একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে চাঞ্চল্যকর শিহাব হত্যা মামলা সিআইডিতে হন্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ হেডকোয়াটার্স এর এআইজি (ক্রাইম ইষ্ট) স্বাক্ষরিত (স্বারক নম্বর ১৮৮৬, ২১ জুলাই) চিঠির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা গেছে।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুলিশ বক্সে বাসের ধাক্কা: বৃদ্ধা নিহত
এছাড়া ঘাটাইলের বীর মুক্তিযোদ্ধার কাছ থেকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে প্রায় আট লাখ টাকা ছিনতাই মামলাও সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়েছে।
জানা যায়, চলতি বছরের ২০ জুন টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকার সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের ছাত্রাবাসের সাত তলার বাথরুম থেকে শিহাব মিয়া নামক পঞ্চম শ্রেণীর এক ছাত্রের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় প্রথমে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়। ২৬ জুন ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে শিহাবকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। ২৭ জুন শিহাবের মা আসমা আক্তার বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামী করে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
নিহত শিহাব মিয়া টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের বেরবাড়ি গ্রামের সিঙ্গাপুর প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের ছেলে। সে ছাত্রাবাসে থেকে পড়াশোনা করতো।

এ মামলার আসামি আবু বক্কর সিদ্দিক নামক এক শিক্ষককে প্রথমে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
এরপর বুধবার( ১০ আগষ্ট)হত্যা মামলার আসামি চার শিক্ষক আত্মসমর্পণের পর কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আত্মসমর্পন করা আসামীরা হলেন বিপ্লব চন্দ্র সরকার (৩০), আসলাম হোসেন আশরাফ (৩০), মাসুম মাসুদ রানা (৪০) ও বিজন কুমার সাহা (৪০)।
এদিকে ঘাটাইলে মোয়াজ্জেম হোসেন খান (৭০) নামে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার কাছ থেকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে প্রায় সাড়ে আট লাখ টাকা ছিনতাই হয়। চলতি বছরের ১৬ জুন বৃহস্পতিবার দুপুরে সোনালী ব্যাংক থেকে ঋণের টাকা নিয়ে বাড়ি যাওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেম হোসেন খানের বাড়ি উপজেলার লাহিড়ীবাড়ি গ্রামে। তিনি ঘাটাইল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম বলেন, এ ডাকাতির মামলাটি আমরা তদন্ত করছি। এ ধরনের নির্দেশনা হয়ে থাকলে সিআইডি তদন্ত করবে।
নিহত শিহাবের বাবা প্রবাসী ইলিয়াস হোসেন মুঠোফোনে বলেন, আমরা চেয়েছিলাম মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এ তদন্ত হোক। সিআইডিতে হস্তান্তর করাতেও আমরা খুশি। আমি আমার একমাত্র ছেলে শিহাব হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই। মামলাটি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র চলছে।
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার তথ্যটি নিশ্চিত করে বলেন, শিহাব হত্যা মামলায় পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে এবং বীর মুক্তিযোদ্ধার টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনাটি নিবিড় তদন্তের জন্য মামলা ২ টি সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে প্রায় ১৪ বছর পর জেলা বিএনপি বিশাল র্যালি ও সমাবেশ করেছে। দীর্ঘ ১৪ বছরের মধ্যে এত বড় র্যালির আয়োজন বা সমাবেশ জেলা বিএনপি করতে পারেনি। বিভিন্ন সময় স্বল্প পরিসরে শহরে জেলা বিএনপি মিছিল-সমাবেশের আয়োজন করলেও পুলিশি বাঁধায় তা পন্ড হয়ে গেছে।
বুধবার (১০ আগস্ট) দুপুরে জেলা বিএনপির উদ্যোগে নতুন আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়ায় কেন্দ্রীয় নেতাদের অভিনন্দন জানিয়ে শহরে এ বিশাল আনন্দ র্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিএনপির সহস্রাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।
এদিকে, টাঙ্গাইল সদর থানা ও শহর বিএনপির নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়ায় বুধবার(১০ আগস্ট) দুপুরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে আনন্দ র্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার দুপুরে দলের দুই আহ্বায়ক কমিটির উদ্যোগে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে থেকে আনন্দ মিছিল শুরু হয়ে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে সামনে পৌঁছালে পুলিশ বাঁধা দেয়। পরে সেখানেই সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করা হয়।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপি কমিটির আহ্বায়ক আজগর আলীর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক হাসানুজ্জামিল শাহীন, যুগ্ম-আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুর রউফ, শহর বিএনপির আহ্বায়ক মেহেদী হাসান আলীম, সদস্য সচিব ইজাজুল হক সবুজ, শহর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক শাহীন আকন্দ, সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক হাদিউজ্জামান সোহেল প্রমুখ।
এ সময় জেলা বিএনপির এবং এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সাংবাদিকদের মাঝে করোনাকালীন সময়ে সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে প্রণোদনার(দ্বিতীয় পর্যায়) চেক বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (১০ আগস্ট) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ওই চেক সাংবাদিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রসাশক(সার্বিক) আমনুল ইসলামের সভাপতিত্বে চেক প্রদান অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, সহকারী কমিশনার দ্বীপ ভৌমিক প্রমুখ।
এ সময় টাঙ্গাইল সদর ও মির্জাপুর উপজেলার ২২ জন সাংবাদিককে করোনাকালীন প্রণোদনার ১০ হাজার টাকা মূল্যমানের চেক প্রদান করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বহুল আলোচিত স্কুল ছাত্র শিহাব হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত চার আসামি আত্মসমর্পণ করেছেন।
বুধবার (১০ আগস্ট) বিকালে টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ এর আদালতে তারা আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন।
পরে বিচারক উভয় পক্ষের আইনজীবীর যুক্তিতর্ক শোনার পর বিজ্ঞ বিচারক তাদের জামিন নামঞ্জুর করে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
বাদি পক্ষের আইনজীবী মো. রাসেল রানা আত্মসমর্পণ ও জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আত্মসমর্পণকারী আসামিরা হলেন- মামলার ২ নং আসামি বিপ্লব (৩০), ৩ নং আসামি আশরাফ (৩০), ৪ নং আসামি মাসুম (৪০) ও ৬ নং আসামি বিজন (৪০)।
আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এডভোকেট শরিফুল ইসলাম রিপন।
আত্মসর্মপণের আগে মামলার এজাহারভূক্ত আসামি বিজন জানান, আমরা এতোদিন নিয়মিত স্কুলে গিয়েছি, ক্লাস নিয়েছি।
তিনি আরো জানান, পরে গত ১ আগস্ট উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন নেই। বুধবার (১০ আগস্ট) টাঙ্গাইলে আত্মসমর্পণ করে জামিন চেয়েছি।
নিহত শিহাবের বাবা ইলিয়াস হোসেন বলেন, পুলিশ সৃষ্টির রিপনের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে, তাই আর কোন আসামি গ্রেপ্তার করে নাই। আল্লাহর ইশারায় তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।

উল্লেখ্য, গত ২০ জুন শহরের সুপারি বাগান এলাকায় সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক ভবনের সাত তলা থেকে শিহাব মিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়।
শুরু থেকেই শিশুটিকে হত্যার অভিযোগ তুলে আসছিল তার পরিবার। এঘটনায় প্রাথমিক পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রকাশের পর রবিবার বিকালে র্যাব সাতজন শিক্ষক ও ডিবি দুইজন শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে।
পরে র্যাব তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ কোনও তথ্য না পাওয়ায় তাদের সাতজনকে ছেড়ে দেয়।
পরে ২৭ জুন নিহত শিহাবের মা বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় ৬ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার আসামিরা হচ্ছেন- সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক শিক্ষক আবু বক্কর, বিপ্লব, আশরাফ, মাসুদ, মতিন ও বিজন।
পুলিশ মামলার আগে শিক্ষক নাসির ও আবু বক্করকে আটক করলেও মামলায় নাসিরের নাম না থাকায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজীবন সহযাত্রী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার প্রতিকৃতিত্বে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।
সোমবার (৮ আগস্ট) সকালে জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সামনে জনসেবা চত্বরে প্রথমে জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি শ্রদ্ধা জানান।
এরপর টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, জেলা পুলিশের পক্ষে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, পৌরসভার পক্ষে মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, জেলা পরিষদের পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার ফরহাদ আহমদ, স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষে সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, উপজেলা পরিষদের পক্ষে চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা শ্রদ্ধা জানান।
পরে বঙ্গবন্ধু ও মঙ্গমাতার আত্মার মাগফেরাতসহ প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা ও দেশের কল্যাণে দোয়া করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ হঠাৎ জ্বালানী তেলের মুল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে টাংগাইল জেলা বিএনপি।
শনিবার (৬ আগস্ট) বিকালে শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে খন্ড খন্ড মিছিল টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে এসে জড়ো হয়। পরে সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের শহীদস্মৃতি পৌরউদ্যানের সামনে গিয়ে শেষ হয়।সেখানেই বিক্ষোভ সমাবেশ করে বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
এ সময় বক্তব্য রাখেন, নবগঠিত জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হাসানুজ্জামিল শাহীন, যুগ্ম আহবায়ক এড. ফরহাদ ইকবাল।
সমাবেশে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাশেম, সদস্য মেহেদী হাসান আলীম, আজগর আলী, ইজাজুল হক সবুজ, নিলুফার ইয়াসমিন খান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফ, জেলা যুব দলের সদস্য সচিব তৌহিদুল ইসলাম বাবু প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া সমাবেশে নবগঠিত জেলা কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্তিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার(৫ আগস্ট) দুপুরে দলীয় প্যাডে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদনের কথা জানানো হয়।
শুক্রবার(৫ আগস্ট) রাতে নতুন এই কমিটিতে পদ বঞ্চিত নেতারা তাদের অনুসারিদের নিয়ে ঘোষিত কমিটি প্রত্যাখান করে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের পুরাতন বাস স্ট্যান্ড এলাকা থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে রাত আটটার দিকে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছাইদুল হক ছাদু, সদস্য বিদায়ী কমিটির সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু বক্তব্য রাখেন।
সমাবেশ থেকে এই কমিটি প্রত্যাখান করার ঘোষনা দেওয়া হয়। এছাড়া বিএনপির অনেক ত্যাগী নেতা এই কমিটিতে বাদ পড়েছে বলে দাবি করা হয়। অবিলম্বে জেলার ত্যাগী নেতাদের অন্তর্ভুক্ত করে নতুন কমিটি ঘোষণা দাবি জানানো হয় সমাবেশ থেকে।
প্রকাশ, নতুন ঘোষিত আহ্বায়ক কমিটিতে আগের কমিটির আহ্বায়ক, যুগ্ম আহ্বায়ক পদে আগের কমিটির অধিকাংশ রয়েছেন। তবে বাদ পরেছেন সদস্য সচিব, এক যুগ্ম আহ্বায়ক, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতিসহ বেশ কয়েকজন নেতা। ৪৬ সদস্য কমিটির মধ্যে কয়েকজনকে বাদ দিয়ে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট এই আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নতুন ঘোষিত কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে আগের কমিটির আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খানকে। আগের কমিটির সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুকে বাদ দেওয়া হয়েছে। নতুন কমিটিতে সদস্য সচিবের পদ রাখা হয়নি। আগের কমিটির চার যুগ্ম আহ্বায়ক নতুন কমিটিতে স্থান পেয়েছেন। তবে বাদ পরেছেন যুগ্ম আহ্বায়ক অমল ব্যানার্জি। আগের কমিটির সদস্য ছাইদুল হক ছাদু, অ্যাডভোকেট ফায়েজুর রহমান ও অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম রিপনসহ বেশ কয়েকজন নেতা বাদ পরেছেন।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন শহীদ শেখ কামালের ম্যুরালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে টাঙ্গাইলে।
শুক্রবার (৫ আগস্ট) সকালে শেখ কামালের ৭৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামের সামনে এই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্মসাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক নাহার আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, জেলা আওয়ামী লীগের ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মইনুল হোসেন লিম্টু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাতিনুজ্জামান খান সুখন প্রমূখ।
এর আগে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে একই স্থানে শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক ও সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেনকে সাথে নিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান। এরপরই পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, জেলা আওয়ামী লীগসহ দলটির বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পরে সাবেক খেলোয়াড় ও ক্রীড়া সংগঠকদের নিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়।
উল্লেখ্য,টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থা উদ্যোগে প্রায় ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে শেখ কামালের ম্যুরালটি নির্মিত হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি রাজা মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) ভোরে টাঙ্গাইল শহরের নতুন বাস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রাজা মিয়ার বাড়ি কালিহাতী উপজেলার বল্লা গ্রামে। তার বাবার নাম হারুন অর রশিদ। তিনি টাঙ্গাইল শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ঈগল পরিবহনের যে বাসটি ডাকাতের কবলে পড়ে, সেই বাসের চালককে সরিয়ে দিয়ে রাজা চালকের সিট দখল করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এ ঘটনায় কে কে জড়িত ছিলো রাজা আমাদের জানিয়েছে।
তিনি আরো জানান, মধুপুরে বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে পুলিশ। ভোরে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার রাতে কুষ্টিয়া থেকে ঈগল পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ২৪ থেকে ২৫ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। গভীর রাতে সিরাজগঞ্জ পৌঁছালে সেখান থেকে একদল ডাকাত যাত্রীবেসে ওই বাসে ওঠে। বাসটি বঙ্গবন্ধু সেতু পার হওয়ার পর যাত্রীবেশে থাকা ওই তরুণ দল অস্ত্রের মুখে যাত্রীদের বেঁধে ফেলে। কয়েক মিনিটের মধ্যে যাত্রীদের কাছ থেকে মোবাইল, নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নেয়। এরপর এক নারী যাত্রীকে ধর্ষণ করে তারা। বাসটি বিভিন্ন স্থানে ঘুরিয়ে তিন ঘণ্টার মতো নিয়ন্ত্রণে রাখে। পরে পথ পরিবর্তন করে টাঙ্গাইল ময়মনসিংহ সড়কের মধুপুর উপজেলার রক্তিপাড়া জামে মসজিদের পাশে বালির স্তূপে বাসটি উল্টিয়ে ডাকাত দল পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় বাসের এক যাত্রী বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে টাঙ্গাইলের মধুপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির টাঙ্গাইল জেলার মেয়াদ উত্তীর্ণ আহবায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ-সমাবেশ করেছে জেলার পদবঞ্চিত নেতা কর্মীরা।
বুধবার(৩ আগস্ট) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নিয়ে এ কর্মসূচি পালন করে দলটির জেলার পদবঞ্চিত নেতারা।
জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ছাইদুল হক ছাদু’র সভাপতিত্বে ও সাবেক সহ-সভাপতি সাদিকুল আলম খোকা’র সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি জিয়াউল হক শাহীন।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান আনিছ, ঘাটাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আখম রেজাউল করিম, কালিহাতী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক শুকুর মাহমুদ, ঘাটাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, মধুপুর পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আঃ লতিফ পান্না, কালিহাতী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম শোভা, , কালিহাতী পৌরসভার সাবেক মেয়র আলী আকবর জব্বার প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি এক বছর অতিবাহিত হলেও এরপরও জেলা বিএনপির পুর্নাঙ্গ কমিটি দিতে পারেনি। মেয়াদোত্তীর্ণ এই কমিটি জেলা উপজেলাসহ বিভিন্ন বিএনপি অঙ্গসংগঠনের পকেট কমিটি অনুমদন দেয় কমিটি। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, কোনো ধরনের সম্মেলন ছাড়া তৃণমূলের মতামত না নিয়েই কথিত বিএনপি কমিটি গঠন করা হয়। মেধাবী ও পরিক্ষিত নেতাদের বাদ দিয়ে অযোগ্য নেতা কর্মীদের দিয়েই জেলার অধিকাংশ কমিটি ঘোষনা দিয়েছে। এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করা হয়।
এর আগে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশে সমবেত হয়।
একতার কণ্ঠঃ দীর্ঘ ৬ বছরেও শুরু হয়নি টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম। ফলে একদিকে হাসপাতালের যন্ত্রপাতি নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে উন্নত মানের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে জেলাবাসী।
তবে এ ব্যাপারে কথা বলতে রাজি হয়নি সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ।
টাঙ্গাইল জেলায় প্রায় ৪০ লাখ মানুষের বসবাস। এছাড়াও ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনার কারণে জেলায় অবস্থিত ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে সবসময়ই রোগীর চাপ থাকে। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে উন্নতমানের যন্ত্রপাতি না থাকায় রোগীদের উন্নত চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হয় না। তাই জরুরি রোগী রেফার করতে হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। যে কারণে ২০১৪ সালে সরকার এসব মানুষের উন্নত চিকিৎসা সেবা দেয়ার লক্ষে টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেয়।
টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষে ২০১৬ সালে প্রায় ৬’শ কোটি টাকা ব্যয়ে নুরানী কনস্ট্রাকশন নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করে। ২০১৯ সালে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও কাজ শেষ করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। পুনরায় দুই দফা সময় বর্ধিত করেও ২০২২ সালের মাঝামাঝি এসেও কাজ সম্পন্ন করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। লিফটের কাজ এখনও চলমান।

এদিকে কর্তৃপক্ষ বার বার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চালু করার ঘোষণা দিয়েও হাসপাতাল চালু করছে না। এতে টাঙ্গাইলবাসী উন্নত চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই দ্রুত মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চালুর দাবি সেবা প্রত্যাশীদের।
এ বিষয়ে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালক কথা বলতে রাজি হননি। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যেই হাসপাতাল চালু করার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. খন্দকার সাদেকুর রহমান জানান, এ হাসপাতাল চালু না হওয়ায় নানা রকম সমস্যা হচ্ছে ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে। পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি ও অভিজ্ঞ ডাক্তার না থাকায় জটিল রোগীদের বাধ্য হয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করতে হচ্ছে। এদিকে প্রতিদিন ১২শ’ থেকে ১৪শ’ রোগীর সেবা দিতেও হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা ধোপাপাড়া এলাকায় স্বামীকে খুন করে আত্মগোপনকারী স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। মঙ্গলবার (২ আগস্ট) সকালে টাঙ্গাইল র্যাব-১২ সিপিসি ৩ এর কোম্পানী কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ আনিছুজ্জামান এক প্রেস বিফিংয়ের মাধ্যমে এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১, ৯ এবং র্যাব-১২ সিপিসি ৩ এর একটি আভিযানিক দল যৌথ অভিযান পরিচালনা করে হবিগঞ্জের রাজাপুর এলাকা থেকে ঘাতক স্ত্রী হৃদয় বানুকে আটক করা হয়।
পরে আটককৃত হৃদয় বানু জানান, তার স্বামী আবু সাঈদ সেন্টু ও সে দুজনেই সৌদি আরবে প্রাবাসী ছিলেন। সৌদি থাকাকালীন সমেয় তাদের মধ্যে সর্ম্পক হয় এবং পরে তারা বিয়ে করেন। বিয়ের তিন চার মাস পর হৃদয় বানুর গর্ভে সন্তান ধারণ করে। পরবর্তীতে ৭ মাস পর তার স্বামীর বড় ভাই খোরশেদের কাছে গাজীপুরের টঙ্গীতে পাঠিয়ে দেয়। হৃদয় বানু দেশে আসার এক মাস পরেই মৃত আবু সাঈদ দেশে ফিরে আসেন। স্বামী দেশে আসার পরও হৃদয় বানুকে স্বামীর বড় ভাইয়ের বাসায় রাখেন। সেখানে তাদের ঘরে একটি কন্যা সন্তান রেশমীর জন্ম হয়। পরবর্তীতে গত দুই মাস আগে টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা ধোপাপাড়া এলাকায় একটি টিনসেট বাসা ভাড়া নেয়। এরপর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মাঝে মধ্যেই ঝগড়া হতে থাকে। এরমধ্যে স্বামী আবু সাঈদ বিদেশ যাওয়ার জন্য টিকেট কাঁটতে ২৫ হাজার টাকা লাগবে বলে স্ত্রীকে জানায় এবং তাকে সেই টাকা জোগাড় করতে বলেন। তার স্ত্রী ওইদিন রাতে ২৫ হাজার টাকা বিকাশের মাধ্যমে এনে স্বামীকে দেয়। এরপর স্বামী টাকা নিয়ে চলে যেতে চাইলে সে বাধা দেয়। রাতটুকু থেকে যেতে বলে। এ নিয়ে দুই জনের মধ্যে ব্যাপক ঝগড়া হয় এবং একপর্যায়ে স্বামী তাকে মারপিঠ করে। পরে এ ঘটনায় স্বামী সেখানে থেকে যায়। ওইদিন রাতে তারা একত্রে ঘুমিয়ে পড়ে। পরে আনুমানিক ভোর ৪টার দিকে স্ত্রী হৃদয় বানু বাড়িতে থাকা একটি চাকু দিয়ে স্বামী আবু সাঈদকে ঘুমন্ত অবস্থায় খুন করে পালিয়ে যায়।
র্যাব আরও জানায়, আটককৃত আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করা হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ জুলাই টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা ধোপাপাড়া এলাকায় আবু সাঈদের মরদেহ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় তার ২য় স্ত্রী হৃদয় বানু পলাতক ছিলো। পরে আবু সাঈদের ১ম স্ত্রী নাহিদা খানম (৩২) বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।