একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় ইসমাইল হোসেন (৬২) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ধলা মিয়া (৪০) নামের আরো একজন গুরুতর আহত হয়েছে।
রোববার (১৪ মে) সকালে উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়নের কালমেঘা সিন্দুরিয়াপাড়া এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নিহত ইসমাইল হোসেন ওই এলাকার খোরশেদ আলম ওরফে খুরছু মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মামুন মিয়া বাদী হয়ে সখিপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইসমাইল হোসেন ওই এলাকার নছুমুদ্দিনের কাছ থেকে ১ একর জমি ক্রয় করে। এরপর থেকে জমিটি ওই এলাকার নতু মোল্লার ছেলে আজিজ মোল্লা, তোফাজ্জল মোল্লা, নব্বে মোল্লার ছেলে রফিকুল ইসলাম গোনাই এবং আবুল হোসেনের ছেলে কামরুল হাসান ও সাইফুল ইসলাম তাদের বলে দাবি করে কয়েকবার দখলের চেষ্টা করে। এ নিয়ে বিরোধ চলছিল।
রবিবার সকালে আজিজ মোল্লা ও রফিকুল ইসলাম গোনাইয়ের নেতৃত্বে বিরোধপূর্ণ ওই জমিতে ধান কাটতে গেলে ইসমাইল হোসেন বাধা দেয়। একপর্যায়ে তারা ইসমাইল হোসেনের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ছেলে ও মামলার বাদী মামুন মিয়া জানান, টাকা দিয়ে জমি কিনে বিনিময়ে বাবার লাশ পেয়েছি। আমি এর সঠিক বিচার চাই।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সরকার নুরে আলম মুক্তা জানান, তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। এ নিয়ে একাধিকবার সালিশ হয়েছে। সালিশে জমিটি ইসমাইল হোসেনের বলে প্রমাণিত হয়েছে। মূলত জমিটি প্রতিপক্ষ দখলের চেষ্টা করে। এতে বাধা দিতে গেলে ইসমাইল হোসেনের ওপর হামলা চালায়।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। দোষীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
একতার কণ্ঠঃ আরিফ-সুমাইয়া দম্পতির কোল আলোকিত করে জন্ম নিয়েছে ফুটফুটে যমজ পুত্র সন্তান হাসেন-হোসেন। তবে শিশু দুটি স্বাভাবিক নয়, বুকে জোড়া লাগানো।
গত শনিবার (৬ মে) রাত ২:৩০ টার দিকে টাঙ্গাইল শহরের রাজধানী নার্সিং হোম-এ সিজারের মাধ্যমে জোড়া লাগানো যমজ শিশুর জন্ম দেন সুমাইয়া আক্তার।
নবজাতক যমজ শিশুর পিতা টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ভাড়রা ইউনিয়নের আগ দিঘুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
পিতা আরিফ হোসেন বলেন, ৬ তারিখ টাঙ্গাইলের রাজধানী নার্সিং হোম-এ আমার স্ত্রীর যমজ শিশুর জন্ম দেয়। কিন্তু তাদের বুক একে অপরের সাথে জোড়া লাগানো। ক্লিনিকে নিবির পর্যবেক্ষণ না থাকায় টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে ৯ তারিখ বাসায় নিয়ে আসি। বাচ্চা দুটি এখন সুস্থ্য। বিকল্প পদ্ধতিতে তাদের খাওয়ানো হচ্ছে। স্ত্রী সুমাইয়াও সুস্থ্য আছেন।
আরিফ হোসেন আরো বলেন, আমার বাবা ঘোড়ার গাড়ি চালক। আমি পেশায় দিনমুজর। আমাদের আর্থিক অবস্থা স্বচ্ছল না। ক্লিনিক থেকে বলেছে অস্ত্রপাচারের মাধ্যমে শিশু দুটিকে আলাদা করা সম্ভব। কিন্তু এই চিকিৎসার ব্যয় বহন করা আমার পরিবারের পক্ষে সম্ভব নয়। শিশু দুটিকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে বিত্তবানসহ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে অনুরোধ জানান তিনি।
মা সুমাইয়া আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, সন্তান দুজনকে আলাদা শরীরে দেখতে চাই। চিকিৎসা সহায়তার মাধ্যমে তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে চাই। আমার সামর্থ নেই চিকিৎসা করানোর। তাই সরকারের কাছে সকল প্রকার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
এদিকে জোড়া লাগানো যজম শিশু দুটি দেখতে বাড়িতে ভিড় করছে প্রতিবেশিসহ আশপাশের কয়েক গ্রামের মানুষ।
সুবর্ণতলী গ্রামের বৃদ্ধা নুরজাহান বেগম বলেন, আমি জীবনেও জোড়া লাগানো বাচ্চা দেখিনি। তাই দেখতে আসছি।
প্রতিবেশি আরাফাত বলেন, সামনে থেকে প্রথম বার আমি জোড়া লাগানো বাচ্চা দেখলাম। এর আগে ইউটিউবে দেখেছি। এমন ঘটনা আমাদের গ্রামে এই প্রথম। তাই অনেকে উৎসুক হয়ে শিশু দুটিকে দেখার জন্য ভিড় জমাচ্ছে।
আরিফ হোসেনের বোন জামাই মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ডেলিভারির আগেও আল্ট্রাসনোতে বাচ্চা যমজ জানতে পারলেও জোড়া লাগানোর বিষয়টি জানা যায়নি। জন্মের পর দেখা যায় তাদের শরীর জোড়া লাগানো। চিকিৎসকরা জানান ক্লিনিকে জোড়া লাগানো যমজ শিশু দুটিকে আলাদা করা সম্ভব নয়। তারা ঢাকা নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু অর্থ না থাকায় বাধ্য হয়ে শিশুদে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যান। বর্তমানে শিশু দুটি নিয়ে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ভাড়রা ইউনিয়নের দুর্গম চরাঞ্চলে আগ দিঘুলিয়া গ্রামে স্বামীর বাড়িতে অবস্থান করছেন।
তিনি আরো জানান, শরীর জোড়া লাগানো থাকলেও খাবার ও পস্রাব-পায়খানার রাস্তা তাদের আলাদা। যত্নের সাথে তাদের লালন-পালন করছেন মা সুমাইয়াসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। জোড়া লাগানো সন্তান নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাদের। এখন কোন সমস্য না হলেও বড় হওয়ার সাথে সাথে তাদের সমস্যটা বড় হতে থাকবে। এই জটিল চিকিৎসার ব্যয়ভার আর অস্ত্রোপচারের জটিলতা নিয়ে পরিবারে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। দ্রুত সু-চিকিৎসার মাধ্যমে শিশু দুটিকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার দাবি জানান সরকারসহ বিত্তবানদের প্রতি।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের কনসালটেন্ট (গাইনী) ডা. লিংকু রাণী কর জানান, চিকিৎসা শাস্ত্রে এটিকে কনজয়েনড টুইন বেবি বা সংযুক্ত যমজ শিশু বলা হয়। এটি অবশ্যই জটিল একটি চিকিৎসা। অস্ত্রোপচার করা গেলে সফলতা সম্ভব। দেশে জোড়া লাগানো বেশ কয়েকটি শিশুর অস্ত্রোপচার হয়েছে।
নবজাতক শিশু দুটির সু-চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা পাঠানোর ঠিকানা, টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ভাড়রা ইউনিয়নের আগ দিঘুলিয়া গ্রাম।
নবজাতক শিশু দুটির মাতা সুমাইয়া আক্তার। বিকাশ নম্বর: ০১৩১৪-৬৯৮৯০৩
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে শ্যালো মেশিনের বিদ্যুৎ পৃষ্ট হয়ে জাহিদুল ইসলাম (৩৫) নামের এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৩ মে) দুপুরে বাসাইল উপজেলার কাউলজানি ইউনিয়নের সুন্যা বাইশখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জাহিদুল ওই গ্রামের মহেজ উদ্দিনের ছেলে।
জানা যায়, অন্যান্য দিনের মত জাহিদুল স্থানীয় চকে শ্যালো মেশিনের মাধ্যমে ইরি ক্ষেতে পানি দিতে যায়। শ্যালো মেশিনটি চালু করতে গিয়ে হঠাৎ করে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে তিনি মাটিতে লুটে পড়েন। একপর্যায়ে স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে একটি বাড়িতে নেন। পরে তার পরিবারের লোকজন খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বাবা মহেজ উদ্দিন বলেন, জাহিদুল দুপুরে মাটি কেটে বাড়িতে এসে ক্ষেতে পানি দিতে গিয়েছিল। শ্যালো মেশিনটি চালু করতে গিয়ে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে জাহিদুলের মৃত্যু হয়। দিনমজুরি ও শ্যালো মেশিনের মাধ্যমে তার সংসার চালাতো। এখন তার সংসার চালানোর মতো কেউ রইল না।
এ বিষয়ে বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক রমেশ পত্তনদার জানান, হাসপাতালে আনার আগেই ওই শ্রমিকের মৃত্যু হয়। তার পরিবার মরদেহটি নিয়ে গেছেন।
একতার কণ্ঠঃ মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর স্মৃতি বিজরিত সন্তোষের সরকারি জলাশয় ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণ রোধকল্পে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে।
শনিবার (১৩ মে)দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের সন্তোষ বাজারে মাওলানা ভাসানীর প্রতিষ্ঠিত পীর শাহজামান মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতি ও বৃহত্তর সন্তোষের সচেতন নাগরিকবৃন্দের ব্যানারে এ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
পীর শাহজামান মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির আহবায়ক হাসরত খান ভাসানী সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ,টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রৌফ, সমিতির যুগ্ম আহবায়ক মাসুম আহমেদ ও মশিউর রহমান প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর প্রতিষ্ঠিত এই মার্কেট। মাওলানা ভাসানী বলে গেছেন এখানে খেটে খাওয়া মেহনতী মানুষরা দোকান করে খাবে। এই মার্কেট কখনও ভেঙ্গে দেয়া হবে না। কিন্তু ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র তাদের মধ্যে ৩৫% ও ৬৫% অবৈধ চুক্তিপত্র করে জলাশয় ভরাট করে এখানে বহুতল মার্কেট নির্মানের পায়তারা করছেন।
তারা আরো বলেন,এখনও সময় আছে এই অবৈধ কাজ বন্ধ করুন। তা না হলে আমরা এর কঠিন জবাব দিতে প্রস্তুত আছি। মানববন্ধন শেষে যে স্থানে মাটি ভরাট কার্যক্রম চলছিলো সেখানে গাছের চারা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং বেকুর ড্রাইভারকে বেকু সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে সাফা (১৪) নামের সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।শুক্রবার (১২ মে) সন্ধ্যায় পৌর শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।
সে উপজেলার গড়গোবিন্দপুর গ্রামের সিঙ্গাপুর প্রবাসী জাকির হোসেনের মেয়ে ও সখীপুর পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল।
পুলিশ ও প্রতিবেশীদের সূত্রে জানা গেছে, নিহত সাফা ও তার ছোট ভাই তাদের মাকে নিয়ে পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের একটি বাসায় ভাড়া থাকত। শুক্রবার দুপুরে তার মা গ্রামের বাড়িতে যান। বিকেল ৫টায় ছোটভাই বাসায় ফিরে স্কুলছাত্রী সাফাকে ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। এ দৃশ্য দেখে সাফার ছোট ভাই চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে পুলিশকে খবর দেয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয় কয়েকজন প্রতিবেশী জানান, মরদেহের পা মাটির সঙ্গে ঠেকানো ছিল। এতে ঘটনাটি আত্মহত্যা নাকি হত্যা এ নিয়ে বেশ সন্দেহ তৈরি হয়েছে। এ ঘটনার সঠিক তদন্ত দাবি করছি।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম জানান , এখনই মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাচ্ছে না। আপাতত একটি অপমৃত্যু মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। পরে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ “আমাদের নার্স, আমাদের ভবিষ্যত” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে টাঙ্গাইলে আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবস পালিত হয়েছে।
শুক্রবার (১২ মে) সকালে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আয়োজনে এ আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবস পালিত হয়।
আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবসের কর্মসূচির উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন (এমপি)।
পরে বর্নাঢ্য একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদিক্ষিন করে। শোভাযাত্রা শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
হাসপাতালে কর্মরত নার্স ও বিভিন্ন নার্সিং স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা কর্মসূচীতে অংশ নেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের সা’দত বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নব নির্বাচিত কার্যকরী কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার(১২ মে) বিকালে সা’দত বাজার মসজিদ রোডে এ অভিষেক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল – ৫ (সদর) আসনের সাংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন।
উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,সোনিয়া খান পন্নী। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী।
সা’দত বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো.ইউসুফ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার, করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু প্রমূখ।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্য উপস্থিত ছিলেন, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সৈয়দ মাজেদুল আলম নাঈম, সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম আনছারী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর সিকদার, ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মো. আক্তার হোসেন,পুজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক মলয় কুমার পাল,আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি এমদাদুল হক এনামুল ,সা’দত কলেজের সাবেক এজিএস সোহেল আনছারী,উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মাহমুদ ফরিদ প্রমুখ।
অভিষেক অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সা’দত বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইমন তালুকদার রাজীব।
পরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভানেত্রী প্রকৌশলী তাবাসসুম বিনতে ইসলামের আগমন উপলক্ষে কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১২ মে) দুপুরে ক্লাব রোডে অবস্থিত জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে সুলতানা কামাল অডিটোরিয়াম হল রুমে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের সহর্ধমীনি ও জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভানেত্রী প্রকৌশলী তাবাসসুম বিনতে ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ওলিউজ্জামানের সহর্ধমীনি ও জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি ডা. নিশাত তাসমিন, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আইরিন আক্তার, সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা ইয়াসমিন, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সুলতানা রাজিয়া, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খ. আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, টাঙ্গাইল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হারুন আর রশীদ, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু ও জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক খ. ঝিলু আক্তার প্রমূখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে পা বাধাঁ ও গলায় রশি ঝুলানো অবস্থায় মো. ইফসুব মিয়া (৬০) নামের এক চা কফি ও জুতা ব্যবসায়ীর লাশ উদ্বার করা হয়েছে।
শুক্রবার (১২ মে) সকালে উপজেলার মোকনা ইউনিয়নের পংবাইজোড়া বাজারের একটু অদুরে পুষ্টকামরি সালামের শ্যালো মেশিন ঘরের পাশে লাউ গাছের মাচা থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন।
সে উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের ভাতশালা গ্রামের ইদ্দিস মিয়ার ছেলে।
এলাকাবাসী ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১১ মে) দুপুর দুইটার দিকে বাড়ী থেকে বের হয় ইউসুব। সারা দিন পংবাইজোড়া বাজারে তার নিজ দোকানে বেচাকেনা করেন। বিকেল পর্যন্ত দোকানে তাকে দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন আশ পাশের দোকানীরা। শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থলে তার লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে শত শত নারী পুরুষ ভীড় জমায় ঘটনাস্থলে। এ সময় সালামের শ্যালো মেশিন ঘরের হাউজের উপরে লাউ গাছের মাচার খুটির সাথে গলায় রশি দিয়ে ঝুলন্ত ও পা বাঁধা অবস্থায় তাকে দেখতে পায়। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।
নিহতের ছোট ভাই নূরুজ্জামান বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটার দিকে বাড়ী থেকে বের হয় তার ভাই ইউসুব। চারটার দিকে পংবাইজোড়া বাজারে তার সাথে ভাই ইউসুবের দেখা ও কথা হয়। এর পর আর বাড়ি ফিরেনি সে। শুক্রবার সকালে ভাইয়ের মূত্যুর খবর শুনে ঘটনাস্থলে এসে সালামের শ্যালো মেশিন ঘরের পাশে লাউয়ের মাচার খুটির সাথে গলায় রশি দিয়ে ঝুলন্ত ও পা বাঁধা অবস্থায় তাকে দেখতে পান।
স্বামীর মত্যু শোকে কাতর থাকায় তার স্ত্রীর সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
এ প্রসঙ্গে নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যা । কিন্তু লাশের পা বাঁধা থাকার অবস্থা দেখে বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হচ্ছে। নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে । থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের চকতৈল গ্রামে স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তান হত্যায় অভিযুক্ত শাহেদ আদালতে আত্মসমর্পণ করেছে। বৃহস্পতিবার(১১ মে) সকালে শাহেদ টাঙ্গাইল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেড আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালত পরিদর্শক তানভীর আহম্মেদ।
তানভীর আহম্মেদ জানান, বৃহস্পতিবার সকালে স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তান হত্যায় অভিযুক্ত শাহেদ টাঙ্গাইল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেড আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। দেলদুয়ার থানা পুলিশ রিমান্ড দাবী করেন। রিমান্ড চাইতে বিলম্ব হওয়ায় টাঙ্গাইল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেড আদালতের বিচারক আরিফুল ইসলাম শাহেদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশদেন।
দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাসির উদ্দিন মৃধা জানান, গত শনিবার বিকেলে মা ও দুই ছেলের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত মনিরার মা আবেদা বেগম বাদী হয়ে মনিরার স্বামী শাহেদকে প্রধান আসমী করে তিনজনের নাম উল্লেখসহ আরও অজ্ঞাত তিন চারজনের নামে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ শাহেদকে গ্রেপ্তার করতে মাঠে নামে। শাহেদ আত্মগোপন করায় পুলিশ চেষ্টা করেও শাহেদকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। বৃহস্পতিবার শাহেদ স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেছে। দেলদুয়ার থানা পুলিশ রিমান্ড দাবী করেছে। কিন্তু আদালত শাহেদকে কারাগারে পাঠিয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার বিকেলে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের চকতৈল গ্রামে শাহেদের থাকার ঘর থেকে স্ত্রী মনিরা বেগম ও দুই শিশু সন্তান মুশফিক (৮) এবং দুই বছর বয়সী মাশরাফির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত মনিরা বেগম একই গ্রামের পার্শ্ববর্তী মৃত মকবুল হোসেন খান ও আবেদা বেগমের মেয়ে। হত্যায় অভিযুক্ত শাহেদ সাবেক পুলিশ সদস্য ও সাবেক ইউপি সদস্য ফজলু মিয়ার ছেলে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ মে) সকালে উপজেলা খাদ্য বিভাগের আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খাদ্যগুদামের ফিতা কেটে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারী এম.পি।
এসময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনছার আলী বি.কম।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এন.এম রফিকুল আলম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও কালিহাতী পৌরসভার কাউন্সিলর অজয় কুমার দে সরকার লিটন, কালিহাতী পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল মালেক তালুকদার, সহ-সভাপতি মিন্টু সরকার, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম সুমন ও কালিহাতী খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফ রব্বানী প্রমুখ।
উপজেলা খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ৩০ টাকা কেজি দরে ১ হাজার ৫৬৩ মেট্রিকটন ধান ও ৪৪ টাকা কেজি দরে ১২ হাজার ৫৮৩ মেট্রিকটন চাল ক্রয় করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সিনিয়র আয়কর উপদেষ্টা ও প্রথমআলোর নিজস্ব প্রতিবেদক কামনাশীষ শেখরের বাবা কবি যুগলপদ সাহা আর নেই।
বৃহস্পতিবার (১১ মে) সকালে টাঙ্গাইল শহরের সাবালিয়াস্থ পাঞ্জাপাড়ার নিজ বাসায় তিনি ইহলোকত্যাগ করেন।
পরলোকগমণকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।
তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়েসহ বহু সহকর্মী ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
তার বড় ছেলে দেবাশীষ সাহা আয়কর আইনজীবী, মেঝ ছেলে শুভাশীষ সাহা প্রকৌশলী ও ছোট ছেলে কামনাশীষ শেখর প্রথমআলো পত্রিকার স্থানীয় নিজস্ব প্রতিবেদক এবং একমাত্র মেয়ে বিপাশা সাহা।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১ টায় তার মরদেহ শহরের বড় কালিবাড়ীতে নেওয়া হয়। সেখানে নানা শ্রেণি-পেশার লোকজন তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেন করেন। পরে কাগমারী দিনমনি মহা শ্মশানে তার অন্তেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।
যুগলপদ সাহার জন্ম ১৯৩২ সালে। তিনি একজন কবি ও পেশায় আয়কর আইনজীবী ছিলেন। দশটি কাব্যগ্রন্থসহ তার মোট ১৫টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।
কবি যুগলপদ সাহার মৃত্যুতে আওয়ামীলীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী ডক্টর মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি একুশে পদকপ্রাপ্ত বীরমুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক, সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম(ভিপি জোয়াহের) এমপি, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতা, গণমাধ্যমকর্মী, বিভিন্ন সাহিত্যিক ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে।