/ হোম / রাজনীতি
টাঙ্গাইলে মনোনয়নপ্রত্যাশী সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মনোনয়নপ্রত্যাশী সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে বিএনপি’র মনোনয়নপ্রত্যাশী লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আসাদুল ইসলাম ওরফে আজাদকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহিন ও সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বহিষ্কারপত্রে উল্লেখ করা হয়, আসাদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ‘ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের ডামি নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেওয়া’, ‘আয়নাঘরের মাস্টারমাইন্ড ও হাজারো গুম-খুনের নায়ক বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের ব্যবসায়িক অংশীদার হওয়া’ এবং ‘দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের’ অভিযোগ আনা হয়েছে।

এ বিষয়ে আসাদুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মধুপুর উপজেলার মির্জাবাড়ী ইউনিয়নের ফাজিলপুর গ্রামের বাসিন্দা আসাদুল ইসলাম সেনাবাহিনী থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নিয়ে ব্যবসায় যুক্ত হন। গত বছরের ৫ আগস্টের পর এলাকায় এসে তিনি রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু করেন। নিয়মিত সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেন এবং তাঁর অনুসারীও তৈরি হন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে প্রচারণা শুরু হয়। সেখানে তাঁকে মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান ও তাঁর স্ত্রীর ব্যবসায়িক অংশীদার হিসেবে অভিযোগ করা হয়।

এ প্রসঙ্গে জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল বলেন, আসাদুল ইসলামের বিরুদ্ধে বেশ কিছুদিন ধরেই নানা অভিযোগ আসছিল। বিগত সরকারের ডামি নির্বাচনে ঢাকায় তিনি একজন প্রার্থীর পক্ষে প্রচারে অংশ নেন। পাশাপাশি আয়নাঘরের মাস্টারমাইন্ড জিয়াউল আহসানের সঙ্গে ব্যবসায় জড়িত থাকার প্রমাণও পাওয়া গেছে। দফায় দফায় তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা মেলায় দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে পরামর্শ করে তাঁকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০২:১৭:এএম ১০ মাস আগে
যেদিন রাস্তায় নামবো, সেদিন বন্দুকও কিছু করতে পারবে না: কাদের সিদ্দিকী - Ekotar Kantho

যেদিন রাস্তায় নামবো, সেদিন বন্দুকও কিছু করতে পারবে না: কাদের সিদ্দিকী

আরমান কবীরঃ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, ‘আমরা খারাপ সময় পার করছি। যে আশা ও ভরসা নিয়ে যৌবনে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম, সেই আশা এবং ভরসা আজকে ধূলিসাৎ হতে চলেছে। আমি অবাক হয়েছি, মুক্তিযোদ্ধাদের একটি সমাবেশে ১৪৪ ধারা জারি করতে হয়। এটা তো একটা রেকর্ড হয়ে রইলো। মুক্তিযোদ্ধারা একত্রিত হবে। তাদের মিটিংয়ে ১৪৪ ধারা জারি করে বন্ধ করা হয়েছে। এটা খুবই ন্যাক্কারজনক ঘটনা। আমার মরার জন্য কোনও ভয় নেই। আমি চাই দেশের শৃঙ্খলা থাকুক। যেদিন আমরা রাস্তায় নামবো, সেদিন লাঠি না বন্দুকও কিছু করতে পারবে না।’

সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে পূর্ব ঘোষিত কাদেরিয়া বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধাদের জরুরি সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আমার জ্বলন ওইখানেই, যারা ২৪ শে বিজয়ী হয়েছে, তারা যদি এখন এইভাবে ব্যর্থ হয়, ভবিষ্যতে যদি কেউ স্বৈরাচার হয়, তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার জন্য সাধারণ মানুষ এগিয়ে আসবে না। সেটা আমার ভয়। সেইজন্য তাদের সফল হওয়া উচিৎ ছিল। আমার বাড়ি ধ্বংস করে দিয়ে যদি দেশে শান্তি হয় আমি তাতেই রাজি। এখন আমার ৮০ বছর বয়স হয়েছে, আমি এখন চলে যেতে পারলে আরও খুশি। সেজন্যই সরকারকে বলছি, যারা আন্দোলন করে শেখ হাসিনার পতন ঘটিয়েছিলেন, শেখ হাসিনার পতন আর মুক্তিযুদ্ধের পতন এক কথা না, শেখ হাসিনার পতন আর বঙ্গবন্ধুর পতন এক কথা না। শেখ হাসিনার পতন আর স্বাধীনতার পতন এক কথা না। এই জিনিসগুলো এখন কেউ কেউ বুঝতে চাচ্ছেন না।’

তিনি বলেন, ‘আমার বাসায় আক্রমণ করেছে, যদি এটা সম্ভব হয় তাহলে এ দেশের সবার বাসায় আক্রমণ করা সম্ভব। কারও নিরাপত্তা নেই। দেশ যদি পাকিস্তান হয়ে যেতো আমি পাকিস্তান ভেঙেছিলাম, তাহলে আইনানুগভাবে আমার ফাঁসি হয়ে যেতো। এতে আমার কোনও আপত্তি ছিল না, এখনও নাই। সেজন্যই বলছি দেশে আইনশৃঙ্খলা নাই।’

কাদের সিদ্দিকীর শহরের বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনার প্রতিবাদে বিকালে জরুরি সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেয় কাদেরিয়া বাহিনী। কাদেরিয়া বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধারা বিকালে শহরে কাদের সিদ্দিকীর বাসভবন থেকে মিছিল নিয়ে বের হওয়ার আগ মুহূর্তে পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত হয়। এ সময় পুলিশ বাহিনীর প্রতি সম্মান দেখিয়ে কাদের সিদ্দিকী ও কাদেরিয়া বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধারা বাসভবনের নিচতলায় সমাবেশ করেন। এ সময় কাদের সিদ্দিকী ছাড়াও যুদ্ধকালীন কোম্পানি কমান্ডার কাজী আশরাফ হুমায়ুন বাঙ্গাল, ফজলুল হক বীরপ্রতিক, কৃষকশ্রমিক জনতালীগের সখিপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হোসেন সজীব, বাসাইল উপজেলা শাখার সভাপতি রাহাত হাসান টিপু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

প্রসঙ্গত, জেলার বাসাইল উপজেলায় কাদেরিয়া বাহিনী ও ছাত্র সমাজের ব্যানারে একই স্থানে পাল্টাপাল্টি সমাবেশকে কেন্দ্র করে ১৪৪ ধারা জারি করে উপজেলা প্রশাসন। রবিবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত এ আদেশ বলবৎ ছিল। সমাবেশকে কেন্দ্র করে উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ প্রশাসন দিনব্যাপী তৎপর ছিল। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে কাদেরিয়া বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধা ও ছাত্র সমাজের কেউই অনুষ্ঠানস্থল শহীদ মিনার চত্বরে যাননি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০২:০৭:এএম ১০ মাস আগে
টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা হযরত আলী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা হযরত আলী গ্রেপ্তার

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. হযরত আলীকে গ্রেপ্তার করছে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ।

সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার ৩নং ওয়ার্ডের স্টেডিয়াম ব্রিজ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহম্মেদ।

গ্রেপ্তারকৃত হযরত আলী, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের ধুলবাড়ী গ্রামের মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে।

ওসি জানান, সোমবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. হযরত আলীকে শহরের ৩নং ওয়ার্ডের স্টেডিয়াম ব্রিজ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরও জানান, হযরত আলী গত বছরের ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন সময় জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে ছাত্র-জনতার উপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহার ভুক্ত আসামি।

তিনি জানান, এবছরের ১৫ মার্চ মিজানুর রহমান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। যার মামলা নং-২৭। হযরত আলীর বিরুদ্ধে আরও কোন মামলা রয়েছে কিনা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০৪:৫৬:এএম ১০ মাস আগে
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের পর এই স্বৈরাচারী মনোভাব আশা করিনি – কাদের সিদ্দিকী - Ekotar Kantho

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের পর এই স্বৈরাচারী মনোভাব আশা করিনি – কাদের সিদ্দিকী

আরমান কবীরঃ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেছেন, আমার বাড়ি ভেঙেছে আরও ভাঙুক। বঙ্গবন্ধুর ৩২-এর বাড়িতে গিয়েছিলাম, আমার গাড়ি ভেঙেছিল। আরও ভেঙে যদি দেশে শান্তি স্থাপিত হয়, দেশের কল্যাণ হয়, আমি সব সময় রাজি আছি।

রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের কবি নজরুল সরণির (জেলা সদর সড়ক) বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সাবেক সংসদ সদস্য বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী।

এর আগে শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত একটার দিকে কাদের সিদ্দিকীর বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। বাসার কর্মচারীরা জানান, শনিবার রাতে কাদের সিদ্দিকী বাসায় ঘুমাচ্ছিলেন। রাত একটার দিকে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল বাসায় ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। তারা মই দিয়ে বাসার গেট টপকে ভেতরে প্রবেশ করে দুটি গাড়ি ভাঙচুর করে। এ সময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। হামলাকারীদের মুখ বাঁধা এবং কয়েকজন হেলমেট পরা ছিল।

সংবাদ সম্মেলনে কাদের সিদ্দিকী বলেন, গত রাতে আমার বাড়িতে হামলা করেছে। কারা করেছে জানি না। ১০ থেকে ১২ জন লোক, তার মধ্যে বেশি বাচ্চা ছিল। ঢিল মেরেছে, গাড়ি ভেঙেছে। কোটাবিরোধী আন্দোলন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের পরে আমরা এই স্বৈরাচারী মনোভাব আশা করিনি। আওয়ামী লীগ যদি স্বৈরাচার হয়, তাহলে আজকের কর্মকাণ্ডকে আমরা কী বলে অভিহিত করব।

কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, ২৬ বছর হয়েছে নতুন দল করেছি। রাত–দিন সংগ্রাম করেছি। আওয়ামী লীগ আমাদের বহু প্রোগ্রাম করতে দেয়নি। তারপরও যদি সবাইকে আওয়ামী লীগের দোসর বানানো হয়, তা হলে তো আমি মনে করব বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে ব্যর্থ করার জন্য, ধ্বংস করার জন্য এটা কোনো ষড়যন্ত্র কি না! আমার কাছে মনে হয়, দেশটাকে অস্থিতিশীল করার জন্য, জাতীয় আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীরা সুযোগ খুঁজছে। সেই সুযোগ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দিচ্ছে কি না আমি ঠিক বলতে পারব না। আমার মতো মানুষের, যাকে রাষ্ট্র সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব দিয়েছে, তার বাড়ি যদি নিরাপদ না থাকে, আমার সাধারণ গরিব–দুঃখী মানুষের বাড়ি নিরাপদ কীভাবে হয়।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, কয়েক দিন আগে মঞ্চ ৭১–এর সভায় আমাদের নেতা, আমার বড় ভাই লতিফ সিদ্দিকী আলোচক হিসেবে গিয়েছিলেন। তাঁদের সব আলোচককে গ্রেপ্তার করেছে। যাঁরা শ্রোতা হিসেবে গিয়েছিলেন, তাঁদেরও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু যাঁরা মব সৃষ্টি করেছেন, যাঁরা বাধা দিয়েছেন, তাঁদের কিছু বলা হয়নি। এটা একটা ন্যায়নীতির ব্যত্যয়, আইনের ব্যত্যয়। এখান থেকে আমি সরকারকে সরে আসতে বলব। আমার বাড়ির ওপর হামলার মধ্য দিয়েই এই চোরাগোপ্তা হামলা বন্ধ করা হোক। এটা সরকারের কাছে আমার নিবেদন। দেশবাসীর কাছে আমার নিবেদন যে আপনারা জাগ্রত হোন, রুখে দাঁড়ান। এ রকম অন্যায়কে সহ্য করলে পরবর্তী বংশধরদের জীবন–সম্পদ–সম্মান—সব হুমকির মধ্যে পড়বে।

এক প্রশ্নের জবাবে কাদের সিদ্দিকী জানান, তাঁর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় তিনি মামলা করবেন। সংবাদ সম্মেলনে কাদের সিদ্দিকীর ছোট ভাই কালিহাতী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আজাদ সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে রবিবার কাদের সিদ্দিকীর নির্বাচনী এলাকা বাসাইলে কাদেরিয়া বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এতে প্রধান অতিথি করা হয়েছিল কাদের সিদ্দিকীকে। কিন্তু ‘ছাত্র সমাজের’ ব্যানারে একই সময় একই স্থানে ছাত্রসমাবেশের আয়োজন করা হয়। এ অবস্থায় রবিবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাসাইল শহীদ মিনার ও আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০১:০৭:এএম ১০ মাস আগে
মধ্যরাতে কাদের সিদ্দিকীর বাসায় হামলা-ভাঙচুর - Ekotar Kantho

মধ্যরাতে কাদের সিদ্দিকীর বাসায় হামলা-ভাঙচুর

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর বাসভবনে ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। এসময় দুর্বৃত্তরা ঢিল ছুড়ে কাদের সিদ্দিকীর দুটি গাড়ি ও দোতালার চারটি জানালার গ্লাস ভেঙে ফেলে।

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে টাঙ্গাইল শহরের জেলা সদর রোডস্থ কাদের সিদ্দিকীর নিজ বাসভবন ‘সোনার বাংলায়’

এ ঘটনা ঘটে। টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বাড়ির কেয়ার টেকার জানান, ১৫-২০ জনের একটি দল এসে বাহির থেকে প্রথমে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে জানালার গ্লাস ভাঙচুর করে। তারপর দুই-তিনজন মই দিয়ে গেট টপকে ভেতরে ঢুকে গাড়িও ভাঙচুর করে। পরে লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে গেট টপকে পালিয়ে যায়।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ জানান, রাত সাড়ে ১২টার দিকে ১০ থেকে ১৫ জন মুখোশধারী এই ঘটনা ঘটিয়েছি। বাসভবনের সামনে একটি গাড়ির গ্লাসসহ বাসভনের কয়েকটি জানালার গ্লাস ভেঙেছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।

তিনি আরও জানান,সারারাত বাসভবনে পুলিশ পাহারা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০৯:৩৫:পিএম ১০ মাস আগে
সখীপুরে বক্তব্য দেওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন কাদের সিদ্দিকী - Ekotar Kantho

সখীপুরে বক্তব্য দেওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন কাদের সিদ্দিকী

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বর্ধিত সভায় শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম।

উপজেলার দলীয় কার্যালয়ে একটি টিনের ঘরে প্রচণ্ড গরমে দুই ঘণ্টা বসে থেকে বক্তব্য দেওয়ার কারণে কাদের সিদ্দিকী অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।

উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তুহিন সিদ্দিকী বেলা সাড়ে তিনটার দিকে জানান, কাদের সিদ্দিকী আগের চেয়ে অনেকটা সুস্থ আছেন। তাঁর রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস মাপা হয়েছে। ইসিজি করা হয়েছে। সব ঠিকঠাক থাকলেও তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী চিকিৎসা কার্যক্রম চলছে। চিকিৎসকেরা বলেছেন, প্রচণ্ড গরমের কারণেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন।

তুহিন সিদ্দিকী আরও বলেন, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বর্ধিত সভা শুরু হয়। দুপুর ১২টার দিকে কাদের সিদ্দিকী বর্ধিত সভায় যোগ দেন। টিনের ঘরে প্রচণ্ড গরমে তিনি দুই ঘণ্টা স্থানীয় নেতা-কর্মীদের বক্তব্য শোনেন। বেলা সোয়া দুইটার দিকে তাঁর বক্তব্য শুরু হয়। মিনিট দশেক তিনি দাঁড়িয়ে বক্তব্য দেন। এরপর বসে পড়েন। বসে তিনি মাত্র এক মিনিট বক্তব্য দিয়েছিলেন। এরপরই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তিনি দুই কর্মীর সহায়তায় তাঁর ব্যক্তিগত গাড়িতে ওঠেন। এরপর তাঁকে সখীপুরের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার সাবেক মেয়র সানোয়ার হোসেন জানান, কাদের সিদ্দিকী এখন অনেকটা সুস্থ অনুভব করছেন। দেশবাসীর কাছে তিনি দোয়া চেয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০২:৫৬:এএম ১০ মাস আগে
Ekotar Kantho

বিএনপি প্রতিষ্ঠায় দু’টি ঐতিহাসিক ঘটনা – প্রফেসর ড.জি.এম. শফি

একতার কণ্ঠঃ ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পালিত হচ্ছে বিএনপি’র ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী।গত বছর ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তরের পক্ষ থেকে একটি চমৎকার মাল্টি কালার পোস্টার করা হয়, সেখানে দলের প্রতিষ্ঠাতা, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের একটি ছবি দেওয়া হয়, মূল বিষয়টি হলো সেই পোস্টার লেখা হয় প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সততাই আমাদের প্রেরণা। এতোবছর পরেও কিন্তু শহীদ জিয়ার সততাকেই সামনে নিয়ে আশা হয়েছে। সত্যি কথা জিয়াউর রহমানের সততা বিশ্বব্যাপী সর্বজন স্বীকৃত। আজ বিএনপি প্রতিষ্ঠার সময়কালে দুটি ঘটনা নিয়ে আলোচনা করবো।

১৯৭৮ সালের পহেলা জানুয়ার জাতীয়তাবাদী অস্থায়ী কার্যালয় উদ্বোধন হবে ৩২ নম্বর পুরানা পল্টনে। শরীক দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ অফিসে এসে আগেই উপস্থিত ছিলেন, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সিনিয়র নেতা মশিউর রহমান যাদু মিয়া, বিচারপতি আব্দুস সাত্তার,গোলাম হাফিজ, বদরুদ্দোজা চৌধুরী, মতিন চৌধুরী, অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আকবর হোসেন,ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা, ডাক্তার আব্দুল মতিন ও ফিরোজ নুন। কেন্দ্রীয় অফিসে জিয়া আসলেন বুশশার্ট প্যান্ট ও চোখে সানগ্লাস পরা অবস্থায়, অবশ্য মাথায় সাদা ক্যাপ ছিল। কার্পেট বিছানো ফ্লোরে পূর্বেই আগত সবার সাথে বসে পড়লেন এবং মোনাজাতে অংশগ্রহণ করলেন।মশিউর রহমান যাদু মিয়ার ভাসানী ন্যাপ, বিচারপতি আব্দুল সাত্তার সাহেব, অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন আকবর হোসেনের ইউপিপি, লেবার পার্টির মাওলানা আব্দুল মতিন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের শাহ আজিজ ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির এস এম সোলাইমান নেতৃত্বে গঠিত হলো জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল)। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে জাগদল এর চেয়ারম্যান হিসাবে মনোনীত করা হলো এবং ১৯৭৮ সাল ২৩ জুনের নির্বাচনের তাকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মনোনীত করা হলো।অন্যদিকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়া হয় অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল ওসমানী সাহেব কে। মোনাজাত পর্ব শেষ হলে প্রেসিডেন্ট জিয়া আগত সকল নেতৃবৃন্দর সাথে করমর্দন করেন, কুশল বিনিময় করেন,আলোচনা করেন। ২৩ জনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের কর্মপন্থা নিয়ে বিশদ আলোচনা চলছিল, তখন পাশে বায়তুল মোকাররম থেকে জোহরের নামাজের আযানের শব্দ শোনা গেল, জিয়া বাইতুল মোকাররমের নামাজ পড়তে যাবেন তাই সবার সাথে হাত মিলিয়ে বিদায় নিলেন । জেনারেল জিয়া চললেন মোকাররম মসজিদের দিকে। পল্টনের প্রতিটি রাস্তা, প্রতিটি বাসাবাড়ির জানালা, বারান্দা অফিসগুলোর ছাদ থেকে তাকে দেখার জন্য, অভিবাদন জানানোর জন্য দাঁড়িয়েছিল সকল শ্রেণীর মানুষ । এদেশ সকল মানুষের তিনি কাছে কতটুকু প্রিয় ছিলেন এটা তাই প্রমাণ করে। মানুষের ভালবাসা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াকে দেশের জন্য কাজ করে যাওয়ার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

আরেকটি আলোচিত ঘটনা উল্লেখ করছি।
১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর। রাজধানী ঢাকার রমনা রেস্তোরার পাশে প্যান্ডেল টাঙ্গিয়ে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হলো। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আসলেন এই অনুষ্ঠানে, অনুষ্ঠান মঞ্চে অন্যান ব্যক্তিত্ব আগে থেকে এসে উপস্থিত ছিলেন। মঞ্চের সামনে আছেন রাজনৈতিক কর্মী, সাংবাদিক সাহিত্যিকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ। শহীদ জিয়া বক্তৃতা করলেন এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলটির প্রতিষ্ঠার ঘোষণা করলেন। দলটির চেয়ারম্যান হলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। ১১ জন স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যের নাম ঐদিন ঘোষণা করলেন।

১)প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান- চেয়ারম্যান, ২)
বিচারপতি আব্দুল সাত্তার ভাইস- চেয়ারম্যান, ৩)ডাক্তার বদরুদ্দোজা চৌধুরী- মহাসচিব, ৪) শাহ আজিজুর রহমান – সদস্য ৫)ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার- সদস্য, ৬) ডাক্তার ইউসুফ আলী- সদস্য( চট্টগ্রাম), ৭)শেখ রাজ্জাক আলী-সদস্য ( খুলনা) ৮)প্রফেসর একরামুল হক -সদস্য( রাজশাহী, সাবেক ডাকসু ভিপি)৯) সৈয়দ মহিবুল হাসান – সদস্য(সিলেট) ,১০) আব্দুর রাজ্জাক চৌধুরী -সদস্য( বরিশাল বর্তমানে পটুয়াখালী),১১)ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা-সদস্য। কর্নেল আলাউদ্দিনকে স্ট্যান্ডিং কমিটি সচিব হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

সাংবাদিকরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সাথে আলোচনা করলেন, প্রশ্ন উত্থাপন করলেন। এর মধ্যে একটি প্রশ্ন ছিল আপনি সৎ ব্যক্তি, পার্টি চালানোর টাকা কোথায় পাবেন? প্রেসিডেন্ট জিয়া উত্তরে বললেন money is no problem if you work in the interest of the people the country. এভাবেই জন্ম হলো বিএনপি’র।

ইতিপূর্বে ১৯৭৮ সালের ২৮ আগস্ট মাসে জাগদল বিলুপ্ত করা হয়। চৌধুরী তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী নতুন দলটির নাম প্রস্তাব করেছিলেন জাস্টিস পার্টি হিসেবে। কিন্তু দলটির তেমন দুধসুই হয়নি বিদায় এবং জাতীয়তাবাদী শব্দটি যুক্ত না থাকায় গ্রহণ করা হয়নি। অবশেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজেই নবগঠিত দলটির নামকরণ করেন “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

লেখক – প্রফেসর ড.জি.এম. শফিউর রহমান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও সহ-সভাপতি, ইউট্যাব, কেন্দ্রীয় কমিটি

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০২:২১:এএম ১০ মাস আগে
তারেক রহমান দেশে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছেন: আযম খান - Ekotar Kantho

তারেক রহমান দেশে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছেন: আযম খান

আরমান কবীরঃ বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেছেন, ‘আমাদের নেতা দেশনায়ক তারেক রহমান খুব তাড়াতাড়িই দেশে ফিরবেন। তার আসার জন্য আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। তিনি বাংলাদেশের আসার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। যেদিন দেশনায়ক তারেক রহমান বাংলাদেশে আসবেন। সেদিন সারা বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ যে যেখানে আছে, সেখান থেকেই টেলিভিশনের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং রেডিওসহ সব মিডিয়ার মাধ্যমে সবাই তারেক রহমানকে স্বাগত জানাবেন, এটা আমি বিশ্বাস করি।

দেশের আইন-শৃঙ্খালা পরিস্থিতির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন যারা চায় না, যারা নির্বাচনকে বিলম্বিত করতে চায়। এর পেছনে তাদের হাত রয়েছে।

আমি মনে করি, আমরা সব রাজনৈতিক দল যদি নির্বাচনমুখী হই, তাহলে সবার সহযোগিতায় নির্বাচনকালীন সময়ে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী শক্তিশালী ভূমিকা পালন করবে।’

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের বাসাইলে বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, এই দিনে শহিদ জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করে গিয়েছিলেন গণতন্ত্রের জন্য। তিনি বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন দেশের সমৃদ্ধির জন্য, দেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য। তাই আজকের এই দিনে বলতে চাই নির্বাচন গণতন্ত্রের সব চেয়ে বড় স্তম্ভ। মানবাধিকারের সব চেয়ে বড় স্তম্ভ। মানুষের সব চেয়ে বড় স্তম্ভ। তাই নির্বাচনের বিকল্প শুধুই নির্বাচন।’

পরে তিনি উপজেলা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন আল জাহাঙ্গীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবুল কাশেম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নূরনবী, আবু হায়াত খান নবু, পৌর বিএনপির সভাপতি আকতারুজ্জামান তুহিন, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ পিন্টু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সোহরাব হোসেন, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি রাশেদা সুলতানা রুবি প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০৩:৪৯:এএম ১০ মাস আগে
কালিহাতী উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন - Ekotar Kantho

কালিহাতী উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারন সম্পাদক শফিকুল ইসলাম তালুকদারেরর প্রথম ও দ্বিতীয় নামাজের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার(২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টার দিকে কালিহাতী শাজাহান সিরাজ কলেজ মাঠে ও বাদ জোহর ভিয়াইল মাদ্রাসা মাঠে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

তিনি সোমবার(১ সেপ্টেম্বর) বিকালে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। তার বাড়ি টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ভিয়াইল গ্রামে।

তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। তার মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে তার মৃত্যুতে শোক এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়।

শফিকুল ইসলাম তালুকদার মৃত্যুকালে স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছে। মঙ্গরবার দুপুরের পর তার নামাজে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।

জানাজা শেষে বিএনপির পক্ষ থেকে মরহুমের কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এর আগে দলীয় পতাকা দিয়ে তার কফিন ঢেকে দেওয়া হয়।

জানাজার পূর্বে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে রাখেন ঢাকা বিভাগীয় বিএনপি’র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজীর আহমেদ টিটো,উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মজনু মিয়া ও কৃষক দলের সাধারন সম্পাদক মোজাম্মেল হক হিরো।

পরে দাফন শেষে মরহুম শফিকুল ইসলাম তালুকদারের পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জানান ঢাকা বিভাগীয় বিএনপি’র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজীর আহমেদ টিটো।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০২:৩৯:এএম ১০ মাস আগে
টাঙ্গাইলে জাতীয় পার্টির অফিস ভাঙচুর ও মহাসড়ক অবরোধ  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জাতীয় পার্টির অফিস ভাঙচুর ও মহাসড়ক অবরোধ 

আরমান কবীরঃ: টাঙ্গাইল জেলা জাতীয় পার্টির(কাদের) অফিস ভাঙচুর ও মহাসড়ক অবরোধ করে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা।

শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে টাঙ্গাইল শহরের থানার পাশে ছয় আনি বাজার রোড অবস্থিত জাতীয় পার্টির অফিস ভাঙচুর করা হয়।

জানা যায়, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরসহ শতাধিক নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য জাতীয় পার্টি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক হামলার প্রতিবাদে জেলা গণঅধিকার পরিষদের উদ্যোগে সকাল ১১টার দিকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি নিরালা মোড় পার হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার পাশে জেলা জাতীয় পার্টির অফিসে যায়। এসময় নেতাকর্মীরা জাতীয় পার্টির অফিস ভাঙচুর করেন। একপর্যায়ে অফিসের ভেতরে প্রবেশ করে চেয়ার ভাঙচুর করা হয়।

পরে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের আশেকপুর এলাকায় গিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করে নেতা-কর্মীরা। প্রায় ঘন্টা খানেক সেখানে খানেক অবস্থানের পর সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয় নেতা-কর্মীরা।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভীর আহম্মেদ বলেন, আমরা তাদের নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছিলাম। বর্তমানে ঐ এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করাহয়েছে।

শনিবার সকালে জেলা জাতীয় পার্টির অফিসে হামলা ও ভাংচুর চালায় গণ অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. অগাস্ট ২০২৫ ০৭:৪৬:পিএম ১০ মাস আগে
চব্বিশের আন্দোলনকারীদের ব্যবহারে দেশবাসী অতিষ্ঠ: কাদের সিদ্দিকী - Ekotar Kantho

চব্বিশের আন্দোলনকারীদের ব্যবহারে দেশবাসী অতিষ্ঠ: কাদের সিদ্দিকী

আরমান কবীরঃ বর্তমানে চব্বিশের আন্দোলনকারীদের ব্যবহারে দেশবাসী অতিষ্ঠ হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে টাঙ্গাইলে জেলা সদর রোডে অবস্থিত নিজ বাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বলেন, আমি দেশবাসী ও আন্তর্জাতিকভাবে বলতে চাই, ২৪শের আন্দোলন আমি দেশ স্বাধীন হওয়ার কাছাকাছি মনে করি। তাদের সমর্থন করি আমি, কিন্তু বর্তমানে চব্বিশের আন্দোলনকারীদের ব্যবহারে দেশবাসী অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। আমি তো ভেবেছিলাম তাদের এই বিজয় হাজার বছর চিরস্থায়ী হবে কিন্তু এক বছরে তাদের এই বিজয় ধ্বংসের দিকে চলে যাবে এইটা আমরা আশা করি নাই, আর যদি বলা যায় আওয়ামী দোসর থেকে বর্তমান সরকারের দোসররা তো বড় স্বৈরাচার।

এ সময় বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু যেমন নাহলে দেশ স্বাধীন হতো না, তেমনিভাবে লতিফ সিদ্দিকীর জন্ম না হলে টাঙ্গাইল হতো না, আমরা রাজনীতি করতে পারতাম না। বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের অবস্থা তৈরি করা দরকার, নিরাপত্তা অবস্থা জোরদার করা দরকার।’

লতিফ সিদ্দিকীর ইস্যুতে কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম বলেন, ‘সকালে ৭১ মঞ্চের আয়োজনে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে যাওয়া হলে মব সৃষ্টি করে লতিফ সিদ্দিকীকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে। আমরা চাই সম্মানের সঙ্গে তাকে ছেড়ে দেওয়া হোক। যদি তার নামে কোনো মামলা থাকে তাহলে আমরা আইনিভাবে লড়বো।’

সংবাদ সম্মেলনে জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. অগাস্ট ২০২৫ ০২:৪৪:এএম ১১ মাস আগে
টাঙ্গাইলে ‘বিআরডিবি’র’ কর্মচারী ইউনিয়নের সমাবেশ অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ‘বিআরডিবি’র’ কর্মচারী ইউনিয়নের সমাবেশ অনুষ্ঠিত

সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইলে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) কর্ম: ইউনিয়ন বি-১৯২৫ সিবিএ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের অন্তর্ভুক্ত কর্মচারী ইউনিয়নের আয়োজনে কর্মচারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৭ আগস্ট ) বিকেলে টাঙ্গাইল বিআরডিবি মহিলা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের হলরুমে এই কর্মচারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড কর্মচারী ইউনিয়ন বি-১৯২৫ সিবিপি, টাঙ্গাইল জেলার সহ-সভাপতি আবু বকর সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিআরডিবি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের নির্বাহী সদস্য এ. কে. এম. মনিরুল হক মনির।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ. কে. এম. মনিরুল হক মনির বলেন, বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসলে সকল প্রকল্প ও কর্মচারী জনবলসহ বিআরডিবিকে অধিদপ্তরে রূপান্তর করা হবে।

তিনি আরও বলেন, পজীক, পদাবিক, সদাবিক, পিইপি সকল প্রকল্প / কর্মসূচিতে কর্মরত জনবলের ন্যায় সংগত সকল দাবী বাস্তবায়ন করা হবে। বিআরডিবিতে আয় হতে দায় শোধের মত কোন প্রকল্প গ্রহণ করা হবেনা।

এসময় জেলা শ্রমিক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. জয়নাল আবেদীন, যুগ্ম-সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো: জাহিদ হোসেন, অর্থ সম্পাদক মো: আলতাফ হোসেন, নির্বাহী সদস্য মো. বরকত আলী, নির্বাহী সদস্য মো. নুরুল আলম সবুজসহ আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. অগাস্ট ২০২৫ ০৩:৪৯:পিএম ১১ মাস আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।