/ হোম / রাজনীতি
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তিঃঃপ্যানেল মেয়র স্বপন আ’লীগ থেকে বহিষ্কার - Ekotar Kantho

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তিঃঃপ্যানেল মেয়র স্বপন আ’লীগ থেকে বহিষ্কার

একতার কণ্ঠঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে কটূক্তি করার কারণে টাঙ্গাইল পৌরসভার প্যানেল মেয়র হাফিজুর রহমান স্বপনকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।রোববার(১৩ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম এমপি স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ওই বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়।তিনি টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি পদে ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৫ জুন প্যানেল মেয়র হাফিজুর রহমান শহরের আকুরটাকুর পাড়ায় একটি জমি পরিমাপকে কেন্দ্র করে ওই জমির মালিকের জামাতার সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেন।

কথা বলার একপর্যায়ে তিনি তাঁকে বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও মানি না’। তা ছাড়া তিনি নানা অশ্লীল বক্তব্য দেন।

তাঁর ওই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।অনেকেই তাঁকে বহিষ্কারের দাবি জানান।

এ বিষয়ে শহর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আহমদ মজিদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ঘোষণা দেন হাফিজুর রহমান স্বপনকে দল থেকে বহিষ্কার করা না হলে তিনি পদত্যাগ করবেন।

এর আগে গত ৯ জুন প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে কটূক্তির কারণে ১৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় পৌরসভার ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আতিকুর রহমান মোর্শেদ বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেন।

এ ছাড়া মুঠোফোনে হুমকি দেওয়ার ঘটনায় শহরের আকুরটাকুর পাড়ার প্রয়াত আশরাফ চৌধুরীর জামাতা মফিজুর রহমান টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, হাফিজুর প্রথমে ছাত্রদল ও পরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০১৪ সালের জুন মাসে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন।

যোগদানের পরই তিনি প্রথমে পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও পরে সহ-সভাপতির দায়িত্ব পান। তিনি টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে পর পর চার বার কাউন্সিলর নির্বাচিত হন।

সর্বশেষ, গত ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত পৌরসভা নির্বাচনে কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর প্যানেল মেয়রের দায়িত্ব পান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. জুন ২০২১ ০২:৫৪:এএম ৫ বছর আগে
মওলানা ভাসানীর স্মৃতি বিজরিত গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

মওলানা ভাসানীর স্মৃতি বিজরিত গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ  মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর স্মৃতি বিজরিত নানা প্রজাতির গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি ও সমাবেশ করেছে বিভিন্ন সংগঠন। বুধবার(৯ জুন) দুপুরে বৃষ্টি উপেক্ষা করে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(মাভাবিপ্রবি) ভিসি প্রফেসর ড. মো. আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে গাছ কাটা সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমি সমস্যা সমাধান না করার অভিযোগ তুলে ওই মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে অংশ নেয়- মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশন, মওলানা ভাসানী অনুসারী পরিষদ, খোদা-ই-খেদমতগার, মওলানা ভাসানী আদর্শ অনুশীলন পরিষদ, মওলানা ভাসানী মুরিদানও অনুসারী সংঘ, মওলানা ভাসানী স্মৃতি সংসদ, মওলানা ভাসানী স্মৃতি পরিষদ, মওলানা ভাসানী পরিষদ, মওলানা ভাসানী আদর্শ কলেজ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হাই স্কুল, ইসলামী

বিশ্ববিদ্যালয় সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্বদ্যিালয় সরকারি শিশু স্কুল, রাণী দীনমনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্বদ্যিালয় সূচী শিল্প স্কুল, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় তালিমাতে কোরআন ও সুন্নাহ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) ভিসি প্রফেসর ড. মো. আলাউদ্দিন অনিয়মতান্ত্রিকভাবে মওলানা ভাসানীর প্রতিষ্ঠিত অন্যান্য ৭টি প্রতিষ্ঠানের ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা মূল্যের ৫১টি গাছ কেটে বিক্রি করেছেন। আরও গাছ কাটার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন।

বক্তারা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট করে এসব গাছ কাটা বন্ধের দাবি জানান। যেসব গাছ কাটা হয়েছে সেগুলো বিক্রির টাকা সরকারের কোষাগারে জমা দেওয়ার দাবি করেন। নতুন করে আর কোন গাছ কেটে যেন স্থানীয় পরিবেশ নষ্ট না করতে পারে এজন্য সরকারের হস্তক্ষেপও কামনা করেন বক্তারা।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, ভাসানী পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা বুলবুল খান মাহবুব, টাঙ্গাইল জেলা সিপিবি’র সভাপতি অধ্যক্ষ আবদুর রাজ্জাক, সাধারণ সম্পাদক ওয়াহেদুজ্জামান মতি, ভাসানী ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক সানু,

ইসলামিক বিবি শিশু স্কুলের প্রধান শিক্ষক আফরোজা বেগম, রাণী দীণমনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামিমা ইসলাম, মওলানা ভাসানী আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন, ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় বালক হাই স্কুলের সহকারী শিক্ষক

মামুনুর রহমান, মওলানা ভাসানী মুরিদান অনুসারী সংঘের সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ আজাদ, মানবাধিকার কর্মী আবদুল গনি আলরুহি, ভাসানী স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক এনায়েত করিম, ভাসানী অনুসারী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শোভা খানসুর প্রমুখ ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. জুন ২০২১ ০১:০৩:এএম ৫ বছর আগে
ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ  আল-আকসা মসজিদে নামাজরত মুসল্লিদের উপর হামলা ও ফিলিস্তিনে মুসলিম গণহত্যার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।শুক্রবার(২১ মে) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে খেলাফত মজলিস এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

এতে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. ফরহাদ ইকবাল, জেলা খেলাফত মজলিসের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শহিদুল ইসলাম, সহ-সভাপতি হাফেজ নুর হোসেন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোর্শেদ খান, সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার ইমরান আসাদ প্রমুখ।

এ সময় আল-আকসা মসজিদে নামাজরত মুসল্লিদের উপর হামলার তীব্র নিন্দা ও ফিলিস্তিন  মুসলিম গণহত্যা বন্ধের দাবি জানিয়ে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।মানববন্ধনে  জেলা খেলাফত মজলিসের অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. মে ২০২১ ১২:২১:এএম ৫ বছর আগে
সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে হেনস্তার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে সুজনের মানববন্ধন - Ekotar Kantho

সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে হেনস্তার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে সুজনের মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ প্রথম আলোর সিনিয়র সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে হেনস্থা, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বৃহস্পতিবার(২০ মে) সকালে টাঙ্গাইলে সুজন(সুশাসনের জন্য নাগরিক) টাঙ্গাইল জেলা কমিটির উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সুজন টাঙ্গাইল জেলা কমিটির সভাপতি খান মোহাম্মদ খালেদ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক তরুণ ইউসুফ, সহ-সভাপতি অধ্যাপক বাদল মাহমুদ, সুজন ভূঞাপুর উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ দত্ত, অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. মে ২০২১ ০১:৫৫:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে লকডাউনে কর্মহীনদের মাঝে ছাত্রলীগের ইফতার বিতরণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে লকডাউনে কর্মহীনদের মাঝে ছাত্রলীগের ইফতার বিতরণ

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে টাঙ্গাইলে লকডাউনের ফলে কর্মহীন হয়ে পড়া দুস্থ-অসহায় মানুষের মাঝে শহর ছাত্রলীগের উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশনায় মঙ্গলবার(২০ এপ্রিল) বিকালে টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকায় আওয়ামী লীগের আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে ওই ইফতার সামগ্রী দুস্থ ও অসহায়দের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

টাঙ্গাইল শহর ছাত্রলীগের সভাপতি মীর ওয়াসেদুল হক ও সাধারণ সম্পাদক কায়ছার হাসান পাপ্পু সহ ছাত্রলীগ নেতারা স্থানীয় চার শতাধিক অসহায় রোজাদারের হাতে ইফতার সামগ্রীর প্যাকেট তুলে দেন। পুরো রমজান মাস জুড়ে এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে নেতারা জানান।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. এপ্রিল ২০২১ ০১:৫৩:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সদর উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সদর উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে স্বাস্থ্যবিধি মেনে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে ছিন্নমূল মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার(১৯ এপ্রিল) বিকালে টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেনের সার্বিক সহযোগিতায় শহরের কাগমারী, সন্তোষসহ আশে পাশে এলাকায় ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা নবীন, জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক তানভীরুল ইসলাম হিমেল ও শাফিউল আলম মুকুল, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কাইয়ুম চাকলাদার, সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ ফরিদ, সহ-সভাপতি আরিফুল ইসলাম বাচ্চু, জেলা ছাত্রলীগের সদস্য রওনক সবুজ বাবু, রুহুল আমিন রানা, জুয়েল রানা, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের রতন চাকলাদার, বিজয়সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এ সময়  কাগমারী, সন্তোষসহ আশে পাশে এলাকার ১২০ জনের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. এপ্রিল ২০২১ ০২:৩০:এএম ৫ বছর আগে
একাত্তরের এই দিনে শহীদ হন ছাত্রনেতা আলী আজগর - Ekotar Kantho

একাত্তরের এই দিনে শহীদ হন ছাত্রনেতা আলী আজগর

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল ছাত্রনেতা আলী আজগর টাঙ্গাইলের কালিহাতী বাসস্ট্যান্ডে তৎকালীন ঢাকাইয়া হোটেলে (গ্রীন হোটেল) অবস্থান করছিলেন। এ অবস্থায় পাকিস্তানি হানাদাররা আচমকা এসে গুলি করলে তিনি শাহাদৎ বরণ করেন। পরে শহীদ আলী আজগরকে কালিহাতীর ঝগড়মান কবরস্থানে দাফন করা হয়।

শহীদ আলী আজগর টাঙ্গাইলের কালিহাতী পৌরসভার সাতুটিয়ায় ১৯৫০ সালের ৩১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মুন্সী আলীম উদ্দিন এবং মাতার নাম হালিমা বেগম। ছোটবেলা থেকেই আলী আজগর ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ও মিশুক স্বভাবের। তিনি ১৯৬৬ সালে কালিহাতী রামগতি শ্রীগোবিন্দ (আরএস) পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন। এরপর ভর্তি হন টাঙ্গাইলের কাগমারীর মওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজে। নিজ দক্ষতায় ধীরে ধীরে হয়ে উঠেন তুখোড় ছাত্রনেতা। আলী আজগর ১৯৬৮-৬৯ কার্যসালে কাগমারী কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) নির্বাচিত হন। ছাত্রলীগের নেতা হিসেবে তিনি তৎকালীন সময়ে সরকার বিরোধী বিভিন্ন আন্দোলন- সংগ্রামে সাহসের সাথে নেতৃত্ব দিয়েছেন। মওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেন। কালিহাতী তথা টাঙ্গাইলে মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠক হিসেবে কাজ করতেন।

শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আলী আজগরের বিশেষ গেজেট নং- ১৫৬৫, শহীদ নং- ০২, মুক্তিবার্তা লালবই নং- ০১১৮০২০৫৩৬, বাংলাদেশ গেজেট নং- ২৪১০। শহীদ আলী আজগরের তিন ভাই কছিম উদ্দিন, আব্দুল করিম ও আব্দুল হামিদ এবং চার বোন ফুলজান নেছা, শামছুন্নাহার বেগম, আয়েশা বেগম ও আমেনা বেগম।

শহীদ আলী আজগরকে আজও শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন তার এলাকাবাসী। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্যোগে আলী আজগরের স্মৃতি সংরক্ষণে কালিহাতীতে গঠণ করা হয়েছে শহীদ আলঅ আজগর নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। কালিহাতী বাসস্ট্যান্ডের পূর্বপাশে ১৯৯০ সালে ১০/১৫ ফিটের একখন্ড জমি ১ টাকার বিনিময়ে কালিহাতী কলেজ কর্তৃপক্ষ সংঘটির নামে বরাদ্দ করে।

 

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. এপ্রিল ২০২১ ০৩:৫৮:এএম ৫ বছর আগে
করোনায়  টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সম্পাদক মনিরুজ্জামান বুলবুলের  মৃত্যু - Ekotar Kantho

করোনায় টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সম্পাদক মনিরুজ্জামান বুলবুলের মৃত্যু

একতার কণ্ঠ  ডেস্কঃ  টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান বুলবুল (৬০) করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। বুধবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে ঢাকায় জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তার ভাই কামরুজ্জামান খান জানান, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর তাকে পহেলা এপ্রিল এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার আড়াইটার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মরদেহ টাঙ্গাইল আনা হবে। তারাবির নামাজের পর টাঙ্গাইল  কেন্দ্রীয় গোরস্থান মসজিদে  জানাযা শেষে তাকে দাফন করা হবে বলে তিনি জানান।

প্রকাশ,  নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে টাংগাইল সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক, টাংগাইল জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি, টাংগাইল জেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনিরুজ্জামান  ‍বুলবুল দায়িত্ব পালন করেছেন।

মনিরুজ্জামান বুলবুল ১৯৯৭ সালে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে ২০০৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি ৯০ দশকে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি  হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি মৃত্যুকালে স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. এপ্রিল ২০২১ ০২:২২:এএম ৫ বছর আগে
ভাসানী পরিষদ স্মরণ করল মওলানা ভাসানীর বসতবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার দিন - Ekotar Kantho

ভাসানী পরিষদ স্মরণ করল মওলানা ভাসানীর বসতবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার দিন

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে ভাসানী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি স্মরণ করলো পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক মওলানা ভাসানীর সন্তোষের বসতবাড়ি, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নির্মিত ও নির্মানাধীন গৃহাদী ও দরবার হল পুড়িয়ে দেয়া দিন। এ উপলক্ষে রবিবারস (৪ এপ্রিল) বিকাল ৫ টায় টাঙ্গাইলের সন্তোষে ঐতিহাসিক দরবার হলে একটি পাঠচক্রের আয়োজন করা হয়।

এতে সভাপতিত্ব এবং বিভিষিকাময় সেই দিনের ঘটনাপ্রবাহ বর্ণনা করেন মোহাম্মদ হোসেন। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আজাদ খান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ভাসানী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব আজাদ খান ভাসানী। আরো উপস্থিত ছিলেন প্রগতিশীল বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

দিবসটি স্মরণে ভাসানী পরিষদ উপদেষ্টা মোহাম্মদ হোসেন শুরুতেই মওলানা ভাসানীর সেই সময়কার বসত-ভিটা চিহ্নিত করেন এবং উপস্থিত সকলে তা সংরক্ষণের জন্য জোর দাবি জানান।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত্রি দ্বিপ্রহরে পাকিস্তানি হানাদাররা সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর। আক্রমণ করে আধাসামরিক বাহিনীর দপ্তর পিলখানা, পুলিশ সদর দপ্তর রাজারবাগ আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে। এর মধ্যদিয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা আসে আর ২৬ মার্চ শুরু হয় প্রতিরোধ ও স্বাধীনতা যুদ্ধ। এই যুদ্ধে ইয়াহিয়া-টিক্কা বাহিনীর একটি প্রধান আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু ছিল টাঙ্গাইল, বিশেষত সন্তোষ। ৩ এপ্রিল তারা টাঙ্গাইলে এবং ৪ এপ্রিল মওলানা ভাসানীর খোঁজে সন্তোষে প্রবেশ করে। সেখানে তাঁকে না পেয়ে তারা তাঁর বসতবাড়ি এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নির্মিত ও নির্মানাধীন গৃহাদীতে আগুন ধরিয়ে দেয়। মুহুর্তেই ছাঁই হয়ে যায় তাঁর স্বপ্নের ক্যাম্পাস, বসতবাড়ি। পুড়ে যায় স¤্রাট আওরঙ্গজেবের হাতে লিখা কোরআন শরীফসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ দলিল-দস্তাবেজ। এরপর তারা পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় তাঁর প্রিয় সন্তোষ দরবার হলে। কিন্তু অলৌকিকভাবে কিছুক্ষণের মধ্যে তা নিভে যায়। অতপরঃ সন্তোষে ভাসানীকে না পেয়ে ৬ এপ্রিল রোজ মঙ্গলবার বর্বর হানাদাররা মাইল দু’য়েক পশ্চিমে বিন্যাফৈর গ্রামে প্রবেশ করে। হানাদাররা গ্রামটিকে চতুর্দিক থেকে ঘিরে ফেলে এলোপাথাড়ি গোলাগুলি শুরু করলে গ্রামবাসী দিক-বিদিক ছুটে পালাচ্ছিল। মওলানা ভাসানী হানাদার বাহিনীর বিন্যাফৈর উপস্থিতিতে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে প্রথমে বাড়ির উত্তর দিকের পুকুর পাড়ে অবস্থান নেন এবং পরবর্তীতে গান-পয়েন্টে এগিয়ে আসা হানাদারদের পাশ দিয়েই চাঁদর মুড়ি দিয়ে হাটুরে জনতার সাথে মিশে পশ্চিম দিকে চলে যান। এক সময়ে স্ট্রেচার বুলেট দিয়ে দূর থেকেই আগুন ধরিয়ে দেয়া হয় তাঁর এই বাড়িতে। এতটুকু ঘটাতে সাকুল্যে পাঁচ মিনিটের মতো লেগেছিল; কিন্তু কার্যত একটা একতরফা যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। মওলানা ভাসানী আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং প্রত্যুৎপন্নমতিত্বে ছদ্মবেশে তা মোকাবেলা করে যমুনার চরের দিকে চলে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে সিরাজগঞ্জ হয়ে নৌকাযোগে ধলেশ্বরী-যমুনা হয়ে রৌমারীর নামাজের চর সীমান্ত দিয়ে তিনি ১৫-১৬ এপ্রিল ভারতে প্রবেশ করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. এপ্রিল ২০২১ ০৩:৫৯:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিএনপির সহযোগী সংগঠনের তিন নেতাকর্মী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিএনপির সহযোগী সংগঠনের তিন নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করার চেষ্টাকালে তিনজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতায় শনিবার(২৭ মার্চ) বিক্ষোভ মিছিল বের করার সময় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম বাবু, জেলা মৎস্যজীবীদলের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা ও জেলা যুবদলের সদস্য কামাল হোসেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার দুপুরে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে যুবদল-ছাত্রদলের ব্যানারে শহরের রেজিষ্ট্রিপাড়া থেকে একটি বিক্ষোভ বের করার চেষ্টা করলে পুলিশ তাতে বাঁধা দেয়। এসময় পুলিশের সাথে নেতাকর্মীদের মধ্যে বাকবিতন্ড ও ধস্তাধস্তি হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে তাদের ধাওয়া করলে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এসময় ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, বিএনপির সহযোগী সংগঠনের তিন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি জানান, পুলিশের গাড়িতে হামলার চেষ্টাকালে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. মার্চ ২০২১ ০৪:৫১:এএম ৫ বছর আগে
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী উদযাপিত - Ekotar Kantho

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী উদযাপিত

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের  সন্তোষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মহান স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। শুক্রবার(২৬ মার্চ) সকাল ৮ টা ৩০ মিনিটে প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা ও বেলুন উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ক্যাম্পাসস্থ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল, মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর মাজার এবং মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা ভাষ্কর্য প্রত্যয়’ ৭১ এর পাদদেশে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আলাউদ্দিন শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন।

এ সময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, চেয়ারম্যান, হল প্রভোস্ট, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া প্রত্যয়’ ৭১ এ অন্যান্য সংগঠনের মধ্যে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন অফিসার্স এসোসিয়েশন, ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতি, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক পরিষদ, ভাসানী পরিষদ, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বাঁধন এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসস্থ বিভিন্ন সংগঠন। স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে সকাল ১০ টায় কেক কাটা ও আলোকচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) রাত ৯.০১ মিনিটে জাতীয় গণহত্যা দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ মিনিট বিদ্যুৎসহ সব ধরনের বাতি বন্ধ রেখে ‘ব্লাক-আউট’ করা হয়। পরে প্রত্যয়’ ৭১ এর পাদদেশে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়।

এছাড়া বাদ জুম্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. মার্চ ২০২১ ০১:১৩:এএম ৫ বছর আগে
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উদযাপিত - Ekotar Kantho

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উদযাপিত

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর জন্ম শতবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস-২০২১ উপলক্ষে বুধবার(১৭ মার্চ) বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।

সকালে প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা, বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা ও বেলুন উত্তোলন করে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আলাউদ্দিন।

এরপর একটি আনন্দ র‌্যালী ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কেক কাটা ও আলোকচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এ সময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, চেয়ারম্যান, হল প্রভোস্ট, অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশন নেতৃবৃন্দ, ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতির নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া অন্যান্য সংগঠনের মধ্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বঙ্গবন্ধু পরিষদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক পরিষদ, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ, ভাসানী পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠন।

বেলা  ১১ টায় স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে হিলিয়াম বেলুন উড্ডয়ন করা হয়। এছাড়া বঙ্গবন্ধু পরিষদ কর্তৃক পথ শিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। বাদ যোহর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া ও মিলাদ এবং মন্দিরে প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধুর বায়োগ্রাফী, তথ্যচিত্র প্রদর্শন, আতশবাজী ও ফানুস উড়ানো হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. মার্চ ২০২১ ০২:৪৪:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।