাদারি ও একাধিক ব্যবসার সাথে জড়িত।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. এপ্রিল ২০২৩ ১১:১৩:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কীটনাশক খাইয়ে ভাইকে হত্যার অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কীটনাশক খাইয়ে ভাইকে হত্যার অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে আপন ভাইয়ের সাথে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আবুল হোসেন ওরফে গাজী (৫৫) নামের এক ব্যাক্তিকে কীটনাশক খাইয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) ভোরে উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের পালিমা সীমাকাছরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আবুল হোসেন ওরফে গাজী পালিমা সীমাকাছরা গ্রামের মৃত রিয়াজ মন্ডলের ছেলে।

নিহত আবুল হোসেনের মেয়ে নার্গিস আক্তার জানান, আমার বাবা আবুল হোসেন ওরফে গাজী সীমাকাছরা এলাকার মৃত ইকবাল হোসেনের ছেলে বেলালের সেচ মেশিন লীজ নিয়ে জমিতে সেচ দিচ্ছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় আমার মা ও বড় ভাই সালমানের মাধ্যমে জানতে পারি বুধবার (২৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে আমার বাবাকে একজন ডেকে নিয়ে যায়। পরে ফজরের আযানের সময় ঘরের বারান্দায় বাবাকে ফেলে রেখে আমার মাকে ডাক দিয়ে চলে যায়। পরে আমার মা বাইরে এসে দেখে বাবার হাত মুখ গামছা দিয়ে বাঁধা এবং মুখ দিয়ে গোলটা বের হচ্ছে।

তিনি জানান, পরে আমার ভাইকে ডেকে এনে দ্রুত টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার বলেন তাকে কীটনাশক খাওয়ানো হয়েছে। ওয়াশ করে সেগুলো বের করে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ডাক্তার আমার বাবাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরো জানান, তার আপন চাচা করিমের সাথে বাড়ির জমি জমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। গত তিনদিন আগেও চাচা করিম, তার ছেলে আশরাফুল ও তার উকিল বিয়াই মকবুল আমার বাবাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় এবং আমার চাচা বলে যে পর্যন্ত আবুল কে না মারমু সে পর্যন্ত ভাত খামুনা।

এসময় তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে অভিযোগ করে বলেন, আমার বাবাকে আমার চাচা করিম ও তার উকিল বিয়াই মকবুলরাই মেরে ফেলেছে।

এবিষয়ে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান,নিহতের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম কালিহাতী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেয়া হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. এপ্রিল ২০২৩ ০৪:৪৭:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।