একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বাংলাদেশে কাজ করা বিশ্বের সব দেশের রাষ্ট্রদূত মিলে বললেও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে না।
বৃহস্পতিবার(২৯ সেপ্টেম্বর)দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমরা চাই, বিএনপিসহ ছোট–বড় সব দলই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে শেষ দিন পর্যন্ত আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাব। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া আপনারা নির্বাচনে যাবেন না—এমন উসকানি কেউ যেন না দেয়। এটা আমেরিকার অ্যাম্বাসেডর হোক আর যেকোনো দেশের অ্যাম্বাসেডর হোক কিংবা সকল অ্যাম্বাসেডর মিলে বললেও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না।’
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘বিএনপি বলছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার না হলে নির্বাচনে যাবে না। সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে আর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না। সংবিধানে স্পষ্ট লেখা আছে, নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করবে। সরকার নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। আজ বিএনপি মহড়া দিচ্ছে, লাঠির মধ্যে বাংলাদেশের পতাকা লাগিয়ে মিছিল ও সমাবেশ করছে। সব মিলিয়ে তারা সন্ত্রাসের দিকে যাচ্ছে। ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত যেভাবে মোকাবিলা করেছি, ভবিষ্যতেও ঠিক একইভাবে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করব, ইনশা আল্লাহ।’
বর্তমান সরকার বিএনপিকে সভা সমাবেশ করার অনুমতি দিচ্ছে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের সমালোচনা করুক। দেশে পত্রপত্রিকা আছে, টেলিভিশন আছে। কোথাও কোনো বাধা নেই। তারা সংসদেও কথা বলছে। তাদের তো কোনো সমস্যা নেই। তারপরও তারা কেন এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে? এই পরিস্থিতি আমরা কোনোভাবেই হতে দেব না। মানুষের জান-মাল ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা এবং দেশের উন্নয়নকে অব্যাহত রাখার জন্য আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের সক্ষমতা দিয়ে যা করা দরকার, তা–ই করবে।’
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুকের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম, সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, সংসদ সদস্য আতোয়ার রহমান খান, সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ওরফে ছোট মনির, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আলমগীর খান, শামসুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফউজ্জামান, শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. আব্দুল বাতেনকে বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার দপুরে টাঙ্গাইলে অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুনিরা সুলতানা এই আদেশ প্রদান করেন।আদালত পরিদর্শক তানবীর আহম্মদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালত পরিদর্শক তানবীর আহম্মদ জানানা, বুধবার আটককৃত আব্দুল বাতেনকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ এনে পুলিশ আদালতে পাঠায়। তাকে অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুনিরা সুলতানার আদালতে হাজির করা হলে তিনি কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে, বুধবার দুপুরে আব্দুল বাতেনকে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকার হাবিবুর রহমান প্লাজার সামনে থেকে গ্রেপ্তার করে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ।
জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দুর্জয় হোড় জানান, মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের উপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল জেলায় জেলায় বুধবার বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা করে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদল শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় হবিবুর রহমান প্লাজার সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু করে। আব্দুল বাতেন বক্তৃতা করার সময় পুলিশ লাঠি চার্জ করে নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।এ সময় পুলিশ বাতেনকে আটক করে নিয়ে যায়।
তিনি আরো জানান, এই হামলায় সদর উপজেলা ছাত্রদলের কর্মী সাজ্জাদ হোসেনসহ ৫/৬ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা সরাসরি ঘুষ লেনদেন না করে এবার বিশেষ সংকেতের মাধ্যমে ঘুষ বাণিজ্য করছে এমন অভিযোগ ওঠেছে। পাসপোর্ট অফিস ও এর সংলগ্ন এলাকা ঘুরে এমন সংকেতের সত্যতা পাওয়া গেছে।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গণি জানান, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। উপযুক্ত প্রমাণ পেলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সরেজমিনে সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) গিয়ে দেখা যায়, ভোর থেকেই শত শত পাসপোর্ট প্রত্যাশী আসেন টাঙ্গাইল আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে। পাসপোর্ট অফিসের ভিতর থেকে বাহির পর্যন্ত তাদের দীর্ঘ লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এ সময় কথা হয় বেশ কয়েক জন পাসপোর্ট প্রত্যাশীর সাথে। তারা জানান, সরকারি নিয়মে ব্যাংক ড্রাফ করে বৈধ নিয়মেই আবেদন ফাইল জমা দিতে গেলে অফিস থেকে বলে আপনার পেশা দিয়েছেন প্রাইভেট সার্ভিস, এ কারণে আপনার ট্রেড লাইসেন্স লাগবে। ফাইল জমা না দিতে পেরে একই কাগজ পত্র স্থানীয় দালারদের মাধ্যমে ফাইল প্রতি ১৫’শ টাকার মাধ্যমে জমা দিলে ফাইলগুলি জমা নেয় ওই কর্মকর্তারা।
তারা আরো জানান, পাসপোর্ট অফিসের পাশে কোর্ট চত্বরে জেলা পরিষদ রোডের দুই পাশে গড়ে উঠেছে চায়ের দোকান, কম্পিউটার দোকান, ফ্লেক্সিলোডের দোকান ও ওষুধের দোকান। বেশিরভাগ দোকানেই লোক দেখানোর জন্য রাখা হয়েছে কম্পিউটার ও ফটোকপি মেশিন। কিন্তু এর আড়ালে চলে ভিন্ন ব্যবসা। এখানে প্রকাশ্যে চলছে পাসপোর্ট নিয়ে জাল-জালিয়তি কারবার। এসব দোকানে ঘাপটি মেরে বসে থাকে দালররা। পাসপোর্ট প্রত্যাশীরা কাগজপত্র ঠিক করতে গেলে দালালরা বলে উঠে ভাই নিজে নিজে পাসপোর্ট করতে পারবেন না। ভিতরে আমাদের লোক আছে কোনো রকম হয়রানি ছাড়াই পাসপোর্ট করতে পারবেন। এমন সুবিদেভোগী আশ্বাসে বেশীরভাগ পাসপোর্ট প্রত্যাশীরা দালালদের ফাঁদে পড়ছেন। দালাল ছাড়া এমন হয়রানি যেন নিত্যদিনের সঙ্গী।
নামপ্রকাশ না করার শর্তে পাসপোর্ট অফিসের একাধিক দালাল জানান, একদিনে পাসপোর্টের ফিঙ্গার হয় না। ব্যাংকড্রাফ করার পরের দিন ফিঙ্গার দিতে হয়। এর মূল কারণ জানতে চাইলে তারা জানান, আগের দিন পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তাদের ফাইলের সিরিয়াল নাম্বার হোয়াটস অ্যাপে দিতে হয়। জরুরি ফাইলের নিচে ফোটার চিহ্ন দিয়ে দেই। দিনশেষে প্রতি ফাইলে ১২’শ টাকা করে পাসপোর্ট অফিসের অসাধু কর্মকর্তাদের পরিশোধ করতে হয়। সরকারি নিয়মে তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা লাগলেও দালালদের দিতে হয় আট থেকে ১২ হাজার টাকা। বানান ভুল থাকলে দিতে হয় ২০ হাজার টাকা, বয়স ভুল থাকলে তো কোনো কথাই নাই। ভুক্তভোগীকে গুনতে হয় লাখ টাকা।
পাসপোর্ট অফিসের তথ্য মতে, প্রতিদিন গড়ে ৫’শ থেকে ৭’শ ফাইল জমা হয়। ডেলিভারি হয় ৪ থেকে ৫’শ পাসপোর্ট। ক্যাটাগড়িতে ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা লাগলেও সরকারি নিয়মের কোনো তোয়াক্কা চলে না এ অফিসে। এ বিষয়ে পাসপোর্ট অফিসের আরিফ নামের এক কর্মকর্তা জানান, আমি এখন আর জমা নেয়ার দায়িত্বে নাই। ফাইল জমা নেয়ার দায়িত্বে আছেন মো. জাহাঙ্গীর আলম, তিনি কি করছেন আমি জানি না। পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলমকে মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন ধরেননি।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গণি জানান, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। উপযুক্ত প্রমাণ পেলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসী বিভাগের উদ্যোগে ‘বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস-২০২২’ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়।
রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন বিশ্ব বিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. ফরহাদ হোসেন।
শোভাযাত্রাটি ফার্মেসী একাডেমিক কাম রিসার্চ ভবনের সামনে থেকে শুরু করে বিশ্ব বিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
শোভাযাত্রায় বিশ্ব বিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান, লাইফ সায়েন্স অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. মাহবুবুল হক, বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. মিজানুর রহমান মোগলসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বিশিষ্ট আইনজীবী আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম রফিক শুক্রবার(২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। তিনি স্ত্রী ও এক কন্যাসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাদ আছর বিবেকানন্দ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থানে মরহুমের লাশ দাফন করা হয়েছে।
অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম রফিক টাঙ্গাইলে প্রিয়জনদের কাছে ‘পন্ডিত রফিক’ হিসেবে সমধিক পরিচিত ছিলেন। তিনি টাঙ্গাইল জেলা ও করটিয়ার সাদত কলেজ শাখা ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। কিছুদিন সাংবাদিকতা করেছেন। পরে নিজেকে আইন পেশায় নিয়োজিত করেন।
অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম রফিকের অকাল মৃত্যুতে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কদের সিদ্দিকী বীরোত্তম ও সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান সহ বিভিন্ন সংগঠন এবং ব্যক্তি শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু সেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহসড়কের আশেকপুর বাইপাস এলাকায় বাস চাপায় স্বামী ও স্ত্রী নিহত হয়েছেন।
রবিবার(১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার আশেকপুর বাইপাস এলাকায় মর্মান্তিক এ ঘটনাটি ঘটে।
নিহতরা হলেন, ভূঞাপুর উপজেলার আমলাদহ ভরাট এলাকার শ্রী সতেন্দ্র কুমার মোদক (৬৫) ও তার স্ত্রী সুনীতি মোদক (৫৫)।
জানা যায় , বগুড়া থেকে বাস যোগে টাঙ্গাইল আশেকপুর বাইপাসে নামে উক্ত দম্পতি।বাস থেকে নামার পর মহাসড়কের আশেকপুর বাইপাস এলাকায় ওই দম্পতি পায়ে হেঁটে রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময় দ্রুতগতির অজ্ঞাত একটি যাত্রীবাহী বাস তাদেরকে চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ দুটি উদ্ধার করে। পুলিশ বাসটি আটক করতে পারেনি।
এলেঙ্গা হাইওয়ে ফাড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) আহসান হাবীব সরকার বলেন, আইনী প্রক্রিয়া শেষে লাশ দুটি স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হবে।
এদিকে নিহতদের পরিবারে চলছে শোকের মাতম। স্বজনদের কান্না আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা ।
একতার কণ্ঠঃ মহান স্বাধীনতার স্থপতি,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে গড়া মুক্তিযোদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দলটি গতিশীল নের্তৃত্ব ও শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে বঙ্গবন্ধুর কন্যা আওয়ামী লীগের সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দ্দেশে কেন্দ্র থেকে ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি গঠন পক্রিয়া শুরু হয়েছে। সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নতুন কমিটি গঠন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন কমিটি গঠনের লক্ষে আগামিকাল ১৯ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকালে এইচ এম ইনিস্টিটিঊট স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেললন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
সম্মেলনকে কেন্দ্র করে জমে উঠেছে করটিয়ার রাজনৈতিক মাঠ। বিশেষ করে পদ প্রত্যাশী নেতাকর্মীদের দৌড়ঝাঁপ বিশেষ ভাবে লক্ষনীয় শেষ মুহুর্তে গ্রপিং-লবিং এ ব্যস্ত তারা। তবে ত্যাগী ও পরিক্ষিত নেতাকর্মীদের ঘিরে প্রত্যশা তৈরী হয়েছে সবচেয়ে বেশি। এসব ত্যাগী নেতাদের একজন রুবেল তালুকদারও। তিনি করটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করতে প্রার্থী হয়েছেন।
ছাত্রলীগের সাবেক এই নেতা ১৯৯০ সাল থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে হাতে খড়ি। তার বড়ভাই প্রয়াত নুরুল হুদা তালুকদার ছিলেন আওয়ামী লীগের সক্রীয় কর্মী। করটিয়ায় আওয়ামী লীগের রাজনৈতিতে তার ভুমিকা ছিলো অপরিসীম। তার চাচা আনোয়ার তালুকদার টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক। আরেক চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান তালুকদার, ছোট চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. হাবিবুর রহমান, চাচাত ভাই রাসেল তালুকদার ছাত্রলীগ নেতা। রুবেল তালুকদার মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। তিনি আপাতমস্তকে পারিবারিক ভাবে একজন আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা। এজন্য তিনি এবার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করতে সকলের দোয়া প্রত্যাশী।
সম্মেলন নিয়ে কথা হয় রুবেল তালুকদারের সাথে। তিনি জানান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে কাজের দায়িত্ব দেয়া হলে তিনি কঠোর পরিশ্রম ও মেধা দিয়ে এলাকার মানুষের মন জয় করে আওয়ামী পতাকা তলে দলে দলে কর্মী নিয়ে আসতে সক্ষম হবেন। তাই করটিয়া ইউনিয়নকে আওয়ামী লীগের ঘাঁটিতে রূপান্তর করার জন্য মাঠে নেমেছেন। কথা প্রসঙ্গে তিনি আরো জানান,তাকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব দেওয়া হলে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্য প্রধানমন্ত্রীও স্থানীয় এমপির হাতকে শক্তিশালী করতে কাজ করে যাবেন। তিনি সকলের নিকট দোয়া প্রত্যাশী।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান পদ থেকে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নিহত ফারুক আহমদের বড় ছেলে আহমদ সুমন মজিদ।
বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ কার্যালয়ে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ফজলুর রহমান খান ফারুকের হাতে আহমদ সুমন মজিদের পক্ষে তার মা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাহার আহমদ ক্রয়কৃত মনোনয়নটি পত্র তুলে দেন। এসময় আহমদ সুমন মজিদ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি, টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভুঞাপুর) আসনের এমপি তানভীর হাসান ছোট মনির, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক বলেন, আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা নিহত ফারুক আহমদের ছেলে সুমন আমার সন্তানতুল্য। নির্বাচন নিয়ে যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়ে ছিল, আজ তার অবসান হলো।
প্রার্থী আহমদ সুমন মজিদের মা ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাহার আহমদ বলেন, কোন টাকার বিনিময়ে নয়, নেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান দেখিয়ে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে। আমার সন্তানকে আজ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুকের হাতে তুলে দিলাম। আমার ছেলের সার্বিক দায়-দায়িত্ব আজ থেকে তাঁর।
এবিষয়ে প্রার্থী আহমদ সুমন মজিদ বলেন, আমার পিতৃতুল্য নেতার প্রতি সম্মান দেখিয়ে আমি জেলা পরিষদ নির্বাচন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলাম। এ নিয়ে রাজনৈতিকভাবে পানি ঘোলা করার কোন সুযোগ নেই। আমি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদের সন্তান হিসেবে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগে সক্রিয় থাকতে চাই। এবিষয়ে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে টাঙ্গাইল শহরের জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আহমদ সুমন মজিদের মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের বিষয়ে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রার্থী আহমদ সুমন মজিদ, তার মা নাহার আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শামছুল হক, সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন প্রমুখ।
এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত ও জেলা আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা ফজলুর রহমান খান ফারুকের প্রতি সম্মান দেখিয়ে আব্দুল মজিদ সুমন জেলা পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন। এসময় নাহার আহমদ নির্বাচন নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণে তার পরিবারে যেন কোন অনাকাঙ্খিত প্রভাব না পরে, সে বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের নিকট নিশ্চয়তা চান। পরে নেতৃবৃন্দ সহযোগে জেলা পরিষদে গিয়ে আহমদ সুমন মজিদের মনোনয়ন পত্র ফজলুর রহমান খান ফারুকের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হয়।
একতার কণ্ঠঃ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন বিভাগের উদ্যোগে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ খাদেমুল ইসলামের সভাপতিত্বে সম্মেলন কক্ষে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
‘পরিবেশগত প্রতিকারের জন্য পলিমার ভিত্তিক ন্যানো ম্যাটেরিয়ালের ব্যবহারের সুযোগ এবং ঔষধ শিল্পে রসায়নের জ্ঞান’ বিষয়ক সেমিনারে ৩ টি গবেষণার তথ্য ও ফলাফল উপস্থাপন করা হয়।
‘Conducting polymer based (CP) based nanocomposites for waste water treatment’ এর উপরে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান খান, ‘Non-Enzymatic Electrochemical sensor for the Sensitive and Selective Determination of Hydrogen Peroxide’ এর উপরে বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আবু রাশেদ এবং API Synthesis & Its Challenges in Bangladesh এর উপরে প্রফেসর ড. মোঃ রবিউল ইসলাম গবেষণার তথ্য ও ফলাফল উপস্থাপন করেন।
সেমিনারে বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
একতার কণ্ঠঃ আসন্ন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক।
বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর)দুপুরে জেলা রিটার্টিং কর্মকর্তা ও টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনির নিকট মনোনয়ন পত্র জমা দেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি, সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য এড. মামুনুর রশিদ, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলমগীর খান মেনু ও আনিছুর রহমান আনিছ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র সাহা ও জামিলুর রহমান মিরন প্রমুখ।
এ দিকে মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর)আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ফজলুর রহমান খান ফারুককে সমর্থন জানিয়ে জেলা পরিষদের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলমগীর খান মেনু।
নির্বাচন প্রসঙ্গে ফজলুর রহমান খান ফারুক বলেন, মানবতার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে জেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন দেয়ায় বঙ্গবন্ধুর কন্যার প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। এতে জেলা আওয়ামী লীগকে আগের চেয়ে আরও বেশি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করতে পারবেন তিনি। তিনি সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।
প্রকাশ,ফজলুর রহমান খান ফারুক ২০১১ সালের ২০ ডিসেম্বর থেকে টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন করেন।
গত ২৭ এপ্রিল থেকে তিনি জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১০ সেপ্টেম্বর (শনিবার) তিনি পুনরায় নৌকার প্রার্থী হিসেবে টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান।
গত ১২ সেপ্টেম্বর জেলা পরিষদের প্রশাসক পদ থেকে পদত্যাগ পত্র দাখিল করেন তিনি।
আগামী ১৭ অক্টোবর জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত নির্বাচনে ১৭২২ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
একতার কণ্ঠঃ ২৬৬ ঘনফুট চোরাই মেহগনির কাঠ উদ্ধার ও একজনকে আটক করেছে টাঙ্গাইল বন বিভাগ।
রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ত্রিপলে ঢাকা অবস্থায় একটি ট্রাক থেকে কাঠগুলো উদ্ধার করা হয়। এ সময় ট্রাক চালককে আটক করা হয়েছে।
আটককৃত ট্রাক চালক টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার নলহড়া গ্রামের মৃত আফাজ উদ্দিনের ছেলে মোস্তাক আহমেদ লাকী।
বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, দুর্বৃত্তরা পাচারের উদ্দেশে কাঠগুলো ট্রাকের ওপর ত্রিপল দিয়ে লুকিয়ে রেখেছিল। এ সময় স্থানীয় বিট কর্মকর্তা পিছু নিয়ে ট্রাকটিকে আটক করে।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর করটিয়া পরীক্ষণ ফাঁড়ির স্টেশন কর্মকর্তা সোলাইমান মিয়া জানান,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৬৬ ঘনফুট চোরাই মেহগনি কাঠ ভর্তি ট্রাকটি আটক করা হয়। ট্রাকটি জামালপুর থেকে ঢাকার উত্তরার আজমপুর যাচ্ছিল। চক্রটি সংরক্ষিত মেহগনি কাঠ কেটে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করে আসছিল। এ সময় ট্রাক ড্রাইভারকেও আটক করা হয়।
টাঙ্গাইল বিভাগীয় বন কর্মকর্তা সাজ্জাদুজ্জামান জানান, বৈধ কাগজপত্র না থাকায়, ট্রাকটি আটক করে চোরাই মেহগনি কাঠ জব্দ করা হয়। যার বাজার মূল্য প্রায় ৪ লাখ টাকা। ইতোমধ্যে বন আইনে মামলা করা হয়েছে। এ সময় ট্রাক চালকেও আটক করা হয়।
তিনি আরো জানান,এ ধরনেরই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ আসন্ন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ছাড়াও আওয়ামী লীগের দুই বিদ্রোহী প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন।
রবিবার (১১ সেপ্টেম্বর) জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারি রিটানিং কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল হাসানের কাছ থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ফজলুর রহমান ফারুকের পক্ষে মনোনয়ন সংগ্রহ করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম এমপি।
এছাড়াও চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলমগীর খান মেনু ও শহর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আহমদ সুমন মজিদ।
আহমেদ সুমন মজিদ আওয়ামী লীগ নেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা মরহুম ফারুক আহমেদের বড ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে এএইচএম কামরুল হাসান জানান, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়া যাবে। আগামি ১৭ অক্টোবর জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে জেলার ১৭২২ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।