একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরের কালিয়া ইউনিয়নে কৃষি জমি ভরাট করে এবং জোর করে জমি দখলের মাধ্যমে শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ার উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। রোববার(২৩ জানুয়ারি) সকালে সখীপুর-সাগরদিঘী রোডের ঘোনার চলা এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয় ।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় লিয়াকত হোসেন, কাশেম মিয়া, নূরুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, আব্দুল কাদের প্রমুখ।
মানববন্ধন কর্মসূচী থেকে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘ দিন যাবৎ লাবিব গ্রুপ নামের একটি প্রতিষ্ঠান এখানে শিল্প-কারখানা প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ শুরু করেছে। প্রকৃত জমির মালিকদের কাছ থেকে জমি না কিনে দালালদের মাধ্যমে ভুয়া কাগজে অধিকাংশ জায়গা কিনে মাটি ভরাট করছে ফলে কয়েক বছর ধরে কৃষি চাষ করা যাচ্ছে না। তাদের অভিযোগ স্থানীয় ভুমি দালালরা নানা ভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে বাড়ি ঘর থেকে অনেককে উচ্ছেদের হুমকিও দিচ্ছে। এ ব্যাপারে বারবার প্রতিবাদ করে কোন ফল হচ্ছেনা। এ ব্যাপারে মানববন্ধন থেকে তারা প্রধনামন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গোপালপুরে মারধর করে হ্যান্ডকাপসহ পুলিশের কাছ থেকে আসামী ছিনতাই করা হয়। হামলায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন, থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সালাউদ্দিন ও শফিকুল এবং পুলিশ সদস্য মাখন সূত্রধর। শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার ধোপাকান্দি ইউনিয়নের ভুটিয়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে হ্যান্ডকাপসহ আসামীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী রিপন (৩৮) চিলাবাড়ি গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে এবং মিজানুর রহমান (৪০) ভুটিয়া গ্রামের মৃত ইনতাজ আলীর ছেলে। শনিবার (২২ জানুয়ারি) দুইজনকে টাঙ্গাইলে কোর্টে প্রেরণ করেছে থানা পুলিশ।
জানা যায়, আসামী রিপনের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও অপহরণ মামলায় ওয়ারেন্ট ছিল। পরে গোপালপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সালাউদ্দিন ও শফিকুল ও পুলিশ সদস্য মাখন আসামী ধরতে শুক্রবার রাতে ধোপাকান্দি ইউনিয়নের ভুটিয়া এলাকায় যান। এসময় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী রিপনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় ধোপাকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকার মনোনীত প্রার্থী সিরাজুল ইসলামের ভাই মিজানুর রহমান তার লোকজন নিয়ে পুলিশের উপর হামলা চালায়। এসময় পুলিশদের মারধর করে হ্যান্ডকাপসহ আসামী ছিনিয়ে নেয় তারা।
পরে পুলিশ আহত হওয়ার ঘটনায় ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পুনরায় হ্যান্ডকাপসহ আসামী রিপনকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় হামলায় নেতৃত্ব দেয়া মিজানুরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এদিকে হামলায় আহত ৩ পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
গোপালপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মোশারফ হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পুলিশ আসামীকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসার সময় মিজানুর ও তার লোকজন পুলিশের উপর হামলা চালায়। এসময় হামলায় ৩ পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে হ্যান্ডকাপসহ আসামী রিপন ও মিজানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মিজান ধোপাকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী সিরাজুল ইসলামের ভাই। সে মাদকসেবী হিসেবে এলাকায় পরিচিত।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ৪ কেজি গাঁজা সহ মো. জহুরুল ইসলাম (৪০) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ। শুক্রবার(২১ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার গয়হাটা ইউনিয়নের পালপাড়া নিজ বাড়ী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত জহুরুল ওই ইউনিয়নের মো. জব্বার মিয়ার ছেলে। এ বিষয়ে নাগরপুর থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাগরপুর থানা পুলিশ উপজেলার গয়হাটা ইউনিয়নের পালপাড়াস্থ জহুরুলের বাড়ীতে অভিযান চালায়। তার বসত ঘর তল্লাশি করে ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় জহুরুল পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে আটক করে।
নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ( ওসি) সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, গয়হাটা ইউনিয়নের পালপাড়া থেকে ৪ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী জহুরুল নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নাগরপুর থানায় তার বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, শনিবার(২২ জানুয়ারি) সকালে গ্রেপ্তারকৃত জহিরুলকে টাঙ্গাইল কোর্টে প্রেরন করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আয়োজিত অনুর্দ্ধ-১৪ বিভাগীয় পর্যায়ে ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিভাগ উত্তরের দল গঠনের জন্য ৩৮ জন ক্ষুদে ক্রিকেটারকে প্রাথমিক বাছাই ক্যাম্পে ডাকা হয়েছে।এই ক্যাম্পে ডাক পেয়েছে টাঙ্গাইলের ৭ জন ক্ষুদে ক্রিকেটার। একটি জেলা থেকে এটাই সবোর্চ্চ ক্রিকেটার ডাক পেল।
এই প্রাথমিক বাছাই ক্যাম্পে ডাক পাওয়া টাঙ্গাইলের ক্রিকেটারগণ হচ্ছেঃ টাঙ্গাইল জেলা অনুর্দ্ধ-১৪ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক এহসানুল হক মাহিম,উইকেট কিপার রাকিবুল হাসান রাকিব, মহারাজ বসাক, আল-রাফি,জুনায়েদুল ইসলাম জারিফ, রায়য়ান আপন ও তানযিরুল ইসলাম।
রবিবার(২৩ জানুয়ারি) সকাল থেকে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজ মাঠে ঢাকা বিভাগীয় ক্রিকেট কোচ জাকির হাসানের তত্বাবধানে ৪ দিনের এই প্রাথমিক সিলেকশন ক্যাম্প শুরু হবে। এই ক্যাম্প থেকে ২০ জন ক্ষুদে ক্রিকেটারকে বাছাই করা হবে। এই ক্রিকেটার বাছাই করবেন বিসিবি’র বয়স ভিত্তিক ক্রিকেট কোচ আব্দুল করিম জুয়েল।
এর পর আরো ১০ দিনের স্কিল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে। এদের মধ্যে থেকে ১৪ জন ক্রিকেটার নিয়ে ঢাকা বিভাগ উত্তরের চুড়ান্ত দল গঠন করা হবে।
ঢাকা বিভাগ উত্তরের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মাহমুদুল হক বাপ্পু ও সহকারী কোচ হিসেবে থাকবেন মোঃ সাজ্জাদ হোসেন।
টাঙ্গাইল জেলা থেকে সবোর্চ্চ সংখ্যক ৭ জন ক্ষুদে ক্রিকেটার বিভাগীয় দলে ডাক পাওয়ায়, টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ আরাফাত রহমান বলেন, এটা অত্যন্ত আনন্দের বিষয় যে টাঙ্গাইল থেকে ৭ জন ক্রিকেটার প্রাথমিক দলে ডাক পেল। এদের মধ্যে এহসানুল হক মাহিম, রাকিবুল হাসান রাকিব, জুনায়েদুল ইসলাম জারিফ, ও আল-রাফি অত্যন্ত প্রতিভাবান ক্রিকেটার। আশা করি, এরা চুড়ান্ত দলেও ডাক পাবে।
প্রকাশ, ঢাকা বিভাগ উত্তরের এই বিভাগীয় ক্রিকেট দলটি ৯টি জেলার ক্ষুদে ক্রিকেটার নিয়ে গঠন করা হয়। জেলা গুলো হচ্ছে, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, জামালপুর, শেরপুর, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ,নরসিংন্দি, মানিকগঞ্জ ও গাজিপুর জেলা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আরো ৩৬ জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় সর্বমোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৭ হাজার ৮৩ জনে। শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান ওই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জেলা সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) ১৩ জন, বুধবার (১৯ জানুয়ারি) ২৮ জন, বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) ২৯ জন দেহে করোনাভাইরাস সনাক্ত হয়েছে। এই পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, জেলায় বেড়ে চলেছে করোনা আক্রান্ত রুগীর সংখ্যা।
সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র আরো জানায় ,বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) ভোর ৬ টা থেকে শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) ভোর ৬ টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১৬৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৮১ শতাংশ। নতুন করে আক্রান্তদের মধ্যে সদর উপজেলায় ২৭জন, সখীপুর, ঘাটাইল ও বাসাইল উপজেলায় ২ জন করে, দেলদুয়ার, ভূঞাপুর ও গোপালপুর উপজেলায় ১ জন করে রয়েছেন।
এ পর্যন্ত জেলায় সুস্থ হয়েছেন ১৬ হাজার ৬৩৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় করোনায় কোন রোগী মারা যায়নি। জেলায় এই যাবদ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ২৬০ জন।
এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান জানান, গণপরিবহনের মাধ্যমে করোনাভাইরাস বেশি ছড়াচ্ছে। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ভ্রমণ করা ব্যক্তিরাই করোনায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন।
তিনি আরো জানান, করোনা প্রতিরোধে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।
একতার কণ্ঠঃ শেখ কামাল অনুর্দ্ধ-১৮ জোনাল ক্রিকেট টুর্নামেন্টে টাঙ্গাইল জেলা দলের অধিনায়ক ও বাহাতি অফ স্পিনার ইমতিয়াজ আহমেদের হ্যাট্রিক সহ ৬ ইউকেট পাওয়া অসাধারন বোলিং স্পেলে গোপালগঞ্জ জেলার দলের বিপক্ষে টাঙ্গাইল জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ ক্রিকেট দল ৮ উইকেটে জয় লাভ করেছে। টুর্নামেন্টে এটা ছিল টাঙ্গাইল জেলা দলের দ্বিতীয় জয়।
সোমবার(১৭জানুয়ারি) সকালে ফরিদপুর জেলার শেখ জামাল ষ্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আয়োজিত সেন্টাল জোনের বয়স ভিত্তিক ৫০ ওভারের এই খেলায় গোপালগঞ্জ জেলা দল টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু টাঙ্গাইল জেলা দলের অধিনায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ ও আরেক স্পিনার মাইনউদ্দীনের স্পিন তোপে ৩৬ ওভারে মাত্র ৮৭ রানে অলআউট হয় গোপালগঞ্জ জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ ক্রিকেট দল।
ইমতিয়াজ ৯ ওভার বল করে মাত্র ১৯ রান দিয়ে হ্যাট্রিক সহ ৬ টি উইকেটে দখল করে। ইমতিয়াজ এর ৯ ওভার বলের মধ্যে আবার ৪ ওভার মেডেন ছিল।
এ ছাড়া টাঙ্গাইল জেলা দলের অপর স্পিনার মাইনউদ্দীন ৭ ওভার বল করে ১টি মেডেন সহ ১৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট লাভ করে। টাঙ্গাইল জেলা দলের স্পিন বোলিং জাদুতে গোপালগঞ্জ জেলা দলের তাজিম শেখ ব্যাতিত কোন ব্যাটস্ ম্যান উল্লেখযোগ্য রান করতে পারেনি। তাজিম শেখ ৫৭ বল খেলে ২৩ রান করে রান আউটের শিকান হন।
৫০ ওভারে ৮৭ রানের মামুলি টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে টাঙ্গাইল জেলা দল মাত্র ১৯ ওভার ৩ বলে ২ উইকেটে হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়। টাঙ্গাইলের ব্যাটস্ ম্যান ফেরদৌস লিমন ৪৯ বলে ৪৭ রান ও মুগ্ধ হাসান ৮ রানে অপাজিত থাকেন।
খেলায় ম্যান অব দি ম্যাচ নির্বাচিত হন টাঙ্গাইল জেলা দলের অধিনায়ক ও দলের জয়ে মূল ভুমিকা রাখা বাহাতি অফ স্পিনার ইমতিয়াজ আহমেদ।
টাঙ্গাইল জেলা দলের ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শাহ্ আজিজ তালুকদার বাপ্পি ও কোচ হিসেবে ছিলেন রাসেল খান।দলটির সার্বিক দায়িত্বে আছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিয়োজিত টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ মোঃ আরাফাত রহমান
প্রকাশ, টাঙ্গাইল জেলা দল টুর্নামেন্টে তাদের প্রথম ম্যাচে রাজবাড়ী জেলা দলকে ৮০ রানে পরাজিত করে। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে আগামি বৃহস্পতিবার(২০ জানুয়ারি) টাঙ্গাইল জেলা অনুর্দ্ধ-১৮ ক্রিকেট দল নরসিংন্দী জেলা দলের মুখোমুখি হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার দাড়িয়াপুরে ঐতিহ্যবাহী ফাইল্যা পাগলার (ফালচান শাহ) মেলা হচ্ছে না এবার। শুক্রবার( ১৪ জানুয়ারী) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মেলা হওয়ার কথা থাকলেও করােনাভাইরাস প্রতিরােধে সরকারি বিধিনিষেধের কারণে মেলা বন্ধের এই নির্দেশনা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার( ১৩ জানুয়ারী) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চিত্রা শিকারী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ইউএনও বলেন, সরকারি বিধিনিষেধ অনুযায়ী উন্মুক্ত স্থানে সব ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও সমাবেশ বন্ধ রাখতে হবে। এ জন্য স্থানীয় চেয়ারম্যানকে মেলাটি বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
দাড়িয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনছার আলী আসিফ বলেন, ‘নির্দেশনা পেয়েছি। মেলা উদ্যাপন কমিটির সঙ্গে মিটিং করে বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হবে।
মেলা উদযাপন কমিটির সভাপতি মাে. শাইফুল ইসলাম শামীম জানান, প্রশাসন না চাইলে মেলা বন্ধ করে দেওয়া হবে। সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিবছরের মতাে এবারও মাজারসংলগ্ন এলাকায় রংবেরঙের দোকানপাট বসেছে। মাঘ মাসের পূর্ণিমার রাতে সবচেয়ে বড় মেলা হলেও মাসব্যাপী থাকে মানুষের আনাগােনা।
মেলা উদযাপন কমিটি ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ফালুচান শাহর মাজারকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে এই মেলা উদযাপন হয়ে আসছে। লােকমুখে মেলাটি ফাইল্যা পাগলের মেলা হিসেবেই বেশি পরিচিত। দূর-দূরান্তের হাজারাে মানুষ আসে এখানে। তবে এ মেলা বন্ধ ঘােষণা করায় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যা মামলার রায়ে স্বামীকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার(১৩ জানুয়ারী) বিকেলে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের বিচারক বেগম খালেদা ইয়াসমিন আসামীর অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষনা করেন। শাহাদাৎ হোসেন জামিনে মুক্তি পেয়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন।
মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামী হলেন টাঙ্গাইলের সদর উপজেলা চৌবাড়িয়া গ্রামের ওমর আলীর ছেলে শাহাদাৎ হোসেন।
টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের বিশেষ পিপি আলী আহমেদ জানান, ২০০২ সালে দন্ডিত আসামী শাহাদাৎ হোসেনের সাথে সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের আউলটিয়া গ্রামের জাহারা খাতুনের সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের ৩ থেকে ৪ মাস পরে ১০ হাজার টাকা যৌতুক দাবি করে শাহাদাৎ। জাহারা খাতুনের পরিবার যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় শাহাদাৎ স্ত্রীকে নির্যাতন করেন। পরে ২০০২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর শাহাদাৎ শুশুর বাড়িতে যায়। সেখানে রাতে খাওয়া দাওয়া শেষে স্ত্রীকে নিয়ে বাড়ির একটি কক্ষে ঘুমাতে যায়। পরের দিন ভোরে বাড়ির লোকজন ঘুম থেকে উঠে তাদের ঘরের দরজা খোলা দেখে সেখানে যায়। কিন্তু ঘরের ভিতরে কাউকে না পেয়ে বাড়ির আশপাশে খোঁজাখুজি শুরু করে। বাড়ির দক্ষিণ পাশে একটি পুকুরে জাহারা খাতুনের লাশ ভেসে থাকতে দেখে। এলাকাবাসী থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে। লাশের শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়।
পরে নিহতের ভাই ইউনুস আলী বাদী হয়ে সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলায় চিকিৎসক ও আইওসহ মোট ৯ জন স্বাক্ষী স্বাক্ষ্য প্রদান করেন।
আসামী পক্ষের মামলা পরিচালনা করেন এডভোকেট আইয়ুব আলী। তিনি জানান,এ রায়ের বিরুদ্ধে তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে কাঠবোঝাই একটি ট্রাক উল্টে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন আরও চারজন। বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলার কাতুলী গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় জানা গেছে। তিনি সদর উপজেলার মাহমুদনগর ইউনিয়নের পারবহুলী গ্রামের ছলিম উদ্দিনের ছেলে সরোয়ার হোসেন (৩৫)।
কাতুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন জানান, কাতুলী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম থেকে ইটভাটার কাঠ কিনে কয়েকজন শ্রমিককে নিয়ে ট্রাকটি টাঙ্গাইল শহরের দিকে যাচ্ছিল। চালক হেলপারকে দিয়ে ট্রাক চালাতে দিয়ে ভেতরেই ঘুমাচ্ছিলেন। পরে ট্রাকটি কাতুলী এলাকায় আসলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের নিচে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন শ্রমিক নিহত হন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহত চারজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও একজনের মৃত্যু হয়। আহত তিনজনকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে কালিহাতী ও ভূঞাপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে পিকআপ চালক ও এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন।এদের মধ্যে চালকের পরিচয় পাওয়া গেলেও বৃদ্ধার পরিচয় পাওয়া যায়নি। নিহত পিকআপ চালক ঘাটাইল উপজেলার টেপি কুশারিয়া গ্রামের তারা মিঞার ছেলে জুয়েল মিঞা (২৯)।
বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে ভূঞাপুর উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের খড়ক রেলক্রসিং এলাকায় পিকআপের সঙ্গে ট্রেনের সংর্ঘষ হয়ে একজন নিহত। এছাড়া একই সময়ে কালিহাতী উপজেলার সরাতৈল এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে।
জানা গেছে, জুয়েল মাল বোঝাই পিকআপ নিয়ে ভূঞাপুর উপজেলার খড়গ-নিকলা অরক্ষিত রেলক্রসিং পাড় হচ্ছিল। এসময় ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে পিকআপ দুমড়েমুচড়ে যায়। পরে স্থানীয়রা পিকআপ চালককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।
এদিকে ,একই সময় কালিহাতী উপজেলার সরাতৈল এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাতপরিচয় বৃদ্ধা নারীর মৃত্যু হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মারফিন হাসান জানান, দুপুরের দিকে উত্তরবঙ্গগামী একতা এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে ওই বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। বিষয়টি রেলওয়ে পুলিশকে জানানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ঘরোয়া ভাবে শালিসি বৈঠক শেষে সোমা আক্তার (১৯) নামের এক গৃহবধূ শরীরে আগুন জ্বালিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার(১২ জানুয়ারী) ভোর রাতে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানায় তার স্বজনরা। উপজেলার বোয়ালী পশ্চিমপাড়া গ্রামে ওই গায়ে আগুন দেওয়ার ঘটনাটি ঘটেছে। নিহত সোমা আক্তার ওই এলাকার এরশাদ মিয়ার স্ত্রী।
তবে আত্মহত্যা নয় আগুন জ্বালিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবী করেছেন নিহত সোমার মা পারভীন আক্তার। এ ঘটনায় কেউ থানায় অভিযোগ করে নাই বলে জানিয়েছে সখীপুর থানা পুলিশ।
এলাকাবাসী জানায়, পারিবারিকভাবে বনাবনি না হওয়ায় গত শনিবার(৮ জানুয়ারী) দুপুরে এরশাদের বাড়িতে একটি শালিসি বৈঠক হয়। তার কিছুক্ষণ পর বাড়ির উঠোনে দাঁড়িয়ে সোমা নিজেই শরীরে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। এ ঘটনার চার দিন পর চিকিৎসারত অবস্থায় সে মারা যায়।
ওই এলাকার স্থানীয় ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম জানায়, মেয়েটা নিজেই শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। আমি তখন ওই বাড়ির রান্না ঘরের পাশে ছিলাম। শালিসি বৈঠকের কথা জিজ্ঞাস করলে তিনি বলেন আমি ঢাকায় যাচ্ছি। সন্ধ্যায় সব বলবো বলে ফোন কেটে দেয়।
মেয়ের মা পারভীন আক্তার বলেন, আমার মেয়েকে আগুন দিয়ে পুড়ার সময় মেয়ে কাইন্দ্যা কাইন্দ্যা কইছে আমারে বাঁচাও, কেউ এক কলসি পানি নিয়ে আসো। কিন্তু কেউ পানি নিয়ে এগিয়ে আসে নাই। এর আগেও আমার মেয়েকে লোহার প্যারাক (রড) দিয়ে শ্যাক দিতো। কত কইছি তোরে নিয়া যামুগা, আমার ম্যায়ায় (মেয়ে) কইছে একটা বাচ্ছা হইছে, আমি এখান থেকে যামুনা। কিন্তু পাশান স্বামী, শ্বশুর মিলে আমার মেয়েকে আগুন ধরিয়ে পুইড়া মারছে। আমি এর বিচার চাই।
মেয়ের মা পারভীন আক্তার আরও জানায়, প্রায় চার বছর আগে মির্জাপুর উপজেলার গয়রামপুর গ্রামের নইমুদ্দিনের মেয়ে সোমা আক্তারের সাথে সখীপুর উপজেলার বোয়ালীা পশ্চিমপাড়া ্এলাকার সোমেশ আলীর ছেলে এরশাদ মিয়ার সাথে বিয়ে হয়। এর আগেও এরশাদ একটি বিয়ে করেছিলেন। আর এ ঘটনা আমরা বিয়ে পরে জানি। সেই ঘরে একটি ১৫ বছরের মেয়ে আছে। সেই সংসার নিয়েও মামলা চলছে।
সখীপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) এ.কে সাইদুল হক ভূ্ইঁয়া বলেন, আগুনে পুড়ে এক গৃহ বধূর মৃত্যু হয়েছে বলে শুনেছি কিন্তু কেউ থানায় লিখিত ভাবে অভিযোগ করেনি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর থেকে দক্ষিনে মাত্র ৯ কিলোমিটার দূরে গ্রামটির অবস্থান । টাঙ্গাইল-নাগরপুর-আরিচা আঞ্চলিক মহাসড়কের ভুরভুরিয়া বাস স্ট্যান্ড থেকে মাত্র ৫ শত মিটার দূরে অবস্থিত গ্রামটির নাম বান্দাবাড়ী। গ্রামের মাঝ দিয়ে চলে গেছে গ্রামবাসির এক মাত্র চলাচলের কাঁচা রাস্তাটি। গ্রামের ১১০টি ঘরের ৪১৩ জন লোকের চলাচলের রাস্তাও এটি। নেই কোন প্রাথমিক বিদ্যালয়, গ্রামীন স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র।গ্রামের শিশু-কিশোরদের খেলার কোন মাঠ পর্যন্ত নেই। বিগত দুই যুগে গ্রামে কোন অবকাঠামোগত উন্নয়ন ঘটেনি । ২০২২ সালে এসেও মনে হয় দুই যুগ আগের বাংলার কোন গ্রাম যেন এটি।
দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের এই গ্রামটির নাম ইউনিয়ন পরিষদ বোর্ডে লেখা আছে বান্দাবাড়ী। কেবল লেখা পর্যন্তই অস্তিত্ব জানান দিচ্ছে এই গ্রামের।নির্বাচন আসে,নির্বাচন যায়। সরকার আসে, সরকার যায়।বান্দাবাড়ী গ্রামবাসীদের আজো কাঁচা রাস্তায় চলাচল করতে হয়।গ্রামের শিশুদের পড়ালেখা করতে পাশের ইউনিয়ন আটিয়ার গমজানী প্রাথমিক বিদ্যালয় না হলে ভুরভুরিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেতে হয়। পাশের ইউনিয়নের গ্রাম গুলোর রাস্তা-ঘাটের অনেক উন্নয়ন হলেও,উন্নয়ন বঞ্চিত এই গ্রাম। বান্দাবাড়ী গ্রামবাসীদের কেবল মিলেছে প্রতিশুতি পর প্রতিশুতি।নিজ ইউনিয়নে পরবাসী যেন বান্দাবাড়ী গ্রাম।
গ্রামের প্রবীন বাসিন্দা মোঃ গঞ্জের আলী বলেন, গ্রামের এক মাত্র কাঁচা রাস্তাটির সর্বশেষ উন্নয়ন হযেছিল ১৯৮৬ সালে। তৎকালিন চেয়ারম্যান মোঃ আয়াত আলী খান বর্তমান চলাচলের একমাত্র কাঁচা রাস্তাটি করে দিয়েছিলেন। তার পর আর কোন উন্নয়ন দেখেনি বান্দাবাড়ী গ্রামের লোক জন।
তিনি আরো বলেন, তার জীবদ্দশায় আর গ্রামের কাঁচা রাস্তাটির উন্নয়ন দেখে যেতে পারবে কিনা তার যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।পাথরাইল ইউনিয়নের দক্ষিন-পশ্চিম সর্বশেষ অংশে গ্রামটির অবস্থান হওয়ায় নির্বাচন ব্যতিত কোন জন প্রতিনিধি গ্রামে আসে না। তিনি এখন আর কোন জনপ্রতিনিধিকে গ্রামের উন্নয়নের বিষয়ে অনুরোধ করেন না।

একই গ্রামের গৃহবধু ছালমা বেগম বলেন, তার এই গ্রামে বিবাহ হয়েছে প্রায় ১৪ বছর হল। নববধূ হিসেবে গ্রামে এসে যে অবস্থা দেখেছেন, আজ ১৪ বছর পর একই অবস্থা দেখছেন বান্দাবাড়ী গ্রামের।বিশেষ করে বৃষ্টির দিনে এই গ্রামে কেও আসতে চায় না। সে সময় কোন রুগিকে গ্রামের এই রাস্তা দিয়ে বহন করে শহরের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়াও প্রায় অসম্ভব হয়ে পরে।
এই গ্রামের তরুন যুবক মোঃ সাদ্দাম হোসেন বলেন, গ্রামের উন্নয়নে কোন চেয়ারম্যান কিম্বা মেম্বার এখন পর্যন্ত নজর দেয়নি। এমনকি স্থানীয় সাংসদ এই গ্রামের কোন উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহন করেনি। বান্দাবাড়ী গ্রাম যেন ভিন গ্রহের কোন গ্রাম।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার মোঃ আবুল কাশেম বলেন, তিনি সদ্য নির্বাচিত। তবে তিনি বান্দাবাড়ী গ্রাম ও রাস্তার বেহাল অবস্থার কথা শুনেছেন। গ্রামটি ইউনিয়ন হতে বিচ্ছিন্ন হওয়ায় দীর্ঘ দিন হল উন্নয়ন বঞ্চিত।তিনি চেষ্টা করবেন যত দ্রুত সম্ভব রাস্তাঘাট সহ গ্রামের উন্নয়ন করার।

পাথরাইল ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান রাম প্রসাদ সরকার জানান, গ্রামটি আসলেই উন্নয়ন বঞ্চিত।দীর্ঘদিন হল গ্রামের মানুষের চলাচলের একমাত্র রাস্তার কোন উন্নয়ন হয়নি।বর্ষা কালে এই গ্রামের মানুষের চলাচল কষ্টকর হয়ে পড়ে।
তিনি আরো জানান, তিনি চেয়ারম্যান হয়েই বান্দাবাড়ী গ্রামের রাস্তা পাঁকা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করেছেন। ইতোমধ্যে গ্রামের ১ কিলোমিটার কাঁচা সড়কটির স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়(এলজিইডি) বিভাগ থেকে মাপ-ঝোক করে নিয়ে গেছে। আশা, করি খুব দ্রুতই রাস্তার কাজ শুরু করা হবে। এ ছাড়া বান্দাবাড়ী গ্রামের উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে করা হবে।