একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার পাকুল্যা এলাকায় সোমবার(১০ জানুয়ারী) দিনগত রাতে অভিযান চালিয়ে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে মো. লুৎফুর রহমান(৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
গ্রেপ্তারকৃত মো. লুৎফুর রহমান মির্জাপুরের চিতেশ্বরী গ্রামের মো. মাইনুল হকের ছেলে। তিনি একটি ওষুধ কোম্পানীতে চাকুরিরত।
র্যাব-১২ জানায়, ওষুধ কোম্পানীতে চাকুরির সুবাদে মো. লুৎফুর রহমান জনৈক মহিলার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে। প্রেমের এক পর্যায়ে তিনি ওই নারীকে ফুসলিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে এবং তা গোপনে মোবাইলে ভিডিও ধারণ ও ছবি তুলে রাখে। পরে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রায় ২০ লাখ টাকা ও ১৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার হাতিয়ে নেয় এবং ধর্ষণ করে। মো. লুৎফুর রহমান ওই নারীকে নানা সময়ে ধর্ষণের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন স্থানে ডেকে নেয়। এতে ওই নারী মানসিকভাবে চাপের মুখে পড়ে। এক পর্যায়ে ওই নারী টাঙ্গাইল র্যাব কার্যালয়ে অভিযোগ করেন।
র্যাব-১২ আরও জানায়, অভিযোগ পেয়ে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে র্যাবের একটি টিম তদন্তে নামে। তারা তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে পাকুল্যা থেকে মো. লুৎফুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে।
এ সময় তার কাছে থাকা ভিডিও ও ছবি জব্দ করা হয়। মো. লুফুর রহমান প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে ওই নারীকে ধর্ষণ ও টাকা হাতিয়ে নেওয়ার কথা স্বীকার করেছে।
এ বিষয়ে মির্জাপুর থানায় পর্ণোগ্রাফি আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস.এম.শফিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন,বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হবে জনগণের বাহিনী। সুখে-দুঃখে সকল সময়ে দেশের মানুষের পাশে থেকে যেকোন প্রয়োজনে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করতে সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে সেনাবাহিনী। যে কোন দুর্যোগে আমরা আমাদের সামর্থ্যের মধ্যে সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে বদ্ধ পরিকর।
তিনি মঙ্গলবার(১১ জানুয়ারী) দুপুরে টাঙ্গাইলের বড় চওনা কুতুবপুর ডিগ্রী কলেজ মাঠে সাগরদীঘি অঞ্চলের অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে ওই সব কথা বলেন।
সেনা প্রধান আরো বলেন, সারা দেশে আমরা এক লাখ মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছি, চিকিৎসা সেবা দিয়েছি। এর পাশাপাশি গবাদি পশুরও চিকিৎসা দিচ্ছে সেনাবাহিনী।স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর একইসাথে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীরও সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন করছি।
অনুষ্ঠানে ১৯ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও ঘাটাইল এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেনসহ সেনাবাহিনীর উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এর পূর্বে তিনি ১৯ পদাতিক ডিভিশন ও ঘাটাইল অঞ্চলের শীতকালীন প্রশিক্ষন পরিদর্শন করেন।এছাড়াও স্থানীয় জনসাধারণকে চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য পরিচালিত মেডিকেল ক্যাম্পেইনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন তিনি।
একতার কণ্ঠঃ ইয়ং টাইগার্স অনুর্দ্ধ-১৪ জাতীয় ক্রিকেটে ঢাকা বিভাগ উত্তরের হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হওযার গৌরব অর্জন করেছে টাঙ্গাইল জেলা দল। রবিরার(৯ জানুয়ারী) প্রতিযোগিতার ফাইনালে টাঙ্গাইল জেলা দল ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজ মাঠে শক্তিশালী ময়মনসিংহ জেলা দলকে ২৮ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়।
রবিবার সকালে টাঙ্গাইল জেলা দলের অধিনায়ক এহসানুল হক মাহিম টসে জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন। কুয়াশা ভেজা পিচের কারনে শুরুতেই টাঙ্গাইল ব্যাটিং বিপর্যয়ে পরে। দলীয় অধিনায়ক মাহিম এক প্রান্ত আগলে রেখে ৭৩ বলে ৪৯ রান করে রান আউটের শিকার হয়। তখন দলের হাল ধরেন উজ্জল মিঞা। টাঙ্গাইল জেলা দল নির্ধারিত ৫০ ওভার খেলতে পারেনি। ৪২ ওভার ৩ বল খেলে টাঙ্গাইল জেলা সব কয়টি ইউকেট হারিয়ে ১২৫ রান সংগ্রহ করে।
জবাবে ১২৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ময়মনসিংহ জেলা দল ৪৬ ওভার ১ বলে ৯৭ রানে অল-আউট হয়ে যায়। টাঙ্গাইল জেলা দলের পক্ষে বাহাতি স্পিনার অল-রাফি ৯ ওভার বল করে মাত্র ৭ রান দিয়ে ৪টি ইউকেট লাভ করে। ফলে টাঙ্গাইল জেলা দল ফাইনালে ২৮ রানে জয় লাভ করে।
টাঙ্গাইল জেলা এই প্রতিযোগিতায় পর পর তিনবার জয়লাভ করে হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হয় । ম্যান অফ দি টুর্নামেন্ট নির্বাচিত হন টাঙ্গাইল জেলা দলের অধিনায়ক এসহানুল হক মাহিম।

টাঙ্গাইল জেলা অনুর্দ্ধ-১৪ ক্রিকেট দলের খেলোয়ারগণ হলেনঃ- এহসানুল হক মাহিম(অধিনায়ক), রাকিবুল ইসলাম রাকিব(ইউকেট কিপার) জুনায়েদুল ইসলাম জারিফ, রাইয়ান আপন, আল-রাফি, রামিম হাসান, শাওন দেওয়ান, ইমরান হোসেন, তওফিকুল ইসলাম মাফি, মহারাজ বসাক, আরিফুল ইসলাম,উজ্জল মিঞা।
টাঙ্গাইল জেলা দলের ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জহিরুল ইসলাম খান সম্রাট ও কোচ হিসেবে ছিলেন বিসিবি নিয়োজিত টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট দলের কোচ মোঃ আরাফাত রহমান।
এই জয় প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল জেলা দলের বয়সভিত্তিক ক্রিকেট কোচ আরাফাত রহমান বলেন, টাঙ্গাইল জেলাবাসীকে পর পর তিন বার ইয়ং টাইগার্স অনুর্দ্ধ-১৪ জাতীয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতার ট্রফি এনে দিতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আশা করি, অনুর্দ্ধ-১৮ ও অনুর্দ্ধ-১৬ জাতীয় ক্রিকেটেও টাঙ্গাইল জেলা দল ভালো ফলাফল করবে।

প্রকাশ, গ্রুপ পর্বের প্রথম খেলায় টাঙ্গাইল জেলা দল জামালপুর জেলা দলকে মাত্র ২৬ রানে অল-আউট করে, ১০ ইউকেটে জয় লাভ করে। পরের খেলায় নেত্রকোনা জেলা দলের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল জেলা দল ৫০ ওভারে ৩৭১ রান করে। টাঙ্গাইল জেলা দলের ব্যাটসম্যান রাকিবুল আরাফাত ১৩০ রান ও মহারাজ বসাক ১০০ রান করে। খেলায় টাঙ্গাইল জেলা দল রেকর্ড ৩৪০ রানে জয় লাভ করে।
গ্রুপ পর্বের শেষ খেলায় টাঙ্গাইল জেলা দল মানিকগঞ্জ জেলা দলকে ৬২ রানে পরাজিত করে।সেমি-ফাইনালে গাজিপুর জেলা দলকে টাঙ্গাইল ২৬ রানে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে।
প্রতিযোগিতায় কোন জেলা দলই টাঙ্গাইল জেলা দলের বিরুদ্ধে শত রান করতে পারেনি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালী করার দাবিতে ডেভেলপমেণ্ট অর্গানাইজেশন অব দ্য রুরাল পুয়র (ডরপ)- এর উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ডরপ টাঙ্গাইলের ফ্যাসিলিটেটর গুলজার হোসেন, যুব ফোরামের সদস্য নূর পলাশ, সাব্বির হোসেন, বিড়ি শ্রমিক ইউনিয়নের জীবন সাহা প্রমুখ।
এসময় বিড়ি শ্রমিক, যুব গ্রুপ এবং সুশীল সমাজের সদস্যবৃন্দ, ডেভেলপমেণ্ট অর্গানাইজেশন অব দ্য রুরাল পুয়র (ডরপ) এর কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।বক্তারা তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালীকরণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতি ৬টি সংশোধনীর দাবি করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে তৃতীয় ধাপে ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী চেয়ারম্যান ও সংরক্ষিত আসনের সদস্য সহ সাধারণ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নব নির্বাচিত ১১ চেয়ারম্যানকে শপথ বাক্যপাঠ করান টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গনি।
এ ছাড়া সংরক্ষিত মহিলা আসনের ৩৩ সদস্য এবং ৯৯ জন সাধারণ সদস্য নাগরপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে শপথ করান উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত-ই-জাহান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসাইন, প্রোগ্রাম অফিসার মো. হাবিবুর রহমান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আবু বক্কর, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সালমা বেগমসহ প্রমুখ।
প্রকাশ, গত ২৮ নভেম্বর নাগরপুর উপজেলায় ১১ টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ৫ জন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ৬ জন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানে জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইলে চার দিনব্যাপী বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা বই মেলা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকালে শহরের পৌর উদ্যানে ওই মেলার উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক।
জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আমিনুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ।
স্থানীয় সরকারের সহযোগিতায় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় জেলা প্রশানের উদ্যোগে আয়োজিত এ মেলায় ৩০টি বইয়ের স্টল রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে একটি পাটের গুদামে আগুন লেগে আনুমানিক ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট দুই ঘণ্টার চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের সীমাকাছরা গ্রামের গনি বেপারীর গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ওই ঘটনা ঘটে।
গুদামের মালিক গনি বেপারী জানান, তার পাট গুদাম সংলগ্ন ধান ভাঙানোর মেশিনে সুইচ দেওয়ার পর সর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
কালিহাতী ফায়ার সার্ভিসের লিডার আলতাফ হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
একতার কণ্ঠঃ সারাদেশের ন্যায় রোববার (২৬ ডিসেম্বর) চতুর্থ ধাপে টাঙ্গাইলের ভুঞাপুর উপজেলার নিকরাইল ও গাবসারা ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা দুটিতে নৌকার ভরাডুবির জন্য আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীরাই দায়ী, এমনটাই দাবি করেছে উভয় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের তৃনমূলের নেতাকর্মীরা। তাদের মতে উপজেলা আওয়ামীলীগের একাধীক নেতাকর্মী নৌকার বিরোধিতা করে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে প্রকাশ্য ও গোপনে কাজ করেছে। এমনকি নৌকার প্রার্থীর পরাজয়ের পরে নেতা কর্মীদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণের ঘটনা ঘটেছে।
জানা যায়, নিকরাইল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার মনোনীত প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করেন বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান ও নিকরাইল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. মতিন সরকার। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন একই ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুল হক মাসুদ। তিনি আনারস প্রতীকে নির্বাচন করে ৮ হাজার ৭শত ৮০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী মতিন সরকার নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৭ হাজার ৫’শ ৮৬ ভোট। নৌকার প্রার্থী স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাছে ১১৯৪ ভোটে পরাজিত হন।
অপরদিকে, গাবসারা ইউনিয়ন স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ্ আলম আকন্দ শাপলা আনারস প্রতীকে ৬৫০০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এদিকে নৌকার ঘাটি হওয়া সত্বেও দলীয় কোন্দলে নৌকার প্রার্থী আওয়ামীলীগের প্রার্থী মো. মনিরুজ্জামান নৌকা প্রতীকে ৫৮৭০ ভোট পেয়েছেন। তিনি মাত্র ৬৩০ ভোটে পরাজিত হন। এখনই দলীয় কোন্দলই নৌকার প্রার্থীর পরাজয়ের মূল কারন।
অন্ত:দলীয় কোন্দল থাকায় গাবসারা ইউনিয়নে কোন পোষ্টার লাগাতে পারেনি নৌকার কর্মী ও সমর্থকরা। উপজেলা আ.লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের বাড়ী হওয়ায় সেখানেও পোস্টার না লাগানো নিয়ে হতাশ ছিলেন নেতাকর্মীরা। উপজেলা আ.লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের নিজ কেন্দ্রে ১৪০৩ ভোটের মধ্যে নৌকা পেয়েছেন মাত্র ২৩ ভোট।
এ বিষয়ে, নিকরাইল আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি নয়ন সরকার বলেন, নিকরাইল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ঘাটি। এ নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামীলীগের হেভীওয়েট এক নেতা নৌকার পক্ষে কাজ না করে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাজ করায় এ পরাজয়। স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচিত হয়ে তাকে ফুলের মালা দেয় এমনচিত্র ফেসবুকে ভাইরাল।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা জানান, ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থানে দলীয় কোন্দল দেখা দেয়। এতে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা বিভক্ত হয়ে পড়ে। যার কারণেই আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মতিন সরকার হেরেছে।
নৌকার প্রার্থী ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল মতিন সরকার বলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের অনেক নেতা নৌকার বিপক্ষে কাজ করায় এ পারাজয়। আওয়ামীগের নেতা-কর্মীরা যদি একযোগে নৌকার পক্ষে কাজ করতো তাহলে নিকরাইলে নৌকার জয় ছিলো নিশ্চিত কিন্তু দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় নিকরাইলে দলীয় শৃঙ্খলা ভেঙ্গে পড়ে। ফলে নৌকার নিশ্চিত বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী। শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দলের সর্বোচ্চ ফোরামে আবেদন জানাবো।
প্রসঙ্গত, ভূঞাপুর উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী দিদারুল আলম খান মাহবুব, ফলদা ইউনিয়নে সাইদুল ইসলাম তালুকদার, গোবিন্দাসী ইউনিয়নে দুলাল হোসেন চকদার, স্বতন্ত্র প্রার্থী গাবসারা ইউনিয়নে শাহ আলম ও নিকরাইল ইউনিয়নে মাসুদুল হক মাসুদ জয়লাভ করেছেন।। ভূঞাপুর উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নের মধ্যে তিনটিতে আওয়ামী লীগ ও দুইটিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হন।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল ইমলাম জানান, স্থগিত ভূঞাপুর উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের আকালু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ পঞ্চম ধাপের নির্বাচনে অনুষ্ঠিত হবে। ভূঞাপুর উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নের মধ্যে তিনটিতে আওয়ামী লীগ ও দুইটিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কৃষক মেছের আলী ও কৃষিবিদ মো. দুলাল মিয়ার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার(৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মির্জাপুরের সিংজুরী গ্রামের দুলাল মিয়া।
লিখিত বক্তব্যে দুলাল মিয়া বলেন, উপজেলার সিংজুরী গ্রামে আশুতোশ সরকার, গৌড় সরকার, নুরুল ইসলামসহ গ্রামের একাধিক ব্যক্তি একটি সংঘবদ্ধ চক্র গড়ে তুলেছেন। চক্রটি স্থানীয় মেছের আলীর মতো অসহায় ব্যক্তিদের জায়গা জমি দখল, ধান চুরি, চাঁদাবাজিসহ নানা ধরনের অপকর্ম লিপ্ত রয়েছে। তাদের এই অপকর্ম প্রতিবাদ করায় ওই গ্রামের মেছের আলী ও তার পরিবারকে মসজিদে নামাজ পড়া, সমাজে কোরবানি ও তার মুদি দোকান বন্ধ করাসহ দীর্ঘদিন ধরে এক ঘরে করে রেখেছেন আমাদের পরিবারকে। এ ব্যাপারে মেছের আলী একাধিক মামলা করেছেন। এছাড়া মেছের আলী এসব অপকর্মের প্রতিকার চেয়ে গত ২০ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার মহাপরিচালকের বরারর একটি লিখিত আবেদন করেছে।
তিনি আরো বলেন, আমি একজন মৃত্তিকা বিজ্ঞানী ও কৃষিবিদ। আমি এসব অপকর্মমের প্রতিবাদ করায় আমাকে হুমকি দিচ্ছে। এ চক্রটি বিভিন্ন ধরনের মিথ্যাচার করছে। আমি নিরীহ গ্রামবাসীর পাশে দাঁড়ানোয় তাদের রোষানলের শিকার হয়েছি। মেছের আলীর মামলা এবং লিখিত আবেদনে ভিত হয়ে আশুতোশ সরকার ও তার সহযোগিরা গত ২২ ডিসেম্বর একটি মানববন্ধন করে। মানববন্ধনে আমার এবং মেছের আলী ও শুকুর আলীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট বক্তব্য দেয়া হয়। পরে সেটি বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ চক্রের হাত থেকে গ্রামকে রক্ষা করার জন্য তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ভুক্তভোগী মেছের আলী, সুকুর আলী, আনোয়ারা বেগম প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ আগামি ৫ জানুয়ারি (বুধবার) ৫ম ধাপে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার চারটি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ইউনিয়নগুলো হচ্ছে, কাউলজানি, ফুলকি, কাঞ্চনপুর ও হাবলা।
ফুলকি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. আ. করিম তালুকদারের বিরুদ্ধে নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচন আচরণবিধি ভঙ্গ করে স্থানীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়ে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে বিভিন্ন নির্বাচনী জনসভায় ভোট চাচ্ছেন। এমনই অভিযোগ করেছেন ওই ইউনিয়নের অন্যান্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীরা।
জানা গেছে, বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) দিনব্যাপী ফুলকি ইউনিয়নের জশিহাটী, ময়থা, তিরঞ্চ ও আইসড়া বাজারে নৌকার প্রার্থী মো. আ. করিম তালুকদারের নির্বাচনী জনসভার আয়োজন করা হয়। উক্ত জনসভাগুলোতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের)। তিনি প্রতিটি নির্বাচনী জনসভায় নৌকা প্রার্থীর পক্ষে ভোট চান। এসময় তিনি নৌকা প্রার্থীকে বিজয়ী করলে এলাকায় বিভিন্ন ধরনের উন্নয়ন করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন। যা নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত আচরণবিধির ২(১৪) ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
এবিষয়ে ফুলকি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম বাবুল (মোটরসাইকেল), শামসুল আলম বিজু (আনারস) বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ফুলকি ইউনিয়নের বুধবার দিনব্যাপী ময়থা নতুন বাজার, আইসড়া, জশিহাটি ও তিরঞ্চ এলাকায় জনসভা করে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নৌকার পক্ষে ভোট চান। যা নির্বাচন আচরণবিধির ২(১৪) ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
তারা আরো জানান, বিষয়টি মৌখিকভাবে বাসাইল উপজেলা নির্বাচন কমিশনারকে অবহিত করা হয়েছে।
অভিযোগ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখিপুর) আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এর মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি কলটি রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে জেলা নির্বাচন কমিশনার এএইচএম কামরুল ইসলাম জানান, আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান লাভলু মিয়া লাবু নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার অভিযোগ তুলেছেন। বুধবার(২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি নানা অভিযোগ করেন। সেই সাথে সহিংসতা বন্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেছেন। এসময় চেয়ারম্যান লাভলু মিয়ার সাথে কয়েকজন ভুক্তভোগী অনুসারী উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনে লাভলু মিয়া লাবু লিখিত বক্তব্যে জানান, নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আফজাল হোসেনের কাছে তিনি পরাজিত হন। জয়লাভ করেই আফজাল হোসেন ও তার বাহিনী এলাকায় চাঁদা দাবি, কর্মী-সমর্থকদের ঘরবাড়ি -ভাংচুর সন্ত্রাসী কর্মকা- করছেন। যার প্রমাণাদী রয়েছে। তার কর্মী ফতেপুর গ্রামের আব্দুল মালেক, মিথিল, আজাহার উদ্দিন, আলিশাকান্দা গ্রামের আব্দুল হাকিম, ইউনুস আলী, আব্দুল মানিককে সন্ত্রাসী বাহিনী পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে। তাদের চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। গুরুতর একজনকে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে। এদিকে ফতেপুর, আলিশাকান্দা, বিন্যাফৈর ও চারাবাড়ি গ্রামে কয়েকজন কর্মী-সমর্থকরা বাড়িতে থাকতে পারছে না। ইউনিয়নে সাধারণ মানুষও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এছাড়া নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগও তুলেন তিনি।
লাভলু মিয়া লাবু আরো বলেন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে আমি জনগণের ভোটে বিজয়ী হতাম। এলাকায় সহিংসতা চাই না। জনগণের শান্তি চাই। নির্বাচনের পর সহিংসতার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। আমরা নির্বাচন ও এসপি অফিসে লিখিত আবেদন দিয়েছি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দাইন্যা ইউনিয়ন নিকাহ রেজিস্ট্রার কাজী আব্দুল লতিফ, গিয়াস, আনোয়ার, রফিকুল, আব্দুল লতিফসহ গ্রাম ছাড়া বেশ কয়েকজন কর্মী-সমর্থক।
সংবাদ সম্মেলনে আনিত অভিযোগ প্রসঙ্গে নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন বলেন, আমার বিরুদ্ধে করা অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত এবং ভিত্তিহীন। আমার জনপ্রিয়তায় পরাজিত হয়ে লাভলু মিয়া তাল-বেতাল হয়ে গেছেন। আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার সকল ষড়যন্ত্র তিনি শুরু থেকেই করছেন এবং এখনও চালাচ্ছেন। এটা পুলিশ প্রশাসন এবং এলাকাবাসী সবাই অবগত আছেন।
একতার কণ্ঠঃ আজকের পত্রিকার বাসাইল প্রতিনিধি এম শহিদুল ইসলাকে সভাপতি ও দৈনিক নয়াদিগন্তের বাসাইল সংবাদদাতা মাহমুদুল হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করে বাসাইল প্রেসক্লাবের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে প্রেসক্লাবের বার্ষিক সাধারন সভায় ওই কমিটি ঘোষণা করা হয়।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সহ-সভাপতি খায়রুল ইসলাম তালহা (সাপ্তাহিক যুগধারা ), যুগ্ম-সম্পাদক এনায়েত করিম বিজয় ( বাংলা ট্রিবিউন), কোষাধ্যক্ষ মাসুদ রানা (এশিয়ান টিভি ), প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক আব্দুল লতিফ ( খোলা কাগজ), সাহিত্য সম্পাদক শাহনাজ খানম রেখা (সাপ্তাহিক পাপিয়া)।
কার্যনির্বাহী সদস্যরা হলেন- রাশেদা সুলতানা রুবি (দৈনিক লোককথা), আবুল কাশেম (দৈনিক যায় যায়দিন), এম কে ভূইয়া সোহেল (দৈনিক মানব জমিন) ও মো. রুবেল মিয়া (বাংলা টিভি)।
সকালে প্রথম পর্বে খাইরুল ইসলাম তালহার সভাপতিত্বে বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান ও কোষাধ্যক্ষ মাসুদ রানা।
বিকেলে দ্বিতীয় পর্বে প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা মুসলিম উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে নতুন কমিটি ঘোষনা করেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান শাহাদৎ হোসেন, পৌর মেয়র আব্দুর রহিম আহমেদ, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক অরণ্য ইমতিয়াজ, বাসাইল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সদস্য আশিকুর রহমান পলাশ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল করিম অটল প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আশিকুর রহমান পলাশকে ফুল দিয়ে বিদায়ী শুভেচ্ছা জানানো হয়।