একতার কণ্ঠঃ দুইবারের ইউপি সদস্য হয়েও ৩০ বছর যাবৎ জুতা ছাড়াই চলছেন জয়নাল আবেদীন (৬৬)। কলেজে চাকুরি, দুই দফায় পরিষদের ইউপি সদস্যের দায়িত্ব পালনসহ ব্যক্তি জীবন যাপনের পাশাপাশি জুতা ছাড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন সামাজিক নানা কর্মকান্ড।
এলাকায় তিনি জুতা ছাড়া মেম্বার হিসেবেই পরিচিত। জয়নাল আবেদীন টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কাকড়াজান মহানন্দাপুর বাশার চালা গ্রামের মৃত গফুর মিয়ার ছেলে। পেশায় তিনি একজন পোল্ট্রি খাবার বিক্রেতা।
স্থানীয়রা জানায়, প্রায় ৩০ বছর যাবৎ জুতা ছাড়াই চলাফেরা করছেন জয়নাল মেম্বার। শীত, বর্ষা কোন সময়ই তিনি জুতা পড়েন না। নিজ বাড়ি, অফিস আদালত, মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির থেকে শুরু করে সর্বত্রই জুতা ছাড়া চলাফেরা করেন তিনি। এরপরও কখন শুনেনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তিনি। জুতা ছাড়া মেম্বার হিসেবে তিনি উপজেলা জুড়ে ব্যাপক পরিচিত বলেও জানান তারা।
স্থানীয় সত্তর উর্দ্ধো আব্দুর রহিম জানান, জয়নাল মেম্বার খুবই ভালো মানুষ। বিপদে আপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানো তাঁর একটা ভালো গুণ। এ কারণে এলাকার মানুষ তাকে দুইবার ইউপি সদস্য নির্বাচিত করেছেন।
স্থানীয় মুসুল্লি আতোয়ার রহমান জানান, জয়নাল আবেদীন মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন। দীর্ঘদিন যাবৎ তাকে জুতা ছাড়াই চলাচল করতে দেখছি। ব্যক্তি হিসেবে ভালো ও জনপ্রিয় হওয়ায় ইতোমধ্যে তিনি দুইবার ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়াও তিনি কাকড়াজান ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বারদের সংগঠনের সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি জানান, আমরা শুনেছি তিনি পীর ধরা। পীরের নির্দেশেই তিনি জুতা ছাড়া চলাফেরা করেন।
জয়নাল আবেদীন জানান, ১৯৬৯ সালে কালিহাতী উপজেলার বর্তমান আউলিয়াবাদ কলেজে অফিস সহকারী পদে যোগদান করেন তিনি। ২০০০ সালে চাকরি থেকে অবসরের যান তিনি। চাকুরিরত অবস্থায় কালিহাতীর ডা. আজহারুল ইসলাম পীরের মুরিদ হন তিনি। জুতা ছাড়া চলাফেরা করার নির্দেশ দেন পীর সাহেব। সেই নির্দেশ অনুসারেই ৩০ বছর যাবৎ জুতা ছাড়া চলাফেরা করছি। জুতা ছাড়া চলাফেরা করতে স্বাছন্দ বোধ করি। এ কারণে আমি এলাকায় জুতা ছাড়া মেম্বার হিসেবে ব্যাপক পরিচিত।
তিনি জানান, চাকুরি অবসরের পর নিজ এলাকায় পোল্ট্রির খাবার বিক্রির ব্যবসায় যুক্ত হন তিনি। ব্যবসার পাশাপাশি ৬৬ বছর বয়সী জয়নাল আবেদীন এলাকার মানুষের বিপদে আপদে পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার নিয়ে ইউপি নির্বাচনের প্রার্থী হন। বিগত ১৯৯৭ সাল থেকে ২০০২ এবং বিগত ২০১৬ থেকে ২০২১ সালের নির্বাচনের পূর্ব পর্যন্ত কাকড়াজান ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের মেম্বার নির্বাচিত হই। এছাড়াও আমি কাকড়াজান ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বারদের সংগঠনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।
তিনি জানান, ব্যক্তি জীবনে আমি তিন মেয়ে ও এক ছেলের বাবা। ইতোমধ্যেই তিন মেয়ে জোহরা আক্তার, জয়নব আক্তার ও শিরিন আক্তারকে বিয়ে দিয়েছি। ছেলে সিয়াম আহমেদ এখন ৮ম শ্রেনীর ছাত্র। পরিবারের সদস্যরাসহ সকলেই আমার এই ব্যতিক্রম জীবনযাপন মেনে নিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, জুতা ছাড়া চলাফেরা করতে তার কোন সমস্যা হয় না। পিচের তৈরী পাকা সড়ক কিংবা কাঁচা সড়কে খালি পায়ে চলে তার পায়ে কখনও ব্যথা পাননি। জুতা ছাড়া চলাফেরা করতে তিনি স্বাছন্দ বোধ করেন ও অনেক উপকারও পেয়েছেন। জুতা ছাড়া চলাফেরা করার কারণে বড় ধরনের কোন রোগ্যব্যাধি হয়নি, কমেনি চোখের জ্যোতিও। এবারের নির্বাচনে পরাজিত হওয়া সত্ত্বেও আজীবন তিনি জনগণের সেবা করা প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
এ বিষয়ে কাকড়াজান ইউনিয়ন পরিষদের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান মো. দুলাল হোসেন জানান, গুরুধরা মানুষ জয়নাল আবেদীন। গুরুর আদেশ মান্য করতেই তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ জুতা ছাড়া চলাফেরা করছেন। আমি তাকে ব্যক্তিগতভাবে ভালো মানুষ হিসেবে চিনি। এছাড়াও তিনি দুইবার কাকড়াজান ইউনিয়নের পরিষদের সদস্য ছিলেন বলেও জানান তিনি।
একতার কণ্ঠঃ সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইলে এসএসসি ও সমমানের দাখিল পরীক্ষা শুরু হয়েছে।
রবিবার(১৪নভেম্বর)প্রথম দিনের পরীক্ষা শান্তিপূর্ন ভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকালে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর আতাউল গণি, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার পৌর এলাকার কয়েকটি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
এ সময় জেলা প্রশাসক ডক্টর আতাউল গণি বলেন,পরীক্ষা সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ ভাবে গ্রহন করতে প্রয়োজনীয় সকল ধরনের প্রস্তুুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
জেলা শিক্ষা অফিসার লায়লা খানম জানান, টাঙ্গাইল জেলায় সর্বমোট ৫৫ হাজার ৬৬১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করছে।ছাত্রী-ছাত্রীরা নকল মুক্ত শান্তি পূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করছে। সকলের পরীক্ষা ভালো হচ্ছে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এড. জাফর আহমেদ সহ জেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে সন্তান প্রসবের ১৮ ঘণ্টা পর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে এক কিশোরী। রবিবার(১৪ নভেম্বর) সকাল ১০টায় সখীপুর পিএম পাইলট মডেল গভ. স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষায় অংশ নেয় সে। তার নাম বীথি আক্তার।বীথির বাড়ি ঘাটাইলের সানবান্ধা গ্রামে।
বীথি আক্তার উপজেলার মোন্তাজনগর আবাসিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। বাল্যবিবাহ ও সন্তান প্রসব তাকে পরীক্ষা দেওয়া থেকে বিরত রাখতে পারেনি।
অষ্টম শ্রেণি পাস করার পর উপজেলার মোন্তাজনগর গ্রামের রানা হাসান নামের একজনের সঙ্গে বীথির বিয়ে হয়। বিয়ের পর স্বামীর বাড়ি থেকে সে ২০১৯ সালে মোন্তাজনগর আবাসিক বালিকা বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে ভর্তি হয়ে ক্লাস শুরু করে।
করোনাকালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এসএসসি পরীক্ষা হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। পরীক্ষার সময় নির্ধারিত না হওয়ার একপর্যায়ে বীথি আক্তার অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।
শনিবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে বীথির প্রসববেদনা শুরু হলে তাকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ওই দিন বিকেল চারটায় স্বাভাবিকভাবে বীথি ছেলেসন্তানের মা হয়। হাসপাতাল থেকে রবিবার সকাল সাড়ে নয়টায় একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যানে করে বীথিকে তার মা এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার জন্য কেন্দ্রে নিয়ে যান।
ওই শিক্ষকেরা জানান, সে দেড় ঘণ্টার পরীক্ষা সুন্দরভাবে সম্পন্ন করেছে। প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে।
উপজেলার মোন্তাজনগর আবাসিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাকির হোসে বলেন, মেয়েটি ভালো ছাত্রী। বিয়ের পর সে নবম শ্রেণিতে ভর্তি হয়। অন্যান্য মেয়ের মতো নিয়মিত ক্লাস করেছে। সে দমে যায়নি। বাল্যবিবাহ ও সন্তান প্রসব—এসব বাধা তাকে থামাতে পারেনি। বীথি প্রধান শিক্ষককে বলেছে, সে পড়াশোনা চালিয়ে যাবে।
মুঠোফোনে প্রধান শিক্ষক আরও জানান, সদ্য সন্তান প্রসবের কারণে বীথির পরিবার থেকে তাকে পরীক্ষা না দেওয়ার জন্য বলা হলেও সে শোনেনি।
সখীপুর পিএম পাইলট মডেল গভ. স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের সচিব এমদাদুল হক মিয়া বলেন, ‘পরীক্ষা চলাকালে আমি মেয়েটির খোঁজ নিয়েছি। সে খুব সাহসের সঙ্গে পরীক্ষায় অংশ নেয়।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মফিজুল ইসলাম বলেন, করোনাকালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এই উপজেলায় দুই শতাধিক মেয়ের বাল্যবিবাহ হয়েছে। বাল্যবিবাহ রোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে। পরীক্ষায় অংশ নেওয়ায় তিনি বীথিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
এদিকে, সখীপুর উপজেলায় এবারের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় ৪৫ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত। এর মধ্যে ২৪ জন মেয়ে ও ২১ জন ছেলে। এসএসসিতে অনুপস্থিত ২১ জনের মধ্যে ১১ জন মেয়ে। দাখিলে অনুপস্থিত ২৪ জনের মধ্যে ১৪ জন মেয়ে।
বাল্যবিবাহ হওয়ায় মেয়েরা এবং জীবিকার সন্ধানে নেমে পড়ায় ছেলেরা শিক্ষাজীবন থেকে ঝরে পড়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ৩ উপজেলায় ১৮টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ১৩টিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এবং ৫টিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) মধ্যরাতে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সখীপুর উপজেলায় এ ইউনিয়নে ৪টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে দুইটিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও দুইটিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
কাকড়াজান ইউনিয়ন: এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী দুলাল হোসেন ১৪ হাজার ৯৪৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী তারিকুল ইসলাম বিদ্যুৎ পান ৬৮৭৫ ভোট।
বহেড়াতৈল ইউনিয়ন: এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ওয়াদুদ হোসেন বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পান ৯ হাজার ৪২। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি হন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী গোলাম ফেরদৌস তিনি পান ৬ হাজার ১৪৭ ভোট।
যাদবপুর ইউনিয়ন: এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী একেএম আতিকুর রহমান ১০ হাজার ২৯১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী খন্দকার বজলুর রহমান বাবুল পান ৬ হাজার ১৫৮।
বহুরিয়া ইউনিয়ন: এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সরকার মোহাম্মদ নূরে আলম মুক্তা নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পান ৮ হাজার ৭০৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগের প্রাথী গোলাম কিবরিয়া সেলিম পান ৬ হাজার ২১৭ ভোট।
ধনবাড়ী উপজেলা: এ উপজেলায় ৪টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে এবং ৩টিতে সাধারণ ও সংরক্ষিত পদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ৩টিতে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ও ১ টিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হয়েছে। অপরদিকে মুশুদ্দি, বীরতারা এবং বলিভদ্র ইউনিয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়।
ধোপাখালী ইউনিয়ন: এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আকবর হোসেন বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পান ৮ হাজার ৮৯৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী কামাল হোসেন তালুকদার পান ৪ হাজার ১৩৭ ভোট।
যদুনাথপুর ইউনিয়ন: এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মীর ফিরোজ আহমেদ বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পান ১৬ হাজার ৩৩৪ জন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ পান ৭১৫ জন।
বানিয়াজান ইউনিয়ন: এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রাথী রফিকুল ইসলাম তালুকদার ফটিক ৯ হাজার ৩৫০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী মাসুদ আলম পান ১ হাজার ১৯ ভোট।
পাইস্কা ইউনিয়ন: এ ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী (ঘোড়া) জাহাঙ্গীর আলম ৭ হাজার ৩৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী আরশেদ আলী পান ২ হাজার ৩৬৫ ভোট।
এছাড়া বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত প্রার্থীরা হলেন- বলিভদ্র ইউনিয়নে রফিকুল ইসলাম, মুশুদ্দিতে আবু কায়সার ও বীরতারাতে আমহেদ আল-ফরিদ। এরা সবাই আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থী ছিলেন।
দেলদুয়ার উপজেলা: এ উপজেলায় ৭টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে ৫টিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও দুইটিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
ডুবাইল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইলিয়াস মিয়া, ফাজিলহাটী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শওকত আলী, দেলদুয়ার সদরে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাসুদ উজ্জামান খান, পাথরাইল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী রাম প্রসাদ ও দেউলী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী প্রার্থী দেওয়ান তাহমিনা হক বিজয়ী হয়েছে। এছাড়া লাউহাটী ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহীন মোহাম্মদ খান ও এলাসিন ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মানিক রতন বিজয়ী হয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, ‘ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল পর্যন্ত ডাবল রেল লাইন করা হবে খুব দ্রুতই। বঙ্গবন্ধু রেল সেতু কাজ শেষ হবার আগেই ওই কাজ শুরু করা হবে।’
বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল ঘারিন্দা রেল স্টেশনের প্লাটফর্ম কাজের উদ্বোধন শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
রেল মন্ত্রী নুরুল ইসলাম আরো বলেন, ‘২০২৪সালের মধ্যে বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর কাজ শেষ হবে। কাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঢাকা থেকে উত্তর বঙ্গের সব রেল লাইন ডবল করা হবে। যাতে করে দুই লাইনে রেল চলাচল করতে পারে। সাধারণ মানুষ এখন রেলের প্রতি বেশি আগ্রহী। যাতে করে রেলে বেশি যাতায়াত করে সেই দিকে নজর দেওয়া হবে।’
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন ও রেল মন্ত্রনালয়ের সচিব সেলিম রেজা, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র সিরাজুল হক আলমগীর প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সরকারি ফজিলাতুন নেসা মুজিব মহিলা কলেজে ছাত্রীদের টিকটক ও লাইকি ভিডিও তৈরির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। বুধবার (১০ নভেম্বর) বিকেলে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. শহীদুজ্জামান এ তথ্যটি নিশ্চিত করেন।
এর আগে মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) কলেজের অধ্যাপক শহীদুজ্জামানের সই করা একটি নোটিশ টাঙানো হয় প্রতিষ্ঠানে।
নোটিশে বলা হয়, কলেজের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির কিছু শিক্ষার্থী সম্প্রতি কলেজ পোশাক (ইউনিফর্ম) পরিধান করে স্মার্টফোনের মাধ্যমে টিকটক ও লাইকি ভিডিও তৈরি করছে। যা কলেজের সুনামের ওপর প্রভাব ফেলছে। এ কারণে কলেজে স্মার্টফোন নিয়ে আসা সম্পূর্ণ নিষেধ। জরুরি প্রয়োজনে বাটনফোন ব্যবহার করা যেতে পারে।
কোন ছাত্রীকে টিকটক বা লাইকিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা গেলে বা কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীর কাছে স্মার্টফোন পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অধ্যাপক মো. শহীদুজ্জামান বলেন, ‘করোনার পর কলেজ খুলে দেওয়ায় কিছু ছাত্রী স্মার্টফোন সঙ্গে এনে টিকটক বা লাইকি ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছে। সম্প্রতি একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এটা কলেজের সুনাম ক্ষুন্ন করে। ছাত্রীদের সচেতন করতে আমরা এই পদক্ষেপ নিয়েছি। কেউ অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল থেকে ২০ শতাংশ বেশি ভাড়া দিয়ে ঢাকায় যাচ্ছে মানুষ। জ্বালানী তেলের দাম বাড়ানোর আগে নিরালা সুপার বাসে ১৬০ টাকা দিয়ে মহাখালী যাওয়া গেলেও এখন ভাড়া আদায় করা হচ্ছে ২০০ টাকা। এতে যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।এছাড়া এ রুটে চলাচলকারী বিলাস বহুল সকাল সন্ধ্যা ও সোনিয়া গাড়িতেও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) দুপুরে বাসস্টান্ড এলাকায় সরেজমিন ঘুরে এসব তথ্য জানা যায়।
বাস চালকরা জানান, ডিজেলের দাম হঠাৎ করে লিটার প্রতি ১৫ টাকা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। তারপর থেকে পরিবহন ধর্মঘটে নামে বাস ও ট্রাক চালকরা। বাস ভাড়া সমন্বয় করার পর মঙ্গলবার সকাল থেকে টাঙ্গাইল থেকে মহাখালী পর্যন্ত ধলেশ্বরী বাসে ১৩০ টাকার পরিবর্তে ১৬০ টাকা, নিরালা সুপার ১৬০ টাকার পরিবর্তে ২০০ টাকা ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।
এছাড়াও এসি বাসে টাঙ্গাইল থেকে কল্যাণপুর পর্যন্ত সোনিয়া ও সকাল সন্ধ্যা বসে ৩০০ টাকা পরিবর্তে ৩৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে।
ঢাকামুখী তোরাব আলী বলেন, এক সপ্তাহ আগে টাঙ্গাইল থেকে মহাখালীর ভাড়া ছিলো ১৬০ টাকা। আজকে ২০০ টাকা দিয়ে টিকিট কাটলাম। যা কিছুর দামই বৃদ্ধি পায়, সব কিছু জনগনের উপর দিয়ে যায়। আমাদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
অপর যাত্রী রাজ্জাক আলী বলেন, সরকার ডিজেল চালিত বাসের ভাড়া বৃদ্ধি করেছে। তবে কোন বাসটি ডিজেল ও কোন বাসটি গ্যাসে চলে সেটা আমরা শনাক্ত করতে পারছি না। যে কারণে গ্যাসের বাস গুলোও আমাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে।
শওকত আলী বলেন, জ্বালানী তেলের দাম বাড়ায় বাস মালিক ও চালকরা যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। কিন্তু যাত্রীদের কোন বেতন ভাড়া বাড়েনি এটা দুঃখ জনক।
নিরালা সুপারের টিকেট মাস্টার শরিফ মিয়া বলেন, মালিক সমিতির নির্দেশ অনুযায়ী অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। তবে খুব বেশি ভাড়া নেয়া হচ্ছে না। মাত্র ৪০ টাকা বাড়ানো হয়েছে।
সোনিয়া কাউন্টারের টিকিট মাস্টার সুধীপন সাহা ও সকাল সন্ধ্যা কাউন্টারের টিকেট মাস্টার রিয়াদ মিয়া বলেন, টাঙ্গাইল থেকে কল্যাণপুরের ভাড়া ৩০০ টাকার পরিবর্তে ৩৫০ টাকা নেয়া হচ্ছে। ৫০ টাকা করে বেশি আদায় করা হচ্ছে।
টাঙ্গাইল জেলা বাস কোচ মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি ইকবাল হোসেন বলেন, সরকার ৫২ সিটের বাস ভাড়া যে হারে বৃদ্ধি করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। সেই হারেই আদায় করা হচ্ছে। তবে গেট লক ৪০ সিটের বাসের ভাড়া কিছু বেশি নেওয়া হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মাদক সেবনকালে তিন মাদকসেবীকে আটক করে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা করে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক। এ সময় তাদের কাছ থেকে সাতটি ইয়াবা জব্দ করা হয়।
মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) সকালে মির্জাপুর রেল স্টেশন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. জুবায়ের হোসেন ওই সাজা দেন। এ সময় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন উপস্থিত ছিলেন।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের গোড়াই গ্রামের ফজলু মিয়ার ছেলে মো. রাজিব মিয়া (৩৮), উপজেলা সদরের পোষ্টকামুরী পূর্বপাড়ার বছির উদ্দিনের ছেলে মো. রায়হান (৩৬) ও আনাইতারা ইউনিয়নের আটিয়া মামুদপুর গ্রামের হাফিজুর রহমানের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৩২)।
মঙ্গলবার সকালে মির্জাপুর রেলস্টেশন এলাকায় ওই তিন যুবক মাদক সেবনকালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক তাদের হাতনাতে আটক করে এই সাজা দেন। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যহত থাকবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. জুবায়ের হোসেন।
একতার কণ্ঠঃ জাতীয় পর্যায়ে ২১ শে পদক প্রাপ্ত টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুককে সংর্বধনা দেওয়া হয়েছে। সোমবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল প্রি-ক্যাডেট স্কুলের উদ্যোগে ওই সংর্বধনা প্রদান করা হয়।
সংর্বধনা অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক।
বিশেষ অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইলের সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল ইমরান, ষাটের দশকের অন্যতম কবি বীর মুক্তিযোদ্ধা বুলবুল খান মাহবুব, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র সিরাজুল হক আলমগীর, মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় পরিষদের যুগ্ম- সম্পাদক ড. জান্নাত আরা হেনরী, টাঙ্গাইল বাস মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার নাজিম উদ্দিন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এড. জাফর আহমেদ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রিন্সিপাল শাহানা বেগম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন টাঙ্গাইল প্রি-ক্যাডেট স্কুল এর পরিচালনা পরিষদের সদস্য হারুন-অর-রশিদ।
এ সময় ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী-অভিভাবক, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ঐন্দ্রিলা কর্মকার(১৪) নামের অষ্টম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রী ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। সোমবার(৮ নভেম্বর) ভোরে সখীপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের কালিদাস রোডের পল্টনপাড় নামক এলাকায় ওই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। ঐন্দ্রিলা একই এলাকার ডা:গোপাল কর্মকারের মেয়ে।
পুলিশ ও পারিবারিকসূত্রে জানা যায়,ঐন্দ্রিলা কর্মকার সখীপুর পি এম পাইলট মডেল স্কুল এন্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। পরিবারের সাথে রাতের খাবার শেষ করে সে তার নিজ রুমে ঘুমাতে যায়।
সোমবার ভোরে নিহতের মা তার খোঁজ খবর নিতে রুমে গিয়ে ঐন্দ্রিলাকে গলায় গামছা বাধাঁ অবস্থায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলতে দেখেন। পরে তাকে উদ্ধার করে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
সখীপুর থানার পরিদর্শক(এসআই) মো.মেহেদী হাসান জানান,হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক সুরতহাল করা হয়। পরিবারের লোকজনের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে লাশ ময়না তদন্ত ছাড়াই তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গায় স্কুলছাত্রী সুমাইয়া হত্যায় জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।রবিবার(৭ নভেম্বর) দুপুরে এলেঙ্গা কলেজ মোড়ে আয়োজিত ওই মানববন্ধনে স্থানীয় পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দুই সহস্রাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ গ্রহন করে।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, কালিহাতী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মোল্লা, সরকারি শামসুল হক কলেজের অধ্যক্ষ আনোয়ারুল কবীর, লুৎফর রহমান মতিন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম, এলেঙ্গা বিএম কলেজের অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম, এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুল করিম তালুকদার, জিতেন্দ্রবালা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোবিন্দ চন্দ্র সাহা, নিহত সুমাইয়ার চাচা ফিরোজ মিয়া প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, এলেঙ্গায় কিশোর গ্যাং ও বখাটেদের উৎপাত বহুগুনে বেড়েছে। ওরা সংঘবদ্ধ হয়ে বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হচ্ছে। পুলিশ ও অভিভাবকসহ সবাইকে কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
বক্তারা সুমাইয়ার হত্যাকারী সহ সকল অপরাধী ও তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
প্রকাশ, গত ২৭ অক্টোবর এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী সুমাইয়া আক্তারের(১৫) গলাকাটা লাশ শামসুল হক কলেজের পাশের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। স্কুলছাত্রী সুমাইয়া কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের পালিমা গ্রামের ফেরদৌস রহমানের মেয়ে।
একতার কণ্ঠঃ ৭ই নভেম্বরের কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি আয়োজিত অনুষ্ঠানে শ্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে হট্টগোলের সৃস্টি হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকরা ওই ছবি তুলতে গেলে বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাতে বাঁধা প্রদান করেন।টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির নব গঠিত আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু অনুষ্ঠানে হট্টগোলের বিষয়টি অস্বীকার করেন।
রবিবার( ৭ নভেম্বর) দুপুরে শহরের জেলা সদর রোড় সংলগ্ন সোনার বাংলা কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত আলোচনা সভায় ওই হট্টগোল ও বাঁধা দেওযার ঘটনাটি ঘটে।
অনুষ্ঠানে আলোচনা চলাকালীন সময় স্লোগান দেওয়ায় বিএনপির টাঙ্গাইল জেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক এড.ফরহাদ ইকবাল ও জেলা যুবদলের আহবায়ক আশরাফ পাহেলীর সমর্থকদের মধ্যে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত কেন্দ্রিয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।এসময় বিশৃঙ্খলার চিত্র ধারন করতে গেলে সাংবাদিকদের বাধা দেন বিএনপির কর্মী সমর্থকরা।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এড. ফরহাদ ইকবাল বলেন, অনুষ্ঠানে বক্তব্য চলাকালিন সময়ে স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে কিছুটা বিশৃঙ্খলা সৃস্টি হলেও তা তাৎক্ষনিক ভাবে সমাধান করা হয়েছে।
জেলা যুবদলের আহবায়ক আশরাফ পাহেলী বলেন, স্লোগান কোন ভাইয়ের নামে হবেনা। স্লোগান হবে নেতাদের নামে। তবে যতটুকু বিশৃঙ্খলা হয়েছিলো তা ওই সময়েই মিমাংসা করা হয়েছে।
আলোচনা সভায় টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহবায়ক আহমেদ আযম খানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারন সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক পানি সম্পদ মন্ত্রী গৌতম চক্রবর্তী, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক হাসানুজ্জামিল শাহিন ও এড. ফরহাদ ইকবাল প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু।
এসময় জেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, শ্রমিকদল, মহিলাদলসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।