একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বাবার লাশ বাড়িতে রেখে এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়া সানজিদা আক্তার উত্তীর্ণ হয়েছে। বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, তিনি জিপিএ ৪.৭৫ পেয়েছেন।
তার বাবা শামীম আল মামুন গত ১২ নভেম্বর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। বাবার লাশ বাড়িতে রেখে পর দিন রোববার (১৩ নভেম্বর) ইংরেজি দ্বিতীয় পর্বের পরীক্ষা দেন তিনি।
সানজিদা আক্তারের বাড়ি সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের বাইমাইল গ্রামে।
সানজিদা টাঙ্গাইল শহরের সরকারি কুমুদিনী কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। তিনি শহরের সরকারি শেখ ফজিলাতুননেসা মুজিব মহিলা মহাবিদ্যালয়ের কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেন।
সানজিদা আক্তারের বড় ভাই ইমরান হোসেন জানান, গত ১৬ সেপ্টেম্বর বাবা পাকস্থলীর সমস্যা নিয়ে টাঙ্গাইল শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চার দিন চিকিৎসা নেন। পরবর্তীতে কিডনিতে সমস্যা দেখা দিলে তাকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১২ নভেম্বর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
তিনি আরও জানান, সকালে বাবার লাশ বাড়িতে আনা হয়। বাবার লাশ রেখে ছোট বোন সানজিদা এইচএসসি পরীক্ষা দিতে যায়। পরে বাইমাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে পার্শ্ববর্তী কবরস্থানে তার বাবাকে দাফন করা হয়।
সানজিদা আক্তার জানান, ‘আমি বাবাকে খুব ভালোবাসতাম’। তার নির্দেশনা মোতাবেক মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া করতাম। আমার বাবার জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।’
তিনি আরো জানান, বড় হয়ে ডাক্তার হতে চান সানজিদা। সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।
একতার কণ্ঠঃ দেশের ৬৪টি জেলার অভ্যন্তরে প্রবাহমান ছোট নদী, খাল ও জলাশয় পূনঃখনন প্রকল্পের (১ম পর্যায়) (২য় সংশোধিত) প্রকল্পের আওতায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া এলাকায় সুন্দরী খাল পূনঃখনন কাজ বন্ধ এবং ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের ছয়শত ও সোনালীয়া গ্রামের ভুক্তভোগীরা এ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে।
মানববন্ধনে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করে বলেন, আমাদের নিজ নামে রেকর্ডের জমিতে খাল খনন করা যাবে না। আমরা এই জমিতে আবাদ করি। আমরা যদি ফসল আবাদ করতে না পারি তাহলে আমাদের না খেয়ে থাকতে হবে। আমাদের জমিতে সরিষা রোপন করেছি। এই রেকর্ডের জমি কেটে ফসলের উপর মাটি ফেলে ফসল নষ্ট করছে। আমরা এর ক্ষতিপূরণ চাই। এই খাল খনন বন্ধ করা হোক।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- হাবলা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান নাদু, ইউপি সদস্য সুজন, ফজলুল হক, জমির মালিক বিমলা রানী সরকার, সূর্য বানু, সুরেশ চন্দ্র মন্ডল, মো: আলী আযমসহ অনান্য ভুক্তভোগী জমির মালিকরা।
উল্লেখ্য, পানি সম্পদ মন্ত্রনালয় ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের আত্ততাধীন ৬৪টি জেলার অভ্যন্তরে প্রবাহমান ছোট নদী, খাল ও জলাশয় পূনঃখনন প্রকল্পের (১ম পর্যায়) (২য় সংশোধিত) প্রকল্পের আওতায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া এলাকায় সুন্দরী খাল ও সুন্দরী শাখা খাল পূনঃখনন চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি শুরু হয়। এ কাজের প্রাক্কালিত মূল্য ধরা হয়েছে ১ কোটি ৫৬ লাখ, ৯৩ হাজার ৩৪০ টাকা। মের্সাস এম রহমান নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান খাল পূনঃখননের কাজটি পেয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌর এলাকার ছোট কালীবাড়ি নিবাসী সাবেক প্রফেসর সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২.৩০ মিনিটে ঢাকার এভারকেয়ার হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্হায় তিনি মৃত্যুবরন করেন।মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।
মৃত্যুকালে স্ত্রী, ৫ ছেলে, ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন তিনি।
সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বাদ জোহর ঢাকা উত্তরা ১০ নং সেক্টর কেন্দ্রীয় মসজিদে নামাজে জানাজা শেষে ঢাকা ১২ নম্বর সেক্টর কেন্দ্রীয় গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনাসহ শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীগণ।
উল্লেখ্য, তার বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনে তিনি টাঙ্গাইল কাগমারী কলেজ, করটিয়া সাদত কলেজ এবং ঢাকা বিজ্ঞান কলেজে অত্যন্ত সততা ও সুনামের সাথে শিক্ষকতা করেছেন।
সর্বশেষ তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে অবসরে যান।
একতার কণ্ঠঃ বর্ণাঢ্য আয়োজনে টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের একযুগ পূর্তি উদযাপন করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ডক্টর মো. ফরহাদ হোসেনের নেতৃত্বে একটি র্যালি একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে।
র্যালী শেষে ১২-তলা একাডেমিক ভবনের সামনে যুগপূর্তির কেক কাটা হয়।

এসময় বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের অধীনে বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগ, হিসাববিজ্ঞান বিজ্ঞান বিভাগ ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের আলোচিত সিদ্দিকী পরিবারের সন্তান মুরাদ সিদ্দিকীর আওয়ামী লীগে যোগদান ও জেলা কমিটিতে পদ পাওয়ার বিষয়ে ব্যাপক গুঞ্জন চলছে। তাঁকে জেলা কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করতে দলের কেন্দ্র থেকে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে বলে জেলা আওয়ামী লীগের একাধিক শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন। তবে মুরাদ সিদ্দিকীকে দলে নেওয়ার ঘোরবিরোধী জেলার কয়েকজন সংসদ সদস্য এবং আওয়ামী লীগ নেতাদের একটি অংশ।
মুরাদ সিদ্দিকী কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল কাদের সিদ্দিকী এবং আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর ভাই। আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি চূড়ান্ত করা হবে। এ অবস্থায় মুরাদ সিদ্দিকী জেলা আওয়ামী লীগে পদ পাচ্ছেন, নাকি এবারও দলে ঢুকতে ব্যর্থ হচ্ছেন—এ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
স্থানীয় লোকজন জানান, ১৯৯৯ সালে কাদের সিদ্দিকী আওয়ামী লীগ ছেড়ে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ নামে নতুন দল গঠন করেন। মুরাদ সিদ্দিকী তখন ভাই কাদের সিদ্দিকীর দলে যোগ দেন। ২০০১ ও ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রার্থী হিসেবে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। এরপর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের রাজনীতি থেকে নিষ্ক্রিয় হয়ে যান। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি টাঙ্গাইল-৫ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রার্থী হিসেবে নয়, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে।
মূলত ২০০৯ সাল থেকে মুরাদ সিদ্দিকী আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করছেন। ২০১৫ সালে মুরাদ সিদ্দিকীর অনুসারী টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র জামিলুর রহমান ওরফে মিরনসহ অনেকেই আওয়ামী লীগে যোগ দেন। তাঁরা পরবর্তী সময় জেলা আওয়ামী লীগে পদ-পদবিও পান। কিন্তু মুরাদ সিদ্দিকী যোগ দিতে ব্যর্থ হন। দলে ঢুকতে না পারলেও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মসূচি এবং দলীয় কার্যালয়ে মুরাদ সিদ্দিকী যাতায়াত শুরু করেন।
গত ৭ নভেম্বর টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়। সেখানে মুরাদ সিদ্দিকী বড় মিছিল নিয়ে অংশ নেন। সম্মেলনে ফজলুর রহমান খানকে সভাপতি এবং সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। তবে এখনো কমিটি পূর্ণাঙ্গ করা হয়নি।

মুরাদ সিদ্দিকী বলেন, ‘আমি আওয়ামী লীগের আদর্শের বাইরে কেউ নই। সব সময়, সব অবস্থায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করেছি। আওয়ামী লীগের সম্মেলনসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করছি। দল যদি আমাকে কোনো দায়িত্ব দেয়, তা পালন করার জন্য প্রস্তুত আছি। এ জেলার কৃতী সন্তান দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক, জেলা শাখার সভাপতি ফজলুর রহমান খান, সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলামের নেতৃত্বে আমি কাজ করতে চাই।’
জেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা জানান, দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে জেলার নেতাদের বলা হয়েছে মুরাদ সিদ্দিকীকে জেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে রাখার জন্য। কিন্তু জেলা আওয়ামী লীগের বড় একটি অংশ এবং কয়েকজন সংসদ সদস্য চান না মুরাদ সিদ্দিকী আওয়ামী লীগে পদ পাক। তাঁরা দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে দেখা করে মুরাদ সিদ্দিকীর পদপ্রাপ্তি ঠেকাতে চেষ্টা করছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জেলা আওয়ামী লীগের নেতা ও একাধিক সংসদ সদস্য বলেন, অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে জেলা আওয়ামী লীগ ভালো চলছে। মুরাদ সিদ্দিকীকে দলে পদ দেওয়া হলে আবার একটি নতুন বলয় সৃষ্টি হতে পারে। তাই তাঁরা এ মুহূর্তে মুরাদ সিদ্দিকী দলে আসুক, তা চান না। তিনি দলে এলে টাঙ্গাইল সদর অথবা কালিহাতী আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন চাইতে পারেন। এ ক্ষেত্রে তাঁর যোগদান ওই আসন দুটির বর্তমান সংসদ সদস্যদের জন্য অস্বস্তির কারণ হতে পারে।
এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম বলেন, ‘মুরাদ সিদ্দিকী দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগে যোগদানের চেষ্টা করছেন, এটা সত্য। এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম “আলোচনা সাপেক্ষে তাঁকে নেওয়া যেতে পারে” বলে কিছুটা সম্মতি দিয়েছেন। আগামী দুই একদিনের মধ্যে আমরা বসব। দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রাজ্জাক, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান সাহেব আছেন। কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
একতার কণ্ঠঃ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্নীতির সংবাদ প্রচার করায় সময় টিভির বার্তাপ্রধান মুজতাবা দানিশের বিরুদ্ধে ডিজিটাল অ্যাক্ট আইনে করা মামলা ও পুলিশি হয়রানির প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (০৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ঘণ্টাব্যাপী জেলায় নিয়োজিত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা পালন করেন এ কর্মসূচি।
এ সময় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি ও যুগান্তর পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার জাফর আহম্মেদ, সাধারণ সম্পাদক ও আরটিভির স্টাফ রিপোর্টার কাজী জাকেরুল মাওলা, বাংলা ভিশনের জেলা প্রতিনিধি আতাউর রহমান আজাদ, প্রথম আলোর জেলা প্রতিনিধি কামনাশীষ শেখরসহ জেলায় নিয়োজিত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত হয়ে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
সমাবেশে সাংবাদিকরা জানান, ডিজিটাল অ্যাক্ট আইন করে প্রতিনিয়তই সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় রংপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্নীতির সংবাদ প্রচার করায় সময় টিভির বার্তাপ্রধান মুজতাবা দানিশ ও রংপুর ব্যুরোপ্রধান রতন সরকারের নামে ডিজিটাল অ্যাক্ট আইনে মামলা করে তাদের হয়রানি করা হচ্ছে। এটা কোনোভাবেই সাংবাদিক সমাজ মেনে নিতে পারে না।
সাংবাদিক নেতারা আরও বলেন, সম্প্রতি আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ডিজিটাল অ্যাক্ট আইনে সাংবাদিকদের কোনো সমস্যা হবে না বলে জানান। তারপরও এই আইনেই সাংবাদিকরাই হয়রানির স্বীকার হচ্ছেন। তাই অনতিবিলম্বে সময় টিভির বার্তাপ্রধান ও সাংবাদিক রতন সরকারের নামে দায়ের করা ডিজিটাল অ্যাক্ট আইনে করা মামলা প্রত্যাহারসহ দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকরা মামলা প্রত্যাহার ও পুলিশি হয়রানি বন্ধ না হলে অন্যথায় আগামীতে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ।
উল্লেখ্য, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের তোয়াক্কা না করে ফল প্রকাশ, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীকে পাস করানোসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি ধরা পড়লেও বহাল তবিয়তে রয়েছেন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সামসুল হক। বিতর্কিত সাবেক ভিসি ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর সময়কালে সংঘঠিত এসব অপকর্মের বিচার চাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই সহকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেন সাবেক ভিসি কলিমুল্লাহ চক্রের প্রভাবশালী সামসুল হক। সময় টিভিতে এসব সংবাদ প্রচারের অভিযোগে সময় টিভির বার্তাপ্রধান ও রংপুর ব্যুরোপ্রধানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল অ্যাক্ট আইনে মামলা দায়ের করে হয়রানি করা হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেছেন, বাংলাদেশ একদিকে উন্নয়নের ধারায় অগ্রসর হচ্ছে অন্যদিকে দেশে বৈষম্য এবং দূর্নীতি চরমভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশে সাম্প্রদায়িক ও মৌলবাদি শক্তি আক্রমনের মাত্রা ছাড়িয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে কেন্দ্র করে জামায়াতসহ দেশের রাজনৈতিক দলগুলো মাঠে নেমেছে।
শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি ) বিকেলে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে আয়োজিত বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সূবর্ণ জয়ন্তীর আলোচনা সভায় বক্তব্যে দেয়ার আগে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ খান মেনন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন হলেও এর ফলাফল জনগন পাচ্ছে না।
তিনি আরো বলেন, সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী আমাদেরকে বিরোধী দলে বসার জন্য প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তখন তাকে বলেছিলাম, আমরা একটি প্লার্টফর্মে নির্বাচন করেছিলাম। একটা বক্তব্য দিয়ে এখানে বিরোধীদলে বসার কোন জায়গা নেই। আমরা এখনও ১৪ দল জোটে আছি। আগামীতে জোটবদ্ধ হয়েই নির্বাচন করার আশা করি।
বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি টাঙ্গাইল শাখার জেলা সভাপতি কমরেড গোলাম নওজব পাওয়ার চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- কমরেড আনিসুর রহমান মল্লিক, মো. আজাদ খান ভাসানী, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারন সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পিপলু প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সাহিত্য সংসদ পুরস্কার প্রদান ও স্বরচিতা কবিতা পাঠ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার(২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল সাহিত্য সংসদের উদ্যোগে ও বুরো বাংলাদেশের সহযোগিতায় টাঙ্গাইল সাধারণ গ্রন্থাগার মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সাবেক তত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্ঠা ডক্টর ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাসানী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও টাঙ্গাইল সাধারণ গ্রন্থাগারের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার নাজিম উদ্দিন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ, টাঙ্গাইল সাহিত্য সংসদের উপদেষ্টা কবি জাকিয়া পারভিন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন টাঙ্গাইল সাহিত্য সংসদের সভাপতি কবি মাহমুদ কামাল।
অনুষ্ঠানে চারজন কবি-সাহিত্যিককে টাঙ্গাইল সাহিত্য সংসদ পুরস্কার ও চারজন কবি-সাহিত্যিককে অরণি পুরস্কার প্রদান করা হয়।
টাঙ্গাইল সাহিত্য সংসদ পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন, ডা. ইউসুফ খান, শুকুমার বাগচি, তরুণ লেখক মিশুক মঞ্জুর ও হারুণ অর রশীদ।
অরণি সাহিত্য পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন, ফরিদ আহম্মেদ, চৈতালী চট্রপাধ্যায়( পশ্চিম বঙ্গ), মুনজু রহমান, অলক বিশ্বাস (পশ্চিম বঙ্গ)।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মাদক মামলায় দেওয়ান আখতারুজ্জামান ওরফে চপল (৫০) নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে মুধু মিয়া (৬১) নামে অপরজনকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মোস্তফা শাহরিয়া খান এ আদেশ দেন।
দন্ডিত আখতারুজ্জামান ওরফে চপল ও মধু মিয়া টাঙ্গাইল পৌর এলাকার ২নং ওয়ার্ডের এনায়েতপুর এলাকার বাসিন্দা। মামলা চলাকালীন সময়ে জামিনে মুক্তি পেয়ে দণ্ডিত দুই জনই পলাতক রয়েছেন।
এদের মধ্যে চপলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ছাড়াও ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ৩ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং মধু মিয়াকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত।
এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এস আকবর খান জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি টিম ২০১১ সালের ২০ জুলাই শহরের এনায়েতপুরের দেওয়ান আখতারুজ্জামানের বাড়িতে অভিযান চালায়। অভিযানে তার ঘর থেকে ৫০ বোতল নিষিদ্ধ ভারতীয় ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এ সময় ওই দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরো জানান, এরপর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক খোরশেদ আলম বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক (এসআই) বিথী চ্যাটার্জী ২০১১ সালের ২০ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলায় ৬ জনকে আসামি করা হয়। এরমধ্যে ৫ জন সাক্ষ্য দেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ভাতিজার বউয়ের সাথে অনৈতিক কাজ করতে গিয়ে সোমবার (৩০ জানুয়ারী) রাতে জনতার হাতে আটক সদর উপজেলার পোড়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কাদের জোয়ারদার। পরে তাকে ঘরের খুঁটির সাথে বেঁধে রাখে জনতা। স্থানীয় ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ ছানোয়ার হোসেন জিম্বা হয়ে গভীর রাতে তাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইতিপূর্বে অস্ত্রসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তার নামে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। সোমবার রাত ১১টায় মদ্যপ অবস্থায় তার ২নং ওয়ার্ড থেকে ৯নং ওয়ার্ডে ভাতিজা বউয়ের শ্লীলতাহানি করতে যায়। এসময় ভাতিজা বউ বাধাঁ দিলে বল প্রয়োগ করে ও বাজে ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। উপায়ন্তর না দেখে নিজের সন্মান বাচাতে তাকে স্থানীয় এলাকাবাসির সহায়তায় বসত ঘরের বারান্দার খুঁটির সাথে বেঁধে রাখে। পরে ভোর হওয়ার আগেই ঐ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ ছানোয়ার হোসেন তার জিম্মায় শালিশী বৈঠকের কথা বলে তাকে ছাড়িয়ে নেন।
এদিকে ভাতিজা বউ রাতেই বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করলে কয়েক ঘন্টার মধ্যেই কাদেরকে গ্রেপ্তার করে টাঙ্গাইল সদর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শরিফ।
মামলার বাদী ভাতিজা বউ জানান, সে আমার সম্পর্কে চাচা শশুর। দির্ঘদিন ধরে সে আমাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলো মদ খেয়ে বাড়ীর সামনে এসে মাতলামী করতো। কেউ কিছু বলতে গেলে তাকে মারতে যেতো ভয়ে কেউ কাছে যেত না। ঘটনার দিন নিজের ইজ্জত বাচাঁতে তাকে স্থানীদের সহায়তায় জাপটে ধরে বসত ঘরের খুঁটির সাথে বেঁধে রাখি। পরে ছানোয়ার মেম্বার এসে রাত ৩টার দিকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায় তাকে।
তিনি আরো জানান, পরে থানায় মামলা করলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
পোড়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাহাদত হোসেন জানান, “পাপে ছারেনা বাপেরে” তাকে এর আগে অনেকবার শাসন করা হয়েছে। সে আসলে ভাল হবার নয়। এখন মামলা হয়েছে, পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে এখন আইনি প্রক্রিয়া যা হবার তাই হবে। তবে সুষ্ঠ বিচার হোক এটাই আমার কাম্য।
এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ছালাম মিয়া পি.পি এম জানান, বাদি নিজে এসে সশরীরে থানায় উপস্থিত হয়ে মামলা করলে আমরা বিষয়টি আমলে নিয়ে কয়েক ঘন্টার মধ্যেই অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ মহান মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তী ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম বলেছেন,আমি এমপি-মন্ত্রী হওয়ার জন্য বা ক্ষমতার জন্য দল গঠন করি নাই। আমি দল গঠন করেছি সেবা করার জন্য মানুষকে পাহারা দেওয়ার জন্য।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমার অনেক দুরত্ব রয়েছে। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি করি। এখন লুটপাটের সময় চলছে। সেইজন্য হয়তো অনেকে মনে করতে পারে আমাদের উদ্দেশ্য নির্বাচন করা, সরকারে যাওয়া, এমন রাজনীতি আমি করিনাই,ভবিষ্যতে যে করবো তা কেউ গ্যরান্টি দিতে পরবেনা।
তিনি আরো বলেন,আওয়ামী লীগ সত্যি মস্তবড় দল ,বঙ্গবন্ধুকে গ্রাস করে আওয়ামী লীগ সুফল পাচ্ছে। ততদিনই তারা সূফল পাবে, যতদিন না পর্যন্ত আমরা আওয়ামী লীগের চাইতে সুসংগঠিত হতে পারবো।
মঙ্গলবার(৩১ জানুয়ারি) বিকালে টাঙ্গাইল শহরের জেলা সদর রোডে অবস্থিত সোনার বাংলা কমিনিটি সেন্টারে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের জেলা কার্যালয়ে কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম এসব কথা বলেন।
টাঙ্গাইল জেলা কৃষক শ্রমিক জনতালীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে অন্যন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার বীর প্রতীক, সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলাম তারেক, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ হেল বীর প্রতীক, সদস্য নাসরিন সিদ্দিকী, শামীম আল মনসুর আজাদ সিদ্দিকী, মঞ্জুরুল আলম বিমল, রিফাতুল ইসলাম ফেরদৌস, ময়মনসিংহের সভাপতি প্রিন্সিপাল আব্দুর রশীদ, কেন্দ্রীয় যুব আন্দোলনের সভাপতি হাবিউন নবী সোহেল, ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি রিফাতুল ইসলাম দীপ প্রমুখ।
কর্মী সম্মেলনটি সঞ্চলনা করেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এটি এম সালেহ উদ্দিন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ৪ ফেব্রুয়ারি সমাবেশ সফল করার লক্ষে প্রস্তুতি সভা করেছে জেলা বিএনপি। শনিবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডের হবিবুর রহমান প্লাজায় অবস্থিত শর্মা হাউজে ১০ দফা দাবিসহ সন্ত্রাস, দলীয় নেতাকর্মীদের দমন-নিপীড়ন ও নির্যাতনের প্রতিবাদ এবং নিত্যপণ্যের দাম কমানোর দাবিতে দেশব্যাপী সমাবেশ করার কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ওই প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন- বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ।
টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীনের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমেদ টিটো, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ওবায়দুল হক নাসির, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল প্রমুখ।
এসময় জাতীয়তাবাদী যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, কৃষক দল, শ্রমিক দল, তাঁতী দলসহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।