একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আসামি সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খানের (মুক্তি) জামিন আবেদন আবারও নামঞ্জুর করেছেন আদালত।বুধবার (৩০ জুন) টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। সহিদুর ফারুক হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাবেক সাংসদ আমানুর রহমান খান রানার ভাই।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মনিরুল ইসলাম খান বলেন, ফারুক হত্যা মামলায় গত বছরের ২ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণের পর আদালত সহিদুর রহমান খানের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আরও আটবার তাঁর জামিন আবেদন আদালত নামঞ্জুর করেন। গত সোমবার সহিদুরের পক্ষে তাঁর আইনজীবী আবদুল বাকী ও আরফান আলী মোল্লা জামিন আবেদন করেন। আদালত বুধবার শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পিপি মনিরুল ইসলাম খান ও বাদীপক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম জামিনের বিরোধিতা করেন।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তাঁর কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর তাঁর স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে।
আদালতে দুজনের দেওয়া স্বীকারোক্তিতে এই হত্যার সঙ্গে তৎকালীন সাংসদ আমানুর রহমান খান, তাঁর তিন ভাই তৎকালীন টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র সহিদুর রহমান খান, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে। এরপর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় ৩ বছর হাজতবাসের পর জামিনে মুক্তি পান। সহিদুর রহমান খান মুক্তি গত বছরের ২ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ করেন। তাঁর অন্য দুই ভাই এখনো পলাতক রয়েছে ।
একতার কণ্ঠঃ করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায়, বুধবার (৩০ জুন) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলছে না। দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ইবতেদায়ি ও কওমি মাদ্রাসায় চলমান ছুটি আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে ।
মঙ্গলবার (২৯ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘সারা দেশে করোনা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। লকডাউনও কার্যকর হয়েছে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তার বিবেচনায় এবং কোভিড ১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির সঙ্গে পরামর্শক্রমে এই ছুটি বৃদ্ধি করা হয়েছে। সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী ছুটি ছিল ৩০ জুন পর্যন্ত ।’
করোনা সংক্রমণের কারণে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ক্লাস চলতে থাকে অনলাইনে। পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বিটিভি ও সংসদ টিভিতে নেয়া হয় ক্লাস।
তবে শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশই শিক্ষণের এই প্রক্রিয়া থেকে দূরে রয়েছে বলে নানা জরিপে উঠে এসেছে। বিশেষ করে গ্রাম এলাকায় ও নিম্ন আয়ের মানুষদের সন্তানরা আদৌ পড়ালেখার মধ্যে আছে কি না, এ নিয়ে আছে প্রশ্ন। জরিপে জানা যায়, প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থী মারাত্মক সমস্যায় পড়েছে।
এছাড়া, প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে এসএসসি ও এপ্রিলে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হলেও এ বছর করোনার কারণে এ দুটি গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষা এখনও নেয়া সম্ভব হয়নি। গত বছর এসএসসি পরীক্ষা নেয়া গেলেও এইচএসসিতে শিক্ষার্থীদের অটোপাস দেয় সরকার। পরীক্ষার নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ায়, শিক্ষার্থী-অভিভাবক-শিক্ষকরা পরীক্ষা নিয়ে উদ্বেগে আছেন।
এ পরিস্থিতিতে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, শুরুতে জানিয়েছিলেন এ বছর অটোপাস দেওয়ার ইচ্ছা সরকারের নেই। কিছুদিন আগে মন্ত্রী জানান, পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হলে বিকল্প পদ্ধতিতে মূল্যায়নের চেষ্টা করছে সরকার।
এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের সব শিক্ষার্থীকে করোনা ভাইরাসের টিকা দেয়ার পরই বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়ার জন্য সরকারকে সুপারিশ করবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।
একতার কণ্ঠঃ দুই বছরেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে পারেনি টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা ছাত্রলীগ। ফলে ছয় সদস্যের কমিটি দিয়েই কোনোরকম চলছে কমিটি। তবে দলীয় কার্যক্রমে সক্রিয় নন সেই ছয়জনের কয়েকজন।
২০১৯ সালের ২৪ মার্চ তৎকালীন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী স্বাক্ষরিত পত্রে এক বছর মেয়াদী উপজেলা ছাত্রলীগ কমিটি ঘোষণা করা হয়।
পত্রে উল্লেখ করা হয়, শর্ত ভঙ্গ করলে ওই কমিটি বাতিল বলে গণ্য হবে। ওই পত্রে শরীফুল ইসলাম শরীফ সভাপতি ও রাসেল আল মামুনকে সাধারণ সম্পাদক করে ছয় সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়। আগামী ৩০ দিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার শর্ত দেয়া হয়। কিন্তু দুই বছরের অধিক সময় পার হলেও টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা ছাত্রলীগ তাদের কমিটি পূর্ণাঙ্গ করতে পারেনি।
এছাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সঙ্গে জেলা ছাত্রলীগ, উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের সঙ্গে সাংগঠনিক যোগাযোগ না থাকায় ওই কমিটি অকার্যকর হয়ে পড়েছে।
কমিটির ছয় সদস্য হলেন- সভাপতি শরীফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রাসেল আল মামুন, সহসভাপতি-১ আল মাহমুদ প্রান্ত, সহসভাপতি-২ আব্দুল রউফ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জামিল মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান হোসেন।
এদের মধ্যে সভাপতি শরীফুল ইসলামের গোপন বিয়ে ও পরে বিচ্ছেদের বিষয়টি ফাঁস হয়ে যাওয়ায় উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় অকার্যকর কমিটিকে আনুষ্ঠানিক বাতিল ঘোষণা করে নতুন কমিটি গঠনের মাধ্যমে উপজেলা ছাত্রলীগকে সক্রিয় ও গতিশীল করার দাবি জানিয়েছেন মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি আল মাহমুদ প্রান্ত বলেন, ‘গত দুবছরে কমিটির একটি সভাও হয়নি। শরীফুল ইসলাম শরীফ সভাপতি হওয়ার পর ২০২০ সালের ১৯ জানুয়ারি রেজিস্ট্রিমূলে গোপনে বিয়ে করেন। নিয়ম অনুযায়ী বিয়ের অপরাধে তিনি অনেক আগেই বাদ পড়েছেন। এছাড়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জামিল মাহমুদ সরকারি চাকরি করছেন ও সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান হোসেন কোভিড-১৯ এর আগেই বিদেশে পাড়ি জমান। ফলে নীতিগতভাবে কমিটি এখন বিলুপ্ত।’
সরকারি মুজিব কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি খন্দকার রকিবুল হাসান বিজয় বলেন, ‘উপজেলা ছাত্রলীগ ছয় সদস্য থেকে কমে গিয়ে তিন সদস্য হয়েছে। আইনত সখীপুর ‘উপজেলা ছাত্রলীগ’ বলতে কিছুই নেই। তাই আমরা ছাত্রলীগকে গতিশীল ও কার্যকরী করতে নতুন কমিটি চাই। যাদের নেতৃত্বে উপজেলা ছাত্রলীগ সক্রিয় ও গতিশীল হবে।’
এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রনি আহমেদ বলেন, ‘ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করে কোনো সম্মেলন ছাড়াই কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে আঁতাত করে ছয় সদস্যের একটি কমিটি অনুমোদন আনেন। কেন্দ্রীয় কমিটির শর্তানুযায়ী ওই কমিটি বাতিল বলে গণ্য হয়েছে। সেই শর্ত মোতাবেক সখীপুর উপজেলা ছাত্রলীগের কোনো কমিটি নেই। শিগগিরই সখীপুর উপজেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে।’
গোপনে বিয়ে করা ও সম্প্রতি বিচ্ছেদের বিষয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফ বলেন, ‘উপজেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি করে অনেক আগেই বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে জমা দেয়া হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির কারণে ওই কমিটি এখনো পাশ হয়নি।’
জেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল বলেন, ‘সভাপতির বিয়ের বিষয়টি আমিও শুনেছি। যেহেতু কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ ওই উপজেলা কমিটি দিয়েছে, সে জন্য এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় কমিটিই দিবে।’
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে গ্রাহকের কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় উপজেলার ফুলকী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সারোয়ার হোসেন সবুজকে বহিস্কার করা হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের সাথে পরামর্শ ক্রমে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাসাইল উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কামরান খান বিপুল।
জানা যায়, উপজেলার ফুলকী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সবুজের বিরুদ্ধে ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠে। এ নিয়ে গত বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) বিভিন্ন অনলাইন ও পত্রিকায় সংবাদ প্রচার হয়। সংবাদ প্রচারের পরপরই টনক নড়ে কর্তৃপক্ষের। শুক্রবার রাতে এক জরুরী সভায় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতির পদ থেকে সবুজকে বহিস্কার করা হয়। উপজেলা আহ্বায়ক ও যুগ্ম আহ্বায়ক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সবুজ ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের গ্রাহকদের টাকা আত্মসাৎ, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও ছাত্রলীগের ভাবমূর্তি নষ্ট করার কারণে তাকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।
বাসাইল উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কামরান খান বিপুল জানান, জেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দদের সাথে পরামর্শক্রমে আমরা উক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। সবুজকে স্থায়ী বহিস্কারের বিষয়ে আমরা জেলা কমিটিকে জানিয়েছি বলেও তিনি জানান।
সবুজের চাচাতো ভাই আরিফ সরকার বলেন, গত ১৫ দিন যাবৎ সবুজ পলাতক রয়েছে। তার কোন প্রকার খোঁজ আমরা পাচ্ছি না। যে সকল গ্রাহকদের টাকা নিয়ে সে পালিয়েছে, পারিবারিকভাবে তাদের টাকা পরিশোধ করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।
উল্লেখ্য, তিন বছর আগে ডাচ্-বাংলা কেন্দ্রীয় ব্যাংক উপজেলার আইসড়া বাজারে এজেন্ট ব্যাংকিং বুথ চালু করে। বাসাইলের ফুলকী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সবুজ ব্যাংকটির এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন। ব্যাংকিং কার্যক্রমের আড়ালে তিনি গ্রাহকদের কোটি টাকা আত্মসাৎ করে গাঁ ঢাকা দেয়।
একতার কণ্ঠঃ করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং টাঙ্গাইল রাইফেল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম.এ রকিব শামীম মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।শুক্রবার(২৫জুন) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খান নিশ্চিত করেছেন।
সূত্র জানায়, ঠান্ডা-জ্বর, কাশি, শরীর ব্যথা অনুভব হলে গত ১৮ জুন তিনি করোনা ভাইরাসের পরীক্ষার জন্য নমুনা দেন। গত ২০ জুন রিপোর্টে জানতে পারেন তিনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। পরে ২২ জুন তিনি ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। দীর্ঘদিন যাবৎ তিনি কিডনি সমস্যা ভুগছিলেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকালে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থান জামে মসজিদ মাঠে এম.এ রকিব শামীমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। তাকে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থানে দাফন করা হবে।
তার মৃত্যুতে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল রহমান খান ফারুক, সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম ভিপি জোয়াহের এমপি, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ও রাইফেল ক্লাবের সভাপতি ড. আতাউল গনি গভীর শোক প্রকাশ ও তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বাসাইল উপজেলার ফুলকী ইউনিয়নে আইসড়া বাজারে ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিং এর এজেন্ট গ্রাহকের কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এজেন্টের নাম সারোয়ার হোসেন সবুজ। সে বাসাইল উপজেলার ফুলকী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি।অভিযুক্ত সবুজ ফুলকী ইউনিয়নের আইসড়া গ্রামের মারিফত মিয়ার ছেলে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) সকালে গ্রাহকরা তাদের টাকা ফেরতের দাবীতে আইসড়া বাজারে অবস্থিত আইসড়া ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিং বুথ ঘেরাও করে মিছিল সমাবেশ করেছে।
জানা যায়, তিন বছর আগে ডাচ্-বাংলা কেন্দ্রীয় ব্যাংক আইসড়া বাজারে এজেন্ট ব্যাংকিং বুথ চালু করে। বাসাইলের ফুলকী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সবুজ এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন। বাজারে একটি দালান ভাড়া নিয়ে এজেন্ট ব্যাংকিং শুরু করেন। আইসড়া গ্রাম তাঁত সমৃদ্ধ এবং অনেক মানুষ প্রবাসী হওয়ায় তাদের স্ত্রী এবং তাদের পরিবারকে টার্গেট করেন সবুজ। ব্যাংকিং নীতিমালা উপেক্ষা করে সাধারণ রেটের চেয়ে উচ্চ হারের রেটের প্রলোভন দেখিয়ে ব্যাংকে টাকা জমা রাখতে প্রলুব্ধ করেন। অতি মুনাফার আশায় গ্রামের অনেক মানুষ বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা এবং আইসড়া বাজারের ব্যবসায়ীরা এজেন্ট ব্যাংকে টাকা জমা রাখেন।
অতি সম্প্রতি জমাকৃত টাকা উত্তোলন করতে গিয়েস গ্রাহকরা দেখেন তাদের জমানো টাকা ব্যাংক হিসেবে নেই। এজেন্ট সবুজের কাছে টাকা বিষয়ে জানতে চাইলে সে বিভিন্ন গ্রাহকে টাকার দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে টালবাহানা শুরু করেন এবং গ্রাহকেদের ঘুরাতে থাকেন। টাকা না পেয়ে গ্রাহকরা বিক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেন। তাদের জমানো টাকা পাওয়ার আশায় বাজারে সালিশী বৈঠক বসান। সেখানে সবুজ টাকা ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রতি দেন। হঠাৎ করে গত সাতদিন ধরে সবুজ এজেন্ট ব্যাংকিং বন্ধ করে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় গ্রাহকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে মিছিল সমাবেশ করেন।
সরেজমিন তথ্য নিয়ে জানা গেছে, গ্রাহক রুম্পা বেগমের ১৪ লাখ টাকা, আফজাল হোসেনের ৯ লাখ টাকা, রাজু আহমেদের ৭ লাখ টাকা, জলি বেগমের পৌঁনে ৪ লাখ টাকা, বাজারের চা বিক্রেতা আবুল হোসেনের ১ লাখ টাকা, ইতি খানের ৪০ হাজার টাকাসহ অসংখ্য গ্রাহকের প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়ে গেছে এজেন্ট সবুজ।
ক্ষুব্ধ দোকানদার রাজু বলেন, তিনি পাঁচ লাখ জমা দিয়ে প্রতারিত হয়েছেন। ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিং এর টাঙ্গাইল অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা এর পেছনে জড়িত রয়েছে। তা নাহলে সবুজ জমাকৃত কোটি টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সাহস পেত না। আত্মসাতের সাথে জড়িতদের বিচার ও টাকা ফেরতের দাবি জানান তিনি।
গ্রাহক ইতি খান অভিযোগ করে বলেন, তিনি বিশ্বাস করে ব্যাংকে টাকা রেখেছেন। সবুজ এমন প্রতারণা করবে বুঝতে পারেননি তিনি। প্রথম যখন তিনি টাকা জমা রাখতেন তখন মোবাইলে এসএমএস আসতো। পরবর্তীতে ব্যাংকে টাকা জমা দিলে এসএমএস আসতো না। এ বিষয়ে ব্যাংকে জানালে তারা বলতো সার্ভার বিকল হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্থ আফজাল হোসেন বলেন, বিদেশে থেকে পাঠানো ৯ লাখ টাকা তার মা ও স্ত্রী জমা রেখেছে। উচ্চ হারের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের টাকা জমা রাখতে বাধ্য করেছে। তারাও গ্রামের ছেলে হিসেবে সবুজকে বিশ্বাস করেছে। দেশে এসে টাকা উঠাতে গেলে জানতে পারেন টাকা নিয়ে পালিয়েছে সবুজ।
এ প্রসঙ্গে ফুলকী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, গ্রাহকের টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে গত তিন দিন আগে আইসড়া বাজারের সকল গ্রাহক, ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং পলাতক সবুজের বাবাকে নিয়ে সালিশী বৈঠকে বসা হয়। সবুজের বাবা তার সম্পতি বিক্রি করে গ্রাহকের টাকা পরিশোধের রাজি হন। সকলের উপস্থিতিতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের হিসাবের ভিত্তিতে সবুজের বাবা টাকা পরিশোধ করবেন বলে সালিশি বৈঠকে জানান।
বাসাইল উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কামরান খান বিপুল বলেন, সবুজ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি। সে একটি ব্যাংকের এজেন্ট ছিল। বহু গ্রাহকের টাকা নিয়ে পালিয়েছে বলে শুনেছি। এ ঘটনায় তাকে পদ থেকে অব্যহতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে উপজেলা ছাত্রলীগ। উপযুক্ত প্রমাণ পেলে, তাকে সংগঠন থেকে বহিস্কার ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
টাঙ্গাইল ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিং অফিসের ব্যবস্থাপক আব্দুর রউফ বলেন, বিষয়টি নিয়ে ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ একটি বৈঠক করেছে। স্থানীয় লোকজনকে সাথে নিয়ে গ্রাহকদের টাকা পরিশোধের চেষ্টা করা হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। করোনা সংক্রমণে কঠোর বিধিনিষেধ চলমান থাকায় বুধবার(২৩ জুন) সকালে শহরের মেইন রোডস্থ জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এছাড়া জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে দিনব্যাপী কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খান, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র ও শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, দেলদুয়ার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মারুফ প্রমুখ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। পরে আওয়ামীলীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতাকর্মী পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুস্পার্ঘ অর্পন করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলায় মুজিব বর্ষে দ্বিতীয় ধাপে এক হাজার ১৩০টি ভূমি ও গৃহহীন পরিবার সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় কবুলিয়ত দলিলসহ নব-নির্মিত বাসগৃহ পেয়েছেন। রবিবার (২০ জুন) সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ওই বাসগৃহ হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে উপকারভোগীদের হাতে বাসগৃহের কবুলিয়ত দলিল তুলে দেন সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক, জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গণি, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর প্রমুখ।
এ সময় জেলার বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা, জেলা-উপজেলার কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধি ও উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন। জেলার ১২টি উপজেলায় স্ব স্ব আসনের সংসদ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা বাসগৃহের কবুলিয়ত দলিল উপকারভোগীদের হাতে তুলে দেন।
প্রকাশ, টাঙ্গাইল জেলায় এক হাজার ১৩০টি ঘরের মধ্যে ৭৪৮টি ইতোমধ্যে নির্মাণ করা হয়েছে, বাকি ৩৮২টি ঘরের নির্মাণ কাজ আগামি ৩০ জুনের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার সাদাৎ তানাকা শনিবার(১৯ জুন) দিনগত রাতে পারদিঘুলিয়ার নিজ বাসায় ঘুমের মধ্যে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেছেন(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
তিনি শহরের পারদিঘুলিয়ার বীরমুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ বীরবিক্রমের জ্যেষ্ঠ পুত্র ও জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৬ বছর। তিনি মা, বাবা, স্ত্রী এক ছেলে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
কাউন্সিলর আনোয়ার সাদাৎ তানাকার বাবা আবুল কালাম আজাদ বীরবিক্রম জানান, প্রতিদিনের ন্যায় তানাকা শনিবার (১৯ জুন) রাতে ঘুমোতে যায়। রোববার(২০ জুন) সকালে তার মা ঢাকা যাওয়ার সময় তাকে ডাকাডাকি করেন। ঘুম থেকে না উঠায় শরীর ধরে ধাক্কা দেন। কোন সাড়া না দেওয়ায় দ্রুত তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। রোববার বাদ যোহর পারদিঘুলিয়া জামে মসজিদে তার জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজা নামাজে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন, সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানা, পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আলমগীর খান মেনু, জেলা বাস কোচ মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড়মনি, জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মির্জা আনোয়ার হোসেন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক মাতিনুজ্জামান খান সুখন, পৌরসভার কাউন্সিলরবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেয়। পরে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
প্রসঙ্গত, গত ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইল পৌরসভা নির্বাচনে আনোয়ার সাদাৎ তানাকা ৪নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন।
একতার কণ্ঠঃ সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইলেও জেলা বিএনপির উদ্যোগে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শুক্রবার(১৮ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের পদ্মমনি (বড়) পুকুর পাড়ে এ বৃক্ষ রোপন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছাইদুল হক ছাদু, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, জেলা বিএনপির সহ সভাপতি সাদেকুল আলম খোকাসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিবেশ বান্ধব নিম গাছের চারা রোপন করা হয়। জেলার অন্যান্য উপজেলা পর্যায়েও বৃক্ষ রোপন করা হবে বলেও দলীয় সূত্র জানান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ৬ নং দিঘলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম (৫২) করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি—-রাজেউন)। শুক্রবার (১৮ জুন) সকাল ১১টার দিকে তিনি মারা যান। তার গ্রামের বাড়ি উপজেলার নাটশালা গ্রামে।
স্থানীয় প্রশাসন ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি তিনি করোনা উপসর্গ নিয়ে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে নমুনা পরীক্ষায় তার করোনা পজেটিভ আসে। সেখান থেকে তিনি গত বুধবার বাড়িতে চলে আসেন। বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকাকালে শুক্রবার সকালে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে তিনি মারা যান। তিনি দিঘলকান্দি ইউনিয়নের দুই বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন।
মৃত্যুকালে তিনি চার মেয়ে ও এক স্ত্রীসহ বহু গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তার এক মেয়েও করোনায় আক্রান্ত। স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশক্রমে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুক্রবার বাদ আছর নাটশালা দক্ষিনপাড়া জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি নাটশালা গ্রামের পারিবারিক গোরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। তার মৃত্যুতে আওয়ামীলীগ, বিএনপি সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা শ্রমিক ফেডারেশন ও আওয়ামীলীগ সমর্থক পরিবারের ব্যানারে সোমবার(১৪ জুন) সকাল ৬ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত শ্রমিকদের কর্মবিরতি পালন করা হয়েছে। এই কর্মবিরতি পালন কালে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে এক কাউন্সিলরের কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য, জেলা রিকশা ও হোটেল শ্রমিকদের উপর কথিত ‘খান পরিবারের’ হামলা ও হুমকির প্রতিবাদ এবং বীরমুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদের হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে ওই কর্মসূচি পালন করা হয়।সোমবার সকালে শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে শ্রমিকরা খন্ড খন্ড বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে একত্রিত হয়। পরে বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমি মিলনায়তনে সমাবেশে মিলিত হয়।
টাঙ্গাইল জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. বালা মিয়ার সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল-২(গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান ছোট মনির, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক মেয়র জামিলুর রহমান মিরন, জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনি, বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক চিত্র রঞ্জন সরকার, জেলা অটোরিকশা শ্রমিক সমিতির সভাপতি আব্দুস সবুর মিয়া, জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি কোরবান আলী, জেলা নির্মাণ প্রকৌশল শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি বিপ্লব সবুর খান, টাঙ্গাইল পৌরসভার কাউন্সিলর আমিনুর রহমান আমিন ও আতিকুর রহমান মোর্শেদ প্রমুখ। সমাবেশ পরিচালনা করেন, জেলা আওয়ামী যুবলীগ নেতা মুন্সী তারেক পটন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, জেলা আওয়ামীলীগের জনপ্রিয় নেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলায় আসামি হয়ে তথাকথিত ‘খান পরিবারের’ চার ভাই আত্মগোপণে চলে যাওয়ার পর টাঙ্গাইলের মানুষ অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছিল। কিন্তু খান পরিবারেরর এক ভাই আমানুর রহমান খান রানা জামিনে মুক্ত হওয়ার পর থেকে তারা আবার টাঙ্গাইলকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ইতোমধ্যে তারা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে পেটে রিভলভার ঠেকিয়ে হত্যার হুমকি দিয়ে শহর ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। শ্রমিকদের উপর হামলা করা হচ্ছে, হুমকি দিয়ে শ্রমিকদের কাজ বন্ধ করে দেওয়ার পায়তারা করছে।
বক্তারা শ্রমিকদের উপর হামলা ও হুমকি বন্ধ এবং বীরমুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদের হত্যাকারীদের ফাঁসি দাবি করেন।
এরআগে জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের আহ্বানে সোমবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত শ্রমিকরা কর্মবিরতি পালন করে।