মোঃ আরমান কবীর সৈকত (সম্পাদক)

টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

একতার কণ্ঠঃ আগামী তিন মাসের জন্য টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানকে আহ্বায়ক ও মাহমুদুল হককে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

বুধবার (৩ নভেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রেজভী ৪৬ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটির অনুমোদন দেন।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুজ্জামিল শাহীন, ফরহাদ ইকবাল, কাজী শফিকুর রহমান লিটন, অমল ব্যানার্জি, দেওয়ান সফিকুল ইসলাম, সদস্য বেনজির আহমেদ টিটু, শ্যামল হোড়, আলী ইমান তপন, সাইদুল হক সাদু, ফাইজুর রহমান, সফিকুল ইসলাম রিপন, আব্দুল আজিজ চাঁন খা, শাহজাহান সাজু, আবুল কালাম মোস্তফা লাবু, এম এ সালাম, মোয়াজ্জেম হোসেন, আতাউর রহমান জিন্নাহ, সরকার শহীদ, জি এস বাবুল, আলমগীর হোসেন, খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম রুবেল, সিরাজুল হক সানা, গোলাম মোস্তফা, জাকির হোসেন, এনামুল করিম অটল, আবুল কাশেম, আব্দুল কাদের, সৈয়দ শাহিন, আশরাফ পাহেলী, খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, তারিকুল ইসলাম ঝলক, সফিকুল ইসলাম সফিক, রফিকুল ইসলাম স্বপন, শাহিন আকন্দ, ইজাজুল হক সবুজ, নুরে আলম সাদেক, রক্সি মেহেদী, শামসুল আলম, শামীম হাসান স্বপন, দীপু হায়দার খান, খ. আ. মোকাদ্দেস, আনিস চৌধুরী, মনিরুল ইসলাম মনির ও শহিদুল করিম।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. নভেম্বর ২০২১ ০১:০৩:এএম ৫ বছর আগে
আবারও বাড়লো বঙ্গবন্ধু সেতুর টোলের হার - Ekotar Kantho

আবারও বাড়লো বঙ্গবন্ধু সেতুর টোলের হার

একতার কণ্ঠঃ দেশের বৃহৎ বঙ্গবন্ধু সেতুতে দ্বিতীয় দফায় বেড়েছে যানবাহন থেকে টোল আদায়ের হার। এর আগে ১৯৯৮ সালে সেতুটি চালু হওয়ার পর ২০১১ সালে টোল বৃদ্ধি করা হয়। মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায় বৃদ্ধি নিয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (উন্নয়ন) মোহাম্মদ আনোয়ারুল নাসের এর স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে ওই তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপন জারি হলেও বুধবার ৩ (নভেম্বর) বঙ্গবন্ধু সেতুতে পারাপার হওয়া যানবাহন থেকে পূর্বে ধার্যকৃত রেটে টোল আদায় করছে কর্তৃপক্ষ। তবে বঙ্গবন্ধু সেতু কর্তৃপক্ষ প্রজ্ঞাপন জারির দিন থেকেই চালকদের অবহিত করতে তাদের হাতে টোল বৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন বিলি করছেন।

বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল বৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, সেতু বিভাগের আওতাধীন বঙ্গবন্ধু সেতুর জন্য অনুমোদিত যানবাহনের শ্রেনীবিন্যাস এবং টোল হার ধরা হয়েছে যথাক্রমে মোটরসাইকেল ৫০ টাকা, হাল্কা যানবাহনের মধ্যে কার/জিপ ৫৫০, মাইক্রো, পিকআপ ৬০০, ছোট বাস (৩১ আসন বা এর কম) ৭৫০, বড় বাস (৩২ আসন বা এর বেশি) ১০০০, ছোট ট্রাক (৫ টন) ১০০০, মাঝারি ট্রাক (৫ টন থেকে ৮ টন) ১২৫০, মাঝারি ট্রাক (৮ টন থেকে ১১ টন) ১৬০০ টাকা, ট্রাক (৩ এক্সেল) ২০০০, ট্রেইলার (৪ এক্সেল) ৩০০০, ট্রেইলার (৪ এক্সেলের অধিক) ৪০০০ টাকা এবং সেতুর উপর দিয়ে ট্রেন চলাচলের জন্য প্রতিবছর ১ কোটি টাকা টোল আদায় করা হবে।

বঙ্গবন্ধু সেতু সাইট কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল বলেন, টোল বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। অতিদ্রুতই নতুন রেটে সেতুতে টোল আদায় শুরু হবে। টোল বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন চালকদের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও ব্যাপক প্রচারের জন্য সেতু কর্তৃপক্ষ আলাদাভাবে এই সংক্রান্ত লিফলেট ছাপানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সেতু টোল বৃদ্ধি নিয়ে চালকদের মাঝে কোনো প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. নভেম্বর ২০২১ ০১:২৬:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জেলহত্যা দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি ও দোয়া মাহফিল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জেলহত্যা দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি ও দোয়া মাহফিল

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জাতীয় জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে বুধবার(৩ নভেম্বর) সকালে জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ের সামনে বঙ্গবন্ধুসহ জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছে জেলা আওয়ামী লীগ।

জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক, সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি, সহ-সভাপতি ছানোয়ার হোসেন এমপি।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের  বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক তানভির হোসেন ছোট মনির এমপি, সহ-সভাপতি শামসুল হক ও আনিসুর রহমান আনিস, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর,  সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র সাহা ও জামিলুর রহমান মিরন, দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খান প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

পরে যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, ছাত্রলীগ, মহিলা লীগসহ অন্যান্য সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীরাও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে।

এর আগে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জেলা হত্যা দিবস উপলক্ষে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. নভেম্বর ২০২১ ০১:৪৪:এএম ৫ বছর আগে
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে ক্লাস শুরু - Ekotar Kantho

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে ক্লাস শুরু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মঙ্গলবার(২ নভেম্বর) থেকে সশরীরে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এরআগে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রথম ডোজ টিকা গ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য গত ২৫ অক্টোবর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল হল সমূহ খুলে দেওয়া হয়।

করোনা মহামারীর কারণে বন্ধ হওয়া বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ায় মঙ্গলবার সকালে শিক্ষার্থীরা সশরীরে ক্লাসে অংশগ্রহণের জন্য প্রধান ফটকের সামনে পৌছলে শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পক্ষ থেকে ফুল ও মাস্ক দিয়ে বরণ করা হয়। পরে তাদেরকে মিষ্টিমুখ করানো হয়।

শিক্ষার্থীদের বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ভাইস-চ্যান্সেলর (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. এআরএম সোলাইমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, লাইফ সায়েন্স অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. মাহবুবুল হক, প্রক্টর প্রফেসর ড. মীর মো. মোজাম্মেল হক।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন- শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ড. এএসএম সাইফুল্লাহ।
এসময় ডিন, অন্যান্য শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ১৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের ৪৭তম (জরুরি) সভার সুপারিশের ভিত্তিতে একই দিন অনুষ্ঠিত ২২৩তম (জরুরি) রিজেণ্ট বোর্ডের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. নভেম্বর ২০২১ ০৩:১৬:এএম ৫ বছর আগে
দীর্ঘায়ুর গোপন রহস্য জানা গেল নতুন গবেষণায় - Ekotar Kantho

দীর্ঘায়ুর গোপন রহস্য জানা গেল নতুন গবেষণায়

একতার কণ্ঠঃ নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে, যেসব মানুষ প্রক্রিয়াজাত মাংস, রেডমিট, চিনি বেশি খান তাদের মৃত্যু ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় ২১ শতাংশ বেড়ে যায় এবং তাদের হৃদরোগের ঝুঁকিও অন্যদের তুলনায় বাড়ে ২২ শতাংশ।

নতুন গবেষণাটিতে আরো জানা গেছে, যারা খাদ্যশস্য, শিম জাতীয় খাবার, মাছ, সবজি বেশি খান তাদের মৃত্যু ঝুঁকি ও হৃদরোগের হার যথাক্রমে ১৭ শতাংশ ও ২৮ শতাংশ কমে যায়। গবেষণাপত্রটি আমেরিকান জার্নাল ‘সার্কুলেশন’ এ প্রকাশিত হয়েছে।

খাবার ও দীর্ঘায়ুর সম্পর্ক: স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও গবেষকরা বার বার এটা বলে আসছেন- আমরা যা খাই, তার সঙ্গে সার্বিক সুস্থ থাকার ব্যাপারটা জড়িত। নতুন প্রকাশিত গবেষণাটির জন্য গবেষকরা বিশ্বের সেসব এলাকায় জরিপ চালিয়েছেন যেখানে মানুষ বেশি দিন বাঁচে। আর সেই গবেষণায় জানা গেছে সেসব এলাকার মানুষ সবাই প্রায় একই ধরনের খাবার খান, যা তাদের দীর্ঘায়ুর গোপন রহস্য। বিশ্বের সেসব এলাকাকে ব্লু জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। সেখানকার মানুষরা সাধারণত শিম জাতীয় খাবার বেশি খান।

ব্লু জোন ডায়েট কী?: ব্লু জোন হলো বিশ্বের কয়েকটি স্থান যেখানকার মানুষ স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করেন ও যাদের আয়ু বেশি হয়। সেসব এলাকার মধ্যে আছে- গ্রিসের ইকারিয়া দ্বীপ, ইতালির সার্ডিনিয়া, জাপানের ওকিনাওয়া, কোস্টারিকার নিকোয়া উপত্যকা। সেখানকার মানুষদের খাদ্য তালিকায় আছে উদ্ভিজ্জ খাবার, যাতে প্রতিদিনের খাবারের ৯৫ শতাংশই হয় সবজি, ফল, খাদ্যশস্য ও শিমজাতীয় খাবার। ব্লু জোন এলাকার মানুষজন সাধারণত মাংস, দুধ ও চিনি জাতীয় খাবার ও কোমল পানীয় পরিহার করেন। প্রক্রিয়াজাত খাবারও খান না সেসব এলাকার মানুষ।

শিম জাতীয় খাবার কীভাবে আয়ু বাড়ায়?: ব্লু জোন এলাকার মানুষরা সাধারণত প্রতিদিন এক কাপ পরিমাণ শিম জাতীয় খাবার খেয়ে থাকেন। শিম জাতীয় খাবার যেমন- শিম, মটর, ছোলা আর ডাল খান ব্লু জোন এলাকার মানুষ। আর সেসব খাবারে প্রোটিন ও ফাইবার থাকে বেশি, চিনি ও ফ্যাট থাকে কম। প্রোটিন শরীরের মাংসপেশি তৈরি করে, ওজন ঠিক রাখে। আর ফাইবার হাইপার টেনশন, হজমের সমস্যা, ডায়াবেটিসের সমস্যা, হতাশা দূর করে। শিমে পলিফেনল নামের একটি শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে, গবেষকরা বলছেন আয়ু বাড়ার ক্ষেত্রে এটি বেশ সহায়ক।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. নভেম্বর ২০২১ ০৩:২৪:এএম ৫ বছর আগে
আর কবে ‘বড়’ হবে বাংলাদেশ? - Ekotar Kantho

আর কবে ‘বড়’ হবে বাংলাদেশ?

একতার কণ্ঠঃ ছেলেবেলার ভুল লোকে আমলে নেয় না। বরং আদরের ছলে পিঠ চাপড়ে বলে, ‘ছোট মানুষ, বড় হলে ঠিক হয়ে যাবে।’ কিন্তু ঠিক কত বড় হলে ‘সেসব’ ঠিক হয়ে যায়, সে বিষয়ে কেউ নিদান দেয় না। ধরে নেওয়া হয়, পূর্ণবয়স্ক হলে ঠিক হয়ে যাবে।

লোকসমাজের এই প্রথা বাংলাদেশ ক্রিকেটের সঙ্গেও বেশ মানানসই। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ভালো করতে পারছে না? হতাশ হবেন না। বড় হলে ঠিক হয়ে যাবে। ধৈর্য ধরুন।

সান্ত্বনাবাণী কিংবা সুনীলের ‘কেউ কথা রাখেনি’র নাদের আলীর মতো কবিতাসর্বস্ব প্রতিশ্রুতি নয়। মরাবাড়িতে আসা প্রতিবেশীদের বাস্তব পরামর্শের মতো নিতে পারেন কথাটা।

সেই প্রার্থনার ভাষা অনেকটাই জেমসের এই গানের কথার মতো—‘সবুজ ঘাসে/একা একা/শুধু পথচলা/সারারাত তারা দেখে/নির্ঘুম ডানা মেলা/বৃষ্টির আঁধারে/অবিরাম ভিজে চলা/সব ভুলে চিৎকারে/এসো হোক প্রার্থনা/বড় হও, দীর্ঘ হও, শুধু বেড়ে ওঠো, শুধু বেড়ে…।

একটা উদাহরণ দিই। দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে আজ ৯ ওভারের মধ্যে ৩৬ রান তুলতে ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। নিঃসন্দেহে ‘নস্টালজিক পারফরম্যান্স’। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ সর্বশেষ কোনো ম্যাচে ৯ ওভারের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়েছিল প্রথম সংস্করণে—২০০৭ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।

সে ম্যাচে ৯ ওভারের মধ্যে ৪৮ রান তুলতে ৫ উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ৮৩ রানে অলআউট। এই ১৪ বছর পেরিয়ে আজ বাড়ল ১ রান—মানে ৮৪ রানে অলআউট।

এবার একটি হিসেব কষা যাক। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের বয়স ১৫ বছর পেরিয়ে গেছে। সংস্করণটির দৈর্ঘ্য বিচারে টগবগে ‘যুবক’ বলাই যায়। তো, এই যুবক শৈশবে থাকতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৫ উইকেট হারানোকে কেউ ব্যর্থতার চোখে দেখেনি। ছোট মানুষ, বড় হলে ঠিক হয়ে যাবে—ভেবেছেন সবাই।

দুর্ভাগ্য, সব ভাবনা বাস্তবতার আলো দেখে না। উদাহরণ রয়েছে আমাদের আশপাশেই।

এই তো আমাদের লোকসমাজেই এমন অনেক মানুষ আছেন—যাদের বয়স পঞ্চাশ পেরিয়ে গেলেও মাথাটা আর বাড়ে না। নাবালকই থেকে যায়। সমাজে তাঁরা যেমন মশকরার পাত্র তেমনি দীর্ঘশ্বাসও ফেলা হয়।

তেমনি বাংলাদেশ দলও এই সংস্করণে ১৫ বছর পার করেও শৈশব (প্রথম বিশ্বকাপের স্মৃতি) ধরে রাখায় মশকরা করবেন না দীর্ঘশ্বাস ফেলবেন, তা একান্তই ব্যক্তিগত ব্যাপার। তবে বাস্তবতাকে এড়িয়ে চলার সুযোগ তো নেই। এই ম্যাচের বাস্তবতা বলছে, বাংলাদেশ দলের বয়স কমছে।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সে ম্যাচে ৮.১ ওভারে ৪০ রানে ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর অনেক জল গড়িয়েছে পদ্মা-মেঘনা-যমুনায়, বাংলাদেশ দল বড় হয়ে ওঠার বেগ বাড়াতে খেলোয়াড় পাল্টিয়েছে এন্তার, কিন্তু চাইলেই তো সব হয় না। তাহলে পৃথিবীতে ‘বুড়ো খোকা’ শব্দটা থাকত না। (সমর্থকদের) প্রার্থনায় কাজ হতো।

কিছু বিষয় তো ভাগ্যের হাতে—ঠিক যেভাবে বাবা-মায়ের শত প্রার্থনার পরও গায়ে-গতরে বেড়ে ওঠা সন্তানের বুদ্ধি-সামর্থ্য হয় না। অভিজ্ঞতার যূপকাষ্ঠে পুড়ে অঙ্গার হওয়া মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহর চেয়ে তা কে ভালো বুঝবে!

২০০৭ বিশ্বকাপের সে ম্যাচের দল থেকে শুধু তিনজন খেলোয়াড় এখনো টিকে আছেন টি-টোয়েন্টি দলে। এদের একজন চোটে পড়ে বিদায় নিয়েছেন এবারের বিশ্বকাপ থেকে। বাকি নাম দুটো না বললেও চলছে। শুধু তাঁদের বুদ্ধিমানের মতো কাজগুলো দেখুন।

প্রতি ম্যাচ হারের পর মুশফিক-মাহমুদউল্লাহর সব রকম কথার অন্তর্নিহিত বার্তা একটাই—‘চেষ্টা তো করছি কিন্তু হচ্ছে না।’ অর্থাৎ, ভাগ্য—সেই বুড়ো খোকার ভাগ্য! শরীর ও বয়স বাড়লেও মনের তো বুদ্ধি কমছে। মুশফিক নিজে তা স্পষ্ট করে বলতে পারছেন না বলেই হয়তো বুদ্ধি খাঁটিয়ে আয়নায় সবাইকে দেখে নিতে বলেছেন।

তেমন এক নস্টালজিক আয়নাতেই ধরা পড়ল সত্যটা—১৪ বছর আগের সে ম্যাচে ৮.১ ওভারে ৪০ রান তুলতে ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ১৪ বছর পর তেমনই এক ম্যাচে সেই ৮.১ ওভারেই বাংলাদেশের অর্জন ৫ উইকেটে ৩৪। সামর্থ্যের ‘বয়স’টা তাহলে বাড়ল না কমল?

মুশফিক-মাহমুদউল্লাহর মতো সিনিয়র খেলোয়াড়েরা যেহেতু সরাসরি বলতে পারছেন না, আনুষ্ঠানিক কথার ভাঁজে ‘গোপন বার্তা’ রেখে বোঝাতে হচ্ছে—দায়িত্বটা তাই কাঁধে তুলে নিয়েছে কচি-কাঁচার দল। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সে ম্যাচে ৮.১ ওভারে রান তোলার তাড়া সইতে না পেরে রানআউট হয়েছিলেন নাদিফ চৌধুরী। তখন তিনি দলের ‘নতুন কুঁড়ি’দের একজন, টি-টোয়েন্টিতে ভবিষ্যৎ হিসেবে ভাবা হয়েছে।

১৪ বছর পর আজকের ম্যাচে সেই একই পরিস্থিতিতে দলের মনের বয়সটা যে একই জায়গায় আছে, সেটাও বুঝিয়েছেন আরেক ‘নতুন কুঁড়ি’—আফিফ হোসেন।

ম্যাচ পরিস্থিতি কোনো বিষয় না, অনেকটাই বয়ঃসন্ধি কালের রোমাঞ্চের জ্বালা-পোড়া সইতে না পেরে বাংলাদেশ ক্রিকেটে টি-টোয়েন্টির ‘ভবিষ্যৎ’ প্রথম বলেই হাঁকিয়ে মারতে গিয়ে আউট।

কিন্তু এ কথাও সত্য, কেউ তো ইচ্ছে করে আউট হয় না। সমাজে যে লোকটা বুড়ো বয়সে কম বুদ্ধি-সামর্থ্যের বলি হয়ে প্রতিনিয়ত লাঞ্ছনা-গঞ্জনা সইছে, খোঁটা শুনছে —সে কী আর ইচ্ছে করে এসব করবে! মোটেও না। হয়ে যায়।

যেমন ধরুন, আজ আবুধাবির উইকেট—দক্ষিণ আফ্রিকা টস জেতার পর সবুজাভ উইকেট দেখে বোলিং নেন অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা। বোঝাই যাচ্ছিল, সবুজ উইকেটের পূর্ণ সদ্ব্যবহারে প্রস্তুত দুই পেসার কাগিসো রাবাদা ও আনরিখ নর্কিয়া।

প্রস্তুত ছিলেন মুশফিক-মাহমুদউল্লাহও। রাবাদা ও নর্কিয়ার লেংথ থেকে তোলা বলগুলো খেলতে দুজনের ঘাম ছুটলেও চেষ্টার কমতি ছিল না। কিন্তু ওই যে দুর্ভাগ্য, ব্যাটে খেলতে গিয়েও বলের ছল-চাতুরীর শিকার! ছুঁয়ে দিয়ে ‘আপন’ করেছে ফিল্ডারকে!

দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ দুই খেলোয়াড় ১৫-১৬ বছরের অভিজ্ঞতা নিয়েও যখন এমন বল সামলাতে পারেন না, তখন ছোটদের কথা না তোলাই ভালো।

সবচেয়ে বড় কথা হলো, কেউ তো আর ইচ্ছে করে খারাপ খেলে না, ক্যাচ ছাড়ে না, আউট হয় না। সবই অনিচ্ছাকৃত ভুল। হয়ে যায়। ব্যাপারটা এমনই ‘প্রাকৃতিক’—আর কে না জানে প্রকৃতির খেয়াল-খুশির ওপর কারও হাত নেই। এই কথাটা খেলোয়াড়েরা বুঝলেও অবুঝের মতো আচরণ করছেন শুধু সমর্থকেরা।

সব ম্যাচেই শুধু চাই, চাই আর চাই। আরে ভাই, বিধিলিপি বলেও তো কিছু আছে! সেই ‘লিপি’র তোয়াক্কা না করে খেলোয়াড়দের এন্তার সমালোচনার হেতু কি? মাহমুদউল্লাহই বলেছেন,খেলোয়াড়েরাও তো মানুষ! আর মানুষ মাত্রই ভাগ্যের শৃঙ্খল-বন্দী।

বোকা সমর্থকেরা তা না বুঝেই প্রতি হারের পর মা-বাবা যেমন সন্তানদের শাসন করেন, খেলোয়াড়দের সেভাবে ‘শাসন’ করে আবার প্রার্থনায় বসেন পরের ম্যাচের জন্য।

সেই প্রার্থনার ভাষা অনেকটাই জেমসের এই গানের কথার মতো—‘সবুজ ঘাসে/একা একা/শুধু পথচলা/সারারাত তারা দেখে/নির্ঘুম ডানা মেলা/বৃষ্টির আঁধারে/অবিরাম ভিজে চলা/সব ভুলে চিৎকারে/এসো হোক প্রার্থনা/বড় হও, দীর্ঘ হও, শুধু বেড়ে ওঠো, শুধু বেড়ে…।

হ্যাঁ, শুধুই বেড়ে ওঠা। আর কিছু না!

সংবাদ সূত্রঃ প্রথম আলো অনলাইন

ছবিঃ রাইজিং বিডি

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. নভেম্বর ২০২১ ০২:২০:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কবিরাজের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কবিরাজের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে আবদুল লতিফ (৪০) নামের এক কবিরাজের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। উপজেলার হামিদপুর এলাকা থেকে  রবিবার (১ নভেম্বর) বিকেলে পুলিশ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে। লতিফ ওই এলাকার বাসিন্দা। তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়ের রয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা সোহরাব হোসেন বাদী হয়ে সখীপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে জানা গেছে, লতিফ দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় কবিরাজি চিকিৎসা করতেন। কিছুদিন আগে থেকে তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। রবিবার সকালের খাবার খেয়ে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। পরে বেলা ১১টার দিকে উক্ত এলাকার একটি আম গাছে তাঁর লাশ  ঝুলতে দেখা যায়। কয়েকজন তাঁর লাশ দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে তার লাশ উদ্ধার করে।

সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জয়নাল আবেদীন জানান, ‘প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা মনে হয়েছে। এ বিষয়ে পরিবারের কারও কোনো অভিযোগ না থাকায় সুরতহাল তদন্তের পর লাশটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. নভেম্বর ২০২১ ০২:০৭:এএম ৫ বছর আগে
উপ-নির্বাচনে জহুরুল ইসলাম আজাদ কাউন্সিলর নির্বাচিত - Ekotar Kantho

উপ-নির্বাচনে জহুরুল ইসলাম আজাদ কাউন্সিলর নির্বাচিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডে উপ-নির্বাচনে ২ হাজার ২৬৬ ভোট পেয়ে জহুরুল ইসলাম আজাদ (পানির বোতল) বেসরকারিভাবে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী মোশারফ হোসেন (ডালিম) পেয়েছেন ১ হাজার ৯২৮ ভোট।মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচমএম কামরুল হাসান তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে দুটি কেন্দ্র দুই ম্যাজিষ্ট্রেট সহ পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল হাসান জানান, ৭ হাজার  ২৭৬ জন ভোটারের মধ্যে ৪ হাজার ৯৩৫ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্বাচনে ৬৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।

এর মধ্যে জহুরুল ইসলাম আজাদ (পানির বোতল) পেয়েছেন ২ হাজার ২৬৬ ভোট, মোশারফ হোসেন (ডালিম) পেয়েছেন ১ হাজার ৯২৮ ভোট, মীর মঈনুল হক লিটন (উটপাখি) পেয়েছেন ৭২৫ ভোট, হাবিবুল হাসান কনক (পাঞ্জাবি) পেয়েছেন ১০ ভোট ও আমির হোসেন (টেবিল ল্যাম্প) পেয়েছেন ৬ ভোট। এছাড়াও ৩১ টি ভোট বাতিল ঘোষনা করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২০ জুন হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে কাউন্সিলর আনোয়ার সাদাৎ তানাকা মৃত্যুবরণ করেন। তারপর থেকে এই ওয়ার্ডটি শূন্য ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. নভেম্বর ২০২১ ০১:৪০:এএম ৫ বছর আগে
হাড়ের ক্ষতি হতে পারে যেসব খাবারে - Ekotar Kantho

হাড়ের ক্ষতি হতে পারে যেসব খাবারে

একতার কণ্ঠঃ বর্তমানে হাড়ের সমস্যা অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। বিশেষ করে বয়স বেড়ে গেলে এ সমস্যাটি আরও বেশি হয়ে ওঠে। এর কারণ হচ্ছে— বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে হাড়ও ক্ষয় হতে থাকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্যালসিয়াম ও ফসফেট এমন দুটি খনিজ, যা স্বাভাবিক হাড় গঠনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আমাদের বাড়ন্ত বয়সে ও যৌবন সময়ে শরীর হাড় গঠন করতে এ খনিজগুলো কাজ করে।

এমনও অনেক খাবার আছে যেগুলো হাড়ের ক্ষতি করে। সচেতন হতে আজ জানুন এমন কিছু খাবার যেগুলো হাড়ের ক্ষতি করে-

১. লবণ
অতিরিক্ত লবণ খেলে শরীরে ক্যালসিয়াম কমে যেতে পারে। আমাদের শরীরে প্রতিদিন ২৪০০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম প্রয়োজন। আমরা যে কেবল খাবার লবণের মাধ্যমে সোডিয়াম গ্রহণ করি তা কিন্তু নয়। কিছু খাবারে প্রাকৃতিকভাবে লবণ থাকে, যার ফলে শরীরে অতিরিক্ত সোডিয়াম চলে আসতে পারে। তাই ক্যালসিয়ামের ক্ষতি এড়াতে পরিমিত পরিমাণে লবণ খেতে হবে।

২. সোডা
মিষ্টিযুক্ত কোমল পানীয় ও বায়ুযুক্ত পানীয় শরীরে ক্যালসিয়ামের ক্ষয় ঘটায় এবং তা প্রস্রাবের সঙ্গে বের হয়ে যায়। এসব পানীয়তে ফসফরিক অ্যাসিড থাকায় তা ক্যালসিয়ামের দ্রুত ক্ষতি হতে পারে।

৩. ক্যাফেইন
প্রতিদিন ১০০ মিলিগ্রামের বেশি ক্যাফেইন শরীরে গেলে তা কিছু ক্যালসিয়ামের ক্ষতি করতে পারে। শুধু কফির মাধ্যমেই শরীরে ক্যাফেইন খাওয়া হয় তা কিন্তু নয়। বরং কিছু আইসড টি, এনার্জি ড্রিংকস এবং অন্যান্য পানীয়র মাধ্যমেও ক্যাফেইন শরীরে যেতে পারে।

৪. অ্যালকোহল
অ্যালকোহল শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণকে বাধা দেয় এবং হাড় গঠনের খনিজগুলোকে সঠিকভাবে শোষণ করতে বাধা দেয়। এর কারণে হাড় দ্রুত দুর্বল হয়ে যায়। এ ছাড়া হাড় ফ্রাকচার হলে তা নিরাময়ের সময় সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে অ্যালকোহল।

সংবাদ সূত্র- যুগান্তর আনলাইন

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. নভেম্বর ২০২১ ০২:২১:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু বলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন মুক্তিযোদ্ধা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু বলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন মুক্তিযোদ্ধা

একতার কন্ঠঃ রবিবার(৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টা। টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার আমতৈল পূর্বপাড়া গ্রামে ২নং বহেড়াতৈল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের নৌকা মার্কার পথসভা চলছিল। পথসভায় সভাপতিত্ব করছিলেন ওই এলাকারই বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল মালেক (মেলেটারী)।সভাপতির নির্ধারিত বক্তব্য দিচ্ছিলেন আবদুল মালেক। বক্তব্যের শেষে জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু বলেই তিনি বসে পড়লেন। ঢলে পড়লেন মৃত্যুর কোলে।

ওই পথসভায় উপস্থিত একাধিক কর্মী সমর্থক জানান, বক্তব্যের শেষে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু বলেই বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল মালেক দ্রুত বসে পড়েন।বসে পড়ার পাঁঁচ মিনিটের মধ্যেই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন এবং সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন। পরে সভায় উপস্থিত নেতাকর্মীরা তাঁকে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকও তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল মালেকের এমন মৃত্যুতে পরিবার, এলাকা ও মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেকের ছেলে কাদের হাসান জানান, বাবা অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। আজন্ম বঙ্গবন্ধুর ভক্ত ছিলেন তিনি।জয় বাংলা এবং বঙ্গবন্ধুর স্লোগান দিতে দিতেই তাঁর মৃত্যু হলো।

আবেগে আপ্লুত কাদের হাসান আরও বলেন, স্বপ্নেও ভাবিনি বাবার মুখে এটাই ছিলো আমাদের শোনানোর মতো শেষ কথা!
ওই পথসভায় উপস্থিত উপজেলা আওয়ামীলীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নজরুল ইসলাম নবু বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক আওয়ামী লীগের একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন। মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তেও তিনি যে বক্তব্য রেখে গেছেন, তা অবশ্যই আমাদের জন্য অনুসরণীয় ও অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ( ১ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল মালেক মেলেটারীর লাশ দাফন করা হবে।
৬০০

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. নভেম্বর ২০২১ ১১:২২:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আলোচিত তিন হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আলোচিত তিন হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দিগড় ইউনিয়নের কাশতলা দক্ষিণ পাড়া গ্রামের খামারপাড়া এলাকার সৌদি প্রবাসী জয়েন উদ্দিনের বাড়ি থেকে শনিবার(৩০ অক্টোবর) দুই নারীসহ তিনজনের লাশ উদ্ধারের ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ।

তাৎক্ষণিক তদন্ত ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে শনিবার বিকালে টাঙ্গাইলের নবাগত পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, ‘ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় আমরা রহস্য উদ্ঘাটন করতে সক্ষম হয়েছি। প্রবাসী জয়েন উদ্দিনের স্ত্রী সুমি আক্তার ও তার শাশুড়ি জমেলা বেগমকে হত্যার পর পরকীয়া প্রেমিক শাহজালাল নিজেই আত্মহত্যা করেছেন।’

ওই সময় কাশতলা গ্রামের সৌদি প্রবাসী জয়েন উদ্দিনের বসতঘর থেকে তার স্ত্রী সুমি আক্তার(২৫), জয়েন উদ্দিনের মা জমেলা বেগম(৫৫) এবং পরকীয়া প্রেমিক শাহজালাল ইসলাম সোহাগের(৩০) রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করা হয়।

মুমূর্ষু অবস্থায় জয়েন উদ্দিনের চার বছরের ছেলে সাফিকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সুমি আক্তারের পরকীয়া প্রেমিক শাহ জালালের বাড়ি কালিহাতী পৌরসভার সাতুটিয়া এলাকায়। তিনি সাতুটিয়ার সোহরাব আলীর ছেলে।

গৃহবধূ সুমি আক্তার ঘাটাইলের কাশতলা দক্ষিণ পাড়া সুতার বাড়ির জিন্নত আলীর মেয়ে। সুমি ও শাহ জালালের লাশ প্রবাসী জয়েন উদ্দিনের বসত ঘরের বিছানার ওপর এবং জমেলা বেগমের লাশটি ঘরের মেঝেতে পড়েছিল। তিন জনের লাশ উদ্ধার হওয়া বসত ঘরের দেয়ালে নিহতদের রক্ত দিয়ে বার্তা লেখা ছিল- ‘এমনটা হত না যদি আমার সুমী আমার কাছে থাকত, এই সবকিছুর জন্য সুমীর বাবা দায়ী’।

পুলিশ সুপার বলেন, ‘বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জের ধরে সুমি ও শাহজালাল পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে। প্রায় পাঁচ মাস তারা ঘর-সংসার করে। এরপর সুমির বাবা জিন্নত আলী তাদের দাওয়াত দিয়ে ডেকে এনে সুমিকে বাড়িতে রেখে দেয়। ওই সময় সুমি অন্তঃসত্তা ছিল।

পরে তার গর্ভে থাকা সন্তান নষ্ট করার শর্তে সুমির আগের স্বামী জয়েন উদ্দিন বিদেশ থেকে দেশে ফিরে সুমিকে আবার তার কাছে ফেরত নেন। এর কিছুদিন পর জয়েন উদ্দিন আবার বিদেশে চলে যান। সন্তান নষ্ট করায় সুমির সাবেক স্বামী অর্থাৎ পরকীয়া প্রেমিক শাহজালাল ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।’

তিনি বলেন, ‘সুমির স্বামী জয়েন উদ্দিন বাড়িতে না থাকায় শাহজালাল মাঝে মধ্যেই সুমির শশুরবাড়িতে আসত। ঘরের বারান্দার লোহার গ্রিলের চাবিও ছিল শাহজালালের কাছে। পরে শুক্রবার(২৯ অক্টোবর) দিনগত রাতে শাহজালাল সুমির ঘরে প্রবেশ করে।

একপর্যায়ে ছুরি দিয়ে তার সাবেক স্ত্রী সুমি ও সুমির শাশুড়িকে হত্যা করে। এসময় সুমির শিশু সন্তানকে সাফিকেও হত্যার চেষ্টা করে। এরপর শাহজালাল নিজেই আত্মহত্যা করে।’

তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধারকৃত ছুরি সহ বিভিন্ন আলামত ঘেটে আমরা বিষয়টির রহস্য উদ্ঘাটন করতে পেরেছি। তারপরও ঘটনাটির অধিকতর তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. অক্টোবর ২০২১ ০৯:১৯:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আলোচিত তিন হত্যাকান্ডের ঘটনায় মামলা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আলোচিত তিন হত্যাকান্ডের ঘটনায় মামলা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে চাঞ্চল্যকর তিন হত্যাকান্ডের ঘটনায় অজ্ঞাতদের আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার(৩০ অক্টোবর) রাতে নিহত জামেলা বেগমের বড় ছেলের স্ত্রী শাহানাজ বেগম বাদি হয়ে ঘাটাইল থানায় ওই মামলা দায়ের করেন। তবে এখনো পর্যন্ত মামলার কোন আসামী গ্রেফতার হয়নি।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আজহারুল ইসলাম জানান, শনিবার রাতে নিহত জামেলা বেগমের বড় ছেলের বউ শাহনাজ বেগম বাদি হয়ে অজ্ঞাতদের আসামী করে একটি হত্যা মামলা করেছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আলোচিত হত্যাকান্ডের দ্রুত রহস্য উন্মোচন করা হবে।

উল্লেখ্য,শনিবার সকালে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে একটি বাসা থেকে দুই নারীসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘাটাইল উপজেলার দিঘর ইউনিয়নের কাশতলার খামারপাড়া এলাকা থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতরা হলো-ওই গ্রামের জয়েন উদ্দিনের স্ত্রী সুমি (৩০) জয়েনের মা জমেলা বেগম (৬৫) ও কালিহাতী উপজেলার সহবতপুর গ্রামের শাহজালাল (২৫)। এ ঘটনায় নিহত সুমির পাঁচ বছরের ছেলে শাফিকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. অক্টোবর ২০২১ ০৮:০৩:পিএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।