একতার কণ্ঠঃ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। বর্তমান সরকার বেআইনীভাবে ক্ষমতায় থেকে বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার জন্য আইন দেখাচ্ছেন। তিনি বলেন বেগম খালেদা জিয়া ৭১ সালে পাক সেনাদের হাতে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে ছিলেন। তাই বেগম খালেদা জিয়া দেশের প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা।
বুধবার(২২ ডিসেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল জেলা সদর মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে এই মুর্হুতেই চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানো দরকার। আমরা বারবার বলেছি এটা মানবিক কারণে তাঁকে বিদেশে যেতে বাঁধা দিবেন না। কিন্ত তারা সে কথা শুনলেন না। যদি এই কারণে তাঁর মৃত্যু হয় তার দায়দায়িত্ব সরকারকেই বহন করতে হবে। তিনি বলেন, এই সরকার অর্থনীতিকে ধ্বংস করেছে, চুরি করে লুটপাট করে দেশের টাকা বিদেশে পাঠাচ্ছে।
বিএনপির ৩৫ লক্ষ নেতাকর্মীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে নির্যাতন করে গুম হত্যার মাধ্যমে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। এ থেকে পরিত্রানের জন্য দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

জেলা বিএনপির আহবায়ক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এডভোকেট আহমেদ আযম খানের সভাপতিত্বে অন্যান্যে মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিএনপির সহ-সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান, ঢাকা বিভাগীয় বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, বিএনপির পল্লী উন্নয়ন সম্পাদক এডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী, শিশু বিষযক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, যুবদলের কেন্দ্রী সাধারণ সম্পাদক সুলতালন সালাহউদ্দিন টুকু, নির্বাহী কমিটির সদস্য স্বপন ফকির, ওবায়দুল হক নাসির ও টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল প্রমুখ।
সমাবেশ পরিচালনা করেন জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীতি প্রার্থীসহ ৪ জনের মনোনয়ন পত্র বাতিল করা করেছে। সোমবার(২০ ডিসেম্বর) রিটানিং কর্মকতা তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। এরা হলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী খান আহমেদ শুভ, বাংলাদেশ বৈরাবরি পার্টির পীর সৈয়দ আলমগীর হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল ইসলাম ও আরজু মিয়া।
এর আগে এ নির্বাচনে ৭ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলো।
নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ঋণ খেলাপির দায়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী খান আহমেদ শুভ, এছাড়া ১ শতাংশ ভোটার তালিকায় গড়মিল থাকায় বাংলাদেশ বৈরাবরি পার্টির প্রার্থী পীর সৈয়দ আলমগীর হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল ইসলাম ও আরজু মিয়ার মনোনয়ন পত্র বাতিল করা হয়।
এ ব্যাপারে নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল হাসান বলেন, যাচাই বাছাই শেষে ওই ৪ জনের মনোনয়পত্র বাতিল করা হয়েছে। যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে তারা আপিল করার সুযোগ পাবেন।
তিনি আরো জানান, যাদের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে তারা হলেন, জাতীয় পার্টির জহিরুল ইসলাম জহির, বাংলাদেশ ওয়ার্কাস পার্টির গোলাম নওজেব চৌধুরী, বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির রুপা রায় চৌধুরী। এই উপনির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে ময়মনসিং আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা শাহেদুন্নবী চৌধুরী।
উল্লেখ, গত ১৬ নভেম্বর এ আসনের সংসদ সদস্য একাব্বর হোসেন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। ৩০ নভেম্বর এই আসনটি শূণ্য ঘোষণা করে নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৫ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই ২০ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৭ ডিসেম্বর। আগামী ১৬ জানুয়ারি এই আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও হুগড়া ইউনিয়নের দুইবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান মো. তোফাজ্জল হোসেন খান তোফাকে হত্যার উদ্দেশ্যে সর্বহারা বাংলা ভাই কর্তৃক পরিচালিত আক্রমন করার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
সোমবার (২০ ডিসেম্বর)সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে হুগড়া ইউনিয়ন বাসীর আয়োজনে ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেন হুগড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ তোফাজ্জল হোসেন খান।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল সদর থানা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিরুল ইসলাম খান, সাধারণ সম্পাদক ও হুগড়া ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থী তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. হযরত আলী, হুগড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম হোসেন গোলাপ, সাধারণ সম্পাদক জাফর আহম্মেদ প্রমুখ।
মানববন্ধনে চেয়ারম্যান প্রার্থী তোফা বলেন, নৌকার প্রতীক দিয়ে নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগকালে অপর চেয়ারম্যান প্রতিদ্বন্দ্বি তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমন করে এবং আমার সাথে থাকা কর্মীদের উপর হামলা করে। তাদের হামলায় তিনজন কর্মী আহত হয়। তিনি এবিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দায়ের করছেন। তিনি নিরাপত্তাহীনতায় দিন যাপন করছেন।
এরপর তিনি প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন। এসময় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীসহ হুগড়া ইউনিয়নের সমর্থীতরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে পদে চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মী সমর্থকদের উপর হামলা ও নির্যাতন করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে নৌকা প্রার্থীর বিরুদ্ধে।
রবিবার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়। হুগড়া ইউনিয়নবাসীর ব্যানারে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ওই ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নূর এ আলম তুহিন। তিনি জানান, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অপর নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা নিজে নেতৃত্ব দিয়ে তার কর্মী সমর্থকদের উপর বিভিন্ন সময় হামলা, নির্যাতন করছেন। তার হামলার শিকার হয়ে অন্তত আটজন গুরুতর আহত হয়েছেন। মৈশা গ্রামের তোফাজ্জলকে বেধড়ক পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেয়া হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিনি এখন ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হামলার শিকার হয়ে আরেকজনের মাথার খুলি ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে পড়েছিল। তাকেও ঢাকায় চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তিনি এখন চোখে দেখতে পান না এবং তার স্মৃতিশক্তি নষ্ট হয়ে গেছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৫ ডিসেম্বর চরহুগড়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছয় বছরের শিশুপুত্রকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়। এতে তার মাথা ফেটে যায়। এছাড়াও আরো অনেককে নানাভাবে হুমকি দেয়া হচ্ছে। এভাবে ভোটারদের মধ্যে ভয়-ভীতি সৃষ্টি করা হচ্ছে।
এসব অভিযোগ জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য টাঙ্গাইল সদর মডেল থানায় ও নির্বাচন অফিসে লিখিত আবেদন করা হয়েছে বলে জানান মো. নূর এ আলম তুহিন। একই সাথে নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার জন্য পরিবেশ সৃষ্টি করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ারও সহায়তা চেয়েছেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোর্শেদ আলম দুলাল, শেরপুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ (অবঃ) আব্দুর রাজ্জাক, সরকারি এম এম আলী কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক শামসুল হুদা, টাঙ্গাইল জেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও হাবিব কাদের উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামীম আল মামুন জুয়েল, টাঙ্গাইল পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মির্জা রনি আহম্মেদ রিংকু, ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মৈশা গ্রামের তোফাজ্জলের মা নূর জাহানসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে সভাপতি পদে এ্যাডভোকেট জাফর জাফর আহমেদ (যুগান্তর), সাধারণ সম্পাদক পদে কাজী জাকেরুল মওলা (আরটিভি) প্যানেলের বিজয়ী হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ ডিসেম্বর)অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিজয়ী অন্যান্যরা হলেন, সহ-সভাপতি এম এ ছাত্তার উকিল (মৌবাজার) ও একরামুল হক খান তুহিন (মাছরাঙা টিভি), যুগ্ম সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিন (বাংলাদেশ প্রতিদিন) ও ইফতেখারুল অনুপম (জনকণ্ঠ), ক্রীড়া সম্পাদক খন্দকার মাসুদুল আলম (মজলুমের কণ্ঠ), সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক কাজী তাজ উদ্দিন রিপন (একুশে টিভি), দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক অরণ্য ইমতিয়াজ (কালেরকণ্ঠ),কোষাধ্যক্ষ পদে আব্দুর রহিম(সমকাল)কার্যনির্বাহীর সদস্যরা হলেন, ড. মো. কামরুজ্জামান (নিউনেশন), শামীম আলম মামুন (যমুনা টিভি), মামুনুর রহমান মিয়া (ইন্ডিপেনডেন্ট টিভি), কাজী হেমায়েত হোসেন হিমু (সময় তরঙ্গ) ও সাহাবউদ্দিন মানিক (দি ফিনাশিয়াল এক্সপ্রেস)।
নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বি করেন কাজী জাকেরুল মওলা (আরটিভি) ও মহব্বত হোসেন (এনটিভি)। এতে ৩৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন কাজী জাকেরুল মওলা (আরটিভি) আর মহব্বত হোসেন পেয়েছেন ২১ ভোট। যুগ্ম সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মো. নাসির উদ্দিন (বাংলাদেশ প্রতিদিন), ইফতেখারুল অনুপম (জনকণ্ঠ) ও মহিউদ্দিন সুমন (জিটিভি)। এ উভয়ে ৩৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মো. নাসির উদ্দিন (বাংলাদেশ প্রতিদিন) ও ইফতেখারুল অনুপম (জনকণ্ঠ)। সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে ৩৩ ভোট পেয়ে বিজয় হয়েছেন কাজী তাজ উদ্দিন রিপন (একুশে টিভি)।

টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত পরিষদ
তার প্রতিদ্বন্দ্বি শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা পেয়েছেন ২৩ ভোট। এছাড়াও কার্যনির্বাহী সদস্য পদে ৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এ পদে ৫জন বিজয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে ৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন ড. মো. কামরুজ্জামান (নিউনেশন), শামীম আলম মামুন (যমুনা টিভি) পেয়েছেন ৪৯ ভোট, মামুনুর রহমান মিয়া (ইন্ডিপেনডেন্ট টিভি) পেয়েছেন ৪৫ ভোট, কাজী হেমায়েত হোসেন হিমু (সময় তরঙ্গ) পেয়েছেন ৪৩ ভোট আর সাহাবউদ্দিন মানিক (দি ফিনাশিয়াল এক্সপ্রেস) পেয়েছেন ৩৬ ভোট।
এর আগে সভাপতি পদে এ্যাডভোকেট জাফর জাফর আহমেদ (যুগান্তর), সহ-সভাপতি এম এ ছাত্তার উকিল (মৌবাজার) ও একরামুল হক খান তুহিন (মাছরাঙা টিভি), ক্রীড়া সম্পাদক খন্দকার মাসুদুল আলম (মজলুমের কণ্ঠ), দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক অরণ্য ইমতিয়াজ (কালেরকণ্ঠ) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন মো. হারুন-অর-রশিদ আর কমিশনার পাবলিক প্রসিকিউটর এস আকবর খান ও অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে।
এর আগে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত চলে এর ভোট গ্রহণ। নির্বাচনে ৬৭ টি ভোটের ৬৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এর মধ্যে চারটি ভোট বাতিল করে নির্বাচন কমিশন।
একতার কণ্ঠ: মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার(১৬ ডিসেম্বর) সকাল ৮.০৫ মিনিটে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও সম্মান প্রদর্শন, পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু করা হয়।
এর পর ভাইস-চ্যান্সেলর (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান ও কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোঃ সিরাজুল ইসলাম এর নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে বিজয় র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে প্রত্যয়-৭১ এর সামনে গিয়ে শেষ হয়। এসময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে ভাইস-চ্যান্সেলর (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান ও কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোঃ সিরাজুল ইসলাম পুস্পস্তবক অর্পণ করেন।
পরে শহীদদের স্মরণে ভাইস-চ্যান্সেলরের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার, অনুষদ, বিভিন্ন হল, বিভাগ, ভাসানী রিসার্চ সেন্টার, আই কিউ এ সি, অফিসার্স এসোসিয়েশন, ৩য় শ্রেণী কর্মচারী সমিতি, ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতি, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, ভাসানী পরিষদ, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ, বাঁধন, ধ্রুবতারা সহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষথেকেও প্রত্যয়-৭১ এর পাদদেশে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

দিনের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ছিল ছাত্রদের মোরগ লড়াই ও গোলক নিক্ষেপ, ছাত্রীদের জন্য হাঁড়ি ভাঙ্গা ও মিউজিক্যাল চেয়ার, শিক্ষিকা ও মহিলা কর্মকর্তাদের জন্য পিলো পাসিং, বাচ্চাদের জন্য দৌড় ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, শিক্ষক, কর্মকর্তা, ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের জন্য ভলিবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
এছাড়া স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী এবং মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক পরিচালনায় সকল ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অংশগ্রহণে শপথ অনুষ্ঠান বিকাল ৪ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয়।
সকল কর্মসূচিতে অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, হল প্রভোষ্ট, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, প্রক্টর, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন অংশগ্রহণ করেন।বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল আয়োজন করা হয় এবং গোবিন্দ মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যে দিয়ে টাঙ্গাইলে বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। স্বাধীনতার ৫০ বছরের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে শহর জুড়ে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর) সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে ৫০ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিনের কর্মসূচী। পরে জেলা সদরে অবস্থিত “শহীদ বেদীতে” ফুল দিয়ে ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধ জানান জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি।
এরপর জেলা পুলিশের পক্ষে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষে সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠন ও সর্বস্তরের জনগণ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয় শহরের জেলা সদর রোড়ে অবস্থিত শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানের শহীদ বেদীতেও।
সকাল ৮টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এ সময় বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে অংশগ্রহণকারী এবং বিজয়ীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়েছে।
অপরদিকে,সকাল ১১টায় মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দিনব্যাপী ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, মসজিদ-মন্দিরে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা, জেলখানা, হাসপাতাল, এতিমখানায় উন্নতমানের খাবার পরিবেশন, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শন, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের ধেরুয়ায় অবস্থিত নাসির গ্লাসওয়্যার অ্যান্ড টিউব ইন্ডাস্ট্রিজ কারখানায় সংঘটিত অগ্নিকান্ড নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিটের ৬০ কর্মী ও ২০ স্বেচ্ছাসেবক দীর্ঘ ১৪ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বুধবার(১৫ ডিসেম্বর) দিনগত রাত ১১টার দিকে ওই কারখানায় আগুন লাগে। বৃহস্পতিবার(১৬ ডিসেম্বর) দুপুর সোয়া দুইটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সহকারী পরিচালক মো. রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নাসির গ্লাসওয়্যার অ্যান্ড টিউব ইন্ডাস্ট্রিজ কারখানার সহকারী মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. জয়নাল আবেদীন জানান, কারখানার বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রচুর মালামাল ও যন্ত্রাংশ আগুনে ছাই হয়ে গেছে। হিসাব না করে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ জানানো যাচ্ছেনা। তবে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানান তিনি।

ফায়ার সার্ভিস ও কারখানা সূত্রে জানাগেছে, বুধবার রাত ১১টার দিকে কারখানার দোতলা ভবনের নিচতলার ফিনিশড গুডস ওয়্যারহাউসের (তৈরি মালামাল প্যাকেট করে রাখার স্থান) উত্তর-পূর্ব কোণায় অজ্ঞাত কারণে হঠাৎ আগুন লাগে। এ সময় দ্বিতীয় তলায় প্রায় দেড়শ’ শ্রমিক কাজ করছিলেন। আগুন দেখে তারা দৌঁড়ে নিচে নামেন। তাড়াহুড়া করে দৌঁড়ে নামতে গিয়ে কয়েক শ্রমিক সামান্য আহত হন। এর মধ্যে কাদের মিয়া নামে এক শ্রমিককে মির্জাপুরের কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ওই কারখানার শ্রমিক জয়নুল আবেদীন ও কালাম জানান, বুধবার রাতে তারা ওই ভবনের পাশের মাঠে ভলিবল খেলছিলেন। রাত ১১টার দিকে শ্রমিকদের চিৎকার শুনে তারা দৌঁড়ে ভেতরে যান। তাৎক্ষণিকভাবে তারা কারখানার ভেতরে রাখা পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। কিন্তু দ্রুত আগুন চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে।

টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মো. রেজাউল করিম জানান, আগুন লাগার কিছুক্ষণ পর তারা জানতে পেরে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। টাঙ্গাইল, মির্জাপুর, এলেঙ্গা, ঘাটাইল, সখীপুর, বাসাইল ও গাজীপুরের কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিটের ৬০ কর্মী ও ২০ স্বেচ্ছাসেবক অক্লান্ত পরিশ্রম করে বৃহস্পতিবার(১৬ ডিসেম্বর) দুপুর সোয়া দুইটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। কারখানায় দাহ্যবস্তু হিসেবে ম্যাটেরিয়ালস, প্যাকিং বক্স থাকায় ও গোডাউনটি কয়েক লাখ স্কয়ার ফুটের হওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দীর্ঘ সময় লেগেছে। কেন- কী কারণে আগুন লেগেছে তা তাৎক্ষণিকভাবে তিনি জানাতে পারেন নি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী খান আহমেদ শুভ। তিনি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একুশে পদকপ্রাপ্ত বীরমুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুকের একমাত্র ছেলে ও দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিবিসিআই’র পরিচালক। ফজলুর রহমান খান ফারুক আওয়ামীলীগের পক্ষে এই আসনে ১৯৭১ সালে নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়ী হন।
বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সাহিদুল নবী চৌধুরীর কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি। এ সময় জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এইচ এম কামরুল হাসান, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি মির্জাপুর উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়েও মনোনয়নপত্র জমা দেন।
নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগের খান আহমেদ শুভ ছাড়াও জাতীয় পার্টির জহিরুল ইসলাম জহির, বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির রুপা রায় চৌধুরী, বাংলাদেশ বৈরাবরি পার্টি থেকে পীর সৈয়দ আলমগীর হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল ইসলাম ও আরজু মিয়া মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর থেকে খান আহমেদ শুভ ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ভোট প্রার্থনা করছেন। চায়ের দোকান, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্লাব, হাটবাজারে নির্বাচন বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। নির্বাচিত হতে নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। সকাল থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত ভোট প্রার্থনা করছেন। সরকার দলীয় প্রার্থী বর্তমান সরকারের উন্নয়নচিত্র তুলে ধরছেন ভোটারদের মাঝে।
স্থানীয় ভোটার রাশেদ হাসান বলেন, যে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে পারবে ও যাকে বিপদে পাশে পাওয়া যাবে এমন ব্যক্তিকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন। অপর ভোটার সফল বনিক বলেন, মির্জাপুরের অদূরে রাজধানী। যিনি মির্জাপুরকে রাজধানীর আদলে সাজাতে পারবেন, তাকে দলমত নির্বিশেষে ভোট দেবেন।
খান আহমেদ শুভ বলেন, ‘জনগণের সেবা ও দেশের উন্নয়নে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। দেশের চলমান উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে নৌকা প্রতীকের পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী নৌকাকে বিজয়ী করতে দলীয় নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। আওয়ামীলীগ থেকে তাকে মনোনীত করায় খান আহমেদ শুভ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
প্রসঙ্গত, গত ১৬ নভেম্বর এই আসনের সংসদ সদস্য একাব্বর হোসেন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ৩০ নভেম্বর এই আসন শূণ্য ঘোষণা করে নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৫ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই ২০ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৭ ডিসেম্বর। আগামী ১৬ জানুয়ারি ভোটগ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে কারাবন্দি ৯৭৬ জনকে করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) সকালে ওই টিকা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনি।
টাঙ্গাইল জেলা কারাগারের জেল সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান প্রমুখ।
জেল সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, টাঙ্গাইল কারাগারে ৫২ জন নারীসহ ১ হাজার ২৪৬ জন বন্দি আছেন। এদের মধ্যে বুধবার ৯৭৩ জনকে করোনার টিকা দেওয়া হয়। টিকা প্রাপ্তদের মধ্যে ৩৬ জন নারী ও ৯৩৭ জন পুরুষ রয়েছেন। স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে আসা আ্যাস্ট্রোজেনিকা ও সিনোফার্মার টিকা দেওয়া হয়েছে বন্দিদের। বাকি যারা আছেন তাদের মধ্যে কয়েকজন মর্ডানা ও ফাইজারের প্রথম ডোজ নিয়েছেন। তাদেরকে সেই সব প্রতিষ্ঠানের টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান জানান, সবাইকে ভ্যাকসিন কার্যক্রমের আওতায় আনার লক্ষ্যে আমরা কারাবন্দিদেরকেও ভ্যাকসিন দিচ্ছি। কয়েকজন বন্দি ফাইজারের প্রথম ডোজ নিয়েছে। আমরা তাদের একই কোম্পানির দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
একতার কণ্ঠঃ ওয়ালটন গ্রুপের অর্থায়নে টাঙ্গাইলে জেলা সদর পানির ট্যাংকের বধ্যভূমির পাশে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিকেন্দ্রের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে।বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) সকালে নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আমিনুল ইসলাম, টাঙ্গাইল পৌরভার মেয়র এস. এম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়্যারম্যান শাহজাহান আনছারী প্রমুখ।
জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি জানান, এই স্মৃতি কেন্দ্রে বঙ্গবন্ধু ও টাঙ্গাইলের সকল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, অডিও-ভিডিও, যুদ্ধকালীন ছবি ও দেশি-বিদেশি পত্রিকা সংরক্ষণ করা হবে। এই ভবণের চতুর্থ তলায় কনফারেন্স রুম থাকবে।
তিনি আরো জানান, ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ ও ৫২ এর ভাষা আন্দোলনকে সম্মান জানিয়ে চারতলা এই স্মৃতি কেন্দ্রে চারটি স্তম্ভে চার জাতীয় নেতা এবং মাঝখানে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল থাকবে। বঙ্গবন্ধু ও টাঙ্গাইলের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে দেশি-বিদেশি পর্যটক ও শিক্ষার্থীরা ধারণা পাবে।
প্রকাশ, মুক্তিযোদ্ধাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন ও ওয়ালটনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এর আগে গত ৮ মার্চ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল প্রেসক্লাব আঙ্গিনায় ফুল বাগান তৈরির কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে।মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে বাসাইল প্রেসক্লাব আঙ্গিনায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাজনীন আক্তার ফুলের চারা রোপনের মধ্যদিয়ে ওই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা মুসলিম উদ্দিন আহমেদ, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি খায়রুল ইসলাম তালহা, সাধারন সম্পাদক মাহমুদুল হাসান, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপসহকারি কর্মকর্তা শাহনাজ পারভীন, উপজেলা উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা জয়নাল আবেদিন, সাবেক সভাপতি এম শহিদুল ইসলাম, সাবেক সম্পাদক এমকে ভূইয়া সোহেল,প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ মাসুদ রানা, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল মিয়া, মিলন ইসলাম প্রমুখ।
উল্লেখ্য, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বাসাইল প্রেসক্লাবের সামনে সৌন্দর্য বর্ধণ কার্যক্রমের অংশ হিসাবে ২টি কামিনী, ২০ টি গোলাপ, ৬০টি কসমস, ৬০টি সিলভিয়া, ১২০টি গাদা ফুলের চারা রোপন করে।