/ হোম / রাজনীতি
টাঙ্গাইলে ১৩ ইউপিতে আ. লীগ, ৫টিতে বিদ্রোহী প্রার্থীর জয় - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ১৩ ইউপিতে আ. লীগ, ৫টিতে বিদ্রোহী প্রার্থীর জয়

 একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ৩ উপজেলায় ১৮টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ১৩টিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এবং ৫টিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) মধ্যরাতে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সখীপুর উপজেলায় এ ইউনিয়নে ৪টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে দুইটিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও দুইটিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

কাকড়াজান ইউনিয়ন: এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী দুলাল হোসেন ১৪ হাজার ৯৪৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী তারিকুল ইসলাম বিদ্যুৎ পান ৬৮৭৫ ভোট।
বহেড়াতৈল ইউনিয়ন: এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ওয়াদুদ হোসেন বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পান ৯ হাজার ৪২। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি হন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী গোলাম ফেরদৌস তিনি পান ৬ হাজার ১৪৭ ভোট।

যাদবপুর ইউনিয়ন: এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী একেএম আতিকুর রহমান ১০ হাজার ২৯১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী খন্দকার বজলুর রহমান বাবুল পান ৬ হাজার ১৫৮।

বহুরিয়া ইউনিয়ন: এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সরকার মোহাম্মদ নূরে আলম মুক্তা নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পান ৮ হাজার ৭০৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগের প্রাথী গোলাম কিবরিয়া সেলিম পান ৬ হাজার ২১৭ ভোট।

 

ধনবাড়ী উপজেলা: এ উপজেলায় ৪টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে এবং ৩টিতে সাধারণ ও সংরক্ষিত পদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ৩টিতে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ও ১ টিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হয়েছে। অপরদিকে মুশুদ্দি, বীরতারা এবং বলিভদ্র ইউনিয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়।

ধোপাখালী ইউনিয়ন: এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আকবর হোসেন বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পান ৮ হাজার ৮৯৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী কামাল হোসেন তালুকদার পান ৪ হাজার ১৩৭ ভোট।

যদুনাথপুর ইউনিয়ন: এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মীর ফিরোজ আহমেদ বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পান ১৬ হাজার ৩৩৪ জন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ পান ৭১৫ জন।

বানিয়াজান ইউনিয়ন: এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রাথী রফিকুল ইসলাম তালুকদার ফটিক ৯ হাজার ৩৫০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী মাসুদ আলম পান ১ হাজার ১৯ ভোট।

পাইস্কা ইউনিয়ন: এ ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী (ঘোড়া) জাহাঙ্গীর আলম ৭ হাজার ৩৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী আরশেদ আলী পান ২ হাজার ৩৬৫ ভোট।

 

এছাড়া বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত প্রার্থীরা হলেন- বলিভদ্র ইউনিয়নে রফিকুল ইসলাম, মুশুদ্দিতে আবু কায়সার ও বীরতারাতে আমহেদ আল-ফরিদ। এরা সবাই আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থী ছিলেন।

দেলদুয়ার উপজেলা: এ উপজেলায় ৭টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে ৫টিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও দুইটিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

ডুবাইল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইলিয়াস মিয়া, ফাজিলহাটী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শওকত আলী, দেলদুয়ার সদরে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাসুদ উজ্জামান খান, পাথরাইল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী রাম প্রসাদ ও দেউলী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী প্রার্থী দেওয়ান তাহমিনা হক বিজয়ী হয়েছে। এছাড়া লাউহাটী ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহীন মোহাম্মদ খান ও এলাসিন ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মানিক রতন বিজয়ী হয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. নভেম্বর ২০২১ ০১:১৮:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুককে সংর্বধনা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুককে সংর্বধনা

একতার কণ্ঠঃ জাতীয় পর্যায়ে ২১ শে পদক প্রাপ্ত টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুককে সংর্বধনা দেওয়া হয়েছে। সোমবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল প্রি-ক্যাডেট স্কুলের উদ্যোগে ওই সংর্বধনা  প্রদান করা হয়।

সংর্বধনা অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক।

বিশেষ অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইলের সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল ইমরান, ষাটের দশকের অন্যতম কবি বীর মুক্তিযোদ্ধা বুলবুল খান মাহবুব, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র সিরাজুল হক আলমগীর, মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় পরিষদের যুগ্ম- সম্পাদক ড. জান্নাত আরা হেনরী, টাঙ্গাইল বাস মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার নাজিম উদ্দিন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এড. জাফর আহমেদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রিন্সিপাল শাহানা বেগম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন টাঙ্গাইল প্রি-ক্যাডেট স্কুল এর পরিচালনা পরিষদের সদস্য হারুন-অর-রশিদ।

এ সময় ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী-অভিভাবক, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. নভেম্বর ২০২১ ০২:৪৮:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিএনপির ৭ই নভেম্বেরের অনুষ্ঠানে শ্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে হট্টগোল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিএনপির ৭ই নভেম্বেরের অনুষ্ঠানে শ্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে হট্টগোল

একতার কণ্ঠঃ ৭ই নভেম্বরের কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি আয়োজিত অনুষ্ঠানে শ্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে হট্টগোলের সৃস্টি হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকরা ওই ছবি তুলতে গেলে বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাতে বাঁধা প্রদান  করেন।টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির নব গঠিত আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু অনুষ্ঠানে হট্টগোলের বিষয়টি অস্বীকার করেন।

রবিবার( ৭ নভেম্বর) দুপুরে শহরের জেলা সদর রোড় সংলগ্ন সোনার বাংলা কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত আলোচনা সভায় ওই হট্টগোল ও  বাঁধা দেওযার ঘটনাটি ঘটে।

অনুষ্ঠানে আলোচনা চলাকালীন সময় স্লোগান দেওয়ায় বিএনপির টাঙ্গাইল জেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক এড.ফরহাদ ইকবাল ও জেলা যুবদলের আহবায়ক আশরাফ পাহেলীর সমর্থকদের মধ্যে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত কেন্দ্রিয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।এসময় বিশৃঙ্খলার চিত্র ধারন করতে গেলে সাংবাদিকদের বাধা দেন বিএনপির কর্মী সমর্থকরা।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এড. ফরহাদ ইকবাল বলেন, অনুষ্ঠানে বক্তব্য চলাকালিন সময়ে স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে কিছুটা বিশৃঙ্খলা সৃস্টি হলেও তা তাৎক্ষনিক ভাবে সমাধান করা হয়েছে।

জেলা যুবদলের আহবায়ক আশরাফ পাহেলী বলেন, স্লোগান কোন ভাইয়ের নামে হবেনা। স্লোগান হবে নেতাদের নামে। তবে যতটুকু বিশৃঙ্খলা হয়েছিলো তা ওই সময়েই মিমাংসা করা হয়েছে।

আলোচনা সভায় টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহবায়ক আহমেদ আযম খানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারন সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক পানি সম্পদ মন্ত্রী গৌতম চক্রবর্তী, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক হাসানুজ্জামিল শাহিন ও এড. ফরহাদ ইকবাল প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু।

এসময় জেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, শ্রমিকদল, মহিলাদলসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. নভেম্বর ২০২১ ০২:০৩:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

একতার কণ্ঠঃ আগামী তিন মাসের জন্য টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানকে আহ্বায়ক ও মাহমুদুল হককে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

বুধবার (৩ নভেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রেজভী ৪৬ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটির অনুমোদন দেন।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুজ্জামিল শাহীন, ফরহাদ ইকবাল, কাজী শফিকুর রহমান লিটন, অমল ব্যানার্জি, দেওয়ান সফিকুল ইসলাম, সদস্য বেনজির আহমেদ টিটু, শ্যামল হোড়, আলী ইমান তপন, সাইদুল হক সাদু, ফাইজুর রহমান, সফিকুল ইসলাম রিপন, আব্দুল আজিজ চাঁন খা, শাহজাহান সাজু, আবুল কালাম মোস্তফা লাবু, এম এ সালাম, মোয়াজ্জেম হোসেন, আতাউর রহমান জিন্নাহ, সরকার শহীদ, জি এস বাবুল, আলমগীর হোসেন, খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম রুবেল, সিরাজুল হক সানা, গোলাম মোস্তফা, জাকির হোসেন, এনামুল করিম অটল, আবুল কাশেম, আব্দুল কাদের, সৈয়দ শাহিন, আশরাফ পাহেলী, খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, তারিকুল ইসলাম ঝলক, সফিকুল ইসলাম সফিক, রফিকুল ইসলাম স্বপন, শাহিন আকন্দ, ইজাজুল হক সবুজ, নুরে আলম সাদেক, রক্সি মেহেদী, শামসুল আলম, শামীম হাসান স্বপন, দীপু হায়দার খান, খ. আ. মোকাদ্দেস, আনিস চৌধুরী, মনিরুল ইসলাম মনির ও শহিদুল করিম।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. নভেম্বর ২০২১ ০১:০৩:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জেলহত্যা দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি ও দোয়া মাহফিল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জেলহত্যা দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি ও দোয়া মাহফিল

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জাতীয় জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে বুধবার(৩ নভেম্বর) সকালে জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ের সামনে বঙ্গবন্ধুসহ জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছে জেলা আওয়ামী লীগ।

জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক, সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি, সহ-সভাপতি ছানোয়ার হোসেন এমপি।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের  বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক তানভির হোসেন ছোট মনির এমপি, সহ-সভাপতি শামসুল হক ও আনিসুর রহমান আনিস, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর,  সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র সাহা ও জামিলুর রহমান মিরন, দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খান প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

পরে যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, ছাত্রলীগ, মহিলা লীগসহ অন্যান্য সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীরাও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে।

এর আগে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জেলা হত্যা দিবস উপলক্ষে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. নভেম্বর ২০২১ ০১:৪৪:এএম ৫ বছর আগে
উপ-নির্বাচনে জহুরুল ইসলাম আজাদ কাউন্সিলর নির্বাচিত - Ekotar Kantho

উপ-নির্বাচনে জহুরুল ইসলাম আজাদ কাউন্সিলর নির্বাচিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডে উপ-নির্বাচনে ২ হাজার ২৬৬ ভোট পেয়ে জহুরুল ইসলাম আজাদ (পানির বোতল) বেসরকারিভাবে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী মোশারফ হোসেন (ডালিম) পেয়েছেন ১ হাজার ৯২৮ ভোট।মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচমএম কামরুল হাসান তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে দুটি কেন্দ্র দুই ম্যাজিষ্ট্রেট সহ পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল হাসান জানান, ৭ হাজার  ২৭৬ জন ভোটারের মধ্যে ৪ হাজার ৯৩৫ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্বাচনে ৬৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।

এর মধ্যে জহুরুল ইসলাম আজাদ (পানির বোতল) পেয়েছেন ২ হাজার ২৬৬ ভোট, মোশারফ হোসেন (ডালিম) পেয়েছেন ১ হাজার ৯২৮ ভোট, মীর মঈনুল হক লিটন (উটপাখি) পেয়েছেন ৭২৫ ভোট, হাবিবুল হাসান কনক (পাঞ্জাবি) পেয়েছেন ১০ ভোট ও আমির হোসেন (টেবিল ল্যাম্প) পেয়েছেন ৬ ভোট। এছাড়াও ৩১ টি ভোট বাতিল ঘোষনা করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২০ জুন হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে কাউন্সিলর আনোয়ার সাদাৎ তানাকা মৃত্যুবরণ করেন। তারপর থেকে এই ওয়ার্ডটি শূন্য ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. নভেম্বর ২০২১ ০১:৪০:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু বলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন মুক্তিযোদ্ধা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু বলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন মুক্তিযোদ্ধা

একতার কন্ঠঃ রবিবার(৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টা। টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার আমতৈল পূর্বপাড়া গ্রামে ২নং বহেড়াতৈল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের নৌকা মার্কার পথসভা চলছিল। পথসভায় সভাপতিত্ব করছিলেন ওই এলাকারই বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল মালেক (মেলেটারী)।সভাপতির নির্ধারিত বক্তব্য দিচ্ছিলেন আবদুল মালেক। বক্তব্যের শেষে জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু বলেই তিনি বসে পড়লেন। ঢলে পড়লেন মৃত্যুর কোলে।

ওই পথসভায় উপস্থিত একাধিক কর্মী সমর্থক জানান, বক্তব্যের শেষে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু বলেই বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল মালেক দ্রুত বসে পড়েন।বসে পড়ার পাঁঁচ মিনিটের মধ্যেই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন এবং সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন। পরে সভায় উপস্থিত নেতাকর্মীরা তাঁকে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকও তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল মালেকের এমন মৃত্যুতে পরিবার, এলাকা ও মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেকের ছেলে কাদের হাসান জানান, বাবা অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। আজন্ম বঙ্গবন্ধুর ভক্ত ছিলেন তিনি।জয় বাংলা এবং বঙ্গবন্ধুর স্লোগান দিতে দিতেই তাঁর মৃত্যু হলো।

আবেগে আপ্লুত কাদের হাসান আরও বলেন, স্বপ্নেও ভাবিনি বাবার মুখে এটাই ছিলো আমাদের শোনানোর মতো শেষ কথা!
ওই পথসভায় উপস্থিত উপজেলা আওয়ামীলীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নজরুল ইসলাম নবু বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক আওয়ামী লীগের একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন। মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তেও তিনি যে বক্তব্য রেখে গেছেন, তা অবশ্যই আমাদের জন্য অনুসরণীয় ও অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ( ১ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল মালেক মেলেটারীর লাশ দাফন করা হবে।
৬০০

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. নভেম্বর ২০২১ ১১:২২:পিএম ৫ বছর আগে
জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রওশন এরশাদ - Ekotar Kantho

জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রওশন এরশাদ

একতার কন্ঠঃ বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ বার্ধক্যজনিত নানা রোগে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে বলে জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের।বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) একথা জানান জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান।

রওশন এরশাদ ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) রয়েছেন।

৭৮ বছর বয়সী রওশন এরশাদ বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছেন। গত বছরের মার্চের পর তাকে কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে দেখা যায়নি। এই সময়ের মধ্যে তিনি দুইবার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. অক্টোবর ২০২১ ০৫:৪৪:পিএম ৫ বছর আগে
সখীপুরে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হওয়ায় পাঁচজনকে আ.লীগ থেকে বহিষ্কার - Ekotar Kantho

সখীপুরে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হওয়ায় পাঁচজনকে আ.লীগ থেকে বহিষ্কার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার চারটি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হওয়ায় পাঁচজনকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) সকালে ডাকবাংলোতে অনুষ্ঠিত উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কুতুব উদ্দিন সভাপতিত্ব করেন। সভা শেষে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত শিকদার দুপুর ১২টায় সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

বহিষ্কৃত ব্যক্তিরা হলেনঃ- উপজেলার কাঁকড়াজান ইউপিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য মো. দুলাল হোসেন, বহেড়াতৈল ইউপিতে বর্তমান চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য গোলাম ফেরদৌস, যাদবপুর ইউপিতে সাবেক চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কোষাধ্যক্ষ খন্দকার বজলুর রহমান, বহুরিয়া ইউপিতে আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ১ নম্বর সদস্য নুরে আলম এবং একই ইউপির প্রার্থী আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য নিরাঞ্জন বিশ্বাস।

উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া বলেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নির্দেশে উপজেলার সব বিদ্রোহী প্রার্থীকে বহিষ্কারের জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের বলা হয়েছে। এ কারণেই আজকের সভায় বিদ্রোহীদের দল থেকে বহিষ্কারের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আজই(বৃহস্পতিবার) তাঁদের দল থেকে বহিষ্কারের চিঠি পৌঁছে দেওয়া হবে।

বহুরিয়া ইউপির চেয়ারম্যান প্রার্থী নিরাঞ্জন বিশ্বাস বলেন, ‘আমি একজন চলচ্চিত্র পরিচালক ও অভিনেতা। আমি আওয়ামী লীগ সমর্থন করি। তবে উপজেলায় বা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কমিটিতে কোথাও আমার নাম নেই। আমাকে বহিষ্কার করলেই কী আর না করলেই কী। আমি তো দলেই নেই।’

বহেড়াতৈল ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান গোলাম ফেরদৌস বলেন, ‘আমি দলীয় মনোনয়ন চাইনি। আমি বিদ্রোহী নই। আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী। তাই আমার বহিষ্কার কার্যকর হবে না।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. অক্টোবর ২০২১ ০২:৪২:এএম ৫ বছর আগে
আটিয়া ইউপিতে চেয়ারম্যান প্রার্থীর মৃত্যুতে ওই পদে নির্বাচন স্থগিত - Ekotar Kantho

আটিয়া ইউপিতে চেয়ারম্যান প্রার্থীর মৃত্যুতে ওই পদে নির্বাচন স্থগিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়ন পরিষদে এক প্রার্থীর মৃত্যুতে চেয়ারম্যান পদের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আতিয়ার রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আগামী ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপে আটিয়া ইউনিয়নে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিলো। কিন্ত চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান বাবুল উজ্জামান মোল্লা (৪১) সোমবার রাতে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ১১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে বাবুল উজ্জামান মোল্লা স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন। হঠাৎ তার মৃত্যু হওয়ায় নির্বাচন বাতিল চেয়ে কমিশনে চিঠি পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত চেয়ারম্যান পদের নির্বাচন স্থগিত থাকবে। এ ইউনিয়নের মোট ভোটার সংখ্যা ২৪ হাজার ৩২২ জন।

এদিকে বাবুল উজ্জামান মোল্লার মৃত্যুতে তার পরিবার ও নেতা-কর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি আটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন।

জেলা নির্বাচন অফিসার এএইচএম কামরুল হাসান বলেন, ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। তবে সদস্য পদের নির্বাচন হবে কি না সেটা কমিশনের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. অক্টোবর ২০২১ ০১:৫৬:এএম ৫ বছর আগে
সাবেক মেয়র মুক্তি’র জামিন আবেদন ফের নামঞ্জুর - Ekotar Kantho

সাবেক মেয়র মুক্তি’র জামিন আবেদন ফের নামঞ্জুর

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আসামি সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন আবেদন না মঞ্জুর হয়েছে।সোমবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে এ বিষয়ে শুনানি শেষে এমন আদেশ দিলেন আদালত।এ নিয়ে মোট ১৬ বার তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হল।

সহিদুর টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানার ভাই এবং ওই আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় বর্তমান এমপি আতাউর রহমান খানের ছেলে। প্রায় ১১ মাস ধরে কারাগারে রয়েছেন।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌসুলি মনিরুল ইসলাম জানান, প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মুক্তির আইনজীবীরা তার জামিন আবেদন করেছিলেন। সোমবার (২৫ অক্টোবর) এই আবেদনের শুনানিতে তারা যে কোনো শর্তে সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন প্রার্থনা করেন। শুনানি শেষে বিচারক মাসুদ পারভেজ তাদের আবেদন নামঞ্জুর করেন।

ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পর দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক থাকার পর গত ২ ডিসেম্বর সহিদুর রহমান খান মুক্তি টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। তারপর থেকে তিনি টাঙ্গাইল জেলা কারা হেফাজতে আছেন।

গত ১৮ আগস্ট সহিদুর রহমান খান মুক্তি কারাগারে অসুস্থ হওয়ার পর তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে আনা হয়েছিল। সেখানে প্রায় এক মাস চিকিৎসা শেষে তাকে আবার টাঙ্গাইল কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ মরদেহ তার কলেজ পাড়া বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশ আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দুই জনকে গ্রেপ্তার করে।

আদালতে এ দু’জনের দেওয়া স্বাীকারোক্তিতে এই হত্যার সঙ্গে তৎকালীন এমপি আমানুর রহমান খান রানা, তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে। এরপর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পন করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। তাদের অন্য দুই ভাই এখনও পলাতক।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. অক্টোবর ২০২১ ১২:২০:এএম ৫ বছর আগে
আ’লীগের পালানোর ইতিহাস নেই, বিএনপি সব সময়ই পলায়নপর দলঃ কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

আ’লীগের পালানোর ইতিহাস নেই, বিএনপি সব সময়ই পলায়নপর দলঃ কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ আওয়ামীলীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী ডক্টর মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, আওয়ামী লীগের ভিত্তি ও শক্তি হল এদেশের জনগণ। জনগণের কল্যাণে ও জীবনমান উন্নয়নে আওয়ামী লীগ আন্দোলন, সংগ্রাম ও কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশে দীর্ঘ ২১ বছরের শত জুলুম-নির্যাতনের মধ্যেও আওয়ামী লীগের পালানোর ইতিহাস নেই। আওয়ামী লীগ দেশ স্বাধীন করেছে; এই দল, দলের নেতাকর্মী ও দল প্রধান কোনদিন দেশ এবং জনগণকে ছেড়ে পালাবে না।

মির্জা ফখরুলকে মন্ত্রী বলেন, বিএনপি সবসময়ই পলায়নপর দল। দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে ও দু:সময়ে তারা কখনই এগিয়ে আসে নি, বরং পালিয়ে পালিয়ে থেকেছে। দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বন্দুকের নলের মুখে- ক্যাণ্টনমেণ্টে। জনগণের সাথে আপনাদের কোন সম্পর্ক নেই। জনগণের কল্যাণে আপনারা কখনও কোন কাজ করেন নি। ধনী-বণিক ও সুযোগসন্ধানীদের জন্য কাজ করেছেন।

তাই আপনারা সবসময়ই জনবিচ্ছিন্ন ছিলেন- এখনও জনবিচ্ছিন্ন আছেন, ভবিষ্যতেও থাকবেন। মন্ত্রী বলেন, আপনাদের মুখে পালানোর কথা মানায়না, পালাবেন তো আপনারা। আপনাদের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট বিদেশে পালিয়ে থেকে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে দল চালাচ্ছে। আপনারা আর কোনদিন এদেশের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাবেন না।

বুধবার(১৩ অক্টোবর) টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে স্থানীয় গরীব, অসহায় ও দু:স্থ ব্যক্তির মাঝে ঢেউটিন ও অর্থ সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ধনবাড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ হীরা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সামিউল হক, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শামছুল হুদা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার জেব-উন-নাহার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর ফারুক আহমাদ প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. অক্টোবর ২০২১ ১২:৪৬:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।