একতার কণ্ঠঃ ঢাকা ও রাঙামাটির পর আরও ১০ জেলাকে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ (রেড জোন) জেলা হিসেবে ঘোষণা করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
বুধবার (১৯ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা ড্যাশবোর্ড বিষয়ক ওয়েবসাইট থেকে এ তথ্য জানা যায়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যে দেখা যায়, রাজধানীতে করোনা সংক্রমণের হার ২৮ দশমিক ১১ এবং রাঙামাটিতে করোনা সংক্রমণের হার ১০ দশমিক ৭১ শতাংশ। মধ্যম ঝুঁকিতে থাকা জেলাগুলোর সংক্রমণ ৫-১০ শতাংশের মধ্যে। আর কম ঝুঁকিতে থাকা জেলাগুলোর করোনা শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে।
করোনা ভাইরাস সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলো হলো- ঢাকা, গাজীপুর, রাজশাহী, যশোর, কুষ্টিয়া, বগুড়া, দিনাজপুর, চট্টগ্রাম, লালমনিরহাট, খাগড়াছড়ি, পঞ্চগড় ও রাঙ্গামাটি।
এছাড়াও ৩২ জেলা হলুদ জোন বা মধ্যম ঝুঁকিতে রয়েছে। এসব জেলার শনাক্তের হার ৫-১০ শতাংশের মধ্যে।
জেলাগুলো হচ্ছে- সিলেট, ফেনী, নোয়াখালী, কক্সবাজার, মৌলভীবাজার, ফরিদপুর, মুন্সীগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, শরীয়তপুর, নারায়ণগঞ্জ, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, মানিকগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, জামালপুর, নওগাঁ, ঝিনাইদাহ, নাটোর, সাতক্ষীরা, পিরোজপুর, বাগেরহাট, মাগুরা, নড়াইল, পটুয়াখালী, কুড়িগ্রাম, জয়পুরহাট, রংপুর, শেরপুর, ঝালকাঠি এবং ঠাকুরগাঁও।
গ্রিন বা সবুজ জোনে রয়েছে ১৬টি জেলা।
একতার কণ্ঠঃ একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের লোগো ব্যবহার করে প্রাইভেটকারে ফেন্সিডিল নিয়ে যাওয়ার সময় দুইজনকে আটক ও দুটি প্রাইভেটকার জব্দ করেছে র্যাব।
সোমবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ১১ টার দিকে নাগরপুর উপজেলার সহবতপুর গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়। বিষয়টি র্যাব-১২-এর ৩ নম্বর কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন নিশ্চিত করেছেন।
আটককৃতরা হচ্ছেন, যশোরের বেনাপোল উপজেলার ভবেরবেড় গ্রামের মো. বাবুল হোসেনের ছেলে মো. সোহেল রানা (২৮) ও একই উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের মৃত মমতাজ আলীর ছেলে মো. রিয়াজুল ইসলাম (৪৪)।
আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ‘একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের লোগো ব্যবহার করে এবং ভুয়া সাংবাদিকের পরিচয়ে যশোরের বেনাপোল থেকে ৬০২ বোতল ফেন্সিডিল টাঙ্গাইলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে গোপন সূত্রে জানতে পারি। পরে অভিযান চালিয়ে নাগরপুর উপজেলার সহবতপুর গ্রাম থেকে দুইজনকে আটক ও দুটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা সীমান্তবর্তী বিভিন্ন জেলা থেকে ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করতেন।’
তিনি আরো জানান, ‘আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাগরপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন এর ৩৬ (১) এর ১৪ (গ) ধারায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।’
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ফেনসিডিল পাচারের দায়ে দুই মাদক কারবারিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১৭ জনিুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মাসুদ পারভেজ এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হচ্ছেন- পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের মৃত নুর মোহাম্মদ সিকদারের ছেলে মো. দুলাল (৪০) ও একই উপজেলার দুমকি সাতানি গ্রামের মান্নান হাওলাদারের ছেলে রিপন (২৬)।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মনিরুল ইসলাম খান জানান, ২০১৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল টাঙ্গাইল শহর বাইপাস সড়কের কান্দিলা এলাকায় উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকাগামী একটি মাইক্রোবাসে তল্লাশি চালায়।
এসময় ওই মাইক্রোবাসের আরোহী দণ্ডপ্রাপ্ত দুইজনের কাছ থেকে ৬০০ বোতল নিষিদ্ধ ফেনসিডিল উদ্ধার করে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক শাহীনুল কবির বাদী হয়ে ওই দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।পরে তাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। মামলায় নয়জন সাক্ষীর মধ্যে ছয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মো. দুলাল জামিনে মুক্ত হওয়ার পর থেকে পলাতক রয়েছেন। রায় ঘোষণার পর অপর আসামি রিপনকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী খান আহমেদ শুভ বিপুল ভোটে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। নৌকা প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন এক লাখ চার হাজার ৫৯ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় প্রার্টির (লাঙল প্রতীক) জহিরুল ইসলাম জহির পেয়েছেন ১৬ হাজার ৭৭৩ ভোট। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে মোটরগাড়ি প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নুরুল ইসলাম নুরু পেয়েছেন দুই হাজার ৪৩৬ ভোট, হাতুড়ি প্রতীক নিয়ে বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির গোলাম নওজব চৌধুরী পেয়েছেন এক হাজার ৪৫ ভোট এবং ডাব প্রতীক নিয়ে বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির রূপা রায় চৌধুরী পেয়েছেন ৪২৮ ভোট।
ময়মনসিংহ অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. শাহেদুন্নবী চৌধুরী এ ফলাফলের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে উপনির্বাচনে ইভিএম পদ্ধতিতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হয়েছে। মির্জাপুর পৌরসভা ও ১৪ ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার রয়েছেন তিন লাখ ৪০ হাজার ৩৭৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ৭০ হাজার ৫০১ এবং নারী ভোটার এক লাখ ৬৯ হাজার ৮৭৭ জন।
গত বছর ১৬ নভেম্বর এ আসনে চার বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য, সড়ক পরিবহন এবং সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. একাব্বর হোসেন মারা যান। এরপর নির্বাচন কমিশন আসনটি শূন্য ঘোষণা করে।
এদিকে রোববার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার আধা ঘণ্টা পর বিকেলে সাড়ে ৪টায় কারচুপির অভিযোগ এনে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মো. গোলাম নওজব পাওয়ার চৌধুরী ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।
একতার কণ্ঠঃ জাতীয় সংসদের টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের উপনির্বাচনে রোববার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। ভোট শেষ হওয়ার আধা ঘণ্টা পর বিকেলে সাড়ে ৪টায় কারচুপির অভিযোগ এনে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মো. গোলাম নওজব পাওয়ার চৌধুরী ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।
তার প্রতীক হাতুড়ি।
ভোট শেষে তিনি জানান, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর সমর্থকরা বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তার (গোলাম নওজব) এজেন্টদের বের করে দিয়ে নৌকা প্রতীকে ভোটারদের ভোট দিতে বাধ্য করেছেন। এ কারণে তিনি ভোট বর্জন করলেন।
এদিকে সকাল থেকেই সব কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল কম। এ আসনে তিনি ছাড়াও আরো চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করেন। তারা হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত খান আহমেদ শুভ, জাতীয় পার্টির মো. জহিরুল ইসলাম জহির (প্রতীক: লাঙ্গল), স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইমরুল ইসলাম নুরু (প্রতীক: মোটরগাড়ি) এবং বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির প্রার্থী শ্রীমতি রূপা রায় চৌধুরী (প্রতীক: ডাব)।
গত বছর ১৬ নভেম্বর এ আসনে চার বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য, সড়ক পরিবহন এবং সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. একাব্বর হোসেন মারা যান। এরপর নির্বাচন কমিশন আসনটি শূন্য ঘোষণা করে।
মির্জাপুর একটি পৌরসভা ও ১৪ ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসন। এ আসনে মোট ভোটার তিন লাখ ৪০ হাজার ৩৭৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ৭০ হাজার ৫০১ এবং নারী ভোটার এক লাখ ৬৯ হাজার ৮৭৮ জন। মোট ১২১টি কেন্দ্রের ৭৫৬ কক্ষে ভোট হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে উপনির্বাচনে সকাল থেকেই ভোটার উপস্থিতি তেমন লক্ষ্য করা যায়নি।অনেক কেন্দ্রের বাইরে চেয়ার-টেবিলে বসে ভোটারদের ভোট নম্বরে টোকেন দিতে দেখা যায়নি। এছাড়া নৌকার প্রার্থীর এজেন্ট ও নেতাকর্মীদের দেখা গেলেও নির্বাচনে অংশ নেয়া জাপাসহ চারজন প্রার্থীর নেতাকর্মী এবং এজেন্টদের দেখা যায়নি।ফলে কোন উৎসবের আমেজ ছিল না টাঙ্গাইল-৭ আসনের সংসদ উপনির্বাচনে।
এমনই চিত্র দেখা গেছে মির্জাপুর পৌরসভার পুষ্টকামরী আলহাজ মো. শফি উদ্দিন মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে। সকাল আটটা থেকে দুপুর দুই পর্যন্ত ৩১১৪জন ভোটারের মধ্যে প্রায় ৯শ ভোটার ইভিএমের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োজ করেছেন। তবে ওই কেন্দ্রে এক ঘন্টায় ভোট পড়েছে ২০টি।
দেখা গেছে, পৌরসভার পুষ্টকামরী আলহাজ মো. শফি উদ্দিন মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভিতর নির্বাচন সংশিষ্ট কর্মকর্তা, নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলার বাহিনীর সদস্যরা এবং নৌকা প্রার্র্র্থীর নেতাকর্মীরা ছাড়া দুই একজন ভোটার ছাড়া তেমন কাউকে দেখা যায়নি। ভোট কক্ষগুলোর ভিতরেও নৌকার এজেন্ট ও কর্মীদের ছাড়া অন্য প্রার্থীর এজেন্ট বা লোকজন দেখা যায়নি। সেখানে ভোট দিতে আসা ভোটাররা অভিযোগ করেন, ভোটে ছাপ দেয়ার আগেই ভিতর থেকে ভোট দিয়ে দিচ্ছে। প্রতিবাদ করেও কোন লাভ হয় না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন পুলিশ সদস্য বলেন, সকালের দিকে একজন যুবক ভোট দিতে কেন্দ্রে আসছিল। কিন্তু তার ভোটটি সে দিতে পারেনি। অন্য একজন ভোট দিয়ে দিয়েছে। ওই যুবকটি দলীয় লোকজনের সাথে তর্কাতর্কি করেছিল। নৌকা প্রার্থীর কর্মীরা জানান, এই কেন্দ্রের সব ভোটারের বাড়িতে ভোটের আগের দিন বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে তাদের ভোটার নম্বরের স্লিপ দিয়ে আসা হয়েছে। যে কারণে বাইরে তেমন মানুষের সরগরম নেই। ফলে চেয়ার টেবিল বসিয়ে ভোটার নম্বর দেয়ার প্রয়োজন নেই।
পৌরসভার পুষ্টকামরী আলহাজ মো. শফি উদ্দিন মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের দায়িত্বরত প্রিজাইডিং কর্মকর্তা আশরাফুল আলম বলেন, এই কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ৩১১৪জন। সকাল থেকেই ভোটার সংখ্যা কম ছিল। সংসদ নির্বাচনে ভোটের উৎসব নেই। কেন্দ্রের বাইরেও তেমন লোকজন নেই। দুই একজন করে ভোটার এসে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছে।
এদিকে টাঙ্গাইল-৭ মির্জাপুর আসনের উপনির্বাচনে সংসদ সদস্য পদে জাতীয় পার্টির(লাঙ্গল) প্রতীকের প্রার্থী জহিরুল হক জহির নির্বাচন চলাকালীন সময়ে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন ইভিএম মেশিনে ভোটারদের জোরপূর্বক নির্দিষ্ট মার্কায় টিপ (চাপ) দিতে বলা হচ্ছে। বেশ কিছু কেন্দ্রে তারা ভোট জোর করে নিচ্ছে। ১২১টি কেন্দ্রে লাঙ্গলের এজেন্ট দেয়া হয়েছে। অনেক কেন্দ্র থেকে এজেন্টেদের বের করে দেয়া হয়েছে। আবার বেশ কিছু কেন্দ্রে এজেন্টদের প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তাদের মৌখিতভাবে জানানো হয়েছে। সেই সাথে আমার দলের হাই কমান্ডকেও জানানো হয়েছে। দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তিতে পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে। তিনি আরো বলেন, সকাল থেকেই কেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি কম রয়েছে। এছাড়া ভোটার নম্বর ছাড়া কাউকে ভোট দেয়া হচ্ছে না যদিও ইভিএমে আইডি কার্ডের নম্বর উঠালেই ভোটারের ছবিসহ তথ্য আসে। তারপরও তারা ভোট দিতে পারছে না। বিষয়টি রিটার্নিং কর্মকর্তা জানানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন দ্বি-বার্ষিক কার্যকরি পরিষদ নির্বাচনে শাপলা প্যানেলের মজনু-বিদ্যুৎ পরিষদ থেকে সভাপতি পদে মো. মফিজুল ইসলাম মজনু ও সাধারণ সম্পাদক পদে ড. ইকবাল বাহার বিদ্যুৎ নির্বাচিত হয়েছেন।
বুধবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ভোট গণনা শেষে তাদের বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
এর আগে সকাল ৯ টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় একাডেমিক ভবনের শিক্ষক লাউঞ্জে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়া মজনু-বিদ্যুৎ পরিষদ থেকে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে মো. ছাদিকুল হক, সহ-সভাপতি পদে সত্য সাহা, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে এম.এ আজাদ সোবহানী আল ভাসানী, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, অর্থ সম্পাদক পদে মোহাম্মদ আবুল হোসেন, সহ-অর্থ সম্পাদক পদে মোহাম্মদ ফরিদুজ্জামান ফারুকী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে মো. রেজাউল করিম, ক্রীড়া ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান রাশেদ, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মোহাম্মদ মেহের আলী, দপ্তর সম্পাদক পদে মো. শহিদুল ইসলাম, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক পদে আমজাদ হোসেন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পদে সোনিয়া পারভীন, সদস্য পদে এস. এম সেলিম মিয়া, মো. ফারুক হোসেন, ডা. হারুন-অর-রশিদ রাসেল, মোহাম্মদ আব্দুর রফিক ও সদস্য মুহাম্মদ ইপিয়ার হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ২৪৩। নির্বাচন পরিচালনা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার মো. মাকসুদুর রহমান, নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনির ও মো. গোলাম মওলা।
একতার কণ্ঠঃ ইনস্টাগ্রামের পর এবার মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফরম টুইটারও হাঁটছে টিকটকের পথে। ‘রিটুইট’ মেনুতে যোগ হয়েছে ‘কোট টুইট উইথ রিঅ্যাকশন’ বাটন। আপাতত আইওএস প্ল্যাটফরমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে ফিচারটির। নতুন ফিচারটিতে টেক্সট লিখে টুইটের উত্তর দেওয়ার বদলে টিকটকের মতো সরাসরি ছবি বা ভিডিওতে টুইটের কপি এমবেড করে দিতে পারবেন ব্যবহারকারী। ‘কোট টুইট উইথ রিঅ্যাকশন’ বাটনে ট্যাপ করলে ব্যবহারকারীকে নতুন একটি স্ক্রিনে নিয়ে যাবে টুইটার অ্যাপ। নতুন স্ক্রিনে ছবি বা ভিডিও’র মাধ্যমে টুইটের উত্তর দিতে পারবেন ব্যবহারকারী, স্ক্রিনের উপরেই থাকবে মূল টুইট।
একইসঙ্গে অনলাইন হয়রানি বন্ধে ফটো ট্যাগিং এড়িয়ে যাওয়া এবং কে টুইটের উত্তর দিতে পারবেন সেটি ঠিক করে দেওয়ার ফিচারও চালু করেছে মাইক্রো ব্লগিং অ্যাপটি। মূল টাইমলাইন ভিউ থেকে টুইট লেখার নতুন ফিচার নিয়েও কাজ চলছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এদিকে ‘কোট টুইট উইথ রিঅ্যাকশন’ ফিচারটির বেলায় কে উত্তর দিতে পারবেন আর কে পারবেন না, ব্যবহারকারী সেটি নির্ধারণ করে দিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন টুইটার মুখপাত্র ভিভিয়ানা ওয়েইওয়াল। ওয়েইওয়াল বলেছেন, ‘টুইটার ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় বাস ও কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও তিন জন। তাৎক্ষণিক নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
শুক্রবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার বাশতৈল ইউনিয়নের তেলিপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বাশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই সেলিম হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সখিপুর থেকে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস তেলিপাড়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এসময় ঘটনাস্থলেই দুই জন নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিন জন। তাদের উদ্ধার করে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ট্রাকের চাপায় আব্দুর রাজ্জাক (৪০) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।রোববার (২ জানুয়ারি) রাত সাড়ে নয়টার দিকে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের ঘাটাইল উপজেলার সীমান্তবর্তী হামিদপুরে ওই দুর্ঘটনাটি ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজরুল ইসলাম সরকার ।
নিহত রাজ্জাক কালিহাতি উপজেলার উত্তর বেতডোবা গ্রামের গফুর শিকদারের ছেলে। তিনি পেশায় একজন বীমা কর্মকর্তা ছিলেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ময়মনসিংহ থেকে ছেড়ে আসা কাঁচামাল বোঝাই একটি ট্রাক উপজেলার হামিদপুর এলাকায় একটি মোটরসাইকেলকে পেছন থেকে অতিক্রম করছিল। এ সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে ট্রাকটি উল্টে গিয়ে মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল চালক রাজ্জাক মারা যান। পরে খবর পেয়ে কালিহাতি ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ সম্প্রতি প্রকাশিত হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল। এবারের প্রাপ্ত ফলাফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন শুরু হয় গতকাল থেকে। ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত এসএমএসের মাধ্যমে পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা যাবে। তবে শুধু টেলিটক প্রি-পেইড মোবাইল ফোন থেকে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে।
বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এসএম আমিরুল ইসলামের সই করা অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আর তাই এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করতে মোবাইলের Message অপশনে গিয়ে RSC বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর রোল নম্বর বিষয় কোড লিখে Send করতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।
উদাহরণ : ঢাকা বোর্ডের কোনো পরীক্ষার্থীর রোল নম্বর ১২৩৪৫৬ হলে এবং পরীক্ষার্থী আবেদন করতে চাইলে message অপশনে RSC Dha 123456 136 Send করতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।
ফিরতি এসএমএসে আবেদন বাবদ কত টাকা কেটে নেওয়া হবে তা জানিয়ে একটি PIN নম্বর দেওয়া হবে। এতে সম্মত থাকলে ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে RSC Yes PIN Contact Number (যে কোনো মোবাইল অপারেটর) লিখে Send করতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।
উল্লেখ্য, পুনঃনিরীক্ষণের ক্ষেত্রে একই এসএমএসের মাধ্যমে একাধিক বিষয়ের (যেসব বিষয়ের পরীক্ষা হয়েছে) জন্য আবেদন করা যাবে। সে ক্ষেত্রে কমা দিয়ে বিষয় কোডগুলো আলাদা করে লিখতে হবে। যেমন পদার্থ ও রসায়ন দুটি বিষয়ের জন্য টেলিটক প্রি-পেইড মোবাইলের ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে RSC Dha Space Roll Number Space> ১৩৬,১৩৭ লিখতে হবে। প্রতিটি বিষয় ও প্রতিপত্রের জন্য ১২৫ টাকা হারে চার্জ কাটা হবে। যেসব বিষয়ের দুটি পত্র (প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র) রয়েছে, সেসব বিষয়ের ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করলে মোট ২৫০ টাকা ফি কাটা হবে।
একতার কণ্ঠঃ ইসলামে স্বীকৃত পন্থা হলো বিবাহ করার মাধ্যমে একটি নতুন পরিবারের সৃষ্টি করা। বিবাহ পদ্ধতি অবলম্বন করার মাধ্যমে একজন নারী এবং একজন পুরুষ একটি পরিবার তৈরি করেন।
বিবাহ নারী-পুরুষের মধ্যে যেমন পরিবার সৃষ্টিতে অবদান রাখে; তেমনি দাম্পত্য জীবনে পরস্পরের মধ্যে প্রেম-ভালোবাসা অনুরাগ সৃষ্টি করে এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন ও শান্তি সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ করে। পারিবারিক জীবনে স্বামী-স্ত্রী একে অপরের সম্পূরক।
এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেছেন, ‘তারা (স্ত্রীরা) তোমাদের পোশাক এবং তোমরা) তাদের পোশাক’। (বাকারা:১৮৭)
মূলত পরিবার সামাজিক জীবন ব্যবস্থার প্রথম অবকাঠামো। কয়েকজন মানুষকে নিয়ে গঠিত হয় পরিবার। আমরা পরিবার বলতে সাধারণত মা-বাবা, ভাই-বোনসহ বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনকে নিয়ে গঠিত একটি কাঠামোকে বুঝি।
যে কাঠামোর মাঝে একজন অধিপতি বা কর্তা থাকেন এবং থাকেন বিভিন্ন পর্যায়ভুক্ত সহযোগীরা। হজরত আদম (আ.) এবং বিবি হাওয়া (আ.)-এর মাধ্যমেই পৃথিবীতে পরিবার তথা পারিবারিক জীবনের সূচনা ঘটেছে। তারা দু’জন স্বামী-স্ত্রী হিসেবে পরিবারের সূচনা করেন।
সুস্থ ও সুখী সামাজিক জীবনের জন্য বিবাহ একটি প্রয়োজনীয় পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধন। পবিত্র কুরআনে বিবাহ ও পারিবারিক জীবনকে পারস্পরিক সহমর্মিতা, অন্তরের অনাবিল সুখ ও শান্তির উৎস হিসেবে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।
পরিবারে স্বামী-স্ত্রীর পরস্পরের অধিকার ও দায়িত্ব রয়েছে। পরিবারের জন্য তারা পরস্পর সম্পূরক।
এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ বলেন, ‘তারা (স্ত্রীগণ) তোমাদের পোশাক এবং তোমরা (স্বামীগণ) তাদের পোশাক।’ (বাকারা:১৮৭)
বৈবাহিক সম্পর্কের মাধ্যমে দাম্পত্য জীবন ও পারিবারিক জীবনের সূচনা হয়। ইসলামী শরিয়তে এই সম্পর্ক কায়েম করতে হলে যেমন সুনির্ধারিত কিছু বিধান রয়েছে তেমনি প্রয়োজনে এই সম্পর্ক ছিন্ন করতে হলেও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে।
কুরআন-হাদিসে সেগুলো অনুসরণ করারও জোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। যদি সেই বিধানগুলো মান্য না করা হয় তাহলে আল্লাহ ও তার রাসূলকে অমান্য করা হবে, যা একটি মারাত্মক গুনাহ।
সাথে সাথে এই অমান্য করার কারণে জীবনের পদে পদে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে এবং অসংখ্য বালা-মুসিবতে নিপতিত হতে হবে, যার বাস্তব নমুনা আমাদের সমাজ জীবনে প্রতিদিন সৃষ্টি হচ্ছে এবং পেপার-পত্রিকায় সেগুলো শিরোনাম হচ্ছে।
বিশেষত শরিয়ত পরিপন্থী পদ্ধতিতে তালাক প্রদান করে দাম্পত্য জীবনের অবসান ঘটালে যে পেরেশানি ও জটিলতা সৃষ্টি হয় তা বর্ণনাতীত।
তাই পারিবারিক বন্ধন অটুট রাখতে সর্বাত্মক চেষ্টা করে যেতে হবে। সাধারণ ভুল-ত্রুটি ক্ষমা-সুন্দর দৃষ্টিতে দেখতে হবে এবং আন্তরিক মনোভাবাপন্ন হতে হবে। আল্লাহ্ সবাইকে তাওফিক দান করুন।