আরমান কবীরঃ পুলিশ হেফাজতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিজানের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
মিজানুর রহমান মিজান কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া বাসাইল উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
তিনি উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের নাকাছিম গ্রামের বাসিন্দা। যুবলীগ নেতা হলেও তার বিরুদ্ধে ট্রেন্ডারবাজি, জমি দখল বা কোথাও চাঁদা তোলার অভিযোগ শোনা যায়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রায় চার মাস আগে বাসাইল থানা পুলিশ উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিজানকে নাকাছিম এলাকা থেকে আটক করে। পরে তাকে টাঙ্গাইল সদর থানার একটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। আদালতে পাঠানোর পর বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। কারাগারে থাকা অবস্থায় গত ১৭ সেপ্টেম্বর মিজান অসুস্থ হয়ে পড়েন। সেসময় তাকে টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে পরদিন তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শনিবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়। মিজান দীর্ঘদিন ধরে কিডনি ও ডায়াবেটিসসহ নানা রোগে ভূগছিলেন। গত ২৯ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইল জজ আদালতে তার জামিন শুনানি ছিল। সেসময় গুরুতর অসুস্থজনিত বিভিন্ন কাগজপত্র আদালতে জমা দেওয়া হয়। কিন্তু আদালতের বিচারক জামিন নামঞ্জুর করেন। আসামি পক্ষের আইনজীবি মিজানের অসুস্থজনিত বিষয়টি সামনে এনে জামিনের জন্য জোর দাবি জানালেও কাজ হয়নি। আগামী ৭ অক্টোবর তার পরবর্তী জামিন শুনানির তারিখ ধার্য ছিল।
টাঙ্গাইল কারাগারের জেল সুপার মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে কিছুদিন আগে টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তার মৃত্যুর বিষয়টি এখনও জানতে পারিনি। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পর থেকে তিনি কেরানীগঞ্জের অধিনে রয়েছে।’
আরমান কবীরঃ কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর নাম ভাঙিয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) রাতে টাঙ্গাইল সদর থানায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এই জিডি করেন টুকু।
শুক্রবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহম্মেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ওসি জানান, টাঙ্গাইল পৌর এলাকার জালাল উদ্দিন চাকলাদার নামের এক ব্যক্তির হোয়াটসঅ্যাপে বিদেশি একটি নম্বর থেকে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর জন্য টাকা দাবি করা হয়। বিষয়টি নজরে এলে টুকু চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে লিখিত আবেদন করেন। একই ঘটনায় জালাল উদ্দিনও জিডি করেছেন। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছি।
জালাল উদ্দিন বলেন, রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) গাজীপুর মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব হালিম মোল্লা পরিচয়ে এক ব্যক্তি ভোরের দিকে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর আত্মীয়ের ক্ষতি করেছি জানিয়ে টাকা দাবি করেন। পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে টাকা না দিলে মব সৃষ্টি করে হামলা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর বিষয় ছড়িয়ে দিয়ে ও সাংবাদিক সম্মেলন করে হেনস্তা করার হুমকি দেন ওই ব্যক্তি। পরে বিষয়টি টুকু ভাইকে অবহিত করলে তিনি আমাকে আইনের আশ্রয় নিতে অনুরোধ করেন। পরে থানায় সাধারণ ডায়েরি করি।
এ বিষয়ে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আমার প্রতিটা বক্তব্যে চাঁদাবাজিসহ অন্যায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে চাপে রাখি। ধারণা করছি, এসব কারণে একটি গোষ্ঠী আমার সুনাম ও আমার প্রতি জনগণের আস্থা নষ্ট করতে এমন নোংরা ষড়যন্ত্র করেছে। জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানাই।
আরমান কবীরঃ বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী ও কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষে টাঙ্গাইলে লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।
রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের তারুটিয়া হাটে জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা বিএনপি’র সাবেক প্রচার সম্পাদক একেএম মনিরুল হক (ভিপি) মনিরের নেতৃত্বে জনসাধারণের মাঝে এই লিফলেট বিতরণ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা শ্রমিক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. জয়নাল আবেদীন, সদর থানা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক বুলবুল আহমেদ, জেলা শ্রমিক দলের দপ্তর সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, জেলা শ্রমিক দল নেতা তোফাজ্জল হোসেন, বিদ্যুৎ শ্রমিক ইউনিয়ন নেতা সোহেল, করটিয়া ইউনিয়নের শ্রমিক দলের সভাপতি মাজহারুল খান, সাধারণ সম্পাদক সুমন প্রমুখ।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মাহমুদনগর ইউনিয়নে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রস্তাবিত ৩১ দফার ২৭ দফা অবলম্বনে নির্মিত ‘কৃষি কথা’ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন ও স্থানীয় কৃষকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে ইউনিয়নের বহুলী পার বহুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এই প্রদর্শনী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ব্যতিক্রমী এই আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে স্থানীয় ২০ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন। তারাই ছিলেন এই অনুষ্ঠানের মধ্যমণি। অনুষ্ঠানের পুরো অংশজুড়েই তাদের মূল্যবান মতামত শোনা হয়। গ্রহণ করা হয় তাদের বেশ কিছু মূল্যবান পরামর্শ।
স্থানীয় কৃষক জাবাত আলী, মজিদ মিয়া, আজিজুল হক, শাহজামান মন্ডল জানান, এতোদিন যেকোনো অনুষ্ঠানে কৃষকরাই ছিলো সবচেয়ে অবহেলিত। কোনো অনুষ্ঠানের মঞ্চে ওঠা তো দূরের কথা, মঞ্চের কাছাকাছিও কৃষকদের যেতে দেওয়া হতো না। আজ এই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথিও আমরা, বিশেষ অতিথিও আমরা। আমাদের এই সম্মান দেওয়ার জন্য বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে ধন্যবাদ জানাই।
অনুষ্ঠানের মূল আলোচক ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার হাবিবুর রহমান। অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে বিএনপি যদি নির্বাচিত হতে পারে, বাংলাদেশের প্রতিটি কৃষকের জন্য ফারমার্স কার্ডের ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া আমি যদি টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে পারি, তাহলে এই এলাকার কৃষকদের প্রাণের দাবির প্রেক্ষিতে এখানে একটি হিমাগার (কোল্ড স্টোরেজ) নির্মাণ করা হবে। এছাড়া যমুনা নদীর ভাঙ্গন রোধে বেরিবাঁধ নির্মাণ করা হবে। অতিতে শুধুমাত্র বাণিজ্যিক লাভের জন্য টাঙ্গাইল ভিক্টোরিয়া খালকে ভরাট করে বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে অল্প বৃষ্টিতেই টাঙ্গাইল শহরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এই জলাবদ্ধতা দূর করার জন্য খাল খননের ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, আমি যদি নির্বাচিত হতে পারি তাহলে সকলকে নিয়ে দলমত নির্বিশেষে নিরাপদ টাঙ্গাইল গড়ে তুলবো। সেই টাঙ্গাইল হবে সারা বাংলাদেশের কাছে মডেল টাঙ্গাইল।
সোনিয়া শমীর সঞ্চালনায় ও পার্বণ মিডিয়ার আয়োজনে অনুষ্ঠানে মাহমুদনগর ইউনিয়নের বিপুলসংখ্যক কৃষক, ছাত্র-জনতা উপস্থিত ছিলেন। পরে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে রেজিস্ট্রার ড. মোহা. তৌহিদুল ইসলামকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক নোটিশে সাময়িক অব্যাহতির এই নির্দেশ জানানো হয়। সেই সঙ্গে আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. সাজজাদ ওয়াহিদকে অস্থায়ীভাবে রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শিক্ষার্থীরা জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের বিরোধিতাকারী রেজিস্ট্রার ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বিচারের দাবিতে রেজিস্ট্রার অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেন। এ সময় তারা উপাচার্যের কাছে দুই দফা দাবি উত্থাপন করেন।
তাদের দাবি গুলো হলো—বিচার কমিটি গঠন না হওয়া ও রেজিস্ট্রারকে সাময়িক অব্যাহতি না দেওয়া পর্যন্ত রেজিস্ট্রার অফিস তালাবদ্ধ রাখা এবং ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মাভাবিপ্রবি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (মাকসু) গঠনের রোডম্যাপ প্রকাশ।
পরবর্তীতে আরেকদল শিক্ষার্থীরা তালা খুলে দিলে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এবং বুধবার আবারও তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। এতে দুপক্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে শর্তসাপেক্ষে তালা খুলে দেন শিক্ষার্থীরা।
আরমান কবীরঃ প্রচলিত রাষ্ট্রব্যবস্থার কারণে সৃষ্ট সামাজিক অস্থিরতা ও জাতীয় সঙ্কট নিরসনে তওহীদ ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে টাঙ্গাইল জেলায় কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের নিরালা মোড়ে অবস্থিত পিয়াসী হোটেল এন্ড চাইনিজ রেস্টুরেন্টের দ্বিতীয় তলায় হেযবুত তওহীদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার উদ্যোগে এই গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়।
এই গোলটেবিল বৈঠকে মূল প্রবন্ধ ‘রাষ্ট্রীয় সংকট সমাধানে তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রস্তাবনা’উপস্থাপন করেন, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক রিয়াদুল হাসান।
টাঙ্গাইল জেলা হেযবুত তওহীদের সভাপতি ডা. নাজম আল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিষয়ক সম্পাদক উম্মে তিজন মাখসুদা পন্নী, ময়মনসিংহ বিভাগীয় সভাপতি এনামুল হক বাপ্পা, জেলার সাধারণ সম্পাদক মামুন পারভেজ, হেযবুত তাওহীদের টাঙ্গাইলের দপ্তর সম্পাদক রাসেদুল ইসলাম।
প্রধান আলোচক বলেন,, দেশের সামাজিক অবক্ষয়, মাদক, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, অর্থনৈতিক বৈষম্য ও অশান্তির মূল কারণ বর্তমান ভ্রান্ত রাষ্ট্রব্যবস্থা। এ সংকটের একমাত্র সমাধান হতে পারে কোরআন-সুন্নাহভিত্তিক তওহীদী রাষ্ট্রব্যবস্থা, যা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবে এবং শোষণমুক্ত সমাজ গড়ে তুলবে।
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর বিভক্তি দূর না হলে জনগণের কল্যাণ সম্ভব নয়। তাই দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধভাবে তওহীদী রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান সংগঠনের নেতারা।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন টাঙ্গাইল জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান টিটু।
এই বৈঠকে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ জেলার কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার বিপুল সংখ্যক গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
আরমান কবীরঃ বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেছেন, যে কতিপয় রাজনৈতিক দল পিআরের কথা বলে আন্দোলনের মাঠে যাচ্ছে। তারা একদিকে মনোনয়ন দিয়ে প্রার্থীকে মাঠে নামিয়ে দিয়েছে, অন্যদিকে, আবার তারা আন্দোলনের কথা বলছে। এটা কতটা স্ববিরোধী। ওইসব কতিপয় রাজনৈতিক দল গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে চায়।
তিনি বলেন, ‘কতিপয় রাজনৈতিক দল দেশের সমৃদ্ধিকে ব্যাহত করতে চায়। আমরা যেভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। যে ভাবে ধ্বংস করে গেছে ফ্যাসিবাদ। ধ্বংসস্তূপ থেকে বাংলাদেশকে যেভাবে তুলে আনতে চাই এবং একটি সমৃদ্ধি বাংলাদেশকে সারা বিশ্বের সামনে নতুন করে গড়ে তুলতে চাই। সেখানে ওই কতিপয় রাজনৈতিক দল বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলে মনে করছি।’
রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাব ভবনের ৪র্থতলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ আন্দোলন সংগ্রামের দেশ। ১৯৬৯ সাল থেকে শুরু করে, এই ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট পর্যন্ত, যতবার বাংলাদেশকে টেনে পেছনে নেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে, যত অশুভ শক্তি, সকল অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে সারা জাতি একত্রিত হয়ে আন্দোলন করেছে এবং বিজয় অর্জন করেছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে কখনো জাতি পরাজিত হয়নি, না মুক্তিযুদ্ধে, না ভাষা আন্দোলন, না ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে, কিংবা স্বৈরশাসন বিরোধী আন্দোলনে, আমরা সবসময় বিজয়ের জাতি। সমস্ত ষড়যন্ত্রকে পরাজিত করে আমরা আবারও বিজয় অর্জন করব, এবং আগামি নির্বাচনে ইনশাআল্লাহ জয়ী হবো।’
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি, আফরোজা আব্বাস, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি, হাসানুজ্জামিল শাহীন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, জেলা মহিলা দলের সভাপতি নিলুফা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট রক্সি প্রমূখ।
আরমান কবীরঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইল জেলা মহিলা দলের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে জেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ব্যানারে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান।
প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন,জাতীয়তাবাদী মহিলা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আফরোজা আব্বাস।
টাঙ্গাইল জেলা মহিলা দলের সভাপতি নিলুফা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহিন ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে মহিলা দলের নেতাকর্মীরা সব সময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে আরও বেগবান করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয় আলোচনা সভা থেকে।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রক্সি মেহেদি এবং যুগ্ম-সম্পাদক খালেদা আক্তার স্বপ্না।
আরমান কবীরঃ নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের টাঙ্গাইল শহর শাখার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বাইজীদ বোস্তামীকে (২৩) গ্রেপ্তার করেছে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ।
বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ভাটারা থানার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার সি ব্লকের ১৭/এ রোডের ৫/এ নাম্বার বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহম্মেদ ।
গ্রেপ্তারকৃত বাইজীদ বোস্তামী জেলার মির্জাপুর উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের চিতেশ্বরী গ্রামের মৃত ওয়াজেদ আলীর ছেলে। সে শহরের থানা পাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতো।
ওসি তানবীর আহম্মেদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল বুধবার দুপুরে রাজধানীর ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে টাঙ্গাইল শহর ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বাইজীদ বোস্তামীকে গ্রেপ্তার করে।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত বাইজীদ বোস্তামীর বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে একটি মামলায় ইতিমধ্যে ওয়ারেন্ট বের হয়েছে। তাকে ওই ওয়ারেন্ট বলে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) তাকে টাঙ্গাইল কোর্টে পাঠিয়ে রিমান্ড আবেদন করা হবে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে এক নারীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। মঙ্গলবার(১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে সদর উপজেলার কুইজবাড়ী গ্রামে এ হত্যার ঘটনা ঘটে।
নিহত নারীর নাম লিলি আক্তার (৪৫)। তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এম আনিছুর রহমানের (উত্তম) স্ত্রী। এ দম্পতির এক ছেলে ও দুই মেয়ে আছে।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, লিলি আক্তারের মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।
আনিসুর রহমানের ভাতিজা মেহেদী হাসান বলেন, মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে সদর উপজেলার কুইজবাড়ী বাজারের কাছে লিলি আক্তার তাঁদের মালিকানাধীন লিওন বেকারিতে যান। তিনি বেকারির কারিগরদের সঙ্গে কথা বলার সময় কয়েকজন সন্ত্রাসী প্রবেশ করে। তারা লিলি আক্তারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে চলে যায়। সন্ত্রাসীদের মুখ গামছা দিয়ে বাঁধা ছিল।
পরে স্থানীয় লোকজন আহত লিলি আক্তারকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
আনিসুর রহমানের বড় ভাইয়ের স্ত্রী হাসিনুর বেগম বলেন, লিলি আক্তার প্রতিদিন রাতে বেকারিতে কাজ তদারকির জন্য যেতেন। মঙ্গলবার বেকারিতে যাওয়ার পরেই তাঁর ওপর সন্ত্রাসীরা হামলা করে।
নিহতের স্বামী আনিছুর রহমান জানান, তিনি হামলাকারীদের চিনতে পারেননি এবং তাদের পরিচয় সম্পর্কে কিছুই নিশ্চিত নন।
তিনি দাবি করেন, তারা মূলত তাকে খুঁজছিলেন। কিন্তু তাকে না পেয়ে তার স্ত্রীকে হত্যা করেন।
এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে মগড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, ‘আমরা অবিলম্বে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।’
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহমেদ বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। হত্যার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ধরার চেষ্টা চলছে।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিহতের স্বজনদের ভিড়
সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইল যৌনপল্লি থেকে শহর যুবলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাহ জনিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাতে শহরে কান্দাপাড়ার যৌনপল্লি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এরপর সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাকে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়।
গ্রেপ্তারকৃত শাহ জনি টাঙ্গাইল শহরের আকুরটাকুর পাড়ার মো. ইসরাফিলের ছেলে। তিনি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হামলার মামলাসহ একাধিক মামলার আসামি।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহম্মেদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার দিনগত রাতে শহরের যৌনপল্লি থেকে শাহ জনিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
তিনি আরো জানান, এর আগে গত বছরের ২ অক্টোবর রাতে টাঙ্গাইল শহরের বেবিস্ট্যান্ড এলাকা থেকে শাহ জনিকে গ্রেপ্তার করেছিল র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
পুলিশ জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট সকাল ১১টায় টাঙ্গাইল শহরের বটতলা এলাকায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। এ সময় কালিহাতীর চিনামুরা গ্রামের লাল মিয়া গুলিবিদ্ধ হন। পরে লাল মিয়া বাদী হয়ে জেলা আওয়ামী লীগের (এখন কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ২৩০ জনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ১৫০-২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। শাহ জনি ওই মামলার ৪১ নম্বর আসামি।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক মালিক সমিতির মালিকবিহীন নতুন কমিটির প্রতিবাদে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নতুন কমিটি গঠনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।
শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সেলিম রেজা।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২৪ এর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পরে জেলা ট্রাক মালিক সমিতির কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্থবির ও অচল হয়ে পড়ে। ওই অবস্থায় ট্রাক মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিনুর রহমান আমির ও সেলিম রেজার নেতৃত্বে ব্যবসা টিকিয়ে রাখার স্বার্থে প্রকৃত ট্রাক মালিকরা সমন্বিতভাবে সমিতি পরিচালনা করতে থাকে। পরবর্তীতে আমরা জানতে পারি শহরের মেইন রোডে অবস্থিত জেলা ট্রাক মালিক সমিতির কার্যালয়ে গত ৩ সেপ্টেম্বর এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রকৃত ট্রাক মালিকবিহীন একটি পকেট কমিটিও ঘোষণা করা হয়।
লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, কাজী শফিকুর রহমান লিটনকে সভাপতি এবং আশরাফ পাহেলীকে সাধারণ সম্পাদক করে ৬৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি ঘোষণা করা হয়। যদিও সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ব্যতিত অন্য কোন কর্মকর্তার নাম প্রকাশ করা হয়নি। আমরা জানতে পেরেছি সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিকভাবে এই কমিটি আনা হয়েছে। যা ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইল জেলার প্রকৃত ট্রাক মালিকরা কোনভাবেই মেনে নিতে পারেনি। ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের অনেক সুবিধাভোগীরা এই কমিটিতে স্থান পেয়েছে বলে নিশ্চিত হয়েছি। যা আমাদের জন্য খুবই দুর্ভাগ্যের বিষয়। তাছাড়া এই কমিটি বিদ্যমান থাকলে জেলা ট্রাক মালি সমিতি মারাত্বক ক্ষতিগ্রস্ত এমনকি ধ্বংস হওয়ার আশংকা রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে শহর বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান আলীম, জেলা ট্রাক মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিনুর রহমান আমির, সহ- সভাপতি হানিফ উদ্দিন, নুরুল ইসলাম রবিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সেলিম রেজা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক দেওয়ান সুমন, প্রচার সম্পাদক আশরাফউজ্জামান আশরাফ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অভিযোগ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি কাজী শফিকুর রহমান লিটন বলেন, সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে টাঙ্গাইল জেলার ট্রাক মালিকদের নিয়ে এই নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে যিনি নিজেকে টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক পরিচয়ে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেছেন সে পূর্বের কমিটি থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন। বিগত ১৫ বছর সে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী কমিটির সাথেও সংগ দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, আজকে আমরা ১০০ জন ট্রাক মালিকদের নিয়ে বৈঠক করেছি। ভবিষ্যতে টাঙ্গাইল জেলার সকল ট্রাক মালিকদের নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করছি।