একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আরও এক আসামির কারা হেফাজতে মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার(৯ সেপ্টেম্বর) রাতে হৃদরোগজনিত সমস্যার কারণে তার মৃত্যু হয়।
শনিবার(১০ সেপ্টেম্বর) সকালে টাঙ্গাইলের জেল সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল-মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আসামির নাম মো. সমীর মিঞা (৪২)। তিনি শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকার মৃত তফিজ উদ্দিনের ছেলে।
তিনি ফারুক হত্যা মামলায় ২০১৫ সালের ১২ নভেম্বর থেকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে আটক ছিলেন।
জেল সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল-মামুন জানান, শনিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে সমীর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে কারা চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরো জানান,সমীর হৃদরোগজনিত সমস্যার কারণে ইতোপূর্বে একাধিকবার চিকিৎসা নিয়েছেন। শনিবার সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত শেষে যথানিয়মে লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এর আগে গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর ফারুক আহমদ হত্যা মামলার আরেক আসামি আনিসুল ইসলাম রাজা (৪২) কারা হেফাজতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ মরদেহ তার কলেজপাড়া বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে টানা সাত বারের মতো মাদক উদ্ধারে জেলায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি দক্ষিণ) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. দেলওয়ার হোসেন।
মাদক উদ্ধারে জেলায় প্রথম স্থান অর্জন করায় বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) কাজী নুসরাত এদীব লুনা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দীনসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়,এ বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত জেলায় প্রথম ক্রিস্টাল মেথ আইসসহ বিভিন্ন মাদক উদ্ধার ও আসামী গ্রেপ্তারে বিশেষ ভূমিকা রাখায় জেলায় প্রথম স্থান অর্জন করেছেন ওসি দেলওয়ার।
এছাড়াও তার নেতৃত্বে ১৮২ টি অভিযানে ১২৬ টি মামলা হয়েছে। এসব ঘটনায় দুুই কোটি ১৭ লাখ ৬৮ হাজার টাকার মাদক উদ্ধার ও ২০৮ জন আসামীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে মো. দেলওয়ার হোসেন তার প্রতিক্রিয়ায় জানান, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সারের নির্দেশে টাঙ্গাইলে দায়িত্ব পালন করছি। এসআই নুরুজ্জামান ও এসআই রাইজ উদ্দিনসহ অন্যান্য সদস্যদের সাথে নিয়ে মাদক উদ্ধার ও আসামী গ্রেপ্তার করছি। সকলের সহযোগিতা সামনের দিনে আরও ভাল কাজ করতে চাই।
উল্লেখ্য, মো. দেলওয়ার হোসেন ১৯৯০ সালে এসআই পদে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। এরপর তিনি খুলনা, কুষ্টিয়া, যশোর, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় দায়িত্ব পালন করেছেন। সিলেটে দায়িত্ব পালনকালে জেলায় চারবার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হন। সর্বশেষ তিনি গাজীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে সেলাই মেশিন, হুইল চেয়ার এবং ভ্যান বিতরণ করেছে ফাতেমা মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন।
টাঙ্গাইলের আশেকপুর এলাকায় অবস্থিত জোবায়দা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ ছানোয়ার হোসেন(এমপি)। বিশেষ অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস.এম. সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শাহজাহান আনসারী, গ্লোব গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আরিফ-উল ইসলাম সোহেল, ১৫নং ওর্য়াড কাউন্সিলর আব্দুল্লাহেল ওয়ারেছ হুমায়ুন, হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটি টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি মোঃ রাশেদ খান মেনন (রাসেল), জোবায়দা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ও ক্লিন টাঙ্গাইলের চেয়ারম্যান মোঃ জালাল উদ্দিন চাকলাদার শাহীন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফাতেমা মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা কামরুজ্জামান খান। ফাতেমা মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রবাসী মোঃ তৌফিকুল ইসলাম উজ্জ্বল এর অর্থায়নে অসহায় মহিলাদের স্বাবলম্বী করতে ৩১ টি সেলাই মেশিন, শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ৪ টি হুইল চেয়ার এবং শারীরিকভাবে সক্ষম দুইজন অসহায় ব্যক্তিকে ২টি ভ্যান প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সহ-সাধারণ সম্পাদক সাহিবুল বারীদ সোয়াদ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ফাতেমা মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাছিম আহাম্মেদ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল আওয়াল মিঞা’সহ অন্যান্য সদস্যগণ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ময়মনসিংহ রোডে অবস্থিত গ্রীণ বাংলা ট্রেনিং সেণ্টার নামে একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নারী গ্রাহকদের ৫০ লক্ষ টাকা নিয়ে লাপাত্তা হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, টাঙ্গাইল পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করে জনৈক রাসেল মিয়া নামে এক ব্যক্তি একক মালিকানাধীন গ্রীণ বাংলা ট্রেনিং সেণ্টারটি চলতি বছরের ২৩ আগস্ট ময়মনসিংহ রোডের সরকার হসপিটাল বিল্ডিং এর চতুর্থ তলায় অফিস ভাড়া নেয়।
তারা কর্মী নিয়োগ ও নানা প্রলোভন দেখিয়ে স্থানীয় প্রায় দেড়শ’ নারীকে প্রশিক্ষণের নামে প্রথমে ৭০০ ও পরে ২৫০ টাকা হারে টাকা নেয়। সনদপত্র এবং সেলাই মেশিন দেওয়া সহ নানা প্রতিশ্রুতি এবং শর্ত দিয়ে নারীদের প্রশিক্ষণের জন্য ভর্তি করা হয়। জামানত ছাড়া ঋণ দেওয়ার কথা বলেও তারা জনপ্রতি ৪-৫ হাজার টাকা নেয়।
মঙ্গলবার ( ৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে প্রশিক্ষণের জন্য ভর্তি হওয়া বিভিন্ন এলাকার ভুক্তভোগী নারীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গ্রীণ বাংলা ট্রেনিং সেণ্টার নামে একটি সংস্থা দর্জি, ব্লক, বুটিক ও মাশরুম চাষে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা ছিল। তিন মাসের প্রশিক্ষণ কোর্সে ভর্তির আবেদন ফরম বাবদ প্রথমে তাদের কাছ থেকে জনপ্রতি ৭০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। পরে তারা ভর্তি ফি বাবদ আরও ২৫০ টাকা হারে তাদের কাছ থেকে নিয়েছে। তারা প্রায় স্থানীয় দেড়শ’ নারীকে উক্ত প্রশিক্ষণের জন্য ভর্তি করেন। এছাড়া জামানত ছাড়া ঋণ দেওয়ার কথা বলে জনপ্রতি ৪-৫ হাজার করে টাকা নিয়েছেন। সপ্তাহে শুক্র ও রোববার দু’দিন প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা ছিল।
ভুক্তভোগীরা আরও জানান, ১ সেপ্টেম্বর থেকে সংস্থাটির কর্মকর্তারা দু’দিন প্রদশর্নীমূলক প্রশিক্ষণ দেওয়ান। ওই দুইদিন প্রশিক্ষণের পর থেকে তাদের আর কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। এমনকি তাদের একাধিক মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও তারা কল রিসিভ করেননি।
মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে নারীরা দলবেঁধে ওই অফিসে ভিড় করেন।এসময় তাদের সাথে প্রতারণার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
পরে খবর পেয়ে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ ওই অফিসের ৪-৫ কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর জানান, নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করায় ট্রেড লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। নাম-ঠিকানা ও কাজের ধরণ যাচাই-বাছাই না করে ট্রেড লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়ে তিনি জানান, যদি প্রতারণার কোন অভিযোগ থাকে তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম জানান, গ্রীণ বাংলা ট্রেনিং সেণ্টারের মালিক বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। সংস্থাটির কয়েকজন কর্মচারীকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের বাজিতপুর থেকে সোমবার(৫ সেপ্টেম্বর) ভোরে সাত জন অপহরণকারীকে আটক ও অপহৃত ব্যক্তিকে উদ্ধার করেছে র্যাব। র্যাব-১২ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
আটককৃতরা হচ্ছেন- টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের রতনগঞ্জ গ্রামের আ. মান্নানের ছেলে জামিল হোসেন সাগর(২৪)(তিনি শহরের থানাপাড়ার জনৈক শাজাহানের বাসার ভাড়াটিয়া), টাঙ্গাইল শহরের আদি টাঙ্গাইলের হাবিবুর রহমানের ছেলে শাকিল আহাম্মেদ হৃদয়(২৭), আলমগীর হোসেনের ছেলে মো. লাবিব খান(১৮), ফজলুল হকের ছেলে রাকিবুল ইসলাম(২২), টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গড়াইল গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে হৃদয় আহাম্মেদ(২২), টাঙ্গাইলের সখীপুর পৌরসভার এবাদত হোসেনের ছেলে বাধন(১৯) এবং একই এলাকার মোস্তফা কামালের ছেলে রাব্বি খান(১৮)।
র্যাব-১২ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামানের নেতৃত্বে র্যাবের একটি দল টাঙ্গাইল শহরের বাজিতপুর হাটখোলার বিকাশের দোকানের পাশে অভিযান চালায়। অভিযানে অপহরণকারী চক্রের তির সদস্যকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই এলাকার সাহাপাড়ায় একটি অটোরাইস মিলের বাউন্ডারীর ভেতর থেকে আরও চার অপহরণকারীকে আটক করে র্যাব ।
এ সময় একটি গামছা দিয়ে চোখ ও রশি দিয়ে হাত বাঁধা অবস্থায় থাকা অপহৃত রাজমিস্ত্রি শ্রমিক মো. আব্দুর রহিমকে(৪০) উদ্ধার করেন।
র্যাব আপহরণকারীদের কাছ থেকে ধারালো ছুরি, রশি, গামছা ও নগদ ১১ হাজার ৩০ টাকা জব্দ করে।
র্যাব-১২ আরও জানায়, মো. আব্দুর রহিম পেশায় রাজমিস্ত্রি। তিনি কাজের সন্ধানে টাঙ্গাইল শহরের বাসটার্মিনালে এলে তাকে অপহরণ করা হয়। পরে তার বাড়ি থেকে এক লাখ ২০ হাজার টাকা বিকাশের মাধ্যমে এনে দেওয়ার জন্য অপহরণকারীরা তাকে মারপিট করে। বিকাশে টাকা আনার বিষয়টি আব্দুর রহিম তার ছোট ভাই আব্দুর রাজ্জাককে মোবাইল ফোনে জানায়। আব্দুর রাজ্জাক তার ভাইয়ের অপহরণের বিষয়টি র্যাবের টাঙ্গাইল কার্যালয়ে জানায়।
র্যাবের দলটি অপহরণকারীদের অবস্থান শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারী ও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে। এদিকে অপহরণকারীরা বার বার স্থান পরিবর্তন করায় র্যাব তাদের অবস্থান শনাক্ত করতে পারছিলনা। এক পর্যায়ে টাঙ্গাইল শহরের বাজিতপুর হাটখোলায় একটি বিকাশের দোকানে র্যাব সদস্যরা অবস্থান নেয় এবং অপহরণকারীদের আটক ও অপহৃতকে উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে অপহৃত আব্দুর রহিমের ভাই আব্দুর রাজ্জাক বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন বলেও র্যাব-১২ জানায়।
একতার কণ্ঠঃ নারায়ণগঞ্জে মহানগর যুবদল নেতা শাওন সর্দার হত্যার প্রতিবাদে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ পুলিশি বাঁধার মুখে পন্ড হয়ে গেছে।
শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের বেপারীপাড়া সরকারি শিশু পরিবার (বালক) এর সামনে থেকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে শান্তিকুঞ্জ মোড়ে পৌঁছালে পুলিশি বাঁধা মুখে পড়ে। পরে সেখানেই সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শুরু করলে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনী মাইক বন্ধ করে দেয়। ফলে সমাবেশ পন্ড হয়ে যায়।
এই সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক হাসানুজ্জামিল শাহীন, এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, যুগ্ম-আহবায়ক আতাউর রহমান জিন্নাহ, আবুল কাশেম, প্রমূখ।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন,সদর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আজগর আলী, সদস্য সচিব আব্দুর রউফ, শহর বিএনপির আহবায়ক মেহেদী হাসান আলীম, যুগ্ম আহবায়ক শাহীন আকন্দ, সদস্য সচিব এজাজুল হক সবুজ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি তারিকুল ইসলাম ঝলকসহ বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ।
এই বিক্ষোভ সমাবেশকে কেন্দ্র করে শনিবার সকাল থেকেই শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে মোড়ে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারিতে জেলা বিএনপি তাদের নির্ধারিত স্থানে সভা সমাবেশ করতে পারেনি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাসের ধাক্কায় উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার স্ত্রীসহ দুইজন নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের সদর উপজেলার রাবনা বাইপাস এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।এ ঘটনায় আরও দুইজন আহত হয়েছেন।
নিহতরা হলেন- ঘাটাইল উপজেলার হরিপুর গ্রামের বাসিন্দা ও কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেনের স্ত্রী নুসরাত জাহান হিমু (৩০) ও গোপালপুর উপজেলার চরচতিলা মাদরাসার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও উত্তর বিলডোবা গ্রামের মৃত নঈম আলী মন্ডলের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৫৫)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হিমু তার শাশুড়ি ফরিদা বেগমকে চিকিৎসক দেখানোর জন্য ঘাটাইল থেকে অটোরিকশাযোগে টাঙ্গাইল যাচ্ছিলেন। অপরদিকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সাইফুল ইসলামও চিকিৎসক দেখাতে যাচ্ছিলেন। তাদের অটোরিকশাটি ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহসড়কের রাবনা বাইপাস এলাকায় পৌঁছালে উত্তরবঙ্গগামী একটি যাত্রীবাহী বাস সেটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই সাইফুলের মৃত্যু হয়।
এ সময় গুরুতর আহত হন হিমু ও তার শাশুড়ি ফরিদাসহ তিনজন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। হিমুর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। পরে ঢাকার নেওয়ার পথে হিমুর মৃত্যু হয়।
নিহত হিমুর চাচা আলতাব হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার(১ সেপ্টেম্বর) হিমু পাকুন্দিয়া থেকে তার শ্বশুর বাড়িতে এসেছে। শুক্রবার শাশুড়িকে চিকিৎসক দেখাতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলো।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. নবীন জানান, ঘাটাইল থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা যাত্রী নিয়ে টাঙ্গাইল যাচ্ছিল। এ সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা গাইবান্ধাগামী বাসের সঙ্গে অটোরিকশাটির ধাক্কা লাগে। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ সংক্ষিপ্ত আকারে অনাড়ম্বর ভাবে টাঙ্গাইলে পৃথকভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ৪৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের সিলমি পার্টি সেন্টার ও সোনার বাংলা কমিউনিটি সেন্টারে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
শহরের রেজিস্ট্রি পাড়ায় অবস্থিত সিলমি পার্টি সেন্টারে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক এড. আহমেদ আযমের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুজ্জামিল শাহিনসহ জেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ।
অপরদিকে, জেলা সদর রোডে অবস্থিত সোনার বাংলা কমিউনিটি সেন্টারে জেলা বিএনপি’র সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছাইদুল হক ছাদুর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সাবেক জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জিয়াউল হক শাহিন, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুু, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক প্রমুখ।
এসময় বক্তারা বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক। তার নিজ হাতে গড়ে তোলা রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র আজ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। ১৯৭৮ সালের এই দিনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিল। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা আজ এগিয়ে চলেছি।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি দেশের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে এবং আগামীতেও করে যাবে।
পরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আত্মার শান্তি কামনা করে এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে সংক্ষিপ্ত আকারে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন বিষয়ে জারি করা রুল খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি সহিদুল করিম ও বিচারপতি ফাতেমা নজীবের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
আদালতে জামিনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এস এম শাহজাহান। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ।
পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ জানান, আসামি সহিদুর ছয় বছর পলাতক ছিলেন। আর বিচারিক আদালতে মামলাটির বিচারকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। তাই এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আদালত তার জামিন প্রশ্নে জারি করা রুলটি খারিজ করে দিয়েছেন।
এর আগে ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজপাড়ার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশ আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দুই জনকে গ্রেফতার করে। আদালতে এ দুজনের দেওয়া স্বীকারোক্তিতে হত্যার সঙ্গে তৎকালীন সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা, তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে। এরপর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান।
২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে গোয়েন্দা পুলিশ আদালতে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান ও তার অপর তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান।
এদিকে দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক থাকার পর ২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর সহিদুর রহমান খান মুক্তি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ গত ১০ ফেব্রুয়ারি মুক্তিকে জামিন দেন। কিন্তু ২৮ ফেব্রুয়ারি তার অন্তর্বর্তীকালীন জামিন বাতিল করা হয়। এরপর মুক্তি হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন।
পরে ২০২১ সালের ২৭ এপ্রিল ওই মামলায় মুক্তিকে জামিন দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পরে হাইকোর্টের জামিন আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। পরে আপিল বিভাগ রুলটি নিষ্পত্তি করতে হাইকোর্টকে সময় বেধে দেন। এর ধারাবাহিকতায় শুনানি শেষে রুলটি খারিজ করলেন হাইকোর্ট।
প্রসঙ্গত, আসামি রানা ও মুক্তির বাবা আতাউর রহমান খান টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) বর্তমান আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সরকারি ভাবে উপজেলা পর্যায়ে খোলা বাজারে চাল ও আটা বিক্রির কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার(১ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের বটতলা মোড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রম উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মুহম্মদ আতাউল গণি
এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ডক্টর মুহম্মদ আতাউল গণি জানান, চাল আমদানি খরচ ৩৬ থেকে ৩৭ টাকা হলেও ভর্তুকি মূল্যে বিক্রি হবে।
ওএমএসে মানসম্পন্ন চাল বিক্রি হবে জানিয়ে তিনি আরো ও জানান, বর্তমানে সরকারি পর্যায়ে চালের মজুত সর্বকালের সর্ববৃহৎ। পচার মতো চাল গোডাউনে নেই। মজুতকৃত চাল মানসম্পন্ন, ফলে মানুষ খাবে।ওএমএস যাতে সঠিকভাবে পরিচালিত হয়, সেজন্য উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে টিম গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া অবৈধ মজুতদার চিহ্নিত করতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ও জরিমানা করার জন্যও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এসময় টাঙ্গাইল পৌর মেয়র সিরাজুল হক আলমগীর ,পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রানুয়ারা খাতুন প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন ।
উল্লেখ্য,টাঙ্গাইলের ৫২ টি ডিলারের মাধ্যমে এই খাদ্যপণ্য বিক্রি বিক্রি করা হবে। যেখানে প্রতি কেজি চাল ও আটা যথাক্রমে ৩০ টাকা ও ১৮ টাকা দরে পাওয়া যাবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানের চারটি প্রাচীন রেইনট্রি কড়ই গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীর ব্যানারে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে কর্তনকৃত একটি গাছকে ঘিরে ঘন্টা ব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
এই মানববন্ধনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাধারণ ছাত্র-ছাত্রী ছাডাও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষে ফাতেমা রহমান বিথী, মিনারুল ইসলাম,কানিজ ফাতেমা মিম, আবিদ হাসান তুষার, আতাউল ইসলাম তূর্য,টাঙ্গাইলের সাধারণ নাগরিকের পক্ষে হেমায়েত হোসেন হিমু ও সাম্য রহমান বক্তব্য রাখে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, কোনরকম যৌক্তিক কারণ ছাড়াই পৌর উদ্যানের প্রাচীন এই গাছগুলো কাটা হচ্ছে। পৌর কর্তৃপক্ষ ইতিপূর্বে বেশ কয়েকটি উদ্যানের জায়গায় মার্কেট নির্মাণ করেছে। এবার লাখো শহীদের স্মৃতি বিজড়িত শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানের একের পর এক প্রাচীন বৃক্ষ কাটা হচ্ছে। এটা কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায় না। অবিলম্বে এই গাছ কাটা বন্ধ করতে হবে, পুনরায় উদ্যানে নতুন করে বৃক্ষরোপণ করতে হবে।
বক্তারা আরো বলেন, টাঙ্গাইল শহরের যানজট নিরসন, রাস্তাঘাট প্রশস্ত করন, নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির পরিবর্তে, পৌর মেয়র কেবল দোকান বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত আছেন।
মানববন্ধনে টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান রক্ষায় আট দফা দাবি জানানো হয়।
দাবি গুলো হচ্ছে:-
উদ্যানকে তার আগের রুপে ফিরিয়ে দিতে হবে তার একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে নতুন করে বৃক্ষরোপণ।
যদি কোনো চারা গাছ মারা যায় সেখানে নতুন করে গাছ লাগাতে হবে।
গাছের যত্ন এবং তদারকির জন্য কিছু কর্মী নিয়োগ বাধ্যতামূলক করতে হবে যাতে তারা সকাল বিকাল সেগুলোর যত্ন নিতে পারে।
উদ্যান নিরিবিলি বসার স্থান এখানে মানুষের বসার ব্যবস্থা করতে হবে।
অবৈধভাবে দোকান পাট ব্যবসা বন্ধ করতে হবে।
উদ্যানের পরিবেশ যেন ভারসাম্যহীন এবং নোংরা না হয়ে পড়ে সে বিষয়ে প্রতি কঠোর নির্দেশনা প্রদান করতে হবে।প্রয়োজনীয় ডাস্টবিন রাখার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে।
অবৈধ ভাবে আর একটি গাছ তো দূরের কথা গাছের ডালও কাটা যাবে না।
পার্কিং থাকা সত্যেও অবৈধ এবং ভারী যানবাহন পার্কিং নিষিদ্ধ করতে হবে
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের সমবায় মার্কেটের সভাপতি কুদরত ই এলাহী খানের দুর্নীতি এবং নিজেদের দোকান ফিরে পেতে রাস্তায় নেমেছেন মার্কেটের পুরাতন দোকান মালিকেরা।
শনিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে নির্মাণাধীন মার্কেটের সামনে এই দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, মার্কেটের সাবেক সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা সাইফুল ইসলাম, বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক খান, দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী, নার্গিস আকতার, গোলাম মোহাম্মদ খান প্রমুখ।
মানববন্ধন বক্তারা বলেন, কুদরত-ই-এলাহি দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সভাপতি হয়েছেন। অধিক লাভের আশায় তিনি মার্কেটের পুরাতন ভবণ ভেঙে নতুন ভবণ করে সাবেক ব্যবসায়ীদের বাদ দিয়ে নতুনদের কাছ থেকে বেশি টাকা নিয়ে দোকান বরাদ্দ দিচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে মামলা হয়। রায় আমাদের পক্ষে রয়েছে। তারপরও স্বঘোষিত কুদরত ই এলাহী খান নানা মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছেন।
বক্তারা আরও বলেন, ১৯৮০ সালে ১৫৫ জন দোকান মালিক জামানতের টাকায় সমবায় মার্কেট তৈরি করেন। ৪১ বছর তারা ঢাকার সঙ্গে তাল মিলিয়ে পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতা হিসাবে সুনাম অর্জন করেছেন। কিন্তু ২০১৬ সালে পুরাতন মার্কেটটি ভেঙে নতুন মার্কেট তৈরির উদ্যেগ নেয় সমবায় কর্তৃপক্ষ। এতে ১৫৫টি পরিবার তথা ৩০০জন বিক্রয় কর্মী বেকার হয়ে পরেন। এরপর ৮ বছর পেরিয়ে গেলেও কোনো সমাধান হয়নি। এরই মধ্যে ১৯ জন ব্যবসায়ী মৃত্যুবরণ করেছেন। অনেক দোকান মালিক অন্যের দোকানে কর্মচারী হিসাবে কাজ করে পরিবার চালাচ্ছেন। অনেক মালিক ব্যাংক ঋণ, এনজিও ঋণ, মহাজনি ঋণ দিতে না পেরে ভিটা বাড়ি বিক্রি করে নিঃস্ব হয়ে মানবেতর জীবন অতিবাহিত করছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুদরত ই এলাহী বলেন, তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।