/ হোম / টাঙ্গাইল সদর
টাঙ্গাইলে পুলিশি বাঁধায় বিএনপি’র শোক র‌্যালী পন্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পুলিশি বাঁধায় বিএনপি’র শোক র‌্যালী পন্ড

একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র নেতা কর্মীদের হত্যার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে জেলা বিএনপি’র শোক র‌্যালী পুলিশি বাঁধার মুখে পন্ড হয়ে গেছে।

সোমবার(১০ অক্টোবর) সকালে শহরের জেলা সদর রোডে অবস্থিত প্রেসক্লাবের সামনে খন্ড-খন্ড মিছিল নিয়ে বিএনপি’র নেতা কর্মীরা সমবেত হতে চাইলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয় । এক পর্যায়ে পুলিশ নেতাকর্মীদের কাছ থেকে শোক র‌্যালীর ব্যানার ছিনিয়ে নেয়।

পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে তাদের ধাওয়া দিলে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এ সময় ব্যাপক পুলিশি তৎপরতায় সমাবেশটি পন্ড হয়ে যায়। ফলে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরে ছত্রভঙ্গ নেতাকর্মীরা শহরের পশ্চিম আকুর টাকুর এলাকায় গিয়ে জড়ো হয়ে সেখানেই একটি সংক্ষিপ্ত শোক র‌্যালী বের করে।

র‌্যালী শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহবায়ক হাসনুজ্জামিল শাহীন, যুগ্ম আহবায়ক ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে জেলা বিএনপি আয়োজিত শোক র‌্যালীতে পুলিশ অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। এ সময় তারা ব্যানার ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। পুলিশ বলেছে সরকারের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের কর্মসূচি করতে দেওয়া হবে না। সমাবেশে পুলিশি হামলার তীব্র নিন্দা জানান তারা।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) আবু সালাম মিয়া জানান, জেলা বিএনপি শহরের ব্যস্ততম এলাকা জেলা সদর রোডে সমাবেশ করতে চাইলে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়। তাদের জন্য নির্ধারিত স্থানে সমাবেশ করতে বলা হয়। পুলিশ তাদের সমাবেশ পন্ড করেনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. অক্টোবর ২০২২ ০৯:৩০:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শেখ রাসেল স্মৃতি অনূর্ধ্ব-১৩ ক্রিকেট টুনামেন্টের উদ্বোধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শেখ রাসেল স্মৃতি অনূর্ধ্ব-১৩ ক্রিকেট টুনামেন্টের উদ্বোধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে টাংগাইল স্পোর্টস একাডেমি আয়োজিত শেখ রাসেল স্মৃতি অনূর্ধ্ব-১৩ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়েছে।

শুক্রবার (৭ অক্টোবর) সকালে এই ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ ও টাঙ্গাইল স্পোর্টস একাডেমির সভাপতি মোঃ আরাফাত রহমান।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যকরী কমিটির সদস্য শাহ আব্দুল আজিজ তালুকদার বাপ্পী ও সাবেক ক্রিকেট খেলোয়াড় রাসেল খান।

উদ্বোধনী দিনে দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।

দিনের প্রথম ম্যাচে লায়ন্স ক্লাব টসে জয়লাভ করে প্রথমে ব্যাটিং করে ১৮.৩ ওভারে ১০ উইকেট হারিয়ে ১২৬ রান সংগ্রহ করে। দলের পক্ষে ছোয়াদ সর্বোচ্চ ২৮ ও ফাহিম ২৪ রান করে। বিজিত ইলেভেন ব্রাদার্স দলের শিহাদ ২৫ রানে ৩টি উইকেট দখল করে।

জবাবে ইলেভেন ব্রাদার্স ১৬ ওভারে ৭৬ রানে অলআউট হলে লায়ন্স ক্লাব ৫০ রানে জয়লাভ করে। বিজয়ী দলের ছোয়াদ ২৮ রান ও ২টি উইকেট দখল করে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয়।

দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে সেতু বন্ধন দল ২ রানে টিম টাইগার্স কে পরাজিত করেছে। সেতু বন্ধন প্রথমে ১২৯ রান করলে টিম টাইগার্স ১২৭ রানে অলআউট হয়। বিজয়ী দলের ইমরান ৩২ রান ও ২ উইকেট নিয়ে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. অক্টোবর ২০২২ ০৩:০০:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের বালিয়াজান গ্রামের মো. মহসিন মিয়া (২১) নামের এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। বুধবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে তার নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই তাহীদ উল্লাহ।

নিহত মহসিন ওই গ্রামের মো. বাছেদ মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার ( ৪ অক্টোবর) রাতে মহসিন তার নিজ ঘরে ঘুমিয়ে যায়। বুধবার সকালে ঘুম থেকে উঠে আবার দরজা বন্ধ করে শুয়ে থাকে। দরজা না খুললে পরিবারের লোকজন জানালা দিয়ে দেখে মহসিন ঘরের ধরণার সাথে ফাঁস দিয়ে ঝুলে আছে।পরে বাড়ির লোকজন জানালা ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে যায়। তাদের কান্নাকাটি শুনে আশেপাশের লোকজন গিয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ গিয়ে নিহতের লাশ বিকালে উদ্ধার করে।

বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই তাহীদ উল্লাহ জানান, খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. অক্টোবর ২০২২ ০৬:১৭:এএম ৪ বছর আগে
বিন্দুবাসিনী’র সীমানা প্রাচীর রক্ষায় গণ স্বাক্ষর কর্মসূচি - Ekotar Kantho

বিন্দুবাসিনী’র সীমানা প্রাচীর রক্ষায় গণ স্বাক্ষর কর্মসূচি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ১৪২ বছরের প্রাচীন বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের পূর্বপাশের সীমানা প্রাচীর রক্ষায় শুরু হয়েছে গণ স্বাক্ষর কর্মসূচি।

সোমবার (৩ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এই গণ স্বাক্ষর কর্মসূচি শুরু হয়।

গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিন্দুবাসিনীর সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে।

এ ছাড়া টাঙ্গাইলের সুশীল সমাজ সহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ এই গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। সোমবার বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত প্রায় সহস্রাধিক স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়।

কথা হয় গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসা সাম্য রহমান, আরমান কবীর, মুঈদ হাসান তড়িৎ,খালেদ শামস অপু, শামসুল আরেফিন খান, আব্দুল্লাহ আল মামুন,নাসিফ ইকবাল হিমেল,সাদাত হাবিবের সাথে।

বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় সাবেক ও বর্তমান এই সব শিক্ষার্থীরা তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করে জানান, বিন্দুবাসিনী আমাদের জন্য শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, আমাদের আবেগের জায়গা । এই বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর কোনভাবেই অবৈধ জায়গা দখল করে গড়ে ওঠে নি। টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়রের এই নোটিশ গ্রহণযোগ্য নয়। এই সীমানা প্রাচীর রক্ষায় গণস্বাক্ষর অভিযান একটি যৌক্তিক কর্মসূচি। তাই আমরা বৃষ্টি উপেক্ষা করে স্বাক্ষর দিতে এসেছি।

তারা আরো জানান, গণস্বাক্ষর অভিযান শেষ হলে, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে শিক্ষা সচিবের বরাবরে স্মারকলিপি সহ গণস্বাক্ষরগুলো পাঠানো হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. অক্টোবর ২০২২ ১২:৩৭:এএম ৪ বছর আগে
বিন্দুবাসিনী স্কুলের সীমানা প্রাচীর ভাঙার সিদ্ধান্ত স্থগিত - Ekotar Kantho

বিন্দুবাসিনী স্কুলের সীমানা প্রাচীর ভাঙার সিদ্ধান্ত স্থগিত

একতার কণ্ঠঃ বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে পৌরসভার রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য টাঙ্গাইলের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর ভাঙার সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।

বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর ভাঙার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে রোববার ( ২ অক্টোবর) বিদ্যালয়ের সামনে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেন এবং শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

পরে পৌরসভা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের এক মতবিনিময় সভায় আপাতত সীমানা প্রাচীর ভাঙা হচ্ছে না বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভার সুপারিশ অনুযায়ী, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, সাবেক শিক্ষার্থী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে আলাপ-আলোচনা সাপেক্ষে এবং আবার পরিমাপ করে রাস্তা সম্প্রসারণ ও বিদ্যালয়ের দেওয়াল ভাঙার বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হবে।

যানজট নিরসন ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নে টাঙ্গাইল পৌর কর্তৃপক্ষ জেলা শহরের অন্যতম প্রধান সড়ক ৪ লেনের কাজী নজরুল সড়কটি ৪ লেনে রূপান্তরের উদ্যোগ নেয়।

এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গত ৮ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সহকারী কমিশনারের (ভূমি) উপস্থিতিতে জমি পরিমাপ করে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের পূর্ব পাশের সীমানা প্রাচীরের ভেতরে ৬-১০ ফুট জায়গা পৌরসভার বলে চিহ্নিত করা হয়।

পরে পৌর কর্তৃপক্ষ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ‘দখলীকৃত’ জায়গায় ৫ ফুট জমি রাস্তার জন্য ছেড়ে দিতে অনুরোধ করে এবং সীমানা প্রাচীর ভেঙে দিয়ে পরে তা আবার পৌরসভার খরচে নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাস দেয়।

তবে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এসএসসি পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর এ কাজ করতে পৌর কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করে।

এদিকে, প্রিয় বিদ্যালয়ের দেওয়াল ভেঙে ফেলা হচ্ছে এমন সংবাদ পেয়ে বিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা এর বিরুদ্ধে শনিবার রাত থেকে বিদ্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন।

বিক্ষোভকারীদের মধ্যে বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী সাম্য রহমান বলেন, ‘শহরের উন্নয়নে রাস্তা সম্প্রসারণ হোক এটা আমরাও চাই। তবে এজন্য ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর ভাঙার আবশ্যকতা আছে বলে মনে করি না।’

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল করিম বলেন, ‘বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে বিদ্যালয়ের জায়গা রক্ষা করা আমার দায়িত্ব। সহকারী কমিশনার (ভূমি) সার্ভেয়ার দিয়ে জমি পরিমাপ করে যাওয়ার পর কোনো প্রতিবেদন দাখিল না করলেও, ইতোমধ্যে পৌর কর্তৃপক্ষ বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীরের ভেতর টিনের বেড়া নির্মাণ করেছে।’

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস এম সিরাজুল হক খান আলমগীর জানান, পরিমাপে বিদ্যালয়ের ভেতরে পৌরসভার প্রায় ১০ ফুট জায়গা পাওয়া গেছে। তবে ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়টির গেট ও কোনো স্থাপনা বা খেলার মাঠের যেন কোনো ক্ষতি না হয়, সেজন্য ৫ ফুট জায়গা রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গণি বলেন, ‘রাস্তা সম্প্রসারণ কাজে পৌরসভার জায়গা উদ্ধারে সহায়তা করছে জেলা প্রশাসন। বিন্দুবাসিনী স্কুলের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি হিসাবে এবং পৌরসভার একজন তদারককারী হিসেবে আমি নিজে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও পৌর মেয়রকে নিয়ে আলোচনা করেছি।’

‘ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা বিবেচনা করে রাস্তা সম্প্রসারণের যেমন প্রয়োজন আছে, তেমনি এটি করতে গিয়ে ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়ের গেইট বা অন্য কিছু যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেটিও ভাবা হয়েছে,’ যোগ করেন তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. অক্টোবর ২০২২ ১০:৫৫:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ‘সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন’ এর আলোচনা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ‘সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন’ এর আলোচনা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ‘সাম্প্রদায়িকতামুক্ত সম্প্রীতির বাংলাদেশ চাই’ স্লোগানে রবিবার(২ অক্টোবর) দুপুরে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার আয়োজনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত শান্তি ও সম্প্রীতির অগ্রসর বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন ছড়িয়ে দিতে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, টাঙ্গাইল জেলা শাখা এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

টাঙ্গাইল পৌর সুপার মার্কেটের ২য় তলায় সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় উপস্থিত বক্তারা তাদের বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে নিজ নিজ মতামত ও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে নতুন প্রজন্মকে ঐক্যবদ্ধ হতে বলেন।

সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি হাজী মুহাঃ সাজ্জাদুর রহমান খোশনবীশের সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নাজমুল হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান ও সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন টাঙ্গাইল জেলা শাখার সহ-সভাপতি অধ্যাপক রেজাউল করিম, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা শাখার সভাপতি লায়ন মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন শিশু প্রতিভা সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক নিপু সিদ্দিকী, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ, টাঙ্গাইল জেলা শাখার সহ-সভাপতি সোহেল সোহরাওয়ার্দী, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শায়লা, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ফেরদৌস আরা ডায়না, টাঙ্গাইল শহর শাখার সদস্য সচিব তানিয়া চৌধুরী, যুগ্মআহ্বায়ক কাজী নুসরাত ইয়াসমিন, সদর উপজেলা শাখার সদস্য সচিব রিফাত খান, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম শুভ, সাংগঠনিক সম্পাদক এনাদি হোসেন খান, সদস্য বাপ্পী খান, ৭১এর চেতনা, টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হাফিজ হাসনাত আপেলসহ সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের কর্মীবৃন্দ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. অক্টোবর ২০২২ ০৮:৩৯:পিএম ৪ বছর আগে
বিন্দুবাসিনী’র সীমানা প্রাচীর অপসারণ বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ - Ekotar Kantho

বিন্দুবাসিনী’র সীমানা প্রাচীর অপসারণ বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের পূর্বপাশের সীমানা প্রাচীর পৌরসভা কর্তৃক অপসারণ নোটিশ প্রদানের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা।

রবিবার ( ২ অক্টোবর) সকালে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের ঘন্টা ব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বিদ্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষণ শেষে পুনরায় বিদ্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন , বিন্দুবাসিনী সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয় একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই বিদ্যালয় কোন প্রতিষ্ঠানের জায়গা দখল করে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করেনি। তাই এই সীমানা প্রাচীর ভাঙ্গার নোটিশ অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।না হলে সাবেক ও বর্তমান ছাত্রদের নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুশিয়ারী দেন শিক্ষার্থীরা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. অক্টোবর ২০২২ ১০:৪৯:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গৃহবধূকে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গৃহবধূকে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ফৈলারঘোনা দক্ষিণপাড়া গ্রামে নিজের শিশু সন্তানকে নিতে এসে দুই দিন ধরে গৃহবধূ রুমা বেগম ‘আটকা’ রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু ‘আটকা’ নয়, তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। শনিবার (১ অক্টোবর) সকাল থেকে ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী রুমা বেগম ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বিরাসাট গ্রামের নবী মিয়ার মেয়ে। তিনি গত বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ফৈলারঘোনা দক্ষিণপাড়া গ্রামে তার সাবেক স্বামী মজনু মিয়ার বাড়িতে জিম্মি রয়েছেন।

রুমা বেগম জানান, ২০১৯ সালে রুমা বেগমের সঙ্গে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়নের ফৈলারঘোনা দক্ষিণপাড়া গ্রামের এছাক মিয়ার ছেলে মজনু মিয়ার সঙ্গে মুঠোফোনে পরিচয় হয়। মজনু মিয়া তার পূর্বের বিয়ের কথা গোপন রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে এক কাজীর মাধ্যমে দুই লাখ দেনমোহরে রুমা বেগমকে বিয়ে করেন। এরপর ২০২০ সালে তাদের ঘরে এক ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। পরে রুমা বেগমকে বিভিন্ন সময় শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। এক পর্যায়ে প্রায় সাত মাস আগে মজনুকে তালাক দেন রুমা বেগম। পরবর্তীতে তাদের বিবাহিত জীবনের বিভিন্ন ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় মজনু মিয়া। এছাড়াও হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে রুমা বেগম বাদী হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

তিনি আরও জানান, পুনরায় মজনু মিয়া রুমা বেগমকে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে তাদের বাড়িতে যায়। ওই সময় রুমা পূনরায় মজনুকে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় স্থানীয় গ্রাম্য পুলিশের হস্তক্ষেপে মজনু টাঙ্গাইল ফিরে আসে। এরপর প্রায় সাড়ে তিন মাস আগে মজনু ব্রাহ্মণবাড়িয়া গিয়ে দোকানের খাবার কিনে দেয়ার কথা বলে ছেলে শুভকে চুরি করে নিয়ে আসে। পরে মুঠোফোনে ভিডিও কলে শুভকে রুমা বেগম দেখতে চাইলে তাকে দেখানো হয়নি। উল্টো রুমা বেগমকে বিয়ের জন্য চাপ দেয় মজনু। বিয়েতে রাজি না হওয়ায় ছেলেকে নিতে হলে রুমাকে টাঙ্গাইল আসতে বলে মজনু। গত বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ছেলেকে নিতে টাঙ্গাইল আসেন রুমা। শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে থেকে রুমাকে নিয়ে তার সাবেক স্বামী মজনু শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে সময় পার করে রাতে তার গ্রামের বাড়ির দিকে নিয়ে যান। বাড়ির কাছাকাছি যাওয়ার পর মজনু রাস্তা দিয়ে না গিয়ে ফসলি জমির আইল ধরে তার বাড়ির দিকে এগোতে থাকে। এ সময় এক পর্যায়ে মজনু তাকে কচুক্ষেতে ফেলে দিয়ে বুকের ওপর চড়ে বসে। এ সময় তাকে ছুরি দিয়ে ঘাড়ে ও গালে আঘাত করে। চিৎকার করলে তার মুখের ভিতরে হাত দেয় মজনু। এ সময় মজনুর ভাই, মা ও চাচিসহ কয়েকজনে দা ও পিস্তল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বলে হুমকি দেয় রুমাকে। পরে হাতে পায়ে ধরে প্রাণে রক্ষা পান তিনি। রুমার ঘাড়ে ও শরীরের বিভিন্ন অংশে ছুরিকাঘাত করা হলেও দুই দিনে কোনো চিকিৎসা করা হয়নি।

রুমা বেগম বলেন, ‘আমাকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। হাতে-পায়ে ধরে আমি প্রাণ ভিক্ষা পেয়েছি। এখানে আসার পরপরই মজনু মোবাইল নিয়ে গেছে। আমাকে এখন ঘরে আটকিয়ে রেখেছে। বিষয়টি পুলিশ ও কাউকে জানাতে পারছি না। গতরাতে স্থানীয় মাতুব্বররা সালিশি বৈঠকে বসেছিল। তখন মজনু মাতুব্বরদের কাছে সন্তানকে হাজির করার জন্য একদিনের সময় চেয়েছে। শুনেছি সন্তানকে বিক্রি করা হয়েছে। আমার সন্তানকে ফেরত চাই।’

ফৈলারঘোনা গ্রামের বাসিন্দা একাধিক ব্যক্তি জানান, মজনুর প্রথম স্ত্রী ও তার মা দেড় বছরের শিশু শুভকে মারধর করেছে। ঠিক মতো খাবারও দেয়নি। আশপাশের বাড়িতে গিয়ে শুভ খাবার খেয়েছে। শিশুর সঙ্গে মজনু ও তার পরিবার নির্দয় আচরণ করেছে।

অভিযুক্ত মজনুর বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য লুৎফর রহমান বলেন, শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে সালিশি বৈঠকে মজনু একদিনের জন্য সময় নিয়েছেন। বিক্রি করা ছেলেকে ফিরিয়ে আনবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

বাঘিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম মতিয়ার রহমান মন্টু বলেন, বিষয়টি সামাজিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. অক্টোবর ২০২২ ০৪:৫৫:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে এভারগ্রীণ ফিটনেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে এভারগ্রীণ ফিটনেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

একতার কণ্ঠঃ  টাঙ্গাইলে শরীর চর্চা ও ক্রীড়া সংগঠন এভারগ্রীণ ফিটনেস ক্লাব পালন করেছে ২য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। শনিবার (১ অক্টোবর) দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেন সংগঠনটির সকল সদস্য বৃন্দ।

দিনটি উদযাপন উপলক্ষে সংগঠনটির উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‌্যালী, আলোচনা সভা, কেক কাটা, র‍্যাফেল ড্র, ও নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।

শনিবার সকাল ৮ ঘটিকায় টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে বেলুন উড়িয়ে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্ভোদন করেন এভারগ্রীণ ফিটনেস ক্লাবের সমন্বয়ক (সার্বিক) সৈয়দ নাজমুল হোসেন। এর পর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎসব উদযাপন কমিটির আহবায়ক মোঃ নাজমুল হক ও এভারগ্রীণ ফিটনেস ক্লাবের সমন্বয়ক(মানব সম্পদ) এনাদি হোসেন খান এর দিকনির্দেশনায় এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে নিড়ালা মোড়ে এসে শেষ হয়।

বর্ণাঢ্য র‌্যালী শেষে উপস্থিত সকল সদস্য ও র‌্যালীতে অংশগ্রহণকারী অতিথিদের নিয়ে উৎসব উদযাপন কমিটির যুগ্ম আহবায়ক তোফাজ্জল হোসেন ও সদস্য সচিব মোঃ মনিরুজ্জামান খান স্থানীয় একটি রেস্তোরাঁয় সকালের নাস্তা করেন।
এরপর উৎসব উদযাপন কমিটির আহবায়ক মোঃ নাজমুল হক সারাদিন ব্যাপি অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বের অনুষ্ঠান সূচী ঘোষণা করেন এবং প্রথম পর্বের অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন এভারগ্রীণ ফিটনেস ক্লাবের সদস্য ইলিয়াস সিকদার, মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, মোঃ মাসুদ রানা,মোঃ আব্দুর রহমান ও হারুনুর রসিদ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. অক্টোবর ২০২২ ০১:৩০:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে উৎসবে বরণ করা হলো নারী ফুটবলার কৃষ্ণা ও কোচ ছোটনকে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে উৎসবে বরণ করা হলো নারী ফুটবলার কৃষ্ণা ও কোচ ছোটনকে

একতার কণ্ঠঃ  গত ১৯ সেপ্টেম্বর নেপালের কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে ৩-১ ব্যবধানে জিতে বাংলাদেশকে সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা এনে দেন মেয়েরা। দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরে বাংলাদেশ ভাসে আনন্দের জোয়ারে। সেখানে কৃষ্ণা রানী সরকারের জোড়া গোলে স্বাগতিক নেপালকে পরাজিত করে। তাই সারাদেশের সঙ্গে টাঙ্গাইলেও আনন্দের বন্যা বইয়ে যায়। শনিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষে থেকে কৃষ্ণা রাণী সরকার ও কোচ ছোটনকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

পরিবার ও কোচ ছোটনকে সঙ্গে নিয়ে বেলা ১২ টার দিকে একটি নোয়া গাড়ি চেপে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে আসেন কৃষ্ণা। তখন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক ,টাঙ্গাইল ৫ আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, জেলা প্রশাসক ডক্টর মো আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সরকার মোঃ কায়সার জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মইনুল হোসেন লিম্টু সহ শত শত জনতা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও লাল গালিচা সংবর্ধনা দেন।

এসময় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক স্বর্নলঙ্কার , জেলা প্রশাসক থেকে ১ লক্ষ টাকা , জেলা পুলিশ ১ লক্ষ টাকা, জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে ১ লক্ষ টাকা ও সাংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন ২৫ হাজার টাকা, কৃষ্ণা রানী সরকারকে উপহার দেন ও সবাই কোচ ছোটনকে ৫০ হাজার টাকা সহ ক্রেস্ট উপহার দেন।

জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, কৃষ্ণা রাণী শুধু এই জেলার গর্ব নয় ও সারা বাংলাদেশের গর্ব তাই সকলের উচিত কৃষ্ণা কে দেখে সামনে আরো ভালো ফুটবলার হওয়া প্রয়োজন।

টাঙ্গাইল সদর আসনের সাংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন বলেন, এই মাঠ থেকে বড় হয়েছে কৃষ্ণা সরকার ও ছোটন ভাই। তাই বলতে পারি নারী দলকে জয়ী করার পিছনে একমাত্র হাত রয়েছে ছোটন ভাইয়ের। ধন্যবাদ জানাই প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি জেলা প্রশাসক ডক্টর আতাউল গনি বলেন, কৃষ্ণা রানী সরকার ও কোচ গোলাম রোব্বানী ছোটন টাঙ্গাইলের মাঠ থেকে বেড়ে উঠা। তাই টাঙ্গাইল বাসীর গর্ব করা উচিত এমন মানুষ পেয়ে।

কৃষ্ণা রানী সরকার বলেন, পৃথিবীর আলো দেখার পর কখনোই সুখের মুখ দেখিনি। যেদিন থেকে বুঝতে শিখেছি, সেদিন থেকেই বাবাকে কষ্ট করতে দেখেছি। আমার এই সাফল্য কোচ ও শিক্ষকদের সহযোগিতার জন্য হয়েছে। আমি তাদের ও টাঙ্গাইলবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। আরও ভাল খেলে দেশকে কিছু উপহার দিতে পারি সেজন্য সকলের দোয়া চাই।

কৃষ্ণার বাবা বাসুদেব চন্দ্র সরকার বলেন, মেয়ের সাফল্যে খুব খুশি হয়েছি। মানুষ ফুল নিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে। কৃষ্ণা যেন দেশের জন্য আরও গৌরব বয়ে আনতে পারে সেই আশীর্বাদ চাই।

কোচ গোলাম রোব্বানী ছোটন বলেন, দেশের জন্য আরো কিছু করতে চাই। নিজেকে অনেক ভালআ লাগছে নিজের জন্মভূমিতে সংবর্ধনা পেয়ে ।

সকল বাধা পেরিয়ে নারী দল একদিন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হবে এই প্রত্যাশা সকলের ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. অক্টোবর ২০২২ ১১:৩৪:পিএম ৪ বছর আগে
বিএনপির মিথ্যাচারে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

বিএনপির মিথ্যাচারে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, যেকোনো রাজনৈতিক সংগঠনের মিছিল-মিটিং করার মৌলিক অধিকার রয়েছে। সংবিধানে লেখা আছে, মানুষের জীবনমানের উপর কোনো হুমকি সৃষ্টি করা যাবে না, জীবনমানকে ঝুঁকির মাঝে ফেলা যাবে না। আমরা দেখছি বিএনপি ঠিকই সমাবেশ করছে। সমাবেশ থেকে মিছিল বের করেই পুলিশের উপর হামলা করছে। যখন পুলিশের উপর হামলা করে তখন তারা বাধ্য হয় পদক্ষেপ নিতে।

শুক্রবার (৩০ সেপ্টম্বর) বিকালে টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি মিথ্যাচার করে দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করছে। তারা ২০১৩ সালে ফিরে যেতে চাচ্ছে। তারা নির্বাচনে যাবে না, গাড়িতে আগুন দেবে, ইলেক্ট্রনিক লাইন খোলে দেবে, ট্রেনে আগুন দেবে, জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে মারবে, এটা আমরা করতে দেব না। বর্তমান আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী অনেক সু-শৃঙ্খল। মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব পুলিশের। বিএনপি লাঠি নিয়ে অস্ত্র নিয়ে তাদের নিরাপত্তা দিতে পারবে? আর সরকার তা মেনে নেবে? এটা সরকার ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব।

টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে আয়োজিত সম্মেলনে শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম সিরাজুল হক আলমগীরের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আযম এমপি, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি, শিক্ষা ও মানবসম্পদ সম্পাদক শামসুন্নাহার চাঁপা, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও একুশে পদক প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম, সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির প্রমুখ।

এসময় শহর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. অক্টোবর ২০২২ ০১:২০:এএম ৪ বছর আগে
বিসিবি’র “ডেভেলপমেন্ট কোচ অফ দা ইয়ার” নির্বাচিত হলেন টাঙ্গাইলের আরাফাত রহমান - Ekotar Kantho

বিসিবি’র “ডেভেলপমেন্ট কোচ অফ দা ইয়ার” নির্বাচিত হলেন টাঙ্গাইলের আরাফাত রহমান

একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বয়স ভিত্তিক ক্রিকেটে দেশ সেরা “ডেভেলপমেন্ট কোচ অফ দা ইয়ার” নির্বাচিত হলেন টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ মোঃ আরাফাত রহমান।

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকার মিরপুর শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অবস্থিত বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ডের প্রেস কনফারেন্স হলে আরাফাত রহমানের হাতে এই ট্রফি ও এক লাখ টাকার চেক তুলে দেন বিসিবি’র গেইম ডেভেলপমেন্ট চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ সুজন, বিসিবি’র এইজ গ্রুপ কমিটির চেয়ারম্যান ওবেদ রশিদ নিজাম ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সিইও নিজামুদ্দিন সুজন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিসিবি’র এইজ গ্রুপ কমিটির সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম, এইজ গ্রুপের ম্যানেজার আবু ইমাম কায়সার প্রমুখ।

এই অর্জন প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ মোঃ আরাফাত রহমান বলেন, যে কোন অর্জন সম্মানের। এই সম্মাননা টাঙ্গাইল জেলার ক্রিকেট উন্নয়নে আমার পরিশ্রমের স্বীকৃতি। এই সম্মাননা প্রদান করার জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের এইজ গ্রুপ কমিটিকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
তিনি আরো বলেন, টাঙ্গাইলের বয়স ভিত্তিক ক্রিকেটে জড়িত সবাইকে নিয়ে টাঙ্গাইলের ক্রিকেট উন্নয়নে সর্বাত্মক কাজ করে যাব।

টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা বিভাগীয় ক্রিকেট ম্যানেজার মির্জা মইনুল হোসেন লিম্টু বলেন,আরাফাত রহমান অত্যন্ত পরিশ্রমী ক্রিকেট কোচ। তার এই অর্জন টাঙ্গাইল জেলার ক্রিকেটের জন্য সম্মান বয়ে আনলো। টাঙ্গাইলে বয়স ভিত্তিক ক্রিকেট উন্নয়নে টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে আরাফাত রহমানকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। আমি তার সর্বাঙ্গিক মঙ্গল কামনা করছি।

এদিকে, বৃহস্পতিবার রাতে আরাফাত রহমানকে টাঙ্গাইল পৌঁছানোর পর জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

উল্লেখ্য, ক্রিকেট বোর্ডের এইজ গ্রুপ কমিটি’র “ডেভেলপমেন্ট কোচ অফ দা ইয়ার”” প্রথমবারের মতো স্বীকৃতি দেয়ার কার্যক্রমে পুরস্কৃত হয়েছেন ঠাকুরগাঁয়ের কোচ রোকনুজ্জামান রাহাত, টাঙ্গাইলের আরাফাত রহমান, চাঁদপুরের শামীম আকতার, চট্টগ্রামের মমিনুল হক, খুলনার এমদাদুল বাশার ও সাতক্ষীরার মোফাচ্ছিনুল ইসলাম তপু।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৮:৪৮:পিএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।