আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে একই সময়ে তিন সংগঠনের সমাবেশকে কেন্দ্র করে ১৪৪ ধারা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন। শনিবার (১ নভেম্বর) সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এ ধারা বলবৎ ছিলো। ফলে তিন সংগঠনের কেউই নির্ধারিত সমাবেশ করতে পারেনি।
এরমধ্যে উল্লেখিত স্থানে কোনো ধরেনের গণসংযোগ মিছিল, সভা-সমাবেশ, শ্লোগান, শোভাযাত্রা, পিকেটিং, অস্ত্র-শস্ত্র বিস্ফোরক দ্রব্য পরিবহনের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। এদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন রয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায় , শনিবার দেলদুয়ার মিনি স্টেডিয়ামে মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশ আয়োজনের জন্য কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের সভাপতি আব্দুল কাদের সিদ্দিকীর যুদ্ধকালীন কোম্পানি কমান্ডার ও টাঙ্গাইল জেলার সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার একে ফজলুল হক উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে অনুমতির আবেদন করেন।
অন্যদিকে, একই স্থান ও তারিখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল দেলদুয়ার উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ এবং দেলদুয়ার সদর ইউনিয়ন বিএনপি’র আহ্বায়ক ওয়াহেদুল্লাহ মিয়া সমাবেশ করার অনুমতি চান। একই স্থানে একই সময়ে পাল্টাপাল্টি সমাবেশের ঘোষণায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে এমন আশঙ্কা এবং গোয়েন্দা সংস্থার সতর্কবার্তার প্রেক্ষিতে প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জোহরা সুলতানা যুথী বলেন, একই স্থানে একাধিক সংগঠন সমাবেশের অনুমতি চেয়ে আবেদন করলে বিশৃঙ্খলা এড়াতে জনগণের জানমাল রক্ষার্থে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, দেলদুয়ার উপজেলার স্টেডিয়াম চত্বরের ৫০০ গজ পরিসীমার মধ্যে সব ধরনের সমাবেশ, শ্লোগান, মিছিল, শোভাযাত্রা, পিকেটিং, মাইক্রোফোন ব্যবহার, ঢাকঢোল পিটানো, গোলযোগ সৃষ্টি করতে পারবে না।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক খন্দকার রেজওয়ানুল ইসলাম রনি (৪২) আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
শনিবার (১ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে রনি ব্রেন স্ট্রোক করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন।
তিনি টাঙ্গাইল শহরের পারদিঘুলীয়া এলাকার মৃত জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে। মৃত্যুকালে রনি স্ত্রী ও এক কন্যা সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
রনির পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে রনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করে। শনিবার বাদ এশা পারদিঘুলীয়া জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে তাঁর নামাজের জানাজা শেষে বেবিস্ট্যান্ড কেন্দ্রীয় গোরস্থানে দাফন করা হবে।
খন্দকার রেজওয়ানুল ইসলাম রনির মৃত্যুতে কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহিন, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, টাঙ্গাইল জেলা যুবদলের আহবায়ক খন্দকার রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, সদস্য সচিব তৌহিদুল ইসলাম বাবু, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি হাদিউজ্জামান সোহেলসহ জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
আরমান কবীরঃ সন্ত্রাসী হামলায় নিহত টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি শহীদ আব্দুর রউফের ২১তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল,স্মরণসভা ও গণভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার ( ২৮ অক্টোবর) রাতে শহীদ আব্দুর রউফ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের আয়োজনে পার দিঘুলিয়ায় শহীদ রৌফের বাসভবনের সামনে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।
স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
সাবেক ছাত্রদল নেতা আকিবুর রহমান ইকবালের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় আরও বক্তব্য দেন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান শফিক, শহর বিএনপির সদস্য নুরুল ইসলাম ভিপি প্রমুখ।
এর পূর্বে দুপুরে শহীদ রউফের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে পার দিঘুলিয়া শহীদ রউফের বাসায় সামনে দোয়া মাহফিল ও গণভোজের আয়োজন করা হয়।
এই দোয়া মাহফিল ও গণভোজে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এডভোকেট আলী ইমাম তপন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, সদর উপজেলার বিএনপি’র সহ-সভাপতি হাদিউজ্জামান সোহেল , শহর বিএনপির সহ-সভাপতি শাহিন আকন্দ, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি ভিপি মনির প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।
সাহান হাসানঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী ও কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ ও শোডাউন করেছে মহিলাদল নেত্রীরা।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে জেলা মহিলাদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক এডভোকেট মমতাজ করিমের নেতৃত্বে সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে খন্ড খন্ড মিছিল এসে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে এসে সমবেত হয়। পরে সেখান থেকে একটি মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ ও লিফলেট বিতরণ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মহিলা দলনেত্রী রহিমা বেগম, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি শাহানাজ পারভীন, নাসরিন আজাদ, সোনিয়া হামজা, কবিতা বেগম, আবিদা অপু, এলি আক্তার, হাওয়া বেগম, খাদিজা আক্তার ইমু, আশা আক্তার, কোহিনুর বেগম প্রমুখ।
জেলা মহিলাদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক এডভোকেট মমতাজ করিম বলেন, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা কোন রাজনৈতিক সংস্কারের নীলনকশা নয়, এটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নেরও সুস্পষ্ট রূপরেখা। দুর্নীতি দমন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতের মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার সকল প্রস্তাব এই ৩১ দফায় বিদ্ধমান। তারেক রহমানের রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা আমাদের বাস্তবায়ন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সেই সাথে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আদেশ জারি এবং নভেম্বরের মধ্যেই গণভোটের আয়োজনসহ ৫ দফা দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে জামায়াতে ইসলামী জেলা শাখা।
সোমবার(২৭ অক্টোবর) বিকেলে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে সমাবেশে জেলা আমীর আহসান হাবীব মাসুদের সভাপতিত্বে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
বক্তব্য রাখেন, নায়েবে আমীর অধ্যাপক খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক, সেক্রেটারি মাওলানা হুমায়ুন কবির, সহকারী সেক্রেটারি হোসনে মোবারক বাবুল, অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম খান, খেলাফত মজলিসের জেলা সহ-সভাপতি মুফতি আব্দুর রহমান মাদানি, জেলা সেক্রেটারি মো. শহীদুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সেক্রেটারি মো. শহীদুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. আতাউর রহমান, অধ্যক্ষ ওবায়দুর রহমান কোরায়েশী, শহর আমীর অধ্যাপক মিজানুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ। সমাবেশ সঞ্চালনায় ছিলেন সদর উপজেলা আমীর অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন বাদল।
পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে শেষ হয়।
জামায়াতের ৫ দফা দাবিগুলো হল- জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন, জাতীয় নির্বাচনে পিআর পদ্ধতি চালু, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা, ফ্যাসিস্ট সরকারের জুলুম-নির্যাতন ও দুর্নীতির বিচার এবং জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।
আরমান কবীরঃ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, আমরা মনে করি শাপলা না দেওয়ার কোনো প্রশ্নই নেই। যেহেতু আইনগত বাধা নেই। আমাদের জায়গা থেকে শাপলা আদায় করে নেব।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংগঠনের জেলা সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান শেষে সাংবাদিকদের সারজিস আলম এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা মনে করি অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর চাওয়া-পাওয়া শুধুমাত্র নির্বাচনকেন্দ্রিক হতে পারে না। আমরাও চাই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার উত্তরণের জন্য নির্বাচন হোক।ফেব্রুয়ারিতেও হলে সমস্যা নেই।
তিনি আরও বলেন, যখন একটা জিনিস আমার প্রাপ্য, এনসিপির প্রাপ্য, যখন সেটা দেওয়া হবে না, অবশ্যই স্বেচ্ছাচারী আচরণের বিরুদ্ধে আমার লড়াই করতে হবে। এনসিপির যদি প্রয়োজন হয়, এনসিপি এই লড়াইটা রাজনৈতিকভাবে রাজপথে করবে। যদি প্রয়োজন হয় বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার ৪৯৫টি উপজেলার এনসিপির অভ্যুত্থানের নেতৃবৃন্দ রাজপথে নেমে এই অধিকারের জন্য লড়াই করবে। আমরা আমাদের জায়গা থেকে মনে করি আমরা শাপলা প্রতীক নিয়েই আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব।
সভায় এনসিপির টাঙ্গাইল জেলার প্রধান সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান রাসেলের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দার, কেন্দ্রীয় সদস্য সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।
আরমান কবীরঃ বিএনপির প্রচার সম্পাদক, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষে নির্বাচনী বিশাল গণমিছিল ও ৩১ দফা বাস্তবায়নে লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।
রবিবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধায় বিভিন্ন স্থান থেকে খন্ড খন্ড মিছিল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে এসে জড়ো হয়। পরে সেখান থেকে বিশাল গণমিছিল শুরু করে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে এসে সংক্ষিপ্ত পথসভার মধ্যে দিয়ে শেষ হয়।
এছাড়া বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়ন ও জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির লক্ষে টাঙ্গাইলে লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।
এতে অংশ নেন জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক কাজী শফিকুর রহমান লিটন, জেলা যুবদলের আহবায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক, শহর বিএনপির সহ-সভাপতি শাহীন আকন্দসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী খন্দকার আহমেদুল হক সাতিলের নেতৃত্বে নির্বাচনী গণমিছিল ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।
রবিবার (২৬ অক্টোবর)দুপুরে গণমিছিলটি শহরের কলেজ মোড় থেকে শুরু হয়ে পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, নিরালা মোড়, জেলা সদর রোড হয়ে পুনরায় কলেজ মোড় গিয়ে সংক্ষিপ্ত পথ সভার মধ্যে দিয়ে শেষ হয়।
এ ছাড়া বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়ন ও জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির লক্ষে টাঙ্গাইলে বিএনপি’র লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।
হাজার হাজার নেতাকর্মীর অংশ গ্রহণে শহরের সড়কে আহমেদুল হক সাতিলের পক্ষে ও ধানের শীষের পক্ষে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে। মিছিলের দীর্ঘ সারির কারণে সাময়িক যান চলাচলে স্থবিরতা সৃষ্টি হয়।
এতে দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও হাজার হাজার সাধারণ মানুষজন অংশগ্রহণ করে।
আরমান কবীরঃ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্ততি হিসেবে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৮ টি ওয়ার্ডের সাবেক ও বর্তমান বিএনপির নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) সকালে শহরের জেলা সদর রোডে অবস্থিত টাঙ্গাইল ক্লাবের হলরুমে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রচার সম্পাদক, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থীর বিজয়ের জন্য দলের সকল পর্যায়ের সাবেক ও বর্তমান নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ভোটাররা যাতে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেয়, সে জন্য সকল শ্রেনী-পেশার মানুষের কাছে যেতে হবে এবং তাদের মাঝে তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা অবহিত করতে হবে।
টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহামুদুল হক সানু’র সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মোঃ আজগর আলী, টাঙ্গাইল শহর বিএনপি’র সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামসুর রহমান চৌধুরী।
মতবিনিময় সভার সঞ্চালনা করেন, টাঙ্গাইল শহর বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহীন আকন্দ। অনুষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম (ভিপি)।
আরমান কবীরঃ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জেলা নাগরিক অধিকার সুরক্ষা কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক মোহনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে দলীয় নেতাকর্মী আর সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় কবরস্থানে শেষ বারের মতো বিদায় জানানো হয় বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক মোহনকে।
এদিকে, হামিদুল হক মোহনের মৃত্যুতে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।
এরপূর্বে মঙ্গলবার বাদ যোহর টাঙ্গাইল বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে গার্ড-অফ-অনার প্রদান করা হয় টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
জানাজা নামাজে বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম, কেন্দ্রীয় বিএনপি’র ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু, কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বিএনপি’র চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা লুৎফর রহমান খান আজাদ, বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য লুৎফর রহমান মতিন, জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, জেলা জামায়েত ইসলামীর আমির আহসান হাবিব মাসুদ, জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতির অঙ্গনের প্রায় তিন সহস্রাধিক বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেন।
উল্লেখ্য, সোমবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় তার নির্বাচনী এলাকায় এক মত বিনিময় সভায় বক্তব্য শেষ করে টাঙ্গাইল ফেরার পথে হৃদ যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান তিনি। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই পুত্র ও তিন কন্যাসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ঘনিষ্ঠ সহচর হামিদুল হক মোহন বিএনপি’র জেলা কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। আমৃত্যু তিনি রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি টাঙ্গাইল- ৬ (নাগরপুর- দেলদুয়ার) আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী হয়ে গনসংযোগ চালাচ্ছিলেন।
হামিদুল হক মোহন জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছাড়াও টাঙ্গাইল নাগরিক অধিকার সুরক্ষা কমিটির সভাপতি, টাঙ্গাইল সাংবাদিক ইউনিয়নের প্রধান উপদেষ্টা, টাঙ্গাইল কালচারাল রিফর্মেশন ফোরামের উপদেষ্টাসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি ভাষা সৈনিক আব্দুল মতিনের বোন জামাই।
আরমান কবীরঃ বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জেলা নাগরিক অধিকার সুরক্ষা কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক মোহন মৃত্যুবরণ করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া-ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
সোমবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. মাহমুদুল আলম জানান, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে হামিদুল হক মোহনকে জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে আমরা দ্রুত তার ইসিজি করি। ইসিজি রিপোর্ট অনুযায়ী দেখা যায় তিনি পথিমধ্যেই মৃত্যুবরণ করেছেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও তিন কন্যা সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
হামিদুল হক মোহনের জ্যেষ্ঠ পুত্র নাজমুল হক মিল্টন জানান, সোমবার বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেলদুয়ার উপজেলার দেউলি ইউনিয়নের দেউলি গ্রামে লিফলেট বিতরণ ও প্রচারণা শেষে বাদ মাগরিব টাঙ্গাইল শহরের কলেজ পাড়ার নিজ বাসভবনে ফেরার পথে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন হামিদুল হক মোহন। পরে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) বাদ যোহর হামিদুল হক মোহনের নামাজে জানাজা টাঙ্গাইল বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক মোহন টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন।
বিএনপি’র এই প্রবীণ রাজনীতিবিদদের মৃত্যুতে কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহিন, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
উল্লেখ্য, হামিদুল হক মোহন ৮ আগস্ট ১৯৫২ সালে টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের মঙ্গলহোড় গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম আইনউদ্দিন আহমেদ ছিলেন পাথরাইল ইউনিয়ন পরিষদের দীর্ঘদিনের চেয়ারম্যান ছিলেন। হামিদুল হক মোহনের শিক্ষাজীবন শুরু টাঙ্গাইল শহরে, পরে বিন্দুবাসিনী বালক উচ্চ বিদ্যালয় ও জামুর্কী নবাব স্যার আব্দুল গণি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি (১৯৬৫), এইচএসসি (১৯৬৬) ও স্নাতক (১৯৬৮) সালে সম্পন্ন করেন সা’দত কলেজ থেকে। মাওলানা ভাসানীর ঘনিষ্ঠ অনুসারী হিসেবে তিনি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। পরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আহ্বানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিতে যোগদান করেন। তিনি দীর্ঘদিন জেলা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড বিএনপি’র আয়োজনে এই কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাঘিল ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি মো. হারুন-অর রশীদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, বিএনপি ৩১ দফা উপস্থাপন করেছে- আগামী বাংলাদেশ কীভাবে চলবে। আমরা আমাদের অবস্থান তুলে ধরেছি। ৩১ দফায় স্বাস্থ্য-শিক্ষা, যুবকদের কর্মসংস্থান, বেকার ভাতার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে। প্রতিটি পরিবার এ ফ্যামিলি কার্ড পাবে। স্বাস্থ্য বীমার কথাও চিন্তা করছে বিএনপি। বিগত সময়ে বিএনপি জাতির সামনে যে ওয়াদা করেছে, তা পূরণ করেছে।
তিনি আরও বলেন, বেশিরভাগ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ চায়- আগে জাতীয় নির্বাচন হোক। পরবর্তীতে সরকার কি সিদ্ধান্ত দিবে এটি আমরা বলতে পারবো না। যেহেতু আমরা জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে কাজ করছি, বাংলাদেশের জনগণের সেই প্রত্যাশা এই সরকার পূরণ করবে।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আজগর আলী, টাঙ্গাইল সদর থানা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক এডভোকেট আজিম উদ্দিন বিপ্লব, সহ-সভাপতি এডভোকেট রকিবুল ইসলাম, ৮নং বাঘিল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গোলাম সারোয়ার প্রমুখ।