একতার কণ্ঠঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হামিদ সিকদার হিমেলকে তিন দিন ধরে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। গত শুক্রবার (১৯ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল থেকে গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের সখীপুরে যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। এর পর থেকেই নিখোঁজ রয়েছেন তিনি। তাঁর ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ রয়েছে।
হিমেল ঢাকাস্থ সখীপুর থানা স্টুডেন্ট (ডিএসটিএস) অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এবং টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার জামাল হাটকোড়া গ্রামের বিল্লাল সিকদারের ছেলে। তিনি ঢাবির রসায়ন বিভাগের ২০১৪-১৫ সেশনের শিক্ষার্থী এবং বর্তমানে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত।
হিমেলের বাবা বিল্লাল সিকদার, চাচাতো ভাই মাহফুজ, একাধিক বন্ধু ও জিডি সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) রাতে হিমেল তাঁর বাবাকে মোবাইল ফোনে জানান, শুক্রবার অথবা শনিবার বাড়ি ফিরবেন। পরে শুক্রবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল থেকে বের হয়ে এখনো বাড়ি ফেরেননি। এরপর থেকেই তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁর ব্যবহৃত মোবাইলটিও বন্ধ রয়েছে।
হিমেলের বন্ধু ফেরদৌস আহমেদ বলেন, শহীদুল্লাহ হলের প্রভোস্ট এরই মধ্যে হিমেলের কক্ষ পরিদর্শন করেছেন। তিনি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
হিমেলের বাবা বিল্লাল সিকদার মুঠোফোনে বলেন, `সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করেছি। কোথাও ছেলের সন্ধান পাইনি। আমাদের সঙ্গে কখনো মনোমালিন্যও হয়নি, তাহলে কেন সে নিখোঁজ হবে?’
হিমেলের বাবা আরও বলেন, গত শনিবার সন্ধ্যায় ঢাবির অপর শিক্ষার্থী ও হিমেলের চাচাতো ভাই মাহফুজ তালুকদার শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। এ ছাড়া হিমেলের একাধিক বন্ধুও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর সন্ধান চেয়ে পোস্ট দিয়েছেন।
এ বিষয়ে শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সেলিম জানান, `নিখোঁজ হিমেলের ব্যবহৃত মোবাইলের সর্বশেষ লোকেশন টাঙ্গাইল দেখাচ্ছে। কিন্তু মোবাইল ফোনটি বন্ধ রয়েছে। আমরা বিভিন্নভাবে তাঁকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি।’
একতার কণ্ঠঃ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে মোঃ আমিনুর ইসলাম ও সাধারন সম্পাদক পদে মোঃ আজিজুল হাকিম নির্বাচিত হয়েছেন। শনিবার (২০ নভেম্বর) সকাল ৯টা ৩০মিনিট থেকে দুপুর ২টা ৩০মিনিট পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২য় একাডেমিক ভবনের নীচতলায় শিক্ষক লাউঞ্জে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়া সহ-সভাপতি পদে মোঃ নাজমুল হক ১ম ও আবুল মুনসুর ২য়, যুগ্ম-সম্পাদক পদে মোঃ ফিরোজ আল মামুন, কোষাধ্যক্ষ পদে আব্দুর সোবহান, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোঃ ওমর সরকার (ফারুক), ক্রীড়া ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে পরেশ লাল হরিজন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে মোঃ সাজেদুল ইসলাম ও মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পদে মোছাঃ আরজিনা ইয়াসমিন নির্বাচিত হয়েছেন।
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সহ-কোষাধ্যক্ষ পদে মোঃ গোলজার হোসেন, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে আসাদুল্লাহ, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক পদে মোঃ কামরুজ্জামান, দপ্তর সম্পাদক পদে মোঃ পলাশ মিয়া এবং সদস্য পদে মোঃ শফিকুল ইসলাম ১ম, মোঃ ফয়েজ উদ্দিন ২য় ও মোঃ আব্দুল হান্নান ৩য় নির্বাচিত হয়েছেন।
নির্বাচন পরিচালনা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোঃ মাকসুদুর রহমান, নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনির ও মোঃ গোলাম মওলা। মোট ভোটার সংখ্যা ২৪১ জন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক আমিনুর রহমান খান বাপ্পীর ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী রোববার(২১ নভেম্বর) নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালন করা হয়েছে।কর্মসূচির মধ্যে ছিল- কোরআন খতম, দোয়া মাহফিল, কবর জিয়ারত, আলোচনা সভা ও গণভোজ।
রবিবার(২১ নভেম্বর) সকালে প্রয়াত বাপ্পীর পরিবারের পক্ষ থেকে কলেজপাড়া এলাকায় শহীদ বাপ্পী স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এরপর আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে শোক র্যালি নিয়ে কেন্দ্রীয় গোরস্থানে গিয়ে বাপ্পীর কবর জিয়ারত করা হয়।
শহরের কলেজপাড়া পানির ট্যাঙ্ক এলাকায় আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল-৩(ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য ও বাপ্পীর বাবা আতাউর রহমান খান, সাবেক সংসদ সদস্য ও বাপ্পীর ছোট ভাই আমানুর রহমান খান রানা, টাঙ্গাইল সদর
উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্বাস আলী, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইসতিয়াক আহমেদ রাজিব, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামীম আল মামুন, সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাকিল কবির সোহেল, জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান লিটন, সদর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউর রহমান প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালে ২১ নভেম্বর কলেজপাড়া এলাকায় জেলা ছাত্রলীগের তৎকালীন যুগ্ম-সম্পাদক আমিনুর রহমান খান বাপ্পীকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের ঘোষপাড়া এলাকার ধলেশ্বরী নদীতীরে রোববার(২১ নভেম্বর) দুপুরে গাছের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় আফজাল হোসেন নামে এক কৃষকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত আফজাল হোসেন(৪০) দাইন্যা ইউনিয়নের ফতেপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত মন্তাজ আলীর ছেলে।
দাইন্যা পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান লাভলু মিয়া লাবু জানান, শনিবার(২০ নভেম্বর) রাতে আফজাল হোসেন বাড়ি থেকে বেরিয়ে আর ফিরেনি। পরদিন রোববার ধলেশ্বরী নদীতীরে গাছের সাথে গলায় কাপড় পেঁচানো অবস্থায় তার ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া যায়। তিনি কৃষি কাজ করতেন।
এ বিষয়ে কাগমারী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ(পুলিশ পরিদর্শক) মো. মোশারফ হোসেন জানান, ধলেশ্বরী নদীর তীর থেকে গাছের সাথে গলায় কাপড় পেঁচানো ঝুলন্ত অবস্থায় আফজাল নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি রহস্যজনক বলে মনে হচ্ছে।নিহতের লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পারিবারিক কলহের জেরে মিনারা বেগম (২২) নামে এক গৃহবধুকে খুন করে স্বামীর আত্মসমর্পনের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার(২০ নভেম্বর) দিবাগত রাতে ঘাটাইল উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের ভাবনদত্ত পন্ডিত কাছড়া গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে। ঘাটাইল থানা অফিসার ইন চার্জ(ওসি) মো. আজাহারুল ইসলাম সরকার ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।
ঘাতক স্বামী ওই গ্রামের শামছুলের ছেলে।ঘটনার পর স্বামী আমিনুল ইসলাম (২৮) কে আটক করেছে ঘাটাইল থানা পুলিশ।
স্থানিয় ইউপি সদস্য আঃ ছালাম জানান, গৃহবধু মিনারা বেগম(২২কে) স্বামী আমিনুল গলাটিপে হত্যা করেছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন।
ঘাটাইল থানা অফিসার ইন চার্জ(ওসি) মো. আজাহারুল ইসলাম সরকার বলেন, স্ত্রীকে হত্যার পর ঘাতক স্বামী আমিনুল ইসলাম নিজেই থানায় ফোন করে জানায় আমি আমার স্ত্রীকে হত্যা করেছি। আপনারা এসে আমাকে নিয়ে যান। পরে আমিসহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘাতক আমিনুলকে আটক করি। সে প্রাথমিকভাবে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার কথা স্বীকার করেছে।
তিনি আরো বলেন, নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রবিবার(২১ নভেম্বর) টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে।
একতার কণ্ঠঃ আজ রবিবার (২১ নভেম্বর) টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক আমিনুর রহমান খান বাপ্পীর ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী ।মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শহীদ আমিনুর রহমান খান বাপ্পী স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে নানা কর্মসূচি গ্রহন করা হয়েছে।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- টাঙ্গাইল শহরের কলেজপাড়ায় শহীদ বাপ্পী স্মৃতিস্তম্ভে পুস্পার্ঘ অর্পন, আলোচনা সভা, কবর জিয়ারত, মোনাজাত, গণভোজ ইত্যাদি।
প্রকাশ, ২০০৩ সালের ২১ নভেম্বর শহরের কলেজপাড়ায় নিজ বাড়ির কাছে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক আমিনুর রহমান খান বাপ্পী। এ সময় বাপ্পীর সঙ্গী আবদুল মতিন নামে এক ব্যক্তিও নিহত হন।
নিহত আমিনুর রহমান খান বাপ্পী সাবেক এমপি রানার বড় ভাই এবং টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের বর্তমান এমপি আতাউর রহমান খানের ছেলে।
একতার কণ্ঠঃ ইনিংসের ১৪তম ওভারের বিরতি তখন। অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ বল মোস্তাফিজুর রহমানের হাতে তুলে দেবেন, এমন অবস্থায় দর্শকের হইচই শোনা যাচ্ছিল মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের উত্তর গ্যালারি থেকে। সেখানে এক দর্শক গ্যালারির দোতলা থেকে লাফিয়ে নিচে নেমে এসেছিলেন। এরপর চোখের পলকে নিরাপত্তাবেষ্টনীর কাঁটাতার পাড়ি দিয়ে লাফিয়ে মাঠে প্রবেশ করেন তিনি।
বেশ কয়েকজন মাঠকর্মী এই সময় সেই দর্শককে ধরার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। মাঠের অন্য পাশ থেকে নিরাপত্তাকর্মীরা ছুটে আসার আগেই এক দৌড়ে তিনি মূল মাঠে প্রবেশ করেন। মোস্তাফিজের পায়ের কাছে এসে মাটিতে মাথা ছুঁইয়ে সেজদার ভঙ্গি করেন। একটু এগিয়ে এসে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন আম্পায়ার তানভীর আহমেদ। এরপর তাঁকে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের প্রধান কিউরেটর গামিনি ডি সিলভার কক্ষের পাশের প্রবেশদ্বার দিয়ে বের করা হয়।
সে ওভারে প্রথম বল করেই মোস্তাফিজ মাঠ ছেড়ে বেড়িয়ে গেছেন।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে পাকিস্তান সিরিজের খেলা চলছে জৈব সুরক্ষাবলয়ে। এই সিরিজ দিয়ে দর্শক মাঠে ফিরলেও করোনা নীতির অংশ হিসেবে গ্যালারির নিচতলা পুরোপুরি দর্শকশূন্য। নিচতলায় কোনো নিরাপত্তাকর্মী ছিল না সে কারণেই। সেই সুযোগটাই কাজে লাগিয়ে বলয় ভেঙে মাঠে প্রবেশ করেছেন সেই দর্শক।

মিরপুর স্টেডিয়ামের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে বরাবরই প্রশ্ন ছিল। এর আগেও গ্যালারি থেকে মাঠে ঢুকে পড়ার ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে। কিন্তু করোনাকালে দর্শক ফেরার সিরিজে এমন ঘটনাটি মিরপুরের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা বাড়াবে। এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে বিসিবির নিরাপত্তা প্রধান মেজর হাসিবের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাঁকে ফোনে পাওয়া যায়নি।
একতার কণ্ঠঃ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবিতে গণ-অনশন কর্মসূচি পালন করেছে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি।
শনিবার (২০ নভেম্বর) কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শহরে সোনার বাংলা কমিউনিটি সেন্টারের সামনে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আয়োজনে ওই গণ-অনশন অনুষ্ঠিত হয়। গণ-অনশনে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী।
জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুজ্জামীল শাহীনের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন যুগ্ম আহবায়ক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, কাজী শফিকুল ইসলাম লিটন, দেওয়ান শফিকুল ইসলাম, অমল ব্যানার্জী, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আশরাফ পাহেলী, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহীন আকন্দ, শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক মনিরুল হক মনির, স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি তরিকুল ইসলাম ঝলক, মহিলা দলের সভাপতি নিলুফার ইয়াসমিন, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দুর্জয় হোড় শুভ, সদস্য সচিব আবদুল বাতেন প্রমুখ।
এ সময় বিএনপির অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
একাতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে নির্বাচনের ৮দিন পর একটি বিদ্যালয়ের ছাদে সিল মারা ৫২৭ টি ব্যালট পেপার উদ্ধার হয়েছে। শনিবার(২০ নভেম্বর) সকালে উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নের সেহরাতৈল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদ থেকে সিল মারা তালগাছ প্রতীকের ওই ব্যালট পেপারগুলো উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, গত ১১ নভেম্বর উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নে দ্বিতীয় ধাপে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে তালগাছ প্রতীকের নারী সদস্য পদের প্রার্থী বিউটি আক্তার ৩০০ ভোটের ব্যবধানে হেরে যান। নির্বাচনের ৮ দিন পর সকালে এ ইউনিয়নের সেহরাতৈল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদে শিশু শিক্ষার্থীরা খেলতে গিয়ে ব্যালট পেপারগুলো দেখতে পায়। তারা বিষয়টি শিক্ষকদের জানায়। পরে শিক্ষকরা স্থানীয়দের অবগত করলে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এরপর তালগাছ প্রতীকের প্রার্থী বিউটি আক্তার ঘটনাস্থলে উপস্থিত আসেন। ব্যালট পেপার দেখে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। এই সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নারী সদস্য পদে মাইক প্রতীকের প্রার্থী রাশেদা বেগম ১৮শ’ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।
বিউটি আক্তার বলেন, ‘আমি নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলাম। নির্বাচনে আমাকে ৩০০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত দেখানো হয়। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার ৮দিন পর আমার নিজ কেন্দ্রের বিদ্যালয়ের ছাদে তালগাছ প্রতীকের সিল মারা ৫২৭টি ব্যালট পেপার পাওয়া গেছে। এই ব্যালট পেপারগুলো একত্রিত করলে আমি দুই শতাধিক ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হতাম। নির্বাচনে ফেল করাতেই আমার প্রতীকের সিল মারা ব্যালট পেপার বিদ্যালয়ের ছাদে রেখে দেয়। পরে ভোট গণনা করে আমাকে ফেল দেখানো হয়। বিষয়টি নিয়ে তিনি আদালতে আইনগত ব্যবস্থায় যাবো। ব্যালট পেপারগুলো আমার কাছে এনে রেখেছি।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন বলেন, ‘বিষয়টি আমি জানি না। তবে মোবাইলে শুনেছি। প্রার্থী ট্রাইবুনালে অভিযোগ করে আইনগত ব্যবস্থা চাইতে পারেন।
এ ব্যাপারে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল হাসান বলেন কে বা কারা ব্যালট পেপারগুলো বিদ্যালয়ের ছাদে রেখে গেছেন, সেটা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। নির্বাচন শেষ করে সংশ্লিষ্ট প্রিজাইডিং কর্মকর্তা সিলগালা করে ফলাফল ঘোষণা করে এসেছেন। তখন কোন প্রার্থীর অভিযোগ ছিল না।
দেলদুয়ার থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন বলেন অফিসিয়ালি অভিযোগ বা কোন নির্দেশনা পেলে বিষয়টি আমরা তদন্ত করবো।
একতার কণ্ঠঃ কোলেস্টেরল আমাদের শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি কোষের দেয়ালগুলোকে নমনীয় রাখতে সাহায্য করে এবং বেশ কয়েকটি হরমোন তৈরির জন্য প্রয়োজনীয়। কিন্তু শরীরের যে কোনো কিছুর মতোই ভুল জায়গায় অত্যধিক কোলেস্টেরল জমা হলে বা কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলেই সমস্যা তৈরি হয়।
উচ্চমাত্রার লো-ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন (এলডিএল) নামের কোলেস্টেরল রক্তনালীর দেয়ালে জমার ফলে ধমনি, স্ট্রোক, হার্টঅ্যাটাক এবং কিডনিসহ নানারকম সমস্যা দেখা দিতে পারে।
তাই আমাদের উচিত আমাদের শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ে সতর্ক থাকা। এ জন্য আজ জানুন যে ৫ প্রাকৃতিক উপায়ে কমবে কোলেস্টেরলের মাত্রা—
১. ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ খাবার
ওমেগা-৩ ও পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটগুলোর একাধিক ডবল বন্ড রয়েছে, যা তাদের শরীরে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের চেয়ে আলাদাভাবে আচরণ করে। গবেষণায় দেখা যায় যে, পলি আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট খারাপ এলডিএল কোলেস্টেরল কমায় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
২. ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার
দ্রবণীয় ফাইবার জাতীয় খাবার খেলে তা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে পারে। আর আপনার অন্ত্রে বসবাসকারী উপকারী ব্যাকটেরিয়া দ্রবণীয় ফাইবার হজম করতে পারে। আসলে এটি সেই ব্যাকটেরিয়ার নিজস্ব পুষ্টির জন্যও প্রয়োজন। আর এসব ভালো ব্যাকটেরিয়া বা প্রোবায়োটিক ক্ষতিকারক ধরনের লিপোপ্রোটিন ও এলডিএলের মাত্রা কমায়।
৩. ব্যায়াম
ব্যায়াম করলে তা হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী হিসেবে কাজ করে। এটি শুধু শারীরিক সুস্থতাই উন্নত করে না; বরং স্থূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে, ক্ষতিকারক এলডিএল কমায় এবং উপকারী এইচডিএল বাড়াতেও উপকারী হিসেবে কাজ করে।
৪. ধূমপান এড়ানো
ধূমপান বিভিন্ন উপায়ে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। এ ছাড়াও এটি শরীরে কোলেস্টেরল পরিচালনা করে তা পরিবর্তন করে।
তাই কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে চাইলে ধূমপান এড়াতে হবে।
৫. ওজন কমানো
ডায়েটিং বা ওজন কমালে তা আপনার শরীর থেকে কোলেস্টেরল শোষণ করে। এ নিয়ে ৯০ জন প্রাপ্তবয়স্কের দুই বছরের গবেষণায় দেখা গেছে যে, কোনো ডায়েটে ওজন কমানোর খাদ্য কোলেস্টেরল শোষণকে বাড়িয়েছে এবং শরীরে নতুন কোলেস্টেরল তৈরিও কমিয়েছে।
তথ্য-সূত্র: হেলথলাইন ডটকম
একাতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে জানাজায় যাওয়ার পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় লাশ হলেন সাইফুল ইসলাম (২৮) নামে এক পরিবহণ ব্যবসায়ী। শুক্রবার (১৯ নভেম্বর) সকালে ভূঞাপুর ফিলিং স্টেশনের সামনে ওই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সাইফুল ইসলাম পৌর এলাকার ঘাটান্দি গ্রামের মৃত কোরবান আলীর ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সাইফুল ইসলাম ঘাটাইল উপজেলায় এক আত্মীয়র জানাজায় যাওয়ার পথে ভূঞাপুর ফিলিং স্টেশন থেকে মোটরসাইকেলে পেট্রল নিয়ে বের হচ্ছিলেন। এ সময় দ্রুতগতির অপর একটি মোটরসাইকেল পেট্রলপাম্পে প্রবেশ করছিল। এ সময় মোটরসাইকেলটি সাইফুল ইসলামের মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে সাইফুল সড়কে ছিটকে পড়ে মাথায় আঘাত পান। গুরুতর আহতাবস্থায় প্রথমে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
ভূঞাপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) আব্দুল ওহাব জানান, ব্যবসায়ী সাইফুলের মাথায় হেলমেট ছিল না। যে কারণে মোটরসাইকেলের ধাক্কা লেগে পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) প্রক্টরের পদত্যাগ দাবিতে ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বৃহস্পতিবার(১৮ নভেম্বর) সকালে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।
ছাত্রলীগের প্রতিবাদ সমাবেশটি জননেতা আব্দুল মান্নান হল থেকে শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২য় গেট থেকে ১ম গেট হয়ে সম্পূর্ণ ক্যাম্পাস প্রদক্ষিন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়।
ছাত্রলীগ নেতারা প্রতিবাদ সমাবেশে অভিযোগ করেন যে, গতকাল গণ অধিকার পরিষদ কর্তৃক মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর আক্রমণ চালানো হয়। এতে ৭ জন শিক্ষার্থী ও ১ জন ছাত্রলীগ কর্মী গুরুতর আহত হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় ছাত্রলীগ কর্মীকে বাঁচাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাম্বুলেন্সে যোগাযোগ করার পরও প্রায় ৪০ মিনিট পরে অ্যাম্বুলেন্স আসে। ফলে তার অবস্থার আরও অবনতি হয়। পরে তাকে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তারা আরও অভিযোগ করেন যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর তার নিজ কক্ষে বসে থাকলেও তিনি ছাত্রদের বাঁচাতে এগিয়ে আসেননি। পুলিশ লাঠিচার্জ করার পরও তিনি কোন শিক্ষার্থীর খোঁজ খবর রাখেননি। তার কাজই শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও ক্যাম্পাসের নিরাপত্তার বিষয়ে খেয়াল রাখা। তিনি তা না করায় প্রক্টর হিসেবে ব্যর্থ হয়েছেন। তাই তাকে পদত্যাগ করতে ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে। প্রক্টর পদত্যাগ না করলে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ৭২ ঘন্টা পরে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
এই ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নিবিড় পাল বলেন, ” গতকাল আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে যে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছিল, আমাদের সাথে গন অধিকার পরিষদের ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়া সৃষ্টি হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ কর্মীরা যে আহত হয়েছিল, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি একবারের জন্যেও আমাদের খোঁজ খবর নেননি। প্রক্টর স্যার আমাদের নিরাপত্তা দিতে সম্পূর্ণরুপে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি ঘটনাস্থলে আসেন নি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী রানা বাপ্পি দেখার জন্য হাসপাতালে তিনি যাননি। আমরা এমন প্রক্টর চাইনা। সে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা ৭২ ঘন্টার মধ্যে তার পদত্যাগ দাবি জানাচ্ছি। ”
ছাত্রলীগ নেতা মানিল শীল বলেন, ” নুরুল হক নুরু সামনে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে ইস্যু হতে চায়, বার বার সংবাদ মাধ্যমে আসতে চায় তারই প্রমান দিয়েছে। তার প্রতিবাদে আমরা ছাত্রলীগ মাঠে আছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে যে কোন অপশক্তির বিরুদ্ধে আমরা মাভাবিপ্রবি ছত্রলীগ সবসময় সোচ্চার। ”
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতা নাজিম রুপক বলেন, “মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী সাহেবের ৪৫ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দল মত নির্বিশেষে সকল রাজনৈতিক সংগঠন ও সাধারণ জনগণ মাজারস্থলে ফুল দিতে আসেন। সে সময় অবৈধ ও লাইসেন্সবিহীন সংগঠন নুরু আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নামে কুরুচিপূর্ণ ও দেশবিরোধী স্লোগান দেওয়ায় মাভাবিপ্রবি ছাত্রলীগ তা প্রতিহত করে।সে সময় নুরু বাহিনী আমাদের এক ছোট ভাইকে মেরে গুরুতর আহত করে।আমরা মাভাবিপ্রবি ছাত্রলীগ নুরু ও তার সংগঠনকে টাংগাইল তথা সারাদেশে ছাত্রলীগের আদর্শিক কর্মী সকল অবস্থায় প্রতিহত করব।”
এই ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মীর মোঃ মোজাম্মেল হক বলেন, ” আমার এই ব্যাপারে কিছু জানা নেই।