মোঃ আরমান কবীর সৈকত (সম্পাদক)

টাঙ্গাইলে পৃথক দুর্ঘটনায় নিহত ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পৃথক দুর্ঘটনায় নিহত ২

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে কালিহাতী ও ভূঞাপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে পিকআপ চালক ও এক বৃদ্ধা  নিহত হয়েছেন।এদের মধ্যে চালকের পরিচয় পাওয়া গেলেও বৃদ্ধার  পরিচয় পাওয়া যায়নি। নিহত পিকআপ চালক ঘাটাইল উপজেলার টেপি কুশারিয়া গ্রামের তারা মিঞার ছেলে জুয়েল মিঞা (২৯)।

বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে ভূঞাপুর উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের খড়ক রেলক্রসিং এলাকায় পিকআপের সঙ্গে ট্রেনের সংর্ঘষ হয়ে একজন নিহত। এছাড়া একই সময়ে কালিহাতী উপজেলার সরাতৈল এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে।

জানা গেছে, জুয়েল মাল বোঝাই পিকআপ নিয়ে ভূঞাপুর উপজেলার খড়গ-নিকলা অরক্ষিত রেলক্রসিং পাড় হচ্ছিল। এসময় ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে পিকআপ দুমড়েমুচড়ে যায়। পরে স্থানীয়রা পিকআপ চালককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।

এদিকে ,একই সময় কালিহাতী উপজেলার সরাতৈল এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাতপরিচয় বৃদ্ধা নারীর মৃত্যু হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মারফিন হাসান জানান, দুপুরের দিকে উত্তরবঙ্গগামী একতা এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে ওই বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। বিষয়টি রেলওয়ে পুলিশকে জানানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. জানুয়ারী ২০২২ ০১:৩১:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শরীরে আগুন জ্বালিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শরীরে আগুন জ্বালিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ঘরোয়া ভাবে শালিসি বৈঠক শেষে সোমা আক্তার (১৯) নামের এক গৃহবধূ শরীরে আগুন জ্বালিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।  বুধবার(১২ জানুয়ারী) ভোর রাতে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানায় তার স্বজনরা। উপজেলার বোয়ালী পশ্চিমপাড়া গ্রামে ওই গায়ে আগুন দেওয়ার ঘটনাটি ঘটেছে। নিহত সোমা আক্তার ওই এলাকার এরশাদ মিয়ার স্ত্রী।

তবে  আত্মহত্যা নয় আগুন জ্বালিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবী করেছেন নিহত সোমার মা পারভীন আক্তার। এ ঘটনায় কেউ থানায় অভিযোগ করে নাই  বলে জানিয়েছে সখীপুর থানা পুলিশ।

এলাকাবাসী জানায়, পারিবারিকভাবে বনাবনি না হওয়ায় গত শনিবার(৮ জানুয়ারী) দুপুরে এরশাদের বাড়িতে একটি শালিসি বৈঠক হয়। তার কিছুক্ষণ পর বাড়ির উঠোনে দাঁড়িয়ে সোমা নিজেই শরীরে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। এ ঘটনার চার দিন পর চিকিৎসারত অবস্থায় সে মারা যায়।

ওই এলাকার স্থানীয় ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম জানায়, মেয়েটা নিজেই শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। আমি তখন ওই বাড়ির রান্না ঘরের পাশে ছিলাম। শালিসি বৈঠকের কথা জিজ্ঞাস করলে তিনি বলেন আমি ঢাকায় যাচ্ছি। সন্ধ্যায় সব বলবো বলে ফোন কেটে দেয়।

মেয়ের মা পারভীন আক্তার বলেন, আমার মেয়েকে আগুন দিয়ে পুড়ার সময় মেয়ে কাইন্দ্যা কাইন্দ্যা কইছে আমারে বাঁচাও, কেউ এক কলসি পানি নিয়ে আসো। কিন্তু কেউ পানি নিয়ে এগিয়ে আসে নাই। এর আগেও আমার মেয়েকে লোহার প্যারাক (রড) দিয়ে শ্যাক দিতো। কত কইছি তোরে নিয়া যামুগা, আমার ম্যায়ায় (মেয়ে) কইছে একটা বাচ্ছা হইছে, আমি এখান থেকে যামুনা। কিন্তু পাশান স্বামী, শ্বশুর মিলে আমার মেয়েকে আগুন ধরিয়ে পুইড়া মারছে। আমি এর বিচার চাই।

মেয়ের মা পারভীন আক্তার আরও জানায়, প্রায় চার বছর আগে মির্জাপুর উপজেলার গয়রামপুর গ্রামের নইমুদ্দিনের মেয়ে সোমা আক্তারের সাথে সখীপুর উপজেলার বোয়ালীা পশ্চিমপাড়া ্এলাকার সোমেশ আলীর ছেলে এরশাদ মিয়ার সাথে বিয়ে হয়। এর আগেও এরশাদ একটি বিয়ে করেছিলেন। আর এ ঘটনা আমরা বিয়ে পরে জানি। সেই ঘরে একটি ১৫ বছরের মেয়ে আছে। সেই সংসার নিয়েও মামলা চলছে।

সখীপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) এ.কে সাইদুল হক ভূ্ইঁয়া বলেন, আগুনে পুড়ে এক গৃহ বধূর মৃত্যু হয়েছে বলে শুনেছি কিন্তু  কেউ থানায় লিখিত ভাবে অভিযোগ করেনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. জানুয়ারী ২০২২ ০১:১৪:এএম ৪ বছর আগে
পাথরাইলের বান্দাবাড়ীঃ যেন ভিন গ্রহের এক গ্রাম - Ekotar Kantho

পাথরাইলের বান্দাবাড়ীঃ যেন ভিন গ্রহের এক গ্রাম

একতার কণ্ঠঃ  টাঙ্গাইল সদর থেকে দক্ষিনে মাত্র ৯ কিলোমিটার দূরে গ্রামটির অবস্থান । টাঙ্গাইল-নাগরপুর-আরিচা আঞ্চলিক মহাসড়কের ভুরভুরিয়া বাস স্ট্যান্ড থেকে মাত্র ৫ শত মিটার দূরে অবস্থিত গ্রামটির নাম বান্দাবাড়ী। গ্রামের মাঝ দিয়ে চলে গেছে গ্রামবাসির এক মাত্র চলাচলের কাঁচা রাস্তাটি। গ্রামের ১১০টি ঘরের ৪১৩ জন লোকের চলাচলের রাস্তাও এটি। নেই কোন প্রাথমিক বিদ্যালয়, গ্রামীন স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র।গ্রামের শিশু-কিশোরদের খেলার কোন মাঠ পর্যন্ত নেই। বিগত দুই যুগে গ্রামে কোন অবকাঠামোগত উন্নয়ন ঘটেনি । ২০২২ সালে এসেও মনে হয় দুই যুগ আগের বাংলার কোন গ্রাম যেন এটি।

দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের এই গ্রামটির নাম ইউনিয়ন পরিষদ বোর্ডে লেখা আছে বান্দাবাড়ী। কেবল লেখা পর্যন্তই অস্তিত্ব জানান দিচ্ছে এই গ্রামের।নির্বাচন আসে,নির্বাচন যায়। সরকার আসে, সরকার যায়।বান্দাবাড়ী গ্রামবাসীদের আজো কাঁচা রাস্তায় চলাচল করতে হয়।গ্রামের শিশুদের পড়ালেখা করতে পাশের ইউনিয়ন আটিয়ার গমজানী প্রাথমিক বিদ্যালয় না হলে ভুরভুরিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেতে হয়। পাশের ইউনিয়নের গ্রাম গুলোর রাস্তা-ঘাটের অনেক উন্নয়ন হলেও,উন্নয়ন বঞ্চিত এই গ্রাম। বান্দাবাড়ী গ্রামবাসীদের কেবল মিলেছে প্রতিশুতি পর প্রতিশুতি।নিজ ইউনিয়নে পরবাসী যেন বান্দাবাড়ী গ্রাম।

গ্রামের প্রবীন বাসিন্দা মোঃ গঞ্জের আলী বলেন, গ্রামের এক মাত্র কাঁচা রাস্তাটির সর্বশেষ উন্নয়ন হযেছিল ১৯৮৬ সালে। তৎকালিন চেয়ারম্যান মোঃ আয়াত আলী খান বর্তমান চলাচলের একমাত্র কাঁচা রাস্তাটি করে দিয়েছিলেন। তার পর আর কোন উন্নয়ন দেখেনি বান্দাবাড়ী গ্রামের লোক জন।

তিনি আরো বলেন, তার জীবদ্দশায় আর গ্রামের কাঁচা রাস্তাটির উন্নয়ন দেখে যেতে পারবে কিনা তার যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।পাথরাইল ইউনিয়নের দক্ষিন-পশ্চিম সর্বশেষ অংশে গ্রামটির অবস্থান হওয়ায় নির্বাচন ব্যতিত কোন জন প্রতিনিধি গ্রামে আসে না। তিনি এখন আর কোন জনপ্রতিনিধিকে গ্রামের উন্নয়নের বিষয়ে অনুরোধ করেন না।

Ekotar kantho

একই গ্রামের গৃহবধু ছালমা বেগম বলেন, তার এই গ্রামে বিবাহ হয়েছে প্রায় ১৪ বছর হল। নববধূ হিসেবে গ্রামে এসে যে অবস্থা দেখেছেন, আজ ১৪ বছর পর একই অবস্থা দেখছেন বান্দাবাড়ী গ্রামের।বিশেষ করে বৃষ্টির দিনে এই গ্রামে কেও আসতে চায় না। সে সময় কোন রুগিকে গ্রামের এই রাস্তা দিয়ে বহন করে শহরের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়াও প্রায় অসম্ভব হয়ে পরে।

এই গ্রামের তরুন যুবক মোঃ সাদ্দাম হোসেন বলেন, গ্রামের উন্নয়নে কোন চেয়ারম্যান কিম্বা মেম্বার এখন পর্যন্ত নজর দেয়নি। এমনকি স্থানীয় সাংসদ এই গ্রামের কোন উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহন করেনি। বান্দাবাড়ী গ্রাম যেন ভিন গ্রহের কোন গ্রাম।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার মোঃ আবুল কাশেম বলেন, তিনি সদ্য নির্বাচিত। তবে তিনি বান্দাবাড়ী গ্রাম ও রাস্তার বেহাল অবস্থার কথা শুনেছেন। গ্রামটি ইউনিয়ন হতে বিচ্ছিন্ন হওয়ায় দীর্ঘ দিন হল উন্নয়ন বঞ্চিত।তিনি চেষ্টা করবেন যত দ্রুত সম্ভব রাস্তাঘাট সহ গ্রামের উন্নয়ন করার।

Ekotar Kantho

পাথরাইল ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান রাম প্রসাদ সরকার জানান, গ্রামটি আসলেই উন্নয়ন বঞ্চিত।দীর্ঘদিন হল গ্রামের মানুষের চলাচলের একমাত্র রাস্তার কোন উন্নয়ন হয়নি।বর্ষা কালে এই গ্রামের মানুষের চলাচল কষ্টকর হয়ে পড়ে।

তিনি আরো জানান, তিনি চেয়ারম্যান হয়েই বান্দাবাড়ী গ্রামের রাস্তা পাঁকা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করেছেন। ইতোমধ্যে গ্রামের ১ কিলোমিটার কাঁচা সড়কটির স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়(এলজিইডি) বিভাগ থেকে মাপ-ঝোক করে নিয়ে গেছে। আশা, করি খুব দ্রুতই রাস্তার কাজ শুরু করা হবে। এ ছাড়া বান্দাবাড়ী গ্রামের উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. জানুয়ারী ২০২২ ০৪:০০:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১

একতার কণ্ঠঃ  টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার পাকুল্যা এলাকায় সোমবার(১০ জানুয়ারী) দিনগত রাতে অভিযান চালিয়ে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে মো. লুৎফুর রহমান(৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

গ্রেপ্তারকৃত মো. লুৎফুর রহমান মির্জাপুরের চিতেশ্বরী গ্রামের মো. মাইনুল হকের ছেলে। তিনি একটি ওষুধ কোম্পানীতে চাকুরিরত।

র‌্যাব-১২ জানায়, ওষুধ কোম্পানীতে চাকুরির সুবাদে মো. লুৎফুর রহমান জনৈক মহিলার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে। প্রেমের এক পর্যায়ে তিনি ওই নারীকে ফুসলিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে এবং তা গোপনে মোবাইলে ভিডিও ধারণ ও ছবি তুলে রাখে। পরে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রায় ২০ লাখ টাকা ও ১৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার হাতিয়ে নেয় এবং ধর্ষণ করে। মো. লুৎফুর রহমান ওই নারীকে নানা সময়ে ধর্ষণের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন স্থানে ডেকে নেয়। এতে ওই নারী মানসিকভাবে চাপের মুখে পড়ে। এক পর্যায়ে ওই নারী টাঙ্গাইল র‌্যাব কার্যালয়ে অভিযোগ করেন।

র‌্যাব-১২ আরও জানায়, অভিযোগ পেয়ে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি টিম তদন্তে নামে। তারা তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে পাকুল্যা থেকে মো. লুৎফুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে।

এ সময় তার কাছে থাকা ভিডিও ও ছবি জব্দ করা হয়। মো. লুফুর রহমান প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে ওই নারীকে ধর্ষণ ও টাকা হাতিয়ে নেওয়ার কথা স্বীকার করেছে।

এ বিষয়ে মির্জাপুর থানায় পর্ণোগ্রাফি আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. জানুয়ারী ২০২২ ১০:০৩:পিএম ৪ বছর আগে
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হবে জনগণের বাহিনী- টাঙ্গাইলে সেনা প্রধান - Ekotar Kantho

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হবে জনগণের বাহিনী- টাঙ্গাইলে সেনা প্রধান

একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস.এম.শফিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন,বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হবে জনগণের বাহিনী। সুখে-দুঃখে সকল সময়ে দেশের মানুষের পাশে থেকে যেকোন প্রয়োজনে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করতে সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে সেনাবাহিনী। যে কোন দুর্যোগে আমরা আমাদের সামর্থ্যের মধ্যে সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে বদ্ধ পরিকর।

তিনি মঙ্গলবার(১১ জানুয়ারী) দুপুরে টাঙ্গাইলের বড় চওনা কুতুবপুর ডিগ্রী কলেজ মাঠে সাগরদীঘি অঞ্চলের অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে ওই সব কথা বলেন।

সেনা প্রধান আরো বলেন, সারা দেশে আমরা এক লাখ মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছি, চিকিৎসা সেবা দিয়েছি। এর পাশাপাশি গবাদি পশুরও চিকিৎসা দিচ্ছে সেনাবাহিনী।স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর একইসাথে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীরও সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন করছি।

অনুষ্ঠানে ১৯ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও ঘাটাইল এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেনসহ সেনাবাহিনীর উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এর পূর্বে তিনি ১৯ পদাতিক ডিভিশন ও ঘাটাইল অঞ্চলের শীতকালীন প্রশিক্ষন পরিদর্শন করেন।এছাড়াও স্থানীয় জনসাধারণকে চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য পরিচালিত মেডিকেল ক্যাম্পেইনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. জানুয়ারী ২০২২ ০৯:৫৮:পিএম ৪ বছর আগে
অনুর্দ্ধ-১৪ জাতীয় ক্রিকেটে টাঙ্গাইল জেলা দল হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন - Ekotar Kantho

অনুর্দ্ধ-১৪ জাতীয় ক্রিকেটে টাঙ্গাইল জেলা দল হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন

একতার কণ্ঠঃ ইয়ং টাইগার্স অনুর্দ্ধ-১৪ জাতীয় ক্রিকেটে ঢাকা বিভাগ উত্তরের হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হওযার গৌরব অর্জন করেছে টাঙ্গাইল জেলা দল। রবিরার(৯ জানুয়ারী) প্রতিযোগিতার ফাইনালে টাঙ্গাইল জেলা দল ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজ মাঠে শক্তিশালী ময়মনসিংহ জেলা দলকে ২৮ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়।

রবিবার সকালে টাঙ্গাইল জেলা দলের অধিনায়ক এহসানুল হক মাহিম টসে জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন। কুয়াশা ভেজা পিচের কারনে শুরুতেই টাঙ্গাইল ব্যাটিং বিপর্যয়ে পরে। দলীয় অধিনায়ক মাহিম এক প্রান্ত আগলে রেখে ৭৩ বলে ৪৯ রান করে রান আউটের শিকার হয়। তখন দলের হাল ধরেন উজ্জল মিঞা। টাঙ্গাইল জেলা দল নির্ধারিত ৫০ ওভার খেলতে পারেনি। ৪২ ওভার ৩ বল খেলে টাঙ্গাইল জেলা সব কয়টি ইউকেট হারিয়ে ১২৫ রান সংগ্রহ করে।

জবাবে ১২৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ময়মনসিংহ জেলা দল ৪৬ ওভার ১ বলে ৯৭ রানে অল-আউট হয়ে যায়। টাঙ্গাইল জেলা দলের পক্ষে বাহাতি স্পিনার অল-রাফি ৯ ওভার বল করে মাত্র ৭ রান দিয়ে ৪টি ইউকেট লাভ করে। ফলে টাঙ্গাইল জেলা দল ফাইনালে ২৮ রানে জয় লাভ করে।

 

টাঙ্গাইল জেলা  এই প্রতিযোগিতায় পর পর তিনবার জয়লাভ করে হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হয় । ম্যান অফ দি টুর্নামেন্ট নির্বাচিত হন টাঙ্গাইল জেলা দলের অধিনায়ক এসহানুল হক মাহিম।

টাঙ্গাইল জেলা অনুর্দ্ধ-১৪ ক্রিকেট দলের খেলোয়ারগণ হলেনঃ- এহসানুল হক মাহিম(অধিনায়ক), রাকিবুল ইসলাম রাকিব(ইউকেট কিপার) জুনায়েদুল ইসলাম জারিফ, রাইয়ান আপন, আল-রাফি, রামিম হাসান, শাওন দেওয়ান, ইমরান হোসেন, তওফিকুল ইসলাম মাফি, মহারাজ বসাক, আরিফুল ইসলাম,উজ্জল মিঞা।

টাঙ্গাইল জেলা দলের ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জহিরুল ইসলাম খান সম্রাট ও কোচ হিসেবে ছিলেন বিসিবি নিয়োজিত টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট দলের কোচ মোঃ আরাফাত রহমান।

এই জয় প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল জেলা দলের বয়সভিত্তিক ক্রিকেট কোচ আরাফাত রহমান বলেন, টাঙ্গাইল জেলাবাসীকে পর পর তিন বার ইয়ং টাইগার্স অনুর্দ্ধ-১৪ জাতীয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতার ট্রফি এনে দিতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আশা করি, অনুর্দ্ধ-১৮ ও অনুর্দ্ধ-১৬ জাতীয় ক্রিকেটেও টাঙ্গাইল জেলা দল ভালো ফলাফল করবে।

প্রকাশ, গ্রুপ পর্বের প্রথম খেলায় টাঙ্গাইল জেলা দল জামালপুর জেলা দলকে মাত্র ২৬ রানে অল-আউট করে, ১০ ইউকেটে জয় লাভ করে। পরের খেলায় নেত্রকোনা জেলা দলের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল জেলা দল ৫০ ওভারে ৩৭১ রান করে। টাঙ্গাইল জেলা দলের ব্যাটসম্যান রাকিবুল আরাফাত ১৩০ রান ও মহারাজ বসাক ১০০ রান করে। খেলায় টাঙ্গাইল জেলা দল রেকর্ড ৩৪০ রানে জয় লাভ করে।

 

গ্রুপ পর্বের শেষ খেলায় টাঙ্গাইল জেলা দল মানিকগঞ্জ জেলা দলকে ৬২ রানে পরাজিত করে।সেমি-ফাইনালে গাজিপুর জেলা দলকে টাঙ্গাইল ২৬ রানে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে।

প্রতিযোগিতায় কোন জেলা দলই টাঙ্গাইল জেলা দলের বিরুদ্ধে শত রান করতে পারেনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. জানুয়ারী ২০২২ ০১:২৯:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালী করার দাবিতে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালী করার দাবিতে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালী করার দাবিতে ডেভেলপমেণ্ট অর্গানাইজেশন অব দ্য রুরাল পুয়র (ডরপ)- এর উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ডরপ টাঙ্গাইলের ফ্যাসিলিটেটর গুলজার হোসেন, যুব ফোরামের সদস্য নূর পলাশ, সাব্বির হোসেন, বিড়ি শ্রমিক ইউনিয়নের জীবন সাহা প্রমুখ।

এসময় বিড়ি শ্রমিক, যুব গ্রুপ এবং সুশীল সমাজের সদস্যবৃন্দ, ডেভেলপমেণ্ট অর্গানাইজেশন অব দ্য রুরাল পুয়র (ডরপ) এর কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।বক্তারা তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালীকরণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতি ৬টি সংশোধনীর দাবি করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০৯:৩৩:পিএম ৪ বছর আগে
নাগরপুরে ইউপি নির্বাচনে বিজয়ীদের শপথ গ্রহণ - Ekotar Kantho

নাগরপুরে ইউপি নির্বাচনে বিজয়ীদের শপথ গ্রহণ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে তৃতীয় ধাপে ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী চেয়ারম্যান ও সংরক্ষিত আসনের সদস্য সহ সাধারণ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে  জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নব নির্বাচিত ১১ চেয়ারম্যানকে শপথ বাক্যপাঠ করান টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গনি।

এ ছাড়া  সংরক্ষিত মহিলা আসনের ৩৩ সদস্য  এবং  ৯৯ জন সাধারণ সদস্য নাগরপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে শপথ করান উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত-ই-জাহান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসাইন, প্রোগ্রাম অফিসার মো. হাবিবুর রহমান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আবু বক্কর, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সালমা বেগমসহ  প্রমুখ।

প্রকাশ,  গত ২৮ নভেম্বর নাগরপুর উপজেলায় ১১ টি ইউনিয়ন পরিষদে  নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে  নৌকা প্রতীকে ৫ জন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ৬ জন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. ডিসেম্বর ২০২১ ০১:৪৭:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা বই মেলা শুরু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা বই মেলা শুরু

একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানে জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইলে চার দিনব্যাপী বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা বই মেলা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকালে শহরের পৌর উদ্যানে ওই মেলার উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক।

জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আমিনুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ।

স্থানীয় সরকারের সহযোগিতায় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় জেলা প্রশানের উদ্যোগে আয়োজিত এ মেলায় ৩০টি বইয়ের স্টল রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. ডিসেম্বর ২০২১ ০১:৫৫:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পাটের গুদামে আগুন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পাটের গুদামে আগুন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে একটি পাটের গুদামে আগুন লেগে আনুমানিক ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট দুই ঘণ্টার চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের সীমাকাছরা গ্রামের গনি বেপারীর গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ওই ঘটনা ঘটে।

গুদামের মালিক গনি বেপারী জানান, তার পাট গুদাম সংলগ্ন ধান ভাঙানোর মেশিনে সুইচ দেওয়ার পর সর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

কালিহাতী ফায়ার সার্ভিসের লিডার আলতাফ হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. ডিসেম্বর ২০২১ ০১:২৭:এএম ৪ বছর আগে
দলীয় কোন্দলে নিকরাইল ও গাবসারা ইউপি নির্বাচনে নৌকার পরাজয়! - Ekotar Kantho

দলীয় কোন্দলে নিকরাইল ও গাবসারা ইউপি নির্বাচনে নৌকার পরাজয়!

একতার কণ্ঠঃ সারাদেশের ন্যায় রোববার (২৬ ডিসেম্বর) চতুর্থ ধাপে টাঙ্গাইলের ভুঞাপুর উপজেলার নিকরাইল ও গাবসারা ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা দুটিতে নৌকার ভরাডুবির জন্য আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীরাই দায়ী, এমনটাই দাবি করেছে উভয় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের তৃনমূলের নেতাকর্মীরা। তাদের মতে উপজেলা আওয়ামীলীগের একাধীক নেতাকর্মী নৌকার বিরোধিতা করে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে প্রকাশ্য ও গোপনে কাজ করেছে। এমনকি নৌকার প্রার্থীর পরাজয়ের পরে নেতা কর্মীদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণের ঘটনা ঘটেছে।

জানা যায়, নিকরাইল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার মনোনীত প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করেন বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান ও নিকরাইল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. মতিন সরকার। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন একই ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুল হক মাসুদ। তিনি আনারস প্রতীকে নির্বাচন করে ৮ হাজার ৭শত ৮০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী মতিন সরকার নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৭ হাজার ৫’শ ৮৬ ভোট। নৌকার প্রার্থী স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাছে ১১৯৪ ভোটে পরাজিত হন।

অপরদিকে, গাবসারা ইউনিয়ন স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ্ আলম আকন্দ শাপলা আনারস প্রতীকে ৬৫০০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এদিকে নৌকার ঘাটি হওয়া সত্বেও দলীয় কোন্দলে নৌকার প্রার্থী আওয়ামীলীগের প্রার্থী মো. মনিরুজ্জামান নৌকা প্রতীকে ৫৮৭০ ভোট পেয়েছেন। তিনি মাত্র ৬৩০ ভোটে পরাজিত হন। এখনই দলীয় কোন্দলই নৌকার প্রার্থীর পরাজয়ের মূল কারন।
অন্ত:দলীয় কোন্দল থাকায় গাবসারা ইউনিয়নে কোন পোষ্টার লাগাতে পারেনি নৌকার কর্মী ও সমর্থকরা। উপজেলা আ.লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের বাড়ী হওয়ায় সেখানেও পোস্টার না লাগানো নিয়ে হতাশ ছিলেন নেতাকর্মীরা। উপজেলা আ.লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের নিজ কেন্দ্রে ১৪০৩ ভোটের মধ্যে নৌকা পেয়েছেন মাত্র ২৩ ভোট।

এ বিষয়ে, নিকরাইল আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি নয়ন সরকার বলেন, নিকরাইল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ঘাটি। এ নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামীলীগের হেভীওয়েট এক নেতা নৌকার পক্ষে কাজ না করে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাজ করায় এ পরাজয়। স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচিত হয়ে তাকে ফুলের মালা দেয় এমনচিত্র ফেসবুকে ভাইরাল।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা জানান, ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থানে দলীয় কোন্দল দেখা দেয়। এতে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা বিভক্ত হয়ে পড়ে। যার কারণেই আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মতিন সরকার হেরেছে।

নৌকার প্রার্থী ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল মতিন সরকার বলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের অনেক নেতা নৌকার বিপক্ষে কাজ করায় এ পারাজয়। আওয়ামীগের নেতা-কর্মীরা যদি একযোগে নৌকার পক্ষে কাজ করতো তাহলে নিকরাইলে নৌকার জয় ছিলো নিশ্চিত কিন্তু দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় নিকরাইলে দলীয় শৃঙ্খলা ভেঙ্গে পড়ে। ফলে নৌকার নিশ্চিত বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী। শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দলের সর্বোচ্চ ফোরামে আবেদন জানাবো।

প্রসঙ্গত, ভূঞাপুর উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী দিদারুল আলম খান মাহবুব, ফলদা ইউনিয়নে সাইদুল ইসলাম তালুকদার, গোবিন্দাসী ইউনিয়নে দুলাল হোসেন চকদার, স্বতন্ত্র প্রার্থী গাবসারা ইউনিয়নে শাহ আলম ও নিকরাইল ইউনিয়নে মাসুদুল হক মাসুদ জয়লাভ করেছেন।। ভূঞাপুর উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নের মধ্যে তিনটিতে আওয়ামী লীগ ও দুইটিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল ইমলাম জানান, স্থগিত ভূঞাপুর উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের আকালু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ পঞ্চম ধাপের নির্বাচনে অনুষ্ঠিত হবে। ভূঞাপুর উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নের মধ্যে তিনটিতে আওয়ামী লীগ ও দুইটিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. ডিসেম্বর ২০২১ ০১:৩০:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মানববন্ধন ও প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মানববন্ধন ও প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কৃষক মেছের আলী ও কৃষিবিদ মো. দুলাল মিয়ার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার(৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মির্জাপুরের সিংজুরী গ্রামের দুলাল মিয়া।

লিখিত বক্তব্যে দুলাল মিয়া বলেন, উপজেলার সিংজুরী গ্রামে আশুতোশ সরকার, গৌড় সরকার, নুরুল ইসলামসহ গ্রামের একাধিক ব্যক্তি একটি সংঘবদ্ধ চক্র গড়ে তুলেছেন। চক্রটি স্থানীয় মেছের আলীর মতো অসহায় ব্যক্তিদের জায়গা জমি দখল, ধান চুরি, চাঁদাবাজিসহ নানা ধরনের অপকর্ম লিপ্ত রয়েছে। তাদের এই অপকর্ম প্রতিবাদ করায় ওই গ্রামের মেছের আলী ও তার পরিবারকে মসজিদে নামাজ পড়া, সমাজে কোরবানি ও তার মুদি দোকান বন্ধ করাসহ দীর্ঘদিন ধরে এক ঘরে করে রেখেছেন আমাদের পরিবারকে। এ ব্যাপারে মেছের আলী একাধিক মামলা করেছেন। এছাড়া মেছের আলী এসব অপকর্মের প্রতিকার চেয়ে গত ২০ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার মহাপরিচালকের বরারর একটি লিখিত আবেদন করেছে।

তিনি আরো বলেন, আমি একজন মৃত্তিকা বিজ্ঞানী ও কৃষিবিদ। আমি এসব অপকর্মমের প্রতিবাদ করায় আমাকে হুমকি দিচ্ছে। এ চক্রটি বিভিন্ন ধরনের মিথ্যাচার করছে। আমি নিরীহ গ্রামবাসীর পাশে দাঁড়ানোয় তাদের রোষানলের শিকার হয়েছি। মেছের আলীর মামলা এবং লিখিত আবেদনে ভিত হয়ে আশুতোশ সরকার ও তার সহযোগিরা গত ২২ ডিসেম্বর একটি মানববন্ধন করে। মানববন্ধনে আমার এবং মেছের আলী ও শুকুর আলীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট বক্তব্য দেয়া হয়। পরে সেটি বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ চক্রের হাত থেকে গ্রামকে রক্ষা করার জন্য তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ভুক্তভোগী মেছের আলী, সুকুর আলী, আনোয়ারা বেগম প্রমুখ।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. ডিসেম্বর ২০২১ ১২:১৬:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।