আরমান কবীরঃ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমরা মওলানা ভাসানীকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করতে চাই। কারণ তাকে ইতিহাসে স্মরণ করা হয় না। ভাসানীর মতো মহান রাজনৈতিক পুরুষ, বাংলাদেশের স্থপতি থাকা সত্ত্বেও শুধু একজনকে জাতির পিতা ঘোষণা করা হয়েছে। গত ৫৪ বছরে একজন ব্যক্তিকে পূজা করা হয়েছে। কিন্ত ভাসানীরা না থাকলে শেখ মুজিব কখনো তৈরি হতে পারতেন না।
মঙ্গলবার(২৯ জুলাই )দুপুর দেড়টায় টাঙ্গাইল শহরের নিরালা মোড়ে এনসিপি আয়োজিত ‘জুলাই পদযাত্রা’ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, “এই টাঙ্গাইলের প্রতিটি ইঞ্চি সংগ্রামের সাক্ষী। কৃষকের ঘামে গড়া এই টাঙ্গাইলেই মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে বহু ঐতিহাসিক আন্দোলনের সূচনা হয়েছে।”
তিনি বলেন, “ভাসানী শুধু বাংলাদেশের নয়, উপমহাদেশের অনন্য এক রাজনৈতিক পুরুষ। আসামের বাঙালি মুসলমান কৃষকদের জমির অধিকার আদায়ে তাঁর সংগ্রাম আজও প্রাসঙ্গিক। তিনি ছিলেন গণমানুষের নেতা, তৃণমূল রাজনীতির পথিকৃৎ।”
সমাবেশে তিনি আরও বলেন, “ভাসানীই প্রথম বুঝেছিলেন পাকিস্তানের সঙ্গে এক ছাদের নিচে বাঙালির টিকে থাকা অসম্ভব। কাগমারী সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে বিদায়ঘণ্টা বাজিয়েছিলেন।”
ভাসানীর অবদান স্মরণ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, “তাঁকে ইতিহাসে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। শেরে বাংলা ফজলুল হক এবং মওলানা ভাসানীর মতো নেতাদের বাদ দিয়ে ইতিহাস বিকৃতি করা হয়েছে। অথচ শেখ মুজিবুর রহমানও ভাসানীর রাজনৈতিক ধারার উত্তরসূরি।”
তিনি বলেন, “১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নেপথ্য কারিগর ছিলেন মওলানা ভাসানী। আমরা তাঁর আদর্শ বুকে ধারণ করে জাতীয় নাগরিক পার্টিকে দেশের সামনে একটি বিকল্প শক্তি হিসেবে দাঁড় করাতে চাই।”
তিনি বলেন, এই টাঙ্গাইলের প্রতিটি ইঞ্চি সংগ্রামের সাক্ষী দেয়। কৃষকের ঘামে গড়া এই টাঙ্গাইল আমাদের বাংলাদেশের ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে গেছে। টাঙ্গাইল আসলেই প্রথম যার কথাটি বলতে হয় তিনি হলেন মেহনতি ও গণমানুষের নেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী। তিনি শুধু বাংলাদেশ নয়, পুরো উপমহাদেশের একজন অনন্য রাজনৈতিক পুরুষ ছিলেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, সিনিয়র যুগ্ম-সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী,
উত্তরাঞ্চলের যুগ্ম মূখ্য সংগঠক সাইফুল্লাহ হায়দার, আজাদ খান ভাসানী, টাঙ্গাইল জেলার প্রধান সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান রাসেলসহ বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলার নেতৃবৃন্দ।
এই পথ সভা শেষে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ গাজীপুর জেলার উদ্দেশ্য টাঙ্গাইল ত্যাগ করে।
আরমান কবীরঃ মাওলানা ভাসানীর পথ অনুসরণ করেই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘মাওলানা ভাসানী যে মেহনতি মানুষের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন, এনসিপি সেই উদ্দেশ্যেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’
সোমবার (২৮ জুলাই) রাতে জুলাই পদযাত্রায় টাঙ্গাইলে এসে সন্তোষে মাওলানা ভাসানীর মাজার জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘মাওলানা ভাসানী ছিলেন কৃষক শ্রমিক মেহনতি মানুষের রাজনীতিবিদ। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে যিনি একইসঙ্গে পিণ্ডি ও দিল্লীর আধিপত্যের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন।’
মাওলানা ভাসানী ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের কারিগর ছিলেন উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘মাওলানা ভাসানী যে মেহনতি মানুষের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন, এনসিপি সেই উদ্দেশ্যেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেই দায়িত্বের রাজনীতি নিয়েই মাওলানা ভাসানীর পথ অনুসরণ করেই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে চাই। একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।’
এ সময় দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী, উত্তরাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক সাইফুল্লাহ হায়দার, আজাদ খান ভাসানী, টাঙ্গাইল জেলার প্রধান সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান রাসেলসহ বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পদযাত্রাকে সফল করতে এরমধ্যেই সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে জেলা নাগরিক পার্টির নেতারা। মাজার জিয়ারত শেষে তারা রাতে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজে রাত্রিযাপন করেন।
জুলাই অভ্যুত্থানের অগ্রনায়কদের পদচারণায় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টায় জেলা সদরের শামসুল হক তোরণ থেকে পদযাত্রাটি শুরু হবে। পরে সেটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নিরালামোড়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হবে।
আরমান কবীরঃ গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারি জোনায়েদ সাকি বলেছেন,যিনি প্রধানমন্ত্রী হোন তার কাছে সব ক্ষমতা, আর সেই ক্ষমতা খাঁটিয়ে জনগণের প্রতি স্টিম রুলার চালিয়েছে।জনগণের সব অধিকার কেঁড়ে নিয়েছিলো।এছাড়া ভোটের অধিকারও কেঁড়ে নিয়েছিলো শেখ হাসিনা,এ জন্য ২০০৮ সালে তত্ববায়ধক সরকার গঠন করেছিলো কিন্তু শেখ হাসিনা ক্ষমতায় গিয়ে ২০১১ সালে বাতিল করে দেন।
রবিবার (২৭ জুলাই) বিকালে টাঙ্গাইল নিরালা মোড়ে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে টাঙ্গাইল জেলা গণসংহতি আন্দোলনের আয়োজনে জুলাই শহীদদের স্বরণে জুলাই সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি আরও বলেন,যদি আমরা একদম ফ্যাসিবাদ দূর করতে না পারি তাহলে এদেশ ঠিক হবেনা,গত ১৮ বছর যাবত দেশের মানুষ লড়াই করছে,বিগত সময়ে বিরোধীদলীয় নেতাদের উপর অত্যাচার নিপিড়ন,গুম হত্যা সহ বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করেছে যার বর্ণনা দেওয়া যাবেনা। ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলো,জনগণ তখনো বুঝে উঠেনি কিন্তু এবার ২৪শে মানুষের স্ফুলিঙ্গ ফুটে উঠেছিলো। যার ফলে আন্দোলন সফল হয়েছে।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলা গণসংহতি আন্দোলনের সভাপতি মোফাখখারুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও টাঙ্গাইল জেলার সভাপতি ফাতেমা রহমান বিথি,গণসংহতি আন্দোলনের টাঙ্গাইল পৌর কমিটির সদস্য সচিব ফারজানা জেসমিন,জুলাই আন্দোলনে নিহত শহীদ মারুফের মা মোর্শেদা বেগম প্রমূখ।
আরমান কবীরঃ জামায়াতে ইসলামীর অনেক দায় বিএনপি নিয়েছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, কথা বলে কিন্তু লাভ হবে না। বরং বিএনপির সঙ্গে যখন ছিলেন, আপনাদের অনেক দায় কিন্তু বিএনপি নিয়েছে। মানুষ বলতো বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক দল, স্বাধীনতা যুদ্ধে যাদের অবদান, স্বাধীনতার ঘোষকের দল- তারা কেন রাজাকারদের সঙ্গে রাখছে?
শনিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সামনে শহীদ জিয়াউর রহমান ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে জেলা জাসাস আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।
জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) আয়োজিত এ মানববন্ধনে টুকু বলেন, গণতন্ত্রের স্বার্থে যে কথাটি এখন তারেক রহমান বলেন, দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ। আমরা এ ভূখণ্ডে যারা অবস্থান করি সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে গড়ে তোলার জন্য তারেক রহমান ঘোষণা দিয়েছেন ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের। যারাই আন্দোলনে অংশ নিয়েছে ও সম্পৃক্ত ছিল সবাইকে নিয়ে আগামী দিনে জাতীয় সরকার গঠন করা হবে।
এ সময় তিনি জামায়াতের উদ্দেশ্যে বলেন, যারা জনগণের অধিকার হরণ করেছিল, ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল, তারেক রহমানের নেতৃত্বে এ দেশের ছাত্র-জনতা তাদেরকে বিতাড়িত করেছে। আপনারাও যদি জনগণের সে অধিকার আদায়ের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টিকারী হন, আপনাদের পরিণতিও এ রকমই হবে। বাংলাদেশের জনগণ তাদের অধিকার আদায়ে সবসময় সক্ষম হয়েছে।
মানববন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাইদুর রহমান সাইদ, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু প্রমুখ।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলা বিএনপি’র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান রুবেলের (৩৮) পুলিশ হেফাজতে রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (১৮ জুলাই) ভোর ৬টা ৪০ মিনিটে আটককৃত রুবেলকে পুলিশ হেফাজতে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত রুবেল সখিপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও উপজেলা বিএনপি’র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।
সখিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূঞার দাবি অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে রুবেলের মৃত্যু হয়েছে। তবে নিহতের পরিবারের অভিযোগ, নিহত রুবেলের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
জানা গেছে, জাতীয় জুরুরী সেবা ৯৯৯-এ কল পেয়ে সখীপুর থানা পুলিশ বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) রাত ৩টার দিকে স্থানীয় সোনালী ব্যাংকের সামনে থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে আটক করে প্রথমে থানায় নিয়ে যায়। সেখানে সে অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে তাকে সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করে। পরে পুলিশ রুবেলকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন ।
সখীপুর থানার সেকেন্ড অফিসার (এসআই) মোশারফ হোসেন জানান, সখীপুর থানার এসআই লিবাস নাইট ডিউটি করার সময় বেপরোয়া আচরণের কারণে রুবেলকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এসময় তার প্রেসার বাড়ার কারণে তাকে সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থা বেগতিক হলে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর শুক্রবার (১৮ জুলাই) ভোর ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত রুবেলের মা বলেন, আমার সুস্থ ছেলে বাসা থেকে বের হয়ে গেলো। হঠাৎ শুনি পুলিশ তাঁকে ধরে নিয়ে গেছে। পুলিশ তাঁকে টাঙ্গাইল নিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই শুনি আমার ছেলে মারা গেছে! মা হিসেবে এই রহস্যজনক মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত চাই, বিচার চাই।
এদিকে রুবেলের চাচা উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক তালুকদার জানান, আমরা প্রথমে রুবেলের সড়ক দুর্ঘটনার খবর পেয়েছিলাম। এখন পুলিশ যদিও রুবেলকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আটক করে থাকে, তবে বিষয়টি আমাদের জানানো উচিত ছিল। না জানিয়ে কেনো তারা থানায় নিয়ে গেল? পুলিশের কথা যদি মিথ্যা হয়ে থাকে তবে আমরা সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিচার দাবি করছি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূঞা বলেন, অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে হার্ট অ্যাটাকে রুবেলের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এখানে পুলিশের কোনো গাফিলতি দেখছি না। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ নেই মর্মে লাশ চেয়েছিল। কিন্তু আমরা লাশটি ময়নাতদন্তের জন্যে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।
এদিকে বিএনপি নেতা রুবেলের মৃত্যুর খবর শুনে কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। শুক্রবার বিকেলে রুবেলের বাসায় গিয়ে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
আরমান কবীরঃ গোপালগঞ্জে এনসিপির নেতাকর্মীদের উপর হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা এনসিপি ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা কর্মীরা।
বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) বিকেলে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান রাসেল, জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলনের সদস্য সচিব আবু আহমেদ শেরশাহ, জেলা এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়কারী কামরুজ্জামান শাওন, সদস্য ইসরাত জাহান রুমি, ধনবাড়ীর মুখ্য সমন্বয়কারী সাইফুল ইসলাম আপন, মধুপুরের মুখ্য সমন্বয়কারী সবুজ মিয়া, ঘাটাইলের মুখ্য সমন্বয়কারী সাইফুল ইসলাম রাজন, মির্জাপুরের মুখ্য সমন্বয়কারী মাসুদ পারভেজ প্রমুখ।
বিক্ষোভ মিছিল থেকে আওয়ামী লীগের বিচার ও শহিদদের হত্যার বিচারের দাবির পাশাপাশি গোপালগঞ্জে হামলার তীব্র নিন্দা জানান আন্দোলনকারীরা।
এ সময় জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও এনসিপির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আরমান কবীরঃ গোপালগঞ্জে এনসিপি নেতাদের উপর নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জেলা জামায়াতে ইসলামী।
বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) দুপুরে জেলা আমীর আহসান হাবীব মাসুদের নেতৃত্বে শহরের পুরাতন কোর্ট মসজিদের সামনে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা আমীর বলেন, ফ্যাসিবাদের প্রেতাত্মারা গোপালগঞ্জ থেকে আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠার ষড়যন্ত্র করছে। এনসিপির প্রোগ্রামে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা স্বাভাবিক কোন ঘটনা নয়। এটি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। সুতরাং জুলাই আন্দোলনের সহকর্মীদের বিভেদ ভুলে আবারও ঐক্যবদ্ধ হয়ে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তুলার আহবান জানান তিনি ।
তিনি সকলকে ১৯ তারিখের ঢাকার সমাবেশে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার আহবান জানান।
সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা সেক্রেটারী মাওলানা হুমায়ুন কবির, ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা সেক্রেটারী মো. আব্দুর রাজ্জাক, শহর জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মিজানুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।
সমাবেশ পরিচালনা করেন সদর উপজেলা আমীর অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন বাদল।
মিছিলে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়াসহ দিল্লির গোলামীর বিরুদ্ধে স্লোগান দেন নেতাকর্মীরা।
আরমান কবীরঃ সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও ‘ষড়যন্ত্রমূলকভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা’র প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ করেছে জেলা যুবদল।
বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) দুপুরে জেলা শহরের শহীদ মিনার এলাকায় বিভিন্ন পাড়া ও মহল্লা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমবেত হন।
পরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, জেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক আশরাফ পাহেলী, আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, সদস্য সচিব তৌহিদুল ইসলাম বাবু, সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক জাহিদ হোসেন মালা, সৈয়দ হাবিবুল আলম সাথিল, একে এম আব্দুল্লাহ, সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কবিরুজ্জামান কবিরসহ শহর যুবদলের আহ্বায়ক রাশেদ খান সোহাগ প্রমুখ।
বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির পেছনে যাদের হাত রয়েছে, তাদের সতর্ক করা হচ্ছে। ষড়যন্ত্র করে বিএনপির ওপর দোষ চাপিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও তারা অভিযোগ করেন।
ঢাকার মিটফোর্ড এলাকায় ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যাকাণ্ড এবং সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনায় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নাম জড়িয়ে ‘অপপ্রচার’ চালানোর প্রতিবাদ জানান বক্তারা। তারা এসব ঘটনায় দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তসহ বিচারের দাবি করেন।
বিক্ষোভ সমাবেশে জেলা ও উপজেলা যুবদল ছাড়াও বিএনপি এবং এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আরমান কবীরঃ সারাদেশে আইন-শৃঙ্খলা অবনতির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল ও ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) টাঙ্গাইল জেলা শাখা।
মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে এসে বিক্ষোভ সমাবেশে মিলিত হয়।
এতে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম ঝলক প্রমুখ।
এ সময় বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বিক্ষোভকারীরা জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে ও দেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বিভিন্ন শ্লোগান দেন।
এদিকে, মঙ্গলবার সকালে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) জেলা শাখার উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।
মিছিলটি কলেজ ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে এক প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।
ড্যাব টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি ডা. আব্দুল মতিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, ডা. রফিকুল ইসলাম, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ হাবিবুল আলম শাতিল, জাহিদ হোসেন মালা ও জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আব্দুল বাতেন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের চলমান আন্দোলনের এই সময় বিএনপি’র শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে কুৎসা রটানো হচ্ছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য শুধু ব্যক্তি আক্রমণ নয়, বরং দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তির বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের বহিঃপ্রকাশ।
সমাবেশ থেকে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজে ড্যাব ও ছাত্রদলের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।
আরমান কবীরঃ কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে গোপন তৎপরতা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বিনষ্ট করা ও সারাদেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ মিছিল করেছে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদল।
সোমবার (১৪ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পূণরায় পৌর উদ্যানে গিয়ে শেষ হয়।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশনায়ক তারেক রহমানের জনপ্রিয়তা মেনে নিতে না পেরে একটি চিহ্নিত মহল তাকে নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। যারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, তারা ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির উত্তরসূরি। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তারেক রহমান ও বিএনপির শীর্ষ নেতাদের নিয়ে কোনো উসকানিমূলক বক্তব্য বরদাশত করা হবে না।
এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ‘দিল্লি গেছে স্বৈরাচার, পিন্ডি যাবে রাজাকার’ স্বৈরাচার আর রাজাকার, মিলেমিশে একাকার’, ‘দিয়েছি তো রক্ত, আরও দেবো রক্ত’ সহ নানা স্লোগান দিতে থাকেন।
বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দূর্জয় হোড় শুভ, সদস্য সচিব এম এ বাতেন, যুগ্ম-আহবায়ক রাকিবুল ইসলামসহ ছাত্রদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীরা।
আরমান কবীরঃ মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার অন্যতম রূপকার ও স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠক সাবেক মন্ত্রী শাজাহান সিরাজের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। ২০২০ সালের ১৪ জুলাই ৭৭ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
সোমবার (১৪ জুলাই) দিনটি উপলক্ষে তার জন্মস্থান টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে শাজাহান সিরাজ কলেজের উদ্যোগে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
কর্মসূচির মধ্যে ছিল- কালিহাতী শাজাহান সিরাজ কলেজে স্থাপিত শাজাহান সিরাজের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন, স্মরণ সভা, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ইত্যাদি।
আলোচনা সভায় কালিহাতী শাজাহান সিরাজ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জহুরুল হক বুলবুলের সভাপতিত্বে অধ্যাপক একেএম আব্দুল আউয়াল, অধ্যাপক জিল্লুর রহমান, অধ্যাপক মাইন উদ্দিন মিয়া ও শিক্ষক প্রতিনিধি রশিদুল ইসলাম রতনসহ কলেজের শিক্ষকরা বক্তব্য রাখেন।
এ উপলক্ষে ঢাকা ও তার জন্মস্থান টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে শাজাহান সিরাজ ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের উদ্যোগে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান সিরাজের মেয়ে ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, শাজাহান সিরাজ ৬৬-এর ছয় দফা ও ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ মহান স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন। তিনি ১৯৭২ সালে নতুন রাজনৈতিক দল জাসদ (সিরাজ) গঠন করেন এবং পরে এমপি নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে জাসদ বিলুপ্ত করে বিএনপির রাজনীতিতে যোগ দেন।
তিনি জাতীয় সংসদের টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসন থেকে পাঁচবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। শাজাহান সিরাজ ১৯৯১ সালে বিএনপির শাসনামলে নৌপরিবহণ প্রতিমন্ত্রী এবং ২০০১ সালে বন ও পরিবেশ মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। মৃত্যুর পর তাকে ঢাকার বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক তারেক শামস খান হিমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৪ জুলাই) ভোরে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে নাগরপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত তারেক শামস খান হিমু নাগরপুর উপজেলার তেবারিয়া গ্রামের মৃত হুমায়ন খানের ছেলে। তিনি ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ‘ঈগল’ প্রতীক নিয়ে টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসন থেকে নির্বাচন করেছিলেন।
নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, ২০২৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর তার নামে নাগরপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে পলাতক থাকার পর সোমবার ভোরে দেশে ফিরলে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে। পরে নাগরপুর থানায় খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে নাগরপুর থানা পুলিশের একটি দল তাকে থানায় নিয়ে আসে।
তিনি আরও জানান, নাগরপুর থানা পুলিশ সোমবার বেলা ৩টার দিকে তারেক শামস হিমুকে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে টাঙ্গাইল আদালতে প্রেরণ করেছে।