/ হোম / রাজনীতি
টাঙ্গাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরহাদ ইকবালের শেষ প্রচারণা মিছিল অনুষ্ঠিত  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরহাদ ইকবালের শেষ প্রচারণা মিছিল অনুষ্ঠিত 

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবালের শেষ নির্বাচনী প্রচারণা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌরউদ্যান টাঙ্গাইল সদরের বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে নির্বাচনী প্রচারণা মিছিল এসে পৌর উদ্যানে সমাবেত হয়।

পরে একটি বিশাল ও বর্ণাঢ্য মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় পৌরউদ্যানে এসে শেষ হয়।

মিছিল পূর্ব সমাবেশে অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল বলেন,টাঙ্গাইলবাসীর ভালোবাসা ও সমর্থনে আমি অভিভূত। টাঙ্গাইল সদর উপজেলা ও পৌর সভার ১৮টি ওয়ার্ড থেকে থেকে আপনারা আখেরী মিছিলে অংশ নিতে এসেছেন—এ জন্য আপনাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।

তিনি আরও বলেন,আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হতে পারলে টাঙ্গাইলকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দখলদারমুক্ত একটি শান্তিপূর্ণ শহর হিসেবে গড়ে তুলবো, ইনশাআল্লাহ।

এসময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী পক্ষ বহিরাগতদের টাঙ্গাইলে প্রবেশ করিয়ে ভোটের পরিবেশ নষ্ট করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ বিষয়ে প্রশাসনকে সতর্ক ও সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

ফরহাদ ইকবাল বলেন,আমার নেতাকর্মীদের নানাভাবে ভয়ভীতি ও হয়রানি করা হচ্ছে। তবে কেউ ভয় পাবেন না। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালটের মাধ্যমেই জনগণ এসব অপশক্তির জবাব দেবে।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শহর বিএনপির সাবেক সভাপতি মেহেদী হাসান আলীম, সদর থানা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি হাদিউজ্জামান সোহেল সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ০৩:২৬:এএম ৮ মাস আগে
টাঙ্গাইলে এমন পর্যটনশিল্প গড়ে তুলব, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার যেতে হবে না: টুকু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে এমন পর্যটনশিল্প গড়ে তুলব, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার যেতে হবে না: টুকু

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে টাঙ্গাইলে এমনভাবে পর্যটনশিল্প গড়ে তোলা হবে, যাতে আর চট্টগ্রাম বা কক্সবাজার যেতে না হয়; বরং পর্যটকরাই টাঙ্গাইলে আসবেন।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সদর উপজেলার কাতুলী ইউনিয়নের খোলাবাড়ি মাদরাসা মাঠ প্রাঙ্গণে ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত এক উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আগামী দিনে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়ে তুলতে হবে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ‘ভোট দেব ধানের শীষে, দেশ গড়ব মিলেমিশে’ স্লোগান বাস্তবায়নে তিনি কাজ করবেন। তিনি জানান, সম্প্রতি টাঙ্গাইলে নির্বাচনী সমাবেশে তারেক রহমানের কাছে টাঙ্গাইলের উন্নয়নে কয়েকটি দাবি তুলে ধরা হয়েছে। তারেক রহমানও সব দাবি পুরণের আশ্বাস দিয়েছেন।

তিনি বলেন, টাঙ্গাইল সদরের একজন মানুষও যাতে বেকার না থাকে, সেভাবেই পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। টাঙ্গাইলে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা গেলে দেড় থেকে দুই লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। এর অন্তত অর্ধেক চাকরি সদর উপজেলার মানুষের হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এতে প্রায় প্রতিটি পরিবারেই কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

চরাঞ্চলের উন্নয়ন প্রসঙ্গে টুকু বলেন, যমুনা তীরবর্তী এলাকায় স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের পর সেখানে একটি সুন্দর পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। এতে অতিরিক্ত ২০ থেকে ২৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। তখন চরের মানুষকে আর চট্টগ্রাম বা কক্সবাজার যেতে হবে না; বরং বাইরের মানুষই টাঙ্গাইলে ভ্রমণে আসবে।

বিএনপি সরকার গঠন করলে এসব দাবি বাস্তবায়ন করা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মায়েদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড এবং সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হেলথ কার্ড চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে টুকু বলেন, গতকাল একটি দলের প্রধান টাঙ্গাইলে এসেছিলেন, যাদের নাম জামায়াতে ইসলাম। কিন্তু টাঙ্গাইলের উন্নয়ন নিয়ে একটি কথাও বলেননি। জনগণের জন্য কী করতে চান, সেটাও স্পষ্ট করেননি তারা।

তিনি বলেন, মা-বোনদের কোরআন হাতে দিয়ে তারা ভোট চাইছে। ইমানদার লোক কখনো এমন করতে পারে না। এরা স্বাধীনতাবিরোধী, তাদের কর্মকাণ্ডও ইসলামবিরোধী। মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী বলেছেন, নীল নদের পানি যেমন নীল নয়, জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয়।

টুকু আরও বলেন, টাঙ্গাইলকে সন্ত্রাস, কিশোরগ্যাং ও মাদকমুক্ত একটি নিরাপদ নগরে পরিণত করতে তিনি কাজ করবেন। যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং সবাইকে নিয়ে একটি নিরাপদ টাঙ্গাইল গড়ে তোলা হবে বলে তিনি অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ০৯:৫৮:পিএম ৮ মাস আগে
‘মডেল টাঙ্গাইল জেলা’ গড়তে টুকুর ২৩ দফা উন্নয়ন অঙ্গীকার - Ekotar Kantho

‘মডেল টাঙ্গাইল জেলা’ গড়তে টুকুর ২৩ দফা উন্নয়ন অঙ্গীকার

আরমান কবীরঃ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল–৫ (সদর) আসনে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা। আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রার্থীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে। উঠান বৈঠক মতবিনিময় সভা সৌজন্য সাক্ষাৎ ও গণসংযোগে অংশ নিয়ে ভোটারদের নানা সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা শুনছেন তারা।এই আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা সাংগঠনিক সক্ষমতা ও মাঠপর্যায়ের সক্রিয়তার দিক থেকে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

তার প্রচারণাকে ঘিরে পুরো আসনজুড়ে লক্ষ্য করা যাচ্ছে ব্যাপক রাজনৈতিক তৎপরতা।এ প্রেক্ষাপটে বিএনপির ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা বাস্তবায়নের পাশাপাশি টাঙ্গাইলের সার্বিক উন্নয়ন ও রূপান্তরের লক্ষ্যে নিজের ২৩ দফা উন্নয়ন অঙ্গীকার জনগণের সামনে তুলে ধরেছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। সম্প্রতি এসব অঙ্গীকার প্রকাশের পর ভোটারদের মধ্যে নতুন করে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নকে নিরাপদ মাদকমুক্ত,চাঁদাবাজমুক্ত ও আধুনিক একটি ‘মডেল টাঙ্গাইল’হিসেবে গড়ে তোলাই তার প্রধান লক্ষ্য। জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার অঙ্গীকার করেন তিনি।তার ঘোষিত ২৩ দফা উন্নয়ন পরিকল্পনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো যমুনা নদীর স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে নদীভাঙন রোধ মাহমুদনগরে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ টাঙ্গাইলকে সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত জেলা হিসেবে গড়ে তোলা এবং টাঙ্গাইলকে শিক্ষার নগরীতে রূপান্তর।এর আগে এক নির্বাচনী জনসভায় টাঙ্গাইল সদরের উন্নয়নে সাত দফা দাবি উত্থাপন করেন টুকু। ওই জনসভায় বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান এসব দাবি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাত দফা দাবির সঙ্গে ২৩ দফা উন্নয়ন অঙ্গীকার যুক্ত হওয়ায় টাঙ্গাইলের উন্নয়ন ইস্যু নতুন মাত্রা পেয়েছে।

স্বাস্থ্য খাতে আমূল পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে টুকু বলেন, সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর মানোন্নয়ন আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা সম্প্রসারণ এবং শহর ও গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন তার অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে।যুব সমাজকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তিনি জানান যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি আইটি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ভাষা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তরুণদের দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করা হবে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহায়তা এবং ব্যবসা সহজীকরণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের বিষয়ে তিনি বলেন নারীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে সবুজ পরিবেশ গড়ে তোলা খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রসার এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর জোর দেন তিনি।বিএনপির ৩১ দফার আলোকে দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড চালু, ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সরকারি ভাতা প্রদান সবার জন্য ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করা এবং নাগরিক সেবা সহজ করতে ওয়ান কল সার্ভিস চালুর অঙ্গীকারও করেন এই বিএনপি নেতা।চাঁদাবাজমুক্ত টাঙ্গাইল গড়ে তোলা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন জনগণের প্রত্যাশা ও প্রয়োজনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে টাঙ্গাইলকে একটি আধুনিক নিরাপদ ও উন্নত জনপদে রূপান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ০২:৩৩:এএম ৮ মাস আগে
আমরা মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই : ডা. শফিকুর রহমান - Ekotar Kantho

আমরা মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই : ডা. শফিকুর রহমান

আরমান কবীরঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিগত ৫৪ বছরে অনেক নির্বাচন হয়েছে, অনেক ওয়াদা দেওয়া হয়েছে; কিন্তু ওয়াদা ওয়াদার জায়গায় রয়ে গেছে। জুলাই যুদ্ধে যুবকরা একটা দাবি করতেন : ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’। আমরা এমন বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে ইনসাফ থাকবে, যেখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকবে, নিরাপত্তা থাকবে। আমরা আগামীতে মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশব্যাপী প্রচারণার অংশ হিসেবে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যজোটের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা বসন্তের কোকিল নই। ইতিপূর্বে অনেক জুলুম-নির্যাতন সহ্য করার পরও দেশ ছাড়ি নাই, এই মাটি ছেড়ে যাই নাই। আমরা দুঃখের সময় আপনাদের সঙ্গে ছিলাম, সুখের সময়ও আপনাদের সঙ্গে থাকব। আমরা জাতিকে পিছিয়ে নিতে চাই না, আমরা জাতিকে এগিয়ে নিতে চাই। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সুষ্ঠু নির্বাচন জাতি আদায় করে ছাড়বে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটা কোনো সাধারণ নির্বাচন নয়, এটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার নির্বাচন। দেড় হাজারের বেশি জুলাই যোদ্ধাদের রক্তের বিনিময়ে এবারের নির্বাচন।’ জুলাই যোদ্ধাদের সম্মানে ‘হ্যা’ ভোটের আহ্বান জানান তিনি। এ সময় তিনি ঐক্যজোটের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সামনে টাঙ্গাইলের আটটি আসনের ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যজোট মনোনীত প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং তাদের জন্য ভোট প্রার্থনা করেন।

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের ১১ দলীয় জোটের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমীর আহসান হাবীব মাসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জামায়াতের ঢাকা উত্তরাঞ্চলের সদস্য মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, জামায়াতের কর্ম পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ খলিলুর রহমান মাদানী, জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য সাইফুল ইসলাম ও খেলাফত মজলিশের সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার শাহাবুদ্দিন প্রমুখ।

জনসভাকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন সড়কে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে জনস্রোত পরিলক্ষিত হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ০১:৩৮:এএম ৮ মাস আগে
৩১ জানুয়ারি টাঙ্গাইল আসছেন বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমান - Ekotar Kantho

৩১ জানুয়ারি টাঙ্গাইল আসছেন বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমান

আরমান কবীরঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী শনিবার (৩১ জানুয়ারি) টাঙ্গাইল সফরে আসছেন বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

এদিন ঢাকা-যমুনাসেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইল শহর বাইপাসের দরুন চরজানা এলাকায় জেলা বিএনপি আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন তিনি।

এ দিকে তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে জনসভার প্রস্তুতি ও সমাবেশস্থল পরিদর্শন করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে দরুন চরজানা বাইপাস এলাকাকে জনসভাস্থল হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়।

এ সময় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমাননের নিরাপত্তা বাহিনী (সিএসএফ)-এর সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, নির্বাচনী জনসভার সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ভেন্যু পরিদর্শন সম্পন্ন হয়েছে। টাঙ্গাইলে যেভাবে ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তাতে এই জনসভা স্মরণকালের জনসমাগমে পরিণত হবে বলে আমরা আশাবাদী। টাঙ্গাইলের জনগণ অধীর আগ্রহে আমাদের নেতা তারেক রহমানকে এক নজর দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন। তিনি আগামী দিনের বাংলাদেশ কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন। ইনশাআল্লাহ, এই জনসভা থেকেই নির্বাচনে বিজয়ের পথ আরও সুদৃঢ় হবে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে ২৯ জানুয়ারি রাজশাহী সফরের পর উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা ঘুরে ৩১ জানুয়ারি টাঙ্গাইল সফরে আসবেন তারেক রহমান। সফরের দিন দুপুর ২টায় জেলা বিএনপির আয়োজনে দরুন বাইপাস এলাকায় অনুষ্ঠিত জনসভায় তিনি বক্তব্য রাখবেন।

তার আগমনকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। জনসভা সফল করতে মঞ্চ নির্মাণ, জনসমাগম ব্যবস্থাপনা, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা পরিকল্পনাসহ সব ধরনের কাজ চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তারেক রহমানের এই জনসভাকে ঘিরে বুধবার সকাল থেকেই টাঙ্গাইল বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলার আটটি সংসদীয় আসনের নেতাকর্মীরাও এই সফরকে ঘিরে ব্যাপক আনন্দ ও উদ্দীপনা প্রকাশ করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. জানুয়ারী ২০২৬ ০২:৫৪:এএম ৮ মাস আগে
টাঙ্গাইলে বিএনপিতে যোগ দিলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের শতাধিক নেতাকর্মী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিএনপিতে যোগ দিলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের শতাধিক নেতাকর্মী

আরমান কবীরঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর হাত ধরে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ থেকে শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেছেন।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাতে টাঙ্গাইল অ্যাডভোকেট বার সমিতি মিলনায়তনে এই যোগদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় তাদের বরণ করে নেন বিএনপি নেতা সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

এ সময় সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের চরপৌলী গ্রামের শাহাদত খান, ফিরোজ, আতোয়ার খান, গোলাপ খান, মহির খান, নজরুল মেম্বার, আবু বক্কর সিদ্দিকীসহ শতাধিক নেতাকর্মী এ সময় বিএনপিতে যোগদান করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা গামছা প্রতীকের পক্ষে কাজ করেছেন। এবার সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর প্রতি আস্থা রেখে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে বিজয়ী করতে তারা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন বলেও অঙ্গীকার করেন।

যোগদান অনুষ্ঠানে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু নবাগতদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে তিনি সন্ত্রাস, মাদক, চাঁদাবাজিমুক্ত, কিশোর গ্যাংমুক্ত, নিরাপদ ও আধুনিক টাঙ্গাইল গড়ে তুলতে কাজ করবেন।

এই যোগাযোগদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, জেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক কাজী শফিকুর রহমান লিটন, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুর আলমসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. জানুয়ারী ২০২৬ ০৬:০৪:পিএম ৯ মাস আগে
টাঙ্গাইলে গণভোটের প্রচারণায় স্থবিরতা, জেলা তথ্য অফিসের বিস্ময়কর নীরবতা!  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গণভোটের প্রচারণায় স্থবিরতা, জেলা তথ্য অফিসের বিস্ময়কর নীরবতা! 

আরমান কবীরঃ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশজুড়ে ব্যাপক প্রস্তুতি চললেও টাঙ্গাইল জেলা তথ্য অফিসের কোনো প্রচার-প্রচারণা চোখে পড়ছে না। গণভোটকে কেন্দ্র করে বিস্ময়কর নীরবতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে জেলা তথ্য অফিস জুড়ে।

জেলার সাধারণ মানুষের দাবি, দ্রুততম সময়ের মধ্যে ব্যাপক প্রচারণার মাধ্যমে গণভোটের হ্যাঁ ও না ভোটের আমেজ নির্বাচনী মাঠে উজ্জীবিত করা হোক।

ভোটগ্রহণের সময় ঘনিয়ে এলেও সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে মাইকিং, ডিজিটাল ডিসপ্লে,পোস্টারিং বা উঠান বৈঠকের মতো ন্যূনতম কার্যক্রমও শুরু করেনি সংস্থাটি। ফলে রাষ্ট্র সংস্কার তথা পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ এ প্রক্রিয়া নিয়ে স্থানীয় জনমনে এক ধরনের অস্পষ্টতা ও অনাগ্রহ তৈরি হয়েছে।

সরেজমিনে জেলা সদর ও জেলার ১২টি উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান ঘুরে দেখা গেছে, গণভোটের সমর্থনে বা তথ্য সম্বলিত কোনো ডিজিটাল ডিসপ্লে বা ব্যানার টাঙ্গাইল তথ্য অফিসের পক্ষ থেকে স্থাপন করা হয়নি।

অথচ সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোটারদের সচেতন করতে তৃণমূল পর্যায়ে এ দপ্তরের প্রচারণা চালানোর কথা। প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেক ভোটার এখনও জানেন না গণভোটের ভোটদানের নিয়মাবলী। শুধুমাত্র ২-১টি স্থানে নির্বাচন কমিশনের বড় বড় ব্যানার টানানো হয়েছে।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ধরেরবাড়ি গ্রামের আজমত আলী, সবদের মিয়া, মজনু প্রামাণিক, কোনাবাড়ি গ্রামের আমজাদ আলী সরকার ও নাছির উদ্দিন; কালিহাতী উপজেলার দুর্গাপুরের আজাহার তালুকদার, ময়ছের আলী, নাগবাড়ীর আকবর সওদাগর, রতনগঞ্জের লাবু মিয়া, হোসেন আলী, বল্লা গ্রামের মিন্টু মিয়া ও আব্দুস সামাদ; নাগরপুর উপজেলার ছলিমাবাদের আব্দুল হাকিম ও নওশের তালুকদার; মির্জাপুর উপজেলার ফতেহপুরের আরশেদ আলী ও জমির উদ্দিন; সখীপুর উপজেলার মাইধারচালা গ্রামের নসীব উদ্দিন ও কালোমেঘার জমির আলী; ধনবাড়ী উপজেলার মুসুদ্দীর আবুল কাশেম ও নাজমুল হোসেনসহ বিভিন্ন উপজেলার নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গণভোট সম্পর্কে তথ্য অফিসের কোনো প্রচারণা তাদের চোখে পড়েনি।

প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে তা-ই জানেন না। তাদের কাছে হ্যাঁ ভোট বা না ভোট দিলে কী হবে সে প্রশ্ন তো অবান্তর। অনেকেই জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে অবগত হলেও গণভোট সম্পর্কে কোনো ধারণা রাখেন না।

স্ব স্ব স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, তথ্য অফিসের এই রহস্যজনক নিষ্ক্রিয়তার কারণে সাধারণ ভোটাররা গণভোট বিমুখ হতে পারেন যা মোট ভোটদানের হারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে গ্রামীণ জনপদে প্রচারণার অভাব প্রকট। রাজনৈতিক দলগুলো ও তাদের প্রার্থীরা স্ব স্ব প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা চালালেও গণভোটের বিষয়ে কোনো প্রচারণা নেই। ফলে রাষ্ট্র সংস্কারের ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে নেতিবাচকতা দেখা দিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা তথ্য অফিসের জনৈক কর্মচারী জানান, তারা মাঠ পর্যায়ে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। তবে শুধুমাত্র দুই দিন সদর উপজেলার দুই স্থানে মাইকিং করার বাইরে কোনো প্রচারণার তথ্য তিনি দিতে পারেন নাই। তারা মাঠ পর্যায়ের প্রচারণার চেয়ে দাপ্তরিক কাজেই বেশি ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে।

 

টাঙ্গাইল জেলা তথ্য অফিসের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা তাহলিমা জান্নাত জানান, বিভিন্ন দপ্তর থেকে আসা নির্দেশনা অনুযায়ী তারা বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করছেন আলাদাভাবে, তারা কোনো বিশেষ প্রচারণা চালান না। তারা গণভোটের প্রচার-প্রচারণা তৃণমূল পর্যন্ত বিস্তৃত করেছেন। তবে দু’টি স্থানে মাইকিং ব্যতীত অন্য কোনো স্থানে প্রচারণার তথ্য তিনি দিতে পারেননি।

সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, সরকারের বিভিন্ন দপ্তর থেকেই গণভোটের প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। তারা ৩৬০টি বড় বড় ব্যানার ও এক লাখ ৮০ হাজার লিফলেট বরাদ্দ পেয়েছেন। ব্যানারগুলো প্রতিটি উপজেলা ও জেলা সদরে টানানো হয়েছে। লিফলেটগুলোও দ্রুতই জনসাধারণের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. জানুয়ারী ২০২৬ ১২:১৪:এএম ৯ মাস আগে
টাঙ্গাইলে জাতীয় পার্টির অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মীর বিএনপিতে যোগদান - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জাতীয় পার্টির অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মীর বিএনপিতে যোগদান

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে জাতীয় পার্টির (জিএম কাদের) বিভিন্ন পর্যায়ের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেছেন।

সোমবার(১২ জানুয়ারি )দুপুরে বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর নির্বাচনী কার্যালয়ে যোগদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় তাদের বরণ করে নেন বিএনপি নেতা সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

এতে সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ আজাদ, হুগড়া ইউনিয়নের সাবেক সম্পাদক মফিজুর রহমান, ৫নং ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি আব্দুল লতিফ, মগড়া ইউনিয়নের সাবেক সাধারন সম্পাদক মাহবুব হাসান ৫ নং ওয়ার্ডের সভাপতি জিন্নাহ খানসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী যোগদান করেন।

বিএনপিতে যোগদান করা নেতাকর্মীরা জানান, জাতীয় পার্টি থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগদান করেছি ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে নির্বাচিত করার জন্য। সকলেই ঐক্যবদ্ধ হয়ে টুকুর জন্য কাজ করবো।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. জানুয়ারী ২০২৬ ০৯:১৮:পিএম ৯ মাস আগে
পদত্যাগ করলেন সখিপুর উপজেলা কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক - Ekotar Kantho

পদত্যাগ করলেন সখিপুর উপজেলা কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর–বাসাইল) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীকে প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়ে দল থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগের সখীপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র সানোয়ার হোসেন সজীব।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাতে তিনি দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তমের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠান।পদত্যাগপত্রে তিনি শারীরিক ও পারিবারিক সমস্যার কথা উল্লেখ করেন। রাত ৯টা ৩০ মিনিটের দিকে ওই আবেদনপত্র তিনি নিজের ফেসবুক আইডিতে প্রকাশ করেন।

এর আগে কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দেয়। এই প্রেক্ষাপটে রবিবার (৪ জানুয়ারি) রাতে সখীপুর উপজেলার সিলিমপুর এলাকায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আহমেদ আযম খানের উপস্থিতিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সানোয়ার হোসেন সজীব তাকে সমর্থন জানিয়ে বক্তব্য দেন।

ওই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এ সময় কেউ কেউ দাবি করেন, তিনি কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগ ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন।

তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন সানোয়ার হোসেন সজীব। সোমবার রাত ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে তিনি বলেন,‘আমি শুধু কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার জন্য চিঠি দিয়েছি। অন্য কোনো দলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেইনি। আপাতত রাজনীতির বাইরে আছি।’

নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন,‘আমি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর দলের রাজনীতি করেছি। বিএনপিও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দল এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি। সে কারণে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে আমার অবস্থান থেকে যতটুকু সম্ভব সমর্থন থাকবে।

এবিষয়ে কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগের কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে দলের কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুন্নবী সোহেল তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন,‘রাজনৈতিক দল একটি আদর্শিক ঠিকানা। এখানে কেউ আসে, কেউ যায়, কেউ নিষ্ক্রিয় হয়—এটাই স্বাভাবিক। দল এগিয়ে যাবে জনতার সমর্থনে, তার আপন মহিমায়।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. জানুয়ারী ২০২৬ ০২:০৭:এএম ৯ মাস আগে
এবার উৎসবমুখর পরিবেশে জনগণ ভোট দেবে: টুকু  - Ekotar Kantho

এবার উৎসবমুখর পরিবেশে জনগণ ভোট দেবে: টুকু 

আরমান কবীরঃ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবার দেশের মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় টাঙ্গাইল জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিজের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার পর সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দীর্ঘদিন পর দেশে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে মানুষ ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়নি। এবার উৎসবমুখর পরিবেশে জনগণ ভোট দেবেন।

এখন পর্যন্ত প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সবার জন্য সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করা জরুরি। প্রশাসন সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা বজায় রাখবে, এটাই জনগণের প্রত্যাশা।

গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানিয়ে টুকু আরও বলেন, জনগণ সুযোগ দিলে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ও কিশোরগ্যাংমুক্ত করে একটি নিরাপদ টাঙ্গাইল গড়ে তোলা হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী, টাঙ্গাইল-২(ভূঞাপুর–গোপালপুর) আসনের বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আবদুস সালাম পিন্টু, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আজগর আলীসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।

এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর বিএনপি থেকে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে টাঙ্গাইল-৫ সদর আসনের চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়। পরে ২১ ডিসেম্বর তিনি জেলা নির্বাচন অফিস থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন এবং ২৯ ডিসেম্বর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

উল্লেখ্য, প্রথমবারের মতো টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। ছাত্রদল ও যুবদলের সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। বর্তমানে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. জানুয়ারী ২০২৬ ০২:০৯:এএম ৯ মাস আগে
টাঙ্গাইলের ৮টি আসনে ২৮ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের ৮টি আসনে ২৮ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

আরমান কবীরঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলের আটটি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে পর ২৮ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে শনিবার ও শুক্রবার দুই দিনের যাচাই-বাছাইয়ে এসব মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইলের আটটি আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মোট ৬৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে বিভিন্ন ত্রুটি ও শর্ত পূরণ না করায় ২৮ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এর মধ্যে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) চারটি আসনের নয়জন এবং শনিবার (৩ জানুয়ারি) বাকি চারটি আসনের ১৯জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।

শনিবার সকাল ১০টায় টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিভিন্ন কারণে পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। তারা হচ্ছেন- গণসংহতি আন্দোলনের ফাতেমা আক্তার, খেলাফতে মজলিসের হাসনাত আল আমিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জাকির হোসেন, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির হাসরত খান ভাসানী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ছানোয়ার হোসেন।

টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলমুয়ার) আসনে আসনে মোট ১২ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তারা হচ্ছেন- স্বতন্ত্র প্রার্থী জুয়েল সরকার, রিপন মিয়া, শরিফুল ইসলাম, সাইফুর রহমান ও জাতীয় পার্টির মো. মামুনুর রহিম।

টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে ৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জনের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। তারা হচ্ছেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এটিএম রেজাউল করীম আল রাজি, স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজ হায়দার খান, খেলাফত মজলিসের মো. আবু তাহের।

টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৬ জনের প্রার্থীতা বাতিল হয়েছে। তারা হচ্ছেন- বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টির আওয়াল মাহমুদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল ফজল মাহমুদুল হক, এসএম হাবিবুর রহমান, হাবিবুর রহমান কামাল, আমজনতা দলের মো. আলমগীর হোসেন, খেলাফত মজলিসের মো. শহিদুল ইসলাম।

এর আগে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) চারটি আসনের নয়জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মোহাম্মদ আলী, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোন্তাজ আলী এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হারুন অর রশীদের মনোনয়ন বাতিল হয়। টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মনোয়ার হোসেন সাগরের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

টাঙ্গাইল-৩(ঘাটাইল) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আইনিন নাহার ও শাহজাহান মিয়া।টাঙ্গাইল-৪(কালিহাতী) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আলী আমজাদ হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হালিম মিঞা ও ডা. শাহ আলম তালুকদারের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, দুই দিনের যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়ন বাতিলের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে- এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে ত্রুটি, আয়-ব্যয়ের সত্যায়িত কপি জমা না দেওয়া, সর্বশেষ আয়কর রিটার্ন দাখিল না করা এবং অবসর পরবর্তী নির্ধারিত সময় পূর্ণ না হওয়া। মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত স্থানে ঝুলিয়ে দেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. জানুয়ারী ২০২৬ ১২:০৬:এএম ৯ মাস আগে
টাঙ্গাইল সদরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল সদরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল

আরমান কবীরঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শরীফা হকের কাছে তার মনোনয়ন পত্র জমা দেন।

এসময় ফরহাদ ইকবালের মনোনয়ন পত্রের প্রস্তাবকারী, সমর্থনকারী ও দলীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মনোনয়ন পত্র জমা দেয়ার পর ফরহাদ ইকবাল সাংবাদিকদের বলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মানুষ সদর উপজেলার ছেলেকেই এমপি নির্বাচিত করতে চায়। সদর উপজেলাবাসীর চাওয়া কে শ্রদ্ধা জানিয়ে আমি মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছি। আমি এখনও বিশ্বাস করি দলীয় নেতৃবৃন্দ তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে আমাকেই সমর্থন দিবে। নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী টাঙ্গাইল সদরের জনগন ব্যালট বিপ্লব ঘটিয়ে আমাকে বিজয়ী করবে।

উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত টাঙ্গাইল-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

 

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. ডিসেম্বর ২০২৫ ০১:২৮:এএম ৯ মাস আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।